বাবার হোটেলের বয় মুন্না

বাবার হোটেলের বয় মুন্না

দেড় বছর পর স্কুল খোলার খবরে ছোট্ট মুন্নার আনন্দে সময় কাটছে। ছবি: নিউজবাংলা

আলম মিয়ার ছোট্ট হোটেলটির একমাত্র বাবুর্চি তিনিই। তার সহকারী কিংবা হোটেল বয় ছোট ছেলে মুন্না। পঞ্চম শ্রেণির এ ছাত্র প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বাবার সঙ্গে হোটেলে যায়। কাস্টমারকে খাবার দেয়া থেকে শুরু করে থালাবাসন ধোয়া, পরোটা ভাজার কাজ করে সে।

মসলা মাখানো আলুর টুকরাগুলো তিন কোনা করা ময়দার খোলসে যত্ন নিয়ে ভরছিল মুন্না। পাশে বাবা আলম মিয়া কাঁচা সে শিঙাড়া গরম তেলে ভাজার কাজ করছিলেন।

শিঙাড়া বানানোর সময় সকালের আলোর সঙ্গে মুন্নার মুখের হাসি মিশে একাকার হয়ে যায়। সকাল সকাল মুন্নার সে হাসির কারণ কী? জিজ্ঞাসা করে জানা গেল, স্কুল খোলায় উচ্ছ্বসিত এ কিশোর। ক্লাসে যেতে তর সইছে না আর।

মাগুরা সদরের আঠারখাদা মোড়ে আলম মিয়ার ছোট্ট হোটেলটির বয়স কুড়ি বছর। এর একমাত্র বাবুর্চি আলম নিজেই। তার সহকারী কিংবা হোটেল বয় ছোট ছেলে মুন্না পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে বাবার সঙ্গে হোটেলে আসে সে। এরপর সকালের পরোটা আর ডালভাজি বানাতে সহযোগিতা করে বাবাকে।

কাস্টমারকে খাবার দেয়া থেকে শুরু করে থালা-বাসন ধোয়া, পরোটা ভাজার কাজও করে সে।

মুন্নার বাবা আলম মিয়া বলেন, ‘দেড় বছর স্কুল বন্ধ থাকায় ছেলেকে বসে থাকতে দেই নাই। হোটেলের কাজে লাগিই দিছি।

‘হোটেলের সব খাবার সে তৈরি করতে পারে। এমনকি ভালো তরকারিও রান্না করা শিখে গেছে মুন্না।’

বাবার হোটেলের বয় মুন্না

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকারি প্রাথমিক স্কুলের অনলাইন ক্লাস মাঝেমধ্যে হয়। ছেলে ক্লাস করুক আর না করুক, মোবাইলে ক্লাস করার যে সফট (সফটওয়্যার) না কী কয়, তা শিখে গেছে। তাই সকালে ক্লাস থাকলি এই হোটেলের টেবিলে বসেই করে।’

সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সশরীরে পাঠদান শুরু হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

এ নিয়ে মুন্নার বাবা বলেন, ‘স্কুল খুলবে শুনছি। এর আগেও কয়বার খোলার কথা শুনছিলাম। পরে খোলে নাই।

‘করোনা এহনও যায় নাই। তবু স্কুল খোলা দরকার। ছেলেটা সারা দিন আমার সঙ্গে হোটেল চালায়; খুব খারাপ লাগে। ওর মাথা আছে। ওরে পড়াশোনা করাইতে চাই।’

১১ বছরের মুন্না স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিকে পড়ে।

সে নিউজবাংলাকে বলে, ‘করোনার জন্যি তো স্কুল বন্দ (বন্ধ)। শাটডাউনের সময় বাবার সঙ্গে যে লোকটা কাজ করত, সে চলে গেল। তহন আমি বাবারে সাহায্য করা শুরু করি। এতে আমার বন্ধুরা প্রথমে কামলা বলে খ্যাপাত। এহন এসব কিছু মনে হয় না।

‘এবার স্কুল খুললি প্রতিদিন স্কুলি যাব। আগে ফাঁকি দিয়ে খেলা করতাম। এই দেড় বছরে উচিত শিক্ষা পাইছি। আর স্কুল কামাই দেবো না। এর সঙ্গে বাবাকে যতটা সাহায্য করা যায়। জানি বাবার কষ্ট হবে, তবু পড়াশোনা তো বন্ধ করা যাবিনে।’

আরও পড়ুন:
‘পুরোপুরিভাবে সব স্কুল-কলেজ খুলবে না’
দ্রুত স্কুল খোলার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
শিশুদের স্কুলে আনাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ
অর্ধশতাব্দীর মাটির স্কুল
‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে খুলছে না স্কুল-কলেজ’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘ডিসেম্বরের মধ্যে টিকা পাবে দেশের অর্ধেক মানুষ’

‘ডিসেম্বরের মধ্যে টিকা পাবে দেশের অর্ধেক মানুষ’

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ‘৩৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের নিশ্চয়তা পেয়েছি। প্রতিমাসে দুই থেকে আড়াই কোটি ভ্যাকসিন আনা হচ্ছে। আশা করি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের অর্ধেক মানুষকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।’

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেছেন, দেশে এখন টিকার অভাব নেই। প্রতি মাসেই টিকা আসছে। আশা করি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের অর্ধেক মানুষকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

রোববার দুপুর সোয়া ২টার দিকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘৩৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের নিশ্চয়তা পেয়েছি। প্রতিমাসে দুই থেকে আড়াই কোটি ভ্যাকসিন আনা হচ্ছে।

‘হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। এরই মধ্যে ৮ হাজার ২৮৭ জন্য নার্স ও ১ হাজার ৪০১ জন অ্যানেসথেসিস্ট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আট হাজার ডাক্তার নিয়োগ হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মো. খুরশিদ আলম, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বশির আহমেদ, বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল, বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস, পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম শিপনসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
‘পুরোপুরিভাবে সব স্কুল-কলেজ খুলবে না’
দ্রুত স্কুল খোলার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
শিশুদের স্কুলে আনাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ
অর্ধশতাব্দীর মাটির স্কুল
‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে খুলছে না স্কুল-কলেজ’

শেয়ার করুন

নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাণীনগরে নদীতে নিখোঁজের সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মেহেদী হাসান নামের এক পরীক্ষার্থির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ জানায়, রোববার বেলা ৩টার দিকে মেহেদী কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কাশিমপুর এলাকায় ছোট যমুনা নদীতে গোসল করতে যায়। নদীতে নেমে নিখোঁজ হয় মেহেদী। প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মেহেদীর মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা।

নওগাঁর রাণীনগরে ছোট যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ স্কুলছাত্র মেহেদী হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলার কাশিমপুর রাজবাড়ির পাশে নদী থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

বেলা ৩টার দিকে নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় ওই কিশোর।

১৬ বছর বয়সী মেহেদী হাসান উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় সায়েম উদ্দীন মেমোরিয়াল একাডেমির এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রোববার বেলা ৩টার দিকে মেহেদী কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কাশিমপুর এলাকায় ছোট যমুনা নদীতে গোসল করতে যায়। নদীতে নেমে নিখোঁজ হয় মেহেদী। এ সময় সঙ্গীরা স্থানীয় লোকজনকে খবর দেয়।

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন আকন্দ জানান, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মেহেদীকে উদ্ধারে অভিযান চালায়। প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মেহেদীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওসি বলেন, ‘মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে। যেহেতু কয়েকজন বন্ধু মিলে একসঙ্গে গোসল করার সময় এ ঘটনা ঘটে, এ মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
‘পুরোপুরিভাবে সব স্কুল-কলেজ খুলবে না’
দ্রুত স্কুল খোলার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
শিশুদের স্কুলে আনাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ
অর্ধশতাব্দীর মাটির স্কুল
‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে খুলছে না স্কুল-কলেজ’

শেয়ার করুন

‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নিয়ে আলোচনায় অবিবাহিত মাসুম

‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নিয়ে আলোচনায় অবিবাহিত মাসুম

পেছনে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ লেখা একটি ইজিবাইক। ছবি: নিউজবাংলা

মাসুম বলেন, “ইজিবাইকগুলো কেনার পর যে নামই রাখতে চেয়েছি, পরে দেখছি ওই নামে কোনো না কোনো পরিবহন রয়েছে। আসলে প্রতিটি ব্যবসায় ব্র্যান্ডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে আলাপ করে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নাম রেখেছি।”

মায়ের দোয়া, বাবার দোয়া, বাবা-মায়ের দোয়া- এমন নামের পরিবহনের সঙ্গে পরিচিত সবাই। তবে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ এ দেশে বিস্ময়করই বটে।

