ইংরেজি মাধ্যম স্কুল কমিটি নিয়ে অভিভাবকদের দ্বন্দ্ব

ইংরেজি মাধ্যম স্কুল কমিটি নিয়ে অভিভাবকদের দ্বন্দ্ব

জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের অভিভাবকদের একটি ফোরাম। ছবি: নিউজবাংলা

শুক্রবারও একই নামের সংগঠনের যারা সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন তাদের শনিবার বহিষ্কার করা হয়েছে। সেই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত মনজুর সাকলায়েন, রিয়াজ আনোয়ার ও আফরোজা আক্তারকে অব্যাহতি দেয়ার কথা শনিবার সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়েছে।

ইংরেজি মাধ্যম স্কুল কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন অভিভাবকরা। পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে কমিটি থেকে একে-অপরকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

একই ধরনের দাবি হলেও ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলের অভিভাবকদের নিয়ে গঠিত ‘অভিভাবক ফোরাম’ দুই দলে ভাগ হয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবে আলাদাভাবে শুক্র ও শনিবার সংবাদ সম্মেলন করছে।

অভিভাবক ফোরামের একাংশ শনিবার সংবাদ সম্মেলন করে শিশু শিক্ষার্থীদের টিকা দিয়ে স্কুল খুলে দেয়াসহ ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের নানা অনিয়ম তুলে ধরে।

শুক্রবারও একই নামের সংগঠনের যারা সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন তাদের শনিবার বহিষ্কার করা হয়েছে।

আগের দিনই ফোরামের কয়েকজন সংবাদ সম্মেলন থেকে শনিবারের অভিভাবক ফোরামের সদস্যদের দুর্নীতিগ্রস্ত বলে অভিযোগ তোলেন। তাদের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, কমিটির সভাপতি নিজের নামে একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল খুলে ব্যবসা পরিচালনা করছেন- এমন অভিযোগও তোলেন।

তবে শনিবারের সংবাদ সম্মেলনে অভিভাবক ফোরামের সভাপতি এ কে এম আশরাফুল হক বলেন, ‘যাদের অব্যাহতি দেয়া হয়েছে, তারা অনেক আগে থেকেই ভিন্ন মত নিয়ে কথা বলেছেন। ফেসবুকে আলাদা গ্রুপ খুলে প্রচারণা করেছেন। আমরা তাদের সময় দিয়েছি। তবে তারা কোনো জবাব দেয়নি। পরে কার্যনির্বাহী সভার সিদ্ধান্তে অব্যাহতি দেয়া হয়।’

নতুন স্কুল খোলা নিয়ে তিনি বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে যখন অন্য ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল নানা ধরনের অনিয়ম ও অভিভাবকদের ওপর এক ধরনের চাপ প্রয়োগ করে আসছিল। সেই জায়গা থেকে আমরা নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে এই স্কুল খুলেছি। আমরা আশা করছি, এই স্কুল দিয়ে অন্য স্কুলগুলো শিখতে পারবে যে কম খরচে পড়াশোনা করা যায়।’

যেসব দাবি

ধাপে ধাপে টিকা নিশ্চিত করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রস্তুতি দেখে এবং করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্কুল খোলা।

ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে করোনাকালীন অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় অবশ্যই স্কুল ফি শ্রেণিভেদে ৩০-৫০ শতাংশ কমানো। সরকারি নির্দেশনা মেনে ২০১৭ সালে প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী স্কুল পরিচালনা করা।

স্কুলগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় আরও কার্যকর নীতিমালা প্রণয়ন করা এবং কার্যক্রমের নজরদারি করতে সংস্থা গঠন করা। স্কুলগুলোর সুষ্ঠু পরিচালনা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে নির্বাচিত অভিভাবক প্রতিনিধি স্কুল ম্যানেজিং কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা।

আরও পড়ুন:
শিক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমে বাড়ছে আগ্রহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জাফরুল্লাহর প্রশংসায় বিব্রত বিচারপতি শুনলেন না রিট

জাফরুল্লাহর প্রশংসায় বিব্রত বিচারপতি শুনলেন না রিট

গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ফাইল ছবি

জাফরুল্লাহর করা রিট আবেদনটি শুনানির জন্য এলে বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম বলেন, ‘জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাহেব, আপনি আমার অনেক প্রশংসা করেছেন। আমি এ মামলায় যদি আদেশ দেই, তাহলে কেউ ভিন্ন মন্তব্য করতে পারেন। সে জন্য আপনি অন্য আদালতে যান। আমরা আউট অফ লিস্ট করে দিচ্ছি।’

গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কাছ থেকে নানা প্রশংসা আসার পর তার করা একটি রিট আবেদনের শুনানি নিলেন না বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম। তিনি বলেছেন, এই আবেদনের ওপর সিদ্ধান্ত দিলে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তারা তিনি অন্য বেঞ্চে আবেদনটি নিয়ে যেতে বলেছেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রতিষ্ঠান গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজে আসন বাড়ানোর বিষয়ে রিট আবেদনটি করা হয়েছিল।

মঙ্গলবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের বেঞ্চে এর শুনানি হওয়ার কথা ছিল।

এই রিট আবেদন করার পর রাজধানীতে নানা আয়োজনে বিচারপতি ইনায়েতুর রহিমের প্রশংসা করে বক্তব্য রেখেছেন জাফরুল্লাহে চৌধুরী। তিনি সাহসী রায় দেন-এমন কথা বলেছেন একাধিকবার।

জাফরুল্লাহর করা রিট আবেদনটি শুনানির জন্য এলে বিচারপতি ইনায়েতুর রহিম বলেন, ‘জাফরুল্লাহ চৌধুরী সাহেব, আপনি আমার অনেক প্রশংসা করেছেন। আমি এ মামলায় যদি আদেশ দেই, তাহলে কেউ ভিন্ন মন্তব্য করতে পারেন। সে জন্য আপনি অন্য আদালতে যান। আমরা আউট অফ লিস্ট করে দিচ্ছি।’

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন ফখরুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজে ২০০৩ সালে ৮০ জন ছাত্র ভর্তির অনুমতি পায়। পরে ২০১০ সালে তা উন্নীত করে ১১০ জন পায়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়ার পরে তারা চিঠি দিয়ে বলে ৫০ জনের বেশি ভর্তি করা যাবে না। এ বিষয়ে আপিলের ভিত্তিতে ১০ জন বাড়িয়েছিল। অথচ গণস্বাস্থ্যের অবকাঠামো হলে ১১০ জনের।

‘তাই গণস্বাস্থ্য সমাজভিত্তিক মেডিক্যাল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডা. মুহিব উল্লাহ খন্দকার ১১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমতি চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমে বাড়ছে আগ্রহ

শেয়ার করুন

৮১ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

৮১ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি। ফাইল ছবি

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি খুন হন। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হলেও প্রতিবেদন জমা পড়েনি।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ আরও একবার পেছাল। এই নিয়ে ৮১ বার পেছাল মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন।

মঙ্গলবার এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়ার তারিখ ধার্য ছিল। তবে, বরাবরের মতো এদিনও মামলার তদন্ত সংস্থা র‌্যাব প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

পরে ঢাকার মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর নতুন তারিখ রাখেন।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের বাসায় সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রুনি খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় রুনির ভাই নওশের আলম রোমান পরের দিন শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন। প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ওই থানার একজন উপপরিদর্শক (এসআই)। চার দিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়।

দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে হত্যার রহস্য উদঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলার তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

খুনের ৯ বছরের বেশি সময় পার হলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সংস্থাটি।

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় আসামি ৮ জন। তারা হলেন বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদ ওরফে হুমায়ুন কবির, রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মিন্টু ওরফে বারগিরা মিন্টু, কামরুল হাসান অরুন, পলাশ রুদ্র পাল, তানভীর ও আবু সাঈদ।

আরও পড়ুন:
শিক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমে বাড়ছে আগ্রহ

শেয়ার করুন

পুলিশ পোশাকে টিকটক, লাইকি, ফেসবুক ভিডিও নয়

পুলিশ পোশাকে টিকটক, লাইকি, ফেসবুক ভিডিও নয়

পুলিশের পোশাক পরে টিকটক, লাইকি, ফেসবুক ভিডিও তৈরিতে বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক করেছে পুলিশ সদরদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

নির্দেশনায় বলা হয়, ‘পুলিশের পোশাক ব্যবহার করে, অথবা পুলিশ বিষয়ক কোনো পোস্ট সামাজিক মাধ্যমে (ফেইসবুক) আপলোড করার ক্ষেত্রে অতি সতর্ক থাকতে হবে। পুলিশের পোশাক ব্যবহার করে টিকটক, লাইকির মতো ভিডিও শেয়ার করা যাবে না।’

পুলিশের পোশাক পরা অবস্থায় টিকটক, লাইকির মতো অ্যাপ ব্যবহার করে ভিডিও বানানো এবং শেয়ার করার ক্ষেত্রে সদস্যদের আবারও সতর্ক করেছে ঢাকা মেট্রো পলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের বেতন থেকে বিভিন্ন প্রকার টাকা কাটার বিষয় নিয়েও বিস্তারিত বলা হয়েছে।

সম্প্রতি ডিএমপি সদর দপ্তর থেকে বিভিন্ন ইউনিটগুলোতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়। এর আগেও একাধিকবার সামাজিক যোগযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়ে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বাহিনীটির সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছিল।

অন্তত এক সপ্তাহ আগে দেয়া এই নির্দেশনার বিষয়টি তেজগাঁও, রমনা ও লালবাগ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। তবে তারা নিজেরা কোনো মন্তব্য না করে মিডিয়া শাখা থেকে বক্তব্য নেয়ার পরামর্শ দেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) মো. কামরুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ফেসবুক, টিকটক, লাইকির মতো অ্যাপ ব্যবহারে পুলিশ সদস্যদের আগেও সতর্ক করা হয়েছে। আর বেতন থেকে যে অংশ কাটা হয়, তা পুলিশের কল্যাণেই ব্যয় হয়ে থাকে। কোনোভাবেই সেগুলো অপ্রাসঙ্গিক নয়।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নিয়ে সতর্কবার্তায় বলা হয়, ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কতিপয় সদস্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রবিরোধী বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করছে। এ ধরনের কার্যকলাপ রোধে পোস্টদাতা চিহ্নিত করে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, ‘বিভিন্ন রোল কল, সভা, কল্যাণ সভার মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠানের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা-২০১৯’ ফোর্সদেরকে বুঝিয়ে বলতে হবে। সে নির্দেশিকা অনুযায়ী, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ফোর্সদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করবেন।

নির্দেশনার শেষে পুলিশের পোশাক পরে ফেসবুকে বিভিন্ন পোস্ট আপলোড ও টিকটক, লাইকির বিষয়ে স্পষ্ট করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, ‘পুলিশের পোশাক ব্যবহার করে অথবা পুলিশ বিষয়ক কোনো পোস্ট সামাজিক মাধ্যম (ফেইসবুক) আপলোড করার ক্ষেত্রে অতি সতর্ক থাকতে হবে। পুলিশের পোশাক ব্যবহার করে টিকটক, লাইকির মতো ভিডিও শেয়ার করা যাবে না।’

এ ছাড়া পুলিশ সদস্যদের বেতর থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ কেটে রাখার বিষয়েও ব্যাখ্যা দিয়েছে ডিএমপি।

ডিএমপি থেকে পাঠানো সতর্কবার্তায় ‘বেতন হতে বিভিন্ন প্রকার কর্তন সংক্রান্ত’ একটি বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।

যাতে বলা হয়, ‘ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত বিভিন্ন পুলিশ সদস্য বেতন হতে বিভিন্ন অংশ কাটা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নেতিবাচক পোস্ট, কমেন্ট করে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছেন অনেকেই। বেতন হতে যে অর্থ কাটা হয়, তা সদস্যদের কল্যাণে ব্যয় হয়। অপ্রাসঙ্গিক কোনো কিছু কাটা হয় না।’

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘বর্তমানে কমিউনিটি ব্যাংক দুই বছর অতিক্রম করছে। ব্যাংকটির শেয়ারের জন্য বেতনের যে অংশ কাটা হয়েছিল তা আগামী ১ বছর পর লভ্যাংশে যাবে, কারণ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী প্রথম তিন বছর কোনো লভ্যাংশ দেয়া যায় না। যারা অবসরে যাবেন তারা আবেদন সাপেক্ষে বিনোয়োগ টাকা উত্তোলন করে শেয়ার প্রত্যাহার করতে পারবেন।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমে বাড়ছে আগ্রহ

শেয়ার করুন

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু, তদন্তে মেট্রোরেলের মালামাল চুরির তথ্য

র‍্যাব বলছে, ৬ সেপ্টেম্বর নিহত নাজমুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান রাসেল ও শামীম। ওই রাতে পরে আশিকও তাদের সঙ্গে চুরির কাজে যোগ দেন। তুরাগে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ঘটনাস্থলেই নাজমুলের মৃত্যু হয়। পরে তারা নাজমুলকে সেখানে রেখেই পালিয়ে যান।

রাজধানীর তুরাগ এলাকায় বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান মো. নাজমুল নামে এক তরুণ। তার মৃত্যুর কারণ খুঁজতে গিয়ে মেট্রোরেল প্রকল্প থেকে মালামাল চুরির তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে র‌্যাব।

বাহিনীটি বলছে, তুরাগ এলাকা থেকে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন নাজমুল।

মঙ্গলবার সকালে এসব তথ্য জানান র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক মোজাম্মেল হক।

তিনি বলেন, ‘নিহত নাজমুল সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্য। চক্রটির আরও দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

মোজাম্মেল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে রাজধানীর পল্লবীতে অভিযান চালায় র‍্যাব। এ সময় চোরাকারবারি চক্রে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরা হলেন মো. আশিক ও মো. হারুন ।

র‍্যাব জানিয়েছে, তাদের কাছ থেকে চোরাই মালামালসহ একটি পিকআপ ভ্যান ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদে নাজমুলের মৃত্যু ও প্রকল্পের মালামাল চুরি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া গেছে।

র‍্যাব কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, ‘এ ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হয়েছে নিহত নাজমুলের পরিবারের একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) থেকে। বৃহস্পতিবার নাজমুল তার মিরপুরের বাসা থেকে কাজের সন্ধানে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন।

‘এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি জিডি করে তার পরিবার। শুক্রবার জানা যায়, তুরাগ এলাকায় একটি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পরে ওই লাশটি নাজমুলের বলে শনাক্ত করেন তার বাবা। এ ঘটনায় তুরাগ থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়। আর এ ঘটনায় র‌্যাবের একটি দল ছায়াতদন্ত শুরু করে।’

র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক বলেন, ‘গ্রেপ্তার দুজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে জানিয়েছেন, নিহত নাজমুলসহ তারা রাসেল এবং শামীম নামের আরও দুজনের সঙ্গে মিলে চুরি করতেন।

‘৬ সেপ্টেম্বর রাসেল এবং শামীম নিহত নাজমুলকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। ওই রাতে পরে আশিকও বরাবরের মতো তাদের সঙ্গে চুরির কাজে যোগ দেন। যদিও সেদিন তাদের সঙ্গে হারুন যোগ দেননি। তুরাগে বিদ্যুতের তার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ঘটনাস্থলেই নাজমুলের মৃত্যু হয়। পরে তারা নাজমুলকে সেখানে রেখেই পালিয়ে যান।’

র‍্যাব জানায়, চক্রটি বেশ কিছুদিন ধরে মেট্রোরেলের মালামালসহ অন্যান্য সরকারি কাজের মালামাল এবং বৈদ্যুতিক তার চুরির করছিল। র‌্যাবের অভিযানে আশিক গ্রেপ্তার হলে এর সত্যতা মেলে।

বাহিনীটি বলছে, গ্রেপ্তাররা পল্লবী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা মেট্রোরেল প্রকল্প ছাড়াও আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের বাড়তি লোহা, ইস্পাত, তার, মেশিন কৌশলে চুরিতে জড়িত।

চুরির কয়েকটি ধাপ

র‌্যাব অধিনায়ক মোজাম্মেল হক বলেন, ‘চোর চক্রটি মূলত চুরির কাজটি কয়েক ধাপে করে। তারা কৌশলে প্রকল্পের কী মালামাল কোথায় আছে তার বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। পরে ওই অনুযায়ী চুরির পরিকল্পনা করে।

‘তারা চুরি করা মালামাল একটি গোপন জায়গায় রাখেন। আরেকটি গ্রুপ চোরাই মালামাল সহজে বহনযোগ্য করার কাজ করেন। পরে এ ধরনের মালামাল কেনেন এমন ক্রেতাদের সঙ্গে প্রথম ধাপের চোরাই দলের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। তাদের সঙ্গে দাম ঠিক করে সেটি বিক্রি হয়।’

তিনি বলেন, ‘এই চোরা চক্রটিসহ এমন আরও কয়েকটি চোর চক্রের বেশ কয়েকজন সদস্য পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমে বাড়ছে আগ্রহ

শেয়ার করুন

সঠিক জায়গার অভাবে পিসিআর ল্যাব বসাতে দেরি

সঠিক জায়গার অভাবে পিসিআর ল্যাব বসাতে দেরি

টিবি হাসপাতালে ওয়ান স্টপ সেন্টার ও রিজিওনাল টিবি ল্যাবরেটরি উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ছবি: নিউজবাংলা

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,‘খোলা আকাশের নিচে ল্যাব স্থাপনের জায়গা দিয়ে ছিল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। খোলা আকাশের নিচে কখনও ল্যাব স্থাপন করা যায় না। এ কারণে ল্যাব বসাতে দেরি হচ্ছে। এখন সঠিক জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করি দ্রুত ল্যাব স্থাপনের কাজ শেষ হবে।’

কর্তৃপক্ষ সঠিক জায়গা না দেয়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব বসাতে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রাজধানীর শ্যামলীতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টিবি হাসপাতালে মঙ্গলবার বেলা ১২টায় ওয়ান স্টপ সেন্টার ও রিজিওনাল টিবি ল্যাবরেটরি উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পিসিআর ল্যাব এখনও বসেনি। এতো দিন সঠিক জায়গায় দিতে পারেনি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। আজ প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ও প্রবাসী কল্যাণ সচিবসহ সবাইকে নিয়ে বন্দরের ভেতরে জায়গা নির্ধারণ করে আসলাম।’

তিনি বলেন, ‘খোলা আকাশের নিচে ল্যাব বসানোর জায়গা দিয়ে ছিল কর্তৃপক্ষ। খোলা আকাশের নিচে কখনও ল্যাব স্থাপন করা যায় না। এ কারণে ল্যাব বসাতে দেরি হচ্ছে। এখন সঠিক জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। আশা করি দ্রুত ল্যাব স্থাপনের কাজ শেষ হবে।’

বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সকাল ১০ টার দিকে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ সময় জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর ল্যাব স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ কারণে সকালেই ৭টি প্রতিষ্ঠানের ‘স্টেটমেন্ট অব পারপাস’ (এসওপি) সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠানো হয়েছে। তবে দেশটি এখনো সাড়া দেয়নি। আমরা তাদের অপেক্ষায় আছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এসওপি পেলে ল্যাবের কাজ দ্রুত গতিতে সম্পন্ন হবে। তবে তাদের আবেদনের জন্য আমরা বসে না থেকে ভেতরে ভেতরে কাজ এগিয়ে নেব।’

ল্যাবের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাত প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন ও পার্কিংয়ের ছাদে জায়গা বরাদ্দ দিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

আরব আমিরাত সরকারের শর্ত অনুযায়ী, দেশটিতে প্রবেশ করতে হলে সঙ্গে থাকতে ৬ ঘণ্টা আগের করোনা নেগেটিভ সনদ। এ প্রেক্ষিতে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করে আসছেন দেশে আটকে পড়া প্রবাসীরা। মূলত এ কারণেই বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব বসানোর সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমে বাড়ছে আগ্রহ

শেয়ার করুন

ব্যাংক কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু

ব্যাংক কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সবুজবাগের নাভানা টাওয়ারের পাঁচতলা থেকে পড়ে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

রাজধানীর সবুজবাগের মধ্য বাসাবো এলাকায় নাভানা টাওয়ারের ৯ম তলা থেকে পড়ে এক ব্যাংক কর্মকর্তার রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম শওকত হোসেন ফকির।

তৌফিক হোসেন নামে এক পথচারী বলেন, ‘নাভানা টাওয়ারের নিচে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাই। বেলা ১১টায় চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয়দের মুখে জানতে পারি, নিহত ব্যক্তি টাওয়ারের পঞ্চম তলায় ভাড়া থাকতেন। ভবনের ছাদ থেকে তিনি নিচে লাফ দিয়েছেন। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে পারিনি।’

নিহতের বড় বোন সুলতানা মাহমুদা জানান, ৬ ভাই-বোনের মধ্যে শওকত ছিল সবার ছোট। তার স্ত্রী ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। অফিসে যাওয়ার জন্য সকালে বাসা থেকে বের হয় তৌফিক। পরে খবর পান ভবন থেকে নিচে পড়ে গেছে সে।

তিনি আরও জানান, শওকত বেসিক ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় কর্মরত ছিল। কিন্তু কেন সে অফিসে না যেয়ে ছাদে গেল আর কীভাবে নিচে পড়ে গেল এটাতে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সবুজবাগের নাভানা টাওয়ারের পাঁচতলা থেকে পড়ে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তার মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে ঘটনা বিস্তারিত জানা যাবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমে বাড়ছে আগ্রহ

শেয়ার করুন

চুরির চার মাস পর গ্রেপ্তার ৭

চুরির চার মাস পর গ্রেপ্তার ৭

চোর চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর সংবাদ সম্মেলন করে গোয়েন্দা পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম জানান, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে চক্রটির হাতে খড়ি। তিন-চার বছর আগে তারা ঢাকায় চলে আসে। প্রথমে ছোট ভবনে চুরি করলেও পরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সুউচ্চ ভবনের নামীদামি অফিসে চুরির টার্গেট করে। প্রথমে দুই-তিন দিন ধরে তারা রেকি করে। এরপর সব ধরনের তালা ভেঙে মালামাল ও টাকাপয়সা চুরি করে কৌশলে বের হয়ে যায়।

রাজধানীর উত্তরা প্যারাডাইস টাওয়ারে চার মাস আগে চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।

ধারাবাহিক অভিযান চালিয়ে সোমবার রাজধানীর ডেমরা ও কুমিল্লার কান্দিরপাড় এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি হাতুড়ি, একটি লোহার রেঞ্জ, তিনটি হ্যাক্সো ব্লেড, একটি প্লায়ার্স, তিনটি স্ক্রু ড্রাইভার ও ২০টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়।

ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জামাল উদ্দিন, শফিক ভূঁইয়া ওরফে বাছা, জসিম উদ্দীন, কাদের কিবরিয়া ওরফে বাবু, মো. শাকিল, মো. আলামিন ও মুক্তা আক্তার।

চক্রের হোতা জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি মামলা চট্টগ্রামে ও বাকি চার মামলা ঢাকায়। এদের একজন ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এ ছাড়া গ্রুপের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, গত ১১ জুন উত্তরার প্যারাডাইস টাওয়ারের ৮ম তলায় ‘গোল্ডেন টাচ ইমপোর্ট (আইএনসি)’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৩ জুন উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মামলা হয়। মামলার ছায়া তদন্তের সময় ঘটনাস্থলের সিসি টিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গোয়েন্দা উত্তরা জোনাল টিম।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে চক্রটির হাতে খড়ি। তিন-চার বছর আগে তারা ঢাকায় চলে আসে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, প্রথমে ছোট ছোট ভবনে চুরি করলেও পরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সুউচ্চ ভবনের নামীদামি অফিসে চুরির জন্য টার্গেট করে। সদস্যরা প্রথমে টার্গেটকৃত অফিস দুই-তিন দিন ধরে রেকি করে। এরপর অফিসের তালা, সিকিউরিটি লক, ডিজিটাল লক ও অফিস কক্ষের ড্রয়ার ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও টাকাপয়সা চুরি করে কৌশলে বের হয়ে চলে যায়।

কমিশনার মাহবুব আলম বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা আদাবর টাওয়ারের ৪র্থ তলার এক্সপার্ট গ্রুপ, কাকরাইলে নাসির উদ্দিন টাওয়ারের ১০ম তলায় আমিন গ্রুপ, গুলশান জব্বার টাওয়ারের ১৯ তলায় এসিউর গ্রুপ, বাড্ডা রূপায়ন টাওয়ারের ৬ষ্ঠ তলায় অবস্থিত সফট লিংক কোম্পানি ও ৭ম তলায় অবস্থিত এক্সজিবল কোম্পানির অফিসে চুরি করেছে বলে তথ্য দিয়েছে। ঘটনাস্থলগুলোর সিসি টিভি ফুটেজ পর্যালোচনায়ও এর প্রমাণ পাওয়া যায়।

মাহবুব আলম গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘অনেক ভবনে সিসি টিভি থাকলেও ওভাবে পর্যালোচনা করা হয় না। চক্রের নারী সদস্য চুরিতে সহযোগী ছিলেন। তিনি চুরির সময় থাকেন না। তবে আগে থেকে জায়গায় গিয়ে রেকি করা, তথ্য নেয়া ও মালামাল গচ্ছিত রাখার কাজ করেন। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে চুরির আরও অনেক ঘটনা জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমে বাড়ছে আগ্রহ

শেয়ার করুন