সাইকেল পেল ৩০ গ্রাম পুলিশ

সাইকেল পেল ৩০ গ্রাম পুলিশ

সাইকেল বিতরণ শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, গ্রাম পুলিশদের আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সাইকেল দিয়ে গ্রাম পুলিশরা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করবে। থানা পুলিশ সেই তথ্য-উপাত্ত কাজে লাগিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করবে।

অপরাধ দমনে আরও তৎপর হতে দেবিদ্বার উপজেলার গ্রাম পুলিশদের মাঝে সাইকেল বিতরণ করেছেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান।

উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ১৫ ইউনিয়নের ৩০ জন গ্রাম পুলিশকে সাইকেল দেয়া হয়। এ সময় তাদের একই ধরনের পোশাক ও জুতাও দেয়া হয়।

সাইকেল বিতরণ শেষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান জানান, গ্রাম পুলিশদের আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সাইকেল দিয়ে গ্রাম পুলিশরা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের তথ্য সংগ্রহ করবে। থানা পুলিশ সেই তথ্য-উপাত্ত কাজে লাগিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করবে। এতে করে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক পরিস্থিতি তৈরি হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিব হাসান, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) গিয়াস উদ্দিন, দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান হাজী আবুল কাশেম ওমানী, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম, উপজেলা প্রকৌশলী শাহ আলমসহ অনেকে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বৃক্ষরোপণে তরুণরা

বৃক্ষরোপণে তরুণরা

ভোলার তজুমদ্দিনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী। ছবি: নিউজবাংলা।

‘তরুণ প্রজন্মকে বনায়ন ও বৃক্ষ রোপণে উৎসাহিত করতে হবে। একটি গাছ কাটলে অন্তত তিনটি গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতে হবে সবাইকে। শিক্ষার্থীরা গাছ ভালবেসে বড় হবে। স্কুলগুলো বৃক্ষ ও ফুলে ভরিয়ে দিতে হবে।’

‘গাছ লাগিয়ে গড়বো দেশ, সুন্দর হবে পরিবেশ’ এই স্লোগনাকে সামনে রেখে ভোলায় বৃক্ষরোপণে নেমেছেন তরুণরা।

শুক্রবার সকালে ভোলার তজুমদ্দিনে সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে তারা কর্মসূচি শুরু করেন।

সামাজিক সংগঠন ইয়ুথ পাওয়ার ইন বাংলাদেশ এর ব্যানারে কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোফাজ্জেল হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তজুমদ্দিন প্রেস ক্লাব সভাপতি রফিক সাদী, সাধারণ সম্পাদক এম নুরনবী, ইয়ুথ পাওয়ার এর সদস্য মো: জিহাদ, ফারহান উর-রহমানসহ অনেকে।

আয়োজকরা জানান, সবুজ বনায়নের মাধ্যমে সুরক্ষিত সুন্দর পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়।

বৃক্ষরোপণে তরুণরা

প্রধান শিক্ষক মোফাজ্জেল হোসেন বলেন, ‘সবুজ প্রকৃতি আমাদের জীবন সুরক্ষায় অবদান রাখে। ভূপৃষ্ঠের উষ্ণতা বেড়ে যাওয়ার কারণে বিশ্ব আজ জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার। বাড়ছে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা। এতে বিপদ এগিয়ে আসছে।

‘তরুণ প্রজন্মকে বনায়ন ও বৃক্ষ রোপণে উৎসাহিত করতে হবে। একটি গাছ কাটলে অন্তত তিনটি গাছ লাগাতে উৎসাহিত করতে হবে সবাইকে। শিক্ষার্থীরা গাছ ভালবেসে বড় হবে। স্কুলগুলো বৃক্ষ ও ফুলে ভরিয়ে দিতে হবে।’

শেয়ার করুন

সোসাইটি নিবন্ধন পেল ‘সংকল্প ফাউন্ডেশন’

সোসাইটি নিবন্ধন পেল ‘সংকল্প ফাউন্ডেশন’

২০১৪ সালে ঈদুল ফিতরে ১০০ পথশিশুকে নতুন পোশাক বিতরণের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল সংকল্পের কার্যক্রম। এখন সংগঠনটি ২০টিরও বেশি প্রকল্প নিয়ে কাজ করেছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে আছে প্রোজেক্ট ঈদ স্মাইল, প্রোজেক্ট রেইনকোট, প্রোজেক্ট উইন্টার স্মাইল, প্রোজেক্ট কোরবানি, প্রোজেক্ট ক্লিনআপ।

দেশের সুবিধাবঞ্চিত ও পথশিশুদের নিয়ে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘সংকল্প ফাউন্ডেশন’ সোসাইটি নিবন্ধন পেয়েছে।

পথশিশুদের জীবন পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে ২০১৪ সালের ৮ জানুয়ারি সংকল্প তার যাত্রা করেছিল।

সংকল্প ফাউন্ডেশন ‘অফিস অফ রেজিস্টার ফর জয়েন্ট স্টক কোম্পানিস অ্যান্ড ফার্মস’ এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের ‘সোসাইটিস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্ট ১৮৬০’ অধীনে নিবন্ধিত হয়েছে। সংকল্প ফাউন্ডেশনের নিবন্ধন নম্বর এস-১৩৬৭৩/২০২১।

২০১৪ সালে ঈদুল ফিতরে ১০০ পথশিশুকে নতুন পোশাক বিতরণের মাধ্যমে শুরু হয়েছিল সংকল্পের কার্যক্রম। এখন সংগঠনটি ২০টিরও বেশি প্রকল্প নিয়ে কাজ করেছে। এসব প্রকল্পের মধ্যে আছে প্রোজেক্ট ঈদ স্মাইল, প্রোজেক্ট রেইনকোট, প্রোজেক্ট উইন্টার স্মাইল, প্রোজেক্ট কোরবানি, প্রোজেক্ট ক্লিনআপ।

সংকল্প ফাউন্ডেশনের অন্যতম হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম যা শুরু হয় সংকল্প স্কুলের মাধ্যমে। ২০১৬ সালে ৬ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে শুরু হয়েছিল সংকল্প স্কুল। স্কুলে বর্তমানে ৪টি ভিন্ন শ্রেণিতে ৭০ জন শিক্ষার্থী আছে।

সংকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম হলো জীবিকা উন্নয়ন, আর এই লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে দরিদ্র পরিবারগুলোকে স্বাবলম্বী করতে পরিবর্তন উদ্যোগ শুরু করে।

এই ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান মেহেদী ইসলাম আকাশ বলেন, ‘আট বছর আমাদের জন্য সহজ ছিল না, এই আট বছরে আমরা অনেক উত্থান-পতনের সম্মুখীন হয়েছি। এখন এই স্বীকৃতি সংকল্পকে আরও বেশি কাজ করতে ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জীবনে উন্নতি ও তাদের মৌলিক চাহিদা ফিরিয়ে দিতে উৎসাহিত করবে।’

সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক নুরুন্নাহার আক্তার বলেন, ‘সংকল্প ফাউন্ডেশনের নিবন্ধনের খবর সংকল্প পরিবারের সকল সদস্যদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা নিয়ে এসেছে। এখন আমরা আমাদের সমাজকে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত হব।’

শেয়ার করুন

বজ্রপাত ঠেকাতে তালবীজ রোপণ শিশুদের

বজ্রপাত ঠেকাতে তালবীজ রোপণ শিশুদের

বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে তালবীজ রোপণ করেছে কয়েকজন শিশু। ছবি: নিউজবাংলা

আজহারুল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের সুরিয়া নদীর পাড়ে এক কিলোমিটার এবং নয়ানগর থেকে লক্ষীনগর সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুপাশে তালবীজ রোপন করি। ইকবাল হাসান, রাহুল মিয়া, শাকিল মিয়া, রুমান মিয়াসহ ১২ থেকে ১৫ জন শিশু এ কাজে অংশ নিয়ে আনন্দ পেয়েছে।’

বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে তালবীজ রোপণ করেছে কয়েকজন শিশু।

উপজেলার দুই কিলোমিটার সড়কের দুইপাশে শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তালের বীজ রোপণ করে তারা।

নেত্রকোনা সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আজহারুল করিম শিশুদের সঙ্গে তালের বীজ রোপণের কাজে অংশ নেয়।

এ বিষয়ে আজহারুল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের সুরিয়া নদীর পাড়ে এক কিলোমিটার এবং নয়ানগর থেকে লক্ষীনগর সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুপাশে তালবীজ রোপন করি। ইকবাল হাসান, রাহুল মিয়া, শাকিল মিয়া, রুমান মিয়াসহ ১২ থেকে ১৫ জন শিশু এ কাজে অংশ নিয়ে আনন্দ পেয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাল গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি নিরসনে ভূমিকা রাখে। তালের রস ও শাস অতি সুস্বাদু। এর পাশাপাশি ঘরের খুঁটি ও হাতপাখা তৈরিতে তালগাছ ব্যবহার হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তালগাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় তালবীজ রোপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

‘দেশের উন্নয়নে প্রয়োজন তারুণ্যের শক্তি’

‘দেশের উন্নয়নে প্রয়োজন তারুণ্যের শক্তি’

সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম বলেন, ‘তরুণ সমাজ এগিয়ে আসলেই দেশের যে কোনো উন্নয়ন দ্রুত এগিয়ে যাবে। এ জন্য তরুণদের অংশগ্রহণ করা জরুরি।’

দেশের উন্নয়নে তারুণ্যের শক্তিকে যথাযতভাবে কাজে লাগাতে হবে বলে মনে করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল করিম। তিনি বলেন, চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণদের উদ্যোক্তা হতে হবে, অংশ নিতে হবে সরকারের নানা প্রশিক্ষণে। তবেই তারা দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবে।

বেসরকারি সংস্থা অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ ও ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে তরুণদের নিয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় একথা বলেন সচিব।

‘ডায়লগ উইথ পলিসিমেকারস-রিপ্রেজেনটেশন অফ ইয়াং পিপল ইন ডিসিশন মেকিং স্ট্রাকচার’ শীর্ষক এই সভা অনলাইন প্লাটফর্মে অনুষ্ঠিত হয়েছে বুধবার রাতে। তাতে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য ফখরুল ইমাম।

তিনি বলেন, ‘তরুণ সমাজ এগিয়ে আসলেই দেশের যে কোনো উন্নয়ন দ্রুত এগিয়ে যাবে। এ জন্য তরুণদের অংশগ্রহণ করা জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যুবকদের নিয়ে কোনো ডাটাবেজ নাই। ডাটাবেজ করতে পারলে কাজ আরও সহজ হবে। এই আলোচনায় উঠে আসা সুপারিশগুলো সরকারের কাছে তুলে ধরা হবে।’

সভায় উপস্থিত অন্য বক্তারা জানান, সরকারের যে কোনো উন্নয়ন কাজে তরুণদের দায়িত্ব দিলে ও সঠিকভাবে সেই দায়িত্ব তারা পালন করলে দেশ দ্রুতই অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাবে।

তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগাতে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় থেকে নানা প্রশিক্ষণ ও ঋণের ব্যবস্থাও আছে বলে জানিয়েছেন সচিব আব্দুল করিম।

তিনি বলেন, ‘তরুণদের চাকরির পিছে ছোঁটা বন্ধ করে ভিশনারি হতে হবে। এই অর্থ যাদের প্রয়োজন এমন তরুণদের কাছে কমই পৌঁছেছে। পাশাপাশি যুবদের দেয়া প্রশিক্ষণগুলোতে এখনও সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়নি। এগুলো তরুণদের যথাযতভাবে ব্যবহার করতে হবে।’