ব্যতিক্রমী কাজটি করেছেন চুয়াডাঙ্গার মাসুম মিয়া। নিজের মালিকানায় থাকা ইজিবাইকগুলোর পেছনে লিখেছেন ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’। মজার বিষয় হলো, মাসুম এখনও বিয়েই করেননি। বিষয়টি বেশ সাড়া ফেলেছে চুয়াডাঙ্গা শহরে।

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদপাড়ার শেখ সুলতানের ছেলে মাসুম। চার ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট তিনি। ১২ বছর মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে দেশে ফেরেন তিনি। মালয়েশিয়ায় থাকা অবস্থায় সঞ্চয় করা টাকা দিয়ে কিনেছেন ১১টি ইজিবাইক।

মাসুম মিয়া জানান, তার মালিকানাধীন ১১টি ইজিবাইক ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নামে চুয়াডাঙ্গা শহরে চলাচল করছে। তিনি নিজে একটি চালান। বাকিগুলো ভাড়া দিয়েছেন।

অবিবাহিত হয়েও ইজিবাইকের পেছনে কেন ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ লিখেছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ইজিবাইকগুলো কেনার পর যে নামই রাখতে চেয়েছি, পরে দেখছি ওই নামে কোনো না কোনো পরিবহন রয়েছে। আসলে প্রতিটি ব্যবসায় ব্র্যান্ডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে আলাপ করে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নাম রেখেছি।”

বিদেশে থাকায় বয়স হওয়ার পরও বিয়ে করতে পারেননি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাবা-মায়ের পছন্দের পাত্রীকে খুব শিগগির বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করব। বিদেশ যাওয়ার আর কোনো ইচ্ছা নেই। বিয়ে করে বাবা-মা ও স্ত্রীকে নিয়ে বাকি জীবন দেশে কাটিয়ে দিতে চাই।’

মা-বাবার পর বউ হলো সবচেয়ে আপন ও ভালোবাসার মানুষ। বিয়ের পর সংসারের ভালোমন্দ বউই দেখাশোনা করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভিন্ন নামের পরিবহনটি চুয়াডাঙ্গা শহরে তাকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে জানিয়ে মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে আমার মালিকানাধীন ১১টি ইজিবাইক থেকে যে টাকা আয় হয়, তা দিয়ে বাবা-মাকে নিয়ে খুব ভালোমতো চলে সংসার। বাড়তি টাকা সঞ্চয়ও করি।’

আরও পড়ুন:
‘পুরোপুরিভাবে সব স্কুল-কলেজ খুলবে না’
দ্রুত স্কুল খোলার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
শিশুদের স্কুলে আনাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ
অর্ধশতাব্দীর মাটির স্কুল
‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে খুলছে না স্কুল-কলেজ’

শেয়ার করুন

যুবলীগ নেতা তাপস হত্যা: মেয়রসহ ৩৬ আসামি বহাল

যুবলীগ নেতা তাপস হত্যা: মেয়রসহ ৩৬ আসামি বহাল

পটুয়াখালীর মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত। ছবি:সংগৃহীত

বাদীপক্ষের আইনজীবী কমল দত্ত জানান, রোববার শুনানি শেষে আদালত চার্জশিটভুক্ত ৩৬ আসামির নামেই মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেয়। বিচারক আদেশে উল্লেখ করেন, এরই মধ্যে যেসব আসামি জামিনে আছেন, তাদের জামিন বহাল থাকবে। আর যেসব আসামি আদালতে অনুপস্থিত বা অনুপস্থিত থেকে সময়ের আবেদন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছে।

পটুয়াখালীর বাউফলে যুবলীগ নেতা তাপস হত্যা মামলায় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলসহ ৩৬ আসামির নাম বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

বাদীর নারাজি পিটিশনের শুনানি শেষে রোববার পটুয়াখালীর অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আল আমিন এজাহারভুক্ত সব আসামির নাম অন্তর্ভুক্ত করে মামলার কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেন।

বাদীপক্ষের শুনানিতে অংশ নেয়া অ্যাডভোকেট কমল দত্ত জানান, যুবলীগ নেতা তাপস হত্যা মামলার তদন্ত করে ২৮ জুলাই পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পরিদর্শক মতিন খান ২০ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন।

মামলার বাদী পঙ্কজ দাস ১৯ সেপ্টেম্বর আদালতে ওই চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি পিটিশন দেন।

রোববার শুনানি শেষে আদালত চার্জশিটভুক্ত ৩৬ আসামির নামেই মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন।

কমল দত্ত আরও জানান, শুনানির পর বিচারক আদেশে উল্লেখ করেন, এরই মধ্যে যেসব আসামি জামিনে আছেন, তাদের জামিন বহাল থাকবে। আর যেসব আসামি আদালতে অনুপস্থিত বা অনুপস্থিত থেকে সময়ের আবেদন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছে। তবে অনুপস্থিত আসামিরা যদি হাইকোর্টে আবেদন করে থাকেন, আর যদি সে আবেদন পেন্ডিং থাকে, সে ক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে সমন ইস্যু হবে না।

তিনি বলেন, ‘মামলার আসামি বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েল আজ নারাজি শুনানিতে হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন করেছেন। তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেছেন কি না, তা যাচাই করে দেখতে হবে।’

এ ব্যাপারে মেয়র জিয়াউলের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

মামলার বাদী পঙ্কজ দাস জানান, ২০২০ সালের ২৪ মে বাউফল থানার সামনে তোরণ নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা তাপস ছুরিকাহত হন। রাতে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তাপস মারা যান।

পরদিন বাউফল পৌরসভার মেয়র জিয়াউল হক জুয়েলসহ ৩৬ জনকে আসামি করে বাউফল থানায় মামলা করেন তাপসের ভাই পঙ্কজ দাস।

পঙ্কজ দাস বলেন, ‘আজ আদালতের নির্দেশ শুনে ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে ন্যায়বিচার পাব।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী মুজাহিদ জাহিদ হোসেনের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আরও পড়ুন:
‘পুরোপুরিভাবে সব স্কুল-কলেজ খুলবে না’
দ্রুত স্কুল খোলার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
শিশুদের স্কুলে আনাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ
অর্ধশতাব্দীর মাটির স্কুল
‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে খুলছে না স্কুল-কলেজ’

শেয়ার করুন

চবি ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার থেকে টিকাদান

চবি ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার থেকে টিকাদান

প্রক্টর বলেন, ‘হাটহাজারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কথা বলে প্রায় ১ হাজার ডোজ টিকা আমাদের ক্যাম্পাসে নেয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। সব শিক্ষার্থীর টিকার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। সেগুলো পেয়ে গেলে সবাইকে টিকা দেয়া হবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) যারা করোনাভাইরাসের টিকাকেন্দ্র হিসেবে হাটহাজারী স্বাস্থ্যকেন্দ্র নির্বাচন করেছেন তারা টিকা পেতে যাচ্ছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে মঙ্গলবার থেকে টিকার রেজিস্ট্রেশন কার্ড দেখিয়ে তারা টিকা নিতে পারবেন।

প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যারা টিকার জন্য হাটহাজারী কেন্দ্র নির্বাচন করে রেজিস্ট্রেশন করেছেন, তাদের মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে প্রথম ডোজ টিকা দেয়া হবে।

টিকার জন্য সবাইকে রেজিস্ট্রেশন কার্ডের দুই কপি নিয়ে যেতে হবে। তারা চীনের তৈরি সিনোফার্ম টিকা পাবেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের করোনা প্রতিরোধী টিকা নিশ্চিতে ৪৮ হাজার টিকা চেয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে টিকা নিতে পারেন সেই উদ্যোগও নেয় কর্তৃপক্ষ।

প্রক্টর বলেন, ‘হাটহাজারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কথা বলে প্রায় ১ হাজার ডোজ টিকা আমাদের ক্যাম্পাসে নেয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। সব শিক্ষার্থীর টিকার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে আবেদন জানানো হয়েছে। সেগুলো পেয়ে গেলে সবাইকে টিকা দেয়া হবে।’

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থী ২৭ হাজার ৫৫০। বিশ্ববিদ্যালয়কে দেয়া জরিপের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৩ হাজার ৩৩৬ শিক্ষার্থী টিকা গ্রহণের জন্য সার্বিক তথ্য কর্তৃপক্ষকে দিয়েছেন।

