হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

নিকলী হাওরে বন্ধুদের সঙ্গে নৌকায় ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ী জাহিরুল ইসলাম সাগরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি শামসুল আলম জানান, মৃত ব্যবসায়ীর নাম জাহিরুল ইসলাম সাগর। তার বাড়ি যশোরের কাজীপাড়া কাঁঠালতলা এলাকায়। তিনি ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় থাকতেন এবং সৌরবিদ্যুত প্যানেলের ব্যবসা করতেন। সাগর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

কিশোরগঞ্জের নিকলী হাওরে বন্ধুদের সঙ্গে নৌকায় ঘুরতে গিয়ে পানিতে পড়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিকলী উপজেলার ছাতিরচর হাওরের গুলবাড়িয়া চর থেকে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম সিদ্দিকী।

মৃত ব্যবসায়ীর নাম জাহিরুল ইসলাম সাগর। তার বাড়ি যশোরের কাজীপাড়া কাঁঠালতলা এলাকায়। তিনি ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় থাকতেন এবং সৌরবিদ্যুত প্যানেলের ব্যবসা করতেন। সাগর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ১৯৯৫-৯৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

ওসি শামসুল জানান, দুপুরে ছাতিরচর হাওরের গুলবাড়িয়া চরে জাহিরুলের মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয় জেলেরা গ্রাম পুলিশকে জানায়। পরে মরদেহ থানায় আনা হয়।

হাওরে ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

নিকলী হাওরে বন্ধুদের সঙ্গে নৌকায় ঘুরতে গিয়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জাহিরুল ইসলাম সাগর

সাগরের বন্ধুদের বরাত দিয়ে ওসি জানান, শুক্রবার সকালে তারা ৫০ জন বন্ধু মিলে ইঞ্জিনচালিত নৌকা ভাড়া করে নিকলী হাওরে ঘুরতে যান। সেখান থেকে যান প্রেসিডেন্ট রিসোর্ট ও অল ওয়েদার সড়কে। ভাতশালা সেতুতে মাগরিবের নামাজ পড়ে তারা আবার নিকলীর উদ্দেশে রওনা দেন।

রাত সাড়ে ৮টার দিকে নৌকা থেকে নিকলী বেড়িবাঁধে নেমে গাড়িতে ওঠার সময় সবাই দেখতে পান, সাগর তাদের সঙ্গে নেই। এ সময় নৌকায় গিয়ে দেখা যায়, সাগরের ব্যাগ পড়ে আছে। ব্যাগে মোবাইলও আছে। এরপর বিষয়টি তারা পুলিশকে জানান।

ওসি শামসুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নৌপুলিশের সহায়তায় শুক্রবার রাতেই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। স্থানীয় জেলেদেরও বিষয়টি জানানো হয়েছে। তবে সাগরের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।’

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
পুলিশের স্ত্রীর হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৪৪ বছরের কারাদণ্ড

কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৪৪ বছরের কারাদণ্ড

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রোববার আদালত বাবুলকে অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়। অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ ছাড়া ধর্ষণের দায়ে ৩০ বছরের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক।

শেরপুরে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে যাবজ্জীবনসহ ৪৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। জরিমানার পাশাপাশি তার সম্পদ থেকে ধর্ষণের ফলে হওয়া সন্তানের ভরণ-পোষণের ব্যবস্থার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান ভার্চুয়াল আদালতে রোববার বিকেলে এ আদেশ দেন।

দণ্ড পাওয়া ৩১ বছরের বাবুল কবিরাজের বাড়ি সদর উপজেলার চরশেরপুর পূর্বপাড়া গ্রামে।

আদালত থেকে জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার ওই কিশোরীকে ২০১৮ সালের ২১ এপ্রিল অপহরণ করে নিয়ে যান বাবুল। পরে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় রেখে বিয়ের প্রলোভনে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এক পর্যায়ে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই কিশোরী।

এ ঘটনায় কিশোরীর মা ২০১৮ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বাবুলসহ চারজনকে আসামি করে সদর থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের মামলাটি করেন। মামলায় বাবুলকে গ্রেপ্তারের কিছু দিন পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় ওই কিশোরী। পরে ডিএনএ টেস্টে শিশুটি বাবুলের বলে প্রমাণিত হয়।

তদন্ত শেষে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেনের দেয়া অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল একমাত্র আসামি হিসেবে বাবুলের বিচার শুরু হয়।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রোববার আদালত বাবুলকে অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়। অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এ ছাড়া ধর্ষণের দায়ে ৩০ বছরের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক।

পাশাপাশি ধর্ষণের কারণে জন্ম নেওয়া শিশুর জৈবিক বাবা হিসেবে আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থেকে আদায় সাপেক্ষে তার ভরণপোষণের আদেশ দেয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের পিপি গোলাম কিবরিয়া বুলু বলেন, ‘বিচারক যে রায় দিয়েছেন তাতে আমরা খুশি।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সাখাওয়াতউল্লাহ বলেন, ‘রায়ে আমরা ন্যায্য বিচার পাইনি। আসামিপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে।’

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
পুলিশের স্ত্রীর হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

এহসানের জন্য টাকা তুলে বিপাকে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা

এহসানের জন্য টাকা তুলে বিপাকে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা

হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার পিরোজপুরভিত্তিক এমএলএম কোম্পানি এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান মাওলানা রাগীব আহসানসহ তার তিন ভাই। ছবি: নিউজবাংলা

পিরোজপুরের ধর্মীয় নেতাদের দাবি, সুদমুক্ত মুনাফা দেয়ার কথা বলে এহসান প্রতারণা করবেন তা বুঝতেই পারেননি তারা। তবে তাদের কথা মানছেন না হাজার হাজার গ্রাহক। টাকার জন্য এখন তাদের বাড়িতে ভিড় করছেন অনেক গ্রাহক।

‘শরিয়তসম্মত বিনিয়োগের’ কথা বলে গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে রিমান্ডে রয়েছেন পিরোজপুরভিত্তিক এমএলএম কোম্পানি এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান মাওলানা রাগীব আহসানসহ তার তিন ভাই।

তবে তাদের পক্ষে মাঠ পর্যায় থেকে টাকা তুলে এখন বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম মোয়াজ্জিন এবং মাদ্রাসার শিক্ষকরা।

এসব ধর্মীয় নেতার দাবি, সুদমুক্ত মুনাফা দেয়ার কথা বলে এহসান প্রতারণা করবেন তা বুঝতেই পারেননি তারা। তবে তাদের কথা মানছেন না হাজার হাজার গ্রাহক। টাকার জন্য এখন তাদের বাড়িতে ভিড় করছেন অনেক গ্রাহক।

ইসলামি বিনিয়োগকে ব্যবহার এর আগে হাজার হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠে এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান মাওলানা রাগীব আহসানের বিরুদ্ধে।

এ অভিযোগে রাগীব আহসানসহ তার তিন ভাই মাওলানা আবুল বাশার, খাইরুল ইসলাম ও মুফতি মাহমুদুল হাসানকে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

গত ৯ সেপ্টেম্বর তাদের গ্রেপ্তারের পর টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে নানা আশঙ্কায় রয়েছেন গ্রাহকরা। প্রথমে এহসান গ্রুপের কার্যালয়ে গেলেও এখন তারা ছুটছেন তাদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করা স্থানীয় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কাজে।

এর মধ্যে টাকার শোকে ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আজিজ মাঝি নামে ৭০ বছরের ওই বৃদ্ধের পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি পাঁচ মেয়ে ও স্ত্রীর কাছ থেকে নিয়ে ৩০ লাখ টাকা এহসান গ্রুপের ফান্ডে জমা করেন। তার সন্তানরা ক্ষুদ্র ব্যবসা এমনকি গৃহপরিচারিকা কাজ করে বাবার বাবার কাছে এ টাকা দেন।

অভিযোগ, এহসান গ্রুপের ব্যবস্থাপক পরিচালক রাগীব আহসান গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়ার পর ৯ সেপ্টেম্বর রাতেই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় তার।

