‘সাক্ষরতার নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া বন্ধ করতে হবে’

‘সাক্ষরতার নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া বন্ধ করতে হবে’

ঝরে পড়া শিশুদের বর্ণ শেখানোর পাশাপাশি স্কিল ট্রেনিং যুক্ত করে কর্মদক্ষ করে তুলতে হবে বলে জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। ফাইল ছবি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘ঝরে পড়া শিশুরা নানা ধরণের সমস্যায় থাকে। অন্যের বাসায় কাজ করে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে হয়। শুধু বর্ণ শেখার জন্য তাদের স্কুলে পাওয়া যাবে না। পেলেও তাদের শ্রেণিকক্ষে ধরে রাখা যাবে না। তাদের যদি উপকার করতে চান তবে বর্ণ শেখানোর পাশাপাশি স্কিল ট্রেনিং যুক্ত করে তাদের কর্মদক্ষ করে তুলতে হবে।’

প্রধান শিক্ষক আর কর্মকর্তাদের টাকা দিয়ে ঝরে পড়ার হার বাড়িয়ে সাক্ষরতার নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া বন্ধ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। শিক্ষক আর কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কাজ না করে কাগজে-কলমে সাক্ষরতার হার বাড়িয়ে জাতির কোনো লাভ হবে না।

বুধবার ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২১’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে ঢাকার প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘ঝরে পড়া শিশুরা নানা ধরণের সমস্যায় থাকে। অন্যের বাসায় কাজ করে নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে হয়। শুধু বর্ণ শেখার জন্য তাদের স্কুলে পাওয়া যাবে না। পেলেও তাদের শ্রেণিকক্ষে ধরে রাখা যাবে না। তাদের যদি উপকার করতে চান তবে বর্ণ শেখানোর পাশাপাশি স্কিল ট্রেনিং যুক্ত করে তাদের কর্মদক্ষ করে তুলতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, সাক্ষরতা কর্মসূচির নামে অর্থ লোপাট করা হচ্ছে। কাগজে কলমে কাজ দেখালেও আসলে তারা কিছুই করছে না। প্রধান শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের টাকা দিয়ে ঝরে পড়ার সংখ্যা বেশি দেখিয়ে অনৈতিকভাবে সরকারি অর্থ ভাগাভাগি করে নিচ্ছে। এগুলো অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।

‘সাক্ষরতার নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া বন্ধ করতে হবে’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেকে বলছেন শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার বাড়ছে। বর্তমানে স্কুল বন্ধ, তাই শতভাগ ঝরে পড়লেও আমরা সেকেন্ড চান্স এডুকেশন প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের স্কুলে নিয়ে আসবো। তবে উপআনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে সাক্ষরতা কর্মসূচির নামে সরকারকে ফাঁকি দিয়ে অর্থ মেরে (আত্মসাত) খাচ্ছেন তা বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, ভালো ভালো কথার মালা লিখে দিলেও সেসবের কিছুই করা হয়না। সে কারণে তাদের দেয়া লিখিত বক্তব্য পাঠ করেননি উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু মুখে ভালো কথা বলা বাদ দিয়ে মাঠে নামেন, শরীরটাকে একটু ঘামান, জাতির ক্ষতি করবেন না, জনমানুষের কল্যাণে কাজ করেন। সরকার যে অর্থ দিচ্ছে তা অপচয় না করে দায়িত্ব নিয়ে কাজ করেন।

জাকির হোসেন বলেন, ‘শুধু বছর শেষে ঢাকঢোল পিটিয়ে অনেক টাকা ঢেলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে তাদের কাজ শেষ হচ্ছে। কাগজে-কলমে তারা অনেক কাজ দেখালেও আসলে কাজের কাজ কিছুই করছেন না। অন্য স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের এনে নাম লিখিয়ে মাস শেষে টাকা নেয়া বন্ধ করতে হবে। জালিয়াতির অর্থ দিয়ে আপনাদের সন্তান মানুষ হবে না, এ অর্থ খেলে হালাল হবে না।’

এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব গোলাম মো. হাসিবুল আলম, অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) রতন চন্দ্র পন্ডিতসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা
পিইসি-ইবতেদায়িতে অটোপাস নয়, বাড়ির কাজ মূল্যায়ন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভর্তি জালিয়াতি: ছাত্রত্ব হারাচ্ছেন ঢাবির আরও দুজন

ভর্তি জালিয়াতি: ছাত্রত্ব হারাচ্ছেন ঢাবির আরও দুজন

এ ছাড়া, অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সাত কলেজের ৭২জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তি হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও দুই শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের এক সভায় এ সুপারিশ করা হয়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ‘উদ্যানের রাজা’ ঢাবি শিক্ষার্থী আখতারুল করীম রুবেলকে সাময়িক বহিষ্কারেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সাত কলেজের ৭২জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

অবৈধ পন্থায় ভর্তি হওয়ার দায়ে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মো. রাকিব হাসান ও ভূতত্ত্ব বিভাগ শিক্ষার্থী ইশরাক হোসেন রাফি। তারা দুইজনই ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হয়েছিলেন।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সভা থেকে এই দুই শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল।

জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এর আগে দুই দফায় ৮৫ জন শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তারা সবাই পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) করা মামলার আসামি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ৮৭ জন শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। তাদের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন এবং পাবলিক পরীক্ষা আইনে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

‘উদ্যানের রাজা’ আখতারুল করীম রুবেল নামে ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আইন শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হবে না তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আকতারুল করিম রুবেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রলীগের উপ দফতর সম্পাদক ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক ব্যবসায়ীদের চারটি গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি উদ্যানে ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবেও এই শিক্ষার্থী পরিচিত।

শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের এক কর্মচারীর কাছে চাঁদা দাবি করে তাকে মারধরের ঘটনায় রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখনও তিনি জেলে। এ ঘটনায় ২৮ জুলাই তাকে ছাত্রলীগ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা
পিইসি-ইবতেদায়িতে অটোপাস নয়, বাড়ির কাজ মূল্যায়ন

শেয়ার করুন

সিইউবির চিত্র প্রদর্শনীতে শেখ হাসিনার বর্ণাঢ্য জীবন

সিইউবির চিত্র প্রদর্শনীতে শেখ হাসিনার বর্ণাঢ্য জীবন

‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শিরোনামের চিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতসহ অতিথিরা। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

শেরাটন ঢাকা হোটেলে সোমবার প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উদযাপনে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের (সিইউবি) উদ্যোগে চলছে তিন দিনের বিশেষ চিত্র প্রদর্শনী।

রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউয়ের শেরাটন ঢাকা হোটেলে সোমবার প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শিরোনামের এ প্রদর্শনীতে রয়েছে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক যুগের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, বৈশ্বিক অঙ্গনে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার আলোকচিত্র। শেখ হাসিনার জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তের দুর্লভ ছবিও রয়েছে প্রদর্শনীতে।

দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানের শুরুতে কেক কাটেন অতিথিরা। পরে তারা প্রদর্শনীর বিভিন্ন আলোকচিত্র ঘুরে দেখেন।

সিইউবির চিত্র প্রদর্শনীতে শেখ হাসিনার বর্ণাঢ্য জীবন
‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শিরোনামে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানের শুরুতে কেক কাটেন অতিথিরা

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন, যে কাজ তিনি সমাপ্ত করতে পারেননি, সেই কাজগুলোকে যিনি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন সেই মানুষটা আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার জন্য যে পরিক্রমা এবং পথনকশা তৈরি করা প্রয়োজন সেটি তিনি করেছেন। আমরা এখন আর হতদরিদ্র দেশ নই, উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উন্নীত হতে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের অধীনে আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল ৫৯ ডলার। পাকিস্তান ২৫ বছরে ১২৫ ডলারে সেটা উন্নীত করেছিল। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে দায়িত্ব নিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মাথাপিছু আয় ৮৯ থেকে ২৭৭ ডলারে উন্নীত করেন। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তা ২ হাজার ২৭৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে।’

বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ খাতের বদলে যাওয়ার গল্প তুলে ধরেন মন্ত্রী। দেশে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু টানেলের মতো মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে আমাদের জিডিপির প্রবৃদ্ধি নিঃসন্দেহে ২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। এই সাফল্য দেখে প্রতিবেশী দেশগুলো আমাদের ঈর্ষা করে, আর পাকিস্তান আফসোস করে।’

সিইউবির চিত্র প্রদর্শনীতে শেখ হাসিনার বর্ণাঢ্য জীবন
‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শিরোনামে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘শুধু বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরি হিসেবে নয়, প্রধানমন্ত্রী তার যোগ্যতা, মেধা, প্রজ্ঞা, দেশপ্রেম, মানুষের প্রতি মমত্ব দিয়ে এটা অর্জন করেছেন। তিনি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পাওয়ার যোগ্য। তাই তার প্রতি বিনম্র চিত্তে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপনে চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করায় ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাতকে ধন্যবাদ জানান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিনকে স্মরণীয় করতে বঙ্গবন্ধুর কন্যার রাজনৈতিক সংগ্রাম ও বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার সব কিছু চমৎকারভাবে এই চিত্র প্রদর্শনীতে তুলে ধরা হয়েছে।

‘যখন আমরা প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখছিলাম আমি অবাক হয়ে খেয়াল করছিলাম পুরোনো দিনের ছবিগুলো সংগ্রহ করা, তারপর সেটিকে উপস্থাপন করা এবং ধারাবাহিকভাবে শেখ হাসিনার শৈশব, কৈশোর, তার ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন, রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং আধুনিক বা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের বিষয়গুলো যেভাবে সাজানো হয়েছে তা অসাধারণ।’

সিইউবির চিত্র প্রদর্শনীতে শেখ হাসিনার বর্ণাঢ্য জীবন
‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শিরোনামে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক

প্রধানমন্ত্রীর জীবন দর্শন তুলে ধরে তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা বাংলাদেশকে শুধু গণতন্ত্র উপহার দেননি, ডিজিটাল বাংলাদেশ উপহার দেননি, প্রজন্মকে তিনি ঘুরে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রে যে মনস্তাত্ত্বিক নির্দেশনা দিয়েছেন, সেটি শত শত বছর পরে ইতিহাস হয়ে থাকবে।

‘একটি দুর্নীতিগ্রস্ত ও দরিদ্র রাষ্ট্রকে তিনি মাত্র ১২ বছরের মধ্যে প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত করেছেন। বিশ্বের ইতিহাসে এমন নজির দ্বিতীয়টি পাওয়া যাবে না।’

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির চিত্র প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে হাজারো মানুষ শেখ হাসিনার জীবন সম্পর্কে জানতে পারছে মন্তব্য করে পলক বলেন, ‘আমি আশ্বস্ত করছি ও আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আমার চৌধুরী নাফিজ সরাফাতের সঙ্গে কথা হয়েছে, মাননীয় মন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছি; আগামীকাল ফিজিক্যাল এক্সিবিশন শেষ হলেও আমরা ডিজিটাল এক্সিবিশন শুরু করব। যেটি চলবে বছরের পর বছর।’

অনুষ্ঠানের সভাপতি কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘আমরা এমন একজন প্রাজ্ঞ ও মহান নেতার জন্মদিন উদযাপনে এই আয়োজন করেছি, যিনি দেশের সীমানা ছাড়িয়ে অনেক আগেই একজন প্রভাবশালী বিশ্বনেতায় পরিণত হয়েছেন। যার অনন্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে এক মর্যাদাশীল দেশের নাম।

‘সেই মহান নেতা, জাতির পিতার সুযোগ্য উত্তরসূরি দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে এই চিত্র প্রদর্শনী আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত, অত্যন্ত আনন্দিত।’

সিইউবির চিত্র প্রদর্শনীতে শেখ হাসিনার বর্ণাঢ্য জীবন
‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শিরোনামে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত

ড. নাফিজ সরাফাত বলেন, ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে আমরা পেয়েছিলাম মহান স্বাধীনতা। শুধু স্বাধীন দেশ নয়, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল বাঙালি জাতির অর্থনৈতিক মুক্তি। ২০০৯ সালে রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে সেই লক্ষ্য সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছেন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘যে বাংলাদেশ একসময় পরিচিত ছিল বন্যাকবলিত, দারিদ্র্যপীড়িত দেশ হিসেবে, সেই দেশই এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল; অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশ্বের বিস্ময়। এটা কেবলই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী এবং জাদুকরী নেতৃত্বের কারণে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ কনসেপ্ট বিশ্বকে আলোড়িত করেছে। কোভিড-১৯ সংকট মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর ক্যারিশমাটিক নেতৃত্ব তাকে জায়গা করে দিয়েছে বিশ্বের সেরা ৩ নেতার কাতারে।’

চিত্র প্রদর্শনী সফল করে তুলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান ড. নাফিজ সরাফাত।

সিইউবির চিত্র প্রদর্শনীতে শেখ হাসিনার বর্ণাঢ্য জীবন

এর আগে রোববার বেলা ১১টায় শেরাটন ঢাকা হোটেলে ফিতা ও কেক কেটে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এবং সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে কানাডিয়ান হাইকমিশনার বেনেইট প্রিফন্টেইন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন ২০০৯ সালে। এরপর আরও দুবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে দেশের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।

বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নে ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগেই শেখ হাসিনা ঘোষণা করেন রূপকল্প ২০২১। সেই নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পরের গল্প শুধুই এগিয়ে যাওয়ার। একসময়ে যে বাংলাদেশ পরিচিত ছিল বন্যাকবলিত, দারিদ্র্যপীড়িত দেশ হিসেবে, সেই দেশই এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল।

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়ন-দর্শন তরুণদের সামনে তুলে ধরে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতেই এ আয়োজন বলে জানিয়েছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ।

প্রদর্শনীটি মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠান হবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায়। শেরাটন ঢাকা হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। বিশেষ অতিথি থাকবেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা
পিইসি-ইবতেদায়িতে অটোপাস নয়, বাড়ির কাজ মূল্যায়ন

শেয়ার করুন

এইচএসসি শুরু ২ ডিসেম্বর, রুটিন প্রকাশ

এইচএসসি শুরু ২ ডিসেম্বর, রুটিন প্রকাশ

ফাইল ছবি

আর চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ নভেম্বর; চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এইচএসসির মতোই এসএসসি পরীক্ষাও হবে শুধুমাত্র নৈর্বাচনিক বিষয়ে। অন্যান্য আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেয়া হবে।

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ২ ডিসেম্বর, চলবে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে শুধুমাত্র নৈর্বাচনিক বিষয়ে। অন্যান্য আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেয়া হবে।

এ ছাড়া, চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট এবং ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এইচএসসি পরীক্ষার রুটিনও হাতে পেয়েছে নিউজবাংলা।

নিউজবাংলাকে সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন আন্তশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘২ ডিসেম্বর থেকে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে, চলবে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। করোনার এ সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হবে।’

সাধারণত প্রতিবছর এপ্রিল মাসে উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনার এ পাবলিক পরীক্ষা ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে নেয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

এ ছাড়া, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ নভেম্বর; চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এইচএসসির মতোই এসএসসি অনুষ্ঠিত হবে শুধুমাত্র নৈর্বাচনিক বিষয়ে। অন্যান্য আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেয়া হবে।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষা রুটিন প্রকাশ করে। এ পরীক্ষাও শুরু হবে ১৪ নভেম্বর থেকে, চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত।

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা

০১. করোনা মহামারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

০২. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

০৩. পরীক্ষার সময় হবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র এবং ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ। সকাল ১০.১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

০৪. দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী শিট বিতরণ। দুপুর ২টা বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ। দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

০৫. পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা
পিইসি-ইবতেদায়িতে অটোপাস নয়, বাড়ির কাজ মূল্যায়ন

