বাড়ছে মাল্টিপ্লেক্স, বন্ধ হচ্ছে সিঙ্গেল স্ক্রিন

বাড়ছে মাল্টিপ্লেক্স, বন্ধ হচ্ছে সিঙ্গেল স্ক্রিন

রাজধানীর মিরপুরে চালু হওয়া সিনেপ্লেক্স (বায়ে) ও করোনার শুরুতে বন্ধ হয়ে যাওয়ার বলাকা সিনেমা হল এখনও খোলেনি। ছবি: নিউজবাংলা

দেশে দুই ধরনের সিনেমা হলের দুই রকম চিত্র। একদিকে একের পর এক পুরোনো এবং ঐতিহ্যবাহী সিঙ্গেল স্ক্রিন সিনেমা হলগুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আরেক দিকে মাল্টিপ্লেক্স বা মাল্টিস্ক্রিন হলগুলো একের পর এক নতুন শাখা বাড়িয়ে যাচ্ছে।

রাজধানীর পুরোনো ও নামকরা সিনেমা হলগুলোর মধ্যে অন্যতম নিউমার্কেট এলাকার বলাকা ও মতিঝিল এলাকার মধুমিতা সিনেমা হল।

বলাকা সিনেমা হল প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। একই চত্বরে বলাকা ও বিনাকা নামের দুটি সিনেমা হল ছিল পাশাপাশি। প্রত্যেকটির দর্শক ধারণক্ষমতা ১ হাজার ২৬৫। শুরুর পর থেকে বিভিন্ন ভাষার সিনেমা প্রদর্শিত হলেও ধীরে ধীরে বাংলা ছাড়া অন্য কোনো সিনেমা দেখাত না বলাকা হল কর্তৃপক্ষ।

একই অবস্থা মধুমিতারও। রাজধানীর দর্শকরা জেমস ক্যামেরনের টাইটানিক সিনেমাটি দেখেছিল এই হলে। মধুমিতা সিনেমা হল প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে। প্রেক্ষাগৃহের দর্শক ধারণক্ষমতা ১ হাজার ২২১।

দুটি সিনেমা হলই এখন বন্ধ। কবে খুলবে, তার নিশ্চয়তা নেই।

প্রযোজক নেতা ও সনি স্কয়ারের (সনি সিনেমা) মালিক মোহাম্মদ হোসেন বলাকা সিনেমা হল নিয়ে নিউজবাংলাকে বলেছিলেন, ‘বলাকাকে আধুনিক করা হবে। তাই এটা চালু হতে সময় লাগবে।’

অন্যদিকে মধুমিতা সিনেমা হলের মালিক ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ এর আগে নিউজবাংলাকে জানিয়েছিলেন, সেপ্টেম্বরে থেকে চালু হবে মধুমিতা। কিন্তু সেপ্টেম্বরে কোনো সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে না, তাই হলটি চালুও হচ্ছে না।

অনেক দিন থেকেই প্রেক্ষাগৃহটি আধুনিকায়ন করতে চাইছেন নওশাদ, কিন্তু সিনেমা দেখিয়ে যে টাকা আসে, তা দিয়ে সিনেমা হল আধুনিক করার কাজকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি। তাই তেমন কিছু না করে যেমন ছিল, অনেকটা তেমনই রয়েছে মধুমিতা। হলটি খোলা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

মধুমিতার পাশেই টিকাটুলি এলাকার সিনেমা হল অভিসার। রাজধানীর পুরোনো সিনেমা হলগুলোর মধ্যে এটিও অন্যতম। ১৯৭৫ সালে নির্মিত হয় হলটি।

বাড়ছে মাল্টিপ্লেক্স, বন্ধ হচ্ছে সিঙ্গেল স্ক্রিন
রাজধানীর মধুমিতা সিনেমা হলটি চলতি মাসে খোলার কথা থাকলেও কোনো সিনেমা মুক্তি না পাওয়াই এখনও খোলেনি। ছবি: সংগৃহীত

এই হল দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। একটি অংশ অভিসার সিনেমা হল নামে পরিচিত এবং অপর অংশটি পরিচিত নেপচুন সিনেমা হল নামে। কিন্তু নেপচুনে সিনেমা প্রদর্শন আগেই বন্ধ হয়ে গেছে। দুটি হল মিলে আসনসংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৩৭।

অভিসারও বন্ধ। কবে খুলবে জানা নেই কারও। প্রেক্ষাগৃহের সামনে থাকা নিরাপত্তা প্রহরীকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, মালিক দেশের বাইরে, কবে আসবে তিনি জানেন না।

সহজে খুলছে না হল

প্রদর্শক সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মিঞা আলাউদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, এসব হল খুলতে সময় লাগবে। সহজে খুলছে না। কারণ হল তিনটির মালিকদের সিদ্ধান্ত নেয়া নিয়ে ঝামেলা আছে। তারা কি হল রাখবেন না ভেঙে ফেলবেন, সেটা তারা নিশ্চিত হতে পারছেন না।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘সারা দেশে চালু সিনেমা হলের সংখ্যা এখন ৬০টি।’

বাড়ছে মাল্টিপ্লেক্স, বন্ধ হচ্ছে সিঙ্গেল স্ক্রিন
১৯৬৯ সালে রাজধানীর মতিঝিলে প্রতিষ্ঠিত অভিসার সিনেমা হলটি গত বছর ভেঙে ফেলা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে বন্ধ সিনেমা হলের পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি বলেন, ‘পদ্মা, সুরমা, মল্লিকা, গ্যারিসন, সাগরিকা আগেই বন্ধ হয়েছে। পূর্ণিমা, পূরবী, এশিয়া, পর্বত, রাজমণি, আগমন বন্ধ হয়ে গেছে। আরও থাকতে পারে, এ মুহূর্তে মনে পড়ছে না।

‘আজাদ, চিত্রামহল, বিডিআর, আনন্দ, জোনাকি (পুরোপুরি নিশ্চিত না), মুক্তি, সৈনিক ক্লাব, পুনম (রায়েরবাগ) চালু রয়েছে।’

সিনেমা হল বা সিঙ্গেল স্ক্রিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি জানান, আগে মানহীন সিনেমা এবং পরবর্তীতে সিনেমার অভাবের কারণে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বাড়ছে মাল্টিস্ক্রিন

সিঙ্গেল স্ক্রিনের যখন এই অবস্থা তখন রাজধানীর মিরপুরে, যেখানে সনি সিনেমা হল ছিল, ঠিক সেখানেই সম্প্রতি চালু হয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্সের নতুন শাখা।

স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান নিউজবাংলাকে জানান, রাজধানীর বাইরে কুমিল্লা, রাজশাহী এবং বগুড়ায় সিনেপ্লেক্সের শাখা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে তাদের।

যখন সারা দেশে সিঙ্গেল স্ক্রিন বন্ধ হচ্ছে, তখন মাল্টিপ্লেক্স বাড়ছে কেন?

এ ব্যাপারে স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রথমত আমাদের পরিকল্পনাতেই ছিল যে আমরা সারা দেশে সিনেপ্লেক্স করব। মিরপুরে যে সিনেপ্লেক্সটি করা হয়েছে, তার পরিকল্পনা অনেক দিন আগের।

‘দ্বিতীয়ত, আমাদের কিছু হলেও কনটেন্ট আছে। আমরা বাংলা সিনেমার পাশাপাশি হলিউডের সিনেমা দেখাতে পারি। আমাদের সে ক্যাপাসিটি আছে। কিন্তু সিঙ্গল স্ক্রিনগুলোর সে ক্যাপাসিটি নাই। তারা সময়ের সঙ্গে নিজেদের আপগ্রেড করেনি।’

বাড়ছে মাল্টিপ্লেক্স, বন্ধ হচ্ছে সিঙ্গেল স্ক্রিন
চলতি বছর আগস্টে মিরপুরে চালু হয়েছে রাজধানীর সিনেপ্লেক্স । ছবি: সংগৃহীত

স্টার সিনেপ্লেক্সে হলিউডের সিনেমা দেখাতে চাইলে বা দেশের বাইরের সিনেমা প্রদর্শন করতে চাইলে নিতে হয় সেন্সর ছাড়পত্র।

সেন্সর বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী ২০১৫ সাল থেকে ২০২০ পর্যন্ত দেশে বিদেশি ছবি মুক্তি পেয়েছে ২৬৪টি। একই সময়ে দেশি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে যথাক্রমে ২৮৮টি।

বিদেশি বা হলিউডের সিনেমা মুক্তির সংখ্যা একই থাকলেও বছরের পর বছর দেশি সিনেমার সংখ্যা কমেছে। ২০২০ সালে দেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে বছরের অনেকটা সময় ছিল সাধারণ ছুটির আওতায়। এ ছুটির মধ্যেও বিদেশি সিনেমা মুক্তি পাওয়া বন্ধ ছিল না।