আজিজ মাঝির কাছ থেকে ওই টাকা নিয়েছিলেন মসজিদের ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ইলিয়াস। আজিজ মাঝির মেয়ে তাসলিমা বেগম বলেন, ‘বাড়ির পাশের মসজিদের ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ইলিয়াস আমার বাবাকে ধর্ম ও কোরআনের কথা বলে মন নরম করে আমাদের জমানো ৩০ লাখ টাকা জমা নেয়।

‘কথা ছিল, জমি-জমার ব্যবসা করে সুদমুক্ত লাভ দেবে। তবে কোনো টাকা-পয়সা আমাদের দেন নাই। এরপর টাকার চিন্তায় আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা কয়েকবার রাগীব আহসানের কাছে যাই। চিকিৎসার জন্য হলেও কিছু টাকা ফেরত চাই, কিন্তু তিনি টাকা না দিয়ে ফিরিয়ে দেন। আমার বাবা আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং স্ট্রোক করে মারা যান।’

ইন্দুরকানী উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে জানা গেছে, ধর্মীয় নেতা ও মসজিদের ইমামদের কথায় বিশ্বাস করে এ এলাকার জেলে, দিনমজুর, শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ প্রায় প্রত্যেক পরিবার থেকেই টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এহসান গ্রুপ।

গ্রাহকদের দাবি, পিরোজপুর, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার লক্ষাধিক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন মূলত ইমাম, মুয়াজ্জিন ও মাদ্রাসার শিক্ষকরা। এহসান গ্রুপের টাকা তুলে এখন তারা পড়েছেন তোপের মুখে। তারা জানান, তাদের ওপর থেকে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস উঠে গেছে। প্রকাশ্যে চলাফেরা করতেও তারা এখন ভয় পাচ্ছেন।

ইন্দুরকানী উপজেলা থেকেই ৬০০ গ্রাহকের টাকা জমা নিয়েছিলেন ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ইলিয়াস। তিনি বলেন, ‘আমরা তো বুঝতেই পারিনি এটা ছিল জনগণকে ধোঁকা দেয়ার ফাঁদ। বারবার বোঝানো সত্ত্বেও রাগীব আহসান আমাদের কথায় কর্ণপাত করেননি।

‘গরীব মানুষরা বিশ্বাস করে আমাদের হাতে টাকা গচ্ছিত রেখেছে। কেউ কেউ ভিটেমাটি বিক্রি করেও টাকা দিয়েছে। নিরুপায় হয়ে আমাদের ১০০ জন মাঠকর্মীর পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।’

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ জ ম মাসুদুজ্জামান জানান, রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে আসামিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তা বলা যাচ্ছে না।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন (অপরাধ প্রশাসন) বলেন, ‘ভুক্তভোগীদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশা করি গ্রাহকরা সুবিচার পাবেন।’

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
পুলিশের স্ত্রীর হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

রাজশাহীতে টেকনোলজিস্টের দেয়া ওষুধ খেয়ে অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু আব্দুর রাফি। ছবি: নিউজবাংলা

মফিজুল হকের দেয়া ওষুধ খেয়ে অস্বাভাবিক অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু রাফি। ৯ সেপ্টেম্বর থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছে শিশুটি।

রাজশাহীতে দাঁতের ব্যথার চিকিৎসায় খিচুনির ওষুধ খেয়ে গুরুতর অসুস্থ শিশু আবদুর রাফির বাবা আয়নাল হক কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

রোববার রাজশাহীর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে করা মামলার আসামি কথিত চিকিৎসক মফিজুল হক। তিনি রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার এমাদপুর মহল্লার বাসিন্দা।

আদালতে মামলাটি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম বাবু।

তিনি জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর এ ব্যাপারে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য রাজশাহীর সিভিল সার্জন কাইয়ুম তালুকদারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মফিজুল হকের দেয়া ওষুধ খেয়ে অস্বাভাবিক অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু রাফি। ৯ সেপ্টেম্বর থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছে শিশুটি।