এ প্রসঙ্গে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশিক্ষণ) আব্দুল লতিফ মোল্লা বলেন, ‘তরুণদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাড়ানো হচ্ছে। তরুণরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে খুব অল্প খরচে এমনকি বিনা খরচেও ট্রেনিং নিতে পারেন। আগামী দিনগুলোতে তরুণদেরও জন্য আরও প্রোজেক্ট প্রয়োজন রয়েছে।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের আবু মঞ্জুর সাইফ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এম এম আকাশ, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহিন আনাম, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের যুব প্রকল্প বিষয়ক ব্যস্থাপক নাজমুল আহসানসহ অনেকে।

শেয়ার করুন

বরিশালে নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ

বরিশালে নারীদের সেলাই মেশিন বিতরণ

বরিশালে গ্রামীণ অসহায় নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০ জনকে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

জেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনা মহামারির প্রভাবে মানুষ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অনেকেই হয়েছেন কর্মহীন। তাই জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের ব্যক্তিগত উদ্যোগ এবং সুন্দরবন নেভিগেশন গ্রুপ, অমৃত গ্রুপ ও ইন্দো বাংলা ফার্মাসিটিক্যালসের সহযোগিতায় ২০ জন নারীকে সেলাই মেশিন উপহার দেয়া হয়।

বরিশালে গ্রামীণ অসহায় নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০ জনকে সেলাই মেশিন দেয়া হয়েছে।

বরিশাল জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে সোমবার দুপুর ১টার দিকে এসব সেলাই মেশিন বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক আল মামুন তালুকদার।

জেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনা মহামারির প্রভাবে মানুষ বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, অনেকেই হয়েছেন কর্মহীন। তাই জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দারের ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবং সুন্দরবন নেভিগেশন গ্রুপ, অমৃত গ্রুপ ও ইন্দো বাংলা ফার্মাসিটিক্যালসের সহযোগিতায় ২০ জন নারীকে সেলাই মেশিন উপহার দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য এসব অসহায় পরিবারদের ঋণ দেয়ার জন্য সমাজসেবা কর্মকর্তাদের অনুরোধ জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের প্রবেশন অফিসার সাজ্জাদ পারভেজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা কে এস এ মহিউদ্দিন মানিক, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি হোসেন চৌধুরীসহ অনেকে।

শেয়ার করুন

অবৈধ বালু উত্তোলন ও নদীভাঙন রোধে মানববন্ধন

অবৈধ বালু উত্তোলন ও নদীভাঙন রোধে মানববন্ধন

ভোলায় বালু উত্তোলন বন্ধ ও নদীভাঙন রোধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। ছবি: নিউজবাংলা

বক্তারা বলেন, নদী থেকে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে সম্প্রতি তেঁতুলিয়ার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ঘরবাড়ি, দোকানপাট, মসজিদ, মাছঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এতে হুমকির মুখে পড়েছে এই এলাকার লাখো মানুষের জীবন ও জীবিকা।

ভোলার তেঁতুলিয়া নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ ও নদীভাঙন রোধে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।

সদর উপজেলার ভেদুরিয়া ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া নদীর তীরবর্তী লঞ্চঘাট এলাকায় শুক্রবার সকালে ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। এতে স্থানীয় নারী, পুরুষ, শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে ফারুক মাঝির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আলমগীর হোসেন, জামাল মিয়া, শফিক ফরাজিসহ অনেকে।

এ সময় বক্তারা বলেন, নদী থেকে অবৈধ ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে সম্প্রতি তেঁতুলিয়ার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ঘরবাড়ি, দোকানপাট, মসজিদ, মাছঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা।

হুমকির মুখে পড়েছে এই এলাকার লাখো মানুষের জীবন ও জীবিকা। তাই ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে বালু উত্তোলন বন্ধ ও নদীভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানান তারা।

শেয়ার করুন