শিক্ষিত যুবকরাও ফুড ডেলিভারিতে

শিক্ষিত যুবকরাও ফুড ডেলিভারিতে

রাজশাহীতে ফুড ডেলিভারিতে ঝুঁকছেন শিক্ষিত যুবকরা। ছবি: নিউজবাংলা

অনলাইনে খাবার সরবরাহ নিয়ে কয়েক বছর আগেও রাজশাহীতে তেমন আগ্রহ ছিল না কারও। এ মাধ্যমে ক্রেতা মিলবে এটা নিয়ে বিক্রেতাদের ছিল নানা সন্দেহ। আবার চাহিদা মতো কেউ বাড়িতে খাবার সরবরাহ করবে, এটাতেও আস্থা ছিল না সাধারণ ক্রেতাদের। তবে সম্প্রতি করোনার মধ্যে বদলে গেছে এই ধারণা। বিভাগীয় শহরটিতে দিন-দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ফুড ডেলিভারি।

রাজশাহী মহানগরীর ধরমপুর আলমের মোড় এলাকায় জাহিদুল ইসলাম পলাশ বিদ্যুৎ দুর্ঘটনায় দুই পা হারিয়েছিলেন প্রায় ১০ বছর। পলাশের বয়স ২২ বছর। এই অবস্থায় পাস করেছেন এসএসসি ও এইচএসসি।

পড়াশোনার মাঝেও কম্পিউটারের প্রশিক্ষণ নিয়ে কিছুদিন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করেছেন। তবে সেখানে সুবিধা করতে পারছিলেন না তিনি। এরপরই তিনি যোগ দেন রাজশাহী ফুডপান্ডার রাইডার হিসেবে। এতেই বদলে গেছে তার জীবন।

রাজশাহীতে পলাশের মতো এমন শিক্ষিত যুবক অনেকে। তাদের অধিকাংশের খণ্ডকালীন চাকরি হিসেবে প্রথম পছন্দ এখন অনলাইন ফুড ডেলিভারি।

অথচ অনলাইনে খাবার সরবরাহ নিয়ে কয়েক বছর আগেও তেমন আগ্রহ ছিল না কারও। এ মাধ্যমে ক্রেতা মিলবে, এটা নিয়ে বিক্রেতাদের ছিল নানা সন্দেহ। আবার চাহিদা মতো কেউ বাড়িতে খাবার সরবরাহ করবে, এটাতেও আস্থা ছিল না সাধারণ ক্রেতাদের।

তবে সম্প্রতি করোনার মধ্যে বদলে গেছে এই ধারণা। বিভাগীয় শহরটিতে দিন-দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ফুড ডেলিভারি। এ পেশায় ঝুঁকছেন শিক্ষিত যুবকরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজশাহীতে এ পেশায় আছেন অন্তত ৮০০ জন। ছোট-বড় মিলিয়ে ৪৮টি প্রতিষ্ঠান এ ব্যবসায় সম্পৃক্ত। চাহিদা এতটাই বেশি অনেক শিক্ষিত যুবক চাইলেও সুযোগ পাচ্ছেন না।

রাজশাহী শহরের বড় রাস্তা থেকে শুরু করে গলি পথগুলোতে প্রায় সময়ই চোখে পড়ে কোনো না কোনো প্রতিষ্ঠানের ডেলিভারি ম্যান। সব থেকে বেশি চোখে পড়ে ফুডপান্ডার। তবে রাজশাহীর কিছু নতুন উদ্যোক্তাদেরও বিভিন্ন কোম্পানির নামে ডেলিভারি করতে দেখা গেছে।

পলাশ জানান, দুর্ঘটনার পর তিনি হাসপাতালে সাত মাস ভর্তি ছিলেন। তার বাম পা হাঁটুর নিচ থেকে কেটে ফেলতে হয়েছে। কাটতে হয়েছে ডান পায়ের তিনটি আঙুল। এ পা কাজ করে না। কোনো অনুভূতি নেই। আগে তিনি হুইলচেয়ারে চলতেন। পরে তৈরি করেন একটি ব্যাটারিচালিত ছোট রিকশা। সেই রিকশা নিয়েই তিনি হয়েছেন ফুডপান্ডার রাইডার।