রাফির বাবা আয়নাল হকের বাড়ি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার দালালপাড়া গ্রামে। ১৩ আগস্ট তিনি রাফির সমস্যাযুক্ত একটি দাঁত তোলেন মফিজুলের চেম্বারে। এরপর ব্যথা না কমার কারণে ২৬ আগস্ট আবার তার চেম্বারে যান। তখন মফিজুল একটি সিরাপ দেন।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘শিশুটিকে যে ওষুধ দেয়া হয়েছিল, সেটা খিঁচুনির। তার খিচুনি ছিল না। দাঁতে ব্যথা ছিল। সে কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একে স্টভেন জনসন সিনড্রম বলে। শিশুটির শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। এখন ইমপ্রুভ করছে।’

চোখ ছাড়া তার শরীরজুড়ে ক্ষত দেখা দিয়েছে। ফোসকা পড়লে যেমন হয়, ঠিক সে রকম ক্ষত। শরীরের কোথাও কোথাও চামড়া উঠে গেছে। ঠোঁটের ওপরে ক্ষতের কারণে সে কিছু খেতে পারছে না। টানা কয়েকদিন কথাও বলতে পারেনি। তার শরীরে মলম লাগিয়ে রাখা হয়েছে।

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা
রাজশাহীতে টেকনোলজিস্টের দেয়া ওষুধ খেয়ে অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু আব্দুর রাফি। ছবি:সংগৃহীত

নিজেকে ডাক্তার দাবি করা মফিজুলের চেম্বার রয়েছে কাটাখালী বাজারে। সেখানে তিনি নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসা দেন। ঘটনার পর থেকে চেম্বারটি বন্ধ রয়েছে।

অভিযুক্ত মফিজুলের দাবি, রাজশাহী ইনস্টিটিউট অফ হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) থেকে ২০০৭ সালে ডেন্টাল বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি।

রাজশাহী আইএইচটির অধ্যক্ষ ফারহানা হক বলেছেন, ডেন্টাল বিভাগের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হিসেবে উত্তীর্ণ হলেও কেউ রোগী দেখতে পারেন না। তিনি শুধু ডেন্টাল সার্জনকে সহায়তা করতে পারেন।

কাটাখালী বাজারে চেম্বারে প্যাডে ব্যবস্থাপত্র দেন মফিজুল। তার প্যাডে নিজের নামের নিচে পদবি হিসেবে লিখেছেন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল), এফটি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ রেজিস্ট্রেশন নম্বর- ৭৬৫৩।

নিবন্ধন নম্বরের ব্যাপারে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের সচিব জাহিদুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের কোনো নিবন্ধন নম্বর আমরা মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের দেই না, যা দিয়ে তারা রোগী দেখতে পারেন। রোগী শুধু এমবিবিএস চিকিৎসক ও ডেন্টাল সার্জনরাই দেখতে পারেন। আর তাদের নিবন্ধন দেয় বাংলাদেশ মেডিক্যাল কাউন্সিল। তাই বলতেই পারি মফিজুলের ওই নিবন্ধন নম্বর ভুয়া।’

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
পুলিশের স্ত্রীর হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

নির্বাচনি সহিংসতায় বৃদ্ধা নিহত, আহত ৩

নির্বাচনি সহিংসতায় বৃদ্ধা নিহত, আহত ৩

চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় ফাতেমা বেগম নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, ভোটের আগের রাত ৯টার দিকে চাঁদপাই মোড়ে ইউপি সদস্য প্রার্থী মতিয়ার রহমান মোড়ল এবং অপর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

বাগেরহাটের মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় ফাতেমা বেগম নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিন জন।

রোববার রাত ৯টার দিকে উপজেলার চাঁদপাই মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ভোটের আগের রাত ৯টার দিকে চাঁদপাই মোড়ে ইউপি সদস্য প্রার্থী মতিয়ার রহমান মোড়ল এবং অপর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এলাকার মহাসিন ও মোয়াজ্জেম বলেন, সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে ৭০ বছর বয়সী ফাতেমা বেগমসহ চার জন আহত হন।

মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে ফাতেমা বেগম মারা যান। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সিরাজুল ইসলাম।

তিনি জানান, ফাতেমার মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এ বিষয়ে মতিয়ার রহমান মোড়ল জানান, চাঁদপাই মোড়ে গেলে প্রতিপক্ষ প্রার্থী শফিকুলসহ লোকজন তার ওপর হামলা চালায়।

