চাকর-বাকরের কাছে ক্ষমা চাইছি: জাফরুল্লাহ

চাকর-বাকরের কাছে ক্ষমা চাইছি: জাফরুল্লাহ

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নতুন নেতৃত্বকে পরিচয় করিয়ে দিতে ডাকা সমাবেশে জাফরুল্লা চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা

‘এসব রাজনৈতিক কর্মীদের চাকরবাকরের গুণাবলিও নেই। তাদের না কবজিতে জোর আছে, না মাথা ঘুরাবার অধিকার আছে। চাকর-বাকর ভাইরা, আপনাদেরকে কাছে আমি ক্ষমা চাই।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ‘চাকর-বাকর’ উল্লেখ করায় তার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী৷ তবে এই ক্ষমা চাওয়ার সময়ও তিনি আবার ‘চাকর-বাকর’ শব্দ উচ্চারণ করলেন।

জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘আমার সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যে আমার স্নেহাস্পদ ব্যক্তিদের চাকর-বাকর হিসেবে তুলনা করায় তারা মনক্ষুণ্ন হয়েছেন। কষ্ট পেয়েছেন। আমি এসব চাকর-বাকরের কাছে ক্ষমা চাইছি।

‘এসব রাজনৈতিক কর্মীদের চাকরবাকরের গুণাবলিও নেই। তাদের না কবজিতে জোর আছে, না মাথা ঘুরাবার অধিকার আছে। চাকর-বাকর ভাইরা, আপনাদেরকে কাছে আমি ক্ষমা চাই।’

শুক্রবার বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

জাফরুল্লাহ সরাসরি মির্জা ফখরুলের নাম উল্লেখ না করলেও তিনি যে তাকে উদ্দেশ করে এসব কথা বলেছেন, সেটি স্পষ্ট। কারণ, আগের দিন তিনি জার্মানিভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম ডয়েচে ভেলের বাংলা সার্ভিসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বিএনপি নেতাকে ‘চাকর-বাকর’ উল্লেখ করেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জাফরুল্লাহ ও বিএনপি একে অপরের পাশে দাঁড়ালেও সম্প্রতি দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

গত সপ্তাহে মুক্তিযোদ্ধা দলের এক আলোচনায় মির্জা ফখরুলের উপস্থিতিতে তারেক রহমানকে বাদ দিয়ে তার মেয়ে জাইমা রহমানকে বিএনপির নেতৃত্বে নিয়ে আসার পরামর্শ দেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

গত ৬ সেপ্টেম্বর মির্জা ফখরুল এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘জাফরুল্লাহ সাহেব যে কথা বলেছেন… তার আসলে বয়স হয়ে গেছে। উনি অত্যন্ত সম্মানিত লোক। অত্যন্ত গুণী লোক কিন্তু বয়স হয়ে গেলে মানুষ কিছু উল্টাপাল্টা কথা বলতেই পারেন। এটা স্বাভাবিকভাবে বলেছেন আরকি।

‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান পদে তারেক রহমানকে দায়িত্ব দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তার (জাফরুল্লাহ) মন্তব্যটা যুক্তিসঙ্গত না। তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছেন, কথা বলছেন। কিন্তু তিনি একবারও ভাবছেন না, এসব কথা বললে ফ্যাসিবাদীবিরোধী আন্দোলন কিছুটা ব্যাহত হবে।’

চাকর-বাকরের কাছে ক্ষমা চাইছি: জাফরুল্লাহ
গত ৬ সেপ্টেম্বর মির্জা ফখরুল বলেন, জাফরুল্লাহর বয়স হয়ে যাওয়ায় তিনি উল্টা-পাল্টা বকেন

এর প্রতিক্রিয়ায় জাফরুল্লাহ চৌধুরী ডয়েচে ভেলেকে সাক্ষাৎকার দেন। তিনি বলেন, ‘বেচারা বাড়ির চাকর বাকরের মতো আছে৷ ভাবছে চাকরি চলে যাবে৷ তার বক্তব্যে আমার হাসি পেয়েছে।’

বয়স হয়ে গেছে বলে উল্টাপাল্টা বক্তব্য দেয়ার বিষয়ে ফখরুলের বক্তব্যের জবাবে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘বয়স আমার হয়েছে, এটা কিন্তু একদম সঠিক কথা। কিন্তু ওই দূরের রঙটাও আমি বলতে পারি। আপনাদের মতো কথায় কথায় বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হয় না। কারণ আমার সততা এবং সাহস রয়েছে। আমি জনগণের পক্ষের লোক।’

তিনি বলেন, ‘আমি তারেক রহমানের জায়গায় জায়মাকে ক্ষমতা দিতে বলিনি। আমি বলেছি তাকে রাজনীতি শিখতে দেন, রাজপথে আসতে বলেন। রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিতে হলে রাজপথে হাঁটতে হয়।’

চাকর-বাকরের কাছে ক্ষমা চাইছি: জাফরুল্লাহ
সমাবেশে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নতুন কমিটির নেতাদেরকে পরিচয় করিয়ে দেন নুরুল হক নূর

সভায় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নতুন নেতৃত্বকে পরিচয় করিয়ে দেন ডাকসুর সাবেক সহসভাপতি নুরুল হক নূর। তিনি বলেন, ‘সরকার এখন আতঙ্কিত বোধ করছে। ক্ষমতায় থাকার জন্য তারা মরণ কামড় দেবে। আমরা জীবিত থাকতে ২০১৪ এবং ১৮ সালের মতো বিনাভোটের নির্বাচন হতে দেবো না।

‘জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে আমরা শিগগিরিই রাজপথে নামব। একটি গণ আন্দোলনের মাধ্যমে এই স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটাতে হবে।’

সভায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ‘যারা পদে পদে ভিন্ন মতকে দমন করতে চায়, মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায়, তারাই পাকিস্তানের এজেন্ট। কারণ, পাকিস্তানি শাসকরা এটাই করেছিল। আর যারা এটির প্রতিবাদ করে তারাই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত পতাকাবাহী।

‘ভোট দেয়ার অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিলে। যারা ভোটের অধিকার কেড়ে নেয় তারাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সবচেয়ে বড় শত্রু।’

আরও পড়ুন:
পরীমনির জামিন রূপ দেখে কি না: জাফরুল্লাহ
বয়স হওয়ায় উল্টাপাল্টা বকছেন জাফরুল্লাহ: ফখরুল
বিচারকদের সম্পদের হিসাব চান জাফরুল্লাহ
পরীমনির জামিন নিয়ে জাফরুল্লাহর প্রশ্ন
তারেকের যুক্তরাজ্যে, খালেদার জেলে থাকা বেটার: জাফরুল্লাহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সেলিমা-আমান-শিমুলসহ বিএনপির ৪০ নেতাকর্মীর বিচার শুরু

সেলিমা-আমান-শিমুলসহ বিএনপির ৪০ নেতাকর্মীর বিচার শুরু

বিচার শুরু হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শীর্ষ নেতা সেলিমা রহমান, আমান উল্লাহ আমান, শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, হাবিব-উন-নবী-খান সোহেল, বরকত উল্লাহ বুলু, মীর সরাফত আলী সফু, আজিজুল বারী হেলাল, শওকত মাহমুদ এবং রাজিব আহসান।

রাজধানীর রামপুরা থানায় করা বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের দুই মামলায় বিএনপির ৪০ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত।

এ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

সোমবার ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-৬ এর বিচারক ফাতেমা ফেরদৌসের আদালত আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন।

বিচার শুরু হওয়া আসামিদের মধ্যে রয়েছেন শীর্ষ নেতা সেলিমা রহমান, আমান উল্লাহ আমান, শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, হাবিব-উন-নবী-খান সোহেল, বরকত উল্লাহ বুলু, মীর সরাফত আলী সফু, আজিজুল বারী হেলাল, শওকত মাহমুদ এবং রাজিব আহসান।

এ মামলার অন্যতম আসামি শফিকুল বারী বাবু মারা গেছেন। এ কারণে তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী হান্নান ভূঁইয়া বলেন, ‘আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ২৯ অক্টোবর সাক্ষ্য নেয়ার তারিখ ঠিক করেছে আদালত।’

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি ২০ দলের ডাকা হরতালের সমর্থনে অজ্ঞাতপরিচয় ৪০-৪৫ জন বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মী রামপুরার ডিআইটি রোডের ন্যাশনাল ব্যাংকের সামনে অবস্থান নেন।