মাহবুব রহমান আরও বলেন, ‘করোনার মধ্যে আমরা সবাই দিশেহারা। সিনেপ্লেক্সের যে কোনো ক্ষতি হয়নি তা কিন্তু না। বসুন্ধরা সিটির সবচেয়ে বড় হল যেটি (হল ৪), সেটি বন্ধ করে দিতে হয়েছে। কারণ সামর্থ্যে কুলাতে পারছিলাম না। সেটা আর চালু হচ্ছে না। আমরা হলিউড সিনেমা দেখাতে পারলেও আমাদের আরও কনটেন্ট প্রয়োজন।’

দেশের প্রযোজকরা তাদের ভালো ভালো সিনেমাগুলো মুক্তি দিচ্ছেন না। এমন অবস্থায় সিনেমা হলমালিকরা চান বলিউডের সিনেমা আনতে।

ভারতীয় সিনেমা আনতে চিঠি

প্রদর্শক সমিতির সভাপতি কাজী শোয়েব রশিদ, প্রধান উপদেষ্টা সুদীপ্ত কুমার দাশ এবং সিনিয়র সহসভাপতি মিয়া আলাউদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি চিঠি বেশ কিছু দিন আগে দেয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। চিঠিটি ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় গ্রহণ করেছে।

সেই চিঠিতে প্রদর্শক সমিতি চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ব্যবসা টিকিয়ে রাখার স্বার্থে ভারতীয় ছায়াছবি আমদানির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে। সীমিত সংখ্যায়, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভারতীয় সিনেমা আমদানি ও প্রদর্শনের সুযোগ দিতে বলেছেন তারা।

বাড়ছে মাল্টিপ্লেক্স, বন্ধ হচ্ছে সিঙ্গেল স্ক্রিন

ভারতীয় সিনেমা আমদানি করতে চায় চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতি। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সবশেষ বলা হয়েছে, সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় তিন বছরের জন্য প্রতিবছর ১০টি করে ভারতীয় ছবি আমদানি করতে দেয়া হোক।

স্টার সিনেপ্লেক্সের জ্যেষ্ঠ বিপণন কর্মকর্তা মেজবাউর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা বলে হলিউডি সিনেমা এবং নামকরা পরিচালক বা অভিনশিল্পীদের বাংলা সিনেমা একসঙ্গে চললে দর্শকরা বাংলা সিনেমাই বেশি দেখেন। কিছু হলিউডি সিনেমাও বেশি দর্শক দেখার রেকর্ড আছে। তবে বাংলা সিনেমার দর্শক বেশি।’

মাহবুব রহমানও জানান, সিনেমা হল টিকিয়ে রাখতে এখন উপমহাদেশের সিনেমা সহজে আমদানি করার সুযোগ করে দিতে হবে। তা না হলে সিনেমা হল বিশেষ করে সিঙ্গল স্ক্রিন টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে যাবে।

আরও পড়ুন:
আনন্দ চালু হচ্ছে, বন্ধ থাকছে বলাকা-মধুমিতা
সিনেমা হল: হাজার কোটি টাকার ঋণ যেসব শর্তে
সব সিনেমা হল খুলবে কি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জয়া-বাঁধন-মিথিলাকে ঘিরে ‘ক্ষোভ’ বাড়ছে টালিউডে

জয়া-বাঁধন-মিথিলাকে ঘিরে ‘ক্ষোভ’ বাড়ছে টালিউডে

বাংলাদেশি তিন অভিনেত্রী জয়া (বাঁয়ে), মিথিলা (মাঝে) ও বাঁধনকে (ডানে) ঘিরে টালিউড অভিনেত্রীদের মাঝে ক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নায়িকা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এমন অনেক চরিত্রই বাংলাদেশি অভিনেত্রীদের দেয়া হয়, যেটা এখানকার যে কেউ করতে পারত।’

অনেক বছর ধরেই টালিউডে কাজ করছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। সম্প্রতি এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন দেশের আরও দুই গুণী অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও আজমেরী হক বাঁধন।

২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া আবর্ত সিনেমা দিয়ে টালিউডে যাত্রা শুরু হয়েছিল জয়ার। এরপর জয়া অভিনীত মুক্তি পাওয়া সিনেমার মধ্যে রয়েছে রাজকাহিনী, বিসর্জন, বিজয়া, কণ্ঠ, বিনিসুতোয়। এ ছাড়া জয়ার গোটা তিনেক সিনেমা এখনও মুক্তির অপেক্ষায়।

এদিকে রেহেনা মরিয়ম নূর খ্যাত অভিনেত্রী বাঁধন অভিনীত সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ওয়েব সিরিজ় রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি মুক্তি পেয়েছে সম্প্রতি। এতে বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন বাঁধন।