শফিকুলের দাবি, মতিয়ার মোড়ল লোকজনের মাঝে টাকা বিতরণের সময় তিনি বাধা দেন। এসময় তার ওপর মতিয়ার হামলা চালান।

মোংলা থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে, বৃদ্ধা কিভাবে মারা গেছেন এখনই বলা যাচ্ছে না।

সোমবার মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
পুলিশের স্ত্রীর হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

কর্ণফুলীতে জোয়ারের পানিতে ভেসে এলো মরদেহ 

কর্ণফুলীতে জোয়ারের পানিতে ভেসে এলো মরদেহ 

সদরঘাট নৌ থানার ওসি মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, ঘাটের ৫ নম্বর জেটি এলাকায় একটি মরদেহ জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে-এমন তথ্য পেয়ে তাদের একটি দল সেখানে যায়। পরে বেলা ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নগরীর সদর ঘাটের ৫ নম্বর জেটি এলাকা থেকে রোববার বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি।

সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, ঘাটের ৫ নম্বর জেটি এলাকায় একটি মরদেহ জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে-এমন তথ্য পেয়ে তাদের একটি দল সেখানে যায়। পরে বেলা ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ওসি আরও জানান, মরদেহটি আনুমানিক ৩৫ বছরের যুবকের। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
পুলিশের স্ত্রীর হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মেরিন ড্রাইভ সড়কে প্রাণ গেল এসএসসি পরীক্ষার্থীর

মেরিন ড্রাইভ সড়কে প্রাণ গেল এসএসসি পরীক্ষার্থীর

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেলে তিন বন্ধু ঘুরতে বের হয়। দ্রুত গতিতে বাইক চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তারা ছিটকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক সাহেলকে মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে দুই যুবক।

মেরিন ড্রাইভ সড়কের হাড়িয়াখালী এলাকায় রোববার রাত পৌনে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. সাহেলের বাড়ি টেকনাফ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। সে টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেলে তিন বন্ধু ঘুরতে বের হয়। দ্রুত গতিতে বাইক চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তারা ছিটকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক সাহেলকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহতরা হলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সালাউদ্দিন ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সাইফুল। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মামলার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
পুলিশের স্ত্রীর হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মানসিক ভারসাম্যহীন মাদ্রাসাছাত্রকে ‘বলাৎকার’

মানসিক ভারসাম্যহীন মাদ্রাসাছাত্রকে ‘বলাৎকার’

প্রতীকী ছবি

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সোহরাব হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি বেশকিছু দিন আগের। তাই তেমন কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।’

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে।

বলৎকারের শিকার মাদ্রাসাছাত্রকে রোববার বিকেল ৪টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

নির্যাতনের শিকার ওই মাদ্রাসাছাত্রের বাড়ি দামুড়হুদা উপজেলার জুড়ানপুর গ্রামে।

ওই ছাত্রের বাবা জানান, গত ৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার দিকে জুড়ানপুর গ্রামের বখাটে যুবক ইয়ামিন আলী ঘাস কাটার কথা বলে তার ছেলেকে ডোবার মাঠে নিয়ে যান। এ সময় ছেলেকে বলাৎকার করেন ইয়ামিন।

বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য ছেলেকে হুমকি দেন তিনি। রোববার বিষয়টি জানাজানি হলে ছেলেকে জিজ্ঞেস করলে বিষয়টি খুলে বলে। পরে বিকেলে চিকিৎসার জন্য তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়া হয়।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সোহরাব হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি বেশকিছু দিন আগের। তাই তেমন কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।’

এ বিষয়ে দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, ওই ঘটনায় এখনও থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
নিখোঁজ শিশুর মরদেহ প্রতিবেশীর বাড়ির সিঁড়ির নিচে
মহানগর নাট্যমঞ্চে নারীর মরদেহ
শহীদ মিনারের পাশে ময়লার স্তূপে নবজাতকের মরদেহ
বংশী নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার
পুলিশের স্ত্রীর হাত-মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন