× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
Delay in detection of dengue with unknown symptoms
google_news print-icon

অচেনা উপসর্গে ডেঙ্গু শনাক্তে বিলম্ব

অচেনা-উপসর্গে-ডেঙ্গু-শনাক্তে-বিলম্ব
প্রতীকী ছবি
এবার ডেঙ্গুর উপসর্গগুলো ভিন্ন হওয়ায় অনেকে বুঝতে দেরি করে ফেলছেন। সাধারণ সর্দি-জ্বরের লক্ষণ নিয়ে ডেঙ্গু আসায় লোকজন অবহেলা করছেন; পাত্তা দিচ্ছেন না। যখন হাসপাতালে যাচ্ছেন, ততক্ষণে দেরি হয়ে যাচ্ছে।

করোনা সংক্রমণ ধীরে ধীরে কমে এলেও বেড়েছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। আগের বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গুর উপসর্গ কিছুটা ভিন্ন হওয়ায় রোগীরা দেরিতে হাসপাতালে আসছে। কিছু বোঝার আগেই পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। এ কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় আক্রান্তরা দ্রুত মারা যাচ্ছে।

ডেঙ্গু আক্রান্তদের সেবা দেয়া একাধিক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এডিস মশা নিধনে সিটি করপোরেশন ব্যর্থ হওয়ায় বিপদে রয়েছে নগরবাসী। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় বড় ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা।

তারা বলছেন, ডেঙ্গুর ভয়াবহতা অন্য বছরের তুলনায় আলাদা হওয়ায় মারা গেছে অর্ধশতাধিক মানুষ। তাই প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

চিকিৎসকরা বলছেন, এবার ডেঙ্গু ভালো হয়ে যাওয়ার পর শকড সিনড্রম বা নিউমোনিয়া দেখা দিচ্ছে। এককভাবে শুধু ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হচ্ছে না কেউই। ডেঙ্গুর সঙ্গে ডেঙ্গু-পরবর্তী জটিলতাও মানুষকে ভোগাচ্ছে।

তারা আরও বলেন, জ্বর ভালো হয়ে গেলেও চার থেকে সাত দিন সতর্ক থাকতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ডেঙ্গু শনাক্ত ও চিকিৎসায় মৃত্যুর সংখ্যা কমিয়ে আনা সম্ভব।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ২০০০ সাল থেকে মূলত ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুবিষয়ক তথ্য দিয়ে আসছে তারা। ওই বছর ৯৩ জনের মৃত্যুর সংবাদ দেয়া হয়।

২০০১ সালে ৪৪ ও ২০০২ সালে ৫৮ জনের মৃত্যুর সংবাদ দেয় সরকারি এ সংস্থাটি। এরপর ডেঙ্গু সহনশীল পর্যায়ে ছিল। এ নিয়ে তেমন আলোচনাও ছিল না।

গত ২০ বছরে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয় ২০১৯ সালে। ওই বছর ১৭৯ জনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছে ৫৪ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ১৩ হাজার ৭ জনের দেহে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সাইফুল্লাহ মুন্সি বলেন, ডেঙ্গু রোগের অনেক ধরন রয়েছে। তবে এবার ‘ডেনভি-৩’-এর প্রভাব বেশি।

তিনি বলেন, ২০১৭ সালে দেশে প্রথম এই ধরন শনাক্ত হয়। এর আগে ডেনভি-১ ও ডেনভি-২-এ আক্রান্ত হয়ে অনেকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে উঠেছে। কিন্তু ডেনভি-৩-এর বিরুদ্ধে এই ক্ষমতা কার্যকর হচ্ছে না।

সাইফুল্লাহ মুন্সি বলেন, ‘যারা আগের দুই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত, তারা নতুন করে ডেনভি-৩-এ আক্রান্ত হলে হেমোরেজ বা সংকটাপন্ন অবস্থায় পড়ছেন। এ কারণে এবার আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এর জিনোম সিকোয়েন্সিং ভবিষ্যতে ভ্যাকসিন উৎপাদনে সহায়ক হবে।’

তিনি বলেন, ‘এবার ডেঙ্গু আক্রান্তদের বেশিরভাগের শরীরে ডেনভি-৩ ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। আর ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে অন্য বছরের তুলনায় মৃত্যুও বেশি হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘২০১৯ সালেও ডেনভি-৩-এর ধরনের কারণে এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা দিয়েছিল। এবারও এই ধরনের সংক্রমণ বেশি হচ্ছে বলে মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি।

‘যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তারা বেশি মারা যাচ্ছেন। এ কারণে শিশুরা আক্রান্ত হলে দ্রুত সময়ের মধ্যে জটিল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এ ছাড়া বয়স্ক ও যারা হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, লিভার সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন, তারা আক্রান্ত হলে ঝুঁকি বেশি।’

অচেনা উপসর্গে ডেঙ্গু শনাক্তে বিলম্ব

এ বি এম আব্দুল্লাহ জানান, মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ার একটি বড় কারণ দেরিতে হাসপাতালে আসা। জ্বর-সর্দি দেখা দিলে শুরুর দিকে অনেকে এটাকে তেমন পাত্তা দেয় না। এটাই সমস্যা তৈরি করে।

এ কারণে কারও সামান্য জ্বর-সর্দি দেখা দিলে অবহেলা না করে ডেঙ্গু ও করোনা পরীক্ষা করতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনীয় সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে।

শুরু থেকে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারলে মৃত্যুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসে। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে। ডেঙ্গু ভাইরাস না ছড়াতে এডিস মশা যাতে বংশবিস্তার করতে না পারে, সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধ সবচেয়ে বেশি জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

এবারের ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে বেগ পোহাতে হচ্ছে জানিয়ে এ চিকিৎসক বলেন, ‘সাধারণ ডেঙ্গুতে অনেক বেশি জ্বর থাকে। তবে এবারের ডেঙ্গুতে শরীরের তাপমাত্রা ১০১-১০২ ডিগ্রির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে।’

তিনি বলেন, ‘হেমোরেজিক নয়, শকড সিনড্রোম হয়, তবে হাড় বা শরীরের সংযোগস্থলে ব্যথাও হয় না। তাই অনেকেই বুঝতে পারে না। তারা ভাবেন, দু-এক দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। তবে দ্রুত সময়ে অবস্থা জটিল হয়ে উঠছে। সাধারণত ডেঙ্গুতে এমন লক্ষণ দেখা যায় না।’

ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে শিশুদের শরীরে পানির স্বল্পতা দেখা দিচ্ছে। তাই শুরুতে পানির শরবত ও পানি জাতীয় ফল বেশি খেতে দিতে হবে বলে জানান তিনি।

অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিদিন অনেক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেনিন চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এবার শকড সিনড্রোম বেশি হচ্ছে। এর আগে হেমোরেজিক ডেঙ্গু বেশি দেখেছি। শকড সিনড্রোমে শরীরে পানি কমে যায়, তাপ বেড়ে যায়, হার্টবিট কমে যায়, ব্লাডপ্রেশার কমে যায় এবং রোগী জ্ঞান হারাতে পারে। ফুসফুস ও পেটে পানি জমে।

‘আর হেমোরেজিক ডেঙ্গুতে রক্তক্ষরণ হয়, শরীরে র‌্যাশ ওঠে, তাপমাত্রা ১০৪ থেকে ১০৫ হয়। এটার সঙ্গে দেশের মানুষ পরিচিত। তাই সে বুঝতে পারে কী করতে হবে।’

তিনি বলেন, এবারের ডেঙ্গুতে তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি থাকছে, র‌্যাশ দেখা যায় না, রক্তক্ষরণও হয় না। ফলে অনেকে বুঝতেই পারেন না যে, তিনি ডেঙ্গু আক্রান্ত বা গুরুত্ব দেন না। জ্বর চলে যাওয়ার পরে প্লাটিলেট ভেঙে ব্লাডপ্রেশার কমে কলাপস করে। ফলে এবার মৃত্যুর হার বেশি।

এ বিষয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ভাইরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নুসরাত সুলতানা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ডেঙ্গু ও করোনা মহামারি একই সঙ্গে আসার কারণে পরীক্ষা না করে নিশ্চিত করে বলা যায় না রোগী ডেঙ্গু নাকি করোনায় আক্রান্ত। এ কারণে চিকিৎসা করতেও দেরি হচ্ছে।’