অন্যদিকে পরপর মায়াঅ‌্যা রিভার ইন হেভেন নামের দুই সিনেমায় যুক্ত হয়ে বেশ পাকাপোক্তভাবেই টালিউডে নাম লিখিয়েছেন মিথিলা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তিন অভিনেত্রীর এভাবে টানা কাজ করা নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু না বললেও তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন টালিউডের অনেক অভিনেত্রী।

জয়া-মিথিলা-বাঁধনরা টালিউডের যে ঘরনার সিনেমাতে কাজ করছেন, এই ঘরানার সিনেমায় এর আগে সাধারণত পাওলি দাম, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়, রাইমা সেনদের দেখা যেত।

অন্যদিকে টালিউডের মূলধারার বাণিজ্যিক সিনেমার চাহিদা কমে যাওয়ায় শুভশ্রী, শ্রাবন্তী, মিমি, নুসরাতও ঝুঁকেছেন ভিন্ন ধারার সিনেমার দিকে। ফলে অল্প পরিসরে প্রতিযোগিতা বেশি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নায়িকা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এমন অনেক চরিত্রই বাংলাদেশি অভিনেত্রীদের দেয়া হয়, যেটা এখানকার যে কেউ করতে পারত।’

জয়া আহসান অবশ্য এই প্রতিযোগিতা নিয়ে ভাবতে চান না। তার মতে, কাজের সুযোগ সবারই আছে।

জয়া-বাঁধন-মিথিলাকে ঘিরে ‘ক্ষোভ’ বাড়ছে টালিউডে
সম্প্রতি কলকাতায় মুক্তি পাওয়া বিনিসুতোয় সিনেমায় অভিনয় ও গান গেয়ে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছেন বাংলাদেশি অভিনেত্রী জয়া আহসান। ছবি: সংগৃহীত

আনন্দ প্লাসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সুস্থ প্রতিযোগিতা থাকা তো ভালোই। আমার মতে শিল্পের কোনো সীমারেখা থাকা উচিত নয়।’

এদিকে দুই বাংলার শিল্পের আদান-প্রদানের ওপরে জোর দিলেন মিথিলা।

মিথিলা বলেন, ‘কেউ কারও কাজ, জায়গা কেড়ে নিতে পারে বলে মনে হয় না। সবাই নিজের যোগ্যতা দিয়ে কাজ পাচ্ছেন। আমি বৈবাহিক সূত্রে কলকাতায় থাকছি, তাই এখানেই কাজ করছি এখন। তবে আমি এখানে সদ্য কাজ শুরু করেছি। আমাকে বোধহয় কারও প্রতিযোগী হিসেবে দেখাটা ঠিক হবে না।’

জয়া-বাঁধন-মিথিলাকে ঘিরে ‘ক্ষোভ’ বাড়ছে টালিউডে
এই মুহূর্তে টালিউডের দুটি সিনেমায় কাজ করছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিথিলা। ছবি: সংগৃহীত

সেই সঙ্গে মিথিলা মনে করিয়ে দিলেন, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়সহ অনেকেই বাংলাদেশে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশের সিনেমা কমান্ডোতে কাজ করেছেন দেব। আবার কলকাতায় গিয়ে একাধিক নায়কের সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন বাংলাদেশের নুসরাত ফারিয়া।

বাংলাদেশে কাজ করেছেন টালিউডের এমন এক নায়িকা বলেন, ‘এখানে বাংলাদেশের শিল্পীরা যত সুযোগ পান, সেই তুলনায় বাংলাদেশে আমাদের কাজের সুযোগ বেশ কম।’

এসব নিয়ে বাঁধন মনে করেন, এই চর্চাগুলো অভিনেত্রীদের ওপরে বাড়তি চাপ তৈরি করে।

বাঁধন বলেন, ‘অনেকে বলছেন, বাংলাদেশ থেকে অভিনেত্রীরা এসে কাজ করায় টালিউডের কিছু অভিনেত্রীর মনে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আসলে আমাদের সমাজ এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতা তৈরি করে দেয়। বিশেষ করে নারীদের ওপরেই বেশি চাপ তৈরি করা হয়। কেন এই চাপগুলো আমাদের নিতে হবে?’

