বাসদ নেতার মরদেহ উদ্ধার

বাসদ নেতার মরদেহ উদ্ধার

বাসদ নেতা কমরেড জাহেদ আহমেদ টুটুল

ওসি মোহাম্মদ আলী নিউজবাংলাকে জানান, শনিবার টুটুল ও সুশান্ত মানিকছড়ি হয়ে আসার পর সন্ধ্যা ৭ টার দিকে খাগড়াছড়ির জিরোমাইল এলাকায় এসে আলাদা হয়ে যান। রোববার দুপুর ১২টার দিকে মাটিরাঙ্গা থেকে টুটুলের মোটরসাইকেল ও ব্যাগসহ তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড জাহেদ আহমেদ টুটুলের মরদেহ খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলার সাপমারা-ব্যাঙমারা এলাকার একটি সেতুর নিচ থেকে রোববার দুপুর ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন মাটিরাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী।

টটুলের সহকর্মী পলাশ চৌধুরী জানান, শনিবার সকালে টুটুল তার রাজনৈতিক সহকর্মী সুশান্ত বড়ুয়াকে সঙ্গে নিয়ে রাঙ্গামাটি থেকে খাগড়াছড়ি শহরে যান।

সন্ধ্যায় নিজ মোটরসাইকেলে টুটুল মাটিরাঙ্গার উদ্দেশে রওনা হন। তবে রাতে বাসায় না ফেরায় তার সহকর্মীরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।

রোববার সকালে সাপমারা-ব্যাঙমারা এলাকার মাঝামাঝি একটি সেতুর নিচে মোটরসাইকেলসহ তার মরদেহ পাওয়া যায়।

ওসি মোহাম্মদ আলী নিউজবাংলাকে জানান, শনিবার টুটুল ও সুশান্ত মানিকছড়ি হয়ে আসার পর সন্ধ্যা ৭ টার দিকে খাগড়াছড়ির জিরোমাইল এলাকায় এসে আলাদা হয়ে যান। রোববার দুপুর ১২টার দিকে মাটিরাঙ্গা থেকে টুটুলের মোটরসাইকেল ও ব্যাগসহ তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওসি আরও বলেন, ‘টুটুল দুর্ঘটনার শিকার হয়েছে বলে আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

রাজশাহীতে টেকনোলজিস্টের দেয়া ওষুধ খেয়ে অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু আব্দুর রাফি। ছবি: নিউজবাংলা

মফিজুল হক দেয়া ওষুধ খেয়ে অস্বাভাবিক অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু রাফি। ৯ সেপ্টেম্বর থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছে শিশুটি।

রাজশাহীতে দাঁতের ব্যথার চিকিৎসায় খিচুনির ওষুধ খেয়ে গুরুতর অসুস্থ শিশু আবদুর রাফির বাবা আয়নাল হক কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

রোববার রাজশাহীর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে করা মামলার আসামি কথিত চিকিৎসক মফিজুল হক। তিনি রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার এমাদপুর মহল্লার বাসিন্দা।

আদালতে মামলাটি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম বাবু।

তিনি জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর এ ব্যাপারে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য রাজশাহীর সিভিল সার্জন ডা. কাইয়ুম তালুকদারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মফিজুল হক দেয়া ওষুধ খেয়ে অস্বাভাবিক অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু রাফি। শিশুটি ৯ সেপ্টেম্বর থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে বিছানায় ছটফট করছে।

মামলার বাদী রাফির বাবা আয়নাল হকের বাড়ি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার দালালপাড়া গ্রামে। ১৩ আগস্ট তিনি রাফির সমস্যাযুক্ত একটি দাঁত তোলেন মফিজুলের চেম্বারে। এরপর ব্যথা না কমার কারণে ২৬ আগস্ট আবার তার চেম্বারে যান। তখন মফিজুল একটি সিরাপ দেন।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘শিশুটিকে যে ওষুধ দেয়া হয়েছিল, সেটা খিঁচুনির। তার খিচুনি ছিল না। দাঁতে ব্যথা ছিল। সে কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও দেখা দিয়েছে। একে স্টভেন জনসন সিনড্রম বলে। শিশুটির শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। এখন ইমপ্রুভ করছে।’

চোখ ছাড়া তার পুরো শরীরজুড়ে ক্ষত দেখা দিয়েছে। ফোসকা পড়লে যেমন হয়, ঠিক সে রকম ক্ষত। শরীরের কোথাও কোথাও চামড়া উঠে গেছে। ঠোঁটের ওপরেও ক্ষতের কারণে সে কিছু খেতে পারছে না। টানা কয়েকদিন কথাও বলতে পারেনি। তার শরীরে মলম লাগিয়ে রাখা হয়েছে।

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা
রাজশাহীতে টেকনোলজিস্টের দেয়া ওষুধ খেয়ে অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু আব্দুর রাফি। ছবি:সংগৃহীত

নিজেকে ডাক্তার দাবি করা মফিজুলের চেম্বার রয়েছে কাটাখালী বাজারে। সেখানে তিনি নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসা দেন। ঘটনার পর থেকে চেম্বারটি বন্ধ রয়েছে।

অভিযুক্ত মফিজুলের দাবি, রাজশাহী ইনস্টিটিউট অফ হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) থেকে ২০০৭ সালে ডেন্টাল বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি।

রাজশাহী আইএইচটির অধ্যক্ষ ফারহানা হক বলেছেন, ডেন্টাল বিভাগের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হিসেবে উত্তীর্ণ হলেও কেউ রোগী দেখতে পারেন না। তিনি শুধু একজন ডেন্টাল সার্জনকে সহায়তা করতে পারেন।

কাটাখালী বাজারে চেম্বারে প্যাডে ব্যবস্থাপত্র দেন মফিজুল। তার প্যাডে নিজের নামের নিচে পদবি হিসেবে লিখেছেন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল), এফটি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ রেজিস্ট্রেশন নম্বর- ৭৬৫৩।

নিবন্ধন নম্বরের ব্যাপারে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের সচিব জাহিদুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের কোনো নিবন্ধন নম্বর আমরা মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের দেই না, যা দিয়ে তারা রোগী দেখতে পারেন। রোগী শুধু এমবিবিএস চিকিৎসক ও ডেন্টাল সার্জনরাই দেখতে পারেন। আর তাদের নিবন্ধন দেয় বাংলাদেশ মেডিক্যাল কাউন্সিল। তাই বলতেই পারি মফিজুলের ওই নিবন্ধন নম্বর ভুয়া।’

আরও পড়ুন:
হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৪৪ বছরের কারাদণ্ড

কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৪৪ বছরের কারাদণ্ড

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রোববার আদালত বাবুলকে অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়। অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ ছাড়া ধর্ষণের দায়ে ৩০ বছরের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক।

শেরপুরে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে যাবজ্জীবনসহ ৪৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। জরিমানার পাশাপাশি তার সম্পদ থেকে ধর্ষণের ফলে হওয়া সন্তানের ভরণ-পোষণের ব্যবস্থার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান ভার্চুয়াল আদালতে রোববার বিকেলে এ আদেশ দেন।

দণ্ড পাওয়া ৩১ বছরের বাবুল কবিরাজের বাড়ি সদর উপজেলার চরশেরপুর পূর্বপাড়া গ্রামে।

আদালত থেকে জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার ওই কিশোরীকে ২০১৮ সালের ২১ এপ্রিল অপহরণ করে নিয়ে যান বাবুল। পরে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় রেখে বিয়ের প্রলোভনে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এক পর্যায়ে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই কিশোরী।

এ ঘটনায় কিশোরীর মা ২০১৮ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বাবুলসহ চারজনকে আসামি করে সদর থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের মামলাটি করেন। মামলায় বাবুলকে গ্রেপ্তারের কিছু দিন পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় ওই কিশোরী। পরে ডিএনএ টেস্টে শিশুটি বাবুলের বলে প্রমাণিত হয়।

তদন্ত শেষে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেনের দেয়া অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল একমাত্র আসামি হিসেবে বাবুলের বিচার শুরু হয়।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রোববার আদালত বাবুলকে অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়। অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এ ছাড়া ধর্ষণের দায়ে ৩০ বছরের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক।

পাশাপাশি ধর্ষণের কারণে জন্ম নেওয়া শিশুর জৈবিক বাবা হিসেবে আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থেকে আদায় সাপেক্ষে তার ভরণপোষণের আদেশ দেয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের পিপি গোলাম কিবরিয়া বুলু বলেন, ‘বিচারক যে রায় দিয়েছেন তাতে আমরা খুশি।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সাখাওয়াতউল্লাহ বলেন, ‘রায়ে আমরা ন্যায্য বিচার পাইনি। আসামিপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে।’

আরও পড়ুন:
হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মেরিন ড্রাইভ সড়কে প্রাণ গেল এসএসসি পরীক্ষার্থীর

মেরিন ড্রাইভ সড়কে প্রাণ গেল এসএসসি পরীক্ষার্থীর

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেলে তিন বন্ধু ঘুরতে বের হয়। দ্রুত গতিতে বাইক চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তারা ছিটকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক সাহেলকে মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে দুই যুবক।

মেরিন ড্রাইভ সড়কের হাড়িয়াখালী এলাকায় রোববার রাত পৌনে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. সাহেলের বাড়ি টেকনাফ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। সে টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেলে তিন বন্ধু ঘুরতে বের হয়। দ্রুত গতিতে বাইক চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তারা ছিটকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক সাহেলকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহতরা হলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সালাউদ্দিন ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সাইফুল। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মামলার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরও পড়ুন:
হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

সেফালী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উপজেলা চেয়ারম্যান

সেফালী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় উপজেলা চেয়ারম্যান

নাসরিন জাহান চৌধুরী সেফালী। ছবি: সংগৃহীত

শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম জানান, নির্বাচনে অন্য প্রার্থী না থাকায় সেফালী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নাসরিন জাহান চৌধুরী সেফালী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন।

উপনির্বাচনে একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মাস্টার হেলাল উদ্দিন রোববার সকালে তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।

সেফালী প্রয়াত উপজেলা চেয়ারম্যান ফরিদ উল্যাহ চৌধুরীর স্ত্রী।

গত ২৬ মার্চ শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উল্যাহ চৌধুরীর মৃত্যুতে চেয়ারম্যান পদটি শূন্য হয়।

২ সেপ্টেম্বর উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। ২০ সেপ্টেম্বর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ও ৭ অক্টোবর ভোট গ্রহণের কথা।

শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল কাসেম জানান, নির্বাচনে অন্য প্রার্থী না থাকায় সেফালী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

শাহরাস্তি উপজেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, ১৩ সেপ্টেম্বর চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নাসরিন জাহান চৌধুরী সেফালী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মাস্টার হেলাল আহমেদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বাবুল মিজি।

যাচাই-বাছাইয়ে বাবুল মিজির মনোনয়নপত্র বাতিল হয়ে যায়। প্রত্যাহারের শেষ দিন রোববার দুপুরে মাস্টার হেলাল আহমেদ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।

সেফালী বলেন, ‘ফরিদ উল্যাহ চৌধুরীর স্মৃতিবিজড়িত উপজেলা পরিষদে কাজের সুযোগ পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

আরও পড়ুন:
হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মাদক বিস্তারের দায় ডিসি, এসপিরও: এমপি মোকতাদির

মাদক বিস্তারের দায় ডিসি, এসপিরও: এমপি মোকতাদির

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাদক বিরোধী এক সভায় বক্তব্য রাখেন সদস্য র.আ.ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা

সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যেভাবে মাদক কারবারি ছড়িয়ে পড়ছে, তার দায় ডিসি, এসপি, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরকেও নিতে হবে। কারও ঘাড়ে দায় চাপিয়ে দিয়ে বসে থাকলে হবে না।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদক বিস্তারে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপারকেও (এসপি) দায় নিতে হবে বলে জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী।

শহীদ ধীন্দ্রেনাথ দত্ত ভাষা চত্বর প্রাঙ্গণে রোববার বিকেল ৪টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের মাদকবিরোধী সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সংসদ সদস্য বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন উপজেলা, ইউনিয়নসহ যেসব এলাকায় মাদকদ্রব্যের সন্ধান পাওয়া যাবে, সেখানকার দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যানকেও জবাবদিহি করতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যেভাবে মাদক কারবারি ছড়িয়ে পড়ছে, তার দায় ডিসি, এসপি, মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরকেও নিতে হবে। মাদক থেকে এই জেনারেশনকে সঠিক পথে নিতে হলে পরিবারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। কারও ঘাড়ে দায় চাপিয়ে দিয়ে বসে থাকলে হবে না। তরুণসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে ডিসি হিসেবে, এসপি হিসেবে, বাবা-মা হিসেবে যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে।’

সাংসদ মোকতাদির বলেন, ‘যদি চিহ্নিত করতে পারেন আপনাদের এলাকায় মাদকের ব্যবসা হয়, সেখানে যদি প্রতিবাদ করতে সাহস না পান, তাহলে সরাসরি আমাকে বলবেন। সেখানে যদি পুলিশ বা বিজিবি বা মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর না যায়, আমি আপনাদের পাশে থাকব। আমি তাদের ধরে নিয়ে পুলিশে হস্তান্তর করব।’

জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা খান সভায় সভাপতিত্ব করেন।

উপস্থিত ছিলেন এসপি আনিসুর রহমান, মেয়র নায়ার কবির, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ফিরোজুর রহমান ওলিসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

নির্বাচনি সহিংসতায় বৃদ্ধা নিহত, আহত ৩

নির্বাচনি সহিংসতায় বৃদ্ধা নিহত, আহত ৩

চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় ফাতেমা বেগম নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, ভোটের আগের রাত ৯টার দিকে চাঁদপাই মোড়ে ইউপি সদস্য প্রার্থী মতিয়ার রহমান মোড়ল এবং অপর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

বাগেরহাটের মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় ফাতেমা বেগম নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিন জন।

রোববার রাত ৯টার দিকে উপজেলার চাঁদপাই মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ভোটের আগের রাত ৯টার দিকে চাঁদপাই মোড়ে ইউপি সদস্য প্রার্থী মতিয়ার রহমান মোড়ল এবং অপর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এলাকার মহাসিন ও মোয়াজ্জেম বলেন, সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে ৭০ বছর বয়সী ফাতেমা বেগমসহ চার জন আহত হন।

মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে ফাতেমা বেগম মারা যান। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সিরাজুল ইসলাম।

তিনি জানান, ফাতেমার মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এ বিষয়ে মতিয়ার রহমান মোড়ল জানান, চাঁদপাই মোড়ে গেলে প্রতিপক্ষ প্রার্থী শফিকুলসহ লোকজন তার ওপর হামলা চালায়।

শফিকুলের দাবি, মতিয়ার মোড়ল লোকজনের মাঝে টাকা বিতরণের সময় তিনি বাধা দেন। এসময় তার ওপর মতিয়ার হামলা চালান।

মোংলা থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে, বৃদ্ধা কিভাবে মারা গেছেন এখনই বলা যাচ্ছে না।

সোমবার মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ।

আরও পড়ুন:
হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

ডাকাতিয়ায় সিমেন্টবোঝাই জাহাজডুবি

ডাকাতিয়ায় সিমেন্টবোঝাই জাহাজডুবি

চাঁদপুর সদরের বাগরাবাজার এলাকায় ডাকাতিয়া নদীতে সিমেন্টবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে। ছবি: নিউজবাংলা

কার্গো জাহাজের লস্কর বলেন, ‘রাতভর ভারী বর্ষণে জাহাজের ভেতরে পানি ঢোকে। রোববার ভোরে জাহাজটি ৪ হাজার ২০০ বস্তা সিমেন্ট নিয়ে নদীতে তলিয়ে যায়। এ সময় আমরা তিনজন সাঁতরে তীরে উঠে রক্ষা পাই।’

চাঁদপুরে ডাকাতিয়া নদীতে এমভি নিউ শাহ পরান নামের একটি সিমেন্টবোঝাই কার্গো জাহাজ ডুবে গেছে।

রোববার ভোরে চাঁদপুর সদরের বাগাদী ইউনিয়নের বাগরাবাজার এলাকায় ডাকাতিয়ায় এ ঘটনা ঘটে।

জাহাজে থাকা তিনজন নদী সাঁতরে পাড়ে উঠেছেন। তারা হলেন সুকানি সুরুজ মিয়া, শ্রমিক মহিউদ্দিন ও কার্গোর লস্কর আল আমিন।

আল আমিন বলেন, ‘শনিবার দুপুরে এমভি নিউ শাহ পরান নামের মালবাহী জাহাজে ৪ হাজার ২০০ বস্তা সিমেন্ট নিয়ে মুক্তারপুর থেকে লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের উদ্দেশে রওনা হই। রাতে ডাকাতিয়া নদীতে চাঁদপুরের বাগরাবাজার এলাকায় এলে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় জাহাজটি নোঙর করে রাখি।

‘রাতভর ভারী বর্ষণে জাহাজের ভেতরে পানি ঢোকে। রোববার ভোরে জাহাজটি নদীতে তলিয়ে যায়। এ সময় আমরা তিনজন সাঁতরে তীরে উঠে রক্ষা পাই।’

চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘সিমেন্টবোঝাই কার্গো জাহাজডুবির বিষয়ে কেউ জানায়নি। এ ঘটনায় মালিকপক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন