× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Recommendation to make the salary of domestic worker equal to that of garment worker
hear-news
player
google_news print-icon

গৃহকর্মীর বেতন পোশাককর্মীর সমান করার সুপারিশ

গৃহকর্মীর-বেতন-পোশাককর্মীর-সমান-করার-সুপারিশ
বিলস জানায়, নিয়োগকারীর সঙ্গে ৯৯ শতাংশের বেশী গৃহশ্রমিকের কোনো লিখিত চুক্তি নেই। ফাইল ছবি
গৃহশ্রমিকদের বেতন কমপক্ষে পোশাক খাতের শ্রমিকদের সমপরিমাণ করতে হবে এবং তাদের উৎসব বোনাস দিতে হবে। গৃহকর্মীদের তাদের বেতনের ৫০ শতাংশ বোনাস দিতে হবে। কাজের ধরন-প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে গৃহশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সরকারের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধাভোগী হিসেবে অভাবী গৃহশ্রমিক পরিবারকে বাছাই করতে হবে।

গৃহকর্মীদের বেতন কমপক্ষে পোশাককর্মীদের সমপরিমাণ করার সুপারিশ করেছে শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করে এমন বেসরকারি সংস্থা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস)। কাজের ধরন ও প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে গৃহশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সরকারের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে বলেও জানায় বেসরকারি সংস্থাটি।

গৃহকর্মীদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে তাদের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং তাদের নিরাপদ ও শোভন কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে বিলসের প্রস্তাবিত আট দফা সুপারিশে উঠে আসে এমন দাবি।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি বাস্তবায়ন নিরীক্ষা এবং উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণাপত্র উপস্থাপন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন সব সুপারিশ ও দাবি তুলে ধরে বিলস।

গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতির কথা উল্লেখ করে সংগঠনটি থেকে জানানো হয়, নিয়োগকারীর সঙ্গে ৯৯ শতাংশের বেশি গৃহশ্রমিকের কোনো লিখিত চুক্তি নেই। কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের জন্য কোনো ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেই। সবেতনে মাতৃত্বকালীন ছুটিরও ব্যবস্থা নেই এবং তাদের পেশাগত কোনো নিশ্চিয়তা নেই।

সংগঠনটি থেকে প্রস্তাব রাখা হয়, গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতিমালাকে আইনে রূপান্তর করতে হবে। গৃহকর্মীদের শ্রম আইনের স্বীকৃতি দিতে হবে। কর্মস্থলে গৃহকর্মীদের সুরক্ষিত থাকার ব্যবস্থা এবং সব ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন রোধ করতে হবে।

গৃহকর্মীর বেতন পোশাককর্মীর সমান করার সুপারিশ

জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি বাস্তবায়ন নিরীক্ষা এবং উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করে বিলস। ছবি: নিউজবাংলা

বিলসের আট সুপারিশ

১. গৃহস্থালি কাজকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি পেশা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে। এ জন্য শ্রম মন্ত্রণালয়ের সেলকে আরও সক্রিয় করতে হবে। লিখিত চুক্তিটিকে গৃহকর্মী এবং নিয়োগকারীদের মধ্যে বাধ্যতামূলক করতে হবে। বিদ্যমান নীতিকে আইনে পরিণত করতে হবে।

২. ইউনিয়ন-থানা পর্যায়ে গৃহশ্রমিক-সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এটি গৃহশ্রমিকদের পরিস্থিতি তাদের অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক মাইগ্রেশন বিষয়ে বিশদ পরিসংখ্যান পেতে সরকারকে সহযোগিতা করবে। জাতীয় জরিপে গৃহশ্রমিকদের পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য সরকারের উদ্যোগ নেয়া উচিত।

৩. গৃহশ্রমিক এবং নিয়োগকারী উভয়কেই বিভিন্ন সচেতনতা কর্মসূচি এবং উঠান বৈঠকের মাধ্যমে সচেতন করতে হবে। হেল্প লাইন নম্বর ব্যবহার করার জ্ঞান এবং গৃহশ্রমিকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় গৃহশ্রমিকদের জন্য বিধান থাকা দরকার।

৪. গৃহশ্রমিকদের জন্য একটি অভিযোগ কেন্দ্র থাকা উচিত, যাতে তারা হয়রানি বা নির্যাতনের যেকোনো ঘটনার বিরুদ্ধে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে পারে। এ কাজে মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা উচিত, যাতে তারা সরাসরি ভুক্তভোগী গৃহশ্রমিকদের জন্য কাজ করতে পারে। ১২-১৪ বছর বয়সী নারী গৃহশ্রমিকদের সুরক্ষার দিকে বিশেষ মনোযোগ দেয়া উচিত। প্রতিটি ওয়ার্ড-ইউনিয়ন পর্যায়ে ওয়ান স্টপ সার্ভিস চালু করা দরকার।

৫. গৃহশ্রমিকদের বেতন কমপক্ষে গার্মেন্টস খাতের সমপরিমাণ করতে হবে এবং তাদের উৎসব বোনাস দিতে হবে। গৃহশ্রমিকদের তাদের বেতনের ৫০ শতাংশ বোনাস দিতে হবে। কাজের ধরন-প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে গৃহশ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি সরকারের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হবে। সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধাভোগী হিসেবে অভাবী গৃহশ্রমিক পরিবারকে বাছাই করতে হবে। গৃহশ্রমিকদের জন্য এলাকাভিত্তিক আবাসন, হোস্টেল, অ্যাম্বুলেন্স এবং হাসপাতালের সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করতে হবে। গৃহশ্রমিকবান্ধব নীতি নিশ্চিত করার জন্য স্বাস্থ্যবিমা পলিসি, ন্যূনতম মজুরি অধিকার, ডিজিটালাইজড অর্থ লেনদেন বাস্তবায়ন করা দরকার। গর্ভবতী গৃহশ্রমিকদের গর্ভকালীন সময়কালে এবং সন্তান প্রসবের পর কমপক্ষে ৬ মাস সবেতন ছুটি দিতে হবে।

৬. গৃহশ্রমিকদের তাদের কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা এবং মজুরি নিয়ে দর-কষাকষি করার ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। গৃহকর্মীদের দক্ষতা বাড়াতে সরকারের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন এনজিও একই কাজে সহযোগিতা করতে পারে। সরকারের উচিত গৃহশ্রমিক উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা। এ ছাড়া যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর গৃহশ্রমিকদের যোগ্য মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

৭. গৃহশ্রমিকরা যদি সংগঠিত হতে পারে, তবে তারা সহজেই তাদের উপার্জন এবং তার পরিমাণ নিয়ে কথা বলতে পারবে। সরকারের উচিত গৃহশ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অনুমতি দেওয়া; যাতে তারা নিজেরাই তাদের অধিকার নিয়ে কাজ করতে পারেন এবং সহিংসতার বিরুদ্ধে তাদের দাবি এবং অবস্থান প্রকাশ করতে পারেন। ট্রেড ইউনিয়ন এবং নিয়োগকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি চুক্তি হতে পারে, যেখানে গৃহশ্রমিকদের অধিকার যেমন মজুরি শোভন কাজের শর্ত এবং অন্যান্য সুবিধার উল্লেখ থাকবে।

৮. কোভিড-১৯-পরবর্তী পরিস্থিতিতে গৃহশ্রমিকদের মূল্যায়ন বিষয়ে গবেষণা করা উচিত। জিডিপিতে গৃহকর্মীদের অবদান এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমনীতি এবং আইন অনুযায়ী সারা দেশে সব গৃহশ্রমিকর অবস্থা বিষয়ে গবেষণা হতে পারে।

আরও পড়ুন:
গৃহকর্মীকে নির্যাতন: স্বামী-স্ত্রী রিমান্ডে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Speech impaired young woman accused of being raped and then burnt to death

বাক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ

বাক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগ ফাইল ছবি
মৃতের ছোট বোন বলেন, ‘উদ্ধারের পর আমার বোন আমাদেরকে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছে যে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সে ধর্ষণকারীদের চেনে বলেও আমাদের ইশারায় বলেছে। আমার বোনকে হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

ঢাকার কেরানীগঞ্জে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার বাক প্রতিবন্ধী তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার পর সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ জামাল এসব নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ৯৯৯ এ কল পেয়ে সোমবার গভীর রাতে সুবাড্ডা সাবান ফ্যাক্টরির গলি চিতা খোলা এলাকায় গিয়ে দগ্ধ অবস্থায় ওই তরুণীকে পাওয়া যায়। তাকে শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। সেখানে মঙ্গলবার রাতে তার মৃত্যু হয়। তাকে হত্যার অভিযোগে পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে। সন্দেহভাজন হিসেবে আটক একজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

মৃত তরুণীর এক আত্মীয় বলেন, ‘গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যার দিকে আমার শ্যালিকাকে এলাকার কয়েকজন ফুসলিয়ে বাড়ির কাছ থেকে নিয়ে যায়। পুলিশের মাধ্যমে মধ্যরাতে আমরা তার খোঁজ পাই। এলাকা থেকে তিন জন নিখোঁজ আছে। তাদের উপর আমাদের সন্দেহ হয়।’

মৃতের ছোট বোন বলেন, ‘উদ্ধারের পর আমার বোন আমাদেরকে ইঙ্গিতে বুঝিয়েছে যে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। সে ধর্ষণকারীদের চেনে বলেও আমাদের ইশারায় বলেছে। আমার বোনকে হত্যার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

আরও পড়ুন:
ঘরে ঢুকে রোহিঙ্গা মাঝিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
নায়িকা শিমু হত্যা মামলায় স্বামীসহ দুইজনের বিচার শুরু
টিপু-প্রীতি হত্যা: তদন্ত প্রতিবেদন ১১ জানুয়ারি
চা দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা
মসজিদে যাওয়ার পথে ব্যবসায়ী খুন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The people of the country are in fear

‘দেশের মানুষ আতঙ্কে আছে’

‘দেশের মানুষ আতঙ্কে আছে’ জাতীয় ছাত্র সমাজের সম্মেলনে মুজিবুল হক চুন্নু। ছবি: নিউজবাংলা
মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় দূর্নীতি ও লুটপাট করেছে। দেশের মানুষ তাদের ওপর বিরক্ত। জনগন এখন জাতীয় পার্টিকে চায়।’

জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ক্ষমতার জন্য সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। তাদের কারণে দেশের মানুষ আতঙ্কে আছেন। জনগন মুক্তির জন্য তাকিয়ে আছেন জাতীয় পার্টির দিকে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয় ছাত্র সমাজের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনের প্রধান অতিথি মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আর বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় দূর্নীতি ও লুটপাট করেছে। দেশের মানুষ তাদের ওপর বিরক্ত। জনগন এখন জাতীয় পার্টিকে চায়।

‘বিএনপি ১৯৯১-৯৬ সালে যখন ক্ষমতায় ছিল তখন জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের রাস্তায় নামতে দেয়নি। এখন তারাও পারছে না। বাংলাদেশের ৫ কোটি বেকার মানুষ নিয়ে দুই দলের কোন চিন্তা নেই। তাদের চিন্তা ক্ষমতায় থাকা, আর ক্ষমতায় যাওয়া নিয়ে।

জাতীয় পার্টি কোনও জোটে নেই, সে কারণে ৩০০ আসনে নির্বাচনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানান চুন্নু।

সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘গণতন্ত্র চর্চায় জাতীয় পার্টি কাজ করবে। প্রমাণ করবে জাতীয় পার্টি একটি শক্তিশালী দল। জাতীয় পার্টি কাজ করবে মানবকল্যাণে। জিএম কাদেরের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি এগিয়ে যাবে, তা রোধ করা যাবে না।’

জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি ইব্রাহিম খান জুয়েলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আল মামুনের পরিচালনায় সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সভাপতিমন্ডলীর সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়াসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
জি এম কাদেরের জাতীয় পার্টি চালাতে বাধা নেই
বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না
‘জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’
রওশন-কাদের বিরোধে রংপুরে মনোনয়ন জটিলতা
‘তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচনের ধারণায় জাপা বিশ্বাস করে না’

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ban on Islami Bank for loans to 8 institutions

ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে

ইসলামী ব্যাংককে নিষেধাজ্ঞা ৮ প্রতিষ্ঠানের ঋণে বৈধ নথিপত্র ছাড়াই ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ঋণ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে ইসলামী ব্যাংকের বিরুদ্ধে।
অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল অঙ্কের ঋণ বাড়ানোর বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের মালিকানায় থাকা কোনো পক্ষ বেনামে এসব ঋণ নিতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে। এ জন্য বিষয়টি তদন্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

নাবিল গ্রুপসহ আট প্রতিষ্ঠানে ইসলামী ব্যাংকের ঋণ বিতরণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এসব প্রতিষ্ঠানের নামে ঋণ ছাড় বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সোমবার সন্ধ্যায় ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে জরুরি তলব করে।

এর আগে নাবিল গ্রুপসহ আট প্রতিষ্ঠানকে ইসলামী ব্যাংক থেকে অনিয়মের মাধ্যমে আগ্রাসী ঋণ দেয়ার নথিপত্র সংগ্রহ করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি দল পরিদর্শন করে এসব ঋণ অনিয়মের ব্যাখ্যা চেয়েছে।

নতুন কোম্পানি খুলে কিংবা আগে থেকে ঋণ রয়েছে এমন কিছু প্রতিষ্ঠানের নামে বিপুল অঙ্কের ঋণের প্রকৃত সুবিধাভোগী কারা, তা খতিয়ে দেখবে বাংলাদেশ ব্যাংক। নাবিল গ্রুপের ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা ঋণের সুবিধাভোগী অন্য কোনো পক্ষ কি না, তার তদন্ত হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘সংবাদপত্রে উঠে এসেছে ইসলামী ব্যাংক বেনামে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছে। কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অনিয়মের অভিযোগ উঠলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়ম অনুযায়ী তদন্ত পরিচালনা করে আসছে। যার ধারাবাহিকতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩ সদস্যর একটি দল ইসলামী ব্যাংকের দেয়া ঋণ কেলেঙ্কারি নিয়ে তদন্ত শেষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রতিবেদন জমা দেবে।’

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে নাবিল গ্রুপের বিষয়ে তদন্তের উদ্যোগ নিলেও তা অজ্ঞাত কারণে থেমে যায়। এখন নতুন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন সদস্যের একটি তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে।

রাজশাহীকেন্দ্রিক নাবিল গ্রুপ ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার ঋণ বের করে নিয়েছে বলে অভিযোগ আছে।

শুধু নাবিল গ্রুপের ঋণ নয়, এসব ঋণের সুবিধাভোগী ছাড়াও ইসলামী ব্যাংকের সব শাখা থেকে বিতরণ করা ৫০ কোটি টাকার বেশি ঋণের সুবিধাভোগী কারা, তা খতিয়ে দেখবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদন্ত দল। ঋণের কোনো অর্থ পাচার হয়েছে কিনা, হুন্ডি কারবারে ব্যবহার হয়েছে কি না, সেসব বিষয়ও যাচাই করবে।

এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক থেকে ৭ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা ও বাকি অর্থ সোশ্যাল ইসলামী ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে বের করে নেয়া হয়। সব মিলিয়ে এ গ্রুপের নামে অনুমোদিত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৫৮৫ কোটি টাকা। চলতি বছরের মার্চে তাদের ঋণের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

গত আগস্টে অস্বাভাবিক ঋণ অনুমোদনের বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নজরে আসার পর ইসলামী ব্যাংকে তাদের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ৪ হাজার ৫০ কোটি টাকা। ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত তা আরও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা।

অল্প সময়ের ব্যবধানে বিপুল অঙ্কের ঋণ বাড়ানোর বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকের মালিকানায় থাকা কোনো পক্ষ বেনামে এসব ঋণ নিতে পারে বলে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে। এ জন্য বিষয়টি তদন্ত করবে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আরও পড়ুন:
নথিপত্র ছাড়াই নাবিল গ্রুপকে সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা ঋণ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
At the last moment the deadline for return submission may increase

শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমার হিড়িক, সময় বাড়তে পারে

শেষ মুহূর্তে রিটার্ন জমার হিড়িক, সময় বাড়তে পারে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কর অফিসে মঙ্গলবার রিটার্ন জমা দিতে আসা করদাতার ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা
এনবিআর বুধবার জাতীয় আয়কর দিবস পালন করবে। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা এক মাস বাড়ানোর ঘোষণা দিতে পারেন।

শেষ মুহূর্তে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার হিড়িক পড়েছে। মঙ্গলবার সারা দেশের কর অফিসগুলোতে ভিড় ছিল লক্ষণীয়। বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার কর অফিসগুলো করদাতাদের পদচারণে ছিল মুখর।

এদিকে ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ব্যক্তি-শ্রেণির আয়কর রিটার্ন জমার সময় এক মাস বাড়তে পারে। বেঁধে দেয়া সময়সীমার শেষ দিন বুধবার ৩০ নভেম্বর এই ঘোষণা আসতে পারে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।

বুধবার জাতীয় আয়কর দিবস পালন করবে এনবিআর। এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান সময় বাড়ানোর ঘোষণা দিতে পারেন।

নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, বুধবার রিটার্ন জমার শেষ সময়। বরাবরই শেষ সময়ে এসে রিটার্ন জমার চাপ বেশি থাকে। এবারও ব্যতিক্রম হয়নি।

তরুণ করদাতা আব্দুল হামিদ একজন ব্যাংকার। তিন ধরে তিনি নিয়মিত আয়কর দিয়ে আসছেন। মঙ্গলবার মতিঝিলে নিজের অফিস থেকে ছুটি নিয়ে তিনি সেগুনবাগিচায় আসেন আয়কর রিটার্ন জমা দিতে।

রাজধানীর কর আঞ্চল-৮-এর সার্কেল ১৭০ অফিসের করদাতা তিনি। নিজের ফাইল নিজেই পূরণ করেন তিনি।

সেগুনবাগিচায় কর অফিসে কথা হলো আব্দুল হামিদের সঙ্গে। ‍নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘এখানে এসে ভালো লেগেছে। তেমন কোনো ঝামেলা পোহাতে হয়নি। কর্মকর্তারা যথেষ্টই আন্তরিক। দ্রুত সময়ে রিটার্ন জমা দিতে পেরেঠি। আমরা চাই কর অফিসে সারা বছর এমন পরিবেশ বজায় থাকুক।’

এনবিআর এবার কর মেলার আয়োজন করেনি। তবে করদাতাদের সুবিধার্থে প্রতিটি কর অফিস প্রাঙ্গণে মেলার আদলে সেবার আয়োজন করা হয়েছে। ১ নভেম্বর থেকে কর সেবার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চলবে শেষ দিন পর্যন্ত। সহজে ও কম সময়ে রিটার্ন জমা দিতে পারছেন বলে এনবিআরের এই উদ্যোগে সন্তুষ্ট করদাতারা।

এনবিআর সূত্র জানায়, মঙ্গলবার পর্যন্ত ২১ লাখ রিটার্ন জমা পড়েছে। এর মধ্যে অনলাইনে জমা পড়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার। তবে করদাতা শনাক্তকরণ বা টিআইএনধারীর সংখ্যা ৮০ লাখ।

নিবন্ধনের তুলনায় রিটার্ন জমার সংখ্যা কম হওয়ায় চলতি অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক ঋণ, ক্রেডিট কার্ড, গাড়ি ক্রয়সহ ৩৯ সেবা খাতে রিটার্নের সঙ্গে প্রমাণপত্র বা প্রাপ্তিস্বীকার দেখানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে এনবিআর আশা করছে এবার রিটার্ন জমার সংখ্যা ৩৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।

রিটার্ন জমার সময় বারবার বাড়ানোর সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে ২০১৬ সালে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর ধারাবাহিকতায় ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবসে রিটার্ন দাখিলের শেষ দিন নির্দিষ্ট করা হয়। এ নিয়ে সে বছরই সংসদে আইন পাস হয়।

এনবিআর বলেছে, দেশে কোনো মহামারি কিংবা দুর্যোগ পরিস্থিতি হলে বিশেষ ব্যবস্থায় যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা রয়েছে সরকারের। এর অংশ হিসেবে করোনা সংক্রমণের মধ্যে আয়কর অধ্যাদেশ, ১৯৮৪-এর ১৮৪ জি ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত দুই বছর রিটার্ন জমার সময় বাড়ানো হয়েছে।

করোনা নিয়ন্ত্রণে এলেও ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। ব্যবসায়ীরাও ভালো নেই। এমন পরিস্থিতিতে রিটার্ন জমার সময় বাড়ানোর দাবি এসেছে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের পক্ষ থেকে।

আইন অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে রিটার্ন জমা না দিলে জরিমানা দিতে হয়। তবে জরিমানা এড়াতে সময় বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। যৌক্তিক কারণ দেখিয়ে আবেদন করলে তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
৫ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনতে লাগবে আয়কর রিটার্ন
মূল বেতন ১৬ হাজার টাকার বেশি হলেই কর
টাকা সাদা করার সুযোগের বিপক্ষে এনবিআর
ব্যক্তি আয়করে ছাড়ের সম্ভাবনা নেই
করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Saudi Aqua will produce solar power

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সৌদি অ্যাকোয়া

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সৌদি অ্যাকোয়া ময়মনসিংহ গৌরীপুরের সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
‘সৌদি কোম্পানি অ্যাকোয়া পাওয়ারের এক হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের আগ্রহ প্রশংসার যোগ্য। বাংলাদেশ নানাভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে উৎসাহিত করছে।’

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য ১০০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে সৌদি আরবের কোম্পানি অ্যাকোয়া পাওয়ার (এসিডব্লিউএ)।

একটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (বিপিডিবি) সঙ্গে এ লক্ষ্যে সোমবার নন-বাইন্ডিং সমঝোতা স্মারক সই করেছে কোম্পানিটি।

এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, সৌদি আরবের এসিডব্লিউএর বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে ক্লিন এনার্জি অর্জনে সহায়তা করবে।

‘সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সৌদি কোম্পানি অ্যাকোয়া পাওয়ারের এক হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের আগ্রহ প্রশংসার যোগ্য। বাংলাদেশ নানাভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে উৎসাহিত করছে।’

সমঝোতা স্মারকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ সেলিম রেজা ও অ্যাকোয়া পাওয়ারের ব্যবসা উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী পরিচালক আয়াদ আল আমরি সই করেন।

দশটি আর্টিক্যাল-সংবলিত নন বাইন্ডিং এই সমঝোতা স্মারকে অ্যাকোয়া পাওয়ার বাংলাদেশে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহযোগিতা করবে এবং পিডিবি প্রশাসনিক সহযোগিতা করবে।

অনুষ্ঠানে পিডিবির চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বিদ্যুৎসচিব মো. হাবিবুর রহমান ও বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসেফ আল দুহাইলান বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের সৌর বিদ্যুৎ সাফল্য নিয়ে বিশ্বব্যাংকের বই

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Emergency landing of training aircraft at Bogra due to mechanical failure

যান্ত্রিক ত্রুটি, বগুড়ায় প্রশিক্ষণ বিমানের জরুরি অবতরণ

যান্ত্রিক ত্রুটি, বগুড়ায় প্রশিক্ষণ বিমানের জরুরি অবতরণ
আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান (পিটি-৬) দুইজন বৈমানিকসহ বগুড়ার এরুলিয়া বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জরুরি অবতরণ করে। বিমানটির দুই বৈমানিক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মাহবুব ও স্কোয়াড্রন লিডার হালিমুর নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান জরুরি অবতরণ করেছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় দুই বৈমানিকসহ বগুড়ার এরুলিয়া বিমানবন্দরে বিমানটি জরুরি অবতরণ করে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান (পিটি-৬) দুইজন বৈমানিকসহ বগুড়ার এরুলিয়া বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই জরুরি অবতরণ করে। বগুড়ায় বিমান বাহিনীর ফ্লাইং ইনস্ট্রাক্টরস স্কুল থেকে বিমানটি উড্ডয়ন করে। প্রশিক্ষণ বিমানটির দুই বৈমানিক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মাহবুব ও স্কোয়াড্রন লিডার হালিমুর নিরাপদ ও সুস্থ আছেন।

যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়া প্রশিক্ষণ বিমানটি বিমান বাহিনীর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে মেরামতযোগ্য বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
BGB BGP joint border patrol soon

সীমান্তে বিজিবি-বিজিপির যৌথ টহল শিগগিরই

সীমান্তে বিজিবি-বিজিপির যৌথ টহল শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনে জিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ। ছবি: নিউজবাংলা
বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, এ ছাড়াও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, মাদক চোরাচালান, বিচ্ছিন্নতাবাদী উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ ও সীমান্তে উত্তেজনা কমাতেও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে সম্মেলনে।

সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারে শিগগিরই যৌথ টহল শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

যেকোনো সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) এই টহল কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ।

মঙ্গলবার দুপুরে বিজিবি সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়ে তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের রাজধানী নেপিডোতে অনুষ্ঠিত চার দিনের অষ্টম সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবি ও বিজিপি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, এ ছাড়াও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, মাদক চোরাচালান, বিচ্ছিন্নতাবাদী উগ্রবাদী সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধ ও সীমান্তে উত্তেজনা কমাতেও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে সম্মেলনে।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ বিএসএফের বিরুদ্ধে
সারা দেশ থেকে জনবল নিচ্ছে বিজিবি
নাফ নদীতে বাংলাদেশি জেলে গুলিবিদ্ধ

মন্তব্য

p
উপরে