‘জিয়ার লাশ নিয়ে আবোল-তাবোল বকছে বিএনপি’

‘জিয়ার লাশ নিয়ে আবোল-তাবোল বকছে বিএনপি’

রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধি। ছবি: সংগৃহীত

সরকার নিয়ে বিএনপি মহাসচিবের এক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার নয়, জিয়ার লাশ নিয়ে ইতিহাসের অমোঘ সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বিএনপিই আবোল তাবোল বকছে।’

বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের লাশ নিয়ে সরকার নয়, বরং বিএনপি আবোল তাবোল কথা বলছে বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীতে সরকারি বাসভবনে শনিবার ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

‘সরকার দেউলিয়া হয়ে জিয়ার লাশ নিয়ে আবোল তাবোল বকছে’- বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কাদের বলেন, ‘সরকার নয়, জিয়ার লাশ নিয়ে ইতিহাসের অমোঘ সত্যের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বিএনপিই আবোল তাবোল বকছে।’

১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তাকে সমাহিত করা হয় সেখানেই। পরে সেখান থেকে সরিয়ে জিয়ার দেহাবশেষ চন্দ্রিমা উদ্যানে সমাহিত করার কথা জানানো হয় বিএনপি থেকে। দেহাবশেষ কফিনে করে আনা হয়েছিল, কিন্তু কফিনের মুখ তখন খোলা হয়নি।

জিয়ার লাশ নিয়ে বিএনপি মহাসচিবকে সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন করলে জবাব পাওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

মির্জা ফখরুলকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘তিনি এ প্রসঙ্গ বারবার এড়িয়ে সামঞ্জস্যহীন জবাব দেন এবং স্বভাবসুলভ আবোল তাবোল বলেন।’

নির্বাচন আর আন্দোলনে জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিএনপি এখন হতাশার গভীর সাগরে নিমজ্জিত উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘ক্ষমতানির্ভর দল বিএনপি দীর্ঘদিন ক্ষমতায় না থাকায় হতাশ হতে হতে এখন আর তারা স্বাভাবিক রাজনীতি করতে পারছে না।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির এখন কোনো রাজনৈতিক কৌশল নেই, তাই তারা সরকারের বিষোদগার করতে গিয়ে হতাশ হয়ে আবোল তাবোল বলে যাচ্ছে।’

সরকার দুর্নীতির কারণে বেশি সংখ্যক মানুষকে করোনা প্রতিরোধী টিকা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যেরও জবাব দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, ‘এটা তাদের চিরাচরিত কাল্পনিক অভিযোগ।’

বিএনপি মহাসচিবকে উদ্দেশ করে কাদের বলেন, ‘ঢালাওভাবে অভিযোগ না করে সুনির্দিষ্টভাবে তথ্য প্রমাণ দিন, কোথায় দুর্নীতি হচ্ছে বা হয়েছে।’

টিকা নিয়ে বিএনপি একেক সময় একেক কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘বিএনপির অনেকে শুধু প্রথম ডোজ নয়, দ্বিতীয় ডোজও নিয়েছেন।’

বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতির কারণে ভালো কিছু চোখে দেখে না জানিয়ে কাদের বলেন, ‘দেশের জনগণ এখন টিকা পেতে শুরু করেছে এবং পর্যায়ক্রমে সবাই পাবে। এটা দেখে বিএনপির গাত্রদাহ শুরু হয়েছে।’

বিএনপির কাউন্সিল নিয়েও সমালোচনা করেন আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই নেতা। তিনি বলেন, ‘বিএনপির কোনো পর্যায়ের কাউন্সিল কিংবা সম্মেলন সময় মতো হয়েছে? তাদের জাতীয় সম্মেলনও সময় মতো হয়নি, যা অনেক আগেই পেরিয়ে গেছে।’

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ লেখায় গ্রেপ্তার গাজীর মুক্তি চান রিজভী
বিজয়ী হতেই মাঠে থাকবে জাপা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বিএনপি খালি কলসি, বাজে বেশি: তথ্যমন্ত্রী

বিএনপি খালি কলসি, বাজে বেশি: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘খালি কলসি যেমন বেশি বাজে, বিএনপিও ঠিক সেরকম। কয়েকদিন মির্জা ফখরুল বাজেন, বিরতি দিয়ে রিজভী সাহেব, আবার কয়েকদিন গয়েশ্বর বাবু তালে-বেতালে বাজেন। তাদের নিয়ে জনগণের মাঝে হাস্যরস তৈরি হয়েছে। তাদের প্রতিদিনের বাগাড়ম্বর শুনতে শুনতে জনগণের কান ঝালাপালা হয়ে গেছে।’

রাজনৈতিকভাবে বিএনপিকে খালি কলসি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। কথিত ঐক্য করে পরের নির্বাচনে অংশ নিলেও বিএনপির ফের ভরাডুবি হবে বলে তিনি মনে করেন।

চট্রগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় রোববার আওয়ামী লীগের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, ‘নির্বাচনের খুব বেশি দিন বাকি নেই। সেই নির্বাচনে আমরা পুরো সাংগঠনিক শক্তিতে অংশ নিলে ২০১৮ সালের মতোই বিজয় হবে। সে সময় ডান, বাম, অতিবাম সবাইকে নিয়ে বিএনপি যে ঐক্য করেছিল, তাদের সেই ঐক্যের শক্তি হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। আবারও তাদের ভরাডুবি হবে।

‘খালি কলসি যেমন বেশি বাজে, বিএনপিও ঠিক সেরকম। কয়েকদিন মির্জা ফখরুল বাজেন, বিরতি দিয়ে রিজভী সাহেব, আবার কয়েকদিন গয়েশ্বর বাবু তালে-বেতালে বাজেন। তাদের নিয়ে জনগণের মাঝে হাস্যরস তৈরি হয়েছে। তাদের প্রতিদিনের বাগাড়ম্বর শুনতে শুনতে জনগণের কান ঝালাপালা হয়ে গেছে।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি যাদের নিয়ে ঐক্য করে, তাদের মধ্যেই প্রচণ্ড অনৈক্য। কয়েকদিন ধরে বিএনপি বলছে, সর্বশক্তি নিয়োগ করে সরকারের পতন ঘটাতে হবে। তারা শুধু কাগুজে ঐক্য করতে পারে। যা এর আগে হাওয়ায় মিলিয়ে গিয়েছিল। আবারও তারা ‘ঐক্য প্রক্রিয়া’ নামে কিছু একটা শুরু করেছে।

‘বিশ্বনেতারা এখন শেখ হাসিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। জাতিসংঘ পুরস্কৃত করেছে প্রধানমন্ত্রীকে। শুধু বিএনপি নেতারাই ভিন্ন কথা বলছেন। তারা শুনেও শোনেন না, বুঝেও বোঝেন না।’

রোববার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা হয়। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন হাছান মাহমুদ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল মোনাফ সিকদারের সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শামসুল আলম তালুকদার।

বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগ নেতা জহির আহমদ চৌধুরী, উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, পৌর মেয়র শাহজাহান সিকদার, আবুল কাশেম চিশতিসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ লেখায় গ্রেপ্তার গাজীর মুক্তি চান রিজভী
বিজয়ী হতেই মাঠে থাকবে জাপা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের

শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা সংকট জিইয়ে পশ্চিমাদের সহানুভূতি চায় সরকার: ফখরুল

রোহিঙ্গা সংকট জিইয়ে পশ্চিমাদের সহানুভূতি চায় সরকার: ফখরুল

২০১৭ সালে মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর নির্যাতনের শিকার হয়ে বাংলাদেশে আসে লাখ লাখ রোহিঙ্গা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরকারপ্রধান সফল হননি অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, ‘এমনকি রোহিঙ্গাদের যে সমস্যা, সে সমস্যারও কোনো সমাধান তিনি নিয়ে আসতে পারেননি। আমরা যেটা মনে করি, এখানে সবচেয়ে বড় যে প্রবলেম দাঁড়িয়েছে, রোহিঙ্গা ইস্যুকে নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী বলুন বা সরকার বলুন, তারা কোনো ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেনি।’

রোহিঙ্গা সংকটকে জিইয়ে রেখে সরকার পশ্চিমা বিশ্বের সহানুভূতি আদায় করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে রোববার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের নবগঠিত আংশিক কমিটির নেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের কাছে এ মন্তব্য করেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে সরকারপ্রধান সফল হননি অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, ‘এমনকি রোহিঙ্গাদের যে সমস্যা, সে সমস্যারও কোনো সমাধান তিনি নিয়ে আসতে পারেননি। আমরা যেটা মনে করি, এখানে সবচেয়ে বড় যে প্রবলেম দাঁড়িয়েছে, রোহিঙ্গা ইস্যুকে নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী বলুন বা সরকার বলুন, তারা কোনো ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেনি।

‘এটা জিইয়ে রেখে পশ্চিমাদের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করছে। যারা স্টেকহোল্ডার আছেন, যেমন: স্পেন, ভারত, তাদের কাছে এখন পর্যন্ত যেতে পারেনি। এই সমস্যা সমাধানের কোনো পথ তারা বের করতে পারেনি।’

২০১৭ সালে মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর চৌকিতে বিদ্রোহীদের হামলার পর রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ব্যাপক নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ শুরু হয়। মিয়ানমার সেনা ও দোসরদের এ নির্যাতন থেকে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে আসে সাড়ে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা। তাদের এ আগমনে রোহিঙ্গা সংকট নতুন মাত্রা পায়।

জাতিসংঘ সফরে প্রধানমন্ত্রীর অর্জন নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে ফখরুল আরও বলেন, ‘অর্জন তার একটাই; আরও বেশি মিথ্যাচার কীভাবে করা যায়। আপনারা লক্ষ করবেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। দেশে মানুষের অধিকারগুলো হরণ করা হয়েছে। দেশে নির্বাচন কমিশনকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে। নির্বাচন ব্যবস্থার সাথে জড়িত সকল প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে।

‘প্রধানমন্ত্রী কীভাবে এই সমস্যাগুলোর সমাধান করবেন জাতিসংঘে দেয়া তার গোটা বক্তব্যের কোথাও তিনি তা উল্লেখ করেন নাই।’

রোহিঙ্গা সংকট জিইয়ে পশ্চিমাদের সহানুভূতি চায় সরকার: ফখরুল
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে দলের নেতাদের সঙ্গে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে মিথ্যাচার করেছেন। তার বিরুদ্ধে পত্রপত্রিকায় যেসব লেখালেখি হয়েছে তা খণ্ডানোর জন্য দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে তিনি অনেকগুলো নেতিবাচক কথা বলেছেন। আমরা তার এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

‘পাশাপাশি আমরা আশা করি দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং তারা পদত্যাগ করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনি সরকারব্যবস্থার মাধ্যমে ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন, যাতে সত্যিকার অর্থে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হতে পারে।’

বক্তব্য দেয়ার সময় ফখরুলের সঙ্গে ছিলেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন, সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুলসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ লেখায় গ্রেপ্তার গাজীর মুক্তি চান রিজভী
বিজয়ী হতেই মাঠে থাকবে জাপা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের

শেয়ার করুন

শুধু স্লোগান নয়, অনলাইনে সোচ্চার হোন

শুধু স্লোগান নয়, অনলাইনে সোচ্চার হোন

রাজধানীর আইডিইবি ভবনে রোববার বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। ছবি: নিউজবাংলা

নওফেল বলেন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ আওয়ামী লীগের সব নেতা-কর্মীকে অনলাইনে সোচ্চার হতে হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে সোচ্চার হতে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

রাজধানীর আইডিইবি ভবনে রোববার বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

নওফেল বলেন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটসহ আওয়ামী লীগের সব নেতা-কর্মীকে অনলাইনে সোচ্চার হতে হবে।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটে অবশ্যই আমরা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড করব। তবে গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন হিসেবে যখন প্রয়োজন হবে বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক কর্মীরা দাঁতভাঙা জবাব দেবে।’

বাংলাদেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান তুলে ধরে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ এখন এক নম্বর হয়েছে। এটি শেখ হাসিনার অবদান। তাকে পুরস্কৃত করল জাতিসংঘ। অথচ একটি গোষ্ঠী বঙ্গবন্ধুর কন্যার বিরুদ্ধে উদ্ভট কথা বলছে। এদের বিরুদ্ধে কথা না বলে শুধু স্লোগান দিয়ে লাভ নেই।’

নওফেল বলেন, ‘আফগানিস্তানে যখন তালেবান ক্ষমতায় আসল বাংলাদেশের একটি গোষ্ঠী আগেরবার সেখানে প্রশিক্ষণ নিতে যায়, এদের সঙ্গে এক টেবিলে বসে দেশে খুন করার পরিকল্পনা শুরু করে তারা।’

খুনের রাজনীতিতে বিশ্বাসীদের বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের আহসান উল্লাহ মাস্টার সাহেবসহ অনেকেই তাদের হাতে খুন হয়েছেন। এ কারণে নেতা-কর্মীদের এসব বিষয়ে আরও সোচ্চার হতে হবে।’

অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ফাল্গুনী হামিদসহ অনেকে বক্তব্য দেন।

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ লেখায় গ্রেপ্তার গাজীর মুক্তি চান রিজভী
বিজয়ী হতেই মাঠে থাকবে জাপা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের

শেয়ার করুন

ফিরোজ রশীদের দুর্নীতি মামলা নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

ফিরোজ রশীদের দুর্নীতি মামলা নিয়ে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত

জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ। ফাইল ছবি

এর আগে হাইকোর্ট কাজী ফিরোজ রশিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলা বাতিলের রায় প্রত্যাহার করে আদেশ দেয়। এই আদেশ স্থগিত করে দিয়েছে আপিল বিভাগ।

দুর্নীতির মামলা নিয়ে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) কাজী ফিরোজ রশিদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ।

ফিরোজ রশীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

এর আগে হাইকোর্ট কাজী ফিরোজ রশিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলা বাতিলের রায় প্রত্যাহার করে আদেশ দেয়। এই আদেশ স্থগিত করেছে আপিল বিভাগ।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান। কাজী ফিরোজ রশিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম কে রহমান।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় দুদকের তৎকালীন উপপরিচালক জুলফিকার আলী বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

এজাহারে বলা হয়েছে, ১৯৫১ সালের ৩ নভেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডে অবস্থিত এক বিঘা আয়তনের সরকারি জমিসহ একটি বাড়ি (প্লট নম্বর ১০, বাড়ি নম্বর-৬৫), যা তৎকালীন কানাডার হাইকমিশনার মোহাম্মদ আলীর অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া হয়। পরে মরহুম মোহাম্মদ আলীর দ্বিতীয় স্ত্রী বেগম আলিয়া মোহাম্মদ আলী, ছেলে সৈয়দ মাহমুদ আলী ও মেয়ে সৈয়দা মাহমুদা আলীর নামে হস্তান্তরে অনুমতিসহ ১৯৭০ সালের ৩০ মে মাসে নামজারি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭০ সালের ২২ মে মন্ত্রণালয় থেকে তাদের হস্তান্তরের অনুমতি দেয়া হয়।

তবে ১৯৭৯ সালের ১৬ আগস্ট কাজী ফিরোজ রশীদের রেজিস্ট্রি করা ডেড অফ এগ্রিমেন্ট ফর সেল নম্বর-৩১১৫৪ দলিলে ভুয়া দাতা বেগম আলীয়া মোহাম্মদ আলী ও সাক্ষী কাজী আরিফুর রহমান সাজিয়ে এবং কাগজপত্রে দেখিয়ে ওই সময়ের তৎকালীন জেলা রেজিস্ট্রার এম আহমেদের সহযোগিতায় ওই সম্পত্তি দখল করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়।

মামলার এজাহারে ঘটনার সময়কাল ধরা হয়েছে ১৯৭৯ সালের ৯ আগস্ট থেকে ওই একই বছরের ১৬ আগস্ট পর্যন্ত।

৯ সেপ্টেম্বর দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান জানিয়েছিলেন, কাজী ফিরোজ রশীদ মামলাটি বাতিল চেয়ে ২০১৭ সালে হাইকোর্টে রিট করেন। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে হাইকোর্ট মামলা বাতিল করে রায় দেন।

এরপর দুদক মনে করে, আরও আইনগত কিছু তথ্য ও যুক্তি তুলে ধরা প্রয়োজন। এ কারণে রায় ঘোষণা করা হলে সই না হওয়ায় তা প্রত্যাহার চেয়ে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত তা গ্রহণ করেন। এ রিটের ওপর পুনরায় শুনানির কথা বলা হয়।

এরপর হাইকোর্টের ৯ সেপ্টেম্বরের আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে কাজী ফিরোজ রশীদ। সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগ রিকল করার আদেশ ছয় সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেন।

মোহাম্মদ আলীর জন্ম বগুড়া জেলায়। ১৯৫৩ থেকে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৬৩ সালে বগুড়াতেই মারা যান।

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ লেখায় গ্রেপ্তার গাজীর মুক্তি চান রিজভী
বিজয়ী হতেই মাঠে থাকবে জাপা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের

শেয়ার করুন

ছাত্রলীগের মেশকাতের পাশে ইশা ছাত্র আন্দোলন

ছাত্রলীগের মেশকাতের পাশে ইশা ছাত্র আন্দোলন

ছাত্রলীগ নেতা মেশকাতকে দেখতে বুধবার তার বাড়িতে যান ইশা ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

ইশা ছাত্র আন্দোলনের নেতা কেএম শরীয়াতুল্লাহ বলেন, ‘মেশকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সহাবস্থানের রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। ক্যাম্পাসে তিনি আমাদের সবার সঙ্গে মিশতেন, গল্প করতেন। এছাড়া উনি কোরআনের হাফেজ এবং নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন, যা ওনার সংগঠনে বিরল। এছাড়া কেউ অসুস্থ হলে দেখতে যাওয়া একটি রাজনৈতিক শিষ্টাচারও। সেজন্যই আমরা ওনাকে দেখতে গিয়েছি।’  

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পরও নিজ সংগঠন থেকে আশানুরূপ সহযোগিতা না পেয়ে ফেসবুকে ক্ষোভ জানান ছাত্রলীগের উপপ্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মেশকাত হোসেন।

অসুস্থতার খবর পেয়ে শয্যাশায়ী এই ছাত্রলীগ নেতাকে দেখতে গিয়েছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতা।

বুধবার ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক কেএম শরীয়াতুল্লাহ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আহসান মারজান ঢাকা থেকে মাদারীপুর পৌঁছান। মেশকাতের বাসায় গিয়ে তার জন্য দোয়ার আয়োজন করেন তারা।

এসময় সংগঠনটির মাদারীপুর জেলা সভাপতি রেজাউল করীম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান ও মাদারীপুর সদর থানা সভাপতি হাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

দেখতে যাওয়ার বিষয়ে কেএম শরীয়াতুল্লাহ বলেন, ‘মেশকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সহাবস্থানের রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন। ক্যাম্পাসে তিনি আমাদের সবার সঙ্গে মিশতেন, গল্প করতেন। এছাড়া উনি কোরআনের হাফেজ এবং নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন, যা ওনার সংগঠনে বিরল। এছাড়া কেউ অসুস্থ হলে দেখতে যাওয়া একটি রাজনৈতিক শিষ্টাচারও। সেজন্যই আমরা ওনাকে দেখতে গিয়েছি।’

ইশা ছাত্র আন্দোলনের ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আহসান মারজান বলেন, ‘উনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আমরা জানতে পেরেছি, তার অসুস্থতার খোঁজ নেয়ার কেউ ছিল না। শুধুমাত্র ওনার সেবার জন্য আমরা গিয়েছি। অসুস্থের সেবা নবী (সা.) এর সুন্নত।’

গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পর নিজ দলের কেন্দ্রীয় দুই নেতা কোনো খোঁজ না নেয়ায় এবং ফোন না ধরার অভিযোগ তুলে ১৮ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে পোস্টে ক্ষোভ জানান মেশকাত।

অনুরোধ করেন, তার মৃত্যুর পর ছাত্রলীগ থেকে যেন কোনো দোয়ার আয়োজন করা বা প্রেস রিলিজ দেয়া না হয়।

এছাড়া ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যেন তার জানাজায় না আসেন সেই অনুরোধও জানান মেশকাত।

পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘জীবনটা নিভু নিভু, আল্লাহর কাছে স্বাভাবিক মৃত্যু কামনা করছিলাম। গত ১৪ তারিখে আমি খুবই অসুস্থ হয়ে পড়ি। ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে বারবার ফোন দিই কিছু একটা করার জন্য, কিন্তু তারা ফোন ধরেননি। এতে বুঝা যায়, আমরা মরলেও তাদের সমস্যা নাই।’

আক্ষেপ করে মেশকাত বলেন, ‘জীবনে যেই পার্টির জন্য এত সময় ব্যয় করলাম, সেই পার্টি আমার অসুস্থতারও খোঁজ নিতে পারে না। তারা খোঁজ নিত যদি তাদের দালালি করতাম। যাই হোক, আমার প্রতিবাদ থেমে গেলেও তৃণমূলের কোনো না কোনো কর্মী প্রতিবাদের কলম হাতে তুলে নেবে আশা রাখি।’

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ লেখায় গ্রেপ্তার গাজীর মুক্তি চান রিজভী
বিজয়ী হতেই মাঠে থাকবে জাপা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের

শেয়ার করুন

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর: জি এম কাদের

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় আমরা বদ্ধপরিকর: জি এম কাদের

শনিবার জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের সঙ্গে দেখা করেন বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের নেতারা।

জি এম কাদের বলেন, ‘এরশাদ শুভ জন্মাষ্টমীর দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছিলেন। জাপার শাসনামলে প্রায় চার যুগ পরে রাজধানীতে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা বের হয়। এছাড়া বিভিন্ন পূজা ও উৎসবে নিরাপত্তা ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন এরশাদ। তার হাতে গড়া হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট এখন শতকোটি টাকার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।’

যে কোনো ত্যাগের বিনিময়ে জাতীয় পার্টি (জাপা) সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বদ্ধপরিকর বলে মন্তব্য করেছেন দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

তিনি বলেছেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য রয়েছে আমাদের। যে কোনো ত্যাগের বিনিময়ে আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় বদ্ধপরিকর। যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টে ষড়যন্ত্র করবে, তারা কখনোই সফল হতে পারবে না।’

শনিবার বনানীতে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জি এম কাদের বলেন, ‘দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। সব ধর্মের অধিকার রক্ষায় পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ অনন্য ভূমিকা রেখেছিলেন।

‘এরশাদ শুভ জন্মাষ্টমীর দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছিলেন। জাপার শাসনামলে প্রায় চার যুগ পরে রাজধানীতে জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা বের হয়। এছাড়া বিভিন্ন পূজা ও উৎসবে নিরাপত্তা ও আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন এরশাদ। তার হাতে গড়া হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট এখন শতকোটি টাকার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। মন্দির নির্মাণ ও সংস্কারে পল্লীবন্ধু বরাদ্দ রেখেছেন সব সময়।’

মতবিনিময় সভায় জাপা চেয়ারম্যানের হাতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা খসড়া আইন তুলে দেন বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের নেতারা।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এটিইউ তাজ রহমান, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, দপ্তর সম্পাদক-২ এমএ রাজ্জাক খান, বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি অনুপ কুমার দত্ত, সিলেট শাখার সভাপতি দীপক রায়, সাধারণ সম্পাদক সাজন কুমার মিত্র, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন কুমার রায়, সাংগঠনিক সম্পাদক দেবাশীষ মাছা, সিলেট জেলার সমন্বয়ক মলয় তালুকদার, সুনামগঞ্জ জেলার সভাপতি অমর চক্রবর্তী এবং পিরোজপুর জেলা শাখার সদস্য শুভ্রদেব বড়াল।

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ লেখায় গ্রেপ্তার গাজীর মুক্তি চান রিজভী
বিজয়ী হতেই মাঠে থাকবে জাপা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের

শেয়ার করুন

ত্যাগীরা আসবেন আ.লীগের নেতৃত্বে: তথ্যমন্ত্রী

ত্যাগীরা আসবেন আ.লীগের নেতৃত্বে: তথ্যমন্ত্রী

থ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ফাইল ছবি

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হয়। আপনার একটি খারাপ আচরণ সরকারের সব অর্জন নষ্ট করে দেয়। আওয়ামী লীগ সবাই করতে পারবেন, তবে নেতৃত্বে আসবেন ত্যাগীরাই। দলের খারাপ সময়ে যারা মাঠে থাকবেন, তাদের মূল নেতৃত্বে আনতে হবে।’

আওয়ামী লীগ সবাই করতে পারবেন, তবে ত্যাগীরাই নেতৃত্বে আসবেন বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকলে বিনয়ী হতে হয়। আপনার একটি খারাপ আচরণ সরকারের সব অর্জন নষ্ট করে দেয়। আওয়ামী লীগ সবাই করতে পারবেন, তবে নেতৃত্বে আসবেন ত্যাগীরাই। দলের খারাপ সময়ে যারা মাঠে থাকবেন, তাদের মূল নেতৃত্বে আনতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে দেশের মানুষের ক্ষুধা-দারিদ্র্য দূর করেছেন। আমরা এখন নানা দুর্যোগে বিভিন্ন দেশকে খাদ্যসহায়তা করি। তারপরও বিএনপি নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা প্রতিদিন সংবাদ সম্মেলন করে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চায়।’

৬ বছর পর শনিবার সকালে থানা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে সম্মেলন উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কে এম হোসেন আলী হাসান।

দলীয় কার্যালয় চত্বরে সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ বজলুর রশিদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, হাইব্রিডদের দিন শেষ। এখন ত্যাগী ও দলের দুর্দিনের কর্মীদের মূল্যায়নের সময় এসেছে।

তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনাই একমাত্র প্রধানমন্ত্রী, যিনি জাতিসংঘে সবচেয়ে বেশিবার বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি ১৭ বার বক্তব্য রেখে রেকর্ড গড়েছেন। তার সুযোগ্যে নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কোনো ষড়যন্ত্র শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রাকে থামাতে পারবে না।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য আব্দুল মমিন মণ্ডল, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সদস্য প্রফেসর মেরিনা জাহান কবিতা, আব্দুল আওয়াল শামীম, বনানী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর মোশারফ হোসেন,
জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুর রহমান, বিমল দাস, আবু ইউসুফ সূর্যসহ অনেকে।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী।

পরে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ভোটে ডা. আবদুল হাই সরকার এনায়েতপুর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আজগর আলী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

আরও পড়ুন:
‘গলার কাঁটা’র ভোগান্তি কমবে, আশা কাদেরের
ফখরুলের অপপ্রচারে সতর্ক থাকুন: কাদের
কাদের মোল্লাকে ‘শহীদ’ লেখায় গ্রেপ্তার গাজীর মুক্তি চান রিজভী
বিজয়ী হতেই মাঠে থাকবে জাপা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীলতার শঙ্কা কাদেরের

শেয়ার করুন