তোমরা কি তুষারমানব দেখেছ?
আমাদের দেশে এটা দেখা যায় না।
যারা শীতের দেশে গিয়েছ, তারা হয়তো দেখেছ।
বরফের শরীর, গাজরের নাক-খুব সুন্দর দেখতে।
ওপরের ছবিতে অনেকগুলো তুষারমানব দেখতে পাচ্ছ।
এই তুষারমানবদের ভিড়ে এসে লুকিয়েছে একটা পান্ডা।
তোমার কাজ হচ্ছে, পান্ডাটিকে খুঁজে বের করা।
চলো, তাহলে শুরু করে দাও।
খুঁজে না পেলে মন খারাপ করার দরকার নেই।
নিচের ছবিতে পান্ডাটিকে চিহ্নিত করে দেয়া আছে।
বন্ধুরা, চাইলে তোমরাও কুইজ বানিয়ে আমাদের কাছে পাঠাতে পার। কুইজের সঙ্গে অবশ্যই তোমার নাম, স্কুলের নাম, কোন ক্লাসে পড় এবং আব্বু বা আম্মুর ফোন নম্বর দেবে।
পাঠানোর ঠিকানা: [email protected]
ছবি: সংগৃহীত
আষাঢ় মাসের বর্ষণমুখর প্রকৃতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে চালিতা ফুল। উপকূলীয় জেলা বাগেরহাটের শরণখোলার গ্রামের রাস্তার ধারে, খালের পাড়ে এবং বসতভিটার আশপাশে ফুটে থাকা সাদা রঙের এই ফুল প্রকৃতিপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। বর্ষার আগমনী বার্তার সঙ্গে প্রকৃতিকে স্নিগ্ধ ও মনোমুগ্ধকর করে তুলেছে চালিতা ফুলের অপরূপ সৌন্দর্য।
স্থানীয়রা জানান, আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে চালিতা গাছে ফুল ফোটে। ফুলের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্য ও প্রাকৃতিক আবহ পরিবেশকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত। বিশেষ করে সকাল ও বিকেলে ফুলের সৌন্দর্য বেশি উপভোগ করা যায়।
প্রকৃতিপ্রেমী টিকেন্দ্রনাথ মাঝি বলেন, ‘বর্ষা এলেই চালিতা ফুলের জন্য অপেক্ষা করি। সাদা রঙের ফুলগুলো প্রকৃতির মাঝে এক অন্যরকম সৌন্দর্য সৃষ্টি করে। ফুলগুলো দেখলে মন ভালো হয়ে যায়।’
ষাটোর্ধ্বো তাফালবাড়ি বাজারের স্থানীয় বাসিন্দা মন্নান হাওলাদার বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই চালিতা ফুল দেখে আসছি। বর্ষাকালে গাছে যখন অসংখ্য ফুল ফোটে, তখন চারপাশের পরিবেশ অনেক সুন্দর লাগে।’
এদিকে প্রকৃতিপ্রেমীরা বলছেন, অপরিকল্পিতভাবে গাছ কাটা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংসের কারণে অনেক দেশীয় গাছ হারিয়ে যাচ্ছে। তাই চালিতাসহ দেশীয় বৃক্ষ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
ছবি: সংগৃহীত
খুলনা নগরীর বড় বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুটি গোডাউন থেকে ২ হাজার ৫৪২ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। গত বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে উত্তম এন্টারপ্রাইজ প্রতিষ্ঠানের দুটি গোডাউনে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের দুটি গোডাউনে অভিযান চলাকালে মালিক পক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। ফলে আশপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের উপস্থিতিতে গোডাউন দুটির তালা ভেঙ্গে ২ হাজার ৫৪২ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ করা হয়।
তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘনের দায়ে উত্তম এন্টারপ্রাইজ নামক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মোঃ হারুন-অর-রশীদ ও পরিদর্শক মোঃ আসিফ আলম এবং পরিবেশ অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের সিনিয়র কেমিস্ট তানভীর হায়দার, পরিদর্শক মারুফ বিল্লাহ।
ছবি: নিউজ বাংলা
"যুব সমাজ জাগো, মাদককে না বলো" প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট উপজেলার ধারা বাজারে মাদক, জুয়া ও অসামাজিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুর আড়াইটায় ধারা বাজার মাদকমুক্ত যুব সমাজ সংগঠনের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ধারা বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে স্থানীয় যুবসমাজ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাদক ও জুয়া বর্তমানে সমাজের অন্যতম বড় ব্যাধি হিসেবে দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম মাদকের ছোবলে বিপথগামী হচ্ছে, যা পরিবার ও সমাজের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন, “মাদক ও জুয়া পরিহার করুন, নিজে বাঁচুন এবং আগামী প্রজন্মকে বাঁচতে দিন।” তারা যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষায় অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি এবং সচেতন নাগরিকদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
‘চল যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা মাদকের কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি সমাজ থেকে মাদক, জুয়া ও অন্যান্য অসামাজিক কর্মকাণ্ড নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন আরও জোরদার করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।
