ধর্ষণের মামলা করায় ‘প্রাণনাশের হুমকি’

ধর্ষণের মামলা করায় ‘প্রাণনাশের হুমকি’

প্রতীকী ছবি

কিশোরীর ভাই বলেন, ‘আমার বোনের নির্যাতনের বিষয় থানায় জানাইছি দেখে অনেকে আমাদের হুমকি দিচ্ছে। মামলা তুলে নিতে ভয় দেখাচ্ছে। মামলা না উঠালে আমাদের মেরে ফেলারও হুমকি দিচ্ছে। আমরা কী বোনের নির্যাতনের বিচার পাব না? নাকি মামলা করে আমরাই ভয়ে থাকব?’

মাদারীপুর সদরে ধর্ষণ মামলা করায় বাদীপক্ষকে হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সদর উপজেলায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে শুক্রবার মামলা হয়। এরপর থেকেই আসামি পক্ষের লোকজন হুমকি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন কিশোরীর মা।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে মেয়েকে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে পানি আনতে বলেন তিনি। পুকুরে গেলে এক প্রতিবেশী তাকে পাউরুটি খাওয়ানোর কথা বলে। পরে বাড়িতে ডেকে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়।

মেয়েটি বাড়িতে এসে তার মাকে ঘটনাটি জানায়। এর পরপরই মেয়েটির মা সদর মডেল থানায় মামলা করেন।

এলাকাবাসী জানান, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই মামলার আসামিকে গ্রামের কোথাও দেখা যায়নি।

ওই কিশোরীর ভাই বলেন, ‘আমার বোনের নির্যাতনের বিষয় থানায় জানাইছি দেখে অনেকে আমাদের হুমকি দিচ্ছে। মামলা তুলে নিতে ভয় দেখাচ্ছে। মামলা না উঠালে আমাদের মেরে ফেলারও হুমকি দিচ্ছে। আমরা কী বোনের নির্যাতনের বিচার পাব না? নাকি মামলা করে আমরাই ভয়ে থাকব?’

আসামির বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার স্ত্রী ধর্ষণের ঘটনাটি মিথ্যা বলে দাবি করেন। তার দাবি, তার স্বামী কোথায় আছেন তা তিনি জানেন না।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মাদারীপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) থোয়াই ছামং চাক নয়ন বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে। মেয়েটি এখন হাসপাতালে ভর্তি।’

তিনি আরও বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পরই মামলা নেয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে আসামি পলাতক। তাকে গ্রেপ্তার করতে আমি কয়েবার এলাকায় গিয়েছি। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
কেরানীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের হোতা গ্রেপ্তার
কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
হাওরে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুই জনের রিমান্ড আবেদন
কারারক্ষীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পায়রা সেতু: ক্ষতি এড়াতে মিলবে পূর্বাভাস

পায়রা সেতু: ক্ষতি এড়াতে মিলবে পূর্বাভাস

পায়রা সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল হালিম বলেন, ‘এই সেতুতে হেল্প মনিটরিং সিস্টেম ব্যবহার করার কারণই হলো নানা সুবিধা পাওয়া। ভূমিকম্প, বজ্রপাতসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা ওভারলোডেড গাড়ির কারণে ক্ষতি এড়াতে পূর্বাভাস মিলবে এই মনিটরিং সিস্টেম থেকে।’

দেশে প্রথমবারের মতো ‘হেল্প মনিটরিং সিস্টেম’ ব্যবহার করা হচ্ছে পায়রা সেতুতে। প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ অতিরিক্ত ওজনের গাড়ি চলাচলের কারণে বড় ধরনের ক্ষতির বিষয়ে পূর্বাভাস জানাবে এই ব্যবস্থা। এতে আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবে সেতু কর্তৃপক্ষ।

পায়রা সেতু নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক আব্দুল হালিম মঙ্গলবার বলেন, ‘এই সেতুতে হেল্প মনিটরিং সিস্টেম ব্যবহার করার কারণই হলো নানা সুবিধা পাওয়া। ভূমিকম্প, বজ্রপাতসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ অথবা ওভারলোডেড গাড়ির কারণে ক্ষতি এড়াতে পূর্বাভাস মিলবে এই মনিটরিং সিস্টেম থেকে।

‘এ ছাড়া এটি দেশের দ্বিতীয় ব্রিজ, যা এক্সট্রা ডোজ ক্যাবল সিস্টেমে তৈরি করা।’

তিনি জানান, পায়রা সেতু নির্মাণে নদীর তলদেশে বসানো হয়েছে ১৩০ মিটার দীর্ঘ পাইল, যা দেশে সর্ববৃহৎ। ৩২টি স্প্যানের মূল সেতুটি বিভিন্ন মাপের ৫৫টি টেস্ট পাইলসহ দশটি পিয়ার, পাইল ও পিয়ার ক্যাপের ওপর নির্মিত। এ ছাড়া ১৬৭টি বক্স গার্ডার সেগমেন্ট রয়েছে এটিতে। যার ফলে দূর থেকে সেতুটিকে মনে হবে ঝুলে আছে।

আব্দুল হালিম আরও জানান, জোয়ারের সময় নদী থেকে সেতুটি ১৮ দশমিক ৩০ মিটার উঁচু থাকবে। চারলেনের সেতুটির উভয় পাশে মোট ১ হাজার ২৬৮ মিটার অ্যাপ্রোচ সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। টোলপ্লাজা, প্রশাসনিক ভবন, ইলেকট্রিফিকেশন, নদীশাসন প্রকল্পের কাজও শেষ হয়েছে। আগামী মাসের যেকোনো সময় প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে এটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
কেরানীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের হোতা গ্রেপ্তার
কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
হাওরে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুই জনের রিমান্ড আবেদন
কারারক্ষীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ

শেয়ার করুন

বাঁধা ছিল শিকলে, পুড়ে মরল আগুনে

বাঁধা ছিল শিকলে, পুড়ে মরল আগুনে

স্থানীয়রা জানান, তিন মাস আগে মানসিক ভারসাম্য হারায় আলাউদ্দিন। এরপর থেকে তাকে ঘরে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বিদ্যুতের মিটার থেকে তাদের ঘরে আগুন লাগে।

কুমিল্লায় ঘরে আগুন লেগে শিকলে বাঁধা অবস্থায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের ফকিরবাজার খাড়েরা গ্রামে মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

১৯ বছরের ওই যুবকের নাম আলাউদ্দিন। সে খাড়েরা গ্রামের আবদুল মোমেনের ছেলে। স্থানীয় বুড়িচং আবদুল মতিন খসরু কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষে পড়ত সে।

স্থানীয়রা জানান, তিন মাস আগে মানসিক ভারসাম্য হারায় আলাউদ্দিন। এরপর থেকে তাকে ঘরে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে বিদ্যুতের মিটার থেকে তাদের ঘরে আগুন লাগে।

ওই সময় পরিবারের অন্য সদস্যরা বের হতে পারলেও আলাউদ্দিন শিকলে বাঁধা থাকায় আটকা পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত আগুন নেভাতে সক্ষম হলেও তার আগেই আলাউদ্দিনের মৃত্যু হয়।

বুড়িচং ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মী জহিরুল ইসলাম জানান, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুন প্রায় নিভিয়ে ফেলেন স্থানীয়রা। পরে তারা ঘর থেকে আলাউদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করেন।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আমি অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি শুনেই ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিই এবং আমার থানা থেকে ফোর্স পাঠাই। শুনেছি, স্থানীয়রা ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে আগুন নিভিয়ে ফেলে। একজন কলেজছাত্র অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছে বলে খবর পেয়েছি।’

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
কেরানীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের হোতা গ্রেপ্তার
কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
হাওরে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুই জনের রিমান্ড আবেদন
কারারক্ষীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ

শেয়ার করুন

অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুই পরিবারে উত্তেজনা

অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুই পরিবারে উত্তেজনা

ছেলের বাবা বাড়ি খুলে জিনিসপত্র সরিয়ে নেন। ছবি: নিউজবাংলা

ছেলের বাবা অভিযোগ করেন, ‘আমি এই বিয়ে মানতে রাজি না হওয়ায় মেয়ের পরিবার আমাকে দেখে নেবে বলে হুমকি দেয়। ১২ সেপ্টেম্বর রাত আটটার দিকে মেয়ের চাচা স্থানীয় কিছু লোকসহ আমার বাড়িতে এসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। শুধু আমাকে নয়, তারা আমার ক্লাস সেভেনে পড়া মেয়েকেও বেধড়ক পিটিয়েছে।’

নবম শ্রেণির ছাত্র ও অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী নিজ পছন্দে পালিয়ে বিয়ে করে। দেড় মাস পর মেয়েপক্ষ বিয়ে মেনে নিলেও নেয়নি ছেলের পরিবার। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে চলছে উত্তেজনা।

মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার ঘাষিয়ারা গ্রামে ঘটেছে এ ঘটনা। বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে মেয়ের পরিবার, ছেলের পরিবার বাসা স্থানান্তর করেছে।

ছেলের বাবার দাবি, তার ছেলে না বুঝেই এই সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। পাশের বাড়ির ওই মেয়ে তার ছেলেকে পটিয়ে গত আগস্টে বিয়ে করে। মেয়ের পরিবার বিয়ে মেনে নেয়ায় ৭ সেপ্টেম্বর তারা মেয়ের বাড়িতে ওঠে।

তিনি অভিযোগ করেন, ‘আমি এই বিয়ে মানতে রাজি না হওয়ায় মেয়ের পরিবার আমাকে দেখে নেবে বলে হুমকি দেয়। ১২ সেপ্টেম্বর রাত আটটার দিকে মেয়ের চাচা স্থানীয় কিছু লোকসহ আমার বাড়িতে এসে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।

‘শুধু আমাকে নয়, তারা আমার ক্লাস সেভেনে পড়া মেয়েকেও বেধড়ক পিটিয়েছে। আমাদের বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বলেছে। না গেলে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়েছে। পরদিনই আমি আমার ভাইদের নিয়ে গিয়ে সাতজনের নামে শ্রীপুর থানায় অভিযোগ করেছি।’

ছেলের চাচা স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ভাইকে মারধরের পর স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির মাধ্যমে তাদের নিরাপদ দূরত্বে রেখে এসেছি। থানায় অভিযোগের পর মেয়ের বাড়ির লোক মীমাংসা করবে বললেও তারা কথা রাখেনি।’

শ্রীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, তারা মারধরের প্রমাণ পেয়েছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর মেয়ের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ১৪ সেপ্টেম্বর থানায় বসতে চান। তবে ছেলের বাবা পরে জানায়, তারা সালিশ করে মীমাংসা করতে চান। থানার হস্তক্ষেপ চান না।

এসআই বলেন, ‘এরপর আর আমি এই বিষয়টি দেখিনি। এখন শুনছি তারা মেয়ের পরিবারের হুমকিতে বাড়ি ছেড়ে দিয়েছে। আমাকে তারা এটা জানায়নি।’

এ বিষয়ে ছেলের বাবা বলেন, ‘মেয়েপক্ষ আমার নিজের মেয়েকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে তাদের পরিচিত এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা করেছে। তাই বাড়ি ছেড়ে চলে এসেছি। বুধবার শ্রীপুর থানায় তাদের নামে মামলা করব।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ওই মেয়ের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। এক প্রতিবেশী জানান, মামলার খবর জানতে পেরে তারা কাউকে কিছু না বলে কোথাও চলে গেছে।

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
কেরানীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের হোতা গ্রেপ্তার
কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
হাওরে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুই জনের রিমান্ড আবেদন
কারারক্ষীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ

শেয়ার করুন

অপহরণের ৪ দিন পর কিশোর উদ্ধার

অপহরণের ৪ দিন পর কিশোর উদ্ধার

অপহৃত কিশোর নাজমুল ইসলামকে উখিয়া থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব।

নাজমুল জানায়, নাইক্ষ্যংছড়ির ইয়াহিয়া গার্ডেন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করে। এক পর্যায়ে তার কাছ থেকে পরিবারের ফোন নম্বর নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে অপহৃত কিশোর নাজমুল ইসলামকে কক্সবাজারের উখিয়া থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব।

কুতুপালং মেসার্স চৌধুরী ফিলিং স্টেশনের দক্ষিণে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের পশ্চিম পাশে অভিযান চালিয়ে সোমবার রাত ৮টার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

১৬ বছর বয়সী নাজমুলের বাড়ি কক্সবাজারের খরুলিয়া এলাকায়।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এসব তথ্য জানান র‍্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী।

তিনি জানান, রোববার কক্সবাজার সদর থানায় একটি অভিযোগ দেন এক ব্যক্তি। এতে বলা হয়, তার ছোট ভাই ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোঁজ। পরে একটি অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে তার কাছে। বলা হয়, ৫ লাখ টাকা না দিলে তার ভাইকে জীবিত পাওয়া যাবে না।

অভিযোগের পর র‍্যাবের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ওই কিশোরের অবস্থান শনাক্ত করে। অপহরণের চার দিনের মাথায় উখিয়া থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পাঁচ-ছয় জন অপহরণকারী পালিয়ে যান।

নাজমুল জানায়, নাইক্ষ্যংছড়ির ইয়াহিয়া গার্ডেন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন তাকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করে। এক পর্যায়ে তার কাছ থেকে পরিবারের ফোন নম্বর নিয়ে মুক্তিপণ দাবি করে।

র‍্যাব কর্মকর্তা শেখ সাদী জানান, এই ঘটনায় নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় মামলা হয়েছে। অপহরণকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
কেরানীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের হোতা গ্রেপ্তার
কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
হাওরে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুই জনের রিমান্ড আবেদন
কারারক্ষীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ

শেয়ার করুন

ইউনানি ওষুধ কারখানায় পুলিশের অভিযান

ইউনানি ওষুধ কারখানায় পুলিশের অভিযান

রংপুরে একটি ইউনানি ওষুধ কারখানায় অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়ান আসিফ জানান, ওষুধ তৈরির কাঁচামাল সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা না থাকা, পরিবেশ এবং ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র না থাকার অপরাধে একটি ইউনানি ওষুধ কারখানার প্ল্যান্ট ইনচার্জকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

রংপুর পৌর এলাকায় একটি ইউনানি ওষুধ কারখানায় অভিযান চালিয়েছে নগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। অভিযানের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত ওই কারখানার এক কর্মকর্তাকে জরিমানা করে।

পৌরসভার হাজিরহাট মুচির মোড় এলাকায় মঙ্গলবার বিকেলে ম্যানহার্ট ল্যাবরেটরিজ নামের ওষুধ কারখানাটিতে এ অভিযান চালানো হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেওয়ান আসিফ।

তিনি জানান, ওষুধ তৈরির কাঁচামাল সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা, শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা না থাকা, পরিবেশ এবং ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র না থাকার অপরাধে ওই ওষুধ কারখানার প্ল্যান্ট ইনচার্জ মো. বদিউজ্জামানকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়।

নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার (মিডিয়া) কাজী মুত্তাকী ইবনু মিনান জানান, সঠিক পরিবেশে ওষুধ তৈরি হচ্ছে না-এমন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ইউনানি ওষুধ কারখানায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক কারখানার এক কর্মকর্তাকে জরিমানা করে।

রংপুর মহানগর এলাকায় নকল ও অননুমোদিত ওষুধ প্রতিরোধে নগর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
কেরানীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের হোতা গ্রেপ্তার
কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
হাওরে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুই জনের রিমান্ড আবেদন
কারারক্ষীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ

শেয়ার করুন

‘নৌপুলিশের পিটুনিতে’ জেলের মৃত্যু

‘নৌপুলিশের পিটুনিতে’ জেলের মৃত্যু

পটুয়াখালীতে নৌপুলিশের পিটুনিতে এক জেলের মৃত্যুর অভিযোগে এলাকাবাসী নৌপুলিশ সদস্যদের আটকে রাখে। ছবি: নিউজবাংলা

পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ জানান, ঘটনার কারণ উদঘাটনে জেলা পুলিশ ও নৌপুলিশের পক্ষ থেকে আলদা দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নৌপুলিশের পিটুনিতে এক জেলের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের বালিয়াতলীতে মঙ্গলবার দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত নৌপুলিশের ছয় সদস‌্যকে আটকে রাখে স্থানীয়রা।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় কলাপাড়া ও মহিপুর থানা পুলিশ গিয়ে নৌপুলিশের ওই সদস্যদের উদ্ধার করে।

মৃত জেলের নাম সুজন হাওলাদার। তার বাড়ি কলাপাড়া উপজেলার বালিয়াতলী এলাকায়।

সুজনের মামা ইব্রাহিম খলিল জানান, সকাল ১০টার দিকে বালিয়াতলীর বানাতিবাজারের নৌপুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মামুনের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি দল রাবনাবাদ নদীতে কারেন্ট জাল জব্দ করার অভিযানে নামে। খবর পেয়ে নদীতে থাকা সব জেলে তীরে উঠে পালাতে থাকে। দুপুর ১২টার দিকে তার ভাগনে সুজন সবার অগোচরে নৌকায় উঠে নদীতে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। এ সময় নৌপুলিশের সদস‌্যরা সুজনকে ধরে ফেলে এবং মারধর করে। একপর্যায়ে সুজন অচেতন হয়ে পড়েন।

অচেতন অবস্থায় সুজনকে প্রথমে স্থানীয় বাবলাতলা বাজারে পল্লী চিকিৎসক মোহাব্বত আলীর কাছে নেয়া হয়। পরে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ‌্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক সুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

সুজনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী নৌপুলিশের সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রাখে।

তবে নৌ পুলিশের এএসআই মামুন সুজনকে মারধরের কথা অস্বীকার করে জানান, তারা টহল দিচ্ছিলেন। এ সময় তাদের দেখে সুজন ও তার সহযোগীরা তাদের ট্রলার নদীর কিনারে ভেড়ান।

ট্রলারে থাকা অপর জেলেরা দৌড়ে চলে যায়। এ সময় পুলিশ ট্রলারের কাছে গিয়ে জালের ওপর সুজনকে পড়ে থাকতে দেখেন।

বানাতিবাজার নৌপুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম জানান, তিনি ছুটিতে ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে যান।

বালিয়াতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবিএম হুমায়ুন কবির জানান, স্থানীয় মানুষ নৌপুলিশদের আটকে রেখেছিল। কলাপাড়া ও মহিপুর থেকে ২০-২৫ জন পুলিশ এসে নৌপুলিশের সদস্যদের নিয়ে যায়।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আমি ছুটিতে আছি। তবে খোঁজ নিয়ে শুনেছি ঘটনাস্থলে একাধিক সিনিয়র অফিসারের নেতৃত্বে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ফোর্স রয়েছে।’

পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ জানান, ঘটনার কারণ উদঘাটনে জেলা পুলিশ ও নৌপুলিশের পক্ষ থেকে আলদা তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব‌্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘যদিও বিষয়টি নৌপুলিশের, সেখানে জেলা পুলিশের কোনো সদস‌্যের সঙ্গে কিছু হয়নি। তারপরেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমরা সব ধরনের ব‌্যবস্থা গ্রহণ করেছি।’

ময়নাতদন্তের জন‌্য ওই জেলের মরদেহ পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
কেরানীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের হোতা গ্রেপ্তার
কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
হাওরে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুই জনের রিমান্ড আবেদন
কারারক্ষীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ

শেয়ার করুন

ইয়াসমিন হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার

ইয়াসমিন হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার

নান্দাইলে গৃহবধূ হত্যা মামলায় তার স্বামী সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নান্দাইলের শ্রীরামপুর গ্রামে মদনপুর-যুগের হাওর থেকে ইয়াসমিনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সোমবার রাতে তার ভাই বাদী হয়ে ইয়াসমিনের স্বামী, দেবরসহ পাঁচ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে গৃহবধূ ইয়াসমিন হত্যা মামলায় তার স্বামী সাদ্দাম হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামের হাওর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

নান্দাইল মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওবায়দুর রহমান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।

তিনি জানান, সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে ইয়াসমিনের ভাই বাদী হয়ে ইয়াসমিনের স্বামী, দেবরসহ পাঁচ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এরপরই অভিযান চালিয়ে
সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাদ্দামকে বুধবার ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে নেয়া হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।

পুলিশ জানায়, শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার গাঙাইল ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে মদনপুর-যুগের হাওর থেকে ইয়াসমিনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পরদিন সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শিশু ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
কেরানীগঞ্জে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের হোতা গ্রেপ্তার
কলেজছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার
হাওরে নববধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, দুই জনের রিমান্ড আবেদন
কারারক্ষীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগ

শেয়ার করুন