তিনি বলেন, ‘ফুডপান্ডার রাইডারদের দেখতাম তারা খাবার নিয়ে ছুটে চলছেন। আমিও উৎসাহী হই। ফুডপান্ডার রাজশাহী অফিসে যাই। প্রথমে তারা আমাকে কাজ দিতে আগ্রহী হয়নি। আমি তাদের আশ্বাস দিলে তারা আমাকে চাকরি দেয়। বর্তমানে এক শিফটে তিন ঘণ্টা করে কাজ করছি। প্রায় এক বছর ধরে এই পেশায় ভালোই আয় করছি।’

পলাশের মতো আরেক রাইডার জাওয়াদ সজল এসেছিলেন রাজশাহীর সাহেববাজার এলাকায় খাবার দিতে। তিনি বলেন, ‘পড়াশোনার পাশাপাশি আমরা বিভিন্ন কাজ করে থাকি। তবে এই পেশাটি বেশ ভালো। এখানে আয়ও বেশি হয়।

‘আমাদের প্রায় বন্ধু-বান্ধবই পার্টটাইম জব হিসেবে এই পেশায় আছি। গড়ে প্রতিদিন ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকা আয় হয়। এ জন্য আমাদের সময় দিতে হয় ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা।’

শিক্ষিত যুবকরাও ফুড ডেলিভারিতে

নগরীর লক্ষ্মীপুরে রেস্তোরাঁ থেকে খাবার নিচ্ছিলেন সজিব আলী। তিনি আগে রিকশা চালাতেন। এখন সাইকেল কিনে এ পেশায় এসেছেন।

রিকশার থেকে এতে আয় বেশি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘লকডাউনে যখন বের হতে পারছিলাম না, তখন খাবার ডেলিভারি চলছিল। এটি দেখে আমি এই পেশায় এসেছি। এখন আগের থেকে বেশ ভালোই রোজগার হচ্ছে।’

তিনি জানান, পেশা বদলানোয় প্রথমে একটু ঝামেলায় পড়তে হয়েছিল। তবে পড়াশোনা জানা থাকায় বুঝে নিয়ে এখন ভালো মতোই কাজ করছেন। সময়মতো খাবারও ডেলিভারি দিচ্ছেন।

অনলাইনে নিয়মিত খাবার অর্ডার দেন রাজশাহীর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সময় কম থাকে, তাই বাসায় গিয়ে খেতে পারি না। তাই খাবারের সময় হবার আগে অর্ডার দিই। তারা খাবার দিয়ে যায়। আমরা সময় মতো সেই খাবার পেয়ে যাই। সেবাটা বেশ ভালো।’

ফুডপান্ডার রাজশাহীর শিফট ম্যানেজমেন্ট এক্সিকিউটিভ রকিবুল হাসান রবিন বলেন, ‘আমাদের এখানে প্রতিদিনই কাজের জন্য মানুষ আসে। বর্তমানে আমাদের রাইডার আইডি আছে প্রায় ৬০০। তাদের মধ্যে কাজ করে ৪০০ জন। গড়ে প্রতিদিন কাজ করে ২০০ জন।

‘ভালো চাহিদা আছে এ পেশায়। আমরা মাঝেমধ্যেই রাইডার বাড়াচ্ছি।’

রাজশাহীর প্রথম খাবার ডেলিভারি ওয়েবসাইট ফুডশাহী। এটি এখন অ্যাপে চলে এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর আতিকুল হক বলেন, ‘প্রতিদিনই এই কাজের চাহিদা বাড়ছে। এতে ভালো আয় হচ্ছে। আমার প্রতিষ্ঠানে এখন ২৫ জন কাজ করে।

