৭ ইউপি সদস্যের বেতন বন্ধ, অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

৭ ইউপি সদস্যের বেতন বন্ধ, অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে

গাংনীর বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের সাত সদস্যের বেতন বন্ধ রয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

অভিযোগে বলা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ২৩ মাস ধরে তাদের পাওনা বেতন দিচ্ছেন না। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা। তাই বেতন না পাওয়ার শঙ্কায় বাধ‍্য হয়েই তারা এ অভিযোগ করেছেন।

২৩ মাসের বেতন বন্ধ রয়েছে মেহেরপুরের গাংনীর বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাত সদস্যের। এ ঘটনায় তারা চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম বিশ্বাসের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ওই ইউনিয়নের তিন নারী সদস্যসহ সাত সদস্য ইউএনও কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে লিখিত অভিযোগ দেন।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বামন্দীর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মিলন হোসেন।

অভিযোগে বলা হয়, ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ২৩ মাস ধরে তাদের পাওনা বেতন দিচ্ছেন না। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা। তাই বেতন না পাওয়ার শঙ্কায় বাধ‍্য হয়েই তারা এ অভিযোগ করেছেন।

৭ ইউপি সদস্যের বেতন বন্ধ, অভিযোগ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে
ইউপি সদস্যদের লিখিত অভিযোগের কপি

মিলন জানান, বামন্দী ইউনিয়নে বড় একটি পশুরহাট, স্থানীয় কয়েকটি বাজার ও বেশ কয়েকটি কারখানা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে এবং ট্রেড লাইসেন্স ও কর আদায়ের মাধ্যমে পর্যাপ্ত অর্থ ইউপি তহবিলে জমা হয়। ফলে সেখানে যথেষ্ট অর্থ মজুত রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘গাংনী উপজেলার মধ‍্যে বামন্দী ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি রাজস্ব আয় হয়। পরিষদের ফান্ডে টাকার অভাব নেই। অথচ আমাদের বেতন দিতে গেলেই শুধু ফান্ডে অর্থ থাকে না।’

এ বিষয়ে বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘ইউপি সদস্যদের বেতন বকেয়ার তথ্যটি সঠিক। তবে তারা কতদিন ধরে বেতন পান না, সেটি সঠিকভাবে বলতে পারছি না। আনুমানিক ২৩-২৪ মাসের বেতন বকেয়া থাকতে পারে।’

ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনার সময়ে ট‍্যাক্স-ভ‍্যাট না ওঠায় ইউনিয়নের ফান্ডে অর্থ নেই। এ কারণে ইউপি সদস্যদের বেতন দেয়া সম্ভব হয়নি। তারপরও গত ঈদুল আজহার সময়ে কয়েকজন সদস্য বেতন উঠিয়েছেন।’

ইউএনও মৌসুমী খানম বলেন, ‘দুপুরে চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ইউপি সসদ্যরা তাদের বেতন না পাওয়ার বিষয়টি জানান। আমি তাদের লিখিত অভিযোগ দেয়ার পরামর্শ দেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করব।’

ইউপি সদস্য মিলন বলেন, ‘সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস হওয়ায় লিখিত অভিযোগটি ইউএনওর অফিসে জমা দেয়া হয়েছে। আশা করছি রোববার তিনি অভিযোগের কপি পাবেন।’

আরও পড়ুন:
ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে স্কুলের গেট চুরির অভিযোগ
তদন্তে গিয়ে আ.লীগ নেতার ‘রোষানলে’ পুলিশ
গরুর প্রতি এ কেমন নির্মমতা
অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি: ৩ সদস্যের কমিটি গঠন
বকেয়া ভাড়া চাওয়ায় যাত্রীর পিটুনিতে রিকশাচালকের মৃত্যু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এসপি অফিসের সামনে দুই শিশুকে রেখে গেলেন মা

এসপি অফিসের সামনে দুই শিশুকে রেখে গেলেন মা

ঝালকাঠি এসপি কার্যালয়ের সামনে যমজ দুই শিশুকে ফেলে বাড়িতে চলে গেছেন তাদের মা। ছবি: নিউজবাংলা

সুমাইয়া আক্তার জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে টাইফয়েড জ্বরে ভুগছে শিশু আরাফ ও আয়ান। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করলে রোববার সকালে চিকিৎসক ৬ হাজার টাকার বেশ কিছু টেস্ট দেন, যে টাকা তার কাছে ছিল না। বাবা ইমরানকে বিষয়টি জানালে, তিনি টাকা পাঠাতে অপারগতা প্রকাশ করেন। সেই ক্ষোভে যমজ দুই ছেলেকে এসপি কার্যালয়ের গার্ডরুমের সামনে রেখে বাড়ি চলে যান সুমাইয়া।

ঝালকাঠি পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয়ের সামনে ১১ মাসের যমজ দুই শিশুকে ফেলে বাড়িতে চলে গেছেন তাদের মা সুমাইয়া আক্তার।

রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। রাত ১০টা পর্যন্ত কাঁদছিল টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত শিশু দুটি। পরে দাদি এসে তাদের নিয়ে যান।

বিবাহবিচ্ছেদের পর সন্তানের দায়িত্ব না নেয়ায় পুলিশ সদস্য স্বামীর ওপর রাগ করে তিনি শিশু দুটিকে ফেলে যান।

সুমাইয়ার অভিযোগ, ৬ মাস আগে স্বামী ইমরান হোসেনের সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। এরপর দুই সন্তান তার কাছে ছিল।

ইমরান হোসেন ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া থানায় পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। তার বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়ায়।

সুমাইয়া জানান, পুলিশ সদস্য হওয়ার বিবাহবিচ্ছেদের পর ইমরানের সঙ্গে তিনি পেরে উঠছিলেন না। স্থানীয় লোকজন এবং পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে একাধিক বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত হয়, শিশু দুটি প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগ পর্যন্ত মায়ের কাছে থাকবে এবং ভরণপোষণের জন্য ইমরান প্রতি মাসে তিন হাজার করে টাকা দেবেন।

তবে সন্তানদের ভরণপোষণ ও চিকিৎসার জন্য কোনো খরচ দেন না ইমরান-এমনটাই অভিযোগ সুমাইয়ার।

কনস্টেবল ইমরান সুমাইয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘প্রতি মাসে শিশু দুটির ভরণপোষণের জন্য তিন হাজার করে টাকা সুমাইয়াকে দিয়ে আসছি।’

সুমাইয়া আক্তার জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে টাইফয়েড জ্বরে ভুগছে শিশু আরাফ ও আয়ান। ওদেরকে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করলে রোববার সকালে চিকিৎসক ৬ হাজার টাকার বেশ কিছু টেস্ট দেন, যে টাকা তার কাছে ছিল না।

টাকা চেয়ে সন্তানদের বাবা ইমরানকে বিষয়টি জানালে, তিনি টাকা পাঠাতে অপারগতা প্রকাশ করে জানান, প্রশিক্ষণের জন্য জামালপুরে আছেন। সেই ক্ষোভে যমজ দুই ছেলেকে এসপি কার্যালয়ের গার্ডরুমের সামনে রেখে ঝালকাঠি সদরের খাওক্ষির গ্রামের বাড়িতে চলে যান সুমাইয়া।

বিকেলে দুই শিশুকে ঝালকাঠি সদর থানায় নিয়ে নারী ও শিশু হেল্প ডেস্কে দায়িত্বরত নারী কনস্টেবলের হেফাজতে রাখা হয়। তিনি জানান, তখন দুইজনের শরীরে বেশ জ্বর ছিল। শিশু দুটি অনবরত কান্না করতে থাকে।

সদর থানা থেকে ইমরানকে বিষয়টি জানানো হলে তার মা রাত ১০টার দিকে শিশু দুটিকে নিয়ে যান। দাদির কাছে যাওয়ার পরপরই কান্না থামে তাদের।

ঝালকাঠি সদর থানার ওসি খলিলুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, জমজ দুই শিশুকে রাতেই ওদের দাদির জিম্মায় দেয়া হয়েছে।

তাদের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের মে মাসে সুমাইয়া আক্তারের সঙ্গে বিয়ে হয় ইমরানের। পারিবারিক বিরোধের জেরে গত মার্চে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