জয়া-বাঁধন-মিথিলাকে ঘিরে ‘ক্ষোভ’ বাড়ছে টালিউডে
টালিউড নির্মাতা সৃজিতের ওয়েব সিরিজ় রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি-তে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুঁড়িয়েছেন বাঁধন। ছবি: সংগৃহীত

তিনি বলেন, ‘এগুলো এড়িয়ে ভালো দিকগুলো ভাবলে, সবারই ভালো হবে। সবাই যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবেন। কথাটা কলকাতা-বাংলাদেশ সব ইন্ডাস্ট্রির নিরিখেই বলছি।’

আরও পড়ুন:
আনন্দ চালু হচ্ছে, বন্ধ থাকছে বলাকা-মধুমিতা
সিনেমা হল: হাজার কোটি টাকার ঋণ যেসব শর্তে
সব সিনেমা হল খুলবে কি

শেয়ার করুন

ভারতে দুই কনসার্টে ইয়োহানি

ভারতে দুই কনসার্টে ইয়োহানি

‘মানিকে মাগে হিতে’ খ্যাত শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি ডি’ সিলভা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ভারতে কনসার্ট প্রসঙ্গে ‘মানিকে মাগে হিতে’ খ্যাত এই গায়িকা বলেন, ‘ভারত থেকে এত ভালোবাসা পেয়ে আমি আপ্লুত। আগামী কনসার্ট নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড। ভারতে লাইভ পারফর্ম করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

‘মানিকে মাগে হিতে’ শিরোনামের এক গান গেয়ে উপমহাদেশে সোশ্যাল মিডিয়ায় সেনসেশন হয়ে ওঠা শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি ডি’ সিলভা এবার ভারতের দুই কনসার্টের আমন্ত্রণ পেয়েছেন।

আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভারতের হরিয়ানার গুরুগ্রামে ও ৩ অক্টোবর হায়দরাবাদে পারফর্ম করবেন ইয়োহানি।

ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজের এক খবরে বলা হয়েছে, জি লাইভের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘সুপারমুন হ্যাশট্যাগ নিউ ট্রেন্ডিং’-এর ব্যানারে হবে এই কনসার্ট দুটি। এমনকি ইয়োহানির দুই কনসার্ট দিয়েই যাত্রা শুরু হবে প্ল্যাটফর্মটির।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইয়োহানি জানিয়েছেন, সুযোগ পেলে বলিউডে গান গাইতে চান তিনি। বলিউডে কাজ করার ইচ্ছা থেকেই হিন্দি ভাষাও শিখছেন তিনি।

ভারতে দুই কনসার্টে ইয়োহানি
ভারতের কনসার্ট করবেন ‘মানিকে মাগে হিতে’ খ্যাত শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি ডি’ সিলভা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ভারতে কনসার্ট প্রসঙ্গে গায়িকা বলেন, ‘ভারত থেকে এত ভালোবাসা পেয়ে আমি আপ্লুত। আগামী কনসার্ট নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড। ভারতে লাইভ পারফর্ম করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’

ভারতে দুই কনসার্টে ইয়োহানি
‘মানিকে মাগে হিতে’ খ্যাত শ্রীলঙ্কান গায়িকা ইয়োহানি ডি’ সিলভা কনসার্ট করবেন ভারতে। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

ইয়োহানি নিজেই গান লেখেন, সুর করেন এবং কণ্ঠ দেন। শ্রীলঙ্কায় এখন তাকে ‘র‌্যাপ প্রিন্সেস’ বলা হচ্ছে।

যে গানটি দিয়ে ইয়োহানির জনপ্রিয়তা এখন আকাশচুম্বী, সেই ‘মানিকে মাগে হিতে’র ভিউ এই এখন ১১ কোটি ৭০ লাখ ছাড়িয়েছে। গানটি গত ২২ মে নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করেন ইয়োহানি।

আরও পড়ুন:
আনন্দ চালু হচ্ছে, বন্ধ থাকছে বলাকা-মধুমিতা
সিনেমা হল: হাজার কোটি টাকার ঋণ যেসব শর্তে
সব সিনেমা হল খুলবে কি

শেয়ার করুন

অবশেষে পর্নো মামলা থেকে জামিনে মুক্ত শিল্পার স্বামী

অবশেষে পর্নো মামলা থেকে জামিনে মুক্ত শিল্পার স্বামী

পর্নো মামলা থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। ছবি: সংগৃহীত

সবশেষ ২০ সেপ্টেম্বর মুম্বাই হাইকোর্ট তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করে। সোমবার ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, সম্প্রতি এই মামলার দেড় হাজার পাতার চার্জশিট দিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। এই মামলাতে মুম্বাই পুলিশের কাছে বয়ানও দিয়েছেন শিল্পা।

পর্নো ছবি বানানো ও তা বিশেষ অ্যাপের ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তারের ২ মাস পর অবশেষে জামিনে মুক্ত হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা।