তিনি বলেন, অনেকেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার পর ভালো হয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এ ভালো হয়তো অনেক খারাপ দিকে নিয়ে যাচ্ছে। হাসপাতালে আসতে দেরি হচ্ছে। হাসপাতালে জটিল অবস্থায় আসার কারণে তাদের আইসিইউ প্রয়োজন হচ্ছে।

নুসরাত আরও বলেন, ‘করোনা রোগীতে অধিকাংশ আইসিইউ পূর্ণ থাকায় ডেঙ্গু রোগীদের দ্রুত আইসিইউ সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। এতে অনেক রোগীর মৃত্যু হচ্ছে।

‘সাধারণত ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে নেয়ার ১২ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে মারা যায়। তবে এবার এর চেয়ে কম সময়ের মধ্যে মৃত্যু হচ্ছে।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
There are preparations to deal with dengue Health Minister

ডেঙ্গু মোকাবিলার প্রস্তুতি রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেঙ্গু মোকাবিলার প্রস্তুতি রয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সামন্ত লাল সেন বলেন, সম্মিলিতভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি যথেষ্ট। ডেঙ্গু সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর এবং সিটি কর্পোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করা উচিত। শিগগিরই এ বিষয়ে আন্ত:মন্ত্রণালয় সভার আয়োজন করা হবে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ওষুধপত্র, স্যালাইনসহ হাসপাতালে সার্বিক প্রস্তুতি রয়েছে। ডেঙ্গু মৌসুম শুরু হলে এ বিষয়ে আরও উদ্যোগ নেয়া হবে।

রোববার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। যুক্তরাজ্য ও সুইজারল্যান্ড সফর নিয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। খবর বাসসের

সামন্ত লাল সেন বলেন, সম্মিলিতভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তুতি যথেষ্ট। ডেঙ্গু সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, দপ্তর এবং সিটি কর্পোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করা উচিত। শিগগিরই এ বিষয়ে আন্ত:মন্ত্রণালয় সভার আয়োজন করা হবে।

যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বন্ধে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারণা জোরদার করা উচিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নিয়মিত তদারকি করা উচিত।

জেনেভা সফর নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে ফাইলেরিয়া নির্মূল এবং বিশ্বে প্রথম কালাজ্বর নির্মূল করায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ৭৭তম সাধারণ সভায় তার বক্তব্যে বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। মহাপরিচালক বলেছেন, অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বাংলাদেশ হতে পারে একটি যথাযথ রোল মডেল।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (আর্থিক ব্যাবস্থাপনা ও অডিট অনুবিভাগ) মো. আব্দুস সামাদ প্রমুখ।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
22 people were diagnosed with corona in 24 hours

২৪ ঘণ্টায় ২২ জনের করোনা শনাক্ত

২৪ ঘণ্টায় ২২ জনের করোনা শনাক্ত ফাইল ছবি
এই সময়ের মধ্যে ৪৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ

২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ২২ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হিসাবে এই তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

এই সময়ের মধ্যে ৪৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি। এ পর্যন্ত ২৯ হাজার ৪৯৫ জন করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ১৭ হাজার ৮৮০ জন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
DSCC will feed vitamin A capsules to 6 lakh 70 thousand children

৬ লাখ ৭০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে ডিএসসিসি

৬ লাখ ৭০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে ডিএসসিসি বুধবার ডিএসসিসির নগর ভবনের মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে “জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৪” উপলক্ষে আয়োজিত অ্যাডভোকেসি সভা। ছবি: নিউজবাংলা
আগামী শনিবার নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যেতে বাবা-মা ও অভিভাবকদের অনুরোধ করেছেন ডিএসসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্তকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবির।

৬ লাখ ৭০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়াবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। করপোরেশনের আওতাধীন এলাকার ১ হাজার ৮২৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে শিশুদের এই ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

আগামী শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ১ লাখ ১০ হাজার শিশুকে একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৫ লাখ ৬০ হাজার শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বুধবার ডিএসসিসির নগর ভবনের মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে “জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৪” উপলক্ষে আয়োজিত কেন্দ্রীয় অ্যাডভোকেসি ও সাংবাদিক ওরিয়েন্টশন সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।

করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত প্রধান স্বাস্থ্য কর্তকর্তা ডা. ফজলে শামসুল কবিরের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় ডা. ফজলে শামসুল কবির বলেন, “ডিএসসিসির আওতাধীন এলাকায় ১ হাজার ৮২৭টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এবার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ১৫০ জন সুপারভাইজারের তত্ত্বাবধায়নে ৩ হাজার ৬৫৪ জন স্বেচ্ছাসেবকের সহযোগিতায় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হবে।”

তিনি বলেন, “এবার জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনে ৬-১১ মাস বয়সী ১ লাখ ১০ হাজার শিশুকে ১টি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ (১ লাখ আইইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ৫ লাখ শিশুকে ১টি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ (২ লাখ আইইউ) ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

সেদিন নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য নিয়ে যেতে বাবা-মা ও অভিভাবকদের অনুরোধ করেন তিনি।

সভায় জাতীয় পুষ্টি সেবার (এনএনএস) লাইন ডাইরেক্টরের প্রতিনিধি, বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকের প্রতিনিধি, করপোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাগণ, গালর্স গাইড, রোভার স্কাউট, রোটারী ক্লাব, আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সার্ভিসেস ডেলিভারি প্রকল্প (ইউপিএইচসিএসডিপি), আবু মিয়া ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি, মা ও শিশু উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও এনজিও হেলথ সার্ভিস ডেলিভারি প্রোগ্রাম (এনএইচএসডিপি) এবং ইউনিসেফের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Safe Motherhood Day is Tuesday

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ
গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- ‘হাসপাতালে সন্তান প্রসব করান, মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচান।’

নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস আজ মঙ্গলবার। প্রতিবছরের মতো এবারও দিবসটি উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘হাসপাতালে সন্তান প্রসব করান, মা ও নবজাতকের জীবন বাঁচান।’

নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার হ্রাস ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালিত হয়ে আসছে। গর্ভকালীন, প্রসবকালীন ও প্রসব-পরবর্তী সময়ে সব নারীর জন্য নিরাপদ স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণই হল নিরাপদ মাতৃত্ব।

দেশব্যাপী নিরাপদ মাতৃত্ব দিবস পালন শুরু হয় ১৯৯৮ সালে। এরপর থেকে নিরাপদ মাতৃস্বাস্থ্য, মাতৃমৃত্যু হার কমানো ও নবজাতকের স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে প্রতি বছর ২৮ মে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৭ সালে এ বিষয়ে অনুমোদন দিলে পরের বছর থেকে দেশব্যাপী দিবসটি পালন শুরু হয়। পরে ২০১৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের অন্তর্ভুক্ত করে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Sleiman who transplanted pig kidneys has died

শূকরের কিডনি নেয়া স্লেম্যান মারা গেছেন

শূকরের কিডনি নেয়া স্লেম্যান মারা গেছেন বিশ্বে প্রথমবারের মতো শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপনকারী রিচার্ড স্লেম্যান। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে গত মার্চে রিচার্ড স্লেম্যানের দেহে শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, তার মৃত্যুর সঙ্গে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের কোনো সম্পর্ক নেই।

বিশ্বে প্রথমবারের মতো শূকরের কিডনি নেয়া ৬২ বছর বয়সী রিচার্ড স্লেম্যান মারা গেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার এ খবর জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে গত মার্চ মাসে চার ঘণ্টার অস্ত্রপাচারের মাধ্যমে রিচার্ড স্লেম্যানের দেহে শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। অস্ত্রপাচারের দুই সপ্তাহ পর ২ এপ্রিল হাসপাতাল থেকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, স্লেম্যানের আকস্মিকভাবে চলে যাওয়ার সঙ্গে কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের কোনো সম্পর্ক নেই।

ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতাল এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ম্যাস জেনারেল ট্রান্সপ্লান্ট দল স্লেম্যানের আকস্মিক মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। সাম্প্রতিক ট্রান্সপ্লান্টের ফল তার মৃত্যুর জন্য দায়ী এমন কোনো প্রমাণ আমাদের কাছে নেই।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্লেম্যানকে বিশ্বব্যাপী অগণিত কিডনি প্রতিস্থাপন রোগীদের জন্য আশার আলোকবর্তিকা হিসেবে দেখা হবে। জেনোট্রান্সপ্লান্টেশনের জন্য তার আস্থা ও ইচ্ছার প্রতি আমরা গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আমরা স্লেম্যানের পরিবার ও তাদের প্রিয়জনদের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাই। আমরা একজন অসাধারণ ব্যক্তিকে স্মরণ করছি যার উদারতা সবাইকে স্পর্শ করেছে।’

স্লেম্যানের পরিবার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমাদের পরিবার আমাদের প্রিয় রিক-এর আকস্মিক মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত। কিন্তু তিনি অনেককে অনুপ্রাণিত করেছেন ভেবে আমরা সান্ত্বনা পাই। বিশ্বব্যাপী কয়েক মিলিয়ন মানুষ রিক-এর গল্প জানতে পেরেছে। রিক কিডনি প্রতিস্থাপনের অপেক্ষায় থাকা রোগীদের আশাবাদী করে তুলেছেন।’

ম্যাস জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ও তার পরিচর্যা দলকে ধন্যবাদ জানিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আমরা ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতাল ও তার পরিচর্যাকারী দলের প্রতি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। চিকিৎসক দল রিককে দ্বিতীয় সুযোগ দেয়ার জন্য যথাসাধ্য সাহায্য করেছেন। ‘জেনোট্রান্সপ্ল্যান্ট আমাদের পরিবারকে রিকের সঙ্গে আরও সাত সপ্তাহ থাকার সুযোগ দিয়েছে। এ সময়ের মধ্যে তার সঙ্গে তৈরি হওয়া স্মৃতিগুলো আমাদের হৃদয়ে থাকবে।’

বোস্টনের ওয়েইমাউথের বাসিন্দা স্লেম্যান অনেক বছর ধরে টাইপ টু ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগছিলেন। এছাড়া তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে ডায়ালাইসিসে ছিলেন। ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতাল ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে একজন মৃত ব্যক্তির কিডনি স্লেম্যানের দেহে প্রতিস্থাপন করেন।

তবে প্রায় পাঁচ বছর পর সেই কিডনি অকার্যকর হতে শুরু করে এবং স্লেম্যান ২০২৩ সালের মে মাস থেকে পুনরায় ডায়ালাইসিস শুরু করেন।

পরবর্তীতে বিশ্বের প্রথম মানব হিসেবে তিনি নিজ দেহে শূকরের কিডনি প্রতিস্থাপন করেন। শূকরের কিডনি সরবরাহ করে কেমব্রিজের ইজেনেসিস ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। সিআরআইএসপিআর-সিএএসনাইন প্রযুক্তির সহায়তায় জিনগত সম্পাদনার মাধ্যমে শূকরের কিডনিটি সরবরাহ করা হয়। হাসপাতালের দেয়া তথ্যমতে, স্লেম্যানের দেহে প্রতিস্থাপনের আগে শূকরের ক্ষতিকারক জিনগুলো সরিয়ে মানুষের সঙ্গে এর সামঞ্জস্য করার জন্য কিছু মানব জিন যুক্ত করা হয়।

আরও পড়ুন:
দেড় হাজার কিডনি প্রতিস্থাপন, বাংলাদেশি চিকিৎসকের রেকর্ড
‘৬৫ ভাগ রোগী জানেন না তাদের কিডনি বিকল’ 
দেশে প্রথমবারের মতো ‘ব্রেন ডেড’ রোগীর কিডনি প্রতিস্থাপন
‘ঋণ শোধে ব্যর্থ হলেই’ কিডনি বিক্রি, ৭ দালাল গ্রেপ্তার
কলকাতায় কিডনি প্রতিস্থাপন করছে রোবট

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Zahid Malek in Times 100 most influential list

টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় জাহিদ মালেক

টাইমের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় জাহিদ মালেক সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ছবি: সংগৃহীত
টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবে জাহিদ মালেক পাঁচ বছর বিতর্কমুক্ত ছিলেন না। তবে তিনি কার্যকর টিকাদান কর্মসূচি সম্পাদন করেন, যার ফলে বাংলাদেশে মাথাপিছু মৃত্যু প্রতিবেশী ভারতের তুলনায় অর্ধেকেরও কম ছিল।

বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য খাতে বিশেষ অবদান রাখা ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় পত্রিকা টাইম ম্যাগাজিন।

২ মে এই প্রকাশ করা এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বর্তমানে তিনি মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য।

প্রতিবেদনে জাহিদ মালেককে নিয়ে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সোচ্চার সমর্থক হিসেবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী হিসেবে জাহিদ মালেক পাঁচ বছর বিতর্কমুক্ত ছিলেন না। তিনি দুর্নীতির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এবং তার প্রারম্ভিক মহামারি প্রতিক্রিয়ার জন্য তীব্র সমালোচনার সম্মুখীন হন।

‘তবে এরপর তিনি একটি কার্যকর টিকাদান কর্মসূচি সম্পাদন করেন, যার ফলে ঘনবসতিপূর্ণ দক্ষিণ এশীয় দেশটিতে মাথাপিছু মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিবেশী দেশ ভারতের তুলনায় অর্ধেকেরও কম ছিল। জানুয়ারিতে পদত্যাগ করা সত্ত্বেও মালেক তার সাড়ে ১৭ কোটি দেশবাসীর উন্নতির জন্য প্রশংসিত হচ্ছেন।’

কালাজ্বর (ভিসারাল লেশম্যানিয়াসিস) নির্মূলের জন্য বাংলাদেশ ২০২৩ সালে ইতিহাস তৈরি করেছিল। এটি মাছি দ্বারা সংক্রমিত একটি রোগ যার চিকিৎসা না করা হলে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রে মৃত্যু হয়।

এ ছাড়া গত বছর বাংলাদেশ (লিম্ফ্যাটিক ফাইলেরিয়াসিস) মশা দ্বারা সংক্রমিত একটি দুর্বল পরজীবী রোগ নির্মূল করতে সফল হয়েছে। এই জোড়া সাফল্যের মাধ্যমে ইতিহাসের প্রথম জাতি হিসেবে বাংলাদেশ এক বছরে দুটি অসংক্রামক রোগ নির্মূল করেছে।

শিশুমৃত্যুর হার ব্যাপকভাবে কমানোর জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এর আগে জাহিদ মালেককে সম্মানিত করে। মালেক বাংলাদেশে হলুদের মধ্যে সীসার উপাদান কমিয়ে আনার উদ্যোগে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এই সংসদ সদস্য বর্তমান সরকারের মন্ত্রিপরিষদে নেই।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
16 people lost their lives due to heat stroke in 15 days Department of Health

হিট স্ট্রোকে ১৫ দিনে প্রাণ হারিয়েছে ১৬ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

হিট স্ট্রোকে ১৫ দিনে প্রাণ হারিয়েছে ১৬ জন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রতীকী ছবি।
এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে প্রায় এক মাস ধরে দেশে মৃদু থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। এই সময়কালে দেশের বিভিন্ন স্থানে গরমে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২২ এপ্রিল থেকে হিট স্ট্রোকে মৃত্যুর রেকর্ড রাখা শুরু করেছে।

দেশজুড়ে দীর্ঘ সময় ধরে তাপপ্রবাহ চলাকালে হিট স্ট্রোকে ১৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তাদের মধ্যে রোববার পর্যন্ত ১৪ দিনে হিট স্ট্রোকে মারা গেছেন কমপক্ষে ১৫ জন। সোমবার সকাল পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন আরও একজন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুম (এইচইওসি/সিআর) সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে।

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকে প্রায় এক মাস ধরে দেশে মৃদু থেকে অতি তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যায়। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে বৃষ্টি হওয়ায় সারাদেশে তাপমাত্রা কমতে শুরু করে। তাপপ্রবাহের এই সময়কালে দেশের বিভিন্ন স্থানে গরমে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২২ এপ্রিল থেকে হিট স্ট্রোকের কারণে মৃত্যুর রেকর্ড রাখা শুরু করেছে।

তাপপ্রবাহের কারণে ২ মে পর্যন্ত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসা বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। রোববার থেকে তা পুনরায় শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
তিন জেলায় ‘হিট স্ট্রোকে’ ৯ জনের মৃত্যুর খবর
হিটস্ট্রোকে মাদারীপুরে ভাঙারি ব্যবসায়ী ও কৃষকের মৃত্যু
মুন্সীগঞ্জে হিটস্ট্রোকে প্রাণ গেল প্রাণ-আরএফএলের মাঠকর্মীর

মন্তব্য

p
উপরে