পিকআপচালকের ঘুমচোখ, প্রাণ হারালেন সহকারী

পিকআপচালকের ঘুমচোখ, প্রাণ হারালেন সহকারী

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন একটি পিকআপের সহকারী। ছবি: নিউজবাংলা

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে কুলপালা গ্রামের বাজারে মেহেরপুরগামী একটি বালুবোঝাই ট্রাকের পেছনে একটি কলাবোঝাই পিকআপ ভ্যান ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় পিকআপের সহকারী মনিরুল ইসলামের। পিকআপের চালক ঘুমিয়ে থাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বালুবোঝাই ট্রাকের পেছনে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় একজন নিহত হয়েছেন।

উপজেলার কুলপালা গ্রামে বুধবার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ৪০ বছর বয়সী মনিরুল ইসলামের বাড়ি মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামে। তিনি পিকআপ ভ্যানের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে কুলপালা গ্রামের বাজারে মেহেরপুরগামী একটি বালুবোঝাই ট্রাকের পেছনে একটি পিকআপ ভ্যান ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় পিকআপের সহকারী মনিরুল ইসলামের। পিকআপের চালক ঘুমিয়ে থাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।

তারা জানান, দুর্ঘটনার পর পিকআপ ভ্যানের চালক পালিয়ে যান। আর বালুবোঝাই ট্রাকটিও মেহেরপুরের দিকে চলে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবীর জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। কোনো অভিযোগ না থাকায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত মনিরুল ইসলামের বাবা কপিচ উদ্দিন বলেন, ‘গতকাল কলা নিয়ে গোপালগঞ্জে ভাড়ায় গিয়েছিল আমার ছেলে। সকালে তার মৃত্যুর খবর পাই।’

আরও পড়ুন:
বউভাতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল ভাইয়ের
রাস্তা পারের সময় বাস চাপায় নিহত ২ নারী
ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, মৃত্যু ১
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত মোটরসাইকেল আরোহী
বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত 

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় মুয়াজ্জিন কারাগারে

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় মুয়াজ্জিন কারাগারে

সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক জানান, ধর্ষণের ঘটনায় শুক্রবার সকালে কিশোরীর বাবা সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করেন। দুপুরে অভিযান চালিয়ে তারা মুয়াজ্জিন হৃদয়কে গ্রেপ্তার করেন।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ১৫ বছরের কিশোরী ধর্ষণ মামলায় এক মুয়াজ্জিনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

শুক্রবার দুপুরে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তার মুয়াজ্জিন তৌহিদুল আলম হৃদয়ের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মুছাপুরে।

এজাহারে বলা হয়, স্থানীয় মসজিদের মুয়াজ্জিন হিসেবে হৃদয় ওই কিশোরীর ছোট ভাইকে আরবি পড়াতেন। সেই সূত্রে ওই কিশোরীর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হৃদয় ওই কিশোরীকে তার কক্ষে নিয়ে যান।

সেখানে কথাবার্তার একপর্যায়ে কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ করেন তিনি। ওই কথা কাউকে জানাতে নিষেধ করে কিশোরীকে পরে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন হৃদয়। বাড়ি ফেরার পর কিশোরী তার মাকে ঘটনাটি জানায়।

সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন বণিক জানান, ধর্ষণের ঘটনায় শুক্রবার সকালে কিশোরীর বাবা সীতাকুণ্ড থানায় মামলা করেন। দুপুরে অভিযান চালিয়ে তারা মুয়াজ্জিন হৃদয়কে গ্রেপ্তার করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
বউভাতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল ভাইয়ের
রাস্তা পারের সময় বাস চাপায় নিহত ২ নারী
ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, মৃত্যু ১
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত মোটরসাইকেল আরোহী
বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত 

শেয়ার করুন

নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে গৃহবধূর মৃত্যু

নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে গৃহবধূর মৃত্যু

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নির্মাণাধীন ভবনের ধসে পড়া দেয়াল। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ জানায়, বাসা পরিবর্তন করার জন্য জিন্নাত ও মেয়ে ময়না বিকেলে ঘর থেকে বের হয়ে প্রধান সড়কের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ওই সময় নির্মাণাধীন একটি বাড়ির দেয়াল তাদের উপর ধসে পড়ে।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে ময়না বেগম নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তার বাবা জিন্নাত আলী।

সদর উপজেলার মাসদাইর তালা ফ্যাক্টরি এলাকায় শুক্রবার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ময়না ও তার বাবা ফ্যাক্টরি এলাকায় থাকতেন।

পুলিশ জানায়, বাসা পরিবর্তন করার জন্য জিন্নাত ও মেয়ে ময়না বিকেলে ঘর থেকে বের হয়ে প্রধান সড়কের দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ওই সময় নির্মাণাধীন একটি বাড়ির দেয়াল তাদের উপর ধসে পড়ে।

স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ময়নাকে মৃত ঘোষণা করেন। আর গুরুতর আহত অবস্থায় তার বাবাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ দেয়া হয়নি।

আরও পড়ুন:
বউভাতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল ভাইয়ের
রাস্তা পারের সময় বাস চাপায় নিহত ২ নারী
ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, মৃত্যু ১
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত মোটরসাইকেল আরোহী
বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত 

শেয়ার করুন

ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার সময় গ্রেপ্তার ৬

ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার সময় গ্রেপ্তার ৬

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম জানান, একটি দল ত্রিশাল উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে-এমন তথ্য পেয়ে তারা ওই এলাকায় অভিযান চালান। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় ছয়জনকে আটক করা হয়।

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার সময় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের কাছ থেকে একটি ট্রাক ও চাইনিজ কুড়ালসহ ছয়টি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।

ত্রিশাল উপজেলার বগার বাজার চৌরাস্তা গুজিয়াম এলাকায় অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার ছয়জন হলেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার আতিকুল ইসলাম, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার আলতাফ হোসেন, শরীয়তপুরের সখিপুর উপজেলার হানিফ, বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার আনিস, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার আমিনুল ইসলাম ও আব্দুল লতিফ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা ডিবি পুলিশ কার্যালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম জানান, একটি দল ত্রিশাল উপজেলায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে-এমন তথ্য পেয়ে তারা ওই এলাকায় অভিযান চালান। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় ছয়জনকে আটক করা হয়।

তিনি আরও জানান, এই চক্রে আরও কয়েকজন ডাকাত রয়েছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে। তাদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

গ্রেপ্তার ছয়জনের বিরুদ্ধে ত্রিশাল থানায় মামলা হয়েছে জানিয়ে ওসি সফিকুল বলেন, বিকেল ৪টার দিকে তাদেরকে ময়মনসিংহ মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানো হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
বউভাতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল ভাইয়ের
রাস্তা পারের সময় বাস চাপায় নিহত ২ নারী
ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, মৃত্যু ১
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত মোটরসাইকেল আরোহী
বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত 

শেয়ার করুন

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা

আওয়ামী লীগের একাংশের বিক্ষোভের মধ্যে বোর্ডবাজারের সমাবেশে মেয়র জাহাঙ্গীর আসেন গাড়ির সানরুফ খুলে। ছবি: নিউজবাংলা

‘মিথ্যা মিথ্যাই থাকবে। ষড়যন্ত্রকারীরা যত বড় শক্তিশালীই হোক, তাদের মুখোশ একদিন খুলবে। যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে, যত বড় ষড়যন্ত্রকারীই হোক, তাদের মুখোশ খুলে দেব।

বাংলাদেশ জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অগ্রগতি সম্মাননা পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানাতে গিয়ে আনন্দ সমাবেশে গাজীপুরের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম মূলত নিজের শক্তি দেখালেন।

মুক্তিযুদ্ধে শহিদের সংখ্যা ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে অবমাননাকর বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ নিয়ে তার শাস্তি চেয়ে আওয়ামী লীগেরই নেতা-কর্মীদের টানা বিক্ষোভের মধ্যে তাদের কর্মসূচি স্থলের পাশে সমাবেশ করলেন মেয়র। বলছেন, তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, তার সবই ষড়যন্ত্র। তিনি সব চক্রান্তকারীর মুখোশ খুলে দেবেন।

শুক্রবার বিকেলে বোর্ডবাজার ইউটিসি চত্বর বালুর মাঠে এই সমাবেশটিকে ঘিরে এলাকায় ছিল উত্তেজনা। মেয়রের একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ১০০ গজ দূরেই তার শাস্তি চেয়ে আওয়ামী লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীরা জড়ো হয়। দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেলও ছোড়াছুড়ি হয়। পরে পুলিশ বিরোধী পক্ষের এক নেতাকে সরিয়ে নিলে উত্তেজনার অবসান হয়।

দিন পাঁচেক আগে মেয়র যখন দেশের বাইরে, সে সময় ভিডিওটি ভাইরাল হয়। আর বুধবার থেকেই জাহাঙ্গীরকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার, মেয়র পদ থেকে অপসারণ ও আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ চলতে থাকে।

মহানগর আওয়ামী লীগের বেশিরভাগ নেতাই গত দুই দিনের বিক্ষোভে সংহতি জানিয়েছেন, যাদের মধ্যে আছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লাহ খানও। এই কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর।

আজমত জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রে জানিয়েছেন আর শীর্ষ নেতারা বিষয়টি জেনে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। কেন্দ্রের দিন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবেন তারা।

ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার সময় মেয়র ছিলেন ভারতে। তিনি ফিরেছেন বুধবার মধ্যরাতে। আর দুই দিন পর সমাবেশ ডেকে সমর্থকদের জড়ো করে মূলত দলে নিজের অবস্থানের জানান দিয়েছেন।

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা
বোর্ডবাজারের সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র জাহাঙ্গীর আলম

নগরীর ছয়দানা এলাকার নিজ বাসা থেকে বিকেল ৪টার কিছু সময় পর বের হন মেয়র জাহাঙ্গীর। হাজারখানেক নেতা-কর্মী নিয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে সমাবেশস্থলের দিকে যান তিনি। বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি মঞ্চে ওঠেন। মঞ্চে ওঠার পরপর নেতা-কর্মীরা তাকে ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন।

সমাবেশে মেয়র বলেন, ‘মিথ্যা মিথ্যাই থাকবে। ষড়যন্ত্রকারীরা যত বড় শক্তিশালীই হোক, তাদের মুখোশ একদিন খুলবে। যারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করছে, যত বড় ষড়যন্ত্রকারীই হোক, তাদের মুখোশ খুলে দেব।

‘জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তাদের মোকাবিলা করব। তারা অনেককেই ভুল বুঝিয়েছে, মিথ্যা আইডি দিয়ে ফেসবুক খুলে আমাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে, আওয়ামী লীগকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।’

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা
বোর্ডবাজার ইউটিসি চত্বরে মেয়র অনুসারীদের সমাবেশের একাংশ

জনসভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রশীদ। সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মোজাম্মেল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ নয়ন, গাজীপুর জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এস এম মোকছেদুল আলম, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এস এম আলতাব হোসেন, তিন সিটি কাউন্সিলর আজিজুর রহমান শিরিষ, আব্দুল কাদের মণ্ডল ও হাজী মনির, মহানগর শ্রমিক লীগের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ, মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সেলিনা ইউনুসও এ সময় বক্তব্য রাখেন।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমি বঙ্গবন্ধুর জন্য, আওয়ামী লীগের জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত। বঙ্গবন্ধু আমাদের এ জন্মভূমি উপহার দিয়েছেন। আমি তাঁর ছবি দেখে, কথা শুনে… বাবা-মা যখন আমাকে কথা বলতে শিখিয়েছেন তখন থেকেই বঙ্গবন্ধুকে ভালবাসতে শিখেছি। বঙ্গবন্ধুর ব্যাপারে আমি কোনো আপস করব না।

‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে কম বয়সে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে এনেছেন মানুষের সেবা করার জন্য। তিনি আমাদের গাজীপুর সিটি করপোরেশন উপহার দিয়েছেন, আমাকে নগরবাসীর সেবা করার সুযোগ দিয়েছেন, আমি নগরবাসীর সেবা করতে চাই।’

ভিডিরও পুরো বিষয়টিকে চক্রান্ত আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সিটি করপোরেশনের উন্নতির জন্য ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নেয়ায় প্রতিপক্ষ ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক কুৎসা রটনা করে যাচ্ছে।’

দিনভর যা হয়েছে

টানা তৃতীয় দিন বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শুক্রবার বিকেলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে বোর্ডবাজার বড় মসজিদের সামনে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের ব্যানারে মিছিল ও সমাবেশ ডাকা হয় মেয়র জাহাঙ্গীরের শাস্তি ও বহিষ্কারের দাবিতে।

পাশেই বিকেল সাড়ে তিনটায় বোর্ডবাজারের ইউটিসি চত্বরে আলোচনা সভা ও আনন্দ মিছিলের আয়োজন করেন মেয়র অনুসারীরা। এ সমাবেশে মেয়র জাহাঙ্গীর যে যোগ দেবেন, তা জানানো হয় আগেই।

দুই পক্ষের এই বিক্ষোভে উত্তেজনার মধ্যে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুপুর থেকেই চার শতাধিক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেখানে মোতায়েন করা হয় জলকামানও। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

বেলা তিনটার পর থেকে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীরাই সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন। ঝাড়ু হাতে মিছিল নিয়ে আসতে দেখা গেছে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মীদের।

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা
এই সমাবেশকে ঘিরে মেয়র অনুসারী ও বিরোধীদের অবস্থানের কারণে মোতায়েন হয় পুলিশ, সাঁজোয়া গাড়ি

বিকেল ৪টার দিকে ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ব্যানারে নেতা-কর্মীরা আনন্দ মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে আসতে শুরু করেন।

জাহাঙ্গীরবিরোধী বিক্ষোভের আয়োজকরা ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মামুন মণ্ডলের কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে বিক্ষোভকারীদের মুখে পড়েন জাহাঙ্গীর অনুসারীরা।

এ সময় দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপে আবু সাঈদ নামে মেয়রের এক সমর্থক আহত হন। আবু সাঈদ জানান, হামলায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। তাদের হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

‘শক্তি দেখালেন’ জাহাঙ্গীর, চক্রান্তকারীর মুখোশ খোলার ঘোষণা
জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার দাবিতে বোর্ডবাজার এলাকায় আওয়ামী লীগের একাংশের নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ

এর মধ্যে কাউন্সিলর মামুন মণ্ডলকে সরিয়ে নেয় পুলিশ। পরে জাহাঙ্গীরবিরোধী বিক্ষোভকারীরাও একে একে চলে যান।

এরপর জাহাঙ্গীরের অনুসারীরা নির্বিঘ্নে সমাবেশ করেন।

আরও পড়ুন:
বউভাতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল ভাইয়ের
রাস্তা পারের সময় বাস চাপায় নিহত ২ নারী
ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, মৃত্যু ১
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত মোটরসাইকেল আরোহী
বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত 

শেয়ার করুন

ডুমুরিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশা খাদে পড়ে নিহত ৫

ডুমুরিয়ায় ট্রাক-অটোরিকশা খাদে পড়ে নিহত ৫

খুলনার ডুমুরিয়ায় অটোরিকশা ও ট্রাক খাদে পড়ে পাঁচজন নিহত হয়েছেন

ডুমুরিয়া থানার ওসি ওবায়দুর জানান, শরাফপুর গ্রাম থেকে একটি বালুবোঝাই ট্রাক এবং একটি অটোরিকশা খুলনার দিকে যাচ্ছিল। ট্রাকটিকে ওভারটেক করতে গিয়ে এর বাম্পারে আটকে যায় অটোরিকশাটি। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুটি যানই খাদে পড়ে যায়।

খুলনার ডুমুরিয়ায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ট্রাক খাদে পড়ে অটোরিকশায় থাকা পাঁচজনই নিহত হয়েছেন।

উপজেলার পূর্ব ঝিলেরডাঙ্গা এলাকায় খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কে শুক্রবার দুপুর সোয়া ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ডুমুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুর রহমান।

নিহতরা হলেন উপজেলার শরাফপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক ইলিয়াস সরদার, একই গ্রামের মো. বাবু ও তার স্ত্রী শিউলী, রুদাঘরা গ্রামের রেশমা খাতুন এবং গজেন্দ্রপুর গ্রামের রিজাউল গাজীর মেয়ে শারমিন।

ওসি ওবায়দুর জানান, শরাফপুর গ্রাম থেকে একটি বালুবোঝাই ট্রাক এবং একটি অটোরিকশা খুলনার দিকে যাচ্ছিল। ট্রাকটিকে ওভারটেক করতে গিয়ে এর বাম্পারে আটকে যায় অটোরিকশাটি।

এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুটি যানই খাদে পড়ে যায়। ঘটনার পর পর রেশমা নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অটোরিকশার ওপর ট্রাকটি পড়ায় এটি খাদের পানিতে ডুবে যায়। এর কারণে সিএনজি থেকে কেউ বের হতে পারেনি।

ওসি আরও জানান, ডুমুরিয়া ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের ৪ ঘণ্টার চেষ্টায় বিকেল ৫টার দিকে আরও তিন জনের মরদেহ উদ্ধার করে।

খর্ণিয়া থানার ওসি মেহেদী হাসান জানান, রাত ১০টার দিকে অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় শারমিন নামের আরেক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ট্রাকচালক রাকিব শেখকে আটক করা হয়েছে। তার বাড়ি দিঘলিয়া উপজেলায়। মরদেহগুলো ডুমুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি মেহেদী।

এদিকে দুর্ঘটনার পর উদ্ধার কাজের জন্য খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়ক প্রায় ৪ ঘণ্টা বন্ধ ছিল। এ কারণে রাস্তার দুই পাশে আটকে পড়ে কয়েক শ যানবাহন। বিকেল ৫টায় ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার কাজ শেষে সড়কটিতে পুনরায় যান চলাচল শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
বউভাতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল ভাইয়ের
রাস্তা পারের সময় বাস চাপায় নিহত ২ নারী
ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, মৃত্যু ১
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত মোটরসাইকেল আরোহী
বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত 

শেয়ার করুন

বাগেরহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২১

বাগেরহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২১

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুর ইসলাম বলেন, ‘জুমার নামাজ শুরুর আগে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নামাজ শেষে তারা সংঘর্ষে জড়ান। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণপুর ইউনিয়নে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শেখরা গ্রামে শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে এ সংঘর্ষ হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুর ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘জুমার নামাজ শুরুর আগে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নামাজ শেষে তারা সংঘর্ষে জড়ান। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয় পেতে চলতি মাসের শুরুতে গ্রামের মসজিদে দোয়ার ব্যবস্থা করেন ইউপি সদস্য প্রার্থী আব্দুল লতিফ। ইমাম নামাজ শেষে দোয়া করেন।

কিন্তু ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচনে জয় পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন আনিসুর রহমান।

শুক্রবার জুমার নামাজের আগে আনিসুর রহমানের সমর্থক ফারুক মসজিদের ইমামকে ওই দিন দোয়া করার বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল লতিফের সমর্থক বাবুল ফকির। একপর্যায়ে তারা তর্কে জড়ান। পরে নামাজ শেষে দুই পক্ষ ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে আব্দুল লতিফ জানান, আমাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছেন আনিসুরের লোকজন। তাদের হামলায় আমার ১৩ জন সমর্থক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বাবুল ফকিরের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কজেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আনিসুর রহমান বলেন, ‘মসজিদের মধ্যে বাবুল ফকির, কামরুল ইশারাত শেখসহ বেশ কয়েকজন আমার লোকজনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তখন দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়।’

আরও পড়ুন:
বউভাতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল ভাইয়ের
রাস্তা পারের সময় বাস চাপায় নিহত ২ নারী
ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, মৃত্যু ১
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত মোটরসাইকেল আরোহী
বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত 

শেয়ার করুন

সিআরবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: রেলমন্ত্রী  

সিআরবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত: রেলমন্ত্রী  

রেলমন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবি নিয়ে যা হচ্ছে, এতটা করার কোনো অর্থ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কল্যাণের জন্যই সব সময় কাজ করে আসছেন। সিআরবি হাসপাতাল নিয়ে তিনি যে সিদ্ধান্ত দেবেন তা সবার জন্য শিরোধার্য।’

চট্টগ্রামের মানুষ যদি সিআরবিতে স্থাপনা না চায় তবে জোর করে চাপিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে শুক্রবার বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন রেলমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবি নিয়ে যা হচ্ছে, এতটা করার কোনো অর্থ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের কল্যাণের জন্যই সব সময় কাজ করে আসছেন। সিআরবি হাসপাতাল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত দেবেন তা সবার জন্য শিরোধার্য।’

সিআরবিতে হাসপাতাল নির্মাণ নিয়ে তথ্যগত কোনো ভুল হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘সিআরবিতে হাসপাতাল করা নিয়ে কয়েক দিন আগে আমরা একটা অভিযোগ পেয়েছি। কিন্তু তার আগেই আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে। বিষয়টি পত্রিকা ও টেলিভিশনে দেখেছি।

‘কিন্তু কী নিয়ে আন্দোলন তা আনুষ্ঠানিকভাবে রেলওয়েকে জানানো হয়নি। এমনকি মন্ত্রী, সচিব বা রেলের ডিজির কাছেও কোনো আবেদন করা হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও কোনো দরখাস্ত দেয়া হয়নি। দরখাস্ত বা অভিযোগ দেয়ার পর যদি জোর করে কোনো কিছু হয়, তাহলে আন্দোলনের প্রশ্ন আসবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৩-১৪ সাল থেকে সিআরবিতে হাসপাতাল করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তখন কেউ আপত্তি তোলেনি। যখন হাসপাতাল নির্মাণ বাস্তবায়ন পর্যায়ে আসছে তখন আপত্তিগুলো আসছে। আপত্তির কারণটা আগে আমাদের জানাবেন। এখানে তো হাসপাতাল হচ্ছে, মেডিক্যাল কলেজ হচ্ছে।’

আন্দেলনকারীদের উদ্দেশ্য আসলে কী তা খতিয়ে দেখা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এক শ্রেণির মানুষ আছে, তাদের কোনো কাজই ভালো লাগে না। তাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই আন্দোলন হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন আছে।’

আরও পড়ুন:
বউভাতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল ভাইয়ের
রাস্তা পারের সময় বাস চাপায় নিহত ২ নারী
ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষ, মৃত্যু ১
পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে নিহত মোটরসাইকেল আরোহী
বাসচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত 

শেয়ার করুন