× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
The government is looking for the head of BFIU
google_news print-icon

বিএফআইইউ’র প্রধান খুঁজছে সরকার

বিএফআইইউর-প্রধান-খুঁজছে-সরকার
বিএফআইইউ সরকারের একটি সংস্থা। মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধে কাজ করে সংস্থাটি। সন্দেহজনক যেকোনো ধরনের লেনদেন, মুদ্রা পাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন–সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা এ সংস্থার প্রধান কাজ।

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) প্রধান কর্মকর্তা নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তিতে সরকারের অর্থ বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত কার্যক্রমে কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ প্রশাসনিক কাজে ২০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীকে আগামী ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদন করতে বলা হয়েছে।

বর্তমানে বিএফআইইউর প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসান। ২০১৮ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তাকে এই ইউনিটের প্রথম প্রধান কর্মকর্তা হিসেবে ৩ বছরের জন্য নিয়োগ দিয়েছিল সরকার।

ওই নিয়োগে বলা হয়েছিল, ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২’ অনুযায়ী রাজী হাসানের নিয়োগের মেয়াদ হবে যোগদানের তারিখ থেকে ৬৫ বছর পর্যন্ত অর্থাৎ ২০২১ সালের ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

সে অনুযায়ী আগামী ১০ সেপ্টেম্বর তার মেয়াদ শেষ হবে।

‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২’ এর ক্ষমতা ও কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট গঠন করে সরকার।

এই ইউনিটের প্রধান কর্মকর্তার কাজ হচ্ছে, তিনি যাবতীয় প্রশাসনিক বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অনুমোদন নেবেন। প্রধান কর্মকর্তা মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা, নীতি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।’

আবেদনের যোগ্যতা ও শর্ত

>> কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমপক্ষে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে।

>> সরকারের অর্থ বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত কার্যক্রমে কমপক্ষে ৫ বছরের অভিজ্ঞতাসহ প্রশসনিক কাজে মোট ২০ বছরের অভিজ্ঞতা বা বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রমে কমপক্ষে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

>> মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসী কাজে অর্থায়ন প্রতিরোধ সংক্রান্ত কার্যক্রমে যাদের ৩ বছরের অভিজ্ঞাতা আছে তাদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

>> ১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে আবেদনকারীর বয়স ৬২ বছর বা তার কম হতে হবে।

>> সরকার নির্ধারিত বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দিয়ে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ করা হবে। সন্তোষজনক চাকরির ভিত্তিতে মেয়াদ শেষে চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করা যাবে। তবে, বয়স ৬৫ বছর পেরলে চাকরিতে নিয়োজিত রাখা হবে না।

বিএফআইইউ সরকারের একটি সংস্থা। মুদ্রা পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধে কাজ করে সংস্থাটি। সন্দেহজনক যেকোনো ধরনের লেনদেন, মুদ্রা পাচার, সন্ত্রাসে অর্থায়ন–সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা এ সংস্থার প্রধান কাজ।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
Application Opportunity for Student Empowerment Program in Easy Group

ইজি গ্রুপে স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামে আবেদনের সুযোগ

ইজি গ্রুপে স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামে আবেদনের সুযোগ ইজি গ্রুপের স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামের পোস্টার। ছবি: ইজি গ্রুপ
ইজি গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মঅভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পড়ালেখার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান প্রয়োগ করে কর্মক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা এবং নিয়োগযোগ্যতা বাড়াতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য ইজি গ্রুপ (Ezzy Group) আয়োজন করেছ স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রাম (Student Empowerment Program)।

এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা পড়ালেখার পাশাপাশি বাস্তব জীবনের কর্ম অভিজ্ঞতা লাভের সুযোগ পাবেন।

এ সময়ের কর্মক্ষেত্র, শিল্প ও বাণিজ্যের সঙ্গে ভারসাম্য রক্ষা করে কর্মসূচিটি তৈরি করা হয়েছে।

ইজি গ্রুপের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, স্টুডেন্ট এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের কর্মঅভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি পড়ালেখার ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান প্রয়োগ করে কর্মক্ষেত্রে নিজেদের দক্ষতা এবং নিয়োগযোগ্যতা বাড়াতে পারবেন।

