জুলাইয়ে নিবন্ধন করেও মেলেনি টিকার এসএমএস

জুলাইয়ে নিবন্ধন করেও মেলেনি টিকার এসএমএস

টিকা নিতে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে এই ভিড়। ছবি: নিউজবাংলা

লক্ষ্মীপুরের সিভিল সার্জনের তথ্য মতে, পাঁচ উপজেলায় ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন সাড়ে ৫ লাখের বেশি মানুষ। ওই দিন পর্যন্ত টিকা নিয়েছেন ২ লাখ ৫০ হাজার। সরবরাহ কম থাকায় নিবন্ধনকারীদের টিকা দিতে দেরি হচ্ছ।

করোনা প্রতিরোধী টিকা নিতে লক্ষ্মীপুরের মানুষের আগ্রহ বাড়লেও সরবরাহ কম। এ কারণে নিবন্ধন করার দেড় থেকে দুই মাস পরও টিকা নিতে পারছেন না আগ্রহীরা।

সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, এখন জেলায় টিকার জন্য অপেক্ষায় আছে প্রায় তিন লাখ নিবন্ধনকারী।

লক্ষ্মীপুর পৌরসভার বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ফেরদৌস ইসলাম গত ১ জুলাই স্ত্রীসহ করোনার টিকার জন্য নিবন্ধন করেন। টিকা কেন্দ্র নির্ধারণ করেন জেলা সদর হাসপাতাল। দুই মাসেও তিনি এসএমএস পাননি বলে জানালেন।

জুলাইয়ের বিভিন্ন সময় নিবন্ধন করে এখনও বার্তা পাননি জেলা সদরের হুমায়ুন কবির, আবু তাহের ও নাজমা বেগম।

সিভিল সার্জনের তথ্য মতে, দেশে টিকাদান শুরুর পর থেকে এই জেলায় ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন প্রায় সাড়ে ৫ লাখ মানুষ। এর মধ্যে গত এপ্রিল থেকে এ পর্যন্ত নিবন্ধন করেছেন প্রায় ৪ লাখ আগ্রহী।

জেলা সিভিল সার্জন আবদুল গফ্ফার জানান, প্রথম দিকে টিকা নেয়ায় তেমন আগ্রহ ছিল না সাধারণ মানুষের। সে সময় বাড়ি গিয়ে বলে বলে নিবন্ধন করানো লাগত। গত ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত জেলার এক লাখের কিছু বেশি মানুষ নিবন্ধন করেছিলেন। তবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসার পর এপ্রিল থেকে বেড়ে যায় নিবন্ধনের হার।

তিনি আরও জানান, ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টিকা দেয়া হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার মানুষকে। নিবন্ধন করে টিকা নিতে অপেক্ষায় রয়েছেন ৩ লাখের বেশি মানুষ।

জুলাইয়ে নিবন্ধন করেও মেলেনি টিকার এসএমএস

সিভিল সার্জন কার্যালয়ে টিকার এসএমএস পাঠানোর কাজ করেন মাসুরা বেগম। তিনি জানান, প্রতিদিন ছয় থেকে সাত হাজার নিবন্ধনকারীকে এসএমএস পাঠানো হয়। এর মধ্য থেকে নির্ধারিত দিনে দুই হাজারের বেশি মানুষ টিকা নেয়।

জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জানান, নিবন্ধনের সংখ্যা বেড়েছে, মানুষের মধ্যে আগ্রহও বেড়েছে টিকা নেয়ার। যে পরিমাণ নিবন্ধন হয়েছে সে তুলনায় টিকা দেয়া হচ্ছে কম। টিকা কম থাকায় দেয়া যাচ্ছে না।

চিকিৎসকদের মতে, যে হারে টিকা দেয়া হচ্ছে, তাতে নিবন্ধনকারীদের সবাইকে টিকা দিতে সময় লাগবে ৮ থেকে ৯ মাস।

জেলা সিভিল সার্জনও টিকার সরবরাহ কম থাকার বিষয়টি জানিয়েছেন।

জুলাইয়ে নিবন্ধন করেও মেলেনি টিকার এসএমএস

তিনি জানান, সরবরাহের চেয়ে জেলায় অনেক বেশি নিবন্ধন হয়েছে। সদর হাসপাতালে ছয়টি বুথে প্রতিদিন টিকা দেয়া হয় গড়ে এক হাজার। আর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চারটি বুথে গড়ে টিকা পান ৬০০ থেকে ৭০০ মানুষ। এর মধ্যে অর্ধেক পাচ্ছেন প্রথম ডোজের টিকা। বাকীরা দ্বিতীয় ডোজ।

তিনি বলেন, টিকা এলে পর্যায়ক্রমে সবাইকে দেয়া হবে। খুব কম সময়ের মধ্যে এ সংকট কেটে যাবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি, ৭ বছর জেল বিএনপি নেতার

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি, ৭ বছর জেল বিএনপি নেতার

দণ্ডিত আক্তার হোসেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার রাণীনগর শেরকোল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শেরকোল ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অপরাধে নাটোরের এক বিএনপি নেতাকে সাত বছর কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক জিয়াউর রহমান সোমবার বেলা ১১টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিত আক্তার হোসেন নাটোরের সিংড়া উপজেলার রাণীনগর শেরকোল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি শেরকোল ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

আদালত তাকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক লাখ টাকা জরিমানাও করেছেন। অনাদায়ে আরও তিন মাস জেল খাটতে হবে তাকে।

আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ইসমত আরা জানান, ২০১৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাতে আক্তার হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেন। এতে তিনি আপত্তিকর কথাবার্তা লেখেন।

এ ঘটনায় পরদিন শেরকোল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোখলেসুর রহমান বাদী হয়ে সিংড়া থানায় ২০০৬ সালের তথ্য-প্রযুক্তি আইনের (সংশোধন-২০১৩) ৫৭ ধারায় একটি মামলা করেন।

২০১৬ সালের ৮ মার্চ সিংড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দেবব্রত দাস আক্তারের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। এরপর আদালতে এ মামলার বিচার শুরু হয়।

বিচার চলাকালে আদালত ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নেয়। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে রাজশাহী কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

ভোট শেষে নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরভাটা আর জি উচ্চ বিদ্যালয়ে চলছে গণনা। ছবি: নিউজবাংলা

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ভোটের আগেই ৪৪টি ইউপির চেয়ারম্যান পদে ও তিনটি পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় একক প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। সেখানে ভোট হয়েছে অন্য পদগুলোতে। সব পৌরসভায় ভোট হয়েছে ইভিএমে। ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্যে ১১টিতে ইভিএমে ভোট হয়।

বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, দুজনের প্রাণহানি ও কিছু প্রার্থীর ভোট বর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ১৬০টি ইউনিয়ন পরিষদ ও ৯টি পৌরসভার নির্বাচন। ভোট শেষে চলছে গণনা।

কেন্দ্রগুলোতে সোমবার সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। এর মধ্যে সহিংসতার জেরে কয়েকটি কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করা হয়।

সহিংসতায় কক্সবাজারে প্রাণ হারিয়েছেন দুইজন। বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তথ্য অনুযায়ী, ভোটের আগেই ৪৪টি ইউপির চেয়ারম্যান পদে ও ৩টি পৌরসভার মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় একক প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। সেখানে ভোট হয়েছে অন্য পদগুলোতে।

সব পৌরসভায় ভোট হয়েছে ইভিএমে। ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্যে ১১টিতে ইভিএমে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা।

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

কক্সবাজার

জেলার মহেশখালী ও চকরিয়া পৌরসভা এবং মহেশখালী, টেকনাফ ও কুতুবদিয়ার ১৪টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়েছে।

এর মধ্যে মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার দুই কেন্দ্রে সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছে। দুই কেন্দ্রেই সংঘর্ষের পর বন্ধ করা হয়েছে ভোট গ্রহণ।

কুতুবদিয়ার বড় ঘোপ ইউনিয়নের পিলটকাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে ব্যালট ছিনতাইচেষ্টার সময় দুর্বৃত্তদের ওপর গুলি ছোড়ে পুলিশ। সে সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আব্দুল হালিম। তিনি ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন পাঁচজন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জামশেদুল ইসলাম সিকদার।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে মহেশখালীর কুতুবজোম ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিতে একজন নিহত হন। গুলিবিদ্ধ হন তিন নারী।

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াপাড়া এলাকায় কুতুবজোম দাখিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম আবুল কালাম। তিনি স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মোশাররফ হোসেন খোকনের সমর্থক বলে খবর পাওয়া গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হাই।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ভোট চলাকালীন ওই কেন্দ্রে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ কামালের সমর্থকদের সঙ্গে চশমার প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। সে সময় গুলিবিদ্ধ হন চারজন। হাসপাতালে নেয়ার পথেই মৃত্যু হয় কালামের।

এ ছাড়া অন্য কেন্দ্রগুলোতে ভোট হয়েছে স্বাভাবিকভাবেই।

বাগেরহাট

জেলার ৬৫টি ইউনিয়নে ভোট হয়েছে। এর মধ্যে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে দুপুর ১২টার দিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন আহত হন।

আওয়ামী লীগ প্রার্থী রিপন চন্দ্র দাশ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের সমর্থকরা আমার ভাইয়ের ওপর হামলা চালিয়েছে।’

এ অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল জব্বার মোল্লা বলেন, ‘আমার জয় নিশ্চিত জেনে তারা নিজেদের মধ্যে গণ্ডগোল করে দোষ চাপাচ্ছে।’

এই অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগের মধ্যে কচুয়া উপজেলার ধোপাখালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ রানা লালন ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।


ফকিরহাট উপজেলার শুভদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল দেয়া, ব্যালট পেপার ছিড়ে ফেলাসহ এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেছেন।

এ ছাড়া চিতলমারী উপজেলার কলাতলা ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে সদস্য প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা যায়। কয়েক জায়গায় হাতাহাতিও হয়।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাগেরহাটের ৯ উপজেলার ৬৬টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও কচুয়ার রাঢ়ীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যের ১৩টি পদের সব কয়টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন প্রার্থীরা। তাই ভোট হয়েছে ৬৫টি ইউনিয়নে।

সাতক্ষীরা

জেলার কলারোয়া ও তালা উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়েছে। সকালে বৃষ্টি হওয়ায় ভোটার উপস্থিতি কিছুটা কম ছিল। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটার দেখা গেছে প্রায় সব কেন্দ্রেই।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, অনিয়মের অভিযোগ তুলে কলারোয়ার কয়লা ইউনিয়ন পরিষদের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম ভোট বর্জন করেন।

অনিয়ম হওয়ায় কেড়াগাছি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট স্থগিত করে উপজেলা প্রশাসন।

তালা উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর মক্তব কেন্দ্রে ককটেল ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টির অভিযোগে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

আটক ব্যক্তির নাম আজহার হোসেন। তিনি নৌকা প্রতীকের কর্মী বলে জানা গেছে।

এর আগে সকালে শ্রীমন্তকাটি কেন্দ্রের পাশে নৌকার কর্মী-সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নাজমুল কবির জানান, ২১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে ইভিএমে ভোট হয়েছে।

নোয়াখালী

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কেন্দ্র দখলসহ নানা অভিযোগ তুলে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ভোট বর্জন করেছেন পাঁচ চেয়ারম্যান প্রার্থী।

ভোট শুরুর ঘণ্টাখানেক পর নিজ নিজ বাড়ি থেকে সংবাদ সম্মেলন করে তারা ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

তারা হলেন বুড়িরচর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিয়া আলী মোবারক কল্লোল, জাহাজমারা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী এটিএম সিরাজ উদ্দিন, চরঈশ্বর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল হালিম আজাদ, সোনাদিয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া ও নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেরাজ উদ্দিন।

এ উপজেলায় সাতটি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হয়। এর মধ্যে পাঁচটিতে প্রার্থীরা ভোট বর্জন করায় সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জয় প্রায় নিশ্চিতই।

হাতিয়ার পাশাপাশি ইউপি নির্বাচনের ভোট হয় সুবর্ণচরেও। সেখানে ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোট দেন ভোটাররা। ভোটার উপস্থিতি হাতিয়ার চেয়ে সুবর্ণচরেই বেশি দেখা যায়।

কবিরহাট পৌরসভাতেও হয়েছে ভোট। তবে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জহিরুল হক রায়হান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়ায় সেখানে কাউন্সিল পদের জন্য ভোট হয়েছে।

ফেনী

জেলার সোনাগাজী পৌরসভায় কেন্দ্র থেকে এজেন্ট বের করে দেয়া, প্রার্থীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ভোট।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী আবু নাসের অভিযোগ করেন, বাইরে নিরাপত্তা জোরদার থাকলেও কেন্দ্রের ভেতরে একজনের ভোট অন্যজন দিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কেন্দ্র থেকে তার এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর বহিরাগত সমর্থকরা ভোটারদের কেন্দ্রে আসতে বাধা দিয়েছে। একই অভিযোগ ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ইমাম উদ্দিন ভূঁইয়ার।

ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থী হিজবুল্লাহ অভিযোগ করেন, তিনি সকালে ২ নম্বর ওয়ার্ডে কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে সরকারদলীয় সমর্থকরা তাকে লাঞ্ছিত করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেন।

প্রাণহানি-সংঘর্ষে শেষ হলো ইউপি-পৌর নির্বাচনের ভোট

এ ছাড়া ৩ নম্বর ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী অভিযোগ করেন, নির্বাচনি কেন্দ্রের ভেতর পরিবেশ ভালো থাকলেও বাইরে সরকারদলীয় সমর্থকরা তার সমর্থকদের ঢুকতে দেয়নি।

এসব অভিযোগ সত্য নয় জানিয়ে সোনাগাজী পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, ‘শান্তিপূর্ণভাবে ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। যাদের কোনো ভোটার নেই তারা এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।’

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, সোনাগাজী পৌরসভার ৯টি কেন্দ্রের ৪৯টি বুথে ভোটাররা ভোট দিয়েছেন।

প্রতিবেদন তৈরিতে সহযোগিতা করেছেন কক্সবাজারের সাকিবুর রহমান, বাগেরহাটের মামুন আহমেদ, সাতক্ষীরার রফিকুল ইসিলাম শাওন, নোয়াখালীর মোহাম্মদ সোহেল, ফেনীর আরিফুর রহমান ও কুমিল্লার মাহফুজ নান্টু।

শেয়ার করুন

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড: বাঁচল না শিশুটি

শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড: বাঁচল না শিশুটি

শিশুটির বাবা-মা জানান, জন্মের পরই দেখতে পান নবজাতক কন্যার হৃৎপিণ্ড শরীরের বাইরে। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শে মেয়েকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখান থেকে নেয়া হয় ঢাকায়। তবে চিকিৎসাব্যয় শুনে শিশুটিকে ফিরিয়ে আনেন বরিশালে।

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শরীরের বাইরে হৃৎপিণ্ড নিয়ে জন্ম নেয়া শিশুকে বাঁচানো গেল না।

স্থানীয় নিউ ডিজিটাল ডায়গনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেল ৪টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

এই ক্লিনিকে বৃহস্পতিবার অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জন্ম হয় শিশুটির। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেয়া হয়।

চিকিৎসকরা জানান, হৃৎপিণ্ড শিশুর শরীরের ভেতরে স্থাপন করা সম্ভব। তবে এ চিকিৎসা ব্যয়বহুল। প্রয়োজন হবে ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।

অর্থের অভাবে এই চিকিৎসা শুরু করতে পারেননি রমেন-অপু দম্পতি। সন্তানকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা চেয়েছিলেন তারা।

শিশুটির বাবা-মা জানান, জন্মের পরই দেখতে পান নবজাতক কন্যার হৃৎপিণ্ড শরীরের বাইরে। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শে মেয়েকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

সেখানকার চিকিৎসকরা শিশুটিকে ঢাকা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন। শিশু হাসপাতাল থেকে তাদের পাঠানো হয় রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে।

বারডেমের চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, শিশুটিকে আইসিইউতে ভর্তিসহ অপারেশনের জন্য খরচ হবে প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ টাকা।

চিকিৎসার জন্য এত টাকা না থাকায় পুনরায় শিশুটিকে রোববার ঢাকা থেকে বাড়িতে এনে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়।

শেয়ার করুন

নির্যাতনের অভিযোগ আসামির, ওসির দাবি ‘হয়রানির শিকার’

নির্যাতনের অভিযোগ আসামির, ওসির দাবি ‘হয়রানির শিকার’

শফিকের অভিযোগ, ওসির বিরুদ্ধে তিনি সংবাদ সম্মেলন করার পর থেকে তার বাসায় প্রতিদিন পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। তিনি ‍এখন ‍প্রাণনাশের ভয়ে ‍এলাকা ছাড়া। ‍‍তাকে মাদক ও ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর পায়তারা করছে ওসি। তবে ওসির দাবি, কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে শফিককে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে বিপাকে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক ব্যক্তি।

ওসির দাবি, অভিযোগকারীই তার পিছু লেগে আছেন। কেউ তাকে ব্যবহার করছে।

বরিশালের শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত প্রেসক্লাবে সোমবার বেলা ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন শফিকুল ইসলাম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘গত ২৪ আগস্ট শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত প্রেসক্লাবে ও ২৯ আগস্ট মঠবাড়িয়া প্রেসক্লাবে আমি ওসি নুরুল ইসলাম বাদলের বিরুদ্ধে হয়রানি ও এলাকার জেলেদের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করি। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরেও লিখিত অভিযোগ পাঠাই।

‘এরপর থেকে ‍আমার বাসায় প্রতিদিন পুলিশ পাঠানো হচ্ছে। আমি ‍এখন ‍প্রাণনাশের ভয়ে ‍এলাকা ছাড়া। ‍‍আমাকে মাদক ও ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর পাঁয়তারা করছে ওসি।’

শফিকুল আরও বলেন, ‘আমি ওই ওসির বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বাংলাদেশ পুলিশের ‍আইজপি, বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি, পিরোজপুরের পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। অভিযোগের পর পিরোজপুরের পুলিশ সুপার ‍আমাকে ডেকে পাঠালে ‍আমি তার কার্য‍ালয়ে যাই। সেখানে ‍আমার লিখিত জবানবন্দি রাখা হয়।

‘এরপর অনেক দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজিও আশ্বাস দিয়েছিলেন। পরে কোনো ব্যবস্থা নেননি।’

তবে ওসি বাদল বলছেন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে শফিককে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শফিক একটি মামলার নিয়মিত আসামি। তখন থেকে তাকে চিনি। তিনি মারামারি করে একজনের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিলেন। বাদীপক্ষ বিষয়টি মীমাংসা করতে রাজি না হয়ে মামলা করে। শফিক ওই মামলায় জামিনে আছেন।

‘এরপর থেকেই তিনি আমার পিছু লেগে আছেন। আমি এই থানার ওসি, এখানে অনেক রাজনৈতিক বিরোধ আছে। কেউ হয়তো তাকে আমার বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে।’

শেয়ার করুন

নীলফামারী জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা মঙ্গলবার

নীলফামারী জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা মঙ্গলবার

মঙ্গলবারের বর্ধিত সভার প্রস্তুতি নিচ্ছে নীলফামারী জেলা যুবলীগ। ছবি: নিউজবাংলা

নীলফামারী জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাফর সাদেক তুহিন জানান, আগের কমিটির মেয়াদকাল অনেক আগেই শেষ হয়েছে। জেলা যুবলীগে এখন নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন। আগের কমিটির সফলতা, ব্যর্থতা দুটোই রয়েছে।

নীলফামারী জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হবে মঙ্গলবার। এ সভায় নির্ধারিত হবে আওয়ামী লীগের এই অঙ্গসংগঠনের সম্মেলনের তারিখ।

জেলা শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে বর্ধিত সভা সোমবার বেলা ১১টার দিকে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাফর সাদেক তুহিন।

সভা সফল করতে এরই মধ্যে দফায় দফায় বৈঠক করেছে জেলা যুবলীগের বিভিন্ন ইউনিট।

৭১ সদস্য বিশিষ্ট জেলা যুবলীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৫ সালে। এর তিন বছর পর গঠন করা হয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি। কমিটিতে রামেন্দ্র বর্ধণ বাপ্পীকে সভাপতি এবং শাহিদ মাহমুদকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

যুবলীগের বর্ধিত সভা ঘিরে নীলফামারী জেলা জুড়ে চলছে আলোচনা। কমিটিতে ত্যাগী ও যোগ্যদের জায়গা দেয়ার কথা জানিয়েছেন নেতা-কর্মীরা।

জাফর সাদেক তুহিন জানান, আগের কমিটির মেয়াদকাল অনেক আগেই শেষ হয়েছে। জেলা যুবলীগে এখন নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন। আগের কমিটির সফলতা, ব্যর্থতা দুটোই রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘মাঝখানে যুবলীগের অনেক নেতাই সাবেক হয়েছেন, তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। কালকের (মঙ্গলবার) বর্ধিত সভার মাধ্যমে জেলা যুবলীগের সম্মেলনের দিনক্ষণ ঠিক করা হবে।’

এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান বাদশা, বিশেষ অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল পারভেজ ও ত্রাণ সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন পাভেলের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ জানান, ‘আমরা এর আগেও সভা করেছিলাম। কিন্তু নানা কারণে সম্মেলনের তারিখ তখন নির্ধারণ করা যায়নি। বর্ধিত সভা থেকে সম্মেলনের দিন এবার হয়ত পাওয়া যাবে।’

শেয়ার করুন

মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ, মরদেহ উদ্ধার ১ দিন পর

মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ, মরদেহ উদ্ধার ১ দিন পর

রত্না নদীতে নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে তলিয়ে নিখোঁজ হন মোশারফ চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা

বানিয়াচং থানার ওসি প্রজিত কুমার দাশ জানান, রোববার সকালে রত্না নদীতে একাই নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে যান মোশারফ চৌধুরী। মাছ ধরার একপর্যায়ে তিনি নৌকা থেকে পড়ে তলিয়ে যান। পরে সোমবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে রত্না নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজের ২৮ ঘণ্টা পর যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নদীর সুনামপুর এলাকা থেকে সোমবার বেলা ১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বানিয়াচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) প্রজিত কুমার দাশ।

উদ্ধার হওয়া মোশারফ চৌধুরীর বাড়ি উপজেলার প্রতাপপুর গ্রামে।

ওসি জানান, রোববার সকাল ৯টার দিকে বাড়ির পাশের রত্না নদীতে একাই নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে যান মোশারফ। মাছ ধরার একপর্যায়ে তিনি নৌকা থেকে পড়ে তলিয়ে যান।

স্থানীয় লোকজন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। রোববার তাকে না পেয়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উদ্ধারকাজ স্থগিত ঘোষণা করা হয়।

ওসি প্রজিত আরও জানান, সোমবার দুপুরে নিখোঁজ হওয়া স্থানের প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে নদীর সুনামপুর এলাকায় যুবকের মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান ওসি।

শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: লোগো ব্যবহারে হুঁশিয়ারি কর্তৃপক্ষের

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: লোগো ব্যবহারে হুঁশিয়ারি কর্তৃপক্ষের

চত্তগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো ব্যবহার করে এ ধরনের সংবাদ বা তথ্যাদি প্রচার আইনত দণ্ডনীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় বিধি মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো যেখানে-সেখানে ব্যবহারের ওপর সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে সামাজিক যোগাযোগ বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য, সংবাদ প্রচারিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ার করা হয়।

রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার রাতে এ ঘোষণা দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু অসাধু ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন স্থানে নানাবিধ ভিত্তিহীন তথ্য ও সংবাদ অপপ্রচার করে যাচ্ছে। এসব তথ্য ও সংবাদ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।

সতর্কতা জারি করে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো ব্যবহার করে এ ধরনে সংবাদ বা তথ্যাদি প্রচার আইনত দণ্ডনীয় ও বিশ্ববিদ্যালয় বিধি মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এ ব্যাপারগুলোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিকভাবে সতর্ক করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে অনুমতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো ব্যবহার করলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন