পার্বত্য এলাকায় দেড় হাজার শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ

পার্বত্য এলাকায় দেড় হাজার শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ

জাতীয় সংসদে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক।

তিন পার্বত্য জেলায় বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের সংখ্যা ১০৪৮ জন। সহকারী শিক্ষকের সংখ্যা ৬৭৮৯ জন। এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকের প্রায় অর্ধেক আর সহকারী শিক্ষকের ১৫ শতাংশের মতো পদ শূন্য আছে।

রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান- এই তিন পার্বত্য জেলায় দেড় হাজারেরও বেশি শূন্য পদে প্রধান ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

এর মধ্যে প্রধান শিক্ষকের পদ ৪৬৯টি এবং সহকারী শিক্ষকে পদ ১ হাজার ১১৬টি।

এই তিন জেলায় শান্তি চুক্তি অধীনে প্রণীত নীতিমালা মেনে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দপ্তরি নিয়োগ প্রক্রিয়াকে জেলা প্রশাসকের বদলে জেলা পরিষদে ন্যস্ত করারও কথাও বলা হয়েছে।

সংসদ ভবন সচিবালয়ে মঙ্গলবার একাদশ জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৯ম বৈঠকে এই সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি দবিরুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উ শৈ সিং, দীপংকর তালুকদার, এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি এবং বাসন্তী চাকমা।

সরকারের ‘বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে এক হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পে’ পার্বত্য এলাকায় ১৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে বিশেষ বিবেচনায় অন্তর্ভুক্ত করে জাতীয়করণে আবারও সুপারিশ করে কমিটি।

বৈঠকে জানানো হয়, তিন পার্বত্য জেলায় বর্তমানে প্রধান শিক্ষকের সংখ্যা ১০৪৮ জন। সহকারী শিক্ষকের সংখ্যা ৬৭৮৯ জন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানীয় প্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সহকারী অধ্যাপক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রভাষক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২০তম গ্রেডে ১২ নিয়োগ দিচ্ছে নিবন্ধন অধিদপ্তর
আইন উপদেষ্টা ও প্যানেল অ্যাডভোকেট নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
চিকিৎসক নিচ্ছে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নিয়োগ দিচ্ছে মার্কস মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল

নিয়োগ দিচ্ছে মার্কস মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল

প্রার্থীকে আবেদনপত্রের সঙ্গে জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি এবং ২ কপি সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি জমা দিতে হইবে।

শূন্য পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে মার্কস মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল। আগ্রহী প্রার্থীকে ১৫ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

১. পদের নাম: অধ্যক্ষ

পদের সংখ্যা: নির্দিষ্ট নয়

বেতন: আলোচনাসাপেক্ষ

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএমএন্ডডিসি কর্তৃক নির্ধারিত যোগ্যতা

বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন এখানে

২. পদের নাম: উপাধ্যক্ষ

পদের সংখ্যা: নির্দিষ্ট নয়

বেতন: আলোচনাসাপেক্ষ

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএমএন্ডডিসি কর্তৃক নির্ধারিত যোগ্যতা

বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন এখানে

৩. পদের নাম: অধ্যাপক / সহকারী অধ্যাপক

পদের সংখ্যা: নির্দিষ্ট নয়

বেতন: আলোচনাসাপেক্ষ

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএমএন্ডডিসি কর্তৃক নির্ধারিত যোগ্যতা

বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন এখানে

৪. পদের নাম: রেজিস্ট্রার / সহকারী রেজিস্ট্রার

পদের সংখ্যা: নির্দিষ্ট নয়

বেতন: আলোচনাসাপেক্ষ

চাকরির ধরন: ফুল টাইম

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএমএন্ডডিসি কর্তৃক নির্ধারিত যোগ্যতা

বিজ্ঞপ্তিটি দেখুন এখানে

প্রার্থীকে আবেদনপত্রের সঙ্গে জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি এবং ২ কপি সম্প্রতি তোলা পাসপোর্ট সাইজের সত্যায়িত ছবি জমা দিতে হইবে।

খামের ওপর পদের নাম স্পষ্ট করে উল্লেখ করতে হবে।

ঠিকানা: পরিচালক, এইচআর, মার্কস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, এ/৩ মেইন রোড, মিরপুর-১৪, ঢাকা-১২০৬।

আরও পড়ুন:
সহকারী অধ্যাপক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রভাষক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২০তম গ্রেডে ১২ নিয়োগ দিচ্ছে নিবন্ধন অধিদপ্তর
আইন উপদেষ্টা ও প্যানেল অ্যাডভোকেট নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
চিকিৎসক নিচ্ছে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

শেয়ার করুন

জনবল নিচ্ছে গ্রামীণফোন

জনবল নিচ্ছে গ্রামীণফোন

প্রার্থীকে কৌশলী হতে হবে। থাকতে হবে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার যোগ্যতা। কর্মী পরিচালনার দক্ষতা, সাংগঠনিক সক্ষমতা, সততা এবং বিশ্বাসী হতে হবে।

উচ্চ পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে গ্রামীণফোন। আগ্রহী প্রার্থীকে ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ইমেইলে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

পদের নাম: হেড অব কমার্শিয়াল স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড প্ল্যানিং

বিভাগ: কমার্শিয়াল

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: উল্লেখ নেই

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিএ

অভিজ্ঞতা: ১২ বছর

প্রার্থীকে কৌশলী হতে হবে। থাকতে হবে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়ার যোগ্যতা।

কর্মী পরিচালনার দক্ষতা, সাংগঠনিক সক্ষমতা, সততা এবং বিশ্বাসী হতে হবে।

তাকে সহযোগী মনোভাব এবং কর্মীদের ওপরে প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা থাকতে হবে।

স্বাধীনভাবে কাজ করার পাশাপাশি দলগতভাবেও কাজ করতে জানতে হবে।

টেলিকমিউনিকেশন ব্যবসা সম্পর্কে দক্ষতা প্রার্থীর বাড়তি যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
সহকারী অধ্যাপক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রভাষক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২০তম গ্রেডে ১২ নিয়োগ দিচ্ছে নিবন্ধন অধিদপ্তর
আইন উপদেষ্টা ও প্যানেল অ্যাডভোকেট নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
চিকিৎসক নিচ্ছে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

শেয়ার করুন

জনবল নিচ্ছে ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হসপিটাল চট্টগ্রাম

জনবল নিচ্ছে ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হসপিটাল চট্টগ্রাম

প্রার্থীকে ইংরেজিতে কথা বলা জানতে হবে। নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থী চট্টগ্রামে কাজ করবেন।

বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হসপিটাল চট্টগ্রাম লিমিটেড। আগ্রহী প্রার্থীকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ডাকে অথবা ই-মেইলে আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

১. পদের নাম: সিইও / সিওও

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: কর্পোরেট পলিসি অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যাচেলর ডিগ্রি

অভিজ্ঞতা: ১৫-২০ বছর

২. পদের নাম: মেডিক্যাল ডিরেক্টর

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: কর্পোরেট পলিসি অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ডাক্তার হতে হবে

অভিজ্ঞতা: ২০ বছর

৩. পদের নাম: জিএম অপারেশনস

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: কর্পোরেট পলিসি অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যাচেলর ডিগ্রি

অভিজ্ঞতা: ১৫ বছর

৪. পদের নাম: সিনিয়র ম্যানেজার, সাপ্লাই চেইন

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: কর্পোরেট পলিসি অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিএ / বিবিএ / কস্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট / কমার্স গ্র্যাজুয়েট

অভিজ্ঞতা: ৮ বছর

৫. পদের নাম: সিনিয়র ম্যানেজার, এইচআর

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: কর্পোরেট পলিসি অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এমবিএ / ব্যাচেলর ডিগ্রি

অভিজ্ঞতা: ৮-১০ বছর

৬. পদের নাম: ম্যানেজার, আইটি

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: কর্পোরেট পলিসি অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যাচেলর ডিগ্রি

অভিজ্ঞতা: ৮-১০ বছর

৭. পদের নাম: মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার (মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল)

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: কর্পোরেট পলিসি অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যাচেলর ইন ইঞ্জিনিয়ারিং

অভিজ্ঞতা: ৫-৮ বছর

৮. পদের নাম: সিনিয়র ইঞ্জিনিয়ার, বায়োমেডিক্যাল

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: কর্পোরেট পলিসি অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি

অভিজ্ঞতা: ৮-১০ বছর

৯. পদের নাম: এক্সিকিউটিভ, বায়োমেডিক্যাল

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: কর্পোরেট পলিসি অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ডিপ্লোমা

অভিজ্ঞতা: ৩-৫ বছর

১০. পদের নাম: হেড অব ফুড অ্যান্ড বেভারেজ

পদের সংখ্যা: উল্লেখ নেই

বেতন: কর্পোরেট পলিসি অনুসারে

শিক্ষাগত যোগ্যতা: ব্যাচেলর ডিগ্রি

অভিজ্ঞতা: ১৫ বছর

প্রার্থীকে ইংরেজিতে কথা বলা জানতে হবে। নিয়োগপ্রাপ্ত প্রার্থী চট্টগ্রামে কাজ করবেন।

চট্টগ্রামের অধিবাসীরা অগ্রাধিকার পাবেন।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: এইচআর, ল্যাবএইড আইকনিক, ৬৬ কলাবাগান, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫।

ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
সহকারী অধ্যাপক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রভাষক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২০তম গ্রেডে ১২ নিয়োগ দিচ্ছে নিবন্ধন অধিদপ্তর
আইন উপদেষ্টা ও প্যানেল অ্যাডভোকেট নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
চিকিৎসক নিচ্ছে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

শেয়ার করুন

শক্তি ফাউন্ডেশন নেবে ৫৫৫ জন কর্মী

শক্তি ফাউন্ডেশন নেবে ৫৫৫ জন কর্মী

প্রশিক্ষণ ফি হিসেবে এরিয়া সুপারভাইজার, ফাইন্যান্স সুপারভাইজার, শাখা ব্যবস্থাপক, সিনিয়র রিলেশনশিপ অফিসার ও এরিয়া কো-অর্ডিনেটর পদের প্রার্থীদের ৫,০০০ টাকা ও অ্যাকাউন্ট্যান্ট পদের জন্য ৬,০০০ টাকা প্রশিক্ষণ ফি দিতে হবে।

‘শক্তি ফাউন্ডেশন ফর ডিস-অ্যাডভান্টেজড উইমেন’ চারটি প্রোগ্রামের শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে। প্রোগ্রাম ও পদগুলো হলো-

মাইক্রোফাইন্যান্স প্রোগ্রাম

১. পদের নাম ট্রেইনি ক্রেডিট অফিসার।

পদের সংখ্যা ৩০০টি।

আগ্রহী প্রার্থীকে স্নাতক ডিগ্রিধারী হতে হবে। বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৩২ বছর। অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই।

প্রশিক্ষণকালীন ভাতা ১০,০০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর বেতন-ভাতা ২০,০০০ টাকা।

মাইক্রোফাইন্যান্স প্রোগ্রাম

২. পদের নাম অ্যাকাউন্ট্যান্ট।

পদের সংখ্যা ৫০টি।

আগ্রহী প্রার্থীকে অ্যাকাউন্টিং / ফিন্যান্স / ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে স্নাতক / স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৩২ বছর।

প্রশিক্ষণকালীন ভাতা ২০,০০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর বেতন-ভাতা ২২,০০০ টাকা।

৩. পদের নাম এমই সুপারভাইজার।

পদের সংখ্যা ১০টি।

আগ্রহী প্রার্থীকে স্নাতক / স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৪০ বছর।

প্রশিক্ষণকালীন ভাতা ৩০,৩০০ থেকে ৩৫,৭০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর বেতন-ভাতা ৩২,৮০০ থেকে ৩৮,৩০০ টাকা।

৪. পদের নাম শাখা ব্যবস্থাপক।

পদের সংখ্যা ৫০টি।

আগ্রহী প্রার্থীকে স্নাতক / স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৪২ বছর।

প্রশিক্ষণকালীন ভাতা ৩০,০০০ থেকে ৩৬,০০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর বেতন-ভাতা ৩২,৫০০ থেকে ৩৯,০০০ টাকা।

৫. পদের নাম এরিয়া সুপারভাইজার

পদের সংখ্যা ২০টি।

আগ্রহী প্রার্থীকে স্নাতক / স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৪৫ বছর।

প্রশিক্ষণকালীন ভাতা ৪১,০০০ থেকে ৪৪,০০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর বেতন-ভাতা ৪৪,০০০ থেকে ৪৭,০০০ টাকা।

৬. পদের নাম ফাইন্যান্স সুপারভাইজার।

পদের সংখ্যা ১০টি।

আগ্রহী প্রার্থীকে স্নাতক / স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৪০ বছর।

প্রশিক্ষণকালীন ভাতা ৪০,৮০০ থেকে ৪৫,৩০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর বেতন-ভাতা ৪৩,৮০০ থেকে ৪৮,৩০০ টাকা।

৭. পদের নাম রিজিয়ন হেড।

পদের সংখ্যা ৫টি।

আগ্রহী প্রার্থীকে স্নাতক / স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৪৮ বছর।

প্রশিক্ষণকালীন ভাতা ৬০,০০০ থেকে ৬৩,৫০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর বেতন-ভাতা ৬৪,০০০ থেকে ৬৭,৫০০ টাকা।

ক্ষুদ্র উদ্যোগ ঋণ প্রোগ্রাম

৮. পদের নাম সিনিয়র রিলেশনশিপ অফিসার।

পদের সংখ্যা ৫০টি।

আগ্রহী প্রার্থীকে স্নাতক / স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৩৫ বছর।

প্রশিক্ষণকালীন ভাতা ২৪,৫০০ থেকে ৩০,৫০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর বেতন-ভাতা ২৭,০০০ থেকে ৩৩,০০০ টাকা।

৯. পদের নাম এরিয়া কো-অর্ডিনেটর।

পদের সংখ্যা ১০টি।

আগ্রহী প্রার্থীকে স্নাতক / স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হতে হবে।

বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৪৫ বছর।

প্রশিক্ষণকালীন ভাতা ৪৩,০০০ থেকে ৪৮,০০০ টাকা। স্থায়ীকরণের পর বেতন-ভাতা ৪৬,৫০০ থেকে ৫২,৫০০ টাকা।

হেলথ প্রোগ্রাম

১০. পদের নাম মহিলা মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট

পদের সংখ্যা ৫০টি। চাকরির ধরন চুক্তিভিত্তিক।

আগ্রহী প্রার্থীকে ৪ বছরের এমএটিএস কোর্স সম্পন্নকারী হতে হবে।

বয়স হতে পারবে সর্বোচ্চ ৩০ বছর। বেতন ১৩,০০০ টাকা।

প্রশিক্ষণ ফি হিসেবে এরিয়া সুপারভাইজার, ফাইন্যান্স সুপারভাইজার, শাখা ব্যবস্থাপক, সিনিয়র রিলেশনশিপ অফিসার ও এরিয়া কো-অর্ডিনেটর পদের প্রার্থীদের ৫,০০০ টাকা ও অ্যাকাউন্ট্যান্ট পদের জন্য ৬,০০০ টাকা প্রশিক্ষণ ফি দিতে হবে।

প্রার্থীকে জীবনবৃত্তান্ত, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার কপি, জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, দুই জন রেফারেন্সকারীর নাম এবং ২ কপি পাসপোর্ট আকারের ছবিসহ আবেদনপত্র পাঠাতে হবে।

আবেদনপত্র পাঠানোর ঠিকানা: সিনিয়র ডিরেক্টর, এইচআর ডিপার্টমেন্ট, শক্তি ফাউন্ডেশন ফর ডিস-অ্যাডভান্টেজ উইমেন, বাড়ি নম্বর-৪, রোড নম্বর-১ (মেইন রোড), ব্লক-এ, সেকশন-১১, মিরপুর, পল্লবী, ঢাকা-১২১৬।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
সহকারী অধ্যাপক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রভাষক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২০তম গ্রেডে ১২ নিয়োগ দিচ্ছে নিবন্ধন অধিদপ্তর
আইন উপদেষ্টা ও প্যানেল অ্যাডভোকেট নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
চিকিৎসক নিচ্ছে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

শেয়ার করুন

নড়াইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নিয়োগ

নড়াইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নিয়োগ

খামের ওপরে প্রার্থীর নাম, পদের নাম, কোটা, ফোন নম্বর এবং নিজ জেলা উল্লেখ করতে হবে।

নড়াইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল শূন্য পদে জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। আগ্রহী প্রার্থীকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে ডাকে অথবা সরাসরি আবেদনপত্র পৌঁছাতে হবে।

১. পদের নাম: স্টেনোগ্রাফার

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি / সমমান

২. পদের নাম: বেঞ্চ সহকারী

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি / সমমান

৩. পদের নাম: গাড়িচালক

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: অষ্টম শ্রেণি পাস

৪. পদের নাম: অফিস সহায়ক

পদের সংখ্যা: ১টি

বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা

শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি / সমমান

প্রার্থীকে জন্মসূত্রে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

২০২১ সালের ২০ অক্টোবর প্রার্থীর বয়স ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধী, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান-পোষ্যদের ক্ষেত্রে বয়স ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

চাকরিরত প্রার্থীদের যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

প্রার্থীকে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। ফরম পেতে এখানে ক্লিক করুন।

খামের ওপরে প্রার্থীর নাম, পদের নাম, কোটা, ফোন নম্বর এবং নিজ জেলার নাম উল্লেখ করতে হবে।

আবেদনপত্রের সঙ্গে নিজ ঠিকানাসংবলিত ১২ টাকার ডাকটিকিট যুক্ত ৯.৫X৪.৫ ইঞ্চি মাপের একটি ফেরত খাম দিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:
সহকারী অধ্যাপক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রভাষক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২০তম গ্রেডে ১২ নিয়োগ দিচ্ছে নিবন্ধন অধিদপ্তর
আইন উপদেষ্টা ও প্যানেল অ্যাডভোকেট নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
চিকিৎসক নিচ্ছে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

শেয়ার করুন

কোটা ছাড়া সরকারি নিয়োগ হচ্ছে যেভাবে

কোটা ছাড়া সরকারি নিয়োগ হচ্ছে যেভাবে

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে নিয়োগে এখন কোনো কোটা নেই। ফাইল ছবি

২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা দেয়ার পর দেশের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরোটাই এখন হচ্ছে মেধার ভিত্তিতে। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগে এখনও বহাল আছে কোটা পদ্ধতি। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী আর শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা সংরক্ষণ করাটা জরুরি। না হলে সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন।

দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় সম্পৃক্ত করে কর্মসংস্থানসহ অন্যান্য সুবিধা দিতে সারা বিশ্বে সংরক্ষণ করা হয় কোটা। কিন্তু কোটা পদ্ধতির সংস্কার আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রথা বাতিল করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এরপর থেকে দেশের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ার পুরোটাই হচ্ছে মেধার ভিত্তিতে। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগে এখনও বহাল আছে কোটা পদ্ধতি।

জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী আর শারীরিক প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা সংরক্ষণ করাটা জরুরি। না হলে সামাজিক ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন। সুযোগ না পেলে অনগ্রসররা আরও পিছিয়ে যাবে বলেও মনে করেন তারা।

কোটা পদ্ধতির সংস্কার চেয়ে নানা সময় দেশে আন্দোলন দেখা গেলেও ২০১৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে এ দাবির পক্ষে বাড়তে থাকে জনমত। ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র সংরক্ষণ পরিষদ’-এর ব্যানারে শুরু হওয়া আন্দোলনে যোগ দিতে থাকেন বিভিন্ন পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও। শিক্ষাঙ্গনে শুরু হয় অচলাবস্থা। অবরুদ্ধ সড়কে শুরু হয় তীব্র যানজট। দুর্ভোগে পড়তে হয় নগরবাসীকে।

এমন বাস্তবতায় ২০১৮ সালের ১১ এপ্রিল সংসদে দাঁড়িয়ে কোটা পদ্ধতি বাতিলের ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ওই দিন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংস্কার সংস্কার বলে...সংস্কার করতে গেলে আরেক দল এসে বলবে আবার সংস্কার চাই। কোটা থাকলেই সংস্কার। আর কোটা না থাকলে সংস্কারের কোনো ঝামেলাই নাই। কাজেই কোটা পদ্ধতি থাকারই দরকার নাই।’

ওই বছরের ৪ অক্টোবর কোটা বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘৯ম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা হইবে।

‘৯ম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেডের (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হইল।’

কোটা ছাড়া সরকারি নিয়োগ হচ্ছে যেভাবে
সরকারি চাকরিতে কোটার বিরুদ্ধে ২০১৮ সালে দেশজুড়ে গড়ে উঠেছিল কঠোর আন্দোলন। ছবি: সংগৃহীত

এ প্রসঙ্গে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘কোটার যে বিষয়টি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করেছেন। সেভাবেই কিন্তু আমরা কোটা পদ্ধতি বাস্তবায়ন করছি। বিশেষ করে প্রথম শ্রেণির চাকরি, সেটা নবম গ্রেড থেকে শুরু করে ত্রয়োদশ গ্রেড পর্যন্ত মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া করে থাকি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘বিসিএস ক্যাডার হয়ে যারা ঢুকছেন, তারা কিন্তু নবম গ্রেডে ঢোকেন। সেখান থেকে শুরু করে প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণি চাকরির ক্ষেত্রে কোটার কোনো বিষয় নেই। এটা পুরোপুরি মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ কাজ সম্পন্ন হয়।’

তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দ্বিতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণি অর্থাৎ ১৪ থেকে ২০তম গ্রেডে কোটা পদ্ধতি বহাল আছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

১৩ থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত কোটা পদ্ধতির বিন্যাস তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এতিম এবং প্রতিবন্ধী যারা রয়েছেন তাদের জন্য ১০ শতাংশ রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটা সেখানে ৩০ শতাংশ আছে। নারী কোটা ১৫ শতাংশ। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যদি কেউ থাকেন, সেটা ৫ শতাংশ এবং আনসার ভিডিপির জন্য ১০ শতাংশ। অবশিষ্ট যা আছে ৩০ শতাংশ।’

উদাহরণ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো জেলায় যদি ২০ জন নিয়োগ হয়, একজন এতিম ও একজন প্রতিবন্ধী মিলিয়ে দুই জন। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় হবে ছয় জন। তারপর নারী কোটায় তিন জন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যদি কেউ থাকে, সেখান থেকে এক জন। আনসার ভিডিপি থেকে থাকবে দুই জন এবং অন্যান্য সাধারণ যারা, যারা মেধার সঙ্গে আছেন তারা থাকবেন ছয় জন। ২০ জন এভাবেই বিভক্তি হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন বলেন, ‘সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের জন্য অবশ্যই কোটা থাকা উচিত। কারণ মূলধারার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত করার সুযোগ থাকতে হবে।’

তাদের মূল স্রোতের সঙ্গে মেশাতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয় বলেও মনে করেন এই শিক্ষাবিদ।

বিষয়টি প্রতিমন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি বলেন, ‘আপাতত যেটা আছে, সেটা তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণির ক্ষেত্রে আমরা রেখেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে যদি সে রকম কোনো নির্দেশনা আগামীতে পাওয়া যায়, আমরা অবশ্যই সেভাবে নির্দেশনা বাস্তবায়ন করব।’

আরও পড়ুন:
সহকারী অধ্যাপক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রভাষক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২০তম গ্রেডে ১২ নিয়োগ দিচ্ছে নিবন্ধন অধিদপ্তর
আইন উপদেষ্টা ও প্যানেল অ্যাডভোকেট নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
চিকিৎসক নিচ্ছে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

শেয়ার করুন

১৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে আপিল

১৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে আপিল

২০ রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। ওই আদেশের পর আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারীরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ১ হাজার ৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টে খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে। শুনানির জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করেছে চেম্বার আদালত।

শনিবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী বিএম ইলিয়াস কচি। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ ও অ্যাটির্ন জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ।

এ সংক্রান্ত ২০ রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। ওই আদেশের পর আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারীরা।

রিট থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি ১ হাজার ৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সব ধরনের পরীক্ষা শেষে ২০২০ সালের ১৭ জানুয়ারি ফল প্রকাশ করা হয়।

তবে এতে কোটা পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ না করে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৩৪ প্রার্থী।

পরে ফল না পেয়ে চাকরিপ্রার্থী ৩৪ জন রিট আবেদন করে। এরপর একে একে ২০ রিট হয়। সব রিটের শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছে আদালত।

আরও পড়ুন:
সহকারী অধ্যাপক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
প্রভাষক নিচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
২০তম গ্রেডে ১২ নিয়োগ দিচ্ছে নিবন্ধন অধিদপ্তর
আইন উপদেষ্টা ও প্যানেল অ্যাডভোকেট নিচ্ছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
চিকিৎসক নিচ্ছে চট্টগ্রাম ডায়াবেটিক জেনারেল হাসপাতাল

শেয়ার করুন