ক্যারিয়ার শুরুর এ সুযোগে অংশ নিতে [email protected] মেইলে করা যাবে আবেদন।

আরও পড়ুন:
ইন্টারন্যাশনাল আইকনিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত আলেয়া সারওয়ার ডেইজি
বিচারের আগে মিডিয়া ট্রায়াল অমানবিক: আইজিপি
আইনবিরোধী কাজে ব্যবস্থা নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হলে পুলিশের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ: আইজিপি
ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা বহাল থাকছে
পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনায় কাউকে ছাড় নয়: আইজিপি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Ban on entry of journalists to Bangladesh Bank for the benefit of the financial elite CPD

আর্থিক অভিজাতদের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা: সিপিডি

আর্থিক অভিজাতদের স্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা: সিপিডি রাজধানীতে বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশে ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য সামনে কী আছে?’ শীর্ষক সংলাপের আয়োজন করে সিপিডি। ছবি: সংগৃহীত
নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, ‘দেশের ব্যাংকিং খাতে ভঙ্গুরতা দেখা দিয়েছে। সুশাসন ও জবাবদিহিতার ক্ষতি হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ইচ্ছায় নয়, বরং বাইরের চাপে স্বাধীনভাবে কাজ করছে না। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া উচিত।’

বেসরকারি থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেছেন, বাংলাদেশের আর্থিক খাত সুশাসন ও জবাবদিহিতার সংকটে ভুগছে। আর আর্থিক অভিজাতদের সুবিধার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে ‘বাংলাদেশে ব্যাংকিং সেক্টরের জন্য সামনে কী আছে?’ শীর্ষক এক সংলাপে মূল বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সূত্র: ইউএনবি

ফাহমিদা বলেন, ‘দেশের আর্থিক খাত ব্যাংকের ওপর নির্ভর করে। দেশের উন্নয়নে এই খাতের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সেই ব্যাংকিং খাতে ভঙ্গুরতা দেখা দিয়েছে। সুশাসন ও জবাবদিহিতার ক্ষতি হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ঋণ অনুমোদন, পুনঃতফসিলীকরণ, রিট-অফ, ফোরক্লোজার সবকিছুই ব্যাংকে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের ইচ্ছায় নয়, বরং বাইরের চাপে স্বাধীনভাবে কাজ করছে না। এই অবস্থার পরিবর্তন হওয়া উচিত।’

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘যখন ভুল তথ্য প্রকাশ করা হয়, তখন তার ওপর নির্ভর করে নীতিগত পদক্ষেপ নেয়াটা ভুল হবে। আর্থিক খাতের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে সঠিক সময়ে তথ্য সরবরাহ করতে হবে।

‘কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাংবাদিকদের জন্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহকে কঠিন করে গণমাধ্যমের প্রবেশকে সীমাবদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতের সুশাসন পুনরুদ্ধার করা কঠিন হয়ে পড়ে, যখন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে।

‘তারা (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) নিজেরাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি বিভাগের অধীনস্ত এবং তারা স্বাধীন নয়। এ অবস্থায় ব্যাংকিং খাতে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে স্বাধীন ব্যাংকিং কমিশন গঠনের বিকল্প নেই। আর সেই কমিশনের স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতা থাকা উচিত এবং ব্যাংকগুলোর সার্বিক অবস্থা তুলে ধরা উচিত।’

সংলাপে উপস্থাপিত একটি গবেষণাপত্রে সিপিডি তুলে ধরেছে যে, দেশে খেলাপি ঋণের (এনপিএল) মোট পরিমাণ গত দশ বছরে তিন গুণেরও বেশি হয়েছে। ২০১১-১২ অর্থবছরের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে খেলাপি ঋণ ছিল ৪২ হাজার ৭২৫ কোটি টাকা। ২০২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে তা এক লাখ ৪৫ হাজার ৬৩৩ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকের অবস্থা একই।

তবে বিদেশি খাতের ব্যাংকগুলো ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় ভালো কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

ইসলামী ব্যাংকে ধীরে ধীরে তারল্য সংকট দেখা দিচ্ছে। ২০১১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত শরিয়াভিত্তিক ব্যাংকগুলোতে তারল্য ছিল ৩৯ শতাংশ। তবে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে পরিচালনার নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর ব্যাংকটির ২০১৭ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারল্য ২৫ শতাংশে নেমে আসে।

সিপিডির বিশিষ্ট ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতকে এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ করতে হলে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা অতীতে দেখেছি যে ব্যাংকিং খাতের লাভের বেসরকারিকরণ এবং লোকসান জাতীয়করণ হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে সাবেক পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান, জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, পিআরআই’র নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর, ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল আমিন প্রমুখ বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিক প্রবেশের বিষয়টি স্পষ্ট করল বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক মেরুদণ্ড সোজা রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারছে না: সিপিডি
পঞ্চগড়ে যা বললেন ডেপুটি গভর্নর খুরশিদ আলম
সাংবাদিক প্রবেশে কড়াকড়ি ইস্যুতে যা জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংকে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিশ্চিতের দাবি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Presidents Industrial Development Award 2021 received 20 institutions

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ পেল ২০ প্রতিষ্ঠান

‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ পেল ২০ প্রতিষ্ঠান রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে ক্রেস্ট ও সনদ হাতে পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক/প্রতিনিধিরা। ছবি: নিউজবাংলা
শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ছয় ক্যাটাগরির মোট ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোক্তাকে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে ছয়টি, মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে চারটি, মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, কুটিরশিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি এবং হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে একটি।

দেশের শিল্প খাতে অবদানের স্বীকৃতি প্রদান, প্রণোদনা সৃষ্টি, সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় ছয় ক্যাটাগরির ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিক/প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ তুলে দেন।

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুস শহীদ ও এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট মাহবুবুল আলম।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী পরিকল্পনা ও নীতি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে শিল্প খাতে উল্লেখযোগ্য ও দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যবসায়ী ও শিল্প উদ্যোক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে তাদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।

‘এ ধরনের স্বীকৃতি শিল্প উদ্যোক্তাদের নিজ নিজ কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের উৎকর্ষ সাধনে অনুপ্রাণিত করবে। এই দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে নবীন শিল্প উদ্যোক্তারাও নিজেদের পণ্যের গুণগত মানোন্নয়ন এবং বিশ্বমানের শিল্প স্থাপনে উজ্জীবিত হবেন। ফলে দেশে গুণগত মানসম্পন্ন শিল্পায়নের ধারা বেগবান হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুস শহীদ বলেন, ‘কৃষি উৎপাদনে ঈর্ষণীয় সাফল্য থাকা সত্ত্বেও আমরা কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও রপ্তানিতে অনেকটা পিছিয়ে আছি। প্রক্রিয়াজাতকরণের কম সুযোগ ও সংরক্ষণাগারের অভাবে আমাদের উৎপাদিত শাকসবজি ও ফলমূলের ২০ থেকে ৩০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যায়। ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ভোক্তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

তিনি বলেন, ‘বছরে আমাদের কৃষিপণ্য রপ্তানি হয় মাত্র এক বিলিয়ন ডলারের মতো। অথচ এখানে সম্ভাবনা অনেক বেশি। কৃষিপণ্য রপ্তানি করে প্রতি বছর কয়েক বিলিয়ন ডলার আয় করা সম্ভব।’ তিনি কৃষি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।

শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী ছয় ক্যাটাগরির মোট ২০টি শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোক্তাকে এই পুরস্কার দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে ছয়টি, মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে চারটি, মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি, কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে তিনটি এবং হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে একটি।

বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে ইকোটেক্স লি., প্রাণ ডেইরী লি. ও মীর আক্তার হোসেন লি.। দ্বিতীয় হয়েছে স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লি.। যৌথভাবে তৃতীয় হয়েছে স্নোটেক্স আউটারওয়্যার লি. ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লি.।

মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রম হয়েছে বেঙ্গল পলি অ্যান্ড পেপার স্যাক লি.। দ্বিতীয় হয়েছে বসুমতি ডিস্ট্রিবিউশন লি. এবং তৃতীয় এপিএস অ্যাপারেলস লি.।

ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে প্রথম হয়েছে দ্য রিলায়েবল বিল্ডার্স ও কনকর্ড এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানী লি.। দ্বিতীয় হয়েছে রংপুর ফাউন্ড্রী লি. এবং তৃতীয় হয়েছে গুনজে ইউনাইটেড লি.।

মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রম হয়েছে ফারিহা গ্রীন মুড লেদারস্ লি.। দ্বিতীয় হয়েছে এ.বি.এম ওয়াটার কোম্পানী এবং তৃতীয় ডীপলেড ল্যাবরেটরিজ লি.।

কুটির শিল্প ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছে ব্লু-স্টার এগ্রো প্রোডাক্ট অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ। এই ক্যাটাগরিতে দ্বিতীয় হয়েছে প্রীতি বিউটি পার্লার এবং তৃতীয় হয়েছে লেহাজ সালমা যুব মহিলা কল্যাণ সংস্থা।

হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে একমাত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত বিজ সলুশনস লি.।

প্রসঙ্গত, শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশনাবলী ২০১৩’ অনুযায়ী ২০১৪ সালে প্রথম বারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ দেয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এ বছর সপ্তম বারের মতো ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০২১’ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির হটস্পট হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী
শুধু স্বীকৃতি নয়, পণ্যের মানের দিকেও নজর দিতে হবে

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The price of the dollar in the banks exceeded 120 taka in the open market

ব্যাংকে ডলারের দাম ১২০ টাকা ছাড়িয়ে, খোলাবাজারে ১২৫

ব্যাংকে ডলারের দাম ১২০ টাকা ছাড়িয়ে, খোলাবাজারে ১২৫
একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান জানান, মঙ্গলবার তাদের ব্যাংক ১১৯ টাকায় রেমিট্যান্স কিনেছে। আর এ কারণে আমদানি এলসি নিষ্পত্তি করা হয়েছে ১২০ টাকার বেশি দরে।

আমদানির ঋণপত্র নিষ্পত্তি করতে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতি ডলারের দর ১২০ টাকার বেশি নিচ্ছে ব্যাংকগুলো। কার্ব মার্কেট অর্থাৎ খোলা বাজারের দর ১২৫ ছাড়িয়েছে।

ব্যাংকাররা বলছেন, তারা রেমিট্যান্স কিনেছেন ১১৯ টাকায়। এ কারণে আমদানিকারকদের কাছ থেকে ডলারের দর ১২০ টাকা নিতে হচ্ছে।

বেশ কয়েকটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান বলেছেন, ক্রলিং পেগ পদ্ধতি চালু করে ডলারের যে রেট নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, সেই রেটে ডলার কিনতে পাওয়া যায় না। বাধ্য হয়ে বাড়তি দরে ডলার কেনাবেচা শুরু করেছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংক ৮ মে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময়ের জন্য ক্রলিং পেগ ব্যবস্থা চালু করে। ক্রলিং পেগ মিড-রেট (সিপিএমআর) বা এই ব্যবস্থার আওতায় প্রতি ডলারের মাঝামাঝি বিনিময় হার নির্ধারণ করা হয় ১১৭ টাকা। যদিও এই ব্যবস্থা চালুর আগে দেশে প্রতি ডলারের দাম ছিল ১১০ টাকা।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণের শর্ত হিসেবে সংস্থাটির পরামর্শ অনুযায়ী ক্রলিং পেগ ব্যবস্থা চালু করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কিন্তু এই দরে কোথাও ডলার মিলছে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইটে অবশ্য বলা হচ্ছে যে ক্রলিং পেগ পদ্ধতির আওতায় নির্ধারিত রেটের আশপাশেই আন্তঃব্যাংকে ডলার কেনাবেচা হচ্ছে।

তবে একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান জানান, মঙ্গলবার তাদের ব্যাংক ১১৯ টাকায় রেমিট্যান্স কিনেছে। আর আমদানি এলসি নিষ্পত্তি করা হয়েছে ১২০ টাকার বেশি দরে।

যোগাযোগ করা হলে রাষ্ট্রায়ত্ত একটি ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধান বলেন, ক্রলিং পেগ চালুর প্রথম সপ্তাহে সব ব্যাংক ঠিকঠাক অনুসরণ করলেও এখন অনেক ব্যাংক বেশি রেটে ডলার সংগ্রহ করছে। একইসঙ্গে এলসি খুলতেও বেশি রেট নিচ্ছে তারা।

শরিয়াভিত্তিক অধিকাংশ ব্যাংক এই ক্রলিং পেগ রেট অনুসরণ করছে না বলে জানান তিনি।

এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যস্থতায় ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন এবিবি এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ডিলারদের সংগঠন বাফেদা ডলারের একটি আনুষ্ঠানিক দর ঘোষণা করত। যদিও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর চেয়ে বেশি দরে লেনদেন হতো। নতুন পদ্ধতি চালুর আগে সবশেষ ঘোষিত দর ছিল ১১০ টাকা।

মঙ্গলবার থেকে কিছু কিছু ব্যাংক বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে ১১৯ টাকা দরে। এ ছাড়া আমদানিকারকদের এলসি নিষ্পত্তি করেছে ১২০ টাকা কিংবা তার চেয়েও বেশি দরে।

এদিকে খোলাবাজারে ডলার বিক্রি হচ্ছে ১২৫ টাকারও বেশি দরে।

আরও পড়ুন:
খোলা বাজারে ডলার সংকট, দর উঠে গেছে ১২৫ টাকায়
ডলারের দাম এক লাফে বেড়েছে ৭ টাকা
ডলারের বিপরীতে ৩৪ বছরের সর্বনিম্নে জাপানি ইয়েনের দর

মন্তব্য

বাংলাদেশ
US signals support for ICC sanctions against Israel

ইসরায়েলের প্রতি আইসিসির নিষেধাজ্ঞা সমর্থনের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের

ইসরায়েলের প্রতি আইসিসির নিষেধাজ্ঞা সমর্থনের ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্রের যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেন, ‘ইসরায়েলের বড় ভুল সিদ্ধান্ত মোকাবেলায় আমাদের যথাযথ পদক্ষেপ নিতে দেরি করব না। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এবং শীর্ষ হামাস নেতাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও নিষেধাজ্ঞাকে সমর্থনের ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টি নিয়ে আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন।

কংগ্রেসের এক শুনানিতে ব্লিংকেন বলেন, ‘গভীর ভুল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

আইসিসির কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য রিপাবলিকানদের চাপের মধ্যে তিনি এ মন্তব্য করলেন।

যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্য না হলেও ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসহ এর আগের মামলাগুলোকে সমর্থন করেছে।

মঙ্গলবার সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটির শুনানিতে শীর্ষ রিপাবলিকান জেমস রিশ প্রশ্ন তোলেন- স্বাধীন, বৈধ, গণতান্ত্রিক বিচার ব্যবস্থা রয়েছে- এমন দেশগুলোর কাজে নাক গলাতে আইসিসিকে মোকাবেলায় ব্লিনকেন বিল সমর্থন করবেন কিনা?

জবাবে অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেন, ‘আমরা একটি উপযুক্ত প্রতিক্রিয়া খুঁজে পেতে দ্বিপক্ষীয় ভিত্তিতে আপনার সঙ্গে কাজ করতে চাই। আমি তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

‘ইসরায়েলের বড় ভুল সিদ্ধান্ত মোকাবেলায় আমাদের যথাযথ পদক্ষেপ নিতে দেরি করব না। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

এর আগে সোমবার আইসিসির প্রধান কৌঁসুলি করিম খান জানান, তিনি ইযরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন। এছাড়াও গাজার নেতা ইয়াহিয়া সিনওয়ার, কাসসাম ব্রিগেডের সামরিক শাখার কমান্ডার মোহাম্মদ দেইফ এবং হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়ার বিরুদ্ধেও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়েছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এর প্রতিক্রিয়ায় ওইদিন বলেন, ‘গ্রেপ্তারি পরোয়ানার জন্য আবেদন করা অপমানজনক। ইসরায়েল ও হামাসকে সমান পাল্লায় মাপা যায় না।’

গাজা যুদ্ধে ইসরায়েলের তদন্ত জোরদার করার সময় আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের অন্তত দুটি পদক্ষেপ ইতোমধ্যে কংগ্রেসে উত্থাপন করা হয়েছে। চলতি মাসের শুরুতে উত্থাপিত টেক্সাসের রিপাবলিকান চিপ রয়ের একটি বিল ঘিরে ক্যাপিটল হিলের সমর্থন একত্রিত হচ্ছে।

‘ইলিগ্যাল কোর্ট কাউন্টার অ্যাকশন অ্যাক্ট’ নামের এই বিলে বলা হয়েছে, এই মামলার সঙ্গে জড়িত আইসিসি কর্মকর্তাদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাধা, তাদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বাতিল এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে কোনো ধরনের সম্পত্তি লেনদেন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেবে; যদি আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সুরক্ষিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা বন্ধ না করে।

রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি পরিষদের অন্তত ৩৭ জন আইনপ্রণেতা এখন বিলটির পৃষ্ঠপোষকতা করছেন, যাদের মধ্যে চেম্বারের তৃতীয় সর্বোচ্চ পদমর্যাদার রিপাবলিকান এলিস স্টেফানিকও রয়েছেন।

স্টেফানিক সদ্যই ইসরায়েল সফর করেছেন। সেখানে তিনি নেতানিয়াহুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, নেসেটে কথা বলেন এবং গাজায় আটকা পড়া জিম্মিদের পরিবারের সঙ্গে দেখাও করেন।

বিবিসিকে দেয়া এক বিবৃতিতে স্টেফানিক বলেন, ‘আদালত (আইসিসি) একটি শান্তিপূর্ণ জাতিকে তার অস্তিত্বের অধিকার রক্ষায় গণহত্যা সংঘটিত মৌলবাদী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে সমান আচরণ করছে।’

বিলটির সমর্থক আরেক রিপাবলিকান সদস্য কেনটাকির অ্যান্ডি বার বলেন, ‘ইসরায়েলের বিরুদ্ধে আইসিসির মামলা আরও এগিয়ে নেয়াটা অবশ্যই আমাদের নিষেধাজ্ঞার পূর্ণ শক্তি দিয়ে মোকাবেলা করতে হবে।’

তবে ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতারা রিপাবলিকান সিনেটরদের এই প্রচেষ্টার পেছনে থাকবেন কিনা তা স্পষ্ট নয়।

ডেমোক্র্যাটদের মধ্যপন্থী ও উদারপন্থী শাখাগুলো কয়েক মাস ধরে বাইডেনের ইসরায়েল নীতির সঙ্গে লড়াই করছে। কারণ তরুণ প্রগতিশীল ভোটাররা বাইডেনকে গাজায় নেতানিয়াহু সরকারের অভিযান বন্ধে আরও তীব্র সমালোচনা করার জন্য চাপ দিচ্ছে।

ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহে বাইডেনের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের পক্ষে গত সপ্তাহে ভোট দেয়া কয়েকজন ডেমোক্র্যাট সিনেটরের একজন গ্রেগ ল্যান্ডসম্যান বিবিসিকে বলেন, ‘আমি আশা করি কংগ্রেস আইসিসির বিরুদ্ধে দ্বিপক্ষীয় তিরস্কার জারি করবে। আইসিসির এই সিদ্ধান্ত কেবল উত্তেজনা ও বিভাজনকে উস্কে দেবে এবং ইসরায়েলবিরোধী ষড়যন্ত্রকে উৎসাহিত করবে।’

আরও পড়ুন:
ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে নরওয়ে, আয়ারল্যান্ড ও স্পেন
গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে আমন্ত্রণ পাচ্ছেন নেতানিয়াহু
ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির তারিখ ঘোষণা করবে স্পেন
যুদ্ধাপরাধে নেতানিয়াহু-হানিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আবেদন

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bangladesh Bank asked for information on willful defaulters

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তথ্য চাইল বাংলাদেশ ব্যাংক

ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তথ্য চাইল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক। ফাইল ছবি
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তা তাৎক্ষণিক বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) ডাটাবেজে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপির তথ্য জমা দিতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একই সঙ্গে বাণিজ্যিক ব্যাংক ও নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে (এনবিএফআই) ১ জুলাইয়ের মধ্যে জুনের তথ্য রিয়েল টাইমে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিআইবি এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে তা তাৎক্ষণিক বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংকগুলোর শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। খবর ইউএনবির

এর আগে গত ১২ মার্চ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এ ছাড়া ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে, তাও নির্দিষ্ট করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কোনো খেলাপি গ্রাহক বেনামে কোনো ঋণ নিলে এবং সেই ঋণের অপব্যবহার করলে তা ইচ্ছাকৃত খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত হবে। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের চিহ্নিত করতে ৯ এপ্রিলের মধ্যে ইচ্ছাকৃত খেলাপি ঋণগ্রহীতা শনাক্তকরণ ইউনিট গঠনের নির্দেশ দেয়া হয়।

এতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যাংক এ নির্দেশনার শর্ত ভঙ্গ করলে কমপক্ষে ৫০ লাখ এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানা করা হবে। আর শর্ত অমান্য অব্যাহত থাকলে প্রতিদিন এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হবে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Bashundhara Cement Annual Sales Conference 2024 Held

বসুন্ধরা সিমেন্টের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা সিমেন্টের বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ অনুষ্ঠিত

বসুন্ধরা সিমেন্টের আয়োজনে ‘উদ্ভাবন এবং কৌশলের মাধ্যমে বিক্রয় দক্ষতা’ শিরোনামে দিনব্যাপী ‘বার্ষিক বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি, বসুন্ধরা, ঢাকায় এই সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।

বসুন্ধরা সিমেন্টের ৩০০ জনেরও বেশি বিক্রয় প্রতিনিধির অংশগ্রহণে বিক্রয় সম্মেলনটি দুর্দান্ত সাফল্যের সঙ্গে সমাপ্ত হয়েছে, যা বসুন্ধরা গ্রুপ ও সিমেন্ট শিল্পের যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

সম্মেলনটি সিমেন্ট শিল্পের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তি, বিক্রয় বিশেষজ্ঞ ও স্টেকহোল্ডারদের মেলবন্ধনের মাধ্যমে এই শিল্পের অভূতপূর্ব বৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের দিকে আলোকপাত করেছে।

সম্মেলনে ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন বসুন্ধরা গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সাফওয়ান সোবহান।

এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন- বসুন্ধরা গ্রুপের ‘সেক্টর সি’-এর সিনিয়র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ‘প্লানড, ডিসিপ্লিনড ও সায়েন্টিফিক সেলস কল এবং সেলসম্যানশিপ-ভালো সিমেন্ট সেলসম্যানের বৈশিষ্ট্য’ বিষয়ে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর কে এম জাহিদ উদ্দিন, চিফ অপারেটিং অফিসার (মিডল ইস্ট অ্যান্ড আফ্রিকা ডিভিশন) কে এম শাহেদ জাহিদ, ‘সেলস অপারেশন, টার্গেট সেটিং এবং অন্যান্য সেলস অপারেশনাল আসপেক্টস’ বিষয়ে প্রধান বিক্রয় কর্মকর্তা শাহ জামাল সিকদার এবং ‘কর্পোরেট কাস্টমার হ্যান্ডেলিং” বিষয়ে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আইআরকেএম সালাহউদ্দিন বিশ্বাস।

সম্মেলনে বসুন্ধরা গ্রুপ, সেক্টর সি থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন- চিফ অপারেটিং অফিসার মির্জা মুজাহিদুল ইসলাম, চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, হেড অফ এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন মোহাম্মদ ইমরান বিন ফেরদৌস, হেড অফ মার্কেটিং মোহাম্মদ আলাউদ্দিন এবং অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

সম্মেলন জুড়ে অংশগ্রহণকারীরা প্রাণবন্ত আলোচনা, কর্মশালা ও নেটওয়ার্কিং সেশনে যুক্ত থেকে নতুন সম্পর্ক ও সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করেন।

ইভেন্টটির মাধ্যমে বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিশ্রুতি এবং বাংলাদেশ ও এর বাইরে সিমেন্ট বিক্রয়ের ভবিষ্যত গঠনে আলোকপাত করা হয়।

বসুন্ধরা সিমেন্ট বিক্রয় সম্মেলন-২০২৪ এর সাফল্য বাংলাদেশে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উদ্ভাবনের চালিকাশক্তি হিসেবে বসুন্ধরা গ্রুপের অবস্থানকে সুদৃঢ় করে।

মন্তব্য

p
উপরে