সোহেল রানাকে ফিরিয়ে আনা সহজ নয়: পুলিশ

সোহেল রানাকে ফিরিয়ে আনা সহজ নয়: পুলিশ

ই-অরেঞ্জের কথিত মালিক ও বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা। ছবি: সংগৃহীত

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ভারতে গ্রেপ্তার পুলিশ ইন্সপেক্টর সোহেলকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চলছে, কিন্তু প্রক্রিয়াটি অত সহজ নয়। তবু আমরা আশা করছি, দ্রুত একটি ফল পাওয়া যাবে।’

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কাছে গ্রেপ্তার হওয়া ই-অরেঞ্জের কথিত মালিক এবং বনানী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শেখ সোহেল রানাকে দেশে ফিরিয়ে আনা সহজ হবে না বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলাম।

নিজ কার্যালয়ে রোববার দুপুরে গণমাধ্যমকে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘ভারতে গ্রেপ্তার পুলিশ ইন্সপেক্টর সোহেলকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চলছে, কিন্তু প্রক্রিয়াটি অত সহজ নয়। তবু আমরা আশা করছি, দ্রুত একটি ফল পাওয়া যাবে।’

সোহেল রানাকে ভারত-নেপাল সীমান্ত থেকে আটক করা হয় বলে শনিবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।

শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘যেহেতু ভারতে মামলা হয়েছে এ কারণে তাকে ফিরিয়ে আনা যাবে কি-না সেটি নিশ্চিত না। তবে ফিরিয়ে আনার রাস্তা রয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিএসএফকে চিঠি দিয়ে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এটি অনেক সময় করা হয়। আমরা চেষ্টা করছি ফিরিয়ে আনার জন্য। যদি এ মাধ্যমে ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হয় তাহলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে ফেরত আনার চেষ্টা করবে।’

ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের করা ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলার তদন্ত চলছে। এ মামলায় এরই মধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছেন প্রধান তিন আসামি সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান ও প্রতিষ্ঠানের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমানউল্লাহ চৌধুরী।

সোনিয়া মেহজাবিন কাগজে-কলমে ই-অরেঞ্জের মালিক হলেও তার ভাই শেখ সোহেল রানা আড়ালে থেকে সব পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের রিমান্ডে থাকার সময় ই-অরেঞ্জের সাবেক সিওও নাজমুল আলম রাসেল এমন তথ্য দিয়েছেন।

রাসেলের স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, গত কয়েক মাসে সোহেল রানা ই-অরেঞ্জ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা তার অরেঞ্জ বাংলাদেশ নামের প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যান। অরেঞ্জ বাংলাদেশের বিনিয়োগ রয়েছে বেশ কিছু ব্যবসায়িক খাতে।

সোহেলের বিরুদ্ধে যে মামলা হয়েছে সেটা তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার শফিকুল। তিনি বলেন, ‘ই-অরেঞ্জের হিসাব থেকে সোহেল টাকা তুলেছে এটাতো জানা গেছে। আর সে যেহেতু এখন পালিয়েছে তাই বোঝাই যাচ্ছে সে এটার সঙ্গে ইনভলভড। তার নামে একটি মামলা হয়েছে, গুলশান থানায় সেটার তদন্ত চলছে। সেটার রিপোর্ট পেলে তার শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে নতুন মামলা
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানা ভারতে আটক
ই-অরেঞ্জের সাবেক সিওও রাসেল কারাগারে
ই-অরেঞ্জের মালিকসহ তিনজন কারাগারে
ই-অরেঞ্জের প্রতারণা ঢাকতে সিওও আমানের নিয়োগ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে রোজিনার আবেদন খারিজ

পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে রোজিনার আবেদন খারিজ

রোজিনা ইসলাম

পাসপোর্ট জমা দেয়ার শর্তে রোজিনা ইসলামকে জামিন দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন পাসপোর্ট ফেরত দেয়া হলে আগের সেই শর্ত ভঙ্গ হয়, বলেন বিচারক।

ব্যক্তিগত পাসপোর্ট, প্রেস এক্রিডিশন কার্ড ও দুটি মুঠোফোন ফেরত চেয়ে প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক রোজিনা ইসলামের আবেদন নাকচ করেছে আদালত। দণ্ডবিধি ও অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের মামলায় এসব মাল জব্দ করেছিল পুলিশ।

রোববার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আবু বক্কর ছিদ্দিক আবেদনটি নাকচ করে দেন।

গত ১৭ মে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা আটকে রেখে রাত সাড়ে আটটার দিকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর ও তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

সেই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর পর গত ২৩ মে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক নিজাম উদ্দিন নিউজবাংলাকে জানান, গত ১৫ সেপ্টেম্বর এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ ঠিক করা ছিল। এদিন আদালতে হাজির হয়ে জব্দকৃত মালামাল ফেরত চেয়ে আইনজীবী এহসানুল হক সমাজীর মাধ্যমে আবেদন করেন রোজিনা।

শুনানিতে সেদিন মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহাম্মদ মোর্শেদ হোসেন খানকে ১৯ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ রোববার আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক। নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট দিনে তদন্ত কর্মকর্তা হাজির হন।

রোজিনার আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী আদালতকে বলেন, ‘রোজিনা ইসলামের পাসপোর্টটি জব্দ করা হয়েছিল। তিনি শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন। প্রেস এক্রিডিশন কার্ডটিও জব্দ রয়েছে। জব্দ রয়েছে তার দুটি মুঠোফোন। এসব জব্দ থাকার ফলে তিনি তার পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না।’

এ সময় আদালতে উপস্থিত তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোর্শেদ খান আদালতকে বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে জব্দ করা রোজিনা ইসলামের দুটি মুঠোফোনের ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং ইতোমধ্যে রিপোর্টও এসেছে।

‘তাই তার জিনিসপত্র এখনই ফেরত না দেয়ার জন্য বিনীত আবেদন করছি।’

এ সময় বিচারক রোজিনা ইসলামের আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, ‘পাসপোর্ট জমা দেয়ার শর্তে রোজিনা ইসলামকে জামিন দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এখন পাসপোর্ট ফেরত দেয়া হলে আগের সেই শর্ত ভঙ্গ হয়।’

তখন রোজিনার আইনজীবী বলেন, ‘আদালত রোজিনা ইসলামের পাসপোর্ট জমা নিয়েছে। কিন্তু রোজিনা ইসলাম কোথাও যেতে পারবেন না, এমন কোনো শর্ত আদেশে দেয়া হয় নাই।’

আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রোজিনা ইসলামের করা আবেদনটি খারিজ করে দেয়।

তবে সিএমএম আদালতের নাকচ আদেশের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করা হবে বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী।

আরও পড়ুন:
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে নতুন মামলা
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানা ভারতে আটক
ই-অরেঞ্জের সাবেক সিওও রাসেল কারাগারে
ই-অরেঞ্জের মালিকসহ তিনজন কারাগারে
ই-অরেঞ্জের প্রতারণা ঢাকতে সিওও আমানের নিয়োগ

শেয়ার করুন

বাবরের অবৈধ সম্পদের মামলায় আত্মপক্ষ শুনানি ২১ সেপ্টেম্বর

বাবরের অবৈধ সম্পদের মামলায় আত্মপক্ষ শুনানি ২১ সেপ্টেম্বর

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। ফাইল ছবি

সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের মামলায় আত্মপক্ষ শুনানির তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ঠিক করেছে আদালত। সাক্ষ্য গ্রহণকালে কারাগারে থাকা বিএনপির সাবেক এ নেতাকে আদালতে হাজির করা হয়। সাক্ষ্য শেষে তাকে ফের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

দুই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের মামলায় আত্মপক্ষ শুনানির তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ঠিক করেছে আদালত।

রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৭ এর বিচারক মো. শহিদুল ইসলাম এ তারিখ ঠিক করেন।

এর আগে এদিন দুদকের পক্ষে মামলার বাদী সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম সাক্ষ্য দেন। তিনি এদিন আসামির পক্ষে জমা দেয়া সম্পদের বিবরণী আদালতে শনাক্ত করেন।

মামলাটিতে এর আগেও তিনি সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময় সম্পদ-বিবরণী শনাক্ত না করায় তা শনাক্তের জন্য এ সাক্ষীকে ফের তলব করা হয়। এদিন এ সাক্ষী সম্পদ-বিবরণী শনাক্ত শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম তাকে জেরা করেন। এরপর আদালত আত্মপক্ষ শুনানির তারিখ ঠিক করেন।

সাক্ষ্য গ্রহণকালে কারাগারে থাকা বিএনপির সাবেক এ নেতাকে আদালতে হাজির করা হয়। সাক্ষ্য শেষে তাকে ফের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে যৌথবাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন বাবর। পরের বছরের ১৩ জানুয়ারি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম রমনা থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

একই বছরের ১৬ জুলাই বাবরকে অভিযুক্ত করে দুদকের উপসহকারী পরিচালক রূপক কুমার সাহা আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রে বাবরের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৫ লাখ ৯১ হাজার ৮৯৬ টাকার সম্পদের হিসাব গোপন রাখার অভিযোগ আনা হয়।

বাবর দুদকে ৬ কোটি ৭৭ লাখ ৩১ হাজার ৩১২ টাকার সম্পদের হিসাব জমা দেন। তার অবৈধ সম্পদের মধ্যে প্রাইম ব্যাংক এবং এইচএসবিসি ব্যাংক দুইটি এফডিআরে ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৪৯ হাজার ২১৮ টাকা এবং বাড়ি নির্মাণ বাবদ ২৬ লাখ ৪২ হাজার ৬৭৮ টাকা গোপন করার কথা মামলায় উল্লেখ করা হয়।

২০০৮ সালের ১২ আগস্ট বাবরের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। মামলাটির বিচার চলাকালে ৯ জন সাক্ষীর মধ্যে বিভিন্ন সময় আদালতে ৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।

আরও পড়ুন:
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে নতুন মামলা
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানা ভারতে আটক
ই-অরেঞ্জের সাবেক সিওও রাসেল কারাগারে
ই-অরেঞ্জের মালিকসহ তিনজন কারাগারে
ই-অরেঞ্জের প্রতারণা ঢাকতে সিওও আমানের নিয়োগ

শেয়ার করুন

শোক দিবসে প্রজ্ঞাপন: মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে তলব

শোক দিবসে প্রজ্ঞাপন: মাদ্রাসা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে তলব

জাতীয় শোক দিবসে প্রজ্ঞাপন জারি করায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও বোর্ডের রেজিস্টারকে তলব করেছে হাইকোর্ট।

আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর তাদেরকে হাইকোর্টে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

এ সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. হুমায়ুন কবির। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব জানান, জাতীয় শোক দিবস ১৫ আগস্ট মাদ্রাসার এডহক কমিটি অনুমোদন দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও রেজিস্ট্রারকে তলব করেছে হাইকোর্ট।

আইনজীবী জানান, বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল শালিখা দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি মনোনয়নসহ চার সদস্যের এডহক কমিটির অনুমোদন দিয়ে সেদিন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের পক্ষে রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরে ওই দিন কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

সে ঘটনার পর গোহাইল শালিখা দাখিল মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক ওমর ফারুক প্রজ্ঞাপনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন।

আরও পড়ুন:
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে নতুন মামলা
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানা ভারতে আটক
ই-অরেঞ্জের সাবেক সিওও রাসেল কারাগারে
ই-অরেঞ্জের মালিকসহ তিনজন কারাগারে
ই-অরেঞ্জের প্রতারণা ঢাকতে সিওও আমানের নিয়োগ

শেয়ার করুন

মৃতদেহের গেঞ্জিতে ছিল হত্যাকাণ্ডের সূত্র

মৃতদেহের গেঞ্জিতে ছিল হত্যাকাণ্ডের সূত্র

গ্রেপ্তারকৃত মিরাজ ও রাসেল

প্রতি ডেলিভারিতেই জুয়েলের কাছে কালেকশনের ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা থাকতো। এই কথা ভালো করেই জানতো মিরাজ। টাকা আত্মসাৎ করার জন্যই সে জুয়েলকে হত্যা করে।

টাকার জন্যই খুন হন জুয়েল মিয়া। পরে তাকে একটি ড্রামে ভরে মিরপুর এলাকায় ফেলে যায় সঙ্গীরা।

প্রথমে অজ্ঞাত পরিচয় হিসেবে জুয়েলের মৃতদেহ পায় পুলিশ। পরে পরনে থাকা গেঞ্জির সূত্র ধরে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয় তিন সঙ্গীকেও।

সোমবার বিকেলে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আ স ম মাহাতাব উদ্দিন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।

ব্রিফিংয়ে বলা হয়, ১৭ তারিখ প্রথম প্রহর রাত আনুমানিক ২টার দিকে এক সুইপার পুলিশকে জানান, মিরপুর লাভ রোডে রাস্তার উপর নীল রংয়ের একটি ড্রাম পড়ে আছে। ড্রামের ভেতর একটি মৃতদেহ। এ তথ্য পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।

তাৎক্ষনিকভাবে মৃতদেহের পরিচয় ও ড্রামটি কোথা থেকে এল তা জানতে ব্যর্থ হয় পুলিশ। ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়েও মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। থানা পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থাও প্রাথমিকভাবে পরিচয় শনাক্তে ব্যর্থ হয়।

শেষ পর্যন্ত একটি সূত্র পাওয়া যায়। মৃতদেহের পরনে থাকা গেঞ্জিতে লেখা ছিল- ‘সাফল্যের পথে একসাথে’। এই স্লোগানের সূত্র ধরেই পরিচয় শনাক্ত হয়। মৃতের নাম জুয়েল রানা। চাকরি করেন একটি টোব্যাকো কোম্পানিতে। তার পরিবারকে খবর দেয় পুলিশ। মৃতদেহের ছবি দেখে স্বামীর পরিচয় নিশ্চিত করেন জুয়েলের স্ত্রী। পরে তিনি মিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা করেন।

আসামীদের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে উপ-পুলিশ কমিশনার মাহতাব উদ্দিন বলেন, ‘শনাক্তের পর- লাশ কোথা থেকে এল- আমরা তার তদন্ত শুরু করি। ঘটনাস্থলের আশপাশে থাকা সিসিটিভি ফুটেজসহ গোপনে ও প্রকাশ্যে তদন্ত শুরু হয়।’

তদন্ত করতে গিয়েই হত্যাকাণ্ডে জুয়েলের বন্ধু মিরাজের সম্পৃক্ততা পায় পুলিশ। সোমবার প্রথম প্রহর রাত আড়াইটায় দারুস সালাম গৈদার টেক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মিরাজকে। এ সময় তার কাছে জুয়েল রানার কাছ থেকে নেয়া ৩৮ হাজার টাকাও জব্দ করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর হত্যার রহস্য উদঘাটিত হয় এবং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সাইফুল ও সোহাগ নামে আরও দুজন গ্রেপ্তার হয়। তারাও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

মিরাজের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি কাভার্ড ভ্যান ও এর ভেতরে থাকা জুয়েল রানার মার্লবোরো সিগারেট কোম্পানির আইডি কার্ড, চার কার্টুন মার্লবোরো সিগারেট ও হত্যার কাজে ব্যবহৃত রশি জব্দ করা হয়।

কী কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটল, এ প্রসঙ্গে মাহাতাব উদ্দিন জানান, মিরাজ একটি দুধ কোম্পানিতে ডেলিভারি ম্যান হিসেবে চাকরি করেন। জুয়েলের সঙ্গে তার চলাফেরা ছিল। প্রতি ডেলিভারিতেই জুয়েলের কাছে কালেকশনের ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকা থাকতো। এই কথা ভালো করেই জানতো মিরাজ। টাকা আত্মসাৎ করার জন্যই সে মূলত জুয়েলকে হত্যা করে। হত্যার সময় সহযোগী হিসেবে নেয় বাকী দুজনকে।

গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, হত্যা করার উদ্দেশে জুয়েলকে তারা ঘটনাস্থলে আসতে বলে। পরে জুয়েল সেখানে আসলে মিরাজ ও সাইফুল তাকে মাদক জাতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট খাওয়ায়। এক পর্যায়ে আসামী রাসেল কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়।

ইয়াবা সেবনের সময় পরিকল্পনা মতো জুয়েলকে পেছন থেকে রশি দিয়ে গলায় পেচিয়ে ধরে সাইাফুল। ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে জুয়েলের পা চেপে ধরে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে মিরাজ। পরে জুয়েলের পকেটে থাকা মার্লবোরো কোম্পানির মালামাল বিক্রির ৭৬ হাজার টাকা নিয়ে নেয় তারা।

জুয়েলের মৃতদেহ গোপন করার জন্য সেকশন-১১ থেকে একটি নীল রংয়ের ড্রাম কিনে আনে মিরাজ ও সাইফুল। মৃতদেহটি ড্রামের মধ্যে ঢুকিয়ে মুখ বন্ধ করে এটি ফেলার জন্য নিরাপদ স্থান খুঁজতে থাকে তারা। এক পর্যায়ে আসামীরা পরিকল্পনা করে ড্রামটি মিরপুর সেকশন-২, লাভ রোডস্থ প্রশাসনিক কর্মকর্তার কার্যালয় মিরপুর হাউজিং এস্টেট এর সরকারী অফিসের বিপরীত পার্শ্বে রাস্তার উপরে রেখে চলে যায়।

আরও পড়ুন:
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে নতুন মামলা
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানা ভারতে আটক
ই-অরেঞ্জের সাবেক সিওও রাসেল কারাগারে
ই-অরেঞ্জের মালিকসহ তিনজন কারাগারে
ই-অরেঞ্জের প্রতারণা ঢাকতে সিওও আমানের নিয়োগ

শেয়ার করুন

সিএনজি স্টেশন দিনে ৪ ঘণ্টা বন্ধ কার্যকর

সিএনজি স্টেশন দিনে ৪ ঘণ্টা বন্ধ কার্যকর

দিনে ৪ ঘণ্টা সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজধানীর সব সিএনজি ফিলিং স্টেশন রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়। রাত ১০টার পর সেগুলো ফের খুলে দেয়া হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে দিনে ৪ ঘণ্টা সিএনজি ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত রোববার সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হয়েছে।

রাজধানীর সব সিএনজি স্টেশন সন্ধ্যা ৬টা থেকেই বন্ধ করে দেয়া হয়। রাত ১০টার পর সেগুলো ফের খুলে দেয়া হবে।

এর আগে বুধবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ‘বিদ্যুতের চাহিদার দৈনিক পিক আওয়ারে গ্যাস বিতরণ নেটওয়ার্কে সম্ভাব্য স্বল্প চাপ পরিস্থিতি নিরসনে রোববার থেকে বিদ্যুতের দৈনিক পিক আওয়ারে সন্ধ্যা ৬টা হতে রাত ১০টা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা সিএনজি স্টেশনসমূহে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হবে।’

এর আগে সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ৬ ঘণ্টা বন্ধ রাখা হবে সিএনজি ফিলিং স্টেশন।

বুধবার থেকেই বিষয়টি কার্যকর করার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে পরে তা পিছিয়ে দেয়া হয়।

তবে সিএনজি ফিলিং স্টেশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান এ বি এম আব্দুল ফাত্তাহ্‌র সঙ্গে দেখা করে ৪ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ রাখার দাবি জানায়।

ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাসুদ খান বলেন, ‘৬ ঘণ্টা যে বন্ধের কথা বলা হয়েছে, এতে একটা বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়েছে। তাই আমরা ওনাদের সঙ্গে আমাদের সমস্যার কথা বলেছি। ওনারা আমাদের দাবিগুলো মন্ত্রণালয়ে পাঠাবেন। মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্ধান্ত হবে।’

আরও পড়ুন:
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে নতুন মামলা
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানা ভারতে আটক
ই-অরেঞ্জের সাবেক সিওও রাসেল কারাগারে
ই-অরেঞ্জের মালিকসহ তিনজন কারাগারে
ই-অরেঞ্জের প্রতারণা ঢাকতে সিওও আমানের নিয়োগ

শেয়ার করুন

সচিবালয় ঘেরাওয়ে পুলিশের বাধা, আহত ৬

সচিবালয় ঘেরাওয়ে পুলিশের বাধা, আহত ৬

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ছাত্র মৈত্রীর নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা

শতভাগ শিক্ষার্থীকে করোনার টিকা দেয়া, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়া, ন্যূনতম ৫০ শতাংশ বেতন ও সেমিস্টার ফি মওকুফ করাসহ বিভিন্ন দাবিতে ছাত্র মৈত্রী সচিবালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দিয়েছিল।

শিক্ষার্থীদের শতভাগ টিকা দেয়াসহ বিভিন্ন দাবিতে ছাত্র মৈত্রীর সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এ সময় আহত হয়ে ৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি হিসেবে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ছাত্র মৈত্রীর নেতা-কর্মীরা সচিবালয়ের দিকে মিছিল নিয়ে এগিয়ে যেতে চেষ্টা করেন। সচিবালয়ের ৫ নম্বর গেটের সামনের রাস্তায় তখন পুলিশ কাঁটাতারের ব্যারিকেড দিয়ে তাদের বাধা দেয়। এ সময় কয়েকজন কর্মী ব্যারিকেড সরানোর পাশাপাশি পুলিশের সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন। পরে পুলিশের বাধায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে তারা ঘটনাস্থল থেকে সরে যান।

ছাত্র মৈত্রী দাবি করেছে, নেতা-কর্মীরা ব্যারিকেড ভেঙে ফেললে পুলিশ হামলা চালায়। তখন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি রাশেদ খান, ইয়াতুন্নেসা রুমা, সাংগঠনিক সম্পাদক অদিতি আদৃতা সৃষ্টি, ক্রীড়া সম্পাদক সুমাইয়া পারভীন ঝরা, ঢাকা মহানগরের মালা আক্তার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নেতা জুবায়ের আহমেদ আহত হন। আহত ৬ জন নেতা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

শতভাগ শিক্ষার্থীকে করোনার টিকা দেয়া, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিয়ে ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়া, ন্যূনতম ৫০ শতাংশ বেতন ও সেমিস্টার ফি মওকুফ করাসহ বিভিন্ন দাবিতে ছাত্র মৈত্রী সচিবালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দিয়েছিল।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া জানান, আহত ৬ জন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে ভর্তি করা হতে পারে।

হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে শাহবাগ থানার প্যাট্রোল ইন্সপেক্টর শেখ বাশার বলেন, ‘ব্যারিকেড সরাতে গিয়ে কেউ আহত হতে পারেন। পুলিশ সেখানে হামলা করেনি।’

আরও পড়ুন:
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে নতুন মামলা
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানা ভারতে আটক
ই-অরেঞ্জের সাবেক সিওও রাসেল কারাগারে
ই-অরেঞ্জের মালিকসহ তিনজন কারাগারে
ই-অরেঞ্জের প্রতারণা ঢাকতে সিওও আমানের নিয়োগ

শেয়ার করুন

পূর্ব রামপুরায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

পূর্ব রামপুরায় গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

এনামুল জানান, বিভিন্ন সময় বিয়ের আশ্বাস ও খরচ দেয়ার কথা বলে শারীরিক সম্পর্ক করেন শরীফ। শনিবার রাতে তিনি ওই নারীকে পূর্ব রামপুরা এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তিন ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করেন। এ কাজে সহযোগিতা করেন আরেক নারী।

রাজধানীর পূর্ব রামপুরা এলাকায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

রোববার দুপুরের দিকে ওই নারীকে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান স্বজনরা ।

ওই নারীর ভাই এনামুল জানান, দুই মাস আগে স্ত্রীকে রেখে বরিশাল গেছেন তার বোনের স্বামী। এরপর থেকে ওই নারী খিলগাঁও এলাকায় ভাইয়ের বাসায় থাকতেন। সেখানে শরীফ নামের একজনের সঙ্গে পরিচয় হয় তার।

তিনি জানান, বোনের স্বামী তাকে ফেলে যাওয়ার সুযোগ নেন শরীফ। বিভিন্ন সময় বিয়ের আশ্বাস ও খরচ দেয়ার কথা বলে শারীরিক সম্পর্ক করেন তিনি। শনিবার রাতে তিনি ওই নারীকে পূর্ব রামপুরা এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তিন ব্যক্তি তার বোনকে ধর্ষণ করেন। এ কাজে সহযোগিতা করেন আরেক নারী।

তিনি আরও জানান, সোমবার রিকশায় করে বাসায় ফিরে বিস্তারিত জানান তার বোন। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘রামপুরা থেকে এক নারী হাসপাতালে এসেছেন। পরিবারের অভিযোগ তিনি সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। বিষয়টি রামপুরা থানাকে জানানো হয়েছে।’

রামপুরা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মারুফ হোসেন বলেন, ‘এ রকম অভিযোগ পেয়েছি। হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি।’

আরও পড়ুন:
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানাসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে নতুন মামলা
ই-অরেঞ্জের সোহেল রানা ভারতে আটক
ই-অরেঞ্জের সাবেক সিওও রাসেল কারাগারে
ই-অরেঞ্জের মালিকসহ তিনজন কারাগারে
ই-অরেঞ্জের প্রতারণা ঢাকতে সিওও আমানের নিয়োগ

শেয়ার করুন