ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশের বিনিয়োগ চায় কসোভো

ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশের বিনিয়োগ চায় কসোভো

২০০৮ সালে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে কসোভো। ছবি: সংগৃহীত

রাষ্ট্রদূত গুনার ইউরিয়া বলেন, ‘কসোভোকে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তাই দেশটিতে বিনিয়োগ করলে, সেটি এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হবে।’

অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশকে পাশে চায় ইউরোপের মুসলমান অধ্যুষিত রাষ্ট্র কসোভো। এক যুগ আগে স্বাধীনতা ঘোষণা করা দেশটি বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথ মালিকানায় ওষুধ শিল্পে বিনিয়োগ পেতে আগ্রহী।

মঙ্গলবার দুপুরে ফেডারেশন ভবনে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত কসোভোর রাষ্ট্রদূত গুনার ইউরিয়া।

সাক্ষাতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সমঝোতা চুক্তিতে সম্মত হয় এফবিসিসিআই ও কসোভো চেম্বার অফ কমার্স। এফবিসিসিআই ও কসোভো চেম্বার অফ কমার্সের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারকের খসড়াও রাষ্ট্রদূত গুনার ইউরিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সাক্ষাতে কসোভো রাষ্ট্রদূত দেশটির কসোভোর অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি কসোভোর অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশকে পাশে চান। দুই দেশের যৌথ মালিকানায় দেশটিতে ওষুধ শিল্পে বিনিয়োগ পেতেও আগ্রহ প্রকাশ করেন গুনার।

তিনি বলেন, ‘কসোভোকে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তাই দেশটিতে বিনিয়োগ করলে, সেটি এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হবে।’

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, ‘বাংলাদেশের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান বিদেশে কারখানা স্থাপন করলেও বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের জন্য এখনও বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ কিছুটা নিয়ন্ত্রিত। এ বিষয়ে শিথিলতা আনতে এফবিসিসিআই সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।’

সাক্ষাত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এফবিসিসিআইর সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সহসভাপতি মো. হাবিব উল্লাহ ডন ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।

ইউরোপের বলকান অঞ্চলের রাষ্ট্র কসোভো সার্বিয়ার একটি প্রদেশ ছিল।

প্রদেশটি ১৯৯৯ সাল থেকে জাতিসংঘ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কসোভো স্বাধীনতা ঘোষণা করে। দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ২০ লাখ, বেশিরভাগই জাতিগতভাবে আলবেনীয় ‍মুসলিম। ২০১৭ সালে কসোভোকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
মোংলা ইপিজেডে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ
‘অসীম বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ জানাতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে
শিল্প খাতে বিনিয়োগে রাশিয়াকে প্রস্তাব
‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ পুস্তিকা ২০২১’ উদ্বোধন
মহামারির মধ্যেও বিনিয়োগে ‘সুবাতাস’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জাতিসংঘের সহায়তা চাইল এফবিসিসিআই

জাতিসংঘের সহায়তা চাইল এফবিসিসিআই

এলডিসি থেকে উত্তরণের পর দেশের বেসরকারিখাতকে যেসব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে তা মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়েছেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি মন্তব্য করেন, এতে উত্তরণের পর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনও সহজ হবে।

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের পর দেশের বেসরকারিখাতকে যেসব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে তা মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চেয়েছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন এফবিসিসিআই। বিশেষ করে দক্ষতা বাড়াতে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থার কাছে কারিগরি সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ‘নিউ ওয়ার্ল্ড, নিউ হোপ: জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ’ সম্মেলনে এসব কথা বলেছেন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি মন্তব্য করেন, এতে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনও সহজ হবে।

নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সহায়তায়, জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনের সাইড লাইনে আয়োজিত এ সম্মেলনের আয়োজন করে সেন্টার ফর নন রেসিডেন্স বাংলাদেশীস।

এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিনের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দল জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র রয়েছেন।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে বাংলাদেশী শরনার্থী ও পরবর্তীতে দেশে ফেরার পর তাদের পুনর্বাসনে জাতিসংঘের সহায়তা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন এফবিসিসিআই সভাপতি। তিনি বলেন, স্বাধীন দেশ হিসেবে জন্মলাভের পর থেকেই জাতিসংঘের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে বাংলাদেশের।

‘১৯৭৪ সালের ২৪শে সেপ্টেম্বর, সংস্থাটির ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর বাংলায় দেয়া ভাষণের মাধ্যমে এই সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়।’

স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ পুনর্গঠনে, বিশেষ করে দারিদ্র দূরীকরণ, টেকসই উন্নয়ন কৌশল, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা, মাতৃ ও শিশু উন্নয়ন, টিকাদান, যুব উন্নয়ন, নারী ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, শিল্পোন্নয়ন, দক্ষতা বাড়ানো, স্বাস্থ্য সেবা ও গবেষণা খাতে জাতিসংঘের অবদানের কথা উল্লেখ করেন এফবিসিসিআই সভাপতি।

এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঠিক দিক নির্দেশনা ও নীতিকৌশলের মাধ্যমে বাংলাদেশ দ্রুতই অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের পথে এগুচ্ছে। দারিদ্র বিমোচন, শিশু ও মাতৃমৃত্যুহার কমানো, গড়আয়ু বৃদ্ধি, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি, মাথাপিছু গড় আয় বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, টেকসই প্রবৃদ্ধিসহ আর্থ-সামাজিক সব সূচকে অগ্রগতি অব্যাহত রাখার মাধ্যমে বাংলাদেশ এসডিজি অর্জন করবে।

সম্মেলনে এফবিসিসিআই সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, সহ-সভাপতি মো. আমিনুল হক, সালাহউদ্দিন আলমগীর, এম এ রাজ্জাক খান, চেজ পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম নাঈমুর রহমান, বায়রা’র সাবেক সভাপতি বেনজীর আহমেদসহ এফবিসিসিআিই নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে অনলাইনে যোগ দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মিস্টার আর্ল আর মিলার।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন এনআরবি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ইনকরপোরেশনের নেতা ও গ্রেটার নিউ ইয়র্ক চেম্বারের সদস্য শেকিল চৌধুরী।

আরও পড়ুন:
মোংলা ইপিজেডে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ
‘অসীম বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ জানাতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে
শিল্প খাতে বিনিয়োগে রাশিয়াকে প্রস্তাব
‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ পুস্তিকা ২০২১’ উদ্বোধন
মহামারির মধ্যেও বিনিয়োগে ‘সুবাতাস’

শেয়ার করুন

শারদীয় উৎসবে ছাড় নিয়ে দেশে নতুন ই-কমার্স ‘সামগ্রী’

শারদীয় উৎসবে ছাড় নিয়ে দেশে নতুন ই-কমার্স ‘সামগ্রী’

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও নারী উদ্যোক্তা রায়হানা আফরোজ রিকা বলেন, ‘ক্রেতাদের সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের মূল লক্ষ্য। সঠিক ও মানসম্মত পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করছে সামগ্রী ডটকম।’

শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় নিয়ে যাত্রা করেছে অনলাইন শপ সামগ্রী ডটকম।

ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে দেবে প্রতিষ্ঠানটি। ৪৯৯ টাকার বেশি মূল্যের পণ্য কিনলে ঢাকার ভেতরে মিলবে ফ্রি ডেলিভারি সুবিধা।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সামগ্রী ডটকম লিমিটেডের ডিরেক্টর অপারেশন উৎপল চন্দ্র দাস।

তিনি বলেন, ‘দেশি-বিদেশি ৪০টি ব্রান্ডের ২ হাজার পণ্য সামগ্রীতে পাওয়া যাচ্ছে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে স্পেন, তুরষ্ক, ইতালি ও শ্রীলঙ্কার স্বনামধন্য এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, সান ফ্লাওয়ার ও কোকোনাট অয়েল, শিশুদের সব ধরণের খাদ্য, গৃহস্থালির পণ্য, ইলেকট্রনিক্স ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স, বিশ্বখ্যাত ব্রান্ডের কসমেটিকসসহ জেন্টস ও লেডিস পণ্য।’

সামগ্রী ডটকমের ম্যানেজিং ডিরেক্টর আব্দুল্লাহ রানা বলেন, ‘করোনাভাইরাস মহামারির দুর্যোগপূর্ণ সময়ে ই-কমার্স ডায়নামিক সলিউশন হিসেবে কাজ করছে। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে যে কোনো স্থান থেকে ক্যাশ অন ডেলিভারি সুবিধা দিচ্ছে সামগ্রী ডটকম। অগ্রিম মূল্য পরিশোধ ছাড়াই ক্রেতারা কেনাকাটায় ৩০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যছাড় পাবেন।’

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ও নারী উদ্যোক্তা রায়হানা আফরোজ রিকা বলেন, ‘ক্রেতাদের সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের মূল লক্ষ্য। সঠিক ও মানসম্মত পণ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করছে সামগ্রী ডটকম।’

আরও পড়ুন:
মোংলা ইপিজেডে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ
‘অসীম বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ জানাতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে
শিল্প খাতে বিনিয়োগে রাশিয়াকে প্রস্তাব
‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ পুস্তিকা ২০২১’ উদ্বোধন
মহামারির মধ্যেও বিনিয়োগে ‘সুবাতাস’

শেয়ার করুন

ক্ষতি পোষাতে একসঙ্গে ১১টি জাহাজ ভেড়াচ্ছে বন্দর

ক্ষতি পোষাতে একসঙ্গে ১১টি জাহাজ ভেড়াচ্ছে বন্দর

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম বলেন, ‘শুক্রবার থেকে আমরা ১১টি কনটেইনার জাহাজ জেটিতে ভেড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছি। যাতে দ্রুত আমরা আগের অবস্থায় ফিরতে পারি।’

ধর্মঘটের ধকল সামাল দিতে ও ক্ষতি পুষিয়ে নিতে একসঙ্গে ১১টি কনটেইনার জাহাজ জেটিতে ভেড়াচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

পরিবহন শ্রমিক-মালিকদের ৩৬ ঘণ্টা ধর্মঘটের কারণে সৃষ্ট জট সামলে বহির্নোঙরে জাহাজের লাইন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এ উদ্যোগ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম বলেন, ‘বহির্নোঙরে জাহাজের জট আছে বলা যাবে না। জাহাজের অপেক্ষমাণ সময় যে আমরা ব্যাপকভাবে কমিয়ে এনেছিলাম, সেটাতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে।

‘গত দেড় মাস ধরে আমরা ৫০ শতাংশ জাহাজ কোনো অপেক্ষা ছাড়াই জেটিতে ভেড়াতে পেরেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুক্রবার থেকে আমরা ১১টি কনটেইনার জাহাজ জেটিতে ভেড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছি। যাতে দ্রুত আমরা আগের অবস্থায় ফিরতে পারি।’

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বৃহস্পতিবার ১১টি কনটেইনার জাহাজ ছিল। যার মধ্যে একটি জাহাজ চার দিন অপেক্ষায় ছিল। ৭টি জাহাজের মধ্যে তিন দিন, দুই দিন করে অপেক্ষমাণ ছিল। বাকি তিনটি জাহাজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বহির্নোঙরে পৌঁছায়।

গত ২১ সেপ্টেম্বর পরিবহন শ্রমিক-মালিকদের ধর্মঘটের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ওঠানামা বন্ধ ছিল। বন্দর থেকে পণ্য ডেলিভারি পুরোপুরি বন্ধ ছিল। রপ্তানি পণ্য বন্দর জেটিতে না পৌঁছানোয় ও আমদানি পণ্য জাহাজ থেকে নামাতে না পারায় নির্ধারিত দুটি কনটেইনার জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর জেটি ছাড়তে পারেনি।

কনটেইনার পরিবহনকারী গাড়িতে চট্টগ্রামের ১৮টি ডিপো থেকে বন্দরে আমদানি-রপ্তানি ও খালি কনটেইনার আনা-নেয়া হয়। কর্মবিরতির কারণে ডিপো থেকে কনটেইনার আনা-নেয়া বন্ধ ছিল।

কনটেইনার পরিবহনকারী প্রাইম মুভার ট্রেইলর গাড়িতে রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার বন্দরে নেয়া হয়। আবার আমদানি পণ্যবাহী কনটেইনার বন্দর থেকে ডিপোতে আনা হয়। এ ছাড়া খালি কনটেইনার ডিপো ও বন্দরে নিয়মিত আনা-নেয়া হয় এসব গাড়িতে। ধর্মঘটের কারণে কনটেইনার পরিবহন বন্ধ ছিল। গাড়ি না থাকায় জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কার্যক্রমও ব্যাহত ছিল।

আরও পড়ুন:
মোংলা ইপিজেডে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ
‘অসীম বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ জানাতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে
শিল্প খাতে বিনিয়োগে রাশিয়াকে প্রস্তাব
‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ পুস্তিকা ২০২১’ উদ্বোধন
মহামারির মধ্যেও বিনিয়োগে ‘সুবাতাস’

শেয়ার করুন

চামড়া শিল্পের উন্নয়নে আসছে কর্তৃপক্ষ

চামড়া শিল্পের উন্নয়নে আসছে কর্তৃপক্ষ

রাজধানীর হাজারীবাগে শুকিয়ে যাওয়া চামড়া জড়ো করছেন এক শ্রমিক। ফাইল ছবি

‘চামড়া শিল্প খাত একটি বৃহৎ শিল্প। চামড়া রপ্তানির জন্য বিদেশে নতুন বাজার খুঁজতে হবে। চামড়া ব্যবসায়ীদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রচেষ্টা চালাতে হবে। এ জন্য সরকার সব রকম সহযোগিতা করবে।’

চামড়া শিল্পের উন্নয়ন এবং এ খাতের বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে চামড়া শিল্প কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

চামড়া শিল্প খাতের উন্নয়নে সুপারিশ প্রদান ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্সের চতুর্থ সভায় এ প্রস্তাব করা হয়।

বৃহস্পতিবার টাস্কফোর্সের আহ্বায়ক ও শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন এমপির সভাপতিত্বে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন, শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা, বিসিক চেয়ারম্যান মোশতাক হাসান, রাজউক চেয়ারম্যান এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আশরাফ উদ্দিন, ট্যানারি শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী নেতারাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়/দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘চামড়া শিল্প খাত একটি বৃহৎ শিল্প। চামড়া রপ্তানির জন্য বিদেশে নতুন বাজার খুঁজতে হবে। চামড়া ব্যবসায়ীদের ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রচেষ্টা চালাতে হবে। এ জন্য সরকার সব রকম সহযোগিতা করবে।’

সভায় গত ২৮ আগস্টে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় সাভারের চামড়া শিল্পনগরী বন্ধের সুপারিশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

ট্যানারি কারখানাগুলো হাজারীবাগ থেকে নির্মাণাধীন চামড়া শিল্পনগরীতে স্থানান্তর করা হলেও এর কেন্দ্রীয় বর্জ্য শোধনাগার বা সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (সিইটিপি) এবং অন্যান্য উপাদানের কাজ এখনো শেষ হয়নি। এ অবস্থায় কয়েকটি ট্যানারির অনুকূলে পরিবেশ ছাড়পত্র প্রদান করা হলেও এখন পরিবেশ ছাড়পত্র নবায়নে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে।

আর পরিবেশগত ছাড়পত্র নবায়নপ্রাপ্তি বিলম্বিত হওয়ায় রপ্তানিকারক হিসেবে এক্সপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট বা ইআরসি, আমদানিকারক হিসেবে ইমপোর্ট রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট বা আইআরসি ও শুল্কমুক্তভাবে পণ্য আমদানির বন্ড সুবিধার ছাড়পত্র পেতে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ট্যানারি শিল্পনগরী বন্ধ করার পক্ষে নই। আমাদের কাঁচামাল আছে, জনশক্তি আছে, অভিজ্ঞতা আছে। কাজেই শিল্পনগরীর চামড়া কারখানাগুলোর সুষ্ঠু উৎপাদন কার্যক্রমের স্বার্থে পরিবেশগত ছাড়পত্রের নবায়ন ত্বরান্বিতকরণ, সিইটিপি কার্যকর করা, আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ করার পাশাপাশি কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে করতে হবে।’

সভায় ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ‘আমরা চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে বিলিয়ন ডলার আয় করতে চাই। সে লক্ষ্যে কাজ করছি।’

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, ‘সাভারে ২৫ হাজার ঘনমিটার তরল বর্জ্য শোধনের ক্ষমতা থাকলেও উৎপাদন হচ্ছে ৩৫-৪০ হাজার ঘনমিটার তরল বর্জ্য। এতে নদীর পানি দূষিত হচ্ছে। আমাদের যৌথভাবে সরেজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করতে হবে।’

কোরবানির ঈদে চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করার পরও প্রান্তিক ব্যবসায়ীরা কেন যথাযথ মূল্য পাননি, তা শিল্প মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়েরও খোঁজ নেওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

তিনি বলেন, ‘চামড়ার মূল্য এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাজার ধরার জন্য দুই মন্ত্রণালয়ের টানাটানি না করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের একক সিদ্ধান্ত থাকা প্রয়োজন।’

শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা কেন্দ্রীয়ভাবে চামড়া মজুত ও সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন:
মোংলা ইপিজেডে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ
‘অসীম বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ জানাতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে
শিল্প খাতে বিনিয়োগে রাশিয়াকে প্রস্তাব
‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ পুস্তিকা ২০২১’ উদ্বোধন
মহামারির মধ্যেও বিনিয়োগে ‘সুবাতাস’

শেয়ার করুন

ই-কমার্স ভোক্তাদের সুরক্ষার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

ই-কমার্স ভোক্তাদের সুরক্ষার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বৃহস্পতিবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন দেয়। ছবি: পিআইডি

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই তাদের জন্য সুরক্ষার পদক্ষেপ নিতে হবে। ই-কমার্স একটি সম্ভাবনাময় খাত। কিছু লোকের কারণে এ খাতটি যেন শুরুতেই মুখ থুবড়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে।’

ই-কমার্স খাতের ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই তাদের সুরক্ষা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এ ছাড়া দেশে দ্রুত প্রসারণশীল ই-কমার্স ব্যবস্থায় ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতিও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই তাদের জন্য সুরক্ষার পদক্ষেপ নিতে হবে। ই-কমার্স একটি সম্ভাবনাময় খাত। কিছু লোকের কারণে এ খাতটি যেন শুরুতেই মুখ থুবড়ে না পড়ে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক হতে হবে।’

বৃহস্পতিবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের একটি প্রতিনিধিদল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন দেয়। এ সময় ই-কমার্স নিয়ে রাষ্ট্রপতি এসব আহ্বান জানান।

এ ছাড়া তিনি এ খাতে প্রতারণাসহ ভোক্তার স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সেগুলো কঠোরভাবে দমনের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতে আরও অংশ নেন বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং কমিশনের সদস্য জি এম সালেহ উদ্দিন, ড. এ এফ এম মনজুর কাদির ও নাসরিন বেগম।

আরও পড়ুন:
মোংলা ইপিজেডে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ
‘অসীম বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ জানাতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে
শিল্প খাতে বিনিয়োগে রাশিয়াকে প্রস্তাব
‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ পুস্তিকা ২০২১’ উদ্বোধন
মহামারির মধ্যেও বিনিয়োগে ‘সুবাতাস’

শেয়ার করুন

অস্থিরতা কাটিয়ে ই-কমার্সের প্রসার হবে : পলক

অস্থিরতা কাটিয়ে ই-কমার্সের প্রসার হবে : পলক

কারওয়ান বাজারে ‘ভিশন ২০২১ টাওয়ার-২’ নামে ‘দ্বিতীয় সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’ স্থাপনের জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: নিউজবাংলা

ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা প্রয়োজন উল্লেখ করে তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘এই সেক্টরে নিয়ম আনতে হবে। এজন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি-টেলিকম মন্ত্রণালয়সহ সব রেগুলেটর মিলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এই ক্রমবর্ধমান ইন্ডাস্ট্রি কোনভাবেই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এ জন্য আমাদের অত্যন্ত দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।’

অস্থির পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠে দেশের ই-কমার্স খাত আরও প্রসার লাভ করবে বলে মন্তব্য করেন তথ্য ও প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

ক্রমবর্ধমান এ খাত কোনভাবেই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এ জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার কারওয়ান বাজারে ‘ভিশন ২০২১ টাওয়ার-২’ নামে ‘দ্বিতীয় সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক’ স্থাপনের জমি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের অনুকূলে বরাদ্দকৃত জমি হস্তান্তর করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী। বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. খন্দকার আজিজুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের পরিচালক শফিকুল ইসলাম।

কারওয়ান বাজারস্থ সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে (জনতা টাওয়ার) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পলক বলেন, ‘ইদানিং ই-কমার্স নিয়ে আমরা একটি চরম পরিস্থিতির মোকাবিলা করছি। কিন্তু এ আইসিটি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে আমি স্টার্টআপ এবং এ খাতের ব্যবসায়িক উদ্যোক্তাদের আশ্বস্ত করতে চাই, ই-কমার্স কিন্তু প্রসার হবেই। সব বিজনেসই আস্তে আস্তে ডিজিটাল হতে বাধ্য।

ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই সেক্টরে নিয়ম আনতে হবে। এজন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং আইসিটি-টেলিকম মন্ত্রণালয়সহ সব রেগুলেটর মিলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এই ক্রমবর্ধমান ইন্ডাস্ট্রি কোনভাবেই যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এ জন্য আমাদের অত্যন্ত দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।’

পলক বলেন, দেশের আগামী দিনে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হবে স্টার্টআপ। তাদের জন্য সরকার ইনোভেশন ইকোসিস্টেম গড়ে তুলবে। এখাতে প্রচুর বিনিয়োগ সম্ভাবনা রয়েছে। গত এক মাসেই বিভিন্ন স্টার্ট আপে ১০০ মিলিয়ন ডলার বা ৮০০ কোটি টাকা বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। ই-কমার্স বিটুবি প্ল্যাটফর্ম সপ-আপে এ পর্যন্ত ৭৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এসেছে, চালডালে এসেছে ১০ মিলিয়ন ডলার। যাত্রীতে ১.২ মিলিয়ন ডলার এসেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০৪ সালে বিদেশি কোম্পানি স্যামসাং এ দেশে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব দিলেও তৎকালীন সরকার তা নিতে পরেনি। পরবর্তীতে সে বিনিয়োগ ভিয়েতনামে চলে যায়। সেখানে প্রায় এক লাখ লোক কাজ করছে। বছরে এ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি হচ্ছে। তবুও গত ১২ বছরে আইটি সেক্টরে অনেকে এগিয়ে গেছে। এ খাতে ১৫ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।

বর্তমানে দেশে ১২ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী। ১৮ হাজার সরকারি অফিস ইন্টারনেট ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবলে কানেক্টেড। দেশের ৩৮ শ ইউনিয়ন ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবলে কানেক্টেড, বাংলাদেশের সাড়ে ছয় লাখ আইটি ফ্রিল্যান্সার তারা ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করছে। ই-কমার্সের লক্ষাধিক উদ্যোক্তা আছেন।

পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ২০১৫ সালে বর্তমান সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক ভবনের উদ্বোধন করেন। এখানে বর্তমান টেকনোলজি পার্কেই ১৫টি স্টার্টআপ ও ১৯টি প্রতিষ্ঠানে এক হাজার মানুষ কাজ করছে। বিদ্যমান ভবনের পাশেই দশমিক ৪৭ একর জমিতে আরেকটি আধুনিক ভবন নির্মাণ হবে। এখানে ১২ তলা গ্রীন ভবনটি হবে। এ ‘ভিশন ২০২১ টাওয়ার’ হবে দেশের ইনোভেশন ইকোসিস্টেমের মূল কেন্দ্রবিন্দু। এটি হবে জ্ঞান নির্ভর অর্থনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু। এর সঙ্গে যুক্ত থাকবে দেশের আরও ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনকিউবেশন সেন্টার, যেখানে উদ্যোক্তা তৈরি করা হবে।

আরও পড়ুন:
মোংলা ইপিজেডে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ
‘অসীম বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ জানাতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে
শিল্প খাতে বিনিয়োগে রাশিয়াকে প্রস্তাব
‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ পুস্তিকা ২০২১’ উদ্বোধন
মহামারির মধ্যেও বিনিয়োগে ‘সুবাতাস’

শেয়ার করুন

কিস্তিতে পণ্য ক্রয়ে সাউথ বাংলা ব্যাংক ও ইলেক্ট্রো মার্টের চুক্তি

কিস্তিতে পণ্য ক্রয়ে সাউথ বাংলা ব্যাংক ও ইলেক্ট্রো মার্টের চুক্তি

এসবিএসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোসলেহ উদ্দীন আহমেদের উপস্থিতিতে চুক্তিতে সই করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন এবং ইলেক্ট্রো মার্টের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নুরুল আফসার। ছবি: নিউজবাংলা

এসবিএসি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডধারী ও কর্মকর্তারা কনকা ও গ্রি ব্র্যান্ডের পণ্য ক্রয়ে ১২ মাস পর্যন্ত বিনাসুদে সমান মাসিক কিস্তিতে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন। এ লক্ষে বুধবার এসবিএসি ব্যাংক লিমিটেড ও ইলেক্ট্রো মার্ট লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে।

এখন থেকে সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স (এসবিএসি) ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডধারী ও কর্মকর্তারা কনকা ও গ্রি ব্র্যান্ডের পণ্য ক্রয়ে ১২ মাস পর্যন্ত বিনাসুদে সমান মাসিক কিস্তিতে (ইএমআই) মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন।

এ লক্ষে বুধবার এসবিএসি ব্যাংক লিমিটেড ও ইলেক্ট্রো মার্ট লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে।

ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোসলেহ উদ্দীন আহমেদের উপস্থিতিতে চুক্তিতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সই করেন ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শামসুল আরেফিন এবং ইলেক্ট্রো মার্টের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নুরুল আফসার।

এ সময় ব্যাংকের কার্ড ডিভিশনের প্রধান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শফিউল আজম, ইলেক্ট্রো মার্টের মহাব্যবস্থাপক (সেলস্ ও মার্কেটিং) মাহমুদ উন নবী চৌধুরী, সিনিয়র ম্যানেজার রিটেইল সেলস্ মো. জুলহক হোসেনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
মোংলা ইপিজেডে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ
‘অসীম বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ জানাতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন নভেম্বরে
শিল্প খাতে বিনিয়োগে রাশিয়াকে প্রস্তাব
‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ পুস্তিকা ২০২১’ উদ্বোধন
মহামারির মধ্যেও বিনিয়োগে ‘সুবাতাস’

শেয়ার করুন