শেয়ার করুন

এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর

এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১৪ নভেম্বর

ফাইল ছবি

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষা রুটিন প্রকাশ করে। এ পরীক্ষাও শুরু হবে ১৪ নভেম্বর থেকে, চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত।

চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ১৪ নভেম্বর; চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে শুধুমাত্র নৈর্বাচনিক বিষয়ে। অন্যান্য আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর দেয়া হবে।

এ ছাড়া, চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট এবং ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘১৪ নভেম্বর থেকে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে, চলবে ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত। করোনার এ সময়ে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা নেয়া হবে।’

সাধারণত প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনার এ পাবলিক পরীক্ষা নভেম্বর মাসে দ্বিতীয় সপ্তাহে নেয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিল পরীক্ষা রুটিন প্রকাশ করে। এ পরীক্ষাও শুরু হবে ১৪ নভেম্বর থেকে, চলবে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত।

কবে কোন পরীক্ষা

১৪ নভেম্বর পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়), ১৫ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ও হিসাববিজ্ঞান এবং ১৬ নভেম্বর রসায়ন (তত্ত্বীয়), ১৮ নভেম্বর শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া (তত্ত্বীয়), ২১ নভেম্বর ভূগোল ও পরিবেশ ও ফিন্যান্স ও ব্যাকিং, ২২ নভেম্বর উচ্চতর গণিত (তত্ত্বীয়) ও জীব বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) এবং ২৩ নভেম্বর পৌরনীতি ও নাগরিকতা, অর্থনীতি ও ব্যবসায় উদ্যোগ পরীক্ষা হবে।

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা

০১. করোনা মহামারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

০২. পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে।

০৩. পরীক্ষার সময় হবে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এমসিকিউ ও লিখিত পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। পরীক্ষার দিন সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র এবং ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ। সকাল ১০.১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

০৪. দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনী শিট বিতরণ। দুপুর ২টা বহুনির্বাচনী প্রশ্নপত্র বিতরণ। দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনী উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

০৫. পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা
পিইসি-ইবতেদায়িতে অটোপাস নয়, বাড়ির কাজ মূল্যায়ন

শেয়ার করুন

‘বঙ্গবন্ধুর বাকশাল কর্মসূচি: কুরআন সুন্নাহর আলোকে একটি মূল্যায়ন’

‘বঙ্গবন্ধুর বাকশাল কর্মসূচি: কুরআন সুন্নাহর আলোকে একটি মূল্যায়ন’

রোববার জবিতে ছয়টি পাণ্ডুলিপির চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অতিথিরা। ছবি: নিউজবাংলা

প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, ‘বইটি পড়লে বাকশাল সম্পর্কে বিস্তারিত এবং কেন গঠন করা হয়েছিল সেটি জানা যাবে। বইটিতে বাকশালকে কুরআন সুন্নাহর আলোকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য ছিল, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য যেন না থাকে। সেই আলোকেই বইটি লেখা হয়েছে।’

ছয়টি পাণ্ডুলিপি প্রকাশে লেখকদের সঙ্গে চুক্তি করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

রোববার সকালে উপাচার্যের কনফারেন্স কক্ষে জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তর ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পাণ্ডুলিপি লেখকদের এই চুক্তি হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার ও উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ।

স্বাক্ষরিত ছয়টি পান্ডুলিপি হলো সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক শিপ্রা সরকার রচিত ‘বাংলাদেশের একটি গ্রাম: জাতিবর্ণ ব্যবস্থা’, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোস্তফা কামাল রচিত ‘বঙ্গবন্ধুর বাকশাল কর্মসূচি: কুরআন সুন্নাহর আলোকে একটি মূল্যায়ন এবং অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মো. নাসির উদ্দিন রচিত ‘Taxation in Bangladesh’।

এছাড়া অন্য পাণ্ডুলিপিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোছা. শামীম আরা রচিত ‘মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানের কবিতা: বিষয় বৈচিত্র ও শিল্পরূপ’, সংগীত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলী এফ এম রেজোয়ান রচিত ‘রাগ-সন্দর্শন’ এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাস রচিত ‘সাব- অল্টার্ন তত্ত্ব: উদ্ভব, বিকাশ ও প্রভাব’।

পাণ্ডুলিপি লেখকদের একজন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল ‘বঙ্গবন্ধুর বাকশাল কর্মসূচি: কুরআন সুন্নাহর আলোকে একটু মূল্যায়ন’ বইটি সম্পর্কে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বইটি পড়লে বাকশাল সম্পর্কে বিস্তারিত এবং কেন গঠন করা হয়েছিল সেটি জানা যাবে। বইটিতে বাকশালকে কুরআন সুন্নাহর আলোকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য ছিল, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য যেন না থাকে। সেই আলোকেই বইটি লেখা হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. নূরে আলম আব্দুল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শামীমা বেগম।

এছাড়াও জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের প্রধান ও উপপরিচালক সাইফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গবেষণা অধ্যাপক পরিমল বালা, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামানসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা
পিইসি-ইবতেদায়িতে অটোপাস নয়, বাড়ির কাজ মূল্যায়ন

শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবনে মুগ্ধ তরুণ প্রজন্ম

শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবনে মুগ্ধ তরুণ প্রজন্ম

‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনীতে প্রথম দিন দর্শনার্থীরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শিরোনামে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর প্রথম দিনেই দেখা গেছে দর্শনার্থীর ভিড়। প্রধানমন্ত্রীর জীবনের দুর্লভ ছবি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তারা। খুঁজে পেয়েছেন শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবনের নানান দিক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উদযাপনে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আয়োজনে শুরু হয়েছে তিন দিনের বিশেষ চিত্র প্রদর্শনী।

‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শিরোনামের এ প্রদর্শনীতে রয়েছে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গত এক যুগের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, বৈশ্বিক অঙ্গনে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার আলোকচিত্র। শেখ হাসিনার জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তের দুর্লভ ছবিও রয়েছে প্রদর্শনীতে।

রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউয়ের শেরাটন ঢাকা হোটেলে রোববার বেলা ১১টায় ফিতা ও কেক কেটে উদ্বোধন করা হয় তিন দিনের এই আয়োজন।

প্রদর্শনীর প্রথম দিনেই দেখা গেছে দর্শনার্থীর ভিড়। প্রধানমন্ত্রীর জীবনের দুর্লভ ছবি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তারা। খুঁজে পেয়েছেন শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবনের নানান দিক।

শেখ হাসিনার ছোটবেলা থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জীবনের বিভিন্ন ধাপের ছবিতে সাজানো হয়েছে এই চিত্র প্রদর্শনী। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্ম থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, ভাই-বোনদের মাঝে তার বেড়ে ওঠা; শিক্ষাজীবন; সাংসারিক জীবন; পারিবারিক জীবন; সন্তানদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের দুর্লভ ছবি রয়েছে প্রদর্শনীতে।

শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবনে মুগ্ধ তরুণ প্রজন্ম
দর্শনার্থীরা ঘুরে ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রীর জীবনের দুর্লভ সব ছবি

এ ছাড়া, ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, সামরিক শাসনের সময়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্দোলন, নব্বই-পরবর্তী সময়ের সংগ্রাম, ২০০১ সালে গ্রেনেড হামলার পাশাপাশি গত ১২ বছরে দেশের উন্নয়নের বিভিন্ন ছবিও স্থান পেয়েছে চিত্র প্রদর্শনীতে।

প্রদর্শনী দেখতে আসা কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শাকিলা মজুমদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ছোটবেলা থেকে বেড়ে ওঠার ছবিগুলো দেখতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে। আমরা সাধারণত গুগল বা যেকোনো মাধ্যমে এই ছবিগুলো সাধারণত পাই না। এখানে এসে আমাদের প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছি।’

শাকিলার বন্ধু আবদুল্লাহ আফ্রিদী বলেন, ‘এখানে এসে প্রধানমন্ত্রীর জীবনের শুরুর দিকের ছবি দেখে ভালো লাগছে। অনেক বড় বড় সংগ্রামের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। আমার খুব ভালো লেগেছে কবি সুফিয়া কামালের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি ছবি।