আরও পড়ুন:
ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে স্কুলের গেট চুরির অভিযোগ
তদন্তে গিয়ে আ.লীগ নেতার ‘রোষানলে’ পুলিশ
গরুর প্রতি এ কেমন নির্মমতা
অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি: ৩ সদস্যের কমিটি গঠন
বকেয়া ভাড়া চাওয়ায় যাত্রীর পিটুনিতে রিকশাচালকের মৃত্যু

শেয়ার করুন

কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৪৪ বছরের কারাদণ্ড

কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলায় ৪৪ বছরের কারাদণ্ড

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রোববার আদালত বাবুলকে অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়। অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। এ ছাড়া ধর্ষণের দায়ে ৩০ বছরের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক।

শেরপুরে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে যাবজ্জীবনসহ ৪৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। জরিমানার পাশাপাশি তার সম্পদ থেকে ধর্ষণের ফলে হওয়া সন্তানের ভরণ-পোষণের ব্যবস্থার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।

শেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আখতারুজ্জামান ভার্চুয়াল আদালতে রোববার বিকেলে এ আদেশ দেন।

দণ্ড পাওয়া ৩১ বছরের বাবুল কবিরাজের বাড়ি সদর উপজেলার চরশেরপুর পূর্বপাড়া গ্রামে।

আদালত থেকে জানা যায়, শেরপুর সদর উপজেলার ওই কিশোরীকে ২০১৮ সালের ২১ এপ্রিল অপহরণ করে নিয়ে যান বাবুল। পরে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় রেখে বিয়ের প্রলোভনে তাকে ধর্ষণ করা হয়। এক পর্যায়ে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই কিশোরী।

এ ঘটনায় কিশোরীর মা ২০১৮ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বাবুলসহ চারজনকে আসামি করে সদর থানায় অপহরণ ও ধর্ষণের মামলাটি করেন। মামলায় বাবুলকে গ্রেপ্তারের কিছু দিন পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় ওই কিশোরী। পরে ডিএনএ টেস্টে শিশুটি বাবুলের বলে প্রমাণিত হয়।

তদন্ত শেষে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেনের দেয়া অভিযোগপত্রের ভিত্তিতে ২০১৯ সালের ২৩ এপ্রিল একমাত্র আসামি হিসেবে বাবুলের বিচার শুরু হয়।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রোববার আদালত বাবুলকে অপহরণের দায়ে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়। অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

এ ছাড়া ধর্ষণের দায়ে ৩০ বছরের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক।

পাশাপাশি ধর্ষণের কারণে জন্ম নেওয়া শিশুর জৈবিক বাবা হিসেবে আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি থেকে আদায় সাপেক্ষে তার ভরণপোষণের আদেশ দেয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের পিপি গোলাম কিবরিয়া বুলু বলেন, ‘বিচারক যে রায় দিয়েছেন তাতে আমরা খুশি।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সাখাওয়াতউল্লাহ বলেন, ‘রায়ে আমরা ন্যায্য বিচার পাইনি। আসামিপক্ষ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবে।’

আরও পড়ুন:
ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে স্কুলের গেট চুরির অভিযোগ
তদন্তে গিয়ে আ.লীগ নেতার ‘রোষানলে’ পুলিশ
গরুর প্রতি এ কেমন নির্মমতা
অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি: ৩ সদস্যের কমিটি গঠন
বকেয়া ভাড়া চাওয়ায় যাত্রীর পিটুনিতে রিকশাচালকের মৃত্যু

শেয়ার করুন

এহসানের জন্য টাকা তুলে বিপাকে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা

এহসানের জন্য টাকা তুলে বিপাকে ইমাম-মুয়াজ্জিনরা

হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার পিরোজপুরভিত্তিক এমএলএম কোম্পানি এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান মাওলানা রাগীব আহসানসহ তার তিন ভাই। ছবি: নিউজবাংলা

পিরোজপুরের ধর্মীয় নেতাদের দাবি, সুদমুক্ত মুনাফা দেয়ার কথা বলে এহসান প্রতারণা করবেন তা বুঝতেই পারেননি তারা। তবে তাদের কথা মানছেন না হাজার হাজার গ্রাহক। টাকার জন্য এখন তাদের বাড়িতে ভিড় করছেন অনেক গ্রাহক।

‘শরিয়তসম্মত বিনিয়োগের’ কথা বলে গ্রাহকদের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে রিমান্ডে রয়েছেন পিরোজপুরভিত্তিক এমএলএম কোম্পানি এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান মাওলানা রাগীব আহসানসহ তার তিন ভাই।

তবে তাদের পক্ষে মাঠ পর্যায় থেকে টাকা তুলে এখন বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদের ইমাম মোয়াজ্জিন এবং মাদ্রাসার শিক্ষকরা।

এসব ধর্মীয় নেতার দাবি, সুদমুক্ত মুনাফা দেয়ার কথা বলে এহসান প্রতারণা করবেন তা বুঝতেই পারেননি তারা। তবে তাদের কথা মানছেন না হাজার হাজার গ্রাহক। টাকার জন্য এখন তাদের বাড়িতে ভিড় করছেন অনেক গ্রাহক।

ইসলামি বিনিয়োগকে ব্যবহার এর আগে হাজার হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে ১৭ হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠে এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান মাওলানা রাগীব আহসানের বিরুদ্ধে।

এ অভিযোগে রাগীব আহসানসহ তার তিন ভাই মাওলানা আবুল বাশার, খাইরুল ইসলাম ও মুফতি মাহমুদুল হাসানকে রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

গত ৯ সেপ্টেম্বর তাদের গ্রেপ্তারের পর টাকা ফেরত পাওয়া নিয়ে নানা আশঙ্কায় রয়েছেন গ্রাহকরা। প্রথমে এহসান গ্রুপের কার্যালয়ে গেলেও এখন তারা ছুটছেন তাদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করা স্থানীয় ইমাম-মুয়াজ্জিনদের কাজে।

এর মধ্যে টাকার শোকে ইন্দুরকানী উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আজিজ মাঝি নামে ৭০ বছরের ওই বৃদ্ধের পরিবারের সদস্যরা জানান, তিনি পাঁচ মেয়ে ও স্ত্রীর কাছ থেকে নিয়ে ৩০ লাখ টাকা এহসান গ্রুপের ফান্ডে জমা করেন। তার সন্তানরা ক্ষুদ্র ব্যবসা এমনকি গৃহপরিচারিকা কাজ করে বাবার বাবার কাছে এ টাকা দেন।

অভিযোগ, এহসান গ্রুপের ব্যবস্থাপক পরিচালক রাগীব আহসান গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়ার পর ৯ সেপ্টেম্বর রাতেই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে মৃত্যু হয় তার।

আজিজ মাঝির কাছ থেকে ওই টাকা নিয়েছিলেন মসজিদের ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ইলিয়াস। আজিজ মাঝির মেয়ে তাসলিমা বেগম বলেন, ‘বাড়ির পাশের মসজিদের ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ইলিয়াস আমার বাবাকে ধর্ম ও কোরআনের কথা বলে মন নরম করে আমাদের জমানো ৩০ লাখ টাকা জমা নেয়।

‘কথা ছিল, জমি-জমার ব্যবসা করে সুদমুক্ত লাভ দেবে। তবে কোনো টাকা-পয়সা আমাদের দেন নাই। এরপর টাকার চিন্তায় আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা কয়েকবার রাগীব আহসানের কাছে যাই। চিকিৎসার জন্য হলেও কিছু টাকা ফেরত চাই, কিন্তু তিনি টাকা না দিয়ে ফিরিয়ে দেন। আমার বাবা আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং স্ট্রোক করে মারা যান।’

ইন্দুরকানী উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে জানা গেছে, ধর্মীয় নেতা ও মসজিদের ইমামদের কথায় বিশ্বাস করে এ এলাকার জেলে, দিনমজুর, শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ প্রায় প্রত্যেক পরিবার থেকেই টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এহসান গ্রুপ।

গ্রাহকদের দাবি, পিরোজপুর, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, বরগুনা, পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার লক্ষাধিক মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে মাঠপর্যায়ে কাজ করেছেন মূলত ইমাম, মুয়াজ্জিন ও মাদ্রাসার শিক্ষকরা। এহসান গ্রুপের টাকা তুলে এখন তারা পড়েছেন তোপের মুখে। তারা জানান, তাদের ওপর থেকে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস উঠে গেছে। প্রকাশ্যে চলাফেরা করতেও তারা এখন ভয় পাচ্ছেন।

ইন্দুরকানী উপজেলা থেকেই ৬০০ গ্রাহকের টাকা জমা নিয়েছিলেন ইমাম হাফেজ মোহাম্মদ ইলিয়াস। তিনি বলেন, ‘আমরা তো বুঝতেই পারিনি এটা ছিল জনগণকে ধোঁকা দেয়ার ফাঁদ। বারবার বোঝানো সত্ত্বেও রাগীব আহসান আমাদের কথায় কর্ণপাত করেননি।

‘গরীব মানুষরা বিশ্বাস করে আমাদের হাতে টাকা গচ্ছিত রেখেছে। কেউ কেউ ভিটেমাটি বিক্রি করেও টাকা দিয়েছে। নিরুপায় হয়ে আমাদের ১০০ জন মাঠকর্মীর পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে।’

পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ জ ম মাসুদুজ্জামান জানান, রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে আসামিদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তা বলা যাচ্ছে না।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন (অপরাধ প্রশাসন) বলেন, ‘ভুক্তভোগীদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়েই আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আশা করি গ্রাহকরা সুবিচার পাবেন।’

আরও পড়ুন:
ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে স্কুলের গেট চুরির অভিযোগ
তদন্তে গিয়ে আ.লীগ নেতার ‘রোষানলে’ পুলিশ
গরুর প্রতি এ কেমন নির্মমতা
অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি: ৩ সদস্যের কমিটি গঠন
বকেয়া ভাড়া চাওয়ায় যাত্রীর পিটুনিতে রিকশাচালকের মৃত্যু

শেয়ার করুন

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা

রাজশাহীতে টেকনোলজিস্টের দেয়া ওষুধ খেয়ে অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু আব্দুর রাফি। ছবি: নিউজবাংলা

মফিজুল হকের দেয়া ওষুধ খেয়ে অস্বাভাবিক অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু রাফি। ৯ সেপ্টেম্বর থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছে শিশুটি।

রাজশাহীতে দাঁতের ব্যথার চিকিৎসায় খিচুনির ওষুধ খেয়ে গুরুতর অসুস্থ শিশু আবদুর রাফির বাবা আয়নাল হক কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

রোববার রাজশাহীর মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে করা মামলার আসামি কথিত চিকিৎসক মফিজুল হক। তিনি রাজশাহীর কাটাখালী পৌরসভার এমাদপুর মহল্লার বাসিন্দা।

আদালতে মামলাটি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম বাবু।

তিনি জানান, আদালত মামলাটি আমলে নিয়েছে। আগামী ২৩ নভেম্বর এ ব্যাপারে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য রাজশাহীর সিভিল সার্জন কাইয়ুম তালুকদারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

মফিজুল হকের দেয়া ওষুধ খেয়ে অস্বাভাবিক অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু রাফি। ৯ সেপ্টেম্বর থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে বিছানায় যন্ত্রণায় ছটফট করছে শিশুটি।

রাফির বাবা আয়নাল হকের বাড়ি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার দালালপাড়া গ্রামে। ১৩ আগস্ট তিনি রাফির সমস্যাযুক্ত একটি দাঁত তোলেন মফিজুলের চেম্বারে। এরপর ব্যথা না কমার কারণে ২৬ আগস্ট আবার তার চেম্বারে যান। তখন মফিজুল একটি সিরাপ দেন।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান ডা. বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘শিশুটিকে যে ওষুধ দেয়া হয়েছিল, সেটা খিঁচুনির। তার খিচুনি ছিল না। দাঁতে ব্যথা ছিল। সে কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একে স্টভেন জনসন সিনড্রম বলে। শিশুটির শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। এখন ইমপ্রুভ করছে।’

চোখ ছাড়া তার শরীরজুড়ে ক্ষত দেখা দিয়েছে। ফোসকা পড়লে যেমন হয়, ঠিক সে রকম ক্ষত। শরীরের কোথাও কোথাও চামড়া উঠে গেছে। ঠোঁটের ওপরে ক্ষতের কারণে সে কিছু খেতে পারছে না। টানা কয়েকদিন কথাও বলতে পারেনি। তার শরীরে মলম লাগিয়ে রাখা হয়েছে।

দাঁতের ব্যথায় খিচুনির ওষুধ, কথিত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা
রাজশাহীতে টেকনোলজিস্টের দেয়া ওষুধ খেয়ে অসুস্থতায় ভুগছে সাত বছরের শিশু আব্দুর রাফি। ছবি:সংগৃহীত

নিজেকে ডাক্তার দাবি করা মফিজুলের চেম্বার রয়েছে কাটাখালী বাজারে। সেখানে তিনি নিয়মিত রোগীদের চিকিৎসা দেন। ঘটনার পর থেকে চেম্বারটি বন্ধ রয়েছে।

অভিযুক্ত মফিজুলের দাবি, রাজশাহী ইনস্টিটিউট অফ হেলথ টেকনোলজি (আইএইচটি) থেকে ২০০৭ সালে ডেন্টাল বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি।

রাজশাহী আইএইচটির অধ্যক্ষ ফারহানা হক বলেছেন, ডেন্টাল বিভাগের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট হিসেবে উত্তীর্ণ হলেও কেউ রোগী দেখতে পারেন না। তিনি শুধু ডেন্টাল সার্জনকে সহায়তা করতে পারেন।

কাটাখালী বাজারে চেম্বারে প্যাডে ব্যবস্থাপত্র দেন মফিজুল। তার প্যাডে নিজের নামের নিচে পদবি হিসেবে লিখেছেন, মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল), এফটি রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদ রেজিস্ট্রেশন নম্বর- ৭৬৫৩।

নিবন্ধন নম্বরের ব্যাপারে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের সচিব জাহিদুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের কোনো নিবন্ধন নম্বর আমরা মেডিক্যাল টেকনোলজিস্টদের দেই না, যা দিয়ে তারা রোগী দেখতে পারেন। রোগী শুধু এমবিবিএস চিকিৎসক ও ডেন্টাল সার্জনরাই দেখতে পারেন। আর তাদের নিবন্ধন দেয় বাংলাদেশ মেডিক্যাল কাউন্সিল। তাই বলতেই পারি মফিজুলের ওই নিবন্ধন নম্বর ভুয়া।’

আরও পড়ুন:
ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে স্কুলের গেট চুরির অভিযোগ
তদন্তে গিয়ে আ.লীগ নেতার ‘রোষানলে’ পুলিশ
গরুর প্রতি এ কেমন নির্মমতা
অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি: ৩ সদস্যের কমিটি গঠন
বকেয়া ভাড়া চাওয়ায় যাত্রীর পিটুনিতে রিকশাচালকের মৃত্যু

শেয়ার করুন

নির্বাচনি সহিংসতায় বৃদ্ধা নিহত, আহত ৩

নির্বাচনি সহিংসতায় বৃদ্ধা নিহত, আহত ৩

চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় ফাতেমা বেগম নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, ভোটের আগের রাত ৯টার দিকে চাঁদপাই মোড়ে ইউপি সদস্য প্রার্থী মতিয়ার রহমান মোড়ল এবং অপর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

বাগেরহাটের মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় ফাতেমা বেগম নামের এক বৃদ্ধা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন তিন জন।

রোববার রাত ৯টার দিকে উপজেলার চাঁদপাই মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ভোটের আগের রাত ৯টার দিকে চাঁদপাই মোড়ে ইউপি সদস্য প্রার্থী মতিয়ার রহমান মোড়ল এবং অপর প্রার্থী শফিকুল ইসলাম কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এলাকার মহাসিন ও মোয়াজ্জেম বলেন, সংঘর্ষ ঠেকাতে গিয়ে ৭০ বছর বয়সী ফাতেমা বেগমসহ চার জন আহত হন।

মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে ফাতেমা বেগম মারা যান। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সিরাজুল ইসলাম।

তিনি জানান, ফাতেমার মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

এ বিষয়ে মতিয়ার রহমান মোড়ল জানান, চাঁদপাই মোড়ে গেলে প্রতিপক্ষ প্রার্থী শফিকুলসহ লোকজন তার ওপর হামলা চালায়।

শফিকুলের দাবি, মতিয়ার মোড়ল লোকজনের মাঝে টাকা বিতরণের সময় তিনি বাধা দেন। এসময় তার ওপর মতিয়ার হামলা চালান।

মোংলা থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে, বৃদ্ধা কিভাবে মারা গেছেন এখনই বলা যাচ্ছে না।

সোমবার মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ।

আরও পড়ুন:
ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে স্কুলের গেট চুরির অভিযোগ
তদন্তে গিয়ে আ.লীগ নেতার ‘রোষানলে’ পুলিশ
গরুর প্রতি এ কেমন নির্মমতা
অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি: ৩ সদস্যের কমিটি গঠন
বকেয়া ভাড়া চাওয়ায় যাত্রীর পিটুনিতে রিকশাচালকের মৃত্যু

শেয়ার করুন

কর্ণফুলীতে জোয়ারের পানিতে ভেসে এলো মরদেহ 

কর্ণফুলীতে জোয়ারের পানিতে ভেসে এলো মরদেহ 

সদরঘাট নৌ থানার ওসি মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, ঘাটের ৫ নম্বর জেটি এলাকায় একটি মরদেহ জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে-এমন তথ্য পেয়ে তাদের একটি দল সেখানে যায়। পরে বেলা ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী থেকে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নগরীর সদর ঘাটের ৫ নম্বর জেটি এলাকা থেকে রোববার বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি।

সদরঘাট নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, ঘাটের ৫ নম্বর জেটি এলাকায় একটি মরদেহ জোয়ারের পানিতে ভেসে এসেছে-এমন তথ্য পেয়ে তাদের একটি দল সেখানে যায়। পরে বেলা ৩টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ওসি আরও জানান, মরদেহটি আনুমানিক ৩৫ বছরের যুবকের। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে স্কুলের গেট চুরির অভিযোগ
তদন্তে গিয়ে আ.লীগ নেতার ‘রোষানলে’ পুলিশ
গরুর প্রতি এ কেমন নির্মমতা
অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি: ৩ সদস্যের কমিটি গঠন
বকেয়া ভাড়া চাওয়ায় যাত্রীর পিটুনিতে রিকশাচালকের মৃত্যু

শেয়ার করুন

মেরিন ড্রাইভ সড়কে প্রাণ গেল এসএসসি পরীক্ষার্থীর

মেরিন ড্রাইভ সড়কে প্রাণ গেল এসএসসি পরীক্ষার্থীর

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেলে তিন বন্ধু ঘুরতে বের হয়। দ্রুত গতিতে বাইক চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তারা ছিটকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক সাহেলকে মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজারের টেকনাফের মেরিন ড্রাইভ সড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় এক এসএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে দুই যুবক।

মেরিন ড্রাইভ সড়কের হাড়িয়াখালী এলাকায় রোববার রাত পৌনে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. সাহেলের বাড়ি টেকনাফ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে। সে টেকনাফ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিল।

স্থানীয়রা জানান, সন্ধ্যার দিকে মোটরসাইকেলে তিন বন্ধু ঘুরতে বের হয়। দ্রুত গতিতে বাইক চালানোর সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তারা ছিটকে পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক সাহেলকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহতরা হলেন ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সালাউদ্দিন ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মো. সাইফুল। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। মামলার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরও পড়ুন:
ম্যানেজিং কমিটির বিরুদ্ধে স্কুলের গেট চুরির অভিযোগ
তদন্তে গিয়ে আ.লীগ নেতার ‘রোষানলে’ পুলিশ
গরুর প্রতি এ কেমন নির্মমতা
অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি: ৩ সদস্যের কমিটি গঠন
বকেয়া ভাড়া চাওয়ায় যাত্রীর পিটুনিতে রিকশাচালকের মৃত্যু

শেয়ার করুন