হল খুলতে ঢাবির নতুন নীতিমালা, অছাত্র নিষিদ্ধ

হল খুলতে ঢাবির নতুন নীতিমালা, অছাত্র নিষিদ্ধ

হল খোলার পর শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতীয় নীতিমালার আলোকে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করেছে হল প্রশাসন। সেই এসওপি এরইমধ্যে প্রভোস্ট কমিটির সভায় পাস হয়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের গতি কমে আসা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকা নেয়া সাপেক্ষে আগামী অক্টোবরের শুরুতে আবাসিক হল খুলে দিতে সংস্কার ও সৌন্দর্যবর্ধন কাজের গতি বাড়িয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রশাসনের এমন তোড়জোড় দেখে শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, তাদের অপেক্ষার পালা শেষ হচ্ছে।

এ ছাড়া, হল খোলার পর শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও জাতীয় নীতিমালার আলোকে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়ন করেছে হল প্রশাসন। সেই এসওপি এরইমধ্যে প্রভোস্ট কমিটির সভায় পাস হয়েছে।

উপাচার্যের অনুমোদন পেলেই নতুন এই নীতিমালায় চলবে করোনা পরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম।

নতুন নীতিমালায় হলগুলোতে গণরুম না রাখার পরিকল্পনার কথা বলেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ও বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুল বাছির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হল খুললে একসঙ্গে অনেক শিক্ষার্থীকে গাদাগাদি করে থাকতে দেয়া হবে না। যারা হলের বৈধ শিক্ষার্থী, যাদের টিকা নেয়া হয়েছে, কেবল তারাই হলে উঠতে পারবেন। যাদের ছাত্রত্ব শেষ, তাদের হল ছেড়ে দিতে হবে। সেসব ফাঁকা আসনে গণরুমের শিক্ষার্থীদের বরাদ্দ দেয়া হবে।’

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ থেকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রথম ধাপে অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল খুলে দেয়ার কথা জানিয়েছে। তাদের পরীক্ষা শেষ হলে নভেম্বরে দ্বিতীয় ধাপে অনার্স প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের হলে তোলার পরিকল্পনা করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাকি শিক্ষার্থীরাও হলে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কী ভাবছে, জানতে চাইলে আব্দুর বাছির বলেন, ‘আমাদের কোন পুলিশ, বিজিবি বা র‍্যাব নেই। শিক্ষার্থীরাই আমাদের পরম অবলম্বন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শত বছরের সংস্কৃতি মেনে আশা করি তারা নির্দেশনা মেনে চলবে।’

আবাসিক হলগুলোতে শুরু হয়েছে ব্যাপক সংস্কার কাজ। রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি আবাসিক হলে গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রত্যেক হলের প্রবেশপথে বসানো হচ্ছে হাত ধোয়ার বেসিন। দীর্ঘদিনের ধুলোয় মলিন ডায়নিং ক্যান্টিন, ক্যাফেটেরিয়া, রিডিং রুম ধুয়ে মুছে পরিষ্কার করা হচ্ছে।

পরিবর্তন করা হয়েছে টয়লেট ও গোসলখানার ভাঙা পাইপ, কমোড। অনেক দেয়ালে নতুন পলেস্তারা দিয়ে করা হচ্ছে রং। বাগানে লাগানো হচ্ছে নতুন ফুলগাছ, কেটে ছোট করা হচ্ছে মাঠের ঘাস।

১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হলগুলোর প্রাধ্যক্ষদের এসব কাজ সম্পন্ন করার জন্য মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নির্ধারিত সময়ে প্রস্তুতি শেষ করতে ছুটির দিনেও কাজ চলছে পুরোদমে।

হল সংস্কারের কাজের অগ্রগতির বিষয়ে সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম) হলের প্রধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মুজিবুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়া নিশ্চিত করতে আমাদের হলের প্রবেশ পথে নতুন করে একটি বেসিন বসিয়েছি। প্রতিটি ওয়াশরুমকে নতুন করে সংস্কার করা হয়েছে। আমাদের সংস্কার কাজের প্রায় ৭০ শতাংশ শেষ হয়েছে। আশা করি, বাকি কাজগুলো ১০ তারিখের আগেই শেষ করতে পারব।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন বলেন, ‘পুরোদমে হল খোলার প্রস্তুতি চলছে, ছুটির দিনেও কাজ চলমান। হলের ২-৩ জন সিনিয়র হাউজ টিউটর সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন। ১০ সেপ্টেম্বরে মধ্যে আমাদের হল পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুত হবে। যখনই হল খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত আসবে, তখনই আমরা হল খুলে দিতে পারব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামান বলেন, ‘হল খোলার বিষয়ে আমরা যে পরিকল্পনা নিয়েছি, সেই মোতাবেক আমরা অগ্রসর হচ্ছি। প্রাধ্যক্ষদের যেভাবে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে, তারা সেভাবে কাজ করছেন।’

করোনাকালে যেভাবে চলবে আবাসিক হল

বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে নেয়া হয়েছে নতুন স্ট্যান্ডার্ড এসওপি।

প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি আবদুল বাছির বলেন, ‘হল প্রশাসন ও ছাত্রদের মাধ্যমেই মূলত এই এসওপি বাস্তবায়ন করা হবে। এসওপি তিনটা অংশে বিভক্ত। এগুলো হলো আবাসন, স্বাস্থ্যবিধি ও চিকিৎসা।

নীতিমালায় আবাসনের বিষয়ে বলা হয়েছে, একজন আবাসিক শিক্ষার্থী কোনোভাবে মেঝেতে থাকতে পারবে না। রুমের আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। বড় রুমে সর্বোচ্চ চারজন শিক্ষার্থী থাকতে পারবে।

স্বাস্থ্যবিধির পরিকল্পনা নিয়ে বলা আছে, প্রতি শিক্ষার্থীকে রুম থেকে বের হলে অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। হলে প্রবেশের সময় বেসিনে হাত ধুয়ে প্রবেশ করতে হবে। যেখানে সেখানে কফ-থুতু ফেলা যাবে না। মসজিদ-ক্যান্টিন এসব জায়গায় ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে।

হলে প্রবেশের পর কোনো শিক্ষার্থী সংক্রমিত হলে যদি গুরুতর অসুস্থ না হয় তবে প্রশাসনকে আগেই জানাতে হবে। কোনো শিক্ষার্থীর করোনা পজিটিভ হলে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে।

তবে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের অতিথি কক্ষগুলো মেডিক্যাল সেন্টারের সঙ্গে সমন্বয় করে সেগুলোকে চিকিৎসা কেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে।

এ ছাড়া কোনো শিক্ষার্থীর উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হলে তাদেরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা দেয়া হবে।

অছাত্ররা থাকতে পারবে না আবাসিক হলে

বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খোলার পর ছাত্রত্ব নেই এরকম শিক্ষার্থীদের হলে না রাখার বিষয়ে ভাবছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য সচিব ও প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘যাদের ছাত্রত্ব নেই, তারা হলে থাকতে আসবে কেন এই প্রশ্নটা তাদেরও করতে হবে। তাদের পড়াশুনা শেষ, তারা তাদের মতো করে কর্মজীবনে প্রবেশ করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব শেষ- এমন কেউ হলে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করা ও হলগুলোতে যাতে শিক্ষার্থীরাই থাকে, তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রিয়াশীল ১৩টি ছাত্র সংগঠনের নেতাদের নিয়ে ৭ সেপ্টেম্বর পরিবেশ কমিটির সভা ডেকেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সেদিন রাত ৯টায় ভার্চুয়াল ওই সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের হল প্রাধ্যক্ষরাও যুক্ত থাকবেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী।

ক্যাম্পাসে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রেও ছাত্রসংগঠনগুলো এবং পরিবেশ পরিষদ একমত হয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রক্টর।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত চায় এশিয়াটিক, গবেষণায় সময় চান ঢাবি অধ্যাপক
টাকা পরিশোধ না করায় চাকরিচ্যুত ঢাবি শিক্ষক
ছাত্রলীগের জন্য ছুটির দিনেও ব্যস্ত ডাকসুর কর্মচারীরা
হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন
অধ্যাপক কার্জনের মামলা নিয়ে বক্তব্য নেই ঢাবি শিক্ষক সমিতির

শেয়ার করুন

মন্তব্য

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর করোনা, ১৪ দিন বন্ধ ক্লাস

তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর করোনা, ১৪ দিন বন্ধ ক্লাস

কোটালীপাড়া উপজেলার ৪ নম্বর ফেরধারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা

ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোহেলী পারভীন পান্না বলেন, ‘আমরা খবর নিয়ে জেনেছি তিনার মামা-মামি করোনা আক্রান্ত ছিলেন। ধারণা করছি, তাদের থেকেই সে ও তার মা সংক্রমিত হয়েছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা ভালো আছে।’

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার একটি স্কুলে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীর করোনা শনাক্ত হওয়ায় ওই শ্রেণির পাঠদান ১৪ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে ওই শ্রেণির বাকি শিক্ষার্থীকে।

তবে স্বাভাবিক রয়েছে অন্য শ্রেণির পাঠদান। শিক্ষার্থী উপস্থিতিও আছে সন্তোষজনক।

কোটালীপাড়া উপজেলার ৪ নম্বর ফেরধারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোহেলী পারভীন পান্না নিউজবাংলাকে জানান, তৃতীয় ও পঞ্চম শ্রেণির চারজন শিক্ষার্থীর ঠাণ্ডা-জ্বর। তাদের মধ্যে তিনা খানম ও তার মা করোনা পরীক্ষা করালে ১৭ সেপ্টেম্বর দুজনেরই পজিটিভ ফল আসে। এরপর স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশে ১৮ তারিখ থেকে ১৪ দিন ওই ক্লাসের পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে।

পান্না বলেন, ‘আমরা খবর নিয়ে জেনেছি ওই ছাত্রীর মামা-মামি করোনা আক্রান্ত ছিলেন। ধারণা করছি, তাদের থেকেই তিনা ও তার মা সংক্রমিত হয়েছেন। তাদের শারীরিক অবস্থা ভালো আছে।

‘বাকি তিন শিক্ষার্থীরও করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের নেগেটিভ ফল এসেছে। তারপরও তাদের কিছুদিন স্কুলে না পাঠানোর জন্য অভিভাবককে বলা হয়েছে।’

বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে কোনো আতঙ্ক কাজ করছে না বলে জানান এই শিক্ষক।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুশান্ত বৈদ্য বলেন, ‘আক্রান্ত ওই শিক্ষার্থী ও তার মা সুস্থ আছেন। আমরা তাদের করোনার চিকিৎসা দিয়েছি। তারা হোম আইসোলেশনে আছে।’

পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ফেরদাউজ খান বলে, ‘অনেকদিন পর স্কুল খুলেছে। আমরা প্রতিদিন সবাই মাস্ক পরে স্কুলে আসি। করোনা নিয়ে আমাদের কোনো ভয় নাই।’

এক শিক্ষার্থীর মা আসমা বেগম বলেন, ‘প্রায় দেড় বছর স্কুল বন্ধ থাকায় ছেলেমেয়েদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আমরা চাই না স্কুল আর বন্ধ থাকুক।’

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত প্রথম রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এরপর দফায় দফায় বাড়ানো হয় ছুটির মেয়াদ। সর্বশেষ ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়।

এরপর আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি হিসেবে ১৯টি নির্দেশনা জারি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর। এসব নির্দেশনা মেনে ১২ সেপ্টেম্বর খুলেছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

ফেরধারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অর্পিতা মন্ডল জানান, শিক্ষার্থীদের তাপমাত্রা মেপে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করানো হয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পাঠদান করানো হয়। এক শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত হলেও বিদ্যালয়ের উপস্থিতির হার সন্তোষজনক।

স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সোহরাব গাজী জানান, স্কুলে আসা সব শিক্ষার্থীর শারীরিক খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকার ঘোষিত নীতিমালা অনুযায়ী পাঠদান চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, ‘আমরা সব স্কুল মনিটর করছি। কোনো শিক্ষার্থীর করোনা উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তার নমুনা পরীক্ষা করা হবে। রিপোর্ট পজিটিভ এলে ওই শ্রেণি বা স্কুল বন্ধ করে দেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত চায় এশিয়াটিক, গবেষণায় সময় চান ঢাবি অধ্যাপক
টাকা পরিশোধ না করায় চাকরিচ্যুত ঢাবি শিক্ষক
ছাত্রলীগের জন্য ছুটির দিনেও ব্যস্ত ডাকসুর কর্মচারীরা
হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন
অধ্যাপক কার্জনের মামলা নিয়ে বক্তব্য নেই ঢাবি শিক্ষক সমিতির

শেয়ার করুন

মিড ডে মিল নিয়ে সিস্টেমে ভুল ছিল: প্রতিমন্ত্রী জাকির

মিড ডে মিল নিয়ে সিস্টেমে ভুল ছিল: প্রতিমন্ত্রী জাকির

রংপুরে পিটিআই কার্যালয়ে এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম সারা দেশে মিড ডে মিল পরিচালনা করব। কিন্তু আমাদের সিস্টেমের ভুল ছিল। আমরা নতুন করে প্রকল্প তৈরি করছি।’

সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর স্কুল ফিডিং প্রকল্প একেবারে বন্ধ হয়নি জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন বলেন, ‘স্কুল ফিডিং প্রজেক্টের মেয়াদ চলতি বছরের ২০ জুন পর্যন্ত ছিল। প্রজেক্টটা আপাতত বন্ধ রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম সারা দেশে আমরা মিড ডে মিল পরিচালনা করব। কিন্তু আমাদের সিস্টেমের ভুল ছিল। আমরা নতুন করে প্রকল্প তৈরি করছি।’

রংপুর প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে জেলার প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী জাকির বলেন, ‘আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল পরিচালনার কথা রয়েছে। স্কুলগুলোতে বিস্কুটের যে প্রকল্প ছিল, তা আমরা নতুন করে এক্সটেনশন (বর্ধিত) করে নিয়েছি। আরও ৬ মাসের জন্য বাড়িয়ে নিয়েছি।’

প্রাথমিকের ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘স্কুলগুলো খোলা হয়েছে। যদি কোনো শিক্ষার্থী ঝরে যায়, তাহলে আমাদের উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। ঝরে পড়া বাচ্চাদের জন্য সেখানে ব্যবস্থা রয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বন্যায় যে সব স্কুল নদীতে বিলিন হয়ে গেছে, নতুন জায়গা কিনে নতুন করে স্কুলগুলো করার চেষ্টা করছি। আমরা এ বছরই স্কুলগুলো করতে চাই।

‘বিদ্যালয়গুলোতে আমরা সুন্দর পরিবেশ গড়তে চাই। লেখাপড়ার জন্য আরও ভালো পরিবেশ করতে চাই। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ সংকট শিগগিরই দূর করা হবে।’

রংপুর সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে জাকির হোসেন বলেন, ‘কোনো কর্মকর্তা যদি অনিয়ম করেন, অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে বিভাগীয় ভাবে দেখা হবে। আমাদের কর্মকর্তারা আছেন, দেখবেন, ব্যবস্থা নেবেন।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষার রংপুর বিভাগীয় উপপরিচালক মুজাহেদুল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান সিদ্দিকীসহ জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত চায় এশিয়াটিক, গবেষণায় সময় চান ঢাবি অধ্যাপক
টাকা পরিশোধ না করায় চাকরিচ্যুত ঢাবি শিক্ষক
ছাত্রলীগের জন্য ছুটির দিনেও ব্যস্ত ডাকসুর কর্মচারীরা
হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন
অধ্যাপক কার্জনের মামলা নিয়ে বক্তব্য নেই ঢাবি শিক্ষক সমিতির

শেয়ার করুন

বাকৃবিতে হল খুলছে ২৪ সেপ্টেম্বর

বাকৃবিতে হল খুলছে ২৪ সেপ্টেম্বর

ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক ড. এ. কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, ‘চতুর্থ বর্ষের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হবে ২৭ সেপ্টেম্বর। শিক্ষার্থীদের হলে থেকেই পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এ কারণে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে হল খুলে দেয়া হবে।’

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) হল খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা হলে প্রবেশ করবে।

বিষয়টি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক ড. এ. কে ফজলুল হক ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, ‘চতুর্থ বর্ষের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শুরু হবে ২৭ সেপ্টেম্বর। শিক্ষার্থীদের হলে থেকেই পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এ কারণে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে হল খুলে দেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম থেকে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের সেমিস্টার ফাইনাল শুরু হবে ১৭ অক্টোবর। এ সকল শিক্ষার্থীরা ৩ অক্টোবর হলে প্রবেশ করবে।’

এ ছাড়া যেসব বর্ষের ব্যবহারিক ক্লাস এবং ক্লাস টেস্ট এখনো শেষ হয়নি তাদের ৪ থেকে ১০ অক্টোবরের মধ্যে ক্লাস এবং পরীক্ষা শেষ করতে হবে।

গত ৬ জুন শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দিয়ে সশরীরে পরীক্ষা নেয়ার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাকৃবি প্রশাসন।

কিন্তু করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় সব ধরনের পরীক্ষা স্থগিত রাখার সুপারিশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের করোনা মোকাবিলায় গঠিত টাস্কফোর্স। এতে সব পরীক্ষা স্থগিত রাখা হয়।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত চায় এশিয়াটিক, গবেষণায় সময় চান ঢাবি অধ্যাপক
টাকা পরিশোধ না করায় চাকরিচ্যুত ঢাবি শিক্ষক
ছাত্রলীগের জন্য ছুটির দিনেও ব্যস্ত ডাকসুর কর্মচারীরা
হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন
অধ্যাপক কার্জনের মামলা নিয়ে বক্তব্য নেই ঢাবি শিক্ষক সমিতির

শেয়ার করুন

এক দশক পর এমপিওভুক্ত ডিগ্রির ৮৪১ শিক্ষক

এক দশক পর এমপিওভুক্ত ডিগ্রির ৮৪১ শিক্ষক

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. কামরুল হাসানের সই করা প্রজ্ঞাপনে সোমবার রাতে ৪ শর্তে তৃতীয় ৮৪১ শিক্ষকের এমপিওভুক্তির আদেশ দেয়া হয়।

এক দশকের বেশি সময় ভোগান্তির পর এমপিওভুক্ত হলেন ডিগ্রি স্তরের ৮৪১ শিক্ষক। এই পুরোটা সময় তারা বিনা বেতনে চাকরি করে আসছিলেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব মো. কামরুল হাসানের সই করা প্রজ্ঞাপনে সোমবার রাতে ৪ শর্তে তৃতীয় ৮৪১ শিক্ষকের এমপিওভুক্তির আদেশ দেয়া হয়।

২০১০ সালের পর বিভিন্ন ডিগ্রি কলেজে নিয়োগ পান ৮৪১ শিক্ষক। তবে এমপিওভুক্ত হতে পারছিলেন না তারা। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছিল, তারা অর্থ বিভাগের কাঠামোভুক্ত নন। এ কারণে শিক্ষকদের যোগ্যতা ও বিধি মোতাবেক নিয়োগ ও কর্মরত থাকা সাপেক্ষে এমপিওভুক্ত করতে সম্মতির অনুরোধ জানিয়েছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (মাধ্যমিক) ডা. সৈয়দ ইমামুল হোসেন বলেন, ‘তৃতীয় শিক্ষক পদটি রেগুলার এমপিওভুক্ত পদ নয়। তাদের এমপিওভুক্ত করতে হলে আর্থিক বিষয়টি বিবেচনায় রাখতে হয়। এতে সরকারের বার্ষিক ২৫ কোটি ১ লাখ ১৩ হাজার ৪০০ টাকা ব্যয় হবে। তাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতির জন্য চিঠি দেয়া হয়েছিল। অর্থ মন্ত্রণায়ের অনুমোদনের পর তাদের এমপিওভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’

জানা যায়, ১৯৯৮ সাল থেকে ডিগ্রি পর্যায়ের তৃতীয় শিক্ষক নিয়োগ দেয়া শুরু হয়। ২০১১ সাল পর্যন্ত এ শিক্ষকদের নিয়মিত এমপিওভুক্তি দেয়া হতো। এরপর থেকে তা বন্ধ হয়ে যায়।

যেসব শর্তে এমপিওভুক্ত

সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি স্তরটি সরকারি এমপিওভুক্ত হতে হবে।

এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী তৃতীয় শিক্ষক নিয়োগকালীন যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

নিয়োগকালীন বিধি মোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে কর্মরত হতে হবে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখের মধ্যে নিয়োগপ্রাপ্তদের এমপিওভুক্ত করতে হবে এবং আগে তৃতীয় শিক্ষক নিয়োগ করা হয়নি এমন কোনো প্রতিষ্ঠানে নতুন করে তৃতীয় শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে না।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত চায় এশিয়াটিক, গবেষণায় সময় চান ঢাবি অধ্যাপক
টাকা পরিশোধ না করায় চাকরিচ্যুত ঢাবি শিক্ষক
ছাত্রলীগের জন্য ছুটির দিনেও ব্যস্ত ডাকসুর কর্মচারীরা
হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন
অধ্যাপক কার্জনের মামলা নিয়ে বক্তব্য নেই ঢাবি শিক্ষক সমিতির

শেয়ার করুন

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৭ অক্টোবর

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৭ অক্টোবর

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার সময় জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ফাইল ছবি

গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, ‘ভর্তি কমিটির সভায় ক ইউনিটের পরীক্ষা ১৭ অক্টোবর, খ ইউনিটের ২৪ অক্টোবর এবং গ ইউনিটের পরীক্ষা ১ নভেম্বর নেয়া হবে।’

দেশের ২০টি গুচ্ছভুক্ত সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ১৭ অক্টোবর। পরীক্ষা শেষ হবে ১ নভেম্বর। দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা পরীক্ষার সময় ঠিক করা হয়েছে।

ভর্তি কমিটির সভায় মঙ্গলবার এ তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

ভর্তি পরীক্ষার তারিখ চূড়ান্তের বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর।

তিনি বলেন, ‘ভর্তি কমিটির সভায় ক ইউনিটের পরীক্ষা ১৭ অক্টোবর, খ ইউনিটের ২৪ অক্টোবর এবং গ ইউনিটের পরীক্ষা ১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।’

গত ২৫ আগস্ট গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদনের ফল প্রকাশ করা হয়।

গুচ্ছভুক্ত ২০ বিশ্ববিদ্যালয় হলো: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

এ ছাড়া রয়েছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি, শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত চায় এশিয়াটিক, গবেষণায় সময় চান ঢাবি অধ্যাপক
টাকা পরিশোধ না করায় চাকরিচ্যুত ঢাবি শিক্ষক
ছাত্রলীগের জন্য ছুটির দিনেও ব্যস্ত ডাকসুর কর্মচারীরা
হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন
অধ্যাপক কার্জনের মামলা নিয়ে বক্তব্য নেই ঢাবি শিক্ষক সমিতির

শেয়ার করুন

সংক্রমণ ৫ এর নিচে নামলে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম

সংক্রমণ ৫ এর নিচে নামলে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম

লেখাপড়ার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিদ্যালয়ে পাঠদানের পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষা-কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। বাড়ি বাড়ি ওয়ার্কশিট পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রমও চলবে, জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে নামলে শিক্ষা কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

রোববার লালমনিরহাটে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার নিম্নগামী। কিছু দিনের মধ্যে হয়তো ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসবে। তখন আমরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসব এবং শিক্ষা কার্যক্রম পুরোদমে শুরু করব।’

সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানিয়ে জাকির হোসেন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে নিয়মিত মাস্ক (কাপড়ের) পরতে হবে। শ্রেণিকক্ষে প্রবেশের আগে প্রত্যেককে তাপমাত্রা পরীক্ষা ও সাবান দিয়ে হাত পরিস্কার করতে হবে। এ ছাড়া প্রতি বেঞ্চে ৩ ফুট দুরত্ব বজায় রেখে শিক্ষার্থীদের বসতে হবে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কোভিড-১৯ মহামারীর ভয়াবহতার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিক্ষার্থীরা। লেখাপড়ার এই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বিদ্যালয়ে পাঠদানের পাশাপাশি অনলাইন শিক্ষা-কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি ওয়ার্কশিট পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রমও চলবে।’

মতবিনিময় সভায় লালমনিরহাট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট মতিয়ার রহমান, লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা, বিভাগীয় উপপরিচালক মো. মুজাহিদুল ও লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মো. জাফর বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত চায় এশিয়াটিক, গবেষণায় সময় চান ঢাবি অধ্যাপক
টাকা পরিশোধ না করায় চাকরিচ্যুত ঢাবি শিক্ষক
ছাত্রলীগের জন্য ছুটির দিনেও ব্যস্ত ডাকসুর কর্মচারীরা
হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন
অধ্যাপক কার্জনের মামলা নিয়ে বক্তব্য নেই ঢাবি শিক্ষক সমিতির

শেয়ার করুন

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের

শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদ শিক্ষার্থীদের

মানববন্ধনে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নিশাত নাবিলা আহমেদ বলেন, ‘সাবেক ভারপ্রাপ্ত ভিসি ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন মো. শাহজাহান‌ স্যারকে সামা‌জিক ও পা‌রিবা‌রিকভা‌বে হেয় করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভা‌বে এমন মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।’

গোপালগ‌ঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের (ভিসি) বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ব‌বিদ্যাল‌য়ের প্রশাস‌নিক ভব‌নের সামনে সোমবার বেলা তিনটার দিকে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করেন তারা।

মানববন্ধনে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নিশাত নাবিলা আহমেদ বলেন, ‘সাবেক ভারপ্রাপ্ত ভিসি ও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন মো. শাহজাহান‌ স্যারকে সামা‌জিক ও পা‌রিবা‌রিকভা‌বে হেয় করার জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভা‌বে এমন মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে।’

চতুর্থ বর্ষের আরেক শিক্ষার্থী রাসেল শিকদার বলেন, ‘আমরা এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি।’

মো. শাহজাহানের বিরুদ্ধে গত বুধবার সাবেক এক গৃহকর্মী যৌন হয়রানির অভিযোগ আনেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে গত শুক্রবার শাহজাহান বলেন, ‘সবসময় আমি অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি। সাবেক উপাচার্যের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতির বিরোধিতা করে বিশ্ববিদ্যালয়কে কলঙ্কমুক্ত করেছি।

‘ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালনের সময় সাবেক উপাচার্যের সুবিধাভোগী একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে যৌন হয়রানির মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করার চক্রান্তে লিপ্ত হয়। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে তদন্ত করে সত্য উদঘাটনের দাবি জানাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
টাকা ফেরত চায় এশিয়াটিক, গবেষণায় সময় চান ঢাবি অধ্যাপক
টাকা পরিশোধ না করায় চাকরিচ্যুত ঢাবি শিক্ষক
ছাত্রলীগের জন্য ছুটির দিনেও ব্যস্ত ডাকসুর কর্মচারীরা
হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন
অধ্যাপক কার্জনের মামলা নিয়ে বক্তব্য নেই ঢাবি শিক্ষক সমিতির

শেয়ার করুন