গত ১৯ জুলাই গ্রেপ্তার হন রাজ কুন্দ্রা। এরপর একাধিকবার জামিনের আবেদন করলেও তা খারিজ করে দেয় আদালত।

সবশেষ ২০ সেপ্টেম্বর মুম্বাই হাইকোর্ট তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করে। সোমবার ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনি।

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, সম্প্রতি এই মামলার দেড় হাজার পাতার চার্জশিট দিয়েছে মুম্বাই পুলিশ। এই মামলাতে মুম্বাই পুলিশের কাছে বয়ানও দিয়েছেন শিল্পা।

গ্রেপ্তারের পর উচ্চ আদালতে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে পিটিশন করেছিলেন রাজ কুন্দ্রা। মুম্বাই পুলিশের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ, এই গ্রেপ্তার অবৈধ।

অবশেষে পর্নো মামলা থেকে জামিনে মুক্ত শিল্পার স্বামী
পর্নো মামলা থেকে জামিনে মুক্ত হয়েছেন শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রা। ছবি: সংগৃহীত

যদিও এর আগেই আদালত থেকে জানানো হয়, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পক্ষ থেকে রাজ কুন্দ্রাকে পুলিশ হেফাজতে দেয়ার নির্দেশে কোনো ভুল নেই।

সেই সময়ে রাজের আইনজীবী জানিয়েছেন, তার মক্কেলের গ্রেপ্তারি আইনসম্মত নয় এবং সুবিচারের জন্য তারা উচ্চ আদালতে যাবেন। অবশেষে সোমবার ৫০ হাজার রুপির ব্যক্তিগত বন্ড দিয়ে ছাড়া পেয়েছেন রাজ কুন্দ্রা।

আরও পড়ুন:
আনন্দ চালু হচ্ছে, বন্ধ থাকছে বলাকা-মধুমিতা
সিনেমা হল: হাজার কোটি টাকার ঋণ যেসব শর্তে
সব সিনেমা হল খুলবে কি

শেয়ার করুন

ভুয়া খবরে হতাশ বাপ্পি লাহিড়ী

ভুয়া খবরে হতাশ বাপ্পি লাহিড়ী

সংগীতশিল্পী বাপ্পি লাহিড়ী। ছবি: সংগৃহীত

বাপ্পির ছেলে বাপ্পা ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, তার বাবা এখনও দুর্বল। ফুসফুসে সংক্রমণ হওয়ায় ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন। তবে যে খবর ছড়িয়েছে, সেটা ভুয়া। চিকিৎসকরা বাপ্পির কণ্ঠকে বিশ্রাম দিতে বলেছেন। দুর্গাপূজার আগেই বাপ্পি ঠিক হয়ে যাবেন বলে জানান বাপ্পা।

‘অমর সঙ্গী’, ‘ডিস্কো ডান্সার’-খ্যাত সুরকার বাপ্পি লাহিড়ীর করোনা হয়েছিল সম্প্রতি। সংক্রমণ থেকে রেহাই পেয়েছেন।

করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কারণে কণ্ঠস্বর নষ্ট হয়ে গিয়েছে তার- এমন খবর শোনা গিয়েছিল। কয়েক দিন আগে এমনই খবর ছড়িয়ে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

স্বাভাবিকভাবেই এমন খবরে অস্বস্তিতে পড়েছিলেন অন্য সংগীতশিল্পী থেকে সাধারণ মানুষ।

অবশেষে সোমবার ইনস্টাগ্রামে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বাপ্পি। তিনি লেখেন, ‘আমি কথা বলতে পারছি না, কণ্ঠস্বর নষ্ট হয়ে গেছে- এসব কথা মিথ্যা। এমন কথায় আমি হতাশ। কিচ্ছু হয়নি আমার। সবার ভালোবাসা, আশীর্বাদে ভালোই আছি।’

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সাবধানতা মেনে চলার পরও এপ্রিল মাসে করোনায় আক্রান্ত হন গায়ক। আচমকাই গুজব ছড়ায়, আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে পাঁচ মাস নাকি কথা বন্ধ শিল্পীর। শারীরিক অবস্থারও অবনতি হয়েছে।

বাপ্পির ছেলে বাপ্পা ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানান, তার বাবা এখনও দুর্বল। ফুসফুসে সংক্রমণ হওয়ায় ধীরে ধীরে সুস্থ হচ্ছেন। তবে যে খবর ছড়িয়েছে, সেটা ভুয়া। চিকিৎসকরা বাপ্পির কণ্ঠকে বিশ্রাম দিতে বলেছেন। দুর্গাপূজার আগেই বাপ্পি ঠিক হয়ে যাবেন বলে জানান বাপ্পা।

