চালু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশের সব স্থলবন্দর

চালু হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশের সব স্থলবন্দর

পর্যটক ছাড়া সবাই খুলে দেয়া বন্দরগুলো দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে পারবেন এবং বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য কোনো ধরনের ‘নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট’ প্রয়োজন হবে না।

করোনা পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে ভারতের সঙ্গে থাকা সব স্থলবন্দর খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

রোববার থেকে চালু হবে পাঁচটি বন্দর। এর আগে চালু হয়েছিল আরও পাঁচটি। ফলে এখন থেকে ১০টি বন্দরের প্রতিটি খোলা থাকবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, পর্যটক ছাড়া সবাই খুলে দেয়া বন্দরগুলো দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকতে পারবেন এবং বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য কোনো ধরনের ‘নো-অবজেকশন সার্টিফিকেট’ প্রয়োজন হবে না।

এক আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

সেই কর্মকর্তা বলেন, ‘দুই দেশের করোনা মহামারি পরিস্থিতি উন্নতির কারণে আমরা স্থলবন্দরগুলো খুলে দেয়ার এই সিদ্ধান্ত সরকারের।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব মাশফি বিনতে সামস নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্থলবন্দরগুলো অনেক দিন ধরে বন্ধ থাকায় পুনরায় কার্যক্রম শুরু করতে সংশ্লিষ্টদের কয়েক দিন সময় দরকার।’

গত ২৫ এপ্রিল থেকে স্থলবন্দর দিয়ে আগমন-নির্গমন বিষয়াদি পর্যবেক্ষণের জন্য পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের নেতৃত্বে একটি আন্তমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি স্থলবন্দর সংলগ্ন জেলাগুলোর স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছে।

মাশফি বিনতে সামস বলেন, ‘আমরা গত পাঁচ মাসে ১০টি বৈঠক করেছি এবং স্থানীয় প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছি, যাতে ভারত থেকে কোভিড বাংলাদেশে দ্রুত ছড়াতে না পারে।’

তিনি বলেন, ‘এর সুফলও আমরা পেয়েছি। কারণ, ভারতে যখন প্রকোপ কমেছে, তখন বাংলাদেশে সংক্রমণ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু ওই সময়ে আমরা ভারত থেকে প্রয়োজনীয় আমদানি করতে পেরেছি, যা অন্য সময় সহজ হতো না।’

আরও পড়ুন:
ভোমরা বন্দরে ভারতীয় ট্রাকচালকদের অবাধ চলাচল
শেড নির্মাণ নিয়ে হট্টগোল: সাড়ে ১৯ ঘণ্টা পর চালু হিলি
সোনাহাটে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ৬ দিন
ঈদে বাংলাবান্ধা বন্দর ১২ দিন বন্ধ
আরও দুটি স্থলবন্দর পাচ্ছে সিলেট

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জায়গা না পাওয়ায় পিসিআর ল্যাব বসাতে দেরি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জায়গা না পাওয়ায় পিসিআর ল্যাব বসাতে দেরি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

টিবি হাসপাতালে ওয়ান স্টপ সেন্টার ও রিজিওনাল টিবি ল্যাবরেটরি উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,‘খোলা আকাশের নিচে ল্যাব স্থাপনের জায়গা দিয়ে ছিল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। খোলা আকাশের নিচে কখনও ল্যাব স্থাপন করা যায় না। এ কারণে ল্যাব বসাতে দেরি হচ্ছে। এখন সঠিক জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করি দ্রুত ল্যাব স্থাপনের কাজ শেষ হবে।’

কর্তৃপক্ষ সঠিক জায়গা না দেয়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব বসতে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রাজধনীর শ্যামলীতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টিবি হাসপাতালে মঙ্গলবার বেলা ১২ টায় ওয়ান স্টপ সেন্টার ও রিজিওনাল টিবি ল্যাবরেটরি উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পিসিআর ল্যাব এখনো বসেনি। এতো দিন সঠিক জায়গায় দিতে পারেনি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। আজ প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ও প্রবাসী কল্যাণ সচিবসহ সবাইকে নিয়ে বন্দরের ভেতরে জায়গা নির্ধারণ করে আসলাম।’

তিনি বলেন, ‘খোলা আকাশের নিচে ল্যাব বসানোর জায়গা দিয়ে ছিল কর্তৃপক্ষ। খোলা আকাশের নিচে কখনও ল্যাব স্থাপন করা যায় না। এ কারণে ল্যাব বসাতে দেরি হচ্ছে। এখন সঠিক জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করি দ্রুত ল্যাব স্থাপনের কাজ শেষ হবে।’

বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সকাল ১০ টার দিকে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ সময় জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ কারণে সকালেই ৭টি প্রতিষ্ঠানের ‘স্টেটমেন্ট অব পারপাস’ (এসওপি) সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠানো হয়েছে। তবে দেশটি এখনো সাড়া দেয়নি। আমরা তাদের অপেক্ষায় আছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এসওপি পেলে ল্যাবের কাজ দ্রুত গতিতে সম্পন্ন হবে। তবে তাদের আবেদনের জন্য আমরা বসে না থেকে ভেতরে ভেতরে কাজ এগিয়ে নেব।’

ল্যাবের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাত প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন ও পার্কিংয়ের ছাদে জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

আরব আমিরাত সরকারের শর্ত অনুযায়ী, দেশটিতে প্রবেশ করতে হলে সঙ্গে থাকতে ৬ ঘণ্টা আগের করোনা নেগেটিভ সনদ। এ প্রেক্ষিতে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করে আসছেন দেশে আটকে পড়া প্রবাসীরা। মূলত এ কারণেই বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
ভোমরা বন্দরে ভারতীয় ট্রাকচালকদের অবাধ চলাচল
শেড নির্মাণ নিয়ে হট্টগোল: সাড়ে ১৯ ঘণ্টা পর চালু হিলি
সোনাহাটে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ৬ দিন
ঈদে বাংলাবান্ধা বন্দর ১২ দিন বন্ধ
আরও দুটি স্থলবন্দর পাচ্ছে সিলেট

শেয়ার করুন

ভারত যাওয়ার সময় দালালসহ গ্রেপ্তার ১৬

ভারত যাওয়ার সময় দালালসহ গ্রেপ্তার ১৬

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বিজিবি। ছবি: নিউজবাংলা

৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন বাংলাদেশ থেকে কয়েকজন অবৈধভাবে ভারতে যাচ্ছেন। এরপর অভিযান চালিয়ে সীমান্তবর্তী কানাইডাংগা গ্রামের একটি ব্রিজ থেকে সোমবার রাতে ১৬ জনকে আটক করা হয়।

ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করায় এক দালাল ও শিশুসহ ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

উপজেলার সীমান্তবর্তী যাদবপুর বিওপির আওতাধীন কানাইডাংগা গ্রামের একটি ব্রিজ থেকে সোমবার রাতে তাদের আটক করা হয়।

মঙ্গলবার তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, একজন নারী ও দুইজন শিশু।

এদের বাড়ি নড়াইল, ফেনী, খুলনা, কুষ্টিয়া ও গোপালঞ্জের বিভিন্ন এলাকায়।

গ্রেপ্তার দালালের নাম আসাদুল ইসলাম। তার বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পাতিবিলা গ্রামে।

মহেশপুর ব্যাটালিয়ন ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান মঙ্গলবার দুপুরে নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন বাংলাদেশ থেকে কয়েকজন অবৈধভাবে ভারতে যাচ্ছেন। এরপর অভিযান চালিয়ে সীমান্তবর্তী কানাইডাংগা গ্রামের একটি ব্রিজ থেকে সোমবার রাতে ১৬ জনকে আটক করা হয়।

মহেশপুর থানায় বিজিবি তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে হস্তান্তর করেছে। পুলিশ তাদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে বলেও জানান বিজিবির এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
ভোমরা বন্দরে ভারতীয় ট্রাকচালকদের অবাধ চলাচল
শেড নির্মাণ নিয়ে হট্টগোল: সাড়ে ১৯ ঘণ্টা পর চালু হিলি
সোনাহাটে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ৬ দিন
ঈদে বাংলাবান্ধা বন্দর ১২ দিন বন্ধ
আরও দুটি স্থলবন্দর পাচ্ছে সিলেট

শেয়ার করুন

ট্রেন লাইনচ্যুত: উদ্ধার কার্যক্রম শুরু

ট্রেন লাইনচ্যুত: উদ্ধার কার্যক্রম শুরু

স্টেশন কর্মকর্তা রাকিবুর রহমান বলেন, ‘ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। কখন উদ্ধার কার্যক্রম শেষ হবে ও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।’

গাজীপুরের টঙ্গীতে মালবাহী ট্রেনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।

রেলওয়ে কর্মকর্তারা মঙ্গলবার দুপুর পৌনে দুইটার দিকে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। এরপর ২টা ৪০ মিনিটে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় রেলওয়ের উদ্ধারকারী ক্রেন।

টঙ্গী জংশনের স্টেশন কর্মকর্তা রাকিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানান।

তিনি জানান, টঙ্গীর তিস্তারগেট এলাকায় পুবাইল হোমলাইনের ৪ নম্বর সিগন্যালে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকামুখী মালবাহী ট্রেনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে বগি ও লাইনের স্লিপার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটের ট্রেন চলাচল।

স্টেশন কর্মকর্তা রাকিবুর রহমান বলেন, ‘ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। কখন উদ্ধার কার্যক্রম শেষ হবে ও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে ১ নম্বর লাইন দিয়ে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল চলাচল স্বাভাবিক আছে।’

আরও পড়ুন:
ভোমরা বন্দরে ভারতীয় ট্রাকচালকদের অবাধ চলাচল
শেড নির্মাণ নিয়ে হট্টগোল: সাড়ে ১৯ ঘণ্টা পর চালু হিলি
সোনাহাটে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ৬ দিন
ঈদে বাংলাবান্ধা বন্দর ১২ দিন বন্ধ
আরও দুটি স্থলবন্দর পাচ্ছে সিলেট

শেয়ার করুন

‘মুকুটের মণি’ শেখ হাসিনা

‘মুকুটের মণি’ শেখ হাসিনা

টেকসই উন্নয়নের ওপর নবম বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি

জেফ্রি স্যাকস বলেন, ‘আমরা আপনার কথা শুনতে চাই। তার কারণও আছে। আমরা যখন পৃথিবীর দেশগুলোর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের অগ্রগতি বিশ্লেষণ করি, তখন দেখতে পাই, ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অগ্রগতিতে প্রথম হয়েছে বাংলাদেশ। এজন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ক্রাউন জুয়েল’ বা ‘মুকুটের মণি’ আখ্যায়িত করেছে আর্থ ইনস্টিটিউট, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গ্লোবাল মাস্টার্স অফ ডেভেলপমেন্ট প্র্যাকটিস এবং ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক।

২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন নিয়ে নবম বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানানোর সময় ‘ক্রাউন জুয়েল’ বা ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

সম্মেলনটির আয়োজক আর্থ ইনস্টিটিউট, কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, গ্লোবাল মাস্টার্স অফ ডেভেলপমেন্ট প্র্যাকটিস এবং ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্ক।

সম্মেলনে অংশ নেয়ার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সল্যুশনস নেটওয়ার্কের প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট উন্নয়ন অর্থনীতিবিদ জেফ্রি স্যাকস।

তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এই সম্মেলনে অংশ নেয়ায় আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনার সঙ্গে একসঙ্গে হতে পেরে আমরা উদ্বেলিত। শুরুতেই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে আমরা বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাতে চাই। এটি আসলে উদযাপনের সময়। যদিও বিশ্বজুড়ে মহামারির ভয়াবহতা চলছে, কিন্তু বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রায় আমরা শুভেচ্ছা জানাতে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথা শুনতে নিজের ব্যাকুলতাও প্রকাশ করেন জেফ্রি স্যাকস।

তিনি বলেন, ‘আমরা আপনার কথা শুনতে চাই। তার কারণও আছে। আমরা যখন পৃথিবীর দেশগুলোর টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের অগ্রগতি বিশ্লেষণ করি, তখন দেখতে পাই, ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অগ্রগতিতে প্রথম হয়েছে বাংলাদেশ। এজন্য আপনাকে অভিনন্দন জানাতে চাই।’

এসডিজি অর্জনে এই অগ্রগতির স্বীকৃতিও দেয়া হয়েছে বাংলাদেশকে। এসডিজি অর্জনে ২০১৫ থেকে ২০২০ পর্যন্ত বিভিন্ন সূচকে এগিয়ে থাকায় বাংলাদেশকে দেয়া হয় ‘এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড।’

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ সম্মাননা গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে জেফ্রি স্যাকস বলেন, ‘আমরা খুবই আনন্দিত এবং সম্মানিত অনুভব করছি, বাংলাদেশের জনগণের জন্য এটা আমরা দিতে পারছি। এসডিজি অর্জনে বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য আমরা আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

সম্মাননাটি গ্রহণ করে আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে এই পদক গ্রহণ করে আমি খুবই সম্মানিত। এই পদক দিয়ে বাংলাদেশের জনগণকে সম্মানিত করায় আমি আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

এসডিজি অর্জনে বাংলাদেশ আরও এগিয়ে যাবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এসডিজি অর্জনে আমাদের যে কর্মসূচি এবং এগিয়ে চলা, এই পদক তার স্বীকৃতি। এসডিজি অর্জনে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে, যাতে একটি মানুষও বঞ্চিত না থাকে।’

পদকটি পরে দেশের মানুষের প্রতি উৎসর্গ করেছেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার দেশের মানুষের প্রতি আমি এই পদক উৎসর্গ করতে চাই। স্বাধীনতা অর্জন থেকে আজকের যত অর্জন, সব হয়েছে দেশের মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য।’

আরও পড়ুন:
ভোমরা বন্দরে ভারতীয় ট্রাকচালকদের অবাধ চলাচল
শেড নির্মাণ নিয়ে হট্টগোল: সাড়ে ১৯ ঘণ্টা পর চালু হিলি
সোনাহাটে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ৬ দিন
ঈদে বাংলাবান্ধা বন্দর ১২ দিন বন্ধ
আরও দুটি স্থলবন্দর পাচ্ছে সিলেট

শেয়ার করুন

ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি: কাদের

ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি: কাদের

নির্বাচন চলাকালে সহিংসতায় দুজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন এবং পৌরসভা নির্বাচনে বিচ্ছিন্নভাবে দু-একটি দুঃখজনক ঘটনা, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত, অপ্রত্যাশিত। এ কথা সত্য যে গতকালের নির্বাচন পুরোপুরি সুষ্ঠু হয়নি। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বেড়েছে, দেখা গেছে স্বতঃস্ফূর্ততা।’

সারা দেশে সোমবার ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদে অনুষ্ঠিত নির্বাচন পুরোপুরি সুষ্ঠু হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। নির্বাচনের দিন কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে দুজনের প্রাণহানির ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ও ‘অপ্রত্যাশিত’ বলেও জানান তিনি।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন কাদের। এ সময় পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাচন কমিশন আরও কার্যকর এবং কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কাদের বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন এবং পৌরসভা নির্বাচনে বিচ্ছিন্নভাবে দু-একটি দুঃখজনক ঘটনা, বিশেষ করে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে কক্সবাজারে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত, অপ্রত্যাশিত। এ কথা সত্য যে গতকালের নির্বাচন পুরোপুরি সুষ্ঠু হয়নি। তবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ বেড়েছে, দেখা গেছে স্বতঃস্ফূর্ততা।’

সংবিধান অনুযায়ী সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনে নির্বাচন কমিশনকে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে আসছে বলেও জানান সরকারের এই মন্ত্রী। বলেন, ‘আমরা আশা করি নির্বাচন কমিশন পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও কার্যকর এবং কঠোর পদক্ষেপ নেবে।’

কাদের বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন তৃণমূলে গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করে, জবাবদিহির সুযোগ বাড়ায় এবং এর ফলে উন্নয়ন কার্যক্রম প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছে যায়।’

আস্থাহীনতার ফাঁদে পড়েছে বিএনপি

শীর্ষ নেতাদের ‘হঠকারিতা’ আর সরকারের বিরুদ্ধে ‘অতিমাত্রায় কৌশল’ করতে গিয়ে বিএনপি আস্থাহীনতার ফাঁদে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘দলীয় শীর্ষ নেতাদের হঠকারিতা আর সরকারের বিরুদ্ধে অতিমাত্রায় কৌশল করতে গিয়ে বিএনপি এখন আস্থাহীনতার ফাঁদে পড়েছে। তাই তারা এ ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না।’

কাদেরের ভাষ্য, এ ফাঁদ থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলেও নেতিবাচক আর দূর-নিয়ন্ত্রিত রিমোট কন্ট্রোলের রাজনীতি নিজেদের সংকটকে আরও গভীরে নিমজ্জিত করেছে বিএনপিকে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির কথা শুনলে মনে হয় দেশে একমাত্র তারাই গণতন্ত্রের ধারক, বাহক ও রক্ষক। তারাই গণতন্ত্রের সোল এজেন্ট।’

দলটি নিজেদের অতীত ভুলে গেছে বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতা। তিনি বলেন, ‘বিএনপি নিজেদের দ্বারা গণতন্ত্র হত্যার অতীত ভুলে গেছে, ভুলে গেছে সাংবাদিক হত্যার ইতিহাস। ভুলে গেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গণতন্ত্রের চলমান অগ্রযাত্রায় পদে পদে প্রতিবন্ধকতা তৈরির কথা। মুখে জনগণের অধিকার আর গণতন্ত্রের কথা বললেও নির্বাচনে অংশ না নেয়া বিএনপির স্পষ্ট দ্বিচারিতা।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করতেও ছাড়েননি ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা।