এর মধ্যে এক ডোজ টিকা নিয়েছেন এমন শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২ হাজার ২৬৭। দুই ডোজ নিয়েছেন ৪ হাজার ১৩৪ জন। নিবন্ধন করে টিকার জন্য অপেক্ষারত ৪ হাজার ৪০০ জন। এনআইডি না থাকায় টিকা নিতে পারেননি এমন শিক্ষার্থী ২ হাজার ২৬৭ জন।

পরীক্ষার কারণে বাড়ি থেকে ক্যাম্পাসে চলে আসায় অনেক শিক্ষার্থী টিকার দ্বিতীয় ডোজ পাননি। তাদের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ‘তাদের বিষয়টাও আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ইউজিসিতে জানিয়েছি। তবে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

আরও পড়ুন:
‘পুরোপুরিভাবে সব স্কুল-কলেজ খুলবে না’
দ্রুত স্কুল খোলার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
শিশুদের স্কুলে আনাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ
অর্ধশতাব্দীর মাটির স্কুল
‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে খুলছে না স্কুল-কলেজ’

শেয়ার করুন

স্কুলছাত্রীর ‘আপত্তিকর’ ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ায় মামলা

স্কুলছাত্রীর ‘আপত্তিকর’ ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ায় মামলা

প্রতীকী ছবি

পাথরঘাটা থানার ওসি আবুল বাশার জানান, ওই স্কুলছাত্রীর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুই কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে ওই দুই কিশোর পলাতক।

বরগুনার পাথরঘাটায় জোর করে এক স্কুলছাত্রীর ‘আপত্তিকর’ ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে তারই দুই সহপাঠীর বিরুদ্ধে।

পাথরঘাটা থানায় রোববার দুপুরে ওই ছাত্রীর মা মামলাটি করেন। এতে আসামি করা হয়েছে ওই শিক্ষার্থীর দুই ছেলে সহপাঠীকে।

আসামি এক কিশোরের বাড়ি পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নে। অপরজনের বাড়ি পৌরশহরে। ভুক্তভোগী কিশোরী ও মামলার আসামিরা স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, আসামি দুই কিশোরের একজন ওই ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্যক্ত করে আসছিল। এ নিয়ে গত বছর ওই কিশোরের পরিবারের কাছে অভিযোগ করেও কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি।

গত বুধবার স্কুল ছুটির পর ওই ছাত্রীর স্কুলব্যাগ নিয়ে নেয় উত্যক্তকারী কিশোর। পরে ব্যাগ আনতে গেলে সে ওই ছাত্রীর সঙ্গে অসম্মানজনক আচরণ করে। আসামি অন্য কিশোর সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে।

এজাহারে আরও বলা হয়, গত শুক্রবার ওই ভিডিও ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে দেয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ওই ছাত্রীর মা স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ করেন। প্রধান শিক্ষক অভিযুক্ত কিশোরদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। সেদিন রাত ৯টার দিকে তিনি বিষয়টি পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশারকে জানান।

পরে পুলিশ খোঁজখবর নিয়ে রোববার দুপুরে আইনি সহযোগিতা দেয়ার জন্য ছাত্রীর মাকে থানায় ডাকে।

পাথরঘাটা থানার ওসি আবুল বাশার জানান, ওই স্কুলছাত্রীর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দুই কিশোরের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তবে ওই দুই কিশোর পলাতক।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা-বামনা সার্কেল) তোফায়েল হোসেন সরকার বলেন, ‘ভিক্টিমকে সুরক্ষা দিয়ে আমরা তাকে বিচার পেতে আইনি সহযোগিতা নিশ্চিতের ব্যবস্থা করব।’

আরও পড়ুন:
‘পুরোপুরিভাবে সব স্কুল-কলেজ খুলবে না’
দ্রুত স্কুল খোলার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
শিশুদের স্কুলে আনাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ
অর্ধশতাব্দীর মাটির স্কুল
‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে খুলছে না স্কুল-কলেজ’

শেয়ার করুন

তদন্ত প্রতিবেদনে নেই প্রধান আসামি, বাদীকে ‘হুমকি’

তদন্ত প্রতিবেদনে নেই প্রধান আসামি, বাদীকে ‘হুমকি’

বেগমগঞ্জে হামলার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে বাদ দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছে সিআইডি। ছবি: সংগৃহীত

