‘সাপ দিয়ে নির্যাতন’, পরে অ্যাসিড নিক্ষেপ

‘সাপ দিয়ে নির্যাতন’, পরে অ্যাসিড নিক্ষেপ

পুলিশ বলছে, উপজেলার পূর্বদরবারপুর গ্রামের সেকান্দর মৌলভী বাড়িতে রোববার দুপুরে অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে গৃহবধূর মুখ, গলা ও হাতের কিছু অংশ ঝলসে যায়। এর আগে তাকে সাপ দিয়ে নির্যাতন করা হয়।

ফেনীর ফুলগাজীতে এক গৃহবধূকে সাপ দিয়ে নির্যাতন করার পর তার গায়ে অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পুলিশ বলছে, উপজেলার পূর্বদরবারপুর গ্রামের সেকান্দর মৌলভী বাড়িতে রোববার দুপুরে অ্যাসিড নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে ওই গৃহবধূর মুখ, গলা ও হাতের কিছু অংশ ঝলসে যায়। এর আগে তাকে সাপ দিয়ে নির্যাতন করা হয়।

২৫ বছর বয়সী ওই গৃহবধূর নাম খালেদা ইসলাম অমি। তাকে নির্যাতনের মামলায় র‍্যাব ও পুলিশ অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

তারা হলেন, তারেক মজুমদার ও আবদুল্লাহ আল মিনার।

ফুলগাজী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু তাহের গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করছেন।

তিনি জানান, তারেক র‍্যাব হেফাজতে আছেন। আর আবদুল্লাহ ফুলগাজী থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

গুরুতর আহত অমিকে প্রথমে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, অসুস্থ অমিকে রেখে রোববার সকালে তার মা শাহেন আরা বেগমসহ অন্যরা বাড়ির বাইরে যায়। পরে তারা জানতে পারেন অসুস্থ অমিকে জানালা দিয়ে অ্যাসিড নিক্ষেপ করা হয়েছে।

অমি তাদের জানান, তার স্বামী পক্ষের দুইজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তিনি তাদের চিনতে পেরেছেন।

ফেনী ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. তৌহিদুল ইসলাম জানান, অ্যাসিডে ওই গৃহবধুর মুখ, গলা ও হাতের কিছু অংশ ঝলসে গেছে। তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রায় ৫ বছর আগে ফুলগাজী উপজেলার দরবারপুরের ইসমাইল হোসেনের মেয়ে অমির সঙ্গে পরশুরাম উপজেলার সাতকুচিয়া গ্রামের প্রবাসী লিখন আহমেদের বিয়ে হয় পারিবারিকভাবে।

বিয়ের পর থেকে লিখনের মা ও ভাই-বোনরা মিলে অমিকে যৌতুকের জন্য নির্যাতন করতে থাকে। গত ৭ আগস্ট চিকিৎসার নামে সাপ দিয়ে তাকে নির্যাতন করা হয়।

এরপর অমিকে তার বাবার বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল।

এ ঘটনায় ৯ আগস্ট অমির মা ফুলগাজী থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় অমির ননদ হাসিনা আক্তার ও ননদের স্বামী আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর শরীর ঝলসে দেয়ার অভিযোগ, গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার
পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতন: আটক আরও ৩
‘ধর্ষণচেষ্টা মামলা তুলে না নেয়ায় লাঠিপেটা’, ভিডিও ভাইরাল
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘ভুল চিকিৎসায়’ শিশুর মৃত্যু, পল্লী চিকিৎসক কারাগারে

‘ভুল চিকিৎসায়’ শিশুর মৃত্যু, পল্লী চিকিৎসক কারাগারে

শিশুটির বাবা সাইদুল জানান, তার ৯ মাসের ছেলে ইয়ামিন জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হলে রোববার বরগুনার চাইল্ড কেয়ার সেন্টারের চিকিৎসক মাসুম বিল্লাহর কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক মাসুম তাকে হার্টের চিকিৎসা দিলে ওই দিন রাতেই তার মৃত্যু হয়।

বরগুনায় ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগে এক পল্লী চিকিৎসককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বরগুনা আদালতের মাধ্যমে শুক্রবার দুপুরে ওই চিকিৎসককে কারাগারে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম বরগুনা থানায় চিকিৎসক মাসুম বিল্লাহর বিরুদ্ধে অপচিকিৎসার মামলা করেন। ওই দিন রাতেই তাকে আটক করে পুলিশ।

বরগুনা সদর উপজেলার চালিতাতলী গ্রামের বাসিন্দা সাইদুল জানান, তার ৯ মাসের ছেলে ইয়ামিন জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হলে রোববার বরগুনার চাইল্ড কেয়ার সেন্টারের চিকিৎসক মাসুম বিল্লাহর কাছে নিয়ে যান। মাসুম প্রাথমিকভাবে দেখে জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন পরীক্ষা দেন।

তিন হাজার টাকায় পরীক্ষাগুলো করানোর পর মাসুম রিপোর্ট দেখে তাদের জানান, ইয়ামিনের হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে। তাকে পরপর চার দিন চারটি ইনজেকশন দিতে হবে। পরে ওই দিন বিকেল সাড়ে ৮টার দিকে মাসুম নিজ হাতে একটি ইনজেকশন দেন এবং ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিয়ে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

তিনি আরও জানান, ইনজেকশান পুশ করার পর থেকেই ইয়ামিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। রাত ৮টার দিকে চিকিৎসক মাসুমকে বিষয়টি মোবাইল ফোনে জানালে তিনি ব্যবস্থাপত্র অনুসারে ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেন। পরে রাত ৯টার দিকে খিঁচুনি দিয়ে তার ছেলের মৃত্যু হয়।
সাইদুল বলেন, ‘আমার শিশু সন্তান মাসুম বিল্লাহর অপচিকিৎসায় মারা গেছে। আমি এবং আমার পরিবার ওই ডাক্তারের বিচার চাই।’

চিকিৎসক মাসুম বিল্লাহর বিরুদ্ধে অবশ্য অপচিকিৎসার অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। এর আগে ২২ জানুয়ারি বরগুনার নলটোনা এলাকার হাসান নামের একজন তার মায়ের হাত ভেঙে গেলে চিকিৎসক মাসুমের কাছে নিয়ে যান।

হাসানের অভিযোগ, মাসুম তার মায়ের অপচিকিৎসার করেন। তিনি প্রতিবাদ করলে মাসুম উল্টো তাকে হুমকিধমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন। মাসুমের চিকিৎসায় তার মায়ের হাত প্রায় অচল হয়ে গেছিল। পরে প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচে উন্নত চিকিৎসা নিয়ে তার মা সুস্থ হন।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেহেদী হাসান জানান, শিশুটির বাবার লিখিত অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসক মাসুমকে জেলার টাউন হল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ। দুপুরের দিকে তাকে আদালতের মাধ্যম কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর শরীর ঝলসে দেয়ার অভিযোগ, গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার
পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতন: আটক আরও ৩
‘ধর্ষণচেষ্টা মামলা তুলে না নেয়ায় লাঠিপেটা’, ভিডিও ভাইরাল
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে

শেয়ার করুন

জিনের আসর রয়েছে অজুহাতে গৃহবধূকে পিটুনি

জিনের আসর রয়েছে অজুহাতে গৃহবধূকে পিটুনি

শরীয়তপুর সদরে জ্বিনের আছর আছে এমন কথা বলে এক নারীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা

তামান্না আক্তার বলেন, ‘আমাকে শ্বশুরবাড়ির কেউ দেখতে পারে না। সংসারের কোনো কাজে ভুল হলেই আমাকে মারধর করা হয়। আর তারা অপবাদ দেন আমাকে নাকি জিনে আসর করেছে। আমার তিন বছর বয়সি একটি সন্তান রয়েছে। এসব কারণে সেও আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।’

শরীয়তপুর সদরে জিনের আসর আছে এমন কথা বলে এক নারীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে।

উপজেলার খিলগাঁও গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারীকে নির্যাতন করা হলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুক্রবার সকালে তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযুক্ত দুলাল গাজীর বাড়ি ওই এলাকাতেই। তামান্না আক্তার নামের ওই নারী ভত্তাইসার গ্রামের তোতা মিয়ার মেয়ে।

তামান্নার বাবা তোতা মিয়া জানান, ২০১৮ সালে দুলালের সঙ্গে বিয়ে হয় তার মেয়ের। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই তাকে মারধর করা হয়। এর আগে ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে তামান্নাকে টয়লেটে আটকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন দুলাল।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার সালিশ হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।

তামান্না আক্তার বলেন, ‘আমাকে শ্বশুরবাড়ির কেউ দেখতে পারে না। সংসারের কোনো কাজে ভুল হলেই আমাকে মারধর করা হয়। আর তারা অপবাদ দেন আমাকে নাকি জিনে আসর করেছে।

‘আমার তিন বছর বয়সি একটি সন্তান রয়েছে। এসব কারণে সেও আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।’

এ বিষয়ে দুলাল গাজী বলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীকে মারধর করিনি। তাকে জিনে আসর করেছে। সে বিভিন্ন সময় বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। আবার ফিরে আসে। তাকে কে মারধর করে আমি জানি না।’

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, ‘তামান্না নামের এক গৃহবধূকে তার স্বামী মারধর করছেন এমন অভিযোগ পাওয়ার পর ওই নারীকে ফোন করি। তার বাবার বাড়ির লোকজনকে বলেছি লিখিত অভিযোগ দিতে। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান মেয়েটিকে জিনে আসর করেছে। এমন ভিত্তিহীন কথা তারা কেন বলছেন তা খতিয়ে দেখা হবে।’

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর শরীর ঝলসে দেয়ার অভিযোগ, গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার
পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতন: আটক আরও ৩
‘ধর্ষণচেষ্টা মামলা তুলে না নেয়ায় লাঠিপেটা’, ভিডিও ভাইরাল
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে

শেয়ার করুন

ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আগুন

ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আগুন

আগুনে পুড়ে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের কাগজপত্র। ছবি: নিউজবাংলা

বরুমচড়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন চৌধুরীর অভিযোগ, ‘আমার বদনাম ছড়ানোর জন্য দুষ্কৃতিকারীরা আমার অস্থায়ী কার্যালয়ের ভেন্টিলেটর দিয়ে কাগজপত্রে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। কিছু কাগজপত্র পুড়ে যাওয়া ছাড়া প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় আইনের আশ্রয় নেবো।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) অস্থায়ী কার্যালয়ে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। ইউপি চেয়ারম্যানের দাবি, ইচ্ছা করে কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।

আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে শুক্রবার ভোর পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের চেষ্টায় আধ ঘণ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

বরুমচড়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম ২ বছর স্থায়ী কার্যালয়ে অফিস করেছি। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় সেখানে আর বসা সম্ভব হচ্ছে না। নতুন ভবন যে তৈরি করব, তার জন্য জমি, বাজেটও নাই। তাই আমার বাসভবনে অস্থায়ী কার্যালয় করেছি।

তার অভিযোগ, ‘আমার বদনাম ছড়ানোর জন্য দুষ্কৃতিকারীরা আমার অস্থায়ী কার্যালয়ের ভেন্টিলেটর দিয়ে কাগজপত্রে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। কিছু কাগজপত্র পুড়ে যাওয়া ছাড়া প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় আইনের আশ্রয় নেবো।’

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদ জানান, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের দুটি প্রিন্টার, একটি ফটোকপি মেশিন, একটি ল্যাপটপ, একটি ডিজিটাল ক্যামেরাসহ বিভিন্ন কাগজপত্র পুড়ে গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর শরীর ঝলসে দেয়ার অভিযোগ, গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার
পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতন: আটক আরও ৩
‘ধর্ষণচেষ্টা মামলা তুলে না নেয়ায় লাঠিপেটা’, ভিডিও ভাইরাল
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে

শেয়ার করুন

ঘরের আড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

ঘরের আড়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ

পরিবারের লোকজন জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে নাজমা বেগমকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলতে দেখে তার মেয়ে ঝুমুর। তার চিৎকারে লোকজন এসে নাজমাকে নিচে নামায়। শুক্রবার সকালে মরদেহ থানায় নেয় পুলিশ।

ভোলার লালমোহনে ঘরের আড়া থেকে গলায় ফাঁস দেয়া নাজমা বেগম নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সকালে উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের মহেশখালী গ্রামের ফরাজি বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

৪০ বছর বয়সী নাজমা বেগম ওই বাড়ির মো. সিদ্দিকের স্ত্রী। তিনি চার সন্তানের জননী।

পরিবারের লোকজন জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে নাজমা বেগমকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলতে দেখে তার মেয়ে ঝুমুর। তার চিৎকারে লোকজন এসে নাজমাকে নিচে নামায়। শুক্রবার সকালে মরদেহ থানায় নেয় পুলিশ।

লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদুর রহমান মুরাদ জানান, এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় বিস্তারিত কিছু জানাতে পারেনি পুলিশ।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর শরীর ঝলসে দেয়ার অভিযোগ, গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার
পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতন: আটক আরও ৩
‘ধর্ষণচেষ্টা মামলা তুলে না নেয়ায় লাঠিপেটা’, ভিডিও ভাইরাল
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে

শেয়ার করুন

তিন দিন অনশনের পর বিয়ে

তিন দিন অনশনের পর বিয়ে

স্ত্রী তানিয়া জানান, তিনি এবং হুমায়ুন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সেই সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আড়াই বছর ধরে তারা ঢাকার একটি বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাস করছিলেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে হুয়ায়ুনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তিন দিন অপেক্ষার পর ২১ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে হুমায়ুনের বাড়ি এসে অনশন শুরু করেন।

প্রেমের টানে বরিশাল থেকে ছুটে এসেছেন ফরিদপুরে। বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে টানা তিন দিন ছিলেন অনশনে। অবশেষে সেই দাবি মেনে নিলেন প্রেমিক ও তার পরিবার। ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহরে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে গাটছড়া বাঁধেন ওই জুটি।

ঘটনাটি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের শুবদেবনগর গ্রামের।

স্ত্রী তানিয়া খানমের বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বড়করপাকর গ্রামে। স্বামী হুমায়ুন মোল্লা ফরিদপুরের চতুল ইউনিয়নের শুবদেবনগর গ্রামের।

তানিয়া জানান, তিনি এবং হুমায়ুন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সেই সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আড়াই বছর ধরে তারা ঢাকার একটি বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাস করছিলেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে হুয়ায়ুনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তিন দিন অপেক্ষার পর ২১ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে হুমায়ুনের বাড়ি এসে অনশন শুরু করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনশনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ২৩ সেপ্টেম্বর নিজের বাড়িতে ফেরেন হুমায়ুন। এদিন রাত ১০টার দিকে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের বিষয়ে চতুল ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার কারামত আলী খান বলেন, ‘ছেলের পরিবার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে তাদের বিয়ে পড়িয়েছি। দেনমোহর ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। বিয়ের পর হুমায়ুনের বাড়িতে আছেন নবদম্পতি।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর শরীর ঝলসে দেয়ার অভিযোগ, গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার
পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতন: আটক আরও ৩
‘ধর্ষণচেষ্টা মামলা তুলে না নেয়ায় লাঠিপেটা’, ভিডিও ভাইরাল
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে

শেয়ার করুন

ছুটির দিনেও পাটুরিয়ায় যানবাহনের লাইন

ছুটির দিনেও পাটুরিয়ায় যানবাহনের লাইন

পাটুরিয়ায় দীর্ঘ যানবাহনের সারি। ছবি: নিউজবাংলা

রাজবাড়ীর আকলিমা বেগম বলেন, ‘রোদের মধ্যে গাড়িতে বাচ্চা নিয়ে বসে থাকা কেমন লাগে কন। আমাদের কষ্ট হয় আর বাচ্চাদের অবস্থা তো আরও খারাপ। বিরক্ত হয়ে মাঝেমধ্যে গাড়ি থেকে নেমে হাঁটাহাঁটি করতেছি।’

সাপ্তাহিক ছটির দিনেও যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে। ফেরি পারে যানবাহন ও যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘ সময়।

তবে দুপুরের তুলনায় সকালে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ অনেকটাই কম ছিল।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ২০টি ফেরি দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার হচ্ছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাহাঙ্গীর নামের একটি রো রো (বড়) ফেরি পাটুরিয়ায় ভাসমান কারখানায় মেরামতে আছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পাটুরিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, পাটুরিয়া ট্রাক টার্মিনালে প্রায় দুই শ গাড়ি অপেক্ষায়। ঘাট এলাকা থেকে নবগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে দেড় শ ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উথুলী সংযোগ মোড় এলাকায় প্রায় এক শ পণ্যবাহী ট্রাক পারের অপেক্ষায় সিরিয়ালে রয়েছে।

এ ছাড়া পাটুরিয়ার তিন ঘাটে ও ঘাট এলাকায় দুই শ যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত পরিবহন ফেরি পারের অপেক্ষায় আছে।

ফরিদপুরগামী আব্দুল হালিম বলেন, ‘বেলা দেড়টার দিকে পাটুরিয়া ঘাটে এসে ফেরির জন্য অপেক্ষা করতেছি। এই প্রচণ্ড গরমে বাসে বসে থাকা খুব কষ্টের। তার পরেও বসে আছি, বাড়িতে তো যেতে হবে।’

রাজবাড়ীর আকলিমা বেগম বলেন, ‘রোদের মধ্যে গাড়িতে বাচ্চা নিয়ে বসে থাকা কেমন লাগে কন। আমাদের কষ্ট হয় আর বাচ্চাদের অবস্থা তো আরও খারাপ। বিরক্ত হয়ে মাঝেমধ্যে গাড়ি থেকে নেমে হাঁটাহাঁটি করতেছি।’

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম মো.জিল্লুর রহমান জানান, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় যানবাহন ও যাত্রীর চাপ বেড়েছে। তবে জরুরি কাজে নিয়োজিত পরিবহনগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার করা হচ্ছে এবং সে যানবাহনের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়িও পারাপার করা হচ্ছে। জরুরি কাজে নিয়োজিত পরিবহন ও যাত্রীবাহী বাস পারাপারের পর পণ্যবাহী ট্রাক সিরিয়াল অনুযায়ী পার করা হবে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর শরীর ঝলসে দেয়ার অভিযোগ, গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার
পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতন: আটক আরও ৩
‘ধর্ষণচেষ্টা মামলা তুলে না নেয়ায় লাঠিপেটা’, ভিডিও ভাইরাল
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে

শেয়ার করুন

মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বোন নিহত

মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বোন নিহত

মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বোন নিহত। ছবি: নিউজবাংলা

নন্দীগ্রাম থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, মোকছেদ আলী মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাকে সব সময় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। শুক্রবার সকালে গোসল করানোর জন্য বড় বোন শিকল খুলে দেন। এ সময় মোকছেদ একটি লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। হাসপাতালে নেয়ার কিছুক্ষণ পর বোনের মৃত্যু হয়।

বগুড়ার নন্দীগ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় বোন নিহত হয়েছেন।

উপজেলার বুড়ইল বীরপলি গ্রামে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আজমি আরা একই গ্রামের সুমন মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, ভাই মোকছেদ আলী মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় ৫ বছর ধরে আজমি আরার কাছে রয়েছে। মোকছেদকে সব সময় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। শুক্রবার সকালে গোসল করানোর জন্য বড় বোন শিকল খুলে দিয়ে সংসারের কাজ করছিলেন।

এ সময় মোকছেদ একটি লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এতে আজমি গুরুতর আহত হন।

ওসি আরও জানান, তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার কিছুক্ষণ পর মারা যান। ঘটনার পর মোকছেদ আলীকে ওই বাড়িতেই শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়।

ওই ঘটনায় নিহতের পরিবার কোনো অভিযোগ করবে না বলে পুলিশকে জানিয়েছে।

এ ছাড়া মোকছেদ মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাকে আটকও করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ওসি।

আরও পড়ুন:
গৃহবধূর শরীর ঝলসে দেয়ার অভিযোগ, গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার
পুলিশ পরিদর্শকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতন: আটক আরও ৩
‘ধর্ষণচেষ্টা মামলা তুলে না নেয়ায় লাঠিপেটা’, ভিডিও ভাইরাল
মাথা ন্যাড়া করে নারীকে নির্যাতনের ভিডিও ফেসবুকে

শেয়ার করুন