পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে গুলি চালাননি জিয়া: প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে গুলি চালাননি জিয়া: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: নিউজবাংলা

মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে জিয়াউর রহমানের দায়িত্ব পালনের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে খালেদ মোশাররফ আহত হয়ে গেল। জিয়াকে সেক্টর কমান্ডার করা হয়েছিল। জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কখনও গুলি চালিয়েছে এমন কোনো নজির নেই। এমন নজির কেউ দেখাতে পারবেন না।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করলেও কখনও পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে গুলি চালাননি বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এমন নজির কেউ দেখাতে পারবেন না।

রাজধানীর কৃষিবিদ মিলনায়তনে মঙ্গলবার সকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে সরকারপ্রধান এসব কথা বলেন।

মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে জিয়াউর রহমানের দায়িত্ব পালনের প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে খালেদ মোশাররফ আহত হয়ে গেল। জিয়াকে সেক্টর কমান্ডার করা হয়েছিল। জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কখনও গুলি চালিয়েছে এমন কোনো নজির নেই। এমন নজির কেউ দেখাতে পারবেন না।’

বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জিয়াউর রহমানকে খুনি চক্রের ‘শক্তির মূল উৎস’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন শেখ হাসিনা।

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দেয়া বঙ্গবন্ধুর খুনি কর্নেল রশিদ ও ফারুকের সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সেই ইন্টারভিউতে তারা স্বীকার করেছে। অনেক পত্রিকাতে তাদের বক্তব্য এসেছে যে জিয়াউর রহমান এই খুনিদের সঙ্গে সব সময় ছিল। জিয়াউর রহমানই ছিল মূল শক্তির উৎস। সে বেইমানিটা করেছে।’

জিয়াউর রহমানকে সেনাবাহিনীতে বঙ্গবন্ধুই প্রমোশন দিয়েছিলেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার পর মাত্র তিন বছরের মধ্যে মেজর থেকে তাকে প্রমোশন দিয়ে মেজর জেনারেল করা হয়েছিল। সেটাও করেছিলেন বঙ্গবন্ধু।’

তিনি বলেন, ‘৭৫-এর পরে যারা সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ক্ষমতা দখল করে, সেখানে যেমন আমাদের দলেরও কিছু বেইমান, মুনাফেক, মীরজাফর ছিল, ছিল খন্দকার মোশতাক গং। তাদের শক্তিটা ছিল জিয়াউর রহমান।’

১৫ আগস্টের পর যে ভূমিকা নেয়ার কথা ছিল, সেটা কেউ নেয়নি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতার লাশ, সকলের লাশ ১৬ তারিখ পর্যন্ত ওই ৩২ নম্বরেই ছিল। দাফন-কাফনের ব্যবস্থাটুকু পর্যন্ত করা হয়নি।’

সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যাকারীদের প্রত্যেকেই চেনা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এমন মাস নেই জিয়াউর রহমান তার বউকে নিয়ে আমাদের বাড়িতে না আসত, কর্নেল নূর আসত, ডালিম সারা দিন তার বউ-শাশুড়ি আমাদের বাড়িতে পড়ে থাকত, মোশতাক তো মন্ত্রী ছিল। এত বড় একটা বেইমানি তারা করল!’

‘মুক্তিযোদ্ধা হন্তারক জিয়া’

অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছেন বলেও জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীতে মুক্তিযুদ্ধ যারা করেছে, সেই মুক্তিযোদ্ধা অফিসারদের হত্যা করা হয়েছে, হাজার হাজার সেনাবাহিনীর সদস্যদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছে। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে এমন এমন রাত গেছে যে জোড়ায় জোড়ায় ফাঁসি হয়েছে, ১০ জন, ২০ জন এ রকম করে একেক রাতে ফাঁসি, শত শত লোকদের ফাঁসি দেয়া হয়েছে।

‘কে দিয়েছে? জিয়াউর রহমান দিয়েছে। শুধু ঢাকা জেলে না, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা বিভিন্ন জায়গায় এই হত্যাকাণ্ড সে চালিয়েছে।’