অসুস্থতার খবর পেয়ে এপ্রিলে লস এঞ্জেলেস থেকে মুম্বাই ফিরে আসেন বাপ্পি লাহিড়ীর ছেলে।

বাপ্পা আরও জানিয়েছেন, দুর্বলতার কারণেই আপাতত হুইলচেয়ারে বসে চলাফেরা করছেন বাপ্পি। পূজার সময় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের সঙ্গে একটি গানের রেকর্ডিংয়ের কথা আছে বাপ্পি লাহিড়ীর।

আরও পড়ুন:
আনন্দ চালু হচ্ছে, বন্ধ থাকছে বলাকা-মধুমিতা
সিনেমা হল: হাজার কোটি টাকার ঋণ যেসব শর্তে
সব সিনেমা হল খুলবে কি

শেয়ার করুন

ফোক স্টেশনে আঁখি আলমগীর

ফোক স্টেশনে আঁখি আলমগীর

ফোক স্টুডিওতে আঁখি আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ২৫ মিনিটে নতুন ভাবে শুরু হয় ফোক স্টেশন সিজন ৪। আঁখি আলমগীরের গান নিয়ে দ্বিতীয় পর্বটি প্রচার হবে ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১১ ২৫ মিনিটে।

ফোক গান বা লোক গান তো অনেক গেয়েছেন, তবে এবার প্রথমবারের মতো ফোক স্টেশনে গাইলেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর।

ফোক স্টেশন সিজন ৪ এর দ্বিতীয় পর্বে তাকে দেখা ও শোনা যাবে। সংগীত পরিচালক জে কে মজলিশের সংগীত পরিচালায় গেয়েছেন আঁখি আলমগীর।

মোট ৬টি লোক গান গেয়েছেন আঁখি। গানগুলো হলো ‘আইছে দামান সাহেব মিয়া’, ‘বসন্ত আসিল শখি’, ‘হায় বাঙালি’, ‘সাগর কূলের নাইয়া’, ‘হলুদ বাটো মেন্দি বাটো’, ‘বন্ধু কাজল ভ্রোমরা রে’।

১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ২৫ মিনিটে নতুন ভাবে শুরু হয় ফোক স্টেশন সিজন ৪। আঁখি আলমগীরের গান নিয়ে দ্বিতীয় পর্বটি প্রচার হবে ২৪ সেপ্টেম্বর রাত ১১ ২৫ মিনিটে।

প্রতি শুক্রবার রাত ১১টা ২৫ মিনিটে আরটিভির পর্দায় প্রচারিত হয় অনুষ্ঠানটি। টিভি অনএয়ারের পর গানগুলো ইউটিউবে আরটিভি মিউজিক চ্যানেলে পাওয়া যায়।

ফোক স্টেশনে আঁখি আলমগীর
নিজের ফ্যাশন হাউজের পোশাকে আঁখি আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত

গানের পাশাপাশি ‘মখমল’ নামে একটি ফ্যাশন হাউজ চালু করেছেন কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীর। নিজের প্রতিষ্ঠানে তিনিই প্রধান নকশাকার। এর মধ্য দিয়ে আরেকটি নতুন পরিচয় যুক্ত হয়েছে তার নামের পাশে। এই প্রতিষ্ঠানের মডেল হিসেবেও দেখা গেছে তাকে।

আরও পড়ুন:
আনন্দ চালু হচ্ছে, বন্ধ থাকছে বলাকা-মধুমিতা
সিনেমা হল: হাজার কোটি টাকার ঋণ যেসব শর্তে
সব সিনেমা হল খুলবে কি

শেয়ার করুন

মাহফুজুরের সঙ্গে বিচ্ছেদ, ইভার নতুন সংসার

মাহফুজুরের সঙ্গে বিচ্ছেদ, ইভার নতুন সংসার

মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে ইভা (বাঁয়ে), নতুন স্বামী সোহেল আরমানের সঙ্গে ইভা (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

‘১৯ সেপ্টেম্বর রাতে আমাদের বিয়ে হয়েছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আর আমাকে ইভা রহমান নয়, ইভা আরমান বলবেন।’

এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে আলোচিত সংগীতশিল্পী ইভা রহমানের বিচ্ছেদের বিষয়টি জানা গেল তার নতুন সংসার শুরুর পর।

রোববার ব্যবসায়ী সোহেল আরমানকে বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করেছেন ইভা। নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই।

এই সংগীতশিল্পী বলেন, ‘১৯ সেপ্টেম্বর রাতে আমাদের বিয়ে হয়েছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আর আমাকে ইভা রহমান নয়, ইভা আরমান বলবেন।’