ছবি: সংগৃহীত
অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে মাদারীপুর নারী ও শিশু অপরাধ দমন ট্রাইবুনাল আদালতের বিজ্ঞ বিচারক আ.স.ম শহীদুল্লাহ কায়সার নাফিজ মোল্লা নামে এক যুবক-কে ১৪ বছর কারাদন্ডাদেশের পাশাপাশি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে উক্ত আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শরীফ মোঃ সাইফুল কবীর বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় এক সাক্ষাৎকারে বলেন, এই রায়ে মামলার বাদী ন্যায়বিচার পেয়েছেন এবং আমরা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসাবে অকাট্য প্রমাণ আদালতে পেশ করতে পারায় মাননীয় আদালত সুবিচার করেছেন।
জানা যায়, মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার পু্র্ব শাখারপাড় গ্রামের মতিয়ার মোল্লার ছেলে নাফিজ মোল্লা ও তার সহযোগীরা ২০২৩ সালের ২১ মার্চ ভোরে নবম শ্রেণীর এক ছাত্রী প্রাইভেট পড়তে যাবার সময় অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে।
পরে তার মা রাজৈর থানায় মামলা করলে পুলিশ ঐ কিশোরীকে উদ্ধার ও প্রধান আসামী নাফিজ মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে।
ছবি: সংগৃহীত
রৌমারীতে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বুধবার (২৪ জুন) ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধান বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত এই বিতরণ অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কৃষকদের মাঝে চার ধরনের উন্নত জাতের আমন ধান বীজ ও রাসায়নিক সার তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শামসুদ্দিন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী তরিকুল ইসলামসহ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম বসুনিয়া।
তথ্য সূত্রে জানা গেছে, এ মৌসুমে আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে উপজেলায় ১ হাজার ৫শ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে এসব বীজ ও রাসায়নিক সার পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে। এ সময় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ৫ কেজি করে ধান বীজ, ১০ কেজি বিএডিসি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদুল আলম বসুনিয়া বলেন, ‘এই প্রণোদনা ক্রয় ও বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষেধ। যদি কেউ বিক্রয় করে, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এ কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমিয়ে ফসলের আবাদ বৃদ্ধি ও আত্মনির্ভরশীল করে তুলবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কর্মকর্তারা।
ছবি: সংগৃহীত
চায়ের রাজ্যখ্যাত মৌলভীবাজারের পাহাড়ি টিলাজুড়ে এখন রসালো ফল আনারসের সুবাস। অনুকূল আবহাওয়া, উর্বর মাটি আর স্থানীয় কৃষকদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতায় চলতি মৌসুমে জেলায় আনারসের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবার মৌলভীবাজারের আনারস ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ফিলিপাইন থেকে আমদানিকৃত উচ্চফলনশীল ও আন্তর্জাতিক মানের ‘এমডি-২’ জাত, যা স্থানীয় চাষিদের মাঝে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলার শ্রীমঙ্গল, কমলগঞ্জ, রাজনগর, কুলাউড়া ও বড়লেখার পাহাড়ি টিলায় মোট ১ হাজার ২২৩ হেক্টর জমিতে আনারসের চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এমডি-২, হানিকুইন (জলচুপি) ও জায়েন্ট কিউ জাতের প্রায় ২২ হাজার ৭৭৪ মেট্রিক টন আনারস উৎপাদিত হয়েছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৬৮ কোটি ৩২ লাখ ২০ হাজার টাকা।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার পাহাড়ি ও সমতল মিলিয়ে মোট ১,২২৩ হেক্টর জমিতে এবার আনারসের আবাদ করা হয়েছে। মৌসুম শেষে জেলাজুড়ে উৎপাদিত আনারসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২২,৭৭৪ মেট্রিক টন। উৎপাদিত এই বিশাল পরিমাণ আনারসের বর্তমান বাজারমূল্য ধরা হয়েছে প্রায় ৬৮ কোটি ৩২ লাখ ২০ হাজার টাকা।
জেলায় মোট উৎপাদনের একটি বড় অংশই এসেছে শ্রীমঙ্গল উপজেলা থেকে। দেশের আনারস উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই উপজেলায়
৪২৫ হেক্টর জমি থেকে মোট ৬,৮২১ মেট্রিক টন আনারস উৎপাদিত হয়েছে। শুধু শ্রীমঙ্গল থেকেই উৎপাদিত এই ফলের সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি ৪২ লাখ টাকা।
দেশের ‘আনারস উৎপাদনের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত শ্রীমঙ্গল উপজেলায় এবার ৪২৫ হেক্টর জমিতে আনারস চাষ হয়েছে। উপজেলার আশিদ্রোন ইউনিয়নের রাধানগর, ডলুছড়া, মহাজিরাবাদ, বালিশিরা, সাতগাঁও, রাজঘাট, কালিঘাট ও মির্জাপুরসহ বিস্তীর্ণ পাহাড়ি টিলাজুড়ে এখন পাকা আনারসের সমারোহ। স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে প্রতিদিন ট্রাক ও পিকআপ ভর্তি আনারস চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
বিশ্বজুড়ে ‘গোল্ডেন সুইট’ বা ‘এক্সট্রা সুইট পাইনআপেল’ নামে পরিচিত ফিলিপাইনের এই এমডি-২ জাতটি দেশের ৭টি জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করা হয়েছিল। এর মধ্যে শ্রীমঙ্গলে উৎপাদিত আনারস গুণে, মানে ও স্বাদে অন্য সব জেলাকে ছাড়িয়ে গেছে।
মহাজিরাবাদ গ্রামের সফল চাষি রাজু আহমেদ জানান, তিনি ২২ শতাংশ জমিতে ২,২৫০টি এমডি-২ জাতের চারা রোপণ করে ইতোমধ্যে প্রায় এক লাখ টাকার আনারস বিক্রি করেছেন। তার মতে, "এই আনারস দেশীয় জাতের চেয়ে অনেক বেশি সুস্বাদু। পাকার পরও ১০-১৫ দিন ভালো থাকে এবং এক মাসেরও বেশি সময় সংরক্ষণ করা সম্ভব।" একই আশার কথা শোনান মহাজিরাবাদ গ্রামের চাষি শফিক মিয়াও। ৩০ শতাংশ জমিতে ২,৫০০টি চারা রোপণ করে তিনিও দারুণ লাভের মুখ দেখছেন।
শ্রীমঙ্গল কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুকুর রহমান বলেন, "শ্রীমঙ্গলের আনারস বাগান এই অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণ। ফিলিপাইনের এমডি-২ জাতের চারাগুলোর বৃদ্ধি ও ফলের আকৃতি, রং ও স্বাদ সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক মানের হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন জানান, এই অঞ্চলে হেক্টর প্রতি ১৫ থেকে ১৬ টন এমডি-২ আনারস উৎপাদিত হচ্ছে, যা স্থানীয় জাতের চেয়ে অনেক বেশি লাভজনক। ফলন ভালো হওয়ায় আগামীতে এটি ব্যাপকহারে চাষের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. জালাল উদ্দিন বলেন, এমডি-২ জাতের আনারস সহজে নষ্ট হয় না এবং এটি আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যন্ত চাহিদাসম্পন্ন। এই জাতের বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের মাধ্যমে ভবিষ্যতে বিদেশে আনারস রপ্তানি করে দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখা সম্ভব।
ষাটের দশকে শ্রীমঙ্গলে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হওয়া আনারস চাষ ফিলিপাইনের এই নতুন জাতেৎর হাত ধরে এবার বিশ্ববাজারে রপ্তানির নতুন স্বপ্ন দেখাবে এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সকলের।
ছবি: নিউজ বাংলা
মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিনটি বিদেশি পিস্তল, দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোরের দিকে উপজেলার বড়লেখা সদর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ‘মিশন’ নামক স্থানে এ অভিযান পরিচালিত হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
বিজিবি সূত্র জানায়, বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়ন (৫২ বিজিবি) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে অস্ত্র ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক দ্রব্যের একটি বড় চালান বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করতে যাচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আতাউর রহমান সুজনের নেতৃত্বে বিওসিটিলা বিওপির একটি বিশেষ আভিযানিক দল সীমান্তে অবস্থান নেয়।
পরবর্তীতে বিজিবি টহল দল সীমান্ত পিলার ১৩৮৫/এম হতে আনুমানিক ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মিশন নামক স্থানে ব্যাপক তল্লাশি চালায়। ভোরের দিকে বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, বিদেশি পিস্তল ৩টি, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক (পাওয়ারজেল নাইনটি) ৩ কেজি (২৩টি টিউব), ডেটোনেটর ২৪টি, ডেটোনেটর তৈরির তার ১৫ মিটার, ২টি কুকরি চাপাতি।
বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আতাউর রহমান সুজন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অত্যন্ত তৎপরতার সাথে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী ও মারাত্মক। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা এবং সীমান্ত সুরক্ষায় বিজিবির এমন কঠোর নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এ ঘটনায় বড়লেখা থানায় মামলা দায়েরসহ উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য হস্তান্তরের আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছে।
মন্তব্য