মামলার বাদী মোশারফ জানান, প্রতিবেদন থেকে নাম বাদ দেয়ার পর মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর তাদের দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছেন। তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের মহবুল্লাপুর গ্রামে চাঁদা না পেয়ে হামলার ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলমকে বাদ দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, আসামির হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাদী মোশারফ হোসেন রতন ও সাক্ষীরা।

বাদী ও সাক্ষীরা জানান, মামলার তদন্তে সিআইডির কর্মকর্তাকে হামলার ঘটনায় জাহাঙ্গীরের জড়িত থাকার বিষয়টি তারা বর্ণনা করেছেন। তার পরও সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জাহাঙ্গীরের নাম বাদ দেয়া হয়েছে।

মোশারফ বলেন, ‘পল্লী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম আমার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেয়ায় ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি আমার বাড়িতে তিনি হামলা চালান। ওই ঘটনায় আমি নোয়াখালীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে পাঁচজনকে আসামি করে হত্যাচেষ্টা ও চাঁদাবাজির মামলা করি।

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে প্রথমে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়। পিবিআইয়ের তদন্ত প্রতিবেদনে জাহাঙ্গীরকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় দেখিয়ে তার স্বভাব-চরিত্র ভালো নয় বলে উল্লেখ করা হয়। পক্ষপাত হয়েছে মনে করে বাদী পিবিআইয়ের প্রতিবেদনে অনাস্থা দেন আদালতে। আদালত অধিকতর তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি)পাঠায়।

২০২০ সালের ২০ অক্টোবর সিআইডি মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব নিয়ে ২০২১ সালের ১৪ জুন আদালতে প্রতিবেদন দেয়। ওই প্রতিবেদনেও জাহাঙ্গীরকে বাদ দেয়া হয়। মামলার অপর আসামি জিকু কামাল, খোরশেদ আলম, অজি উল্যাহ ও সেকান্দর আলমের সঙ্গে মীর হোসেন আলী বাবু, মো. হাসিব ও আবদুল্ল্যা আল নোমানের নাম যুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। সিআইডি প্রতিবেদনেও প্রধান আসামি জাহাঙ্গীরের নাম বাদ দেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন মামলার বাদী মোশারফসহ সাক্ষীরা।

সাক্ষী জান্নাতুল নাঈম, সালমা আক্তার, সিদরাতুল মুনতাহা সিনহা, নাজমা আকতার, শাহ জাহান সাজু, আনোয়ার পারভেজ ও হাফেজ দীন ইসলাম জানান, তদন্তকালে প্রথম দিন তাদের বাড়িতে যান সিআইডির পুলিশ সুপার বশির আহম্মদ ও তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবু নোমান। পরে একাধিকবার এসআই আবু নোমান বাড়ি গিয়ে তদন্ত চালান। পুরো ঘটনাটি জাহাঙ্গীর ঘটালেও প্রতিবেদনে তার নাম নেই।

মোশারফ জানান, মামলার সব সাক্ষী জবানবন্দিতে প্রধান আসামি জাহাঙ্গীরের অপরাধের বিবরণ দিয়েছেন। এর পরও প্রতিবেদনে নাম না থাকায় সিআইডির তদন্তের প্রতি তিনি পূর্ণ আস্থা রাখতে পারছেন না।

মোশারফ ও সাক্ষীরা জানান, প্রতিবেদন থেকে নাম বাদ দেয়ার পর জাহাঙ্গীর তাদের দেখে নেয়ার হুমকি দিয়ে আসছেন। এ হুমকিতে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই, তা গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে প্রমাণ হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। আমি কাউকে হুমকি দিইনি।’

সিআইডির কর্মকর্তা বশির আহম্মদ বলেন, ‘এ ঘটনায় অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে চেষ্টা করেছি সব আসামির অপরাধের সঠিক তথ্য তুলে ধরতে। সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে তদন্ত প্রতিবেদন দিয়েছি। মামলার বাদী যদি মনে করেন প্রতিবেদন সঠিক হয়নি, তাহলে তিনি আদালতে নারাজি দিতে পারেন।’

আরও পড়ুন:
‘পুরোপুরিভাবে সব স্কুল-কলেজ খুলবে না’
দ্রুত স্কুল খোলার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
শিশুদের স্কুলে আনাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ
অর্ধশতাব্দীর মাটির স্কুল
‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে খুলছে না স্কুল-কলেজ’

শেয়ার করুন