কীটনাশক পানে মা-ছেলের ‘আত্মহত্যা’

কীটনাশক পানে মা-ছেলের ‘আত্মহত্যা’

ওসি আজম উদ্দিন মাহমুদ জানান, মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে রাখা আছে। পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে।

জরুরি প্রয়োজনে ফোনে স্বামীকে ডাকেন স্ত্রী। কিন্তু এতে সাড়া পাননি। অভিমান করে প্রথমে সন্তানকে এবং পরে নিজে ‘কীটনাশক’ পান করেন।

গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে তাদের হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু কাউকেই আর বাঁচানো যায়নি।

এ ঘটনা ঘটেছে নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার হাসপাতাল মোড় এলাকার একটি বাড়িতে।

মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিসৎক মাহবুব হাসান নিউজবাংলাকে জানান, কীটনাশক জাতীয় কিছু খাওয়ার কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে।

মৃতরা হলেন, স্থানীয় ধান-চাল ব্যবসায়ী বীরেন কুমার মন্ডলের স্ত্রী ৪৮ বছরের শেফালী রাণী মন্ডল ও তার ২৭ বছরের ছেলে সুজন কুমার মন্ডল।

স্থানীয়রা জানায়, বীরেন বিয়েবর্হিভূত সম্পর্কে জড়িত বলে সন্দেহ করত মা-ছেলে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ লেগেই থাকতো।

বীরেন জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে তার স্ত্রী ফোন করে তাড়াতাড়ি বাসায় আসতে বলেন। তা না হলে তিনি বিষপান করবেন বলে হুমকি দেন।

‘সে সময় ব্যক্তিগত কাজে মহাদেবপুরের বাইরে ছিলাম। বিকেলে বাসায় ফিরে দেখি দরজা-জানালা বন্ধ। পরে জানালা ভেঙে ঘরে ঢুকে দেখি স্ত্রী ও ছেলে অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে। প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাই।

‘সেখানে জানতে পারি তারা কীটনাশক পান করেছে। অবস্থার অবনতি হলে তাদের নওগাঁ সদর হাসপাতালে নেয়ার চেষ্টা করি। পথে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ছেলে সুজন মারা যায়। স্ত্রীকে সদর হাসপাতালে নেয়ার পর বিকেল ৫টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজম উদ্দিন মাহমুদ জানান, মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে রাখা আছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

‘পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে থানায় অপমৃত্যুর মামলা হবে।’

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পলাতক স্বামী
গৃহবধূর আত্মহত্যা
তালাকের হুমকিতে স্বামীর ‘আত্মহত্যা’
বিষপানে নব দম্পতির ‘আত্মহত্যা’
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিক, আত্মহত্যায় দুই তরুণীর মৃত্যু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘তিন দিন ধইরে আমার বাবা নাই, চুলাও জ্বলে না’

‘তিন দিন ধইরে আমার বাবা নাই, চুলাও জ্বলে না’

একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছেন সাগরের মা নিলুফা। ছবি: নিউজবাংলা

সাগরের মা হনুফা বেগম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার বাবা সাগর রিকশা চালাইত, আচার বেচত, আবার মাঝেমধ্যে রাজমিস্ত্রির কাজও করত। সাগর যা ইনকাম করত, ওইডে দিয়েই সংসার চলত। এহন তিন দিন ধইরে আমার বাবা নাই, তিন দিন ধইরে আমার চুলাও জ্বলে না।’

কমিউটার ট্রেনের ছাদে দুর্বৃত্তদের আঘাতে নিহত জামালপুরের সাগরের বাড়িতে গত তিন দিন ধরে রান্না হয়নি। একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষটিকে হারিয়ে তার পরিবার এখন দিশেহারা।

বৃহস্পতিবার সাগরের মৃত্যুর পর প্রতিবেশীদের দেয়া খাবার খাচ্ছেন তার মা, বাবা, ভাই, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী ও দুই মেয়ে।

ওই ঘটনায় নিহত জামালপুরের নাহিদের পরিবারকে শনিবার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন আর্থিক ও খাদ্যসহায়তা দিলেও সাগরের পরিবার এখনও কোনো সহায়তা পায়নি।

রোববার বিকেলে জামালপুর শহরের বাগেরহাটা এলাকায় সাগরের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, একমাত্র উপার্জনক্ষম ছেলেকে হারিয়ে অনেকটা শয্যাশায়ী মা হনুফা বেগম। সাগরের ছবি দেখে মাঝে মাঝেই ডুকরে কেঁদে উঠছেন তিনি। ছেলের আচার বিক্রির সরঞ্জাম গুছিয়ে দিন কাটছে তার।

স্বামীকে হারিয়ে অন্তঃসত্ত্বা মুসলিমার কান্নায় চারপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে আছে। দুই মেয়ে আর অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তায় যেন রাজ্যের মেঘ জমেছে তার মুখে।

‘তিন দিন ধইরে আমার বাবা নাই, চুলাও জ্বলে না’
সাগরের মৃত্যুতে দুই মেয়ে ও অনাগত সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজ্যের চিন্তা এখন মুসলিমার। ছবি: নিউজবাংলা

সাগরের মা হনুফা বেগম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার বাবা সাগর রিকশা চালাইত, আচার বেচত, আবার মাঝেমধ্যে রাজমিস্ত্রির কাজও করত। সাগর যা ইনকাম করত, ওইডে দিয়েই সংসার চলত। এহন তিন দিন ধইরে আমার বাবা নাই, তিন দিন ধইরে আমার চুলাও জ্বলে না।

‘পাড়ার লোকেরা যা দিতাছে তাই খাইয়ে বাঁইচে আছি। এহন সরকার যদি সাহায্য না করে তাইলে আঙ্গর মরণ লাগব।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাবারে যারা মারছে তাগোর সবার ফাঁসি চাই। আমার মতো আর কোনো মায়ের বুক যাতে খালি না হয়। আমার বাবারে হারায়ে আমি যেমন পাগল হয়ে গেছি। আর কেউ যাতে এমন পাগল না হয়।’

সাগরের বাবা হাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমার দুই মেয়ে ও দুই ছেলে। দুই মেয়েরে বিয়ে দিয়ে দিছি। বড় ছেলে সাগর কামাই কইরে সংসার চালাইত।

‘বুধবার আমার বড় মেয়ে হাসি আক্তারকে ঢাকায় রেখে বৃহস্পতিবার সাগর জামালপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। রাতে না আসলে পরে আমরা খবর নিয়ে দেখি হাসপাতালে লাশ পইড়ে আছে। আমি আমার বাবারে সারা জীবনের জন্য হারায় ফালাইছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘তিন দিন ধইরে প্রতিবেশীরা যা দিতাছে তাই খাইতাছি। প্রতিবেশীরা আর কত দিন এইভাবে খাওয়াব। আমার পক্ষেও রোজগার করা সম্ভব না। এহন সরকার যদি আঙ্গরে সাহায্য না করে, তাহলে আঙ্গর সবার মরা ছাড়া উপায় নাই।’

সাগরের স্ত্রী মুসলিমা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি আগে থেকেই এতিম। আমার বাবা-মা কেউ নাই। এহন আমার দুইটা মেয়েবাচ্চাও এতিম হয়ে গেল। আমার গর্ভের সন্তানটা ওর বাবার মুখ দেখবার পাইল না। এই দুঃখ আমি কই রাখমু। আমার এত বড় ক্ষতি যে করল তাগোর ফাঁসি চাই।’

পরিবারটির প্রতিবেশী রাবেয়া খাতুন বলেন, ‘সাগর মরার পরে আমরাই এই পরিবারকে খাওয়া দিতাছি, কিন্তু এইভাবে আর কতদিন দিব। আমরাও তো গরিব মানুষ। এহন সরকারের উচিত এই পরিবারটারে সাহায্য করা।’

‘তিন দিন ধইরে আমার বাবা নাই, চুলাও জ্বলে না’
সাগরের ছবি হাতে মা হনুফা

জামালপুরের মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ‘এমন ঘটনার ক্ষেত্রে আমরা সব সময় দেখি স্থানীয় প্রশাসন খুব দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করে। ঘটনার পরদিন দেওয়ানগঞ্জের নাহিদের পরিবারকে সহায়তা দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তবে জামালপুরে সাগরের পরিবারকে এখনও কোনো সহায়তা করা হয়নি। আমরা অতি দ্রুত সাগরের পরিবারকে সহায়তার দাবি জানাই।’

জামালপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা লিটুস লরেন্স চিরান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নিহত সাগরের পরিবারকে আমরা আর্থিক সহায়তা দেব। আগামীকাল সদরের এমপি মোজাফফর স্যারের উপস্থিতিতে ২০ হাজার টাকা ও ১০ কেজি চাল সাগরের পরিবারকে দেয়া হবে। এমপি স্যার একটু ব্যস্ত থাকায় আজ দেয়া সম্ভব হয়নি।’

বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জগামী কমিউটার ট্রেনটি রাতে ময়মনসিংহে পৌঁছালে ট্রেনের ছাদে থাকা দুর্বৃত্তদের আঘাতে প্রাণ হারান জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জের নাহিদ ও শহরের বাগেরহাটা এলাকার সাগর।

ওই ঘটনায় শুক্রবার রাতে সাগরের মা হনুফা ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলায় ময়মনসিংহ রেলওয়ে পুলিশ দুজনকে এবং র‌্যাব পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পলাতক স্বামী
গৃহবধূর আত্মহত্যা
তালাকের হুমকিতে স্বামীর ‘আত্মহত্যা’
বিষপানে নব দম্পতির ‘আত্মহত্যা’
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিক, আত্মহত্যায় দুই তরুণীর মৃত্যু

শেয়ার করুন

‘ডিসেম্বরের মধ্যে টিকা পাবে দেশের অর্ধেক মানুষ’

‘ডিসেম্বরের মধ্যে টিকা পাবে দেশের অর্ধেক মানুষ’

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ‘৩৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের নিশ্চয়তা পেয়েছি। প্রতিমাসে দুই থেকে আড়াই কোটি ভ্যাকসিন আনা হচ্ছে। আশা করি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের অর্ধেক মানুষকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।’

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেছেন, দেশে এখন টিকার অভাব নেই। প্রতি মাসেই টিকা আসছে। আশা করি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের অর্ধেক মানুষকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

রোববার দুপুর সোয়া ২টার দিকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘৩৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের নিশ্চয়তা পেয়েছি। প্রতিমাসে দুই থেকে আড়াই কোটি ভ্যাকসিন আনা হচ্ছে।

‘হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। এরই মধ্যে ৮ হাজার ২৮৭ জন্য নার্স ও ১ হাজার ৪০১ জন অ্যানেসথেসিস্ট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আট হাজার ডাক্তার নিয়োগ হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মো. খুরশিদ আলম, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বশির আহমেদ, বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল, বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস, পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম শিপনসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পলাতক স্বামী
গৃহবধূর আত্মহত্যা
তালাকের হুমকিতে স্বামীর ‘আত্মহত্যা’
বিষপানে নব দম্পতির ‘আত্মহত্যা’
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিক, আত্মহত্যায় দুই তরুণীর মৃত্যু

শেয়ার করুন

নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাণীনগরে নদীতে নিখোঁজের সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মেহেদী হাসান নামের এক পরীক্ষার্থির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ জানায়, রোববার বেলা ৩টার দিকে মেহেদী কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কাশিমপুর এলাকায় ছোট যমুনা নদীতে গোসল করতে যায়। নদীতে নেমে নিখোঁজ হয় মেহেদী। প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মেহেদীর মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা।

নওগাঁর রাণীনগরে ছোট যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ স্কুলছাত্র মেহেদী হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলার কাশিমপুর রাজবাড়ির পাশে নদী থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

বেলা ৩টার দিকে নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় ওই কিশোর।

১৬ বছর বয়সী মেহেদী হাসান উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় সায়েম উদ্দীন মেমোরিয়াল একাডেমির এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রোববার বেলা ৩টার দিকে মেহেদী কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কাশিমপুর এলাকায় ছোট যমুনা নদীতে গোসল করতে যায়। নদীতে নেমে নিখোঁজ হয় মেহেদী। এ সময় সঙ্গীরা স্থানীয় লোকজনকে খবর দেয়।

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন আকন্দ জানান, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মেহেদীকে উদ্ধারে অভিযান চালায়। প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মেহেদীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওসি বলেন, ‘মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে। যেহেতু কয়েকজন বন্ধু মিলে একসঙ্গে গোসল করার সময় এ ঘটনা ঘটে, এ মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পলাতক স্বামী
গৃহবধূর আত্মহত্যা
তালাকের হুমকিতে স্বামীর ‘আত্মহত্যা’
বিষপানে নব দম্পতির ‘আত্মহত্যা’
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিক, আত্মহত্যায় দুই তরুণীর মৃত্যু

শেয়ার করুন

‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নিয়ে আলোচনায় অবিবাহিত মাসুম

‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নিয়ে আলোচনায় অবিবাহিত মাসুম

পেছনে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ লেখা একটি ইজিবাইক। ছবি: নিউজবাংলা

মাসুম বলেন, “ইজিবাইকগুলো কেনার পর যে নামই রাখতে চেয়েছি, পরে দেখছি ওই নামে কোনো না কোনো পরিবহন রয়েছে। আসলে প্রতিটি ব্যবসায় ব্র্যান্ডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে আলাপ করে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নাম রেখেছি।”

মায়ের দোয়া, বাবার দোয়া, বাবা-মায়ের দোয়া- এমন নামের পরিবহনের সঙ্গে পরিচিত সবাই। তবে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ এ দেশে বিস্ময়করই বটে।

ব্যতিক্রমী কাজটি করেছেন চুয়াডাঙ্গার মাসুম মিয়া। নিজের মালিকানায় থাকা ইজিবাইকগুলোর পেছনে লিখেছেন ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’। মজার বিষয় হলো, মাসুম এখনও বিয়েই করেননি। বিষয়টি বেশ সাড়া ফেলেছে চুয়াডাঙ্গা শহরে।

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদপাড়ার শেখ সুলতানের ছেলে মাসুম। চার ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট তিনি। ১২ বছর মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে দেশে ফেরেন তিনি। মালয়েশিয়ায় থাকা অবস্থায় সঞ্চয় করা টাকা দিয়ে কিনেছেন ১১টি ইজিবাইক।

মাসুম মিয়া জানান, তার মালিকানাধীন ১১টি ইজিবাইক ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নামে চুয়াডাঙ্গা শহরে চলাচল করছে। তিনি নিজে একটি চালান। বাকিগুলো ভাড়া দিয়েছেন।

অবিবাহিত হয়েও ইজিবাইকের পেছনে কেন ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ লিখেছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ইজিবাইকগুলো কেনার পর যে নামই রাখতে চেয়েছি, পরে দেখছি ওই নামে কোনো না কোনো পরিবহন রয়েছে। আসলে প্রতিটি ব্যবসায় ব্র্যান্ডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে আলাপ করে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নাম রেখেছি।”

বিদেশে থাকায় বয়স হওয়ার পরও বিয়ে করতে পারেননি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাবা-মায়ের পছন্দের পাত্রীকে খুব শিগগির বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করব। বিদেশ যাওয়ার আর কোনো ইচ্ছা নেই। বিয়ে করে বাবা-মা ও স্ত্রীকে নিয়ে বাকি জীবন দেশে কাটিয়ে দিতে চাই।’

মা-বাবার পর বউ হলো সবচেয়ে আপন ও ভালোবাসার মানুষ। বিয়ের পর সংসারের ভালোমন্দ বউই দেখাশোনা করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভিন্ন নামের পরিবহনটি চুয়াডাঙ্গা শহরে তাকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে জানিয়ে মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে আমার মালিকানাধীন ১১টি ইজিবাইক থেকে যে টাকা আয় হয়, তা দিয়ে বাবা-মাকে নিয়ে খুব ভালোমতো চলে সংসার। বাড়তি টাকা সঞ্চয়ও করি।’

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পলাতক স্বামী
গৃহবধূর আত্মহত্যা
তালাকের হুমকিতে স্বামীর ‘আত্মহত্যা’
বিষপানে নব দম্পতির ‘আত্মহত্যা’
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিক, আত্মহত্যায় দুই তরুণীর মৃত্যু

শেয়ার করুন

যুবলীগ নেতা তাপস হত্যা: মেয়রসহ ৩৬ আসামি বহাল

যুবলীগ নেতা তাপস হত্যা: মেয়রসহ ৩৬ আসামি বহাল

পটুয়াখালীর মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত। ছবি:সংগৃহীত

বাদীপক্ষের আইনজীবী কমল দত্ত জানান, রোববার শুনানি শেষে আদালত চার্জশিটভুক্ত ৩৬ আসামির নামেই মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেয়। বিচারক আদেশে উল্লেখ করেন, এরই মধ্যে যেসব আসামি জামিনে আছেন, তাদের জামিন বহাল থাকবে। আর যেসব আসামি আদালতে অনুপস্থিত বা অনুপস্থিত থেকে সময়ের আবেদন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছে।

পটুয়াখালীর বাউফলে যুবলীগ নেতা তাপস হত্যা মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলসহ ৩৬ আসামির নাম বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বাদীর নারাজি পিটিশনের শুনানি শেষে রোববার পটুয়াখালীর অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আল আমিন এজাহারভুক্ত সব আসামির নাম অন্তর্ভুক্ত করে মামলার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেন।

বাদীপক্ষের শুনানিতে অংশ নেয়া অ্যাডভোকেট কমল দত্ত জানান, যুবলীগ নেতা তাপস হত্যা মামলার তদন্ত করে ২৮ জুলাই পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মতিন খান ২০ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন।

মামলার বাদী পঙ্কজ দাস ১৯ সেপ্টেম্বর আদালতে ওই চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন দেন।

রোববার শুনানি শেষে আদালত চার্জশিটভুক্ত ৩৬ আসামির নামেই মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন।

কমল দত্ত আরও জানান, শুনানির পর বিচারক আদেশে উল্লেখ করেন, এরই মধ্যে যেসব আসামি জামিনে আছেন, তাদের জামিন বহাল থাকবে। আর যেসব আসামি আদালতে অনুপস্থিত বা অনুপস্থিত থেকে সময়ের আবেদন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছে। তবে অনুপস্থিত আসামিরা যদি হাইকোর্টে আবেদন করে থাকেন, আর যদি সে আবেদন পেন্ডিং থাকে, সে ক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে সমন ইস্যু হবে না।

তিনি বলেন, ‘মামলার আসামি বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল আজ নারাজি শুনানিতে হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন করেছেন। তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেছেন কি না, তা যাচাই করে দেখতে হবে।’

এ ব্যাপারে মেয়র জিয়াউলের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মামলার বাদী পঙ্কজ দাস জানান, ২০২০ সালের ২৪ মে বাউফল থানার সামনে তোরণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা তাপস ছুরিকাহত হন। রাতে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাপস মারা যান।

পরদিন বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলসহ ৩৬ জনকে আসামি করে বাউফল থানায় মামলা করেন তাপসের ভাই পঙ্কজ দাস।

পঙ্কজ দাস বলেন, ‘আজ আদালতের নির্দেশ শুনে ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে ন্যায়বিচার পাব।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী মুজাহিদ জাহিদ হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পলাতক স্বামী
গৃহবধূর আত্মহত্যা
তালাকের হুমকিতে স্বামীর ‘আত্মহত্যা’
বিষপানে নব দম্পতির ‘আত্মহত্যা’
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিক, আত্মহত্যায় দুই তরুণীর মৃত্যু

শেয়ার করুন

চবি ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার থেকে টিকাদান

চবি ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার থেকে টিকাদান

প্রক্টর বলেন, ‘হাটহাজারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কথা বলে প্রায় ১ হাজার ডোজ টিকা আমাদের ক্যাম্পাসে নেয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। সব শিক্ষার্থীর টিকার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। সেগুলো পেয়ে গেলে সবাইকে টিকা দেয়া হবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) যারা করোনাভাইরাসের টিকাকেন্দ্র হিসেবে হাটহাজারী স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্বাচন করেছেন তারা টিকা পেতে যাচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে মঙ্গলবার থেকে টিকার রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেখিয়ে তারা টিকা নিতে পারবেন।

প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যারা টিকার জন্য হাটহাজারী কেন্দ্র নির্বাচন করে রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তাদের মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে প্রথম ডোজ টিকা দেয়া হবে।

টিকার জন্য সবাইকে রেজিস্ট্রেশন কার্ডের দুই কপি নিয়ে যেতে হবে। তারা চীনের তৈরি সিনোফার্ম টিকা পাবেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের করোনা প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিতে ৪৮ হাজার টিকা চেয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে টিকা নিতে পারেন সেই উদ্যোগও নেয় কর্তৃপক্ষ।

প্রক্টর বলেন, ‘হাটহাজারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কথা বলে প্রায় ১ হাজার ডোজ টিকা আমাদের ক্যাম্পাসে নেয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। সব শিক্ষার্থীর টিকার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। সেগুলো পেয়ে গেলে সবাইকে টিকা দেয়া হবে।’

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী ২৭ হাজার ৫৫০। বিশ্ববিদ্যালয়কে দেয়া জরিপের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৩ হাজার ৩৩৬ শিক্ষার্থী টিকা গ্রহণের জন্য সার্বিক তথ্য কর্তৃপক্ষকে দিয়েছেন।

এর মধ্যে এক ডোজ টিকা নিয়েছেন এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ২৬৭। দুই ডোজ নিয়েছেন ৪ হাজার ১৩৪ জন। নিবন্ধন করে টিকার জন্য অপেক্ষারত ৪ হাজার ৪০০ জন। এনআইডি না থাকায় টিকা নিতে পারেননি এমন শিক্ষার্থী ২ হাজার ২৬৭ জন।

পরীক্ষার কারণে বাড়ি থেকে ক্যাম্পাসে চলে আসায় অনেক শিক্ষার্থী টিকার দ্বিতীয় ডোজ পাননি। তাদের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ‘তাদের বিষয়টাও আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ইউজিসিতে জানিয়েছি। তবে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পলাতক স্বামী
গৃহবধূর আত্মহত্যা
তালাকের হুমকিতে স্বামীর ‘আত্মহত্যা’
বিষপানে নব দম্পতির ‘আত্মহত্যা’
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিক, আত্মহত্যায় দুই তরুণীর মৃত্যু

শেয়ার করুন

স্কুলছাত্রীর ‘আপত্তিকর’ ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ায় মামলা

স্কুলছাত্রীর ‘আপত্তিকর’ ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ায় মামলা

প্রতীকী ছবি

পাথরঘাটা থানার ওসি আবুল বাশার জানান, ওই স্কুলছাত্রীর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুই কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে ওই দুই কিশোর পলাতক।

বরগুনার পাথরঘাটায় জোর করে এক স্কুলছাত্রীর ‘আপত্তিকর’ ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে তারই দুই সহপাঠীর বিরুদ্ধে।

পাথরঘাটা থানায় রোববার দুপুরে ওই ছাত্রীর মা মামলাটি করেন। এতে আসামি করা হয়েছে ওই শিক্ষার্থীর দুই ছেলে সহপাঠীকে।

আসামি এক কিশোরের বাড়ি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নে। অপরজনের বাড়ি পৌরশহরে। ভুক্তভোগী কিশোরী ও মামলার আসামিরা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, আসামি দুই কিশোরের একজন ওই ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত করে আসছিল। এ নিয়ে গত বছর ওই কিশোরের পরিবারের কাছে অভিযোগ করেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।

গত বুধবার স্কুল ছুটির পর ওই ছাত্রীর স্কুলব্যাগ নিয়ে নেয় উত্যক্তকারী কিশোর। পরে ব্যাগ আনতে গেলে সে ওই ছাত্রীর সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করে। আসামি অন্য কিশোর সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত শুক্রবার ওই ভিডিও ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে দেয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ওই ছাত্রীর মা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ করেন। প্রধান শিক্ষক অভিযুক্ত কিশোরদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। সেদিন রাত ৯টার দিকে তিনি বিষয়টি পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশারকে জানান।

পরে পুলিশ খোঁজখবর নিয়ে রোববার দুপুরে আইনি সহযোগিতা দেয়ার জন্য ছাত্রীর মাকে থানায় ডাকে।

পাথরঘাটা থানার ওসি আবুল বাশার জানান, ওই স্কুলছাত্রীর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুই কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে ওই দুই কিশোর পলাতক।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা-বামনা সার্কেল) তোফায়েল হোসেন সরকার বলেন, ‘ভিক্টিমকে সুরক্ষা দিয়ে আমরা তাকে বিচার পেতে আইনি সহযোগিতা নিশ্চিতের ব্যবস্থা করব।’

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পলাতক স্বামী
গৃহবধূর আত্মহত্যা
তালাকের হুমকিতে স্বামীর ‘আত্মহত্যা’
বিষপানে নব দম্পতির ‘আত্মহত্যা’
বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শ্রমিক, আত্মহত্যায় দুই তরুণীর মৃত্যু

শেয়ার করুন