× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Suffering for three and a half years in the garbage dump
hear-news
player
print-icon

ময়লার ভাগাড়ে সাড়ে তিন বছরের দুর্ভোগ

ময়লার-ভাগাড়ে-সাড়ে-তিন-বছরের-দুর্ভোগ
নওগাঁ শহরের মধ্যে ময়লার ভাগাড় করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ছবি: নিউজবাংলা
নওগাঁ পৌর শহরের কুমাইগাড়ী মহল্লার ময়লার ভাগাড়টি মলফেলা নামে পরিচিত। নওগাঁ সরকারি কলেজ থেকে শহরের বাইপাস শিবপুর সড়কের ছোট যমুনা নদীর তীররক্ষা বাঁধের পশ্চিম পাশে এর অবস্থান। প্রতিদিন পৌরসভার কয়েক টন বর্জ্য এই ভাগাড়ে ফেলা হয়।

নওগাঁ শহরের কুমাইগাড়ী বাইপাস-ডিগ্রির মোড় সড়কের পাশে প্রায় তিন বছর আগে ময়লার ভাগাড় করেছে পৌরসভা। এরপর থেকে নিয়মিত ফেলা হচ্ছে ময়লা-আবর্জনা। দূর থেকে দেখলে ময়লার স্তূপগুলোকে মনে হয় ছোটোখাটো পাহাড়।

প্রতিনিয়তই এখান থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। অবস্থা এতটাই খারাপ স্থানীয় বাসিন্দা, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও পথচারীদের এখান থেকে যেতে শ্বাস নেয়ার যেন উপায়ই নেই।

পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, এখানে প্রায় ১৪ কোটি টাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিশোধনাগার করা হবে। সেটি হয়ে গেলে আর দুর্ভোগ থাকবে না।

ময়লার ভাগাড়ে সাড়ে তিন বছরের দুর্ভোগ

১৯৬৩ সালে গঠিত নওগাঁ পৌরসভায় ওয়ার্ড রয়েছে ৯টি। এ পৌরসভায় বসবাস করেন প্রায় ২ লাখ মানুষ। অথচ পৌরসভার ময়লার ভাগাড় মাত্র এই একটিই।

নওগাঁ পৌর শহরের কোমাইগাড়ী মহল্লার ময়লার ভাগাড়টি মলফেলা নামে পরিচিত। নওগাঁ সরকারি কলেজ থেকে শহরের বাইপাস শিবপুর সড়কের ছোট যমুনা নদীর তীররক্ষা বাঁধের পশ্চিম পাশে এর অবস্থান। প্রতিদিন পৌরসভার কয়েক টন বর্জ্য এই ভাগাড়ে ফেলা হয়।

বৃষ্টি হলে ভাগাড়ের আবর্জনা পানিতে ভেসে চলে আসে রাস্তায়। কিছু যমুনা নদীতেও পড়ে। এতে রাস্তায় চলাচলকারীদের যেমন দুর্ভোগ পোহাতে হয়, আবার নদীতে আবর্জনা পড়ে পরিবেশেরও ক্ষতি হচ্ছে।

ভাগাড়ের পাশেই রয়েছে আবাসিক এলাকা। একসময় জনসংখ্যা কম থাকলেও বর্তমানে তা বেড়েছে। দুর্গন্ধে অসুস্থ হয়ে পড়ছে বয়স্ক ও শিশুরা।

স্থানীয় বাসিন্দা জাহিদ হোসেন জানান, প্রায় তিন বছর ধরে এখানে ময়লা ফেলছে পৌরসভা। এতে তাদের খুব সমস্যা হচ্ছে।

ময়লার ভাগাড়ে সাড়ে তিন বছরের দুর্ভোগ

তিনি বলেন, ‘এটা পৌরসভা এলাকা শহরের মধ্যে পড়ে। এখানে ময়লার ভাগাড় কীভাবে করতে পারে পৌরসভা? এটি একটি ভুল সিদ্ধান্ত। একদিকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে।’

তার অভিযোগ, শহরের বাইরে ময়লার ভাগাড় করার জন্য এলাকাবাসী একাধিকবার পৌর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছে। এখনও কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