তারা আব্দুল্লাহপুর থেকে ছেড়ে আসা প্রচেষ্টা পরিবহনের একটি বাসে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেন। এতে যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং এক যাত্রী গুরুতর আহত হন। এসময় তারা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে কর্তব্যেও বাধা দেন।

এ ঘটনায় রামপুরা থানার এসআই বাবুল শরীফ ওইদিনই মামলাটি করেন। মামলা তদন্ত করে খিলগাঁও জোনাল টিমের এসআই আশরাফুল আলম ৪১ জনকে অভিযুক্ত করে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনে আদালতে দুটি আলাদা অভিযোগপত্র দেন।

আরও পড়ুন:
পরীমনির জামিন রূপ দেখে কি না: জাফরুল্লাহ
বয়স হওয়ায় উল্টাপাল্টা বকছেন জাফরুল্লাহ: ফখরুল
বিচারকদের সম্পদের হিসাব চান জাফরুল্লাহ
পরীমনির জামিন নিয়ে জাফরুল্লাহর প্রশ্ন
তারেকের যুক্তরাজ্যে, খালেদার জেলে থাকা বেটার: জাফরুল্লাহ

শেয়ার করুন

বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিয়ে বিএনপির মত চান কাদের

বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন নিয়ে বিএনপির মত চান কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা

নির্বাচন ও নির্বাচনি পরিবেশ বিনষ্টে বিএনপি এখনই প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্তব্য করেছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘তাদের এসব অসাংবিধানিক প্রয়াস অতীতের মতো কোনো সুফল বয়ে আনবে না, বরং বিদ্যমান কাঠামোর আওতায় একটা ক্রেডিবল ইলেকশন আয়োজনে কী করা যায়, তা নিয়ে আপনারা মতামত দিন।’

সংবিধান মেনে বিদ্যমান আইনি কাঠামোতে কীভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায় তা নিয়ে মতামত নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিতে বিএনপিকে আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগও মতামত কমিশনে দেবে বলে জানান তিনি।

রাজধানীর সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতা।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি যেমন গায়ের জোরে আইন লঙ্ঘন করতে চায়, তেমনি সংবিধানও জানতে চায় না। জাতীয় নির্বাচন কীভাবে, কার অধীনে হবে- এটা মীমাংসিত বিষয়। সংবিধানসম্মতভাবে পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে।’

নির্বাচন ও নির্বাচনি পরিবেশ বিনষ্টে বিএনপি এখনই প্রস্তুতি শুরু করেছে মন্তব্য কাদেরের। তিনি বলেন, ‘তাদের এসব অসাংবিধানিক প্রয়াস অতীতের মতো কোনো সুফল বয়ে আনবে না, বরং বিদ্যমান কাঠামোর আওতায় একটা ক্রেডিবল ইলেকশন আয়োজনে কী করা যায়, তা নিয়ে আপনারা মতামত দিন। সময় হলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগও নির্বাচন কমিশনে মতামত দেবে।’

‘গত ১৩ বছর ধরে বিএনপি আন্দোলনের নিষ্ফল আহ্বান যেমনি ব্যর্থ হয়েছে, বর্তমান প্রয়াসও নিষ্ফল হবে’, যোগ করেন কাদের।

শেখ হাসিনার উদারতা দুর্বলতা নয়

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিতের মেয়াদ বাড়ানো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘উদারতা’, এটাকে ‘দুর্বলতা’ ভাবলে বিএনপি ভুল করবে বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেশের আইন-আদালতের তোয়াক্কা না করে মনগড়া কথা বলাই বিএনপির স্বভাব। তারা অভিযোগ করেছে, সরকার নাকি বেগম জিয়াকে ভয়ে বিদেশ যেতে দিচ্ছে না। প্রকৃতপক্ষে বিএনপিই বেগম জিয়ার চিকিৎসা চায় কি না তা নিয়ে জনমনে সন্দেহ আছে।’

বিএনপি নেতারা বেগম জিয়ার মুক্তির ইস্যুতে রাজনীতি করছেন জানিয়ে কাদের বলেন, ‘চিকিৎসার ব্যাপারে যতটা নজর দিচ্ছেন, তার চেয়ে তাদের চিন্তা বেগম জিয়াকে ইস্যু করে রাজনীতি করা।’

বেগম জিয়া কিংবা ক্ষয়িষ্ণু বিএনপিকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ভয় পায় না জানিয়ে কাদের বলেন, ‘তার (খালেদা জিয়ার) বয়স এবং স্বাস্থ্যের ওপর নজর দিয়ে সাজা স্থগিত করেছে চতুর্থবারের মতো। এ উদারতা একমাত্র বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাই দেখিয়েছেন। বিএনপি শেখ হাসিনার উদারতাকে দুর্বলতা ভাবলে ভুল করবে।’

ভাবনায় এবং চর্চায় বিএনপির একমুখী দর্শন তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বের শিকড়কে দিন দিন দুর্বল করছে বলেও মন্তব্য করেন কাদের।

তিনি বলেন, ‘বেগম জিয়ার চিকিৎসা গ্রহণের বিষয়টি ইতিমধ্যেই মীমাংসিত। বিএনপি সব সময় মীমাংসিত ইস্যু নিয়ে রাজনীতি করার অপপ্রয়াস চালায়। একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামির বিদেশ গমন বিদ্যমান আইনে সুযোগ আছে কি না, এটা বিএনপিও ভালো করে জানে।’

আইন মন্ত্রণালয় বিষয়টি পরিষ্কার করে জানিয়ে দিলেও বিএনপি জেনে-শুনে না জানার ভান করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার কৌশল নিয়েছে বলেও অভিযোগ কাদেরের।

তিনি বলেন, ‘যে নেত্রীর জন্য তারা এত মায়াকান্না কাঁদছেন, সেই নেত্রীর মুক্তির জন্য একটা কার্যকর বিক্ষোভ মিছিলও তারা বাংলাদেশের কোথাও এ যাবৎ করতে পারেনি।’

আরও পড়ুন:
পরীমনির জামিন রূপ দেখে কি না: জাফরুল্লাহ
বয়স হওয়ায় উল্টাপাল্টা বকছেন জাফরুল্লাহ: ফখরুল
বিচারকদের সম্পদের হিসাব চান জাফরুল্লাহ
পরীমনির জামিন নিয়ে জাফরুল্লাহর প্রশ্ন
তারেকের যুক্তরাজ্যে, খালেদার জেলে থাকা বেটার: জাফরুল্লাহ

শেয়ার করুন

নির্বাচনে জাতিসংঘের সহযোগিতা লাগবে না: তথ্যমন্ত্রী

নির্বাচনে জাতিসংঘের সহযোগিতা লাগবে না: তথ্যমন্ত্রী

ফাইল ছবি

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সোমালিয়া বা ইথিওপিয়ার নয় যে, এখানে নির্বাচন অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের সহায়তা লাগবে। আমি মনে করি নির্বাচনের এখনও অনেক বাকি। নির্বাচন কমিশন অনেক শক্তিশালী। এখানে কারও সহযোগিতা প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।’

আগামী জাতীয় নির্বাচন সম্পন্নের বিষয়ে জাতিসংঘের সহায়তা প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

সোমবার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সোমালিয়া বা ইথিওপিয়ার নয় যে, এখানে নির্বাচন অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের সহায়তা লাগবে।

‘আমি মনে করি নির্বাচনের এখনও অনেক বাকি। নির্বাচন কমিশন অনেক শক্তিশালী। এখানে কারও সহযোগিতা প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না।’

বাংলাদেশ চাইলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতিসংঘ সব ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলে রোববার এক অনুষ্ঠানে জানান ঢাকাস্থ জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো।

তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ কোনো দেশের নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করে না। তবে কোনো দেশের সরকার নির্বাচন-প্রক্রিয়ায় সহায়তা চাইলে জাতিসংঘ তা দিয়ে থাকে। আগামী জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ সরকার জাতিসংঘের কোনো সহযোগিতা চাইলে আমরা সেই সহযোগিতা দেবো।’

সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টায় জাতিসংঘ মধ্যস্থতার কোনো উদ্যোগ নেবে কি না, সে বিষয়টি পরিষ্কার করেননি মিয়া সেপ্পো।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন অনুষ্ঠান একান্তই হোস্ট কান্ট্রির স্টেকহোল্ডারদের বিষয়। তারা চাইলে জাতিসংঘ যেকোনো ধরনের সহায়তা করে। কোনো দেশ চাইলেই তাদের নির্বাচনে সহযোগিতা দেয় জাতিসংঘ। সেটা বাংলাদেশেও ঘটতে পারে।’

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বহুল আলোচিত নির্বাচনের আগে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হিসেবে রাজনীতি বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তিতে মধ্যস্থতায় দুই দফা ঢাকা এসেছিলেন। কিন্তু সেই সিরিজ সংলাপ সফল হয়নি।

আরও পড়ুন:
পরীমনির জামিন রূপ দেখে কি না: জাফরুল্লাহ
বয়স হওয়ায় উল্টাপাল্টা বকছেন জাফরুল্লাহ: ফখরুল
বিচারকদের সম্পদের হিসাব চান জাফরুল্লাহ
পরীমনির জামিন নিয়ে জাফরুল্লাহর প্রশ্ন
তারেকের যুক্তরাজ্যে, খালেদার জেলে থাকা বেটার: জাফরুল্লাহ

শেয়ার করুন

২২ বছর পর কৃষক দলের কমিটি

২২ বছর পর কৃষক দলের কমিটি

কৃষক দলের নতুন সভাপতি হাসান জাফির তুহিন (বাঁয়ে) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল। ছবি: সংগৃহীত

সংগঠনটির আংশিক কমিটিতে হাসান জাফির তুহিনকে সভাপতি ও শহীদুল ইসলাম বাবুলকে করা হয়েছে সাধারণ সম্পাদক। আর সহসভাপতি হিসেবে আছেন হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু।

২২ বছর পর গঠিত হলো জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি।

সংগঠনটির নেতা হাসান জাফির তুহিনকে সভাপতি এবং শহীদুল ইসলাম বাবুলকে সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনীত করে আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কমিটির অনুমোদন দেন বলে সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

আংশিক কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি হিসেবে আছেন হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু, সহসভাপতি গৌতম চক্রবর্তী, যুগ্ম সম্পাদক পদে টি এস আইয়ুব, মোশারফ হোসেন এবং দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বে আছেন শফিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
পরীমনির জামিন রূপ দেখে কি না: জাফরুল্লাহ
বয়স হওয়ায় উল্টাপাল্টা বকছেন জাফরুল্লাহ: ফখরুল
বিচারকদের সম্পদের হিসাব চান জাফরুল্লাহ
পরীমনির জামিন নিয়ে জাফরুল্লাহর প্রশ্ন
তারেকের যুক্তরাজ্যে, খালেদার জেলে থাকা বেটার: জাফরুল্লাহ

শেয়ার করুন

কক্সবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

কক্সবাজারে নির্বাচনি সহিংসতায় নিহত বেড়ে ২

কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় ২ জন নিহত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট চলাকালীন কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। দুটি এলাকায় আহত হয়েছে সাতজন। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ রাখা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

কুতুবদিয়ার বড় ঘোপ ইউনিয়নের পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে সংঘর্ষে নিহত হন আব্দুল হালিম। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামশেদুল ইসলাম সিকদার।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন তিন নারী।

কুতুবজোম ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে খবর পাওয়া গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। হাসপাতালে নেয়ার পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

গুলিবিদ্ধ তিনজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা জালাল উদ্দীন ইসলামাবাদী জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা ও কুতুবজোম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট নেয়া বন্ধ আছে।

আরও পড়ুন:
পরীমনির জামিন রূপ দেখে কি না: জাফরুল্লাহ
বয়স হওয়ায় উল্টাপাল্টা বকছেন জাফরুল্লাহ: ফখরুল
বিচারকদের সম্পদের হিসাব চান জাফরুল্লাহ
পরীমনির জামিন নিয়ে জাফরুল্লাহর প্রশ্ন
তারেকের যুক্তরাজ্যে, খালেদার জেলে থাকা বেটার: জাফরুল্লাহ

শেয়ার করুন

ভোট বর্জন, সংঘাতের মধ্যে বাগেরহাটে চলছে ভোট

ভোট বর্জন, সংঘাতের মধ্যে বাগেরহাটে চলছে ভোট

বাগেরহাটে ইউপি নির্বাচনে ২ স্বতন্ত্র প্রার্থীর ভোট বর্জন করেছেন। ছবি: নিউজবাংলা

ভোটের আগেরদিন রোববার রাতে নির্বাচনি সহিংসতায় মোংলায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

নির্বাচন পূর্ব সহিংসতা, সংঘর্ষসহ বিচ্ছিন্ন ঘটনার মধ্য দিয়ে বাগেরহাটে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬৫টি ইউনিয়নে ভোট চলছে।

মোরেলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে সোমবার বেলা ১২টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন আহত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী রিপন চন্দ্র দাশ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা আমার ভাইয়ের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

এই অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল জব্বার মোল্লা বলেন, ‘আমার জয় নিশ্চিত জেনে তারা নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল করে দোষ চাপাচ্ছে।’

এই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানা লালন ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি তার এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ আনেন।

মাসুদ রানা লালন বলেন, ‘সকাল থেকেই আমার কর্মী-সমর্থকদের চাপ দিচ্ছিল নৌকার সমর্থকরা। পরে আমার এজেন্টদের বুথ থেকে জোর করে বের করে দেয়া হয়। ভেবেছিলাম নির্বাচন সুষ্ঠু হবে, ভাবাই সারা হল আমাদের।’

ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল দেয়া, ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলাসহ এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন।

এ ছাড়া চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। কয়েকটি জায়গায় হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে।

ভোটের আগেরদিন রোববার রাতে নির্বাচনি সহিংসতায় মোংলায় এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে, বাগেরহাটের ৯ উপজেলার মোট ৬৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হচ্ছে। তবে ভোট হচ্ছে ৬৫টি ইউনিয়নে। কারণ কচুয়া উপজেলার রাঢ়ীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের ১৩টি পদের সব কয়টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন প্রার্থীরা।

আরও পড়ুন:
পরীমনির জামিন রূপ দেখে কি না: জাফরুল্লাহ
বয়স হওয়ায় উল্টাপাল্টা বকছেন জাফরুল্লাহ: ফখরুল
বিচারকদের সম্পদের হিসাব চান জাফরুল্লাহ
পরীমনির জামিন নিয়ে জাফরুল্লাহর প্রশ্ন
তারেকের যুক্তরাজ্যে, খালেদার জেলে থাকা বেটার: জাফরুল্লাহ

শেয়ার করুন

চান্দিনার সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্ত

চান্দিনার সংসদ সদস্য প্রাণ গোপাল দত্ত

কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল তালুকদার জানান, ‘১৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। তিন বৈধ প্রার্থীর দুইজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়ায় ৭ অক্টোবর ভোট গ্রহণের সুযোগ থাকছে না। তাই ২০ সেপ্টেম্বর একমাত্র প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্তকে বিজয়ী ঘোষণা করা হল।’

কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্তকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

কুমিল্লার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দুলাল তালুকদার সোমবার বেলা ১১টায় একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, ‘১৯ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ছিল। তিন বৈধ প্রার্থীর দুইজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়ায় ৭ অক্টোবর ভোট গ্রহণের সুযোগ থাকছে না। তাই ২০ সেপ্টেম্বর একমাত্র প্রার্থী প্রাণ গোপাল দত্তকে বিজয়ী ঘোষণা করা হল।’

প্রাণ গোপাল ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও এ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। তবে সে সময় দল থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন অধ্যাপক আলী আশরাফ।

ওই আসনের সংসদ সদস্য আলী আশরাফ ৩০ জুলাই রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

আসন শূন্য হলে ৪ সেপ্টেম্বর থেকে কুমিল্লা-৭ আসনে উপনির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করে আওয়ামী লীগ।

আরও পড়ুন:
পরীমনির জামিন রূপ দেখে কি না: জাফরুল্লাহ
বয়স হওয়ায় উল্টাপাল্টা বকছেন জাফরুল্লাহ: ফখরুল
বিচারকদের সম্পদের হিসাব চান জাফরুল্লাহ
পরীমনির জামিন নিয়ে জাফরুল্লাহর প্রশ্ন
তারেকের যুক্তরাজ্যে, খালেদার জেলে থাকা বেটার: জাফরুল্লাহ

শেয়ার করুন