‘এখানে প্রতিটি ছবিতে বাংলাদেশের কোনো কোনো না ইতিহাস রয়েছে। এভাবে একসঙ্গে ছবিগুলো দেখতে পেয়ে রোমাঞ্চিত বোধ করছি।’

দর্শনার্থী ফাহিম ফয়সাল বলেন, ‘এখানকার সব ছবিই আমাদের প্রজন্মের কাছে অচেনা। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে যেভাবে এখন দেখি, তার বাইরেও যে ওনার এত অবদান সেটি এখানে উঠে এসেছে।’

নব্বই-পরবর্তী সময়ে সংগ্রাম ও ২০০১ সালে গ্রেনেড হামলার সময়ের ছবি বেশি টেনেছে দর্শনার্থী রাজিয়া ফেরদৌসীকে। তিনি বলেন, ‘এই প্রদর্শনী আমাদের মতো নতুন প্রজন্মের সামনে অনুপ্রেরণাদায়ী।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়নদর্শন তরুণদের সামনে তুলে ধরে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতেই এ আয়োজন বলে জানিয়েছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ।

প্রদর্শনীটি মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠান হবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায়। শেরাটন ঢাকা হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। বিশেষ অতিথি থাকবেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা
পিইসি-ইবতেদায়িতে অটোপাস নয়, বাড়ির কাজ মূল্যায়ন

শেয়ার করুন

‘বিশেষ পরীক্ষা’ দেবে চতুর্থ বর্ষের অকৃতকার্যরা

‘বিশেষ পরীক্ষা’ দেবে চতুর্থ বর্ষের অকৃতকার্যরা

স্নাতক চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত ফলাফলে ২৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করার যে তথ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তা সত্য নয়, দাবি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের।

অনার্স চতুর্থ বর্ষে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ‘বিশেষ পরীক্ষা’ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। করোনা মহামারি বিবেচনায় নভেম্বরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের ৯৩তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান।

এর আগে স্নাতক চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত ফলাফলে ২৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করার অভিযোগ ওঠে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ অভিযোগ নাকচ করে।

গত ১২ সেপ্টেম্বর স্নাতক চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত ফলাফলে অসন্তোষ জানিয়ে গাজীপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ফটকের সামনে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা অনশনে বসলে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, লাঠিচার্জের পর স্বাভাবিক হয় বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।

সে সময় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মশিউর রহমান নিউজবাংলাকে বলেছিলেন ‘স্নাতক চতুর্থ বর্ষের চূড়ান্ত ফলাফলে ২৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করার যে তথ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে তা সত্য নয়। কারণ আমরা নথিপত্র পর্যালোচনা করে দেখেছি, ৭২ শতাংশ শিক্ষার্থী সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। আর ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী কোনো না কোনো পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি, অর্থাৎ তারা অনুপস্থিত ছিলেন। এ হিসাবে ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছেন। আর এই ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী কিন্তু সব বিষয়ে ফেল করেননি। কেউ হয়তো এক বা একাধিক বিষয়ে ফেল করেছেন। ফেলের এ হার অস্বাভাবিক নয়। তারপরও আমরা শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে খাতা পুনর্নিরীক্ষণের ব্যবস্থা করেছি।’

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অনার্স প্রথম বর্ষে সদ্য ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার দেয়া, কোভিডকালীন স্বাস্থ্যঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা দেয়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত সময়ে নিজ নিজ কলেজে এই ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে। অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্তসহ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীকে দ্রুত টিকার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ ছাড়া করোনার কারণে যেসব শিক্ষার্থীর মনোবল ভেঙে পড়েছে, তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি কাটানোর জন্য নিয়মিত কাউন্সিলিংয়ের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখার সিদ্ধান্ত হয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেই প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা
পিইসি-ইবতেদায়িতে অটোপাস নয়, বাড়ির কাজ মূল্যায়ন

শেয়ার করুন