‘তবে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কারণে এটি পিছিয়ে আছে। আমাদের সরকারি সহযোগিতা দরকার। তাহলে দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে যাবে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে ফুডপান্ডা ৩ নম্বর অবস্থানে আছে। অথচ এই দেশে ১ নম্বরে। কারণ আমাদের দেশি প্রতিষ্ঠানের প্রতি সরকারের কোনো উদ্যোগ নেই।’

ফুড অ্যহোলিকের সিইও মুরশেদ জামান বলেন, ‘আমার এখানে ৪৯ জন কাজ করে। বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সাথে আমরা পারছি না। তারা ধামাকা অফার দিচ্ছে। এ জন্য আমরা পারছি না। আমরা বেশ কিছু সমস্যায় আছি। আমরা সরকারের কাছে প্রণোদনা চাই না। আমাদের ঋণের ব্যবস্থা করে দিলেই হবে।

‘আমাদের ভ্যাট দিতে হয়। আবার খাবারটা কেনার সময় কাস্টমারের ভ্যাট দিতে হয়। তাহলে দুইবার ভ্যাট দিতে হচ্ছে। এগুলো ঠিক করলে, সরকারি নজরদারি থাকলে, ভালো কিছু করা সম্ভব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ পেশায় অনেকেই আছেন স্টুডেন্ট। তারা মাসে বাড়তি আয় করছেন। গড়ে কেউ কেউ মাসে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। এটির মাধ্যমে ভালো কর্মসংস্থান হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকারের নজর বাড়লে আরও উন্নতি হবে এই সেক্টরের।’

আরও পড়ুন:
হোম ডেলিভারি সচলে ৩ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ
কুরিয়ারে ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা সরাসরি ব্যাংকে
আগ্রহ বাড়ছে ডেলিভারি পেশায়

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পতাকা অবমাননা: বেরোবির শিক্ষকসহ ১৯ জনের বিচার শুরু

পতাকা অবমাননা: বেরোবির শিক্ষকসহ ১৯ জনের বিচার শুরু

বিজয় দিবসে জাতীয় পতাকা বিকৃত করে ছবি তুলে সমালোচিত হয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক। ছবি: সংগৃহীত

আসামিপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম জানান, যেহেতু আসামিরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল ছিল। তাই তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে আদালতে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আদালত তা নাকচ করেছে। 

জাতীয় পতাকা বিকৃত করে প্রদর্শন এবং অবমাননার অভিযোগে করা মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেছে আদালত। এর মাধ্যমে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

রংপুর মেট্রোপলিটন আমলি আদালত-২-এর হাকিম আল-মেহবুব মঙ্গলবার দুপুরে এ আদেশ দেন। এর আগে আসামিদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে আবেদন করেন আইনজীবী জহিরুল আলম।

মামলার আসামিরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের তাবিউর রহমান প্রধান, গণিত বিভাগের আর এম হাফিজুর রহমান, বাংলা বিভাগের পরিমল চন্দ্র বর্মণ, অর্থনীতি বিভাগের মোরশেদ হোসেন, পরিসংখ্যান বিভাগের রশিদুল ইসলাম ও শাহ জামান, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের নুর আলম সিদ্দিক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের কামরুজ্জামান, মার্কেটিং বিভাগের মাসুদ উল হাসান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সদরুল ইসলাম সরকার, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রদীপ কুমার সরকার।

পরিসংখ্যান বিভাগের চার্লস ডারউইন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের রামপ্রসাদ বর্মণ, ভুগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শামীম হোসেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মো. রহমতউল্লাহ, রসায়ন বিভাগের মোস্তফা কাইয়ুম শারাফাত, ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সোহাগ আলী, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আবু সায়েদ এবং পরিসংখ্যান বিভাগের সেকশন অফিসার শুভঙ্কর চন্দ্র সরকার।

এর আগে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি পুলিশের প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে মামলা থেকে বাদ দিয়ে অভিযোগপত্র দিয়েছিল পুলিশ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রফিক হাসনাইন বলেন, আদালত চার্জ গঠন করেছেন। এখন এই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হবে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘যেহেতু আসামিরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা, এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল ছিল। তাই তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দিতে আদালতে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু আদালত নাকচ করেছে।’

গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান শেষে বিকৃত নকশার জাতীয় পতাকা নিয়ে ছবি তোলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ শিক্ষক কর্মকর্তা। পরদিন ১৭ ডিসেম্বর জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ এনে মেট্রোপলিটন তাজহাট থানায় লিখিত অভিযোগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের শিক্ষক মশিউর রহমান ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি আরিফুল ইসলাম। পরে এই অভিযোগ মামলা হিসেবে নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
হোম ডেলিভারি সচলে ৩ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ
কুরিয়ারে ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা সরাসরি ব্যাংকে
আগ্রহ বাড়ছে ডেলিভারি পেশায়

শেয়ার করুন

ঘরের মেঝেতে শিক্ষকের মরদেহ

ঘরের মেঝেতে শিক্ষকের মরদেহ

রাজশাহীতে নিজ বাড়ি থেকে অবসর পাওয়া প্রধান শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি নিবারণ চন্দ্র বর্মন জানান, সুরতহালে মরদেহের গলায় দাগ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার পর স্বর্ণালংকার ও মোবাইল লুট করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আরও নিশ্চিত করে সব বলা যাবে।

রাজশাহীতে নিজ বাড়ি থেকে অবসর পাওয়া প্রধান শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নগরীর কুমারপাড়া ঘোষপাড়া মহল্লার একটি বাড়ি থেকে মঙ্গলবার বেলা ২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মায়া রাণী ঘোষ রাজশাহী নগরীর মন্নুজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন ২০১০ সালে।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে বোয়ালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন জানান, মায়া রাণী অবিবাহিত ছিলেন। বাড়িতে একাই থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে গৃহকর্মী হেনা ঘোষ বাড়িতে গিয়ে তাকে চা বানিয়ে দেন। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মায়া রাণীর পালিত মেয়ে পুতুল ঘোষ শ্বশুরবাড়ি থেকে ওই বাড়িতে যান।

এ সময় একটি ঘরের মেঝেতে মায়া রাণীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন পুতুল। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়।

ওসি আরও জানান, সুরতহালে মরদেহের গলায় দাগ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, তার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে হত্যার পর স্বর্ণালংকার ও মোবাইল লুট করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আরও নিশ্চিত করে সব বলা যাবে।

পুলিশ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার কাজ শুরু করেছে বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
হোম ডেলিভারি সচলে ৩ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ
কুরিয়ারে ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা সরাসরি ব্যাংকে
আগ্রহ বাড়ছে ডেলিভারি পেশায়

শেয়ার করুন

জাতিকে ধর্ম দিয়ে বিভক্তের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

জাতিকে ধর্ম দিয়ে বিভক্তের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে: নৌ প্রতিমন্ত্রী

নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি নষ্ট করে দেশকে বিভক্তের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন জিয়াউর রহমান, এরশাদ ও খালেদা জিয়া।

হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি নষ্ট করে দেশকে বিভক্তের চেষ্টা করে জিয়াউর রহমান, এরশাদ ও খালেদা জিয়া ব্যর্থ হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার দুপুরে দিনাজপুরের বিরলে শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের (গৌরাঙ্গ আশ্রম) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘ইতোমধ্যে অনেকবার ধর্ম নিয়ে জাতিকে বিভক্ত করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু তারা কখনই সফল হয়নি।’

এ সময় বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘দেশের মানুষ কীভাবে ভালো থাকবে বিএনপি কখনই সে কথা বলে না। তারা শুধু এতিমের টাকা আত্মসাৎ করা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি করে। সাত সমুদ্র তের নদীর ওপারে এক অপরাধী বসে আছে, তারা তার সঙ্গে যোগাযোগ করে দেশ দখলের পরিকল্পনা করে।

‘নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে হত্যা করে মীরজাফরের হাত ধরে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতবর্ষ শাসন করেছে। আজকে লন্ডনে বসে তারেক রহমান ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মতো স্বপ্ন দেখছে। হত্যাযজ্ঞ ও নৈরাজ্যের বিনিময়ে তিনি দেশ দখল করতে চান।’

মন্দিরের সভাপতি নারায়ণ চন্দ্রের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিরলের ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াজেদ মিয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র সবুজার সিদ্দিক সাগর এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রমাকান্ত রায়।

আরও পড়ুন:
হোম ডেলিভারি সচলে ৩ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ
কুরিয়ারে ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা সরাসরি ব্যাংকে
আগ্রহ বাড়ছে ডেলিভারি পেশায়

শেয়ার করুন

১১ ‘জঙ্গি’কে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ

১১ ‘জঙ্গি’কে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ

দিনাজপুরে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার ১১ জনকে মঙ্গলবার আদালতে আনা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

১৬ সেপ্টেম্বর রাতে সদর উপজেলার ২টি মসজিদ, বিরল উপজেলার ১টি ও বোচাগঞ্জ উপজেলার ১টি মসজিদে ঢাকার কাউন্টার টেররিজম ইউনিট অভিযান চালিয়ে ৪৫ জন আটক করে।

দিনাজপুরে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার ১১ জনকে আলাদা মেয়াদে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছে আদালত।

১১ জনের মধ্যে ছয় জনকে এক দিন করে, পাঁচ জনকে দুই দিন করে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছে দিনাজপুরের তিনটি আলাদা আদালতের বিচারক।

মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত শুনানি হয়।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন দিনাজপুর আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান।

তিনি জানান, জেলা মুখ্য বিচারিক হাকিম আমলি আদালত-১-এর বিচারক ইসমাইল হোসেন গ্রেপ্তার পাঁচজনকে জেল গেটে দুই দিন করে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

তারা হলেন ঝিনাইদহের সদর উপজেলার হরিকুন্ডু গ্রামের রেদোয়ানুল হক কাভি, রাজধানীর মিরপুর-১২-এর সাখাওয়াত আহমেদ বিন কামাল ও মোহাম্মদপুরের আজিজ মহল্লার পাইওনিয়ার হাউজিং কলোনির নাফিস হাবিব, চট্টগ্রামের মিরসরাই থানার ওয়াহেদপুর গ্রামের মহসিন ভুঁইয়া, কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার চরহটর আলগি গ্রামের আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ।

মুখ্য বিচারিক হাকিম আমলি আদালত-৪-এর বিচারক শিশির কুমার বসু তিনজনকে এক দিন করে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার মধুপুর দৌলাপাড়ার ওয়াহেদুজ্জামান, একই জেলার কাউনিয়া থানার নিজপাড়া গ্রামের মনিরুল ইসলাম এবং নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার হাতিখানা নতুন বাবুপাড়ার সজল ওরফে সাব্বির আহমেদ।

অন্যদিকে বিচারিক হাকিম আমলি আদালত-৩-এর বিচারক শারমিন আক্তার তিন আসামিকে এক দিন করে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

তারা হলেন রংপুর কোতোয়ালি থানার মুন্সিপাড়ার আবু সায়েদ হাসান ওরফে রূপম, রাজধানীর শ্যামপুর থানার রামুরহাট রক্তিম জুরায়েন গ্রামের জুনায়েদ খান এবং দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার বরুয়াদৌলা গ্রামের হুমায়ুন কবির।

পরিদর্শ মনিরুজ্জামান জানান, শনিবার বিকেলে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার ১১ জনকে আদালতে তোলা হয়। তাদেরকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ। বিচারক মঙ্গলবার রিমান্ড শুনানির দিন নির্ধারণ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মঙ্গলবার দুপুরে শুনানি শেষে আসামিদের আলাদা মেয়াদে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেয় আদালত।

১৬ সেপ্টেম্বর রাতে সদর উপজেলার ২টি মসজিদ, বিরল উপজেলার ১টি ও বোচাগঞ্জ উপজেলার ১টি মসজিদে ঢাকার কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অভিযানে ৪৫ জন আটক হয়।

পুলিশের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, তথ্য যাচাই-বাছাই করে ১৯ জনকে আটক রাখা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জনের বিরুদ্ধে তিনটি থানায় মামলা করা হয়েছে। আটজনের বিরুদ্ধে আগের মামলা থাকায় তাদের সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বাকি ২৬ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
হোম ডেলিভারি সচলে ৩ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ
কুরিয়ারে ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা সরাসরি ব্যাংকে
আগ্রহ বাড়ছে ডেলিভারি পেশায়

শেয়ার করুন

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যুবক কারাগারে

সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় যুবক কারাগারে

ভুজপুর থানার ওসি আসহাব উদ্দিন জানান, সোমবার রাত ৮টার দিকে ওই তরুণী চারজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করে। রাতেই প্রধান আসামি আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

জেলা জজ আদালতের মাধ্যমে মঙ্গলবার দুপুরে আসামি মো. আরিফকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আরিফ উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের পূর্ব সোনাই এলাকার বাসিন্দা।

ভুজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, সোমবার রাতে ওই তরুণী মামলা করেন। এর পরপরই অভিযান চালিয়ে আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

এজাহারে বলা হয়, গত ১০ সেপ্টেম্বর উপজেলার হেঁয়াকো এলাকায় এক বান্ধবীর বাসায় বেড়াতে যান ওই তরুণী। সেখানে স্থানীয় যুবক আরিফের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

সোমবার বিকেলে আরিফ তার মায়ের সঙ্গে দেখা ও পরিচয় করিয়ে দেয়ার কথা বলে ওই তরুণীকে ডেকে নেন। পরে নিজ মোটরসাইকেলে করে তাকে রাবার বাগানে নেয়া হয়। সেখানে তাকে আরিফ ও তার দুই বন্ধু ধর্ষণ করেন।

ওসি আসহাব উদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, এ ঘটনায় সোমবার রাত ৮টার দিকে ওই তরুণী চারজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন। পরে রাতেই আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন জাকির হোসেন, মো. মহিবুল ও নূর মিয়া।

বাকি আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
হোম ডেলিভারি সচলে ৩ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ
কুরিয়ারে ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা সরাসরি ব্যাংকে
আগ্রহ বাড়ছে ডেলিভারি পেশায়

শেয়ার করুন

বাবার ‘উল্টো সাক্ষ্যে’ সন্তান হত্যা মামলার সব আসামি খালাস!

বাবার ‘উল্টো সাক্ষ্যে’ সন্তান হত্যা মামলার সব আসামি খালাস!

আসামিপক্ষের আইনজীবী সিদ্দিকুর জানান, সাক্ষ্য গ্রহণের সময় মামলার বাদী শিশুটির বাবা আশেক আলী দাবি করেন, এ ঘটনায় তার ভাই রাজ্জাক জড়িত নন। আরেক আসামি কবিরের কাছ থেকে পুলিশ জোর করে জবানবন্দি আদায় করেছে। তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীর এই বক্তব্য ঠিক নয় বলে দাবি করছেন বাদীর আইনজীবী শাহিন গুলসান।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সাত বছর আগের শিশু অপহরণ ও হত্যা মামলার রায়ে ১০ আসামির সবাইকে খালাস দিয়েছে আদালত।

জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক কে এম শহীদ আহমেদ মঙ্গলবার দুপুরে এই রায় দেন। এ সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন আসামিরা।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) শাহিন গুলসান নাহার মুনমুন। এই রায়ে অসন্তোষ জানিয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী আবু আলা মো. সিদ্দিকুর ইসলাম বলেন, সাক্ষ্য গ্রহণের সময় বাদী মূল আসামিকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। পরে রায় আসামিদের পক্ষে যায়।

মূল আসামি আবদুর রাজ্জাক বাদী আশেক আলী মাস্টারের ভাই। আর আশেক আলী হলেন নিহত শিশুর বাবা।

এজাহারে বলা হয়, ২০১৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর সুন্দরগঞ্জ পৌরসভার মীরগঞ্জ বালাপাড়ার আশেক আলী মাস্টারের পাঁচ বছরে ছেলে সাকিবুল ইসলাম শুভকে বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এর পর শিশুটিকে হত্যা করা হয়।

ঘটনার দুইদিন পর সন্দেহভাজন নয়জনকে আটক করে পুলিশ। তাদের দেয়া তথ্যে ওই রাতেই গ্রামের ঈদগাঁ মাঠের কাছে একটি নালা থেকে শুভর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শুভর বাবা আশেক আলী মাস্টার পরদিন ৯ জনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

গ্রেপ্তারের পর আসামি কবির মিয়া হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি জানান, অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনাকারী ওই শিশুর চাচা আবদুর রাজ্জাক। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় রাজ্জাককেও।

তদন্ত কর্মকর্তা সুন্দরগঞ্জ থানার তৎকালীন ওসি (তদন্ত) জিন্নাত আলী সে বছরের ডিসেম্বরে ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। তবে দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক মঙ্গলবার সবাইকে খালাস দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী সিদ্দিকুর জানান, সাক্ষ্য গ্রহণের সময় মামলার বাদী শিশুটির বাবা আশেক আলী দাবি করেন, এ ঘটনায় তার ভাই রাজ্জাক জড়িত নন। আরেক আসামি কবিরের কাছ থেকে পুলিশ জোর করে জবানবন্দি আদায় করেছে।

তবে আসামি পক্ষের আইনজীবীর বক্তব্য ঠিক নয় বলে দাবি করেছেন বাদীর আইনজীবী শাহিন গুলসান।

নিউজবাংলাকে তিনি জানান, জেরার সময় আশেক আলী বলেছেন, তার ভাই রাজ্জাক এই হত্যার পরিকল্পনাকারী- এমনটা তিনি সন্দেহ করেন না। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এই রায় দিলেন কি না তা জানতে রায়ের কপি হাতে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আরও পড়ুন:
হোম ডেলিভারি সচলে ৩ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ
কুরিয়ারে ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা সরাসরি ব্যাংকে
আগ্রহ বাড়ছে ডেলিভারি পেশায়

শেয়ার করুন

ট্রেন লাইনচ্যুত: উদ্ধার কার্যক্রম শুরু

ট্রেন লাইনচ্যুত: উদ্ধার কার্যক্রম শুরু

স্টেশন কর্মকর্তা রাকিবুর রহমান বলেন, ‘ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। কখন উদ্ধার কার্যক্রম শেষ হবে ও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না।’

গাজীপুরের টঙ্গীতে মালবাহী ট্রেনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হওয়ার তিন ঘণ্টা পর উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।

রেলওয়ে কর্মকর্তারা মঙ্গলবার দুপুর পৌনে দুইটার দিকে উদ্ধার কাজ শুরু করেন। এরপর ২টা ৪০ মিনিটে তাদের সঙ্গে যোগ দেয় রেলওয়ের উদ্ধারকারী ক্রেন।

টঙ্গী জংশনের স্টেশন কর্মকর্তা রাকিবুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানান।

তিনি জানান, টঙ্গীর তিস্তারগেট এলাকায় পুবাইল হোমলাইনের ৪ নম্বর সিগন্যালে চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকামুখী মালবাহী ট্রেনের তিনটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে বগি ও লাইনের স্লিপার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বন্ধ হয়ে যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট রুটের ট্রেন চলাচল।

স্টেশন কর্মকর্তা রাকিবুর রহমান বলেন, ‘ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। কখন উদ্ধার কার্যক্রম শেষ হবে ও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে ১ নম্বর লাইন দিয়ে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার রেল চলাচল স্বাভাবিক আছে।’

আরও পড়ুন:
হোম ডেলিভারি সচলে ৩ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ
কুরিয়ারে ক্যাশ অন ডেলিভারির টাকা সরাসরি ব্যাংকে
আগ্রহ বাড়ছে ডেলিভারি পেশায়

শেয়ার করুন