কাদের বলেন, ‘যিনি দলের মহাসচিব নির্বাচিত হয়ে সংসদে যান না, অথচ জনগণের অধিকারের কথা বলেন, এ থেকে বোঝা যায় তাদের কথা ও কাজে কোনো মিল নেই। বিএনপি চর্চা করে দ্বৈতনীতি। এ কারণে তাদের প্রার্থীদের ওপর ভোটারদের আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে।’

ভরাডুবি এড়াতে বিএনপি নির্বাচন থেকে দূরে সরে গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন থেকে দূরে সরে যাওয়া মানে জনগণ থেকে দূরে সরে যাওয়া, যা প্রকারান্তরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।’

আরও পড়ুন:
ভোমরা বন্দরে ভারতীয় ট্রাকচালকদের অবাধ চলাচল
শেড নির্মাণ নিয়ে হট্টগোল: সাড়ে ১৯ ঘণ্টা পর চালু হিলি
সোনাহাটে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ৬ দিন
ঈদে বাংলাবান্ধা বন্দর ১২ দিন বন্ধ
আরও দুটি স্থলবন্দর পাচ্ছে সিলেট

শেয়ার করুন

রেস্টহাউসে ‘ধর্ষণ’, রেল কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা

রেস্টহাউসে ‘ধর্ষণ’, রেল কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা

ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি মাহমুদুল হাসান সাগর। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি ইমদাদুল হক জানান, পুলিশ দরজা ভেঙে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে। আর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জানালা ভেঙে পালিয়ে যান সাগর। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

কিশোরগঞ্জে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রেলওয়ের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

ছাত্রীর ভাই সোমবার রাতে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি করেন। ঘটনার পর থেকে আসামি মাহমুদুল হাসান সাগর পলাতক।

মাহমুদুল রেলওয়ে কলোনির বাসিন্দা। তিনি রেলও‌য়ের প্র‌কৌশল বিভা‌গে মাস্টাররোলে চাকরি করেন।

কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার বাদী জানান, সোমবার সন্ধ্যার দিকে কিছু বেলুন নিয়ে তাদের বাসায় আসেন সাগর। তার এক বন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে রুম সাজাতে হবে বলে বাসা থেকে নিয়ে যান তার বোনকে।

বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় মেয়েটিকে খুঁজতে বের হন পরিবারের সদস্যরা। সে সময় সাগরের মোবাইল বন্ধ পেয়ে আরও দুশ্চিন্তায় পড়ে যান তারা। স্টেশনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে তারা বুঝতে পারেন মেয়েটিকে স্টেশনের দ্বিতীয় তলায় ভিআইপি রেস্টহাউসের একটি কক্ষে নেয়া হয়েছে।

সেখানে গিয়ে একটি দরজা ভেতরে থেকে বন্ধ দেখে কক্ষের পাশে যেতেই মেয়েটির চিৎকার শুনতে পান তারা। পরে দরজা অনেকক্ষণ ধাক্কাধাক্কির পরে উপায় না পেয়ে তারা পুলিশে খবর দেন।

ওসি ইমদাদুল হক জানান, পুলিশ দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে। আর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জানালা ভেঙে পালিয়ে যান সাগর।

এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মেয়েটিকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

‌কি‌শোরগঞ্জ রেলও‌য়ে স্টেশ‌নের সহকা‌রী স্টেশনমাস্টার জয়নাল বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেই আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তা ছাড়া সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে সাগরের সম্পৃক্তার সত্যতা পেয়েছি। এ ছাড়া বিষয়‌টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ‌কে জানিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
ভোমরা বন্দরে ভারতীয় ট্রাকচালকদের অবাধ চলাচল
শেড নির্মাণ নিয়ে হট্টগোল: সাড়ে ১৯ ঘণ্টা পর চালু হিলি
সোনাহাটে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ৬ দিন
ঈদে বাংলাবান্ধা বন্দর ১২ দিন বন্ধ
আরও দুটি স্থলবন্দর পাচ্ছে সিলেট

শেয়ার করুন

সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব তলব, দেখবেন প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিকদের ব্যাংক হিসাব তলব, দেখবেন প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণমাধ্যমকর্মীদের মানববন্ধন। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সাংবাদিক নেতাদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে ব্যাংক হিসাব তলবের বিষয়টি সাংবাদিক মহলে যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, এ বিষয়ে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলেছেন ও তথ্যমন্ত্রীও বক্তব্য দিয়েছেন। আমি আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে বিষয়টি দেখবেন।’

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনায় সাংবাদিকদের মধ্যে যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে তা লাঘবে যুক্তরাষ্ট্র সফর থেকে দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সচিবালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, ‘সাংবাদিক নেতাদের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে ব্যাংক হিসাব তলবের বিষয়টি সাংবাদিক মহলে যে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে, এ বিষয়ে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলেছেন ও তথ্যমন্ত্রীও বক্তব্য দিয়েছেন। আমি আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফর শেষে দেশে ফিরলে বিষয়টি দেখবেন।’

গত ১২ সেপ্টেম্বর দেশের সাংবাদিকদের ছয়টি সংগঠনের ১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে চিঠি দেয় মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন প্রতিরোধে গঠিত বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।

এমন চিঠি অপ্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সোমবার সচিবালয়ে তিনি বলেছেন, ‘এটা কীভাবে ঘটল, (এ বিষয়ে) আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাকে বলেছেন একটি উৎসের কথা। আমার মনে হয় এটি পুরোপুরি ভুল-বোঝাবুঝি। এটি কোথা থেকে এসেছে, কী হয়েছে, সেটি খতিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব চাওয়ার ঘটনায় উদ্বেগের কিছু নেই বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদও।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) বার্ষিক সাধারণ সভায় তিনি বলেন, ‘সরকার অবশ্যই যেকোনো কারণে হিসাব তলব করতে পারে, ব্যাংক হিসাবও তলব করতে পারে। তবে আমি মনে করি, এতে উদ্বেগের কোনো কারণ নেই। যাদের ব্যাংক হিসাব তলব করা হয়েছে, তাদের আমি চিনিও জানি। তাদের অনেকের আর্থিক অবস্থাও আমি জ্ঞাত।’

বিষয়টি নিয়ে সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলবের ঘটনাকে সাংবাদিকদের ভীতি প্রদর্শনের নতুন কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

অবিলম্বে সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে সত্য প্রকাশে দেশের বিবেক তথা গণমাধ্যম ও গণমাধ্যমের কর্মীদের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বান জানান ফখরুল।

তার পরদিনই এ প্রসঙ্গে কথা বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও তথ্যের অবাধপ্রবাহে বিশ্বাসী। করোনাকালে কিংবা আগে পরে গণমাধ্যমকর্মীদের সুখে-দুঃখে জননেত্রী শেখ হাসিনা সব সময় পাশে ছিলেন, আছেন।’

বিএনপির শাসনামল গণমাধ্যমের জন্য অন্ধকারসম ছিল জানিয়ে কাদের বলেন, ‘অসংখ্য সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন তখন। যাদের হাত সাংবাদিকদের রক্তে রঞ্জিত, আজ তারা সাংবাদিকদের জন্য মায়াকান্না করছে।’

বিএনপি মহাসচিব সরকারের বিরুদ্ধে সাংবাদিক নিপীড়নের মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ করেছে জানিয়ে কাদের বলেন, ‘এ নিয়ে বিএনপির কুম্ভীরাশ্রু প্রদর্শন মাছের মায়ের পুত্র শোকের মতো।’

বিএনপি কখনও অবাধ তথ্যপ্রবাহে বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতার।

বিএনপিকে ইঙ্গিত করে কাদের বলেন, ‘তারা বিশ্বাস করে অবাধ গুজবের প্রবাহে। তারা বিশ্বাস করে অবাধ অপপ্রচারে। কোনোভাবে জনগণের আস্থা অর্জন করতে না পেরে, দেশ-বিদেশে অর্থ বিনিয়োগ করে সরকার এবং দেশের বিরুদ্ধে মানহানিকর অপপ্রচারের পথ বেছে নিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ভোমরা বন্দরে ভারতীয় ট্রাকচালকদের অবাধ চলাচল
শেড নির্মাণ নিয়ে হট্টগোল: সাড়ে ১৯ ঘণ্টা পর চালু হিলি
সোনাহাটে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ৬ দিন
ঈদে বাংলাবান্ধা বন্দর ১২ দিন বন্ধ
আরও দুটি স্থলবন্দর পাচ্ছে সিলেট

শেয়ার করুন