বরিশালে সংঘর্ষ: চোখে গুলিবিদ্ধ ২ নেতার জামিন

বরিশালে সংঘর্ষ: চোখে গুলিবিদ্ধ ২ নেতার জামিন

আইনজীবী মোহাম্মদ ইউনুস জানান, ১৮ আগস্ট রাতে আনসার সদস্যদের ছোড়া গুলিতে তাদের দুজনেরই চোখ নষ্ট হয়ে যায়। তারা ঢাকায় চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তারা ঢাকা থেকে ফিরে রোববার আদালতে যান। আদালত তাদের জামিন দিয়েছে।

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনে হামলা ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় চোখে গুলিবিদ্ধ দুই নেতাকে জামিন দিয়েছে আদালত।

জেলা অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক মাসুম বিল্লাহ রোববার দুপুরে তাদের জামিন আবেদন গ্রহণ করেন।

ওই দুই আসামি হলেন ২৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভির আহসান।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বিবাদী পক্ষের আইনজীবী তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এখন পর্যন্ত হামলার ঘটনায় পুলিশ ও ইউএনও মুনিবুর রহমানের করা মামলায় তিন ধাপে ২৩ জন জামিন পেয়েছেন। তাদের মধ্যে ২১ জন গ্রেপ্তার আসামিও আছেন।

আইনজীবী মোহাম্মদ ইউনুস জানান, ১৮ আগস্ট রাতে আনসার সদস্যদের ছোড়া গুলিতে তাদের দুজনেরই চোখ নষ্ট হয়ে যায়। তারা ঢাকায় চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। তারা ঢাকা থেকে ফিরে রোববার আদালতে যান।

ঘটনার সূত্রপাত

বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে ১৮ আগস্ট রাতে শোক দিবসের ব্যানার খুলতে যান ব‌রিশাল সি‌টি করপোরেশনের কর্মচারীরা। এ সময় ব্যানার খোলার কারণ জানা নিয়ে ইউএনও মুনিবুর রহমানের সঙ্গে সি‌টির প্রশাস‌নিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাসের কথা-কাটাকা‌টি হয়।

প্রশাস‌নিক কর্মকর্তার সঙ্গে থাকা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা ওই সময় ইউএনওর সঙ্গে বিবাদে জ‌ড়িয়ে পড়েন। পরে সেখানে আনসার‌ সদস্যদের সঙ্গে হাতাহাতি শুরু হলে উপ‌স্থিত আওয়ামী লী‌গ, যুবলীগ ও ছাত্রলী‌গের নেতা-কর্মীরা ইউএনওর বাসায় হামলার চেষ্টা চালান। এ সময় আনসার সদস্যরা গু‌লি ছুড়লে প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাসসহ চারজন আহত হন।

যুবলীগ নেতা শাহ‌রিয়ার বাবু, হারুন অর র‌শিদ ও তানভীরকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বরিশালের শের-ই-বাংলা মে‌ডি‌ক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভ‌র্তি করা হয়।

সংঘর্ষের পর ইউএনওর কার্যালয়ের সামনে পু‌লিশ অবস্থান নিলে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা ফের ইউএনওর বাসভবনে হামলার চেষ্টা করেন।

এ সময় পু‌লিশ ও সরকারদলীয় নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে আহত হন বেশ কয়েকজন। এ ঘটনার পর থেকেই থমথমে ছিল বরিশাল নগরী।

এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি চারটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ইউএনও ও পুলিশের করা দুটি মামলায় গত ২৫ আগস্ট আদালত ৯ জনের জামিন দেয়। এরপর আরও ১২ আসামির জন্য ২৯ তারিখ জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
বরিশালে সংঘর্ষ: আরও ১২ আসামির জামিন
বরিশালে সংঘর্ষ: ৯ আসামির জামিন
‘আইনি কাঠামোর মধ্যে মামলার সমাধান হবে’
ভুল-বোঝাবুঝি হতেই পারে, বরিশাল নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

প্রাণহানি-সংঘর্ষের মধ্যে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

প্রাণহানি-সংঘর্ষের মধ্যে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

ভোট শেষে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরভাটা আর জি উচ্চ বিদ্যালয়ে চলছে গণনা। ছবি: নিউজবাংলা

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, ভোটের আগেই ৪৪টি ইউপির চেয়ারম্যান পদে ও ৩টি পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় একক প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। সেখানে ভোট হয়েছে অন্য পদগুলোতে। সবকটি পৌরসভাতে ভোট হয়েছে ইভিএমে। ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্যে ১১টিতে ইভিএমে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা।

বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, দুই প্রাণহানি ও কিছু প্রার্থীর ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদ ও ৯টি পৌরসভার নির্বাচন। সেখানে শুরু হয়েছে ভোট গণনা।

কেন্দ্রগুলোতে সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। এর মধে সহিংসতার জেরে কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়েছে।

সহিংসতায় কক্সবাজারে প্রাণ হারিয়েছেন দুইজন। বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, ভোটের আগেই ৪৪টি ইউপির চেয়ারম্যান পদে ও ৩টি পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় একক প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। সেখানে ভোট হয়েছে অন্য পদগুলোতে।

সবকটি পৌরসভাতে ভোট হয়েছে ইভিএমে। ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্যে ১১টিতে ইভিএমে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা।

প্রাণহানি-সংঘর্ষের মধ্যে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

কক্সবাজার

জেলার মহেশখালী ও চকরিয়া পৌরসভায় এবং মহেশখালী, টেকনাফ ও কুতুবদিয়ার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়েছে।

এর মধ্যে মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছে। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ করা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

কুতুবদিয়ার বড় ঘোপ ইউনিয়নের পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ব্যালট ছিনতাইচেষ্টার সময় দুর্বৃত্তদের ওপর গুলি ছোড়ে পুলিশ। সে সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আব্দুল হালিম। তিনি ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন পাঁচজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামশেদুল ইসলাম সিকদার।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন তিন নারী।

প্রাণহানি-সংঘর্ষের মধ্যে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে খবর পাওয়া গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাতে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। হাসপাতালে নেয়ার পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

এছাড়া অন্য কেন্দ্রগুলোতে ভোট হয়েছে স্বাভাবিকভাবেই।

বাগেরহাট

এই জেলার ৬৫টি ইউনিয়নে ভোট হয়েছে। এর মধ্যে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে বেলা ১২টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন আহত হয়েছেন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী রিপন চন্দ্র দাশ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা আমার ভাইয়ের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

এই অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল জব্বার মোল্লা বলেন, ‘আমার জয় নিশ্চিত জেনে তারা নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল করে দোষ চাপাচ্ছে।’

এই অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের মধ্যে কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানা লালন ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। এর আগে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি তার এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ আনেন।


ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল দেয়া, ব্যালট পেপার ছিঁড়ে ফেলাসহ এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন।

এ ছাড়া চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা গেছে। কয়েক জায়গায় হাতাহাতির ঘটনাও ঘটেছে।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে, বাগেরহাটের ৯ উপজেলার মোট ৬৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও কচুয়ার রাঢ়ীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের ১৩টি পদের সব কয়টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন প্রার্থীরা। তাই ভোট হয়েছে ৬৫টি ইউনিয়নে।

সাতক্ষীরা

এই জেলার কলারোয়া ও তালা উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়েছে। সকালে বৃষ্টি হওয়ায় ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার দেখা গেছে প্রায় সব কেন্দ্রেই।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, অনিয়মের অভিযোগ তুলে কলারোয়ার কয়লা ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ভোট বর্জন করেছেন।

অনিয়ম হওয়ায় কেড়াগাছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করেছে উপজেলা প্রশাসন।

তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর মক্তব কেন্দ্রে ককটেল ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

প্রাণহানি-সংঘর্ষের মধ্যে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

আটক ব্যক্তির নাম আজহার হোসেন; তিনি নৌকা প্রতীকের কর্মী বলে জানা গেছে।

এর আগে সকালে শ্রীমন্তকাটি কেন্দ্রের পাশে নৌকার কর্মী-সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল কবির জানান, ২১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে ইভিএমে ভোট হয়েছে।

নোয়াখালী

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখলসহ নানা অভিযোগ তুলে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট বর্জন করেছেন পাঁচ চেয়ারম্যান প্রার্থী।

ভোট শুরু ঘণ্টাখানেক পর নিজ নিজ বাড়ি থেকে সংবাদ সম্মেলন করে তারা ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

তারা হলেন ৯ নম্বর বুড়িরচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিয়া আলী মোবারক কল্লোল, ১০ নম্বর জাহাজমারা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী এটিএম সিরাজ উদ্দিন, ৫ নম্বর চরইশ্বর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল হালিম আজাদ, ৮ নম্বর সোনাদিয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া এবং ১১ নম্বর নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেরাজ উদ্দিন।

এই উপজেলায় সাতটি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়। এর মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থীরা ভোট বর্জন করায় সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জয় প্রায় নিশ্চিতই।

হাতিয়ার পাশাপাশি ইউপি নির্বাচনের ভোট হয়েছে সুবর্ণচরেও। সেখানে ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট দেন ভোটাররা। ভোটার উপস্থিতি হাতিয়ার চেয়ে সুবর্ণচরেই বেশি দেখা গেছে।

এছাড়া কবিরহাট পৌরসভাতেও হয়েছে ভোট। তবে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জহিরুল হক রায়হান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হওয়ায় সেখানে কাউন্সিল পদের জন্য ভোট হয়েছে।

ফেনী

ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভায় কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়া, প্রার্থীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ভোট।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আবু নাসের অভিযোগ করেন, বাইরে নিরাপত্তা জোরদার থাকলেও কেন্দ্রের ভেতরে একজনের ভোট অন্যজন দিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর বহিরাগত সমর্থকরা ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দিয়েছে। একই অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ইমাম উদ্দিন ভূঁইয়ার।

ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী হিজবুল্লাহ অভিযোগ করেন, তিনি সকালে ২ নম্বর ওয়ার্ডে কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে সরকারদলীয় সমর্থকরা তাকে লাঞ্ছিত করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেন।

প্রাণহানি-সংঘর্ষের মধ্যে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

এ ছাড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী অভিযোগ করেন নির্বাচনী কেন্দ্রের ভেতর পরিবেশ ভালো থাকলেও বাইরে সরকারদলীয় সমর্থকরা তার সমর্থকদের ঢুকতে দেয়নি।

এসব অভিযোগ সত্য নয় জানিয়ে সোনাগাজী পৌরসভার আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাদের কোনো ভোটার নেই তারা এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।’

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, সোনাগাজী পৌরসভার ৯টি কেন্দ্রের ৪৯টি বুথে ভোটাররা ভোট দিয়েছেন।

প্রতিবেদন তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন কক্সবাজারের সাকিবুর রহমান, বাগেরহাটের মামুন আহমেদ, সাতক্ষীরার রফিকুল ইসিলাম শাওন, নোয়াখালীর মোহাম্মদ সোহেল, ফেনীর আরিফুর রহমান ও কুমিল্লার মাহফুজ নান্টু।

আরও পড়ুন:
বরিশালে সংঘর্ষ: আরও ১২ আসামির জামিন
বরিশালে সংঘর্ষ: ৯ আসামির জামিন
‘আইনি কাঠামোর মধ্যে মামলার সমাধান হবে’
ভুল-বোঝাবুঝি হতেই পারে, বরিশাল নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড: বাঁচল না শিশুটি

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড: বাঁচল না শিশুটি

শিশুটির বাবা-মা জানান, জন্মের পরই দেখতে পান নবজাতক কন্যার হৃৎপিণ্ড শরীরের বাইরে। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শে মেয়েকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে নেয়া হয় ঢাকায়। তবে চিকিৎসাব্যয় শুনে শিশুটিকে ফিরিয়ে আনেন বরিশালে।

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্ম নেয়া শিশুকে বাঁচানো গেল না।

স্থানীয় নিউ ডিজিটাল ডায়গনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেল ৪টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

এই ক্লিনিকে বৃহস্পতিবার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয় শিশুটির। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেয়া হয়।

চিকিৎসকরা জানান, হৃৎপিণ্ড শিশুর শরীরের ভেতরে স্থাপন করা সম্ভব। তবে এ চিকিৎসা ব্যয়বহুল। প্রয়োজন হবে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।

অর্থের অভাবে এই চিকিৎসা শুরু করতে পারেননি রমেন-অপু দম্পতি। সন্তানকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা চেয়েছিলেন তারা।

শিশুটির বাবা-মা জানান, জন্মের পরই দেখতে পান নবজাতক কন্যার হৃৎপিণ্ড শরীরের বাইরে। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শে মেয়েকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

সেখানকার চিকিৎসকরা শিশুটিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। শিশু হাসপাতাল থেকে তাদের পাঠানো হয় রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে।

বারডেমের চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, শিশুটিকে আইসিইউতে ভর্তিসহ অপারেশনের জন্য খরচ হবে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।

চিকিৎসার জন্য এত টাকা না থাকায় পুনরায় শিশুটিকে রোববার ঢাকা থেকে বাড়িতে এনে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

আরও পড়ুন:
বরিশালে সংঘর্ষ: আরও ১২ আসামির জামিন
বরিশালে সংঘর্ষ: ৯ আসামির জামিন
‘আইনি কাঠামোর মধ্যে মামলার সমাধান হবে’
ভুল-বোঝাবুঝি হতেই পারে, বরিশাল নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন

নির্যাতনের অভিযোগ আসামির, ওসির দাবি ‘হয়রানির শিকার’

নির্যাতনের অভিযোগ আসামির, ওসির দাবি ‘হয়রানির শিকার’

শফিকের অভিযোগ, ওসির বিরুদ্ধে তিনি সংবাদ সম্মেলন করার পর থেকে তার বাসায় প্রতিদিন পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। তিনি ‍এখন ‍প্রাণনাশের ভয়ে ‍এলাকা ছাড়া। ‍‍তাকে মাদক ও ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর পায়তারা করছে ওসি। তবে ওসির দাবি, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে শফিককে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে বিপাকে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক ব্যক্তি।

ওসির দাবি, অভিযোগকারীই তার পিছু লেগে আছেন। কেউ তাকে ব্যবহার করছে।

বরিশালের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত প্রেসক্লাবে সোমবার বেলা ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন শফিকুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘গত ২৪ আগস্ট শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত প্রেসক্লাবে ও ২৯ আগস্ট মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আমি ওসি নুরুল ইসলাম বাদলের বিরুদ্ধে হয়রানি ও এলাকার জেলেদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করি। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরেও লিখিত অভিযোগ পাঠাই।

‘এরপর থেকে ‍আমার বাসায় প্রতিদিন পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। আমি ‍এখন ‍প্রাণনাশের ভয়ে ‍এলাকা ছাড়া। ‍‍আমাকে মাদক ও ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারা করছে ওসি।’

শফিকুল আরও বলেন, ‘আমি ওই ওসির বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বাংলাদেশ পুলিশের ‍আইজপি, বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি, পিরোজপুরের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। অভিযোগের পর পিরোজপুরের পুলিশ সুপার ‍আমাকে ডেকে পাঠালে ‍আমি তার কার্য‍ালয়ে যাই। সেখানে ‍আমার লিখিত জবানবন্দি রাখা হয়।

‘এরপর অনেক দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজিও আশ্বাস দিয়েছিলেন। পরে কোনো ব্যবস্থা নেননি।’

তবে ওসি বাদল বলছেন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে শফিককে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শফিক একটি মামলার নিয়মিত আসামি। তখন থেকে তাকে চিনি। তিনি মারামারি করে একজনের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিলেন। বাদীপক্ষ বিষয়টি মীমাংসা করতে রাজি না হয়ে মামলা করে। শফিক ওই মামলায় জামিনে আছেন।

‘এরপর থেকেই তিনি আমার পিছু লেগে আছেন। আমি এই থানার ওসি, এখানে অনেক রাজনৈতিক বিরোধ আছে। কেউ হয়তো তাকে আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।’

আরও পড়ুন:
বরিশালে সংঘর্ষ: আরও ১২ আসামির জামিন
বরিশালে সংঘর্ষ: ৯ আসামির জামিন
‘আইনি কাঠামোর মধ্যে মামলার সমাধান হবে’
ভুল-বোঝাবুঝি হতেই পারে, বরিশাল নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন

মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ, মরদেহ উদ্ধার ১ দিন পর

মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ, মরদেহ উদ্ধার ১ দিন পর

রত্না নদীতে নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে তলিয়ে নিখোঁজ হন মোশারফ চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা

বানিয়াচং থানার ওসি প্রজিত কুমার দাশ জানান, রোববার সকালে রত্না নদীতে একাই নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে যান মোশারফ চৌধুরী। মাছ ধরার একপর্যায়ে তিনি নৌকা থেকে পড়ে তলিয়ে যান। পরে সোমবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে রত্না নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজের ২৮ ঘণ্টা পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নদীর সুনামপুর এলাকা থেকে সোমবার বেলা ১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) প্রজিত কুমার দাশ।

উদ্ধার হওয়া মোশারফ চৌধুরীর বাড়ি উপজেলার প্রতাপপুর গ্রামে।

ওসি জানান, রোববার সকাল ৯টার দিকে বাড়ির পাশের রত্না নদীতে একাই নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে যান মোশারফ। মাছ ধরার একপর্যায়ে তিনি নৌকা থেকে পড়ে তলিয়ে যান।

স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। রোববার তাকে না পেয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উদ্ধারকাজ স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

ওসি প্রজিত আরও জানান, সোমবার দুপুরে নিখোঁজ হওয়া স্থানের প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে নদীর সুনামপুর এলাকায় যুবকের মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
বরিশালে সংঘর্ষ: আরও ১২ আসামির জামিন
বরিশালে সংঘর্ষ: ৯ আসামির জামিন
‘আইনি কাঠামোর মধ্যে মামলার সমাধান হবে’
ভুল-বোঝাবুঝি হতেই পারে, বরিশাল নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: লোগো ব্যবহারে হুঁশিয়ারি কর্তৃপক্ষের

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: লোগো ব্যবহারে হুঁশিয়ারি কর্তৃপক্ষের

চত্তগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো ব্যবহার করে এ ধরনের সংবাদ বা তথ্যাদি প্রচার আইনত দণ্ডনীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় বিধি মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো যেখানে-সেখানে ব্যবহারের ওপর সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে সামাজিক যোগাযোগ বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য, সংবাদ প্রচারিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করা হয়।

রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার রাতে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু অসাধু ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন স্থানে নানাবিধ ভিত্তিহীন তথ্য ও সংবাদ অপপ্রচার করে যাচ্ছে। এসব তথ্য ও সংবাদ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।

সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো ব্যবহার করে এ ধরনে সংবাদ বা তথ্যাদি প্রচার আইনত দণ্ডনীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় বিধি মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এ ব্যাপারগুলোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে অনুমতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো ব্যবহার করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
বরিশালে সংঘর্ষ: আরও ১২ আসামির জামিন
বরিশালে সংঘর্ষ: ৯ আসামির জামিন
‘আইনি কাঠামোর মধ্যে মামলার সমাধান হবে’
ভুল-বোঝাবুঝি হতেই পারে, বরিশাল নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন

শাটারবিহীন দোকানে যুবকের গলাকাটা মরদেহ

শাটারবিহীন দোকানে যুবকের গলাকাটা মরদেহ

শাটারবিহীন এ দোকানের মধ্যে থেকে নাছির মিয়ার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

মুরাদনগর থানার ওসি সাদেকুর রহমান জানান, ধনুমিয়া মার্কেটের শাটারবিহীন একটি দোকানে মানসিক ভারসাম্যহীন নাছির মিয়ার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

কুমিল্লার মুরাদনগরে শাটারবিহীন দোকান থেকে যুবকের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ-নবীনগর সড়কের বাখর নগর এলাকার ধনুমিয়া মার্কেটে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত নাছির মিয়ার বাড়ি কুমিল্লা দেবিদ্বার পৌর এলাকার ভিংলাবাড়ী এলাকায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাদেকুর রহমান।

তিনি জানান, ধনুমিয়া মার্কেটের শাটারবিহীন একটি দোকানে মানসিক ভারসাম্যহীন নাছির মিয়ার গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ওসি সাদেকুর আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাতে দুর্বৃত্তরা তাকে গলাকেটে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবদুল আউয়াল থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

হত্যার কারণ উদঘাটন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালানো হবে বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
বরিশালে সংঘর্ষ: আরও ১২ আসামির জামিন
বরিশালে সংঘর্ষ: ৯ আসামির জামিন
‘আইনি কাঠামোর মধ্যে মামলার সমাধান হবে’
ভুল-বোঝাবুঝি হতেই পারে, বরিশাল নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন

নারীকে ছুরিকাঘাত, সাবেক স্বামী আটক

নারীকে ছুরিকাঘাত, সাবেক স্বামী আটক

হাসপাতালে আহত ফাহমিদাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা

সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সাজিদ হাসান জানান, ফাহমিদার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গায় পূর্ব বিরোধের জেরে এক নারীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগে সাবেক স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, পৌর এলাকার শেখপাড়ায় সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ওই হামলার ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে দেয়।

আহত ফাহমিদা ফাইম শেখপাড়ার আবু কাউসার মধুর মেয়ে। আটক জসিম উদ্দিনের বাড়ি সদর উপজেলার আলুকদিয়া গ্রামে।

ফাহমিদার বাবা আবু কাউসার মধু জানান, বেশ কয়েক বছর আগে জসিমের সঙ্গে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে কলহ বাড়তে থাকে।

সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় ১ বছর আগে তাদের বিচ্ছেদ হয়। কিন্তু এর পরও জসিম তার মেয়েকে নানাভাবে উত্যক্ত করত।

তিনি বলেন, ‘আজ হঠাৎ জসিম আমার বাড়িতে আসে। হঠাৎ মেয়ের ঘরে ঢুকে তাকে চাকু দিয়ে আঘাত করে। তার চিৎকারে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। জসিমকে আটক করেন তারা। মেয়েকে ভর্তি করা হয় চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে।’

সদর হাসপাতালের চিকিৎসক সাজিদ হাসান জানান, ফাহমিদার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মাসুদুর রহমান জানান, অভিযুক্ত জসিমকে আটক করা হয়েছে। তবে এখনও থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
বরিশালে সংঘর্ষ: আরও ১২ আসামির জামিন
বরিশালে সংঘর্ষ: ৯ আসামির জামিন
‘আইনি কাঠামোর মধ্যে মামলার সমাধান হবে’
ভুল-বোঝাবুঝি হতেই পারে, বরিশাল নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ার করুন