৪ দিন পর খোঁজ মিলেছে ২ মেয়ে ও মায়ের

৪ দিন পর খোঁজ মিলেছে ২ মেয়ে ও মায়ের

রামগতি থানার ওসি সোলাইমান উদ্দিন জানান, পারিবারিক কলহের জেরে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে দুই মেয়েকে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান মারজাহান বেগম। এরপর তার স্বামী হেলাল উদ্দিন সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়।

লক্ষ্মীপুরে রামগতিতে নিখোঁজের ৪ দিন পর দুই মেয়েসহ মাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকা থেকে সোমবার দুপুরে তাদের উদ্ধার করা হয়।

মারজাহান বেগম, তার বড় মেয়ে সুরাইয়া জাহান সামিয়া ও ফাতেমা বিবি রামগতির চরনেয়ামত এলাকার বাসিন্দা।

উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান উদ্দিন।

তিনি জানান, পারিবারিক কলহের জেরে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে দুই মেয়েকে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান মারজাহান বেগম। এরপর তার স্বামী হেলাল উদ্দিন সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

পরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকা থেকে দুই মেয়েসহ মারজাহান বেগমকে উদ্ধার করা হয়।

মারজাহান বেগম জানান, পারিবারিক বিরোধের জেরে আত্মগোপনে যান তিনি। পরে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী এলাকায় এক বান্ধবীর বাসায় ওঠেন।

তাকে কেউ অপহরণ করেনি; তিনি নিজ ইচ্ছায় গিয়েছিলেন বলেও জানান।

স্ত্রী ও দুই মেয়েকে সুস্থভাবে ফিরে পেয়ে খুশি হেলাল উদ্দিনসহ পরিবারের লোকজন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে রামদয়াল বাজারে আইডিয়াল প্রি-ক্যাডেট একাডেমিতে যাওয়ার জন্য দুই মেয়েকে নিয়ে বের হন মারজাহান বেগম। ওই দিন সামিয়ার পরীক্ষা ছিল। তবে, তারা স্কুলে যাননি বলে শিক্ষিকা নিশ্চিত করেছিলেন।

পরের দিন শুক্রবার রাতে হেলাল উদ্দিন রামগতি থানায় জিডি করেন।

আরও পড়ুন:
আত্রাইয়ে গোসলে নেমে নিখোঁজ স্বামী-স্ত্রী
নদীভাঙন: মাটিচাপায় নিখোঁজ ১
বন্ধুদের সঙ্গে হাওরে ঘুরতে গিয়ে ব্যবসায়ী নিখোঁজ
‘মেলায় গিয়ে’ নিখোঁজ তিন কিশোরী
২ দিনেও খোঁজ মেলেনি মা ও দুই মেয়ের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

৭০ বছর পর মা-ছেলের দেখা

৭০ বছর পর মা-ছেলের দেখা

বাঞ্ছারামপুরের আশ্রাফবাদ গ্রামে শনিবার ৮০ বছর বয়সী কুদ্দুস তার মা মঙ্গলুন্নেছার কাছে ফেরেন। ছবি: নিউজবাংলা

শনিবার মায়ের কোলে ফিরে আসা কুদ্দুছ বলেন, ‘এতগুলো বছর পর হারিয়ে যাওয়া মাকে ফিরে পেয়েছি, সে আনন্দ মুখের ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। মারা যাওয়ার আগে মায়ের সঙ্গে কয়েকটি দিন কাটানোর ইচ্ছা ছিল, আজ সেটি পূরণ হয়েছে।’

শিশুকালে হারিয়ে যাওয়া কুদ্দুছ ৭০ বছর পর মায়ের সন্ধান পেয়েছেন।

শনিবার ৮০ বছর বয়সী কুদ্দুছ তার মা মঙ্গলুন্নেছার কাছে ফেরেন। মায়ের বয়স এখন ১১০ বছর। মা-ছেলে দুজনেই একে অপরকে দেখে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ফেসবুকে একটি ভিডিও পোস্টের মাধ্যমে তাদের দেখা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার আশ্রাফবাদ গ্রামে মা-ছেলের সাক্ষাতের দৃশ্য দেখতে ভিড় জমান আশপাশের অনেক নারী-পুরুষ।

কুদ্দুছ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ ইউনিয়নের বাড্ডা গ্রামের কালু মুন্সির ছেলে। তিন ভাইবোনের মধ্যে কুদ্দুছ সবার বড়। তার দুই বোনের মধ্যে জোৎস্না আক্তার মারা গেছেন। কুদ্দুছ মুন্সির সাত বছর বয়সে তার বাবা কালু মুন্সি মারা যান। মঙ্গলুন্নেছা ১০ বছর বয়সী কুদ্দুছকে লেখাপড়া করাতে পাশের বাড়ির জামাই নবীনগর উপজেলার পুলিশ সদস্য আব্দুল আউয়ালের সঙ্গে রাজশাহীর আত্রাই উপজেলায় পাঠান। সেখান থেকে কুদ্দুছ হারিয়ে যান।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, কুদ্দুছ হারিয়ে যাওয়ার পর আত্রাই উপজেলার সিংশাইর গ্রামের সাদেক মিয়ার নিঃসন্তান স্ত্রী তাকে লালন-পালন করেন। ৩০ বছর বয়সে বাগমারা উপজেলার সবেদ মিয়ার মেয়ে শুরুজ্জাহাসকে বিয়ে করে সেখানেই জীবনযাপন করছিলেন কুদ্দুছ মুন্সি। গত ১২ এপ্রিল আত্রাই উপজেলার সিংশাইর গ্রামের এমকে আইয়ূব নামের এক ব্যক্তি কুদ্দুছের হরিয়ে যাওয়ার ঘটনা ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপলোড করেন।

৫ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে আপলোড হওয়া ভিডিওর মাধ্যমে আইয়ূবের সঙ্গে যোগাযোগ করে কুদ্দুছের সঙ্গে দেখা করেন চাচাতো ভাইয়ের নাতি শফিকুল ইসলাম। কুদ্দুছের সঙ্গে তার মাকে ভিডিও কলের মাধ্যমে কথোপকথনের ব্যবস্থা করে দেন শফিকুল। কুদ্দুছের বাম হাতের কাটা দাগ দেখে চিনতে পারেন মা।

শনিবার মায়ের কোলে ফিরে আসা কুদ্দুছ বলেন, ‘এতগুলো বছর পর হারিয়ে যাওয়া মাকে ফিরে পেয়েছি, সে আনন্দ মুখের ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। মারা যাওয়ার আগে মায়ের সঙ্গে কয়েকটি দিন কাটানোর ইচ্ছা ছিল, আজ সেটি পূরণ হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘হারিয়ে যাওয়ার পর রাজশাহীর আত্রাই উপজেলার সিংশাইর গ্রামের সাদিক মিয়ার স্ত্রী আমাকে ছেলের মতো লালন-পালন করেন। বিয়ের পর থেকে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করে আসছি। অনেকবার মা ও বোনদের খুঁজতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছি। মায়ের কোল যে কতটা শান্তির, তা ভাষায় প্রকাশের নয়। বাকিটা জীবন মাকে নিয়ে কাটিয়ে দিব।’

কুদ্দুছের ছেলে হাফেজ সোহেল মুন্সি বলেন, ‘দাদিকে দেখতে পাওয়া ছিল খুবই অকল্পনীয়। পূর্বে বাবার জন্য প্রায়ই খারাপ লাগত। দাদির কথা চিন্তা করে কষ্টে অনেক কান্নাকাটি করেছে। তবে সেই দূরত্বের আজ অবসান ঘটেছে। আজকে মা-ছেলের মিলনে সকলের চোখজুড়েই সুখের কান্না। আল্লাহর কাছে লাখো কোটি শুকরিয়া।’

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফেসবুকের মাধ্যমে দাদাকে ফিরে পেলাম। ভিডিও কলে কথা বলিয়ে দেয়ার সময় বড় দাদি মঙ্গলুন্নেছা শুধু একটি কথাই বলেছেন, কুদ্দুছ তুই আয়।’

আরও পড়ুন:
আত্রাইয়ে গোসলে নেমে নিখোঁজ স্বামী-স্ত্রী
নদীভাঙন: মাটিচাপায় নিখোঁজ ১
বন্ধুদের সঙ্গে হাওরে ঘুরতে গিয়ে ব্যবসায়ী নিখোঁজ
‘মেলায় গিয়ে’ নিখোঁজ তিন কিশোরী
২ দিনেও খোঁজ মেলেনি মা ও দুই মেয়ের

শেয়ার করুন

কুমার নদে নৌকাবাইচ দেখতে মানুষের ঢল

কুমার নদে নৌকাবাইচ দেখতে মানুষের ঢল

সাঈদ নামে একজন বলেন, ‘বর্তমানে নৌকাবাইচ খুব কম দেখা যায়। তাই নৌকাবাইচের কথা শুনে এসেছি। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে এবং আনন্দ পেয়েছি। আমি চাই আমাদের রাজৈরে নৌকাবাইচের আয়োজন আরও করা হোক।’

মাদারীপুরের রাজৈরে কুমার নদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ।

উপজেলার আমগ্রাম ব্রিজসংলগ্ন নদ এলাকায় নৌকাবাইচকে ঘিরে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।

বাংলা ও বাঙালির চিরায়ত সংস্কৃতির প্রাচীনতম এ উৎসব উপভোগ করতে শিশু-কিশোর, নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-নির্বিশেষে মেতে ওঠেন আনন্দ-উল্লাসে। নদের পাড়ে বসে হরেক রকমের খেলনা ও মিষ্টির পসরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, শুক্রবার বিকেলে মুজিববর্ষ উপলক্ষে রাজৈরে কুমার নদের পাড়ের স্থানীয় পৌর কাউন্সিলরদের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় মনোমুগ্ধকর নৌকাবাইচ। এ সময় কুমার নদের পাড় পরিণত হয় রাজৈরসহ আশপাশের শত শত মানুষের মিলনমেলায়। প্রতিযোগিতায় ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় ৩২টি নৌকা অংশগ্রহণ করে।

শুক্রবার বিকেলে শুরু হয়ে নৌকাবাইচ চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। উৎসবমুখর এ প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী নৌকার দলপতির হাতে পুরস্কার তুলে দেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান। এ সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতা দেখতে আসা লোকজন ঐতিহ্য ধরে রাখার আহ্বান জানান।

আয়োজক কমিটির সদস্য রাজৈর পৌরসভা কাউন্সিলর উজির মিয়া বলেন, ‘মুজিববর্ষ উপলক্ষে নৌকাবাইচের আয়োজন করেছি। করোনা মহামারি ও লকডাউনের জন্য রাজৈরবাসী দীর্ঘদিন ঘরবন্দি ছিল। তাদের বিনোদন দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলাম আমরা ৯ কাউন্সিলর।’

আরেক কাউন্সিলর সুলাইমান বলেছেন, ‘গ্রামবাংলার ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে দিন দিন। এ কারণে আমরা এই নৌকাবাইচের আয়োজন করেছি। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে নৌকাবাইচের আয়োজন করব।’

নৌকাবাইচ দেখতে এসে স্নিগ্ধা নামের একজন বলেন, ‘আমি এর আগে কখনও নৌকাবাইচ দেখিনি। প্রথম দেখলাম। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে।’

স্বর্ণা নামের একজন বলেন, ‘প্রতিযোগিতার কথা শুনে অনেক দূর থেকে এসেছি। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে নৌকাবাইচ।’

সাঈদ নামে একজন বলেন, ‘ বর্তমানে নৌকাবাইচ খুব কম দেখা যায়। তাই নৌকাবাইচের কথা শুনে আমি এসেছি। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে, আনন্দ পেয়েছি। আমি চাই আমাদের রাজৈরে নৌকাবাইচের আয়োজন আরও করা হোক।’

সংসদ সদস্য শাজাহান খান বলেন, ‘প্রতিবছর এ আয়োজন ধরে রাখতে সহযোগিতা করব। ঐহিত্য ধরে রাখা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সে হিসেবে এ ধরনের প্রতিযোগিতা আমাদের আরও আয়োজন করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
আত্রাইয়ে গোসলে নেমে নিখোঁজ স্বামী-স্ত্রী
নদীভাঙন: মাটিচাপায় নিখোঁজ ১
বন্ধুদের সঙ্গে হাওরে ঘুরতে গিয়ে ব্যবসায়ী নিখোঁজ
‘মেলায় গিয়ে’ নিখোঁজ তিন কিশোরী
২ দিনেও খোঁজ মেলেনি মা ও দুই মেয়ের

শেয়ার করুন

নতুন দুটি ট্রেন পাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

নতুন দুটি ট্রেন পাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার বলেন, ‘আমি শুক্রবারও রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, তিনি আমাদের একটি নয়, দুইটি শাটল ট্রেন দেবেন। অক্টোবরের ১ তারিখ থেকে চালু হবে ট্রেন দুটি।’

পহেলা অক্টোবর থেকে দুটি নতুন ট্রেন পেতে যাচ্ছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

৩৩তম সিনেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে শনিবার এ কথা বলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। সিনেট সদস্য ড. ওমর ফারুক রাসেলের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

উপাচার্য বলেন, ‘আমি শুক্রবারও রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন, তিনি আমাদের একটি নয়, দুইটি শাটল ট্রেন দেবেন। অক্টোবরের ১ তারিখ থেকে চালু হবে ট্রেন দুটি।’

২০১৯ সালের জুলাই মাসে শাটল ট্রেনে চড়ে ক্যাম্পাসে আসেন রেলমন্ত্রী। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, রেলওয়ের ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন রেলমন্ত্রী।

তখন তিনি ঘোষণা দেন, এসি ও ওয়াই-ফাইসহ ১৫-১৬ বগিবিশিষ্ট একটি নতুন ট্রেন দেবেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের।

আরও পড়ুন:
আত্রাইয়ে গোসলে নেমে নিখোঁজ স্বামী-স্ত্রী
নদীভাঙন: মাটিচাপায় নিখোঁজ ১
বন্ধুদের সঙ্গে হাওরে ঘুরতে গিয়ে ব্যবসায়ী নিখোঁজ
‘মেলায় গিয়ে’ নিখোঁজ তিন কিশোরী
২ দিনেও খোঁজ মেলেনি মা ও দুই মেয়ের

শেয়ার করুন

পরীর পাহাড় নিয়ে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

পরীর পাহাড় নিয়ে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, ‘পরীর পাহাড় প্রশ্নে জটিলতা নিরসনে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর কাজ করছে। যা করলে চট্টগ্রামবাসীর উপকার হবে সেটিই করা হবে।’   

চট্টগ্রামবাসীর সুবিধার দিক বিবেচনা রেখেই পরীর পাহাড় প্রশ্নে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন কার্যালয় পরিদর্শনকালে শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।

তিনি বলেন, ‘পরীর পাহাড় প্রশ্নে জটিলতা নিরসনে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর কাজ করছে। যা করলে চট্টগ্রামবাসীর উপকার হবে সেটিই করা হবে।’

বিরোধ নিরসনে পরীর পাহাড় পরিদর্শনে আসেননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিভাগীয় কমিশনার মহোদয়ের কার্যালয়ে এসেছি। কোনো বিরোধ নিরসনের জন্য আসিনি। এটা করবেন এখানকার নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসন বা সরকার। সরকার যদি আমাকে দায়িত্ব দেয়, তখন আমি আসব।’

পরীর পাহাড় নিয়ে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও আইনজীবীরা পরষ্পর মুখোমুখি অবস্থান আছেন। চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতি সেখানে নতুন দুটি ভবন তৈরির উদ্যোগ নিলে তা নিয়ে আপত্তি তোলে জেলা প্রশাসন। সমিতির ওই দুই নতুন স্থাপনা নির্মাণকে জেলা প্রশাসন বলছে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’। আর সমিতির দাবি, নিয়ম মেনে ‘অনুমোদন’ নিয়েই ভবন করছেন তারা।

আরও পড়ুন:
আত্রাইয়ে গোসলে নেমে নিখোঁজ স্বামী-স্ত্রী
নদীভাঙন: মাটিচাপায় নিখোঁজ ১
বন্ধুদের সঙ্গে হাওরে ঘুরতে গিয়ে ব্যবসায়ী নিখোঁজ
‘মেলায় গিয়ে’ নিখোঁজ তিন কিশোরী
২ দিনেও খোঁজ মেলেনি মা ও দুই মেয়ের

শেয়ার করুন

ত্যাগীরা আসবেন আ.লীগের নেতৃত্বে: তথ্যমন্ত্রী

ত্যাগীরা আসবেন আ.লীগের নেতৃত্বে: তথ্যমন্ত্রী

থ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হয়। আপনার একটি খারাপ আচরণ সরকারের সব অর্জন নষ্ট করে দেয়। আওয়ামী লীগ সবাই করতে পারবেন, তবে নেতৃত্বে আসবেন ত্যাগীরাই। দলের খারাপ সময়ে যারা মাঠে থাকবেন, তাদের মূল নেতৃত্বে আনতে হবে।’

আওয়ামী লীগ সবাই করতে পারবেন, তবে ত্যাগীরাই নেতৃত্বে আসবেন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হয়। আপনার একটি খারাপ আচরণ সরকারের সব অর্জন নষ্ট করে দেয়। আওয়ামী লীগ সবাই করতে পারবেন, তবে নেতৃত্বে আসবেন ত্যাগীরাই। দলের খারাপ সময়ে যারা মাঠে থাকবেন, তাদের মূল নেতৃত্বে আনতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে দেশের মানুষের ক্ষুধা-দারিদ্র্য দূর করেছেন। আমরা এখন নানা দুর্যোগে বিভিন্ন দেশকে খাদ্যসহায়তা করি। তারপরও বিএনপি নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা প্রতিদিন সংবাদ সম্মেলন করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়।’

৬ বছর পর শনিবার সকালে থানা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে সম্মেলন উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কে এম হোসেন আলী হাসান।

দলীয় কার্যালয় চত্বরে সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ বজলুর রশিদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, হাইব্রিডদের দিন শেষ। এখন ত্যাগী ও দলের দুর্দিনের কর্মীদের মূল্যায়নের সময় এসেছে।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনাই একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যিনি জাতিসংঘে সবচেয়ে বেশিবার বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি ১৭ বার বক্তব্য রেখে রেকর্ড গড়েছেন। তার সুযোগ্যে নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কোনো ষড়যন্ত্র শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারবে না।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আব্দুল মমিন মণ্ডল, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা, আব্দুল আওয়াল শামীম, বনানী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোশারফ হোসেন,
জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুর রহমান, বিমল দাস, আবু ইউসুফ সূর্যসহ অনেকে।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী।

পরে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ভোটে ডা. আবদুল হাই সরকার এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আজগর আলী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন:
আত্রাইয়ে গোসলে নেমে নিখোঁজ স্বামী-স্ত্রী
নদীভাঙন: মাটিচাপায় নিখোঁজ ১
বন্ধুদের সঙ্গে হাওরে ঘুরতে গিয়ে ব্যবসায়ী নিখোঁজ
‘মেলায় গিয়ে’ নিখোঁজ তিন কিশোরী
২ দিনেও খোঁজ মেলেনি মা ও দুই মেয়ের

শেয়ার করুন

নদী বাঁচানোর দাবিতে ‘নদী পরিভ্রমণ’

নদী বাঁচানোর দাবিতে ‘নদী পরিভ্রমণ’

মানুষ বাচাঁতে ও পরিবেশ-প্রতিবেশ ঠিক রাখতে এখনই নদীগুলোকে বাঁচানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ শাখা। ছবি: নিউজবাংলা

বাপার হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, ‘নদীগুলো আজ নানামুখী অত্যাচারের চরম বিপর্যযের শিকার হচ্ছে। নদী নিয়ে ব্যবসা করা হচ্ছে। নদী দখল ও হত্যা করে আর্থিক ফায়দা লুটছে একশ্রেণির ক্ষতিকর মানুষ। নদীর উপর স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। যে কারণে নদী আজ মহাসঙ্কটাপন্ন।’

দখল-দূষণসহ নানা কারণে হবিগঞ্জ অধিকাংশ নদীই এখন বিলিন হয়ে গেছে। অস্তিত্ব সংকটে পড়েছে জেলার সবগুলো বড় নদী। তাই মানুষ বাচাঁতে ও পরিবেশ-প্রতিবেশ ঠিক রাখতে এখনই নদীগুলোকে বাঁচানোর দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবাদিরা।

রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব নদী দিবস’। এবার নদী দিবসের প্রতিপাদ্য ‘মানুষের জন্য নদী’।

এ উপলক্ষে শনিবার হবিগঞ্জের খোয়াই নদীতে ‘নদী পরিভ্রমণ’ কর্মসূচি পালন করে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ শাখা ও খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার।

এ সময় সংক্ষিপ্ত এক পথসভায় বক্তারা বলেন, বহু বছর ধরেই খোয়াই নদীর নাব্যতার ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। খোয়াই নদী খনন না হওয়াতে নদীর তলায় পলি ও বালি জমে স্থানে স্থানে চড়া পরেছে। নদীর তলদেশ শহর থেকে ১২ থেকে ১৫ ফুট উঁচু হয়ে উঠেছে। যে কারণে নদীকে শহর থেকে অন্তত ১০ ফুট গভীরে নিতে দ্রুত খনন করতে হবে।

তারা অভিযোগ করেন, খোয়াই নদী থেকে যন্ত্র দ্বারা অপরিকল্পিত-অনিয়ন্ত্রিতভাবে বালু ও মাটি উত্তোলনের কারণে নদী সংকটাপন্ন অবস্থায় আছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পরেছে নদীর বিভিন্ন স্থানের বাঁধ। নদীতে বর্জ্য ফেলার কারণে দুষিত হচ্ছে পানি। অবৈধভাবে মাটি-বালু উত্তোলন বন্ধ না করলে পরিবেশ আরও বিপর্যয়ের মূখে পড়বে।

নদী বাঁচানোর দাবিতে ‘নদী পরিভ্রমণ’

বাপার হবিগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সোহেল বলেন, ‘নদীগুলো আজ নানামুখী অত্যাচারের চরম বিপর্যযের শিকার হচ্ছে। নদী নিয়ে ব্যবসা করা হচ্ছে। নদী দখল ও হত্যা করে আর্থিক ফায়দা লুটছে একশ্রেণির ক্ষতিকর মানুষ। নদীর উপর স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। যে কারণে নদী আজ মহাসঙ্কটাপন্ন।’

মুক্তিযুদ্ধা মোহাম্মদ আলী মুমিন বলেন, ‘আমরা যখন নৌকা পরিভ্রমণে গিয়েছি। তখন খোয়াই মুখ থেকে মশাজান পর্যন্ত নদীতে অগণিত ড্রেজার মেশিন চোখে পরেছে। অবৈধ বালু, মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে।

‘এতে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে নদী, তীরবর্তী বাড়িঘর-রাস্তাঘাট ও পরিবেশের। দ্রুত এসব বন্ধ না করলে খোয়াই নদী খুব শিগগিরই বিলিন হয়ে যাবে। তখন কৃষিজমিতে সেচ ব্যহতসহ বিভিন্ন বিপর্য নেমে আসবে জেলাজুড়ে।’

কর্মসূচিতে আরও অংশ নেন বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সাবেক জনপ্রতিনিধি হাবিবুর রহমান, বিজন বিহারী দাস, চিকিৎসক ও পরিবেশকর্মী এসএস আল-আমীন সুমন, আফরোজা ছিদ্দিকা, তারুণ্য সোসাইটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
আত্রাইয়ে গোসলে নেমে নিখোঁজ স্বামী-স্ত্রী
নদীভাঙন: মাটিচাপায় নিখোঁজ ১
বন্ধুদের সঙ্গে হাওরে ঘুরতে গিয়ে ব্যবসায়ী নিখোঁজ
‘মেলায় গিয়ে’ নিখোঁজ তিন কিশোরী
২ দিনেও খোঁজ মেলেনি মা ও দুই মেয়ের

শেয়ার করুন

অচেতন তাবলিগ জামাতের ১৩ সদস্য হাসপাতালে

অচেতন তাবলিগ জামাতের ১৩ সদস্য হাসপাতালে

তাবলিগ জামাতের ১৩ জনকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার রাতে তাবলিগ জামাতের সদস্যরা খাবার খেয়ে ঘু‌মিয়ে পড়লে শ‌নিবার তাদের অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। এরপর তাদের হাসপাতালে নেয়া হয়।

পটুয়াখালীর এক‌টি মসজি‌দ থে‌কে তাবলিগ জামাতের ১৩ সদস‌্যকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে পটুয়াখালী মে‌ডি‌ক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শহরের কলাতলা এলাকার বটতলা জামে মসজিদে শনিবার সকালে তাদের অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার রাতে তাবলিগ জামাতের সদস্যরা খাবার খেয়ে ঘু‌মিয়ে পড়লে শ‌নিবার তাদের অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। এরপর তাদের হাসপাতালে নেয়া হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খাবারে বিষক্রিয়া নাকি নেশাজাতীয় কোনো কিছু মেশানো ছিল তা পরীক্ষার পর বলা যাবে।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকার তাবলিগ জামাতের সদস‌্য রাসেল আহমেদ জানান, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, টাঙ্গাইলসহ দেশের কয়েক জেলা থেকে ১৫ সদস‌্যকে তিন‌ দিনের চিল্লার (সফর) জন্য কাকরাইল মসজিদ থেকে তাব‌লিগের আ‌মির তাদের পটুয়াখালীতে পাঠান। বৃহস্প‌তিবার সন্ধ‌্যায় ঢাকা থেকে লঞ্চে রওনা হয়ে শুক্রবার ভোরে তারা পটুয়াখালীর হেতা‌লিয়া বাধঘাট এলাকার মারকাজ মসজিদে পৌঁছেন। সেখানকার তাব‌লিগ কমিটির সিদ্ধান্তে শহরের কলাতলা এলাকার বটতলা জামে মসজিদে পা‌ঠানো হয়।

রাসেল বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী আমরা যে যার কাজ করি। আ‌মিরের নির্দেশমতো আমরা দিনভর মানুষকে দিনের দাওয়াত দিয়ে‌ছি, ইসলামি আলাপ-আলোচনা করেছি। রাতে খাবার খেয়ে আমরা ঘুমাই। তারপর এলাকার এক সাথি জানান তার শরীর খারাপ লাগছে। আমরা তখন মসজিদের সামনে একটু হেঁটে এসে ঘুমাই।’

ফজরে তাবলিগের ওই দুই সদস্য ছাড়া অন্যরা কেউ উঠতে না পারলে মসজিদ কমিটিকে খবর দেন রাসেল। পরে সেই ১৩ জনকে অচেতন অবস্থায় পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভ‌র্তি করা হয় বলে জানান তিনি।

পটুয়াখালী মেডিক্যালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহমুদুর রহমান জানান, ‘অচেতন ১৩ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের শারিরিক পরীক্ষার রিপোর্ট পেলে বলা যাবে কী কারণে তারা অচেতন হয়ে পড়ছিলেন।’

বটতলা জামে মসজিদের ‌পেশ ইমাম মাওলানা মো. কলিমুল্লাহ জানান, ফজর নামাজের আগে মসজিদের মুয়াজ্জিনের ফোন পেয়ে মসজিদে গিয়ে দেখেন তাব‌লিগ জামাতের সদস্যরা সবাই ঘুমাচ্ছেন। ‌অনেক ডাকাডাকির পরও কারও ঘুম ভাঙে না।

বটতলা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট হারুন অর রশিদ জানান, তিনিও ফোন পেয়ে সেখানে যান। পরে স্থানীয় মারকাজ মসজিদের ইমামের সঙ্গে আলোচনা করে থানার ওসির পরামর্শে হাসপাতালে নেয়া হয়।

তবে কারও টাকাপয়সা হারানোর ব্যাপারে বা কোনো কিছু খোয়া গেছে এমন খবর পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার মোরশেদ জানান, ঘটনা শুনে তাৎক্ষ‌ণিকভা‌বে সেখানে অ‌ফিসার পাঠানো হয়ে‌ছিল। সবার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে খাবারেও হয়তো কোনো সমস্যা ছিল।

তিনি বলেন, ‘খাবারে কিছু মেশানো হয়েছিল কি না, তা ডাক্তারি পরীক্ষার পর জানা যাবে। মসজিদ কমিটি বা অসুস্থদের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তারপরও আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছি।’

আরও পড়ুন:
আত্রাইয়ে গোসলে নেমে নিখোঁজ স্বামী-স্ত্রী
নদীভাঙন: মাটিচাপায় নিখোঁজ ১
বন্ধুদের সঙ্গে হাওরে ঘুরতে গিয়ে ব্যবসায়ী নিখোঁজ
‘মেলায় গিয়ে’ নিখোঁজ তিন কিশোরী
২ দিনেও খোঁজ মেলেনি মা ও দুই মেয়ের

শেয়ার করুন