নিবেদিতা মুন নামে স্থানীয় আরেক বাসিন্দা বলেন, ‘পৌর এলাকার মধ্যে এটা ১ নম্বর ওয়ার্ড। এখানে স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজসহ গুরুত্বপূর্ণ সব স্থাপনা আছে। এখানে কীভাবে ময়লার স্তূপ করতে পারে।

‘যতদূর জানি, প্রায় তিন বছর ধরে এমন করে ময়লা ফেলা হচ্ছে। পরিবেশ দূষণ হচ্ছে। দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকাবাসী ও পথচারীরা।’

নওগাঁ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী হিমেল রহমান বলে, ‘এই রাস্তার পাশ দিয়েই কলেজে যাতায়াত করতে হয়। অতিরিক্ত গন্ধে বমি বমি ভাব হয়। এই এলাকায় অনেক মানুষ থাকে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক মানুষের বেশি সমস্যা পোহাতে হচ্ছে দুর্গন্ধে।

নওগাঁ পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শক মজিবর রহমান জানান, নওগাঁ পৌরসভার প্রায় ৪০-৪৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিদিন চারটি ট্রাক ও ১৫টি ট্রলিতে বর্জ্য নিয়ে এই ভাগাড়ে ফেলে।

ময়লার ভাগাড়ে সাড়ে তিন বছরের দুর্ভোগ

নওগাঁ পৌরসভার মেয়র নজমুল হক সনি বলেন, ‘অন্য কোনো স্থানে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা না থাকায় কুমাইগাড়ীতে ময়লা ফেলা হচ্ছে। তবে পৌরসভার উদ্যোগে এই ময়লা-আবর্জনা থেকে কম্পোস্ট সার তৈরির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

‘সম্প্রতি একটি বিদেশি দাতা সংস্থা এই প্রকল্পে অর্থায়ন করছে। সেই প্রকল্পের মাধ্যমে বর্জ্যের বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য পরিবহনে আধুনিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিশোধনাগার নির্মাণ করা হবে। বর্জ্য শোধনাগার নির্মাণে ইতিমধ্যে টেন্ডারও হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইউজিপি-৩ প্রকল্প থেকে প্রায় ১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ডিজাইন হবে। যেখানে পচনশীল ও অপচনশীল আবর্জনা কোথায় ফেলা হবে তা আলাদাভাবে নির্ধারণ করা হবে। পচনশীল আবর্জনা থেকে কম্পোস্ট সার হবে।

‘পাশাপাশি পাড়া-মহল্লায় ভ্যান দিয়ে আবর্জনা সংগ্রহ করা হবে। অচিরেই কাজটি শুরু হবে বলে আশা করছি। পৌরবাসীকে একটু ধৈর্যধারণ করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
আবর্জনার শহরে পরিণত হচ্ছে হবিগঞ্জ
ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের আহ্বান ইউজিসির

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
The youth who insulted the Prime Minister on Facebook Live was arrested

ফেসবুক লাইভে প্রধানমন্ত্রীকে গালি দেয়া যুবক গ্রেপ্তার

ফেসবুক লাইভে প্রধানমন্ত্রীকে গালি দেয়া যুবক গ্রেপ্তার গ্রেপ্তার আবু তালেবকে আজ আদালতে তোলা হবে। ছবি: সংগৃহীত
গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘পুলিশ আবু তালেবের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করেছে। বুধবার তাকে আদালতে তোলা হবে।’

মেহেরপুরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের লাইভে এসে প্রধানমন্ত্রীকে গালি দেয়ার অভিযোগে যুবককে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

উপজেলার সহোগলপুর গ্রাম থেকে বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

৪২ বছর বয়সী আবু তালেব গাংনী উপজেলার গাড়াবাড়িয়া গ্রামের বাজারপাড়ার বাসিন্দা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গাংনী থানায় তার নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করা হয়েছে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা গোয়েন্দা শাখার ওসি সাইফুল ইসলাম।

ওসি সাইফুল জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশেও তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত ৬ আগস্ট আবু তালেব ফেসবুক লাইভে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গালিগালাজ করেন। পরে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নজরে আসে।

এ ঘটনার পর থেকেই গা ঢাকা দেন আবু তালেব। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ অবস্থান জানতে পেরে তাকে গ্রেপ্তার করে।

গাংনী থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পুলিশ বাদী হয়ে আবু তালেবের নামে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা করেছে। আজ (বুধবার) তাকে আদালতে তোলা হবে।’

আরও পড়ুন:
পুলিশের ওপর হামলার মামলা: কারাগারে বিএনপি নেতা
টিপু-প্রীতি হত্যা: গ্রেপ্তার আরও ২ জন রিমান্ডে
ডিবির ভুয়া পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৬
টিপু-প্রীতি হত্যা: গ্রেপ্তার আরও ৪ জন রিমান্ডে
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The childs leg is cut by a knife for not getting dowry

‘যৌতুক না পেয়ে’ সন্তানের পায়ে খুন্তির ছ্যাঁকা

‘যৌতুক না পেয়ে’ সন্তানের পায়ে খুন্তির ছ্যাঁকা যৌতুক না পেয়ে সন্তানের পায়ে খুন্তির ছ্যাঁকা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবকের বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা
সাভার মডেল থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ঢাকার সাভারে যৌতুক চেয়ে না পেয়ে নির্যাতনের পর স্ত্রীকে তাড়িয়ে দুই সন্তানের পায়ে খুন্তির ছ্যাঁকা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওই নারী তার স্বামীকে মাদকাসক্ত দাবি করে সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মাইনুল ইসলাম বুধবার রাতে অভিযোগের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন।

এর আগে বিকেলে পৌর এলাকার সবুজবাগ কোবা মসজিদের পাশের একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আহত ৯ বছরের শিশু আরোবি ও তার ভাই ৫ বছর বয়সী আলিফ বর্তমানে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জানা গেছে।

অভিযুক্ত নুর আলমের বাড়ি জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থানার পূর্ব মাতাপুর গ্রামে।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, ১১ বছর আগে নুর আলম ও জয়মেনা খাতুনের বিয়ে হয়। তাদের ঘরে এক মেয়ে ও ছেলের জন্ম হয়। মাদকাসক্ত নুর আলম কাজকর্ম না করে যৌতুকের জন্য দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিলেন।

গত ২৮ জুলাই যৌতুকের টাকার জন্য ছেলে ও মেয়েকে বাসায় আটকে রেখে জয়মেনা খাতুনকে বের করে দেন নুর আলম। জয়মেনা বাবার বাড়িতে আশ্রয় নেন।

পরে খেলতে যাওয়ায় মেয়ে আরোবি ও ছেলে আলিফকে মারধর করেন নুর আলম। এ সময় গরম খুন্তি চেপে ধরে মেয়ের ডান পায়ের তালু ও ছেলের বাঁ পায়ের তালু ঝলসে দেন। খবর পেয়ে জয়মেনা বেগম সন্তানদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
যুবলীগ নেতার রাইফেলটি থানায় জমা
যুবলীগ নেতার ওপর ‘হামলা’, অস্ত্র হাতে অভিযুক্তের ছবি ভাইরাল 
টোল কম দেয়ায় নসিমনচালককে ‘মারধর’
১১৬ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টায় মহিলা লীগ নেত্রী
যৌতুকের মামলা: সাক্ষ্য দেয়ায় ছেলেকে পেটাল বাবা-চাচা

মন্তব্য

বাংলাদেশ
1 person forced into prostitution by kidnapping arrested

অপহরণ করে যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করার অভিযোগে আটক

অপহরণ করে যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করার অভিযোগে আটক আটক সালাম হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
‘অপহরণের পর প্রথমে নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ এলাকার একটি বাসায় সালামসহ তার অপর দুই সহযোগী চয়ন উদ্দীন ও আলমগীর হোসেন ওই কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে নওগাঁ শহরের কাঁঠালতলী এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে আটকে রেখে তাকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করেন তারা।’

নওগাঁর পত্নীতলায় কিশোরীকে অপহরণ করে ধর্ষণ এবং যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

শহরের কাঁঠালতলী এলাকায় বুধবার রাত ৯টার দিকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র‍্যাব-৫। এ সময় তার বাড়ি থেকে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-৫-এর জয়পুরহাট ক্যাম্পের অধিনায়ক সহকারী পুলিশ সুপার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটক ৪০ বছরের সালাম হোসেনের বাড়ি সদর উপজেলার বর্ষাইল গ্রামে।

র‍্যাব কর্মকর্তা বলেন, ‘গত ১১ জুলাই পত্নীতলার কাদাইল বাজার এলাকা থেকে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই কিশোরীকে একটি সিএনজিতে করে তুলে নিয়ে যান সালাম হোসেন ও তার সহযোগীরা। পরে অপহরণকারীরা ফোন করে মেয়েটির বাবার কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায় করেন।

‘অপহরণের পর প্রথমে নওগাঁ শহরের পার-নওগাঁ এলাকার একটি বাসায় সালামসহ তার অপর দুই সহযোগী চয়ন উদ্দীন ও আলমগীর হোসেন ওই কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। পরে নওগাঁ শহরের কাঁঠালতলী এলাকায় একটি বাসা ভাড়া নিয়ে আটকে রেখে তাকে যৌনবৃত্তিতে বাধ্য করেন তারা।’

অপহরণের পর পত্নীতলা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন মেয়েটির বাবা। পাশাপাশি র‍্যাবের কাছে অভিযোগ করেন। তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় অপহৃত কিশোরীর অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় আটক করা হয় সালাম হোসেনকে।

সালামকে পত্নীতলা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে জানিয়ে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সালামের সহযোগীদেরও আটকের চেষ্টা চলছে।’

পত্নীতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ্ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করবেন।’

আরও পড়ুন:
নেত্রকোণা থেকে অপহৃত ছাত্রী গাজীপুরে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
বস্তাবন্দি জীবিত কিশোরী উদ্ধার: ধর্ষণ-অপহরণের মামলা
নদীর পাড়ে বস্তাবন্দি জীবিত কিশোরী উদ্ধার
চট্টগ্রামে অপহৃত শিশু মাধবদী থেকে উদ্ধার
অপহৃত মাদ্রাসাছাত্রী ১ মাস পর উদ্ধার

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A farmer was electrocuted while irrigating

সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল কৃষকের

সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল কৃষকের প্রতীকী ছবি
কেন্দুয়া থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘মনির হোসেনের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় ক্ষেতে পানি দিতে গিয়ে সেচ মোটরের বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের নোয়াদিয়া দরগাবাড়ি গ্রামের পাশের হাওরে বুধবার বিকেল ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কৃষক মনির হোসেনের বাড়ি একই গ্রামে।

নিউজবাংলাকে তথ্য নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আলী।

স্থানীয়দের বরাতে এসআই মোহাম্মদ আলী জানান, কৃষক মনির হোসেন বিকেলে জমিতে সেচ দেয়ার জন মোটর চালাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হন। পরে স্বজনরা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘মনির হোসেনের মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল গৃহবধূর 
মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল ২ কৃষকের
মধ্যরাতে এসি সারানোর সময় তরুণের মৃত্যু
সচিবালয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে টেকনিশিয়ানের মৃত্যু

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Thousands of families are waterlogged due to fear of crop loss due to heavy rains

ভারি বৃষ্টি, জোয়ারে ফসলহানির শঙ্কা, পানিবন্দি হাজারও পরিবার

ভারি বৃষ্টি, জোয়ারে ফসলহানির শঙ্কা, পানিবন্দি হাজারও পরিবার সাগরে লঘুচাপের ফলে ভারী বৃষ্টি ও জোয়ারে প্লাবিত পিরোজপুরের নিম্নাঞ্চল। ছবি: নিউজবাংলা
সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শিপন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘পানি স্থায়ী না হলে কৃষি ফসলের ক্ষতির তেমন আশঙ্কা নেই। তবে আমন বীজতলা লাগাতে কৃষকদের কিছুটা ভোগান্তি হবে।’

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও অস্বাভাবিক জোয়ারে তলিয়ে গেছে উপকূলীয় জেলা পিরোজপুরের নিম্নাঞ্চল। এতে ফসলহানির পাশাপাশি পানিবন্দি হয়ে পড়েছে নদী পারের কয়েক হাজার পরিবার।

এতে মাথায় হাত পড়েছে কৃষকের। তারা বলছেন, আউশের ক্ষেত ও আমনের বীজতলার পাশাপাশি শ শ মাছের ঘেরও ভেসে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।

পিরোজপুর সাগর উপকূলবর্তী হওয়ায় নিম্ন বা লঘুচাপের প্রভাব পড়ে ব্যাপক।

এবার সাগরে লঘুচাপের কারণে টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে এরই মধ্যে দুই থেকে আড়াই ফুট পানিতে তলিয়ে গেছে জেলার নিম্নাঞ্চল।

পিরোজপুরের শারিকতলা, ডুমুরিতলা, ইন্দুরকানী, ভাণ্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়া উপজেলার বেশ কিছু এলাকার নিম্নাঞ্চলে অতি জোয়ারে ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন এসব এলাকার মানুষ।

নদীর পারের এলাকা শংকরপাশা ইউনিয়নের ঝনঝনিয়া গ্রামের মো. কাসেম হোসেন বলেন, ‘গতকাল ও আজ সকাল থেকে যেমন ব্যাপক বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ঘরের উঠানে নদীর পানি উঠেছে। বাচ্চাদের নিয়ে চিন্তায় আছি। ওরা তো আর পানি বুঝে না, খেলতে নেমে যায়। তাই চোখে চোখে রাখতে হচ্ছে।’

পাড়েরহাট এলাকার গাজীপুর গ্রামের মনিকা বেগম বলেন, ‘কচা নদীর গাজীপুরের বাঁধ ভেঙে আমাদের এলাকার অনেক বাড়িতে পানি ঢুকে গেছে। তবে জোয়ারে পানি এলেও ৬-৭ ঘণ্টা পর পানি নেমে যায় ভাটায়।’

ঝনঝনিয়া গ্রামের কৃষক মন্টু মিয়া বলেন, ‘এখন চলছে আউশ ধানের মৌসুম। ইতোমধ্যে ধান কাটাও শুরু করেছি। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টি ও নদীর পানিতে তলিয়ে গেছে মাঠ। এতে ধানের ক্ষতি হবে।’

সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা শিপন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘পানি স্থায়ী না হলে কৃষি ফসলের ক্ষতির তেমন আশঙ্কা নেই। তবে আমান বীজতলা লাগাতে কৃষকদের কিছুটা ভোগান্তি হবে।’

তিনি আরও বলেন, এ বছর জেলায় ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে আউশ ও ৬১ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নেত্রকোণায় বৃষ্টি-ঢলে পানিবন্দি ২৫ স্কুল
সুনামগঞ্জে কমছে পানি
ভোলায় পানিবন্দি ৩০ হাজার মানুষ
কুশিয়ারায় জলে বন্দি ১৫০ পরিবার
রাজবাড়ীতে পদ্মার পানি বেড়ে প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A case against the councilor and his wife for cutting mountains

পাহাড় কাটার অভিযোগে কাউন্সিলর ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা

পাহাড় কাটার অভিযোগে কাউন্সিলর ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা
নগরীর পাহাড়তলী মৌজার লেকসিটি এলাকায় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের একটি অভিযোগ পেয়ে সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণ ও গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়।

চট্টগ্রামে পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগের সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও তার স্ত্রীসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসাইন বুধবার বিকেলে আকবরশাহ থানায় মামলা করেন।

আসামিরা হলেন, ৯ নম্বর উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম, তার স্ত্রী তাছলিমা বেগম ও ওই স্থাপনার তত্ত্ববধায়ক মো. হৃদয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক (চট্টগ্রাম মহানগর) হিল্লোল বিশ্বাস।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘নগরীর পাহাড়তলী মৌজার লেকসিটি এলাকায় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণের একটি অভিযোগ পেয়ে সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কর্মকর্তারা। এ সময় পাহাড় কেটে স্থাপনা নির্মাণ ও গাছ কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়।

‘স্থাপনা বলতে টিনশেড সেমিপাকা একটি ঘর তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া অন্তত ৩ হাজার ঘণফুট পাহাড় ও তিনটি বড় গাছ কেটে নিয়েছে ওরা। বুধবার শুনানির জন্য সময় নির্ধারণ করা হয়। শুনানিতে ওই স্থাপনার তত্ত্বাবধায়ক হৃদয় এসে জমির প্রকৃত মালিক কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম ও তার স্ত্রী তাছলিমা বেগম বলে জানান।’

আরও পড়ুন:
আর নিরাপদ নয় বৃষ্টির পানি
গ্র্যাজুয়েট ফ্রেন্ডস অ্যাসোসিয়েশনের চারা বিতরণ
কাঁঠালের কনে পেয়ারা, আমড়ার বর আম
সরকারি গাছ কাটায় মামলা 
বাঁধাকপি কাটল কে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
A lawsuit against the doctor who lost his eye due to wrong treatment

‘ভুল চিকিৎসায়’ চোখ নষ্ট, চিকিৎসকের নামে মামলা

‘ভুল চিকিৎসায়’ চোখ নষ্ট, চিকিৎসকের নামে মামলা মাহজাবীন হক মাশা। ছবি: সংগৃহীত
মাশাকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, ভুল চিকিৎসার কারণে মাশার চোখের ৩৩ ভাগ রেটিনা চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে। পরে তাকে থাইল্যান্ডে নেয়া হলে সেখানেও চিকিৎসকরা একই কথা জানান।

ভুল চিকিৎসায় রোগীর চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগে এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে বুধবার মামলাটি করা হয়।

ভুক্তভোগী মাহজাবীন হক মাশা ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. আমিনুল হক শামীমের বড় মেয়ে। মামলাটি করেছেন মাহজাবীনের ছোট ভাই এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক মো. সামিউল হক সাফা।

আসামি করা হয়েছে ঢাকার সোবহানবাগ এলাকার দীন মোহাম্মদ চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্স সেন্টারের চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. দীপক নাগকে।

আদালত পরিদর্শক প্রসূন কান্তি দাস নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, মাহজাবীন হক চোখের সমস্যার কারণে গত ৫ জুন দীন মো. চক্ষু হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্স সেন্টারে চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. দীপক নাগের কাছে চিকিৎসা নিতে যান। সেখানে চিকিৎসক লেজার রশ্মির মাধ্যমে সার্জারি করেন। এরপর থেকে চোখে অন্ধকার দেখা শুরু করেন মাশা।

এমন পরিস্থিতিতে মাশাকে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা জানান, ভুল চিকিৎসার কারণে মাশার চোখের ৩৩ ভাগ রেটিনা চিরতরে নষ্ট হয়ে গেছে।

পরে মাশাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান, ভুল চিকিৎসার কারণে মাশার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আদালত পরিদর্শক বলেন, ‘এ ঘটনার বিচার চেয়ে মামলাটি করা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানাকে এফআইআরভুক্ত করার আদেশ দিয়েছেন।’

মামলার বাদী সামিউল হক সাফা বলেন, ‘একজন চিকিৎসকের এত বড় ভুল হতে পারে না। আমার বোনের অনেক বড় ক্ষতি হয়েছে। এই ঘটনার উপযুক্ত বিচার দাবি করছি।’

আরও পড়ুন:
চাঁদপুরে ‘ভুল চিকিৎসায়’ প্রসূতির মৃত্যু
‘কবিরাজি চিকিৎসায়’ হাত হারাতে বসেছে ৭ বছরের আল আমিন
পল্লি চিকিৎসকের ‘ভুল চিকিৎসায়’ গর্ভের শিশুর মৃত্যু
পায়ের অপা‌রেশ‌নের পর রোগীর মৃত্যু
ভুল চিকিৎসায় শিক্ষার্থীর মৃত্যুর অভিযোগ

মন্তব্য

p
উপরে