ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে দেরি করা যাবে না: কাদের

ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে দেরি করা যাবে না: কাদের

প্রতীকী ছবি

কাদের বলেন, ‘ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের বিলম্ব তথা ধীরগতি আমাদের সকল অর্জনকে ম্লান করে দিয়েছে। তাই কোনোভাবেই আর বিলম্ব করা যাবে না।’

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে দেরি করায় মন্ত্রণালয়ের সব অর্জন ম্লান হয়ে যাচ্ছে বলে সংস্থাটির সমালোচনা করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বনানীতে মঙ্গলবার বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) প্রধান কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

কাদের বলেন, ‘করোনাকালে ফ্লাইট বন্ধ থাকলেও এখন বিভিন্ন দেশে ফ্লাইট চালু হওয়ায় দেশের জনশক্তি রপ্তানি শুরু হয়েছে। এমতাবস্থায় বিদেশগামী আবেদনকারীদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান জরুরি হয়ে পড়েছে।

‘ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানের বিলম্ব তথা ধীরগতি আমাদের সকল অর্জনকে ম্লান করে দিয়েছে। তাই কোনোভাবেই আর বিলম্ব করা যাবে না।’

এ সময় বাংলা ভাষায় ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশনাও দেন মন্ত্রী।

সভায় রাজনৈতিক বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘অগণতান্ত্রিক পথে দল পরিচালনা করে বিএনপি দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে, এ কথা জনগণ এখন আর বিশ্বাস করে না।

‘আওয়ামী লীগ সব সময় বিএনপির অপরাজনীতির বিষয়ে কথা বলে আসছে। এখন বিএনপিপন্থি বুদ্ধিজীবীরাই তাদের অনিয়ম নিয়ে মুখ খুলতে শুরু করছেন।’

তিনি বলেন, ‘মুখে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ফাঁকা বুলি ছাড়লেও নিজ দলে গণতন্ত্রহীনতা এবং নেতৃত্ব নির্বাচনে গণতন্ত্রবহির্ভূত কাজ করা চোখে আঙুল দিয়ে বিএনপিকে দেখিয়ে দিয়েছেন তাদেরই সমর্থিত একজন বুদ্ধিজীবী। এরই মাধ্যমে বিএনপির থলের বিড়াল এক এক করে বের হতে শুরু করেছে। অন্ধ হলে কি প্রলয় বন্ধ থাকে? তাই বিএনপির গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।

‘বিএনপি দিন-রাত সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে, বিষোদগার করছে। শেখ হাসিনা সরকার তা সহ্য করে যাচ্ছে উদারতা দিয়ে।’

এ সময় বিএনপিকে পরশ্রীকাতর ও অসহিষ্ণু রাজনীতির ধারক বলেও মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, ‘গত এক যুগ ধরে দেশ রাজনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বলে বিএনপি নেতারা কাল্পনিক অভিযোগ তুলেছেন। প্রকৃতপক্ষে গত এক যুগ ধরে বিএনপির রাজনীতিই গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাদের রাজনীতি এখন সংকটের খাদের কিনারে অবস্থান করছে।

‘রাজনীতি আর মিথ্যাচার বিএনপিকে হতাশায় নিমজ্জিত করেছে। তাদের প্রতি জনগণের আস্থাহীনতা- এ সংকটের জন্য বিএনপির অপরাজনীতিই দায়ী।’

সভায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে একযোগে কাজ করার আহ্বানও জানান কাদের। তিনি বলেন, ‘পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান অব্যাহত রাখতে হবে।’

এ সময় বিশ্বব্যাংকের সমালোচনাও করেন তিনি। কাদের বলেন, ‘সড়ক নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে সময়ক্ষেপণ গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের কথার সঙ্গে কাজের মিল নেই।

‘বিশ্বব্যাংক অহেতুক বিলম্ব করলে আমরা নিজস্ব অর্থায়নে সড়ক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করব। আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে পারলে সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পও নিজেরা করতে পারব।’

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের
বিএনপি পরাজিত অপশক্তির মুখপাত্র: কাদের
তোয়াজ-তোষণের ফল শুভ নয়: কাদের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিন: দুদককে কাদের

অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিন: দুদককে কাদের

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা

সড়কমন্ত্রী বলেন, ‘দুদককে আহ্বান জানাচ্ছি, আমার মন্ত্রণালয়ের কোথাও কোনো দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন। তদন্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে পারেন। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে আমি কোনো আপত্তি করব না। কোনো হস্তক্ষেপ করব না।’

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বলেছেন, মন্ত্রী হিসেবে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ করবেন না তিনি।

ঢাকার সরকারি বাসভবন থেকে সোমবার ভিডিও কনফারেন্সে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘দুদককে আহ্বান জানাচ্ছি, আমার মন্ত্রণালয়ের কোথাও কোনো দুর্নীতির অভিযোগ থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারেন। তদন্ত করে শাস্তির আওতায় আনতে পারেন।’

তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে আমি কোনো আপত্তি করব না। কোনো হস্তক্ষেপ করব না।’

দুর্নীতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ সামনে এনে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মন্ত্রীদেরও এটা অনুসরণ করতে হবে। দুর্নীতি যেন না হয় সে জন্য প্রত্যেকের জায়গা থেকে যথেষ্ট সচেতন থাকতে হবে। যারা দুর্নীতি করে, অনিয়ম করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

অনিয়ম বন্ধে বিআরটিসি কর্মকর্তাদের কঠোর অবস্থানে যেতে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির ব্যবহারে দুর্নীতি কমে আসে। আমরা বিআরটিসির ক্ষেত্রে বেশ কিছু সেবা অনলাইনে চালু করেছি।

‘শেখ হাসিনা সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। কাজেই বিআরটিসির মতো সেবামূলক প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতি যেন বাসা বাঁধতে না পারে সে ব্যাপারে চেয়ারম্যানসহ সব কর্মকর্তাকে সতর্ক থাকতে হবে।’

যেকোনো মূল্যে বিআরটিসিকে সুনামের ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে বলেও জানান সড়কমন্ত্রী।

লকডাউন শেষে পরিবহনে আবারও যাত্রীদের চাপ বেড়েছে। এ অবস্থায় যাত্রীদের সুবিধায় ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে বিআরটিসি রাজধানীর উত্তরায় চক্রাকার বাস সেবা চালু করেছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার পর ধানমন্ডি এলাকায় চক্রাকার বাস সেবা পুনরায় চালুর প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের
বিএনপি পরাজিত অপশক্তির মুখপাত্র: কাদের
তোয়াজ-তোষণের ফল শুভ নয়: কাদের

শেয়ার করুন

বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে জাবির প্রস্তুতি

বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে জাবির প্রস্তুতি

বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রাধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান বলেন, ‘হলের বাইরে বেসিন, সাবান ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা হাত মুখ ধুয়ে হলে প্রবেশ করতে পারে।’

প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য এরই মধ্যে শেষের দিকে একাডেমিক ভবন ও হল পরিচ্ছন্নতার কার্যক্রম।

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়ে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রাধ্যক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাধ্যক্ষ কমিটির সভাপতি মুজিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সব হলের সংস্কার কাজ শেষ হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ওঠার জন্য সব হল প্রস্তুত। স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ফুল লেয়ারের তিনটি করে মাস্ক দেয়া হবে, যা অনায়াসে তিন থেকে চার মাস ব্যবহার করতে পারবেন তারা।’

তিনি আরও বলেন, ‘হলের বাইরে বেসিন, সাবান ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা করা হয়েছে যাতে শিক্ষার্থীরা হাত-মুখ ধুয়ে হলের প্রবেশ করতে পারে। পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে প্রতিটি হলে ইলেক্ট্রিক ওয়াটার ফিল্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের কোয়ারেন্টিনের বিষয়ে এই শিক্ষক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেহেতু বাইরে থেকে হলে উঠবে, তাই প্রথম ১৪ দিন তাদের হল থেকেই অনলাইনে ক্লাস-পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে সশরীরে ক্লাস করতে পারবে তারা।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের খোলার বিষয়ে জাবির প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক নুরুল আলম বলেন, ‘আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সিন্ডিকেট সভা হবে। সে সভায় বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের
বিএনপি পরাজিত অপশক্তির মুখপাত্র: কাদের
তোয়াজ-তোষণের ফল শুভ নয়: কাদের

শেয়ার করুন

১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের প্রতিবাদে রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের সব প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কীভাবে ঘটল, (এ বিষয়ে) আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাকে বলেছেন একটি উৎসের কথা। আমার মনে হয় এটি পুরোপুরি ভুল বোঝাবুঝি। এটি কোথা থেকে এসেছে, কী হয়েছে সেটি খতিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

১১ সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠি অপ্রত্যাশিত বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা কীভাবে ঘটল, (এ বিষয়ে) আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি আমাকে বলেছেন একটি উৎসের কথা। আমার মনে হয় এটি পুরোপুরি ভুল বোঝাবুঝি।

‘এটি কোথা থেকে এসেছে, কী হয়েছে সেটি খতিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সাংবাদিক নেতাদের ব্যাংক হিসাব তলবের প্রতিবাদে সারা দেশে ২৩ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন সংগঠন।

রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর দেশের সব প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে।

১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ছবি: নিউজবাংলা

গণমাধ্যম ও সরকারের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করতেই এটা করা হয়েছে অভিযোগ করে কর্মসূচিতে বলা হয়, এর সন্তোষজনক সমাধান না হলে আন্দোলন চলবে।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন ও সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খানসহ ১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট, বিএফআইইউ।

অন্য যাদের হিসাব দিতে বলা হয়েছে, তারা হলেন: বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, বিএফইউজের সভাপতি মোল্লা জালাল, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আবদুল মজিদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, বিএফইউজের সভাপতি এম আবদুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানী ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খান।

আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি, ট্রানজেকশন প্রোফাইল, শুরু থেকে এখন পর্যন্ত লেনদেনের বিবরণী উল্লেখ করে এই প্রতিবেদন চাওয়া হয়েছে।

গত বুধবার সংবাদ সম্মেলনে করে এই ১১ নেতা বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে ভয়ভীতি ছড়ানোর কৌশল হতে পারে এই আদেশ। সেদিনই রোববার মানববন্ধনের ডাক দেয়া হয়।

১১ সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব তলব অপ্রত্যাশিত: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। ফাইল ছবি

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এই কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোল্লা জালাল বলেন, ‘যেভাবে হিসাব চাওয়া হয়েছে তা নজিরবিহীন। আমরা রাষ্ট্রের কাছে এর ব্যাখা চাই। এর নিরসন চাই। উৎকণ্ঠা দূর করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের
বিএনপি পরাজিত অপশক্তির মুখপাত্র: কাদের
তোয়াজ-তোষণের ফল শুভ নয়: কাদের

শেয়ার করুন

লেনদেনের জেরে মিষ্টি ব্যবসায়ীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ১

লেনদেনের জেরে মিষ্টি ব্যবসায়ীকে হত্যা, গ্রেপ্তার ১

মিষ্টি ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত রাজুকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। ছবি: নিউজবাংলা

বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর জানান, নারায়ণ চন্দ্র ঘোষ মিষ্টি তৈরি করে বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করতেন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে অভিযুক্ত রাজুর কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাজু নারায়ণ চন্দ্রের গলায় খুরের পোঁচ দিয়ে তাকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে পাশের একটি পানির পাম্পের কাছে ফেলে রাখেন।

চাঁদপুর শহরে পাওনা টাকার জেরে খুর দিয়ে এক মিষ্টি ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিলেট থেকে রোববার অভিযুক্ত রাজু চন্দ্র শীলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত ব্যবসায়ীর নাম নারায়ণ চন্দ্র ঘোষ।

সিআইডি মিডিয়া সেন্টারে সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান বিশেষ পুলিশ সুপার মুক্তা ধর।

তিনি বলেন, নারায়ণ চন্দ্র ঘোষ মিষ্টি তৈরি করে বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করতেন। গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে অভিযুক্ত রাজুর কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাজু নারায়ণ চন্দ্রের গলায় খুরের পোঁচ দিয়ে তাকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে পাশের একটি পানির পাম্পের কাছে ফেলে রাখেন।

১৬ সেপ্টেম্বর শহরের বিপনীবাগ মার্কেটের পৌর পানির পাম্প স্টাফ রুমের পাশ থেকে নারায়ণ চন্দ্রের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ছায়া তদন্ত শুরু করে সিআইডি।

তিনি আরও বলেন, হত্যার পর দোকানের রক্ত পরিষ্কারের সময় বাজারের নৈশপ্রহরী ইসমাইল বকাউল অভিযুক্তকে প্রশ্ন করলে রাজু জানায়, ‘ধর্মীয় উৎসবের কারণে দোকান পরিষ্কার করে পুরোনো কাপড়সহ ময়লা জিনিসপত্র বস্তায় করে নিয়ে যাচ্ছি।’

মুক্তা ধর আরও বলেন, ‘ঘটনার রাত থেকে রাজু পলাতক। প্রথমে ঢাকা ও হবিগঞ্জ এবং পরে সিলেট শহরে গিয়ে গা-ঢাকা দেন তিনি।’

কত টাকার লেনদেন ছিল এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদে খুব অল্প টাকার কথা বলেছে। তদন্তের স্বার্থে এখন কিছুই বলা যাচ্ছে না। তাকে রিমান্ডে নিলে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের
বিএনপি পরাজিত অপশক্তির মুখপাত্র: কাদের
তোয়াজ-তোষণের ফল শুভ নয়: কাদের

শেয়ার করুন

দূষিত পানি: হাইকোর্টে পরিকল্পনা জানাবে ওয়াসা

দূষিত পানি: হাইকোর্টে পরিকল্পনা জানাবে ওয়াসা

ওয়াসার দূষিত পানি দিয়ে বানানো শরবত সংস্থাটির এমডিকে পান করাতে চেয়েছিলেন মিজানুর রহমান (ডানে) নামের এক অধিকারকর্মী। ছবি: সংগৃহীত

ওয়াসার পানিতে দুর্গন্ধ কিংবা পানি পানের উপযোগী না থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সংস্থাটির পানি দিয়ে এমডিকে শরবত পান করাতে গিয়ে সংবাদের শিরোনাম হয়েছিলেন মিজানুর রহমান নামের এক অধিকারকর্মী।

দূষিত পানি রোধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী, তা হাইকোর্টকে জানাবে ওয়াসা।

আগামী ২ নভেম্বর বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চে ওয়াসা তাদের পরিকল্পনা জানাবে।

ওয়াসার পানিতে দুর্গন্ধ কিংবা পানি পানের উপযোগী না থাকার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। সংস্থাটির পানি দিয়ে এমডি তাকসিম এ খানকে শরবত পান করাতে গিয়ে সংবাদের শিরোনাম হয়েছিলেন মিজানুর রহমান নামের এক অধিকারকর্মী।

দূষিত পানি নিয়ে করা রিটের আইনজীবী তানভীর আহমেদ বলেন, ‘দীর্ঘদিন পরে আজ শুনানির জন্য মামলাটি তালিকায় আসে। এরপর আদালতে বলেছি, ২ বছর ধরে তারা কী করেছে, দূষিত পানি রোধে ওয়াসা কী ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে, নিচ্ছে এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা কী- এসব বিষয় উপস্থাপনের পর ওয়াসা জানিয়েছে, তারা আগামী ২ নভেম্বরের মধ্যে বিষয়গুলো আদালতকে জানাবে।’

এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ৬ নভেম্বর ঢাকা ওয়াসার পানি পরীক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করে চার সদস্যের কমিটি গঠনের আদেশ দেয় হাইকোর্ট।

২০১৯ সালের ১৮ এপ্রিল স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের কমিটি গঠন করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

কমিটির সদস্যরা হলেন আইসিডিডিআরবির জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী মনিরুল আলম, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক এ বি এম বদরুজ্জামান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান সাবিতা রিজওয়ানা রহমান।

পানি পরীক্ষায় গঠিত কমিটির প্রতিবেদন ২০১৯ সালের ৭ জুলাই আদালতে উপস্থাপন করা হয়। সেই প্রতিবেদনে ঢাকা ওয়াসার ১০টি বিতরণ জোনের ৩৪টি নমুনার মধ্যে ৮টিতে ব্যাকটেরিয়াজনিত দূষণ রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

ওই সময় ওয়াসার আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এম মাসুম বলেছিলেন, সমন্বিত প্রতিবেদন আসার পর জোন-১ ও জোন-৪-এর একটি এবং পাতলা খান লেনে পাওয়া একটি নমুনায় যে ব্যাকটেরিয়া পাওয়া যায়, তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। সেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া হলো ফেকেল ও ই-কোলাই।

প্রতিবেদনের সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন ব্যারিস্টার মাসুম।

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের
বিএনপি পরাজিত অপশক্তির মুখপাত্র: কাদের
তোয়াজ-তোষণের ফল শুভ নয়: কাদের

শেয়ার করুন

১৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাজে যোগ দিতে বাধা নেই

১৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাজে যোগ দিতে বাধা নেই

এই নিয়োগে কোটা পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ না করে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেছিলেন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৩৪ প্রার্থী।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ১ হাজার ৬৫০ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ নিয়ে হাইকোর্টের খারিজ আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। এর ফলে নিয়োগ পাওয়াদের কাজে যোগ দিতে কোনো বাধা নেই।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ আবেদনটি সোমবার খারিজ করে দেয়।

এর আগে শনিবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এ আবেদনের শুনানির জন্য আজকের তারিখ ঠিক করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ মোর্শেদ।

রিট থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি ১ হাজার ৬৫০ জন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সব ধরনের পরীক্ষা শেষে ২০২০ সালের ১৭ জানুয়ারি ফল প্রকাশ করা হয়।

তবে এতে কোটা পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরণ না করে প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর আবেদন করেন মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৩৪ প্রার্থী।

পরে ফল না পেয়ে চাকরিপ্রার্থী ৩৪ জন রিট আবেদন করে। এরপর একে একে ২০ রিট হয়। এ সংক্রান্ত ২০ রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল বৃহস্পতিবার খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট।

পরে হাইকোর্টের ওই আদেশের পর আপিল বিভাগে আবেদন করেন রিটকারীরা। চেম্বার বিচারপতি সেই আবেদনের শুনানির জন্য আপিলের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়। আপিল বিভাগ শুনানি নিয়ে আবেদনটি ডিসমিস (খারিজ) করে দেয়।

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের
বিএনপি পরাজিত অপশক্তির মুখপাত্র: কাদের
তোয়াজ-তোষণের ফল শুভ নয়: কাদের

শেয়ার করুন

দেড় লাখের বেশি ইয়াবাসহ আটক ১

দেড় লাখের বেশি ইয়াবাসহ আটক ১

উখিয়ায় ইয়াবা কেনা-বেচার সময় সাদ্দাম হোসেনকে আটক করে বিজিবি। ছবি : নিউজবাংলা

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ বলেন, বিজিবির রেজুআমতলী বিওপির সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তথ্য পেয়ে উখিয়ার ঠান্ডার মিয়ার বাগান পূর্ব দরগারবিলে অবস্থান নেয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইয়াবা কেনা-বেচা করার সময় সাদ্দাম হোসেনকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা বস্তা তল্লাশি করে এক লাখ ৬০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ করা হয়।

কক্সবাজারে ১ লাখ ৬০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবাসহ একজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

উখিয়ায় রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটক করা ব্যক্তির নাম সাদ্দাম হোসেন।

কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার আজাদ আহমেদ সোমবার গণমাধ্যমে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজিবির কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের রেজুআমতলী বিওপির সদস্যরা জানতে পারে চোরাকারবারিরা রোববার মিয়ানমার থেকে দেশে ইয়াবার চালান নিয়ে আসবে। এমন তথ্য পেয়ে বিজিবির টহলদল উখিয়ার ঠান্ডার মিয়ার বাগান পূর্ব দরগারবিলে অবস্থান নেয়।

সেখানে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইয়াবা কেনা-বেচা করার সময় সাদ্দাম হোসেনকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা বস্তা তল্লাশি করে এক লাখ ৬০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এ বছর এখন পর্যন্ত চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ৩৭ লাখ ৭৪ হাজার ৪০৬ পিস বার্মিজ ইয়াবা জব্দ ও ১৭৫ জনকে আটক করেছে কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন।

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের
বিএনপি পরাজিত অপশক্তির মুখপাত্র: কাদের
তোয়াজ-তোষণের ফল শুভ নয়: কাদের

শেয়ার করুন