ইভার নতুন সঙ্গী সোহেল আরমান ঢাকার বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ী।

দেশের আরেক সংগীতশিল্পী রবি চৌধুরী ইভার বিয়ের একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। তিনিও বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমি একটি ছবি দিয়েছি ফেসবুকে। সেখানে তো দেখাই যাচ্ছে ইভার বিয়ে হয়েছে। এর বেশি কিছু আমি জানি না। আমাকে ছবিটি পাঠিয়েছেন অভিনেতা সিদ্দিক।’

ইভা এর আগে বিয়ে করেছিলেন বেসরকারি টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানকে।

তাদের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর তালাকনামা হাতে পান ইভা।

এখন পর্যন্ত ইভার ৩০টির মতো অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে। অ্যালবামগুলো থেকে বাছাই করা গানের মিউজিক ভিডিও নির্মিত হয়েছে দেশে-বিদেশে।

আরও পড়ুন:
আনন্দ চালু হচ্ছে, বন্ধ থাকছে বলাকা-মধুমিতা
সিনেমা হল: হাজার কোটি টাকার ঋণ যেসব শর্তে
সব সিনেমা হল খুলবে কি

শেয়ার করুন

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

০০৭ কোড ধারী অভিনেত্রী লাসানা রাশেদা লিঞ্চ। ছবি: সংগৃহীত

ড্যানিয়েলের জায়গাতেই দেখা যাবে নারী গুপ্তচর লাসানাকে। তবে তার নাম জেমস বন্ড হবে না। তিনি ০০৭ পদের দায়িত্বে কাজ করবেন। লাসানার জন্ম ১৯৮৭ সালে লন্ডনে। তিনি ব্রিটিশ অভিনেত্রী তিনি।

লাসানা রাশেদা লিঞ্চ। ব্রিটিশ মহলে তিনি বেশ পরিচিত হলেও অন্য মহলের খুব অল্প মানুষই তাকে চেনেন। সিনেমাপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নেয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে নিজের নামে নয়, জেমস বন্ড নামে।

এ বার লাসানাকেও দেখা যাবে জেমস বন্ড এর ভূমিকায়। সেপ্টেম্বরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নো টাইম টু ডাই সিনেমাটি। তাতে ৩৩ বছরের লাসানাকে এমআই ৬ এজেন্ট বা ০০৭ কোড ধারীর ভূমিকায় দেখা যাবে।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

সিনেমায় তার চরিত্রের নাম নোমি। ধারণা করা হচ্ছে জেমস বন্ড এর উত্তরসূরি হতে যাচ্ছেন তিনি।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

এর মাধ্যমে প্রথম বার পর্দায় দেখা যাবে কোনো নারী জেমস বন্ডকে।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

অন্যদিকে জেমস বন্ড সিরিজের নো টাইম টু ডাই এ শেষ বারের মতো বন্ড এর ভূমিকায় দেখা যাবে ড্যানিয়েল ক্রেগকে।

ড্যানিয়েলের জায়গাতেই দেখা যাবে নারী গুপ্তচর লাসানাকে। তবে তার নাম জেমস বন্ড হবে না। তিনি ০০৭ পদের দায়িত্বে কাজ করবেন।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

লাসানার জন্ম ১৯৮৭ সালে লন্ডনে। তিনি ব্রিটিশ অভিনেত্রী তিনি। ২০১৭ সালের স্টিল স্টার ক্রসড এবং ২০১৯ সালের ক্যাপ্টেন মার্ভেল এ অভিনয় করে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

জেমস বন্ড সিরিজে অভিনয়ের জন্য একাধিক বার অডিশন দিয়েছেন তিনি। সিনেমার সমস্ত স্টান্ট নিজেই করেছেন লাসানা।

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

পর্দায় লাসানার অভিষেক হয় ২০১২ তে। ফাস্ট গার্লস নামে একটি ছবিতে। তার অভিনীত অন্য সিনেমাগুলো হলো সাইলেন্ট উইটনেস, ডেথ ইন প্যারাডাইস

প্রথম নারী বন্ড লাসানা রাশেদা লিঞ্চ

ড্যানিয়েল ক্রেগের যোগ্য উত্তরসূরি হয়ে উঠতে পারবেন কি না তা সময়ই বলে দেবে।

আরও পড়ুন:
আনন্দ চালু হচ্ছে, বন্ধ থাকছে বলাকা-মধুমিতা
সিনেমা হল: হাজার কোটি টাকার ঋণ যেসব শর্তে
সব সিনেমা হল খুলবে কি

শেয়ার করুন