নিজের বক্তব্যে ১৫ আগস্টের পটভূমিও তুলে ধরেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ‘মূলত ৭ মার্চের ভাষণই ছিল স্বাধীনতার প্রকৃত ঘোষণা এবং গেরিলা যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশনা। কিন্তু যখন তারা হামলা চালাল, তখন তিনি ঘোষণাটা দিলেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সব প্রস্তুতি তিনি নিয়ে রেখেছিলেন। সেই সময় যারা স্থানীয় দালালচক্র, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর দোসর, তারা কখনও চায়নি বাংলাদেশ স্বাধীন হোক। তারপর যখন বাংলাদেশ স্বাধীন হলো, বিজয় অর্জন করল, তখন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরাজিত হলো, তখন সে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতেই '৭৫-এর ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড চালিয়েছিল।’

জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়া ক্ষমতায় এসে ছাত্রসমাজকে ধ্বংস করেছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এ দেশে সুশিক্ষায় সুশিক্ষিত হোক জাতি, তারা কখনও চায়নি। অবশ্য চাইবে কেমন করে? নিজেদের কী অবস্থা সেটাও তো দেখতে হবে।

‘তার স্ত্রী খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় আসে তখন তিনিও হুমকি দিয়েছিলেন আওয়ামী লীগকে মোকাবিলা করতে নাকি তার ছাত্রদলই যথেষ্ট। কারণ ছাত্রদলের হাতে তারা অস্ত্র তুলে দিয়েছে। লেখাপড়া শিখতে তাদের উৎসাহিত করে নাই।’

এ সময় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছাত্রলীগের মূলমন্ত্র শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি। সেই শিক্ষা, শান্তি, প্রগতি নিয়ে ছাত্রলীগের তৈরি হতে হবে। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হতে হবে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।’

আরও পড়ুন:
এরশাদ কফিন ধরেছেন, জিয়ার লাশ আছে বলেননি: কাদের
জিয়ার লাশের ডিএনএ টেস্ট চান শাজাহান খান
জিয়ার জন্য বিবৃতি দিয়ে বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট বার
জিয়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কিনা প্রমাণ করতে হবে: আইনমন্ত্রী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১১ নির্দেশনা

ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হবে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা।

চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট এবং ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।

চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে ২ ডিসেম্বর থেকে। চলবে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরীক্ষা হবে শুধুমাত্র নৈর্বাচনিক বিষয়ে। আর আবশ্যিক বিষয়ে আগের পাবলিক পরীক্ষার সাবজেক্ট ম্যাপিং করে মূল্যায়নের মাধ্যমে দেয়া হবে নম্বর।

চতুর্থ বিষয়েরও পরীক্ষা নেয়া হবে না। নির্ধারিত দিনে সকাল ১০টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট এবং ২টা থেকে ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে।

পরীক্ষা উপলক্ষে সোমবার শিক্ষার্থীদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নির্দেশনাগুলো হলো:

১। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

২। পরীক্ষার ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের কক্ষে আসনে বসতে হবে।

৩। প্রথমে বহুনির্বাচনি ও পরে সৃজনশীল ও রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

৪। পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। এমসিকিউ এবং সিকিউ অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

(ক) সকাল ১০টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে

সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ, সকাল ১০টায় বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ। সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র (ওএমআর শিট) সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

(খ) দুপুর ২টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে

দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ওএমআর শিট বিতরণ। দুপুর ২টায় বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ। আর দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে বহুনির্বাচনি (ওএমআর শিট) উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ।

৫। পরীক্ষার্থীরা তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছ থেকে সংগ্রহ করবে।

৬। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত উত্তরপত্রে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ওএমআর ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে। কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে দেখা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

৭। ব্যবহারিক সম্বলিত বিষয়ে তাত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক খাতা (নোটবুক) এর অংশে পৃথকভাবে পাস করতে হবে। প্রতিষ্ঠান নিজ নিজ পরীক্ষার্থীর ব্যবহারিক খাতা (নোটবুক) এর নম্বর প্রদান করে নম্বরসমূহ ০৩/০১/২০২২ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক খাতা (নোটবুক) এর নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে প্রেরণ করবে।

৮। প্রত্যেক পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশ পরে উল্লিখিত বিষয়গুলোর পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। কোনো অবস্থাতেই অন্য বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ করতে পারবে না।

৯। কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিজ কলেজ ও প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না, পরীক্ষার্থী স্থানান্তরের মাধ্যমে আসন বিন্যাস করতে হবে।

১০। পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে না।

১১। পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিচার ফোন (স্মার্টফোন ব্যতীত) ব্যবহার করতে পারবেন। এ ছাড়া পরীক্ষার হলে অন্য কেউ ফোন ব্যবহার করতে পারবে না।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
এরশাদ কফিন ধরেছেন, জিয়ার লাশ আছে বলেননি: কাদের
জিয়ার লাশের ডিএনএ টেস্ট চান শাজাহান খান
জিয়ার জন্য বিবৃতি দিয়ে বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট বার
জিয়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কিনা প্রমাণ করতে হবে: আইনমন্ত্রী

শেয়ার করুন

চানখারপুলে ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ

চানখারপুলে ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ

এই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার নাম মাহাদী অপু। মাস্টার দা সূর্যসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।মাঝ দিয়ে কিছুদিন সাংবাদিকতাও করেন অপু।

রাজধানীর চানখারপুল থেকে গলায় গামছা ঝুলানো অবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে চকবাজার থান পুলিশ।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১১-১২ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার নাম মাসুদ মাহাদী অপু। মাস্টার দা সূর্যসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।

অনার্স ও মাস্টার্সে ভালো রেজাল্ট করা অপু কিছুদিন সাংবাদিকতাও করেন। চাকরি ছেড়ে দেড় বছর ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সরকারি চাকরির।

অপুর গ্রামের বাড়ি পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়।

তার রুমমেট জহিরুর ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা এক রুমে তিনজন থাকি। আমি এবং অন্যজন দারাজে কাজ করি। প্রতিদিনের মতো আমি আজও সকাল ৯টায় বাসা থেকে বের হয়ে যায়। ১০টার সময় আরেকজনও বাসা থেকে বের হয়ে যায়।

‘আমি যখন বাসা থেকে বের হই তখনও অপু ঘুমাচ্ছিল। দুপুর অফিস শেষে বাসায় আসার পর দেখি দরজা বন্ধ। অনেকবার ফোন দিয়েছি। ফোন রিসিভ হয় না। দরজার উপরে একটি ছোট জানালা আছে, সেটি দিয়ে দেখি গামাছায় ঝোলানো। এরপর ৯৯৯ নাইনে ফোন দেই। আশেপাশের লোকজনকে ডেকে দরজা ভাঙি।’

আরও পড়ুন:
এরশাদ কফিন ধরেছেন, জিয়ার লাশ আছে বলেননি: কাদের
জিয়ার লাশের ডিএনএ টেস্ট চান শাজাহান খান
জিয়ার জন্য বিবৃতি দিয়ে বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট বার
জিয়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কিনা প্রমাণ করতে হবে: আইনমন্ত্রী

শেয়ার করুন

বিএনপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কে, প্রশ্ন কাদেরের

বিএনপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কে, প্রশ্ন কাদেরের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: নিউজবাংলা

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে কাদের বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আপনাদের লিডার কে? শেখ হাসিনার বিকল্প একজন নেতা আপনাদের দেখান৷’

আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কে হবেন, সে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে সোমবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ প্রশ্ন করেন।

আওয়ামী লীগের কৃষি ও সমবায়বিষয়ক উপকমিটি এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

এতে দেয়া বক্তব্যে কাদের বলেন, দেশে শেখ হাসিনার বিকল্প নেতা নেই।

ওই সময় তিনি বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে বলেন, ‘আগামী নির্বাচনে আপনাদের লিডার কে? শেখ হাসিনার বিকল্প একজন নেতা আপনাদের দেখান৷’

তিনি বলেন, ‘বিএনপিতে পরবর্তী নির্বাচনের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কে? এর জবাব যদি টেমস নদীর পাড়ে (লন্ডন) চলে যায়, তা দেশের মানুষ কোনো দিনও গ্রহণ করবে না।

‘আমি বিএনপিকে প্রশ্ন করতে চাই, আগামী নির