বঙ্গবন্ধুর স্নেহের লুৎফুর রহমান আর নেই

বঙ্গবন্ধুর স্নেহের লুৎফুর রহমান আর নেই

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান।

‘লুৎফুর রহমান গণপরিষদ সদস্য ছিলেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে স্বাক্ষরকারী। বঙ্গবন্ধুর সাহচর্য পাওয়া এই রাজনীতিক সিলেট আওয়ামী লীগের অভিভাবক ছিলেন।’

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

নগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

লুৎফুর রহমানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম নাদেল।

তিনি বলেন, ‘লুৎফুর রহমান গণপরিষদ সদস্য ছিলেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে স্বাক্ষরকারী। বঙ্গবন্ধুর সাহচর্য পাওয়া এই রাজনীতিক সিলেট আওয়ামী লীগের অভিভাবক ছিলেন।’

সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আসাদ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘লুৎফুর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্নেহধন্য ছিলেন। তারা একসঙ্গে রাজনীতি করেছেন। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাও তাকে শ্রদ্ধা করতেন।’

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মঙ্গলবার লুৎফুর রহমানকে নগরীর মাউন্ড এডোরা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার চিকিৎসা চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেয়ার পরিকল্পনা ছিল।

কিন্তু বুধবার সন্ধ্যার পর থেকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এই হাসপাতালেই তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

লুৎফুর রহমানের জানাজা শুক্রবার বেলা আড়াইটায় সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে হবে। নগরীর মানিক পীর টিলায় মরদেহ দাফন হবে।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘ডিসেম্বরের মধ্যে টিকা পাবে দেশের অর্ধেক মানুষ’

‘ডিসেম্বরের মধ্যে টিকা পাবে দেশের অর্ধেক মানুষ’

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ‘৩৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের নিশ্চয়তা পেয়েছি। প্রতিমাসে দুই থেকে আড়াই কোটি ভ্যাকসিন আনা হচ্ছে। আশা করি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের অর্ধেক মানুষকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।’

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেছেন, দেশে এখন টিকার অভাব নেই। প্রতি মাসেই টিকা আসছে। আশা করি ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের অর্ধেক মানুষকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

রোববার দুপুর সোয়া ২টার দিকে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘৩৩ কোটি ডোজ ভ্যাকসিনের নিশ্চয়তা পেয়েছি। প্রতিমাসে দুই থেকে আড়াই কোটি ভ্যাকসিন আনা হচ্ছে।

‘হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক সংকট রয়েছে। এরই মধ্যে ৮ হাজার ২৮৭ জন্য নার্স ও ১ হাজার ৪০১ জন অ্যানেসথেসিস্ট নিয়োগ দেয়া হয়েছে। আট হাজার ডাক্তার নিয়োগ হবে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাশার মো. খুরশিদ আলম, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বশির আহমেদ, বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল, বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক বাসুদেব কুমার দাস, পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল মতিন, সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম শিপনসহ অনেকে।

শেয়ার করুন

নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

নদীতে নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

রাণীনগরে নদীতে নিখোঁজের সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মেহেদী হাসান নামের এক পরীক্ষার্থির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ জানায়, রোববার বেলা ৩টার দিকে মেহেদী কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কাশিমপুর এলাকায় ছোট যমুনা নদীতে গোসল করতে যায়। নদীতে নেমে নিখোঁজ হয় মেহেদী। প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মেহেদীর মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা।

নওগাঁর রাণীনগরে ছোট যমুনা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ স্কুলছাত্র মেহেদী হাসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উপজেলার কাশিমপুর রাজবাড়ির পাশে নদী থেকে রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

বেলা ৩টার দিকে নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হয় ওই কিশোর।

১৬ বছর বয়সী মেহেদী হাসান উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় সায়েম উদ্দীন মেমোরিয়াল একাডেমির এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, রোববার বেলা ৩টার দিকে মেহেদী কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে কাশিমপুর এলাকায় ছোট যমুনা নদীতে গোসল করতে যায়। নদীতে নেমে নিখোঁজ হয় মেহেদী। এ সময় সঙ্গীরা স্থানীয় লোকজনকে খবর দেয়।

রাণীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন আকন্দ জানান, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মেহেদীকে উদ্ধারে অভিযান চালায়। প্রায় সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মেহেদীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ওসি বলেন, ‘মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া চলছে। যেহেতু কয়েকজন বন্ধু মিলে একসঙ্গে গোসল করার সময় এ ঘটনা ঘটে, এ মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শেয়ার করুন

পিএমও কর্মচারী রুবেলের জামিন প্রশ্নে রুলের রায় মঙ্গলবার

পিএমও কর্মচারী রুবেলের জামিন প্রশ্নে রুলের রায় মঙ্গলবার

নথি জালিয়াতি মামলায় আসামিরা হলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি (বহিষ্কৃত) তরিকুল ইসলাম মমিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মচারী ফাতেমা খাতুন, নাজিম উদ্দীন, রুবেল, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ফরহাদ হোসেন ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালসের সাবেক কোষাধ্যক্ষ এয়ার কমোডর (অব.) এম আব্দুস সালাম আজাদ।

নথি জালিয়াতির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বরখাস্ত কর্মচারী মো. রুবেলের জামিন প্রশ্নে জারি করা রুলের রায়ের জন্য ২৮ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করে দিয়েছে হাইকোর্ট।

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ নিয়োগকে কেন্দ্র করে ঘটেছিল এই নথি জালিয়াতির ঘটনা।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এই দিন ঠিক করে দেয়। এর আগে রুবেলের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক)।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. কামরুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। আর দুদকের পক্ষে ছিলেন মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন ভূঁইয়া।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক বলেন, ‘রুবেলকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে গত ১৭ জুন রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট। শুনানিতে আদালত রুবেলের দেয়া ১৬৪ ধারার জবানবন্দি দাখিল করতে নির্দেশ দিয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর রায়ের দিন ঠিক করেছে।’

মামলা থেকে জানা যায়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদের জন্য ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এনামুল হক, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুর রউফ ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালের সাবেক কোষাধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নাম প্রস্তাব করেছিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়। অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নথি পাঠানো হয়।

সেই নথি প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হলে তিনি অধ্যাপক ড. এম এনামুল হকের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেন। পরে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তা রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি পর্বে নথিটিতে জালিয়াতির ঘটনা ঘটে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমা, ছাত্রলীগের নেতা তরিকুলসহ আসামিরা প্রধানমন্ত্রীর দেয়া টিক চিহ্নটি ‘টেম্পারিং’ করে এম আবদুস সালাম আজাদের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেন। নথি জালিয়াতির এ ঘটনায় টাকা লেনদেন হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ মোহাম্মদ রফিকুল আলম গত বছরের ৫ মে এ বিষয়ে মামলা করেন।

মামলায় ছয়জনকে অভিযুক্ত করে ইতিমধ্যে চার্জশিট দেয়া হয়েছে। আসামিরা হলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি (বহিষ্কৃত) তরিকুল ইসলাম মমিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মচারী ফাতেমা খাতুন, নাজিম উদ্দীন, রুবেল, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ফরহাদ হোসেন ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালসের সাবেক কোষাধ্যক্ষ এয়ার কমোডর (অব.) এম আব্দুস সালাম আজাদ।

এর মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এয়ার কমোডর (অব.) এম আব্দুস সালাম আজাদ পলাতক।

চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে মো. রুবেল ছিলেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ডেসপাস রাইটার। গত বছরের ১৯ মে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিম্ন আদালতে জামিন খারিজের পর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

শেয়ার করুন

শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবনে মুগ্ধ তরুণ প্রজন্ম

শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবনে মুগ্ধ তরুণ প্রজন্ম

‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনীতে প্রথম দিন দর্শনার্থীরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শিরোনামে আয়োজিত চিত্র প্রদর্শনীর প্রথম দিনেই দেখা গেছে দর্শনার্থীর ভিড়। প্রধানমন্ত্রীর জীবনের দুর্লভ ছবি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তারা। খুঁজে পেয়েছেন শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবনের নানান দিক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উদযাপনে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আয়োজনে শুরু হয়েছে তিন দিনের বিশেষ চিত্র প্রদর্শনী।

‘বাংলাদেশ: উন্নয়নের ১ যুগ’ শিরোনামের এ প্রদর্শনীতে রয়েছে সরকারপ্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গত এক যুগের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, বৈশ্বিক অঙ্গনে নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার আলোকচিত্র। শেখ হাসিনার জীবনের বিভিন্ন মুহূর্তের দুর্লভ ছবিও রয়েছে প্রদর্শনীতে।

রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউয়ের শেরাটন ঢাকা হোটেলে রোববার বেলা ১১টায় ফিতা ও কেক কেটে উদ্বোধন করা হয় তিন দিনের এই আয়োজন।

প্রদর্শনীর প্রথম দিনেই দেখা গেছে দর্শনার্থীর ভিড়। প্রধানমন্ত্রীর জীবনের দুর্লভ ছবি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন তারা। খুঁজে পেয়েছেন শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবনের নানান দিক।

শেখ হাসিনার ছোটবেলা থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জীবনের বিভিন্ন ধাপের ছবিতে সাজানো হয়েছে এই চিত্র প্রদর্শনী। গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় প্রধানমন্ত্রীর জন্ম থেকে শুরু করে বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা, ভাই-বোনদের মাঝে তার বেড়ে ওঠা; শিক্ষাজীবন; সাংসারিক জীবন; পারিবারিক জীবন; সন্তানদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তের দুর্লভ ছবি রয়েছে প্রদর্শনীতে।

শেখ হাসিনার সংগ্রামী জীবনে মুগ্ধ তরুণ প্রজন্ম
দর্শনার্থীরা ঘুরে ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রীর জীবনের দুর্লভ সব ছবি

এ ছাড়া, ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, সামরিক শাসনের সময়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্দোলন, নব্বই-পরবর্তী সময়ের সংগ্রাম, ২০০১ সালে গ্রেনেড হামলার পাশাপাশি গত ১২ বছরে দেশের উন্নয়নের বিভিন্ন ছবিও স্থান পেয়েছে চিত্র প্রদর্শনীতে।

প্রদর্শনী দেখতে আসা কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী শাকিলা মজুমদার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ছোটবেলা থেকে বেড়ে ওঠার ছবিগুলো দেখতে পেয়ে খুব ভালো লাগছে। আমরা সাধারণত গুগল বা যেকোনো মাধ্যমে এই ছবিগুলো সাধারণত পাই না। এখানে এসে আমাদের প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছি।’

শাকিলার বন্ধু আবদুল্লাহ আফ্রিদী বলেন, ‘এখানে এসে প্রধানমন্ত্রীর জীবনের শুরুর দিকের ছবি দেখে ভালো লাগছে। অনেক বড় বড় সংগ্রামের ছবি তুলে ধরা হয়েছে। আমার খুব ভালো লেগেছে কবি সুফিয়া কামালের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি ছবি।

‘এখানে প্রতিটি ছবিতে বাংলাদেশের কোনো কোনো না ইতিহাস রয়েছে। এভাবে একসঙ্গে ছবিগুলো দেখতে পেয়ে রোমাঞ্চিত বোধ করছি।’

দর্শনার্থী ফাহিম ফয়সাল বলেন, ‘এখানকার সব ছবিই আমাদের প্রজন্মের কাছে অচেনা। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে যেভাবে এখন দেখি, তার বাইরেও যে ওনার এত অবদান সেটি এখানে উঠে এসেছে।’

নব্বই-পরবর্তী সময়ে সংগ্রাম ও ২০০১ সালে গ্রেনেড হামলার সময়ের ছবি বেশি টেনেছে দর্শনার্থী রাজিয়া ফেরদৌসীকে। তিনি বলেন, ‘এই প্রদর্শনী আমাদের মতো নতুন প্রজন্মের সামনে অনুপ্রেরণাদায়ী।’

বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার উন্নয়নদর্শন তরুণদের সামনে তুলে ধরে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতেই এ আয়োজন বলে জানিয়েছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ।

প্রদর্শনীটি মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

প্রদর্শনীর সমাপনী অনুষ্ঠান হবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টায়। শেরাটন ঢাকা হোটেলের গ্র্যান্ড বলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। বিশেষ অতিথি থাকবেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত।

শেয়ার করুন

সঞ্চয়পত্রে পুনর্নির্ধারিত মুনাফার হার বাস্তবায়নের নির্দেশ

সঞ্চয়পত্রে পুনর্নির্ধারিত মুনাফার হার বাস্তবায়নের নির্দেশ

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট রোববার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। সার্কুলারে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের স্কিমগুলোর পুনর্নির্ধারিত মুনাফার হার বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। তিন ধাপে মুনাফার হার বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন হারে মুনাফা বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট রোববার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করে সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে। সার্কুলারে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের স্কিমগুলোর পুনর্নির্ধারিত মুনাফার হার বাস্তবায়নের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

যাদের বিনিয়োগ ১৫ লাখ টাকার মধ্যে রয়েছে তাদের মুনাফা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

নতুন হার অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রে যাদের ১৫ লাখ টাকার উপরে বিনিয়োগ আছে, তাদের মুনাফার হার ২ শতাংশের কিছুটা কম কমানো হয়েছে। আর ৩০ লাখের উপরে বিনিয়োগের মুনাফা কমানো হয়েছে ২ শতাংশের বেশি।

২১ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ সঞ্চয়পত্রে মুনাফার নতুন হার নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যারা নতুন করে সঞ্চয়পত্র কিনবেন, শুধু তাদের জন্য পরিবর্তিত এ হার কার্যকর হবে। আগের কেনা সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর সেটি পুনর্বিনিয়োগ করলে তখন নতুন মুনাফার হার কার্যকর হবে। ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক উভয়ের জন্য নতুন এ মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে।

প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়, এখন থেকে যারা সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করবেন তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে। ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বর্তমানে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কমিয়ে করা হয়েছে ১০ শতাংশ। সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ৩০ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ৯ শতাংশ হারে।

এখন থেকে যারা সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ করবেন তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ হারে। ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে মুনাফার হার হবে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ

পাঁচ বছর মেয়াদি পেনশনার সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে এত দিন ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ হারে মুনাফা দেয়া হত। এখন এ সঞ্চয়পত্রে যাদের বিনিয়োগ ১৫ লাখ টাকার বেশি তারা মেয়াদ শেষে মুনাফা পাবেন ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে। ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগ থাকলে এ হার হবে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় পরিবার সঞ্চয়পত্র। পাঁচ বছর মেয়াদি এ সঞ্চয়পত্রে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। এখন এ সঞ্চয়পত্রে ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার কমিয়ে করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫০ শতাংশ। ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ হার ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের সাধারণ হিসাবে বর্তমানে মুনাফার হার সাড়ে ৭ শতাংশ। এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকে তিন বছর মেয়াদি হিসাবে বর্তমানে মুনাফার হার ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এখন ১৫ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার হবে ১০ দশমিক ৩০ শতাংশ। ৩০ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে হবে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত করতে সর্বশেষ ২০১৫ সালের মে মাসে সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার গড়ে ২ শতাংশ করে কমানো হয়। ওই হারই এত দিন বহাল ছিল।

শেয়ার করুন

‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নিয়ে আলোচনায় অবিবাহিত মাসুম

‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নিয়ে আলোচনায় অবিবাহিত মাসুম

পেছনে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ লেখা একটি ইজিবাইক। ছবি: নিউজবাংলা

মাসুম বলেন, “ইজিবাইকগুলো কেনার পর যে নামই রাখতে চেয়েছি, পরে দেখছি ওই নামে কোনো না কোনো পরিবহন রয়েছে। আসলে প্রতিটি ব্যবসায় ব্র্যান্ডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে আলাপ করে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নাম রেখেছি।”

মায়ের দোয়া, বাবার দোয়া, বাবা-মায়ের দোয়া- এমন নামের পরিবহনের সঙ্গে পরিচিত সবাই। তবে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ এ দেশে বিস্ময়করই বটে।

ব্যতিক্রমী কাজটি করেছেন চুয়াডাঙ্গার মাসুম মিয়া। নিজের মালিকানায় থাকা ইজিবাইকগুলোর পেছনে লিখেছেন ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’। মজার বিষয় হলো, মাসুম এখনও বিয়েই করেননি। বিষয়টি বেশ সাড়া ফেলেছে চুয়াডাঙ্গা শহরে।

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মসজিদপাড়ার শেখ সুলতানের ছেলে মাসুম। চার ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট তিনি। ১২ বছর মালয়েশিয়ায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন। গত বছরের ডিসেম্বরে দেশে ফেরেন তিনি। মালয়েশিয়ায় থাকা অবস্থায় সঞ্চয় করা টাকা দিয়ে কিনেছেন ১১টি ইজিবাইক।

মাসুম মিয়া জানান, তার মালিকানাধীন ১১টি ইজিবাইক ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নামে চুয়াডাঙ্গা শহরে চলাচল করছে। তিনি নিজে একটি চালান। বাকিগুলো ভাড়া দিয়েছেন।

অবিবাহিত হয়েও ইজিবাইকের পেছনে কেন ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ লিখেছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, “ইজিবাইকগুলো কেনার পর যে নামই রাখতে চেয়েছি, পরে দেখছি ওই নামে কোনো না কোনো পরিবহন রয়েছে। আসলে প্রতিটি ব্যবসায় ব্র্যান্ডিং খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই বন্ধু ও স্বজনদের সঙ্গে আলাপ করে ‘বউয়ের দোয়া পরিবহন’ নাম রেখেছি।”

বিদেশে থাকায় বয়স হওয়ার পরও বিয়ে করতে পারেননি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাবা-মায়ের পছন্দের পাত্রীকে খুব শিগগির বিয়ে করে নতুন জীবন শুরু করব। বিদেশ যাওয়ার আর কোনো ইচ্ছা নেই। বিয়ে করে বাবা-মা ও স্ত্রীকে নিয়ে বাকি জীবন দেশে কাটিয়ে দিতে চাই।’

মা-বাবার পর বউ হলো সবচেয়ে আপন ও ভালোবাসার মানুষ। বিয়ের পর সংসারের ভালোমন্দ বউই দেখাশোনা করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভিন্ন নামের পরিবহনটি চুয়াডাঙ্গা শহরে তাকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে জানিয়ে মাসুম বলেন, ‘বর্তমানে আমার মালিকানাধীন ১১টি ইজিবাইক থেকে যে টাকা আয় হয়, তা দিয়ে বাবা-মাকে নিয়ে খুব ভালোমতো চলে সংসার। বাড়তি টাকা সঞ্চয়ও করি।’

শেয়ার করুন

ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’-এ সতর্কতা উপকূলে

ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’-এ সতর্কতা উপকূলে

স্যাটেলাইট চিত্রে ঘূর্ণিঝড় ‘গোলাব’

অধিকাংশ ইলিশ ধরা ট্রলার এখনও তীরে ফিরতে পারেনি বলে জানিয়েছেন মৎস্য ব্যবসায়ীরা। মহিপুরের মৎস্য আড়ত কক্সবাজার ফিসের স্বত্বাধিকারী মনির হাওলাদার জানান, গদির বেশির ভাগ ট্রলার এখনও সাগরে রয়েছে।

উপকূলের দিকে এগিয়ে আসা ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’-এর প্রভাবে উত্তাল বঙ্গোপসাগর। আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, রোববার সন্ধ্যায় ওডিশার গোপালপুর ও অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমের মাঝে কলিঙ্গপত্তনমের কাছে আঘাত আনতে পারে এ ঘূর্ণিঝড়।

ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’-এর প্রভাবে বরিশাল বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ। এ ছাড়া দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

জেলেরা জানিয়েছেন, গুলাবের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল। তবে উপকূলের স্থলভাগে এখনও কোনো প্রভাব পড়েনি। রোববার সকাল থেকে বরগুনাসহ উপকূলীয় এলাকায় মেঘ-রোদ্দুরের লুকোচুরি চলছে।

কলাপাড়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বশির আহমেদ মোবাইল ফোনে জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’ পায়রা বন্দর থেকে রোববার সকাল ৬টায় ৫৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল। উপকূলীয় এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাচ্ছে। পায়রা বন্দরে দূরবর্তী দুই নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া মাছধরা সব নৌকা ও ট্রলারকে গভীর সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।

ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মোস্তফা চৌধুরি বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া সব ট্রলারকে তীরে ফিরতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া সমুদ্রে কোনো ট্রলারকে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।’

তবে অধিকাংশ ইলিশ ধরা ট্রলার এখনও তীরে ফিরতে পারেনি বলে জানিয়েছেন মৎস্য ব্যবসায়ীরা। মহিপুরের মৎস্য আড়ত কক্সবাজার ফিসের স্বত্বাধিকারী মনির হাওলাদার জানান, গদির বেশির ভাগ ট্রলার এখনও সাগরে রয়েছে।
বরগুনার জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান জানান, ‘গুলাব’-এর প্রভাব মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি। যদিও আমাদের এদিকে এখনও তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। তবুও জেলেদের সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের আগাম সতর্ক করে সাবধানে থাকতে বলা হয়েছে।’

এদিকে, বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘গুলাব’-এ পরিণত হয়েছে। এটি ক্রমেই শক্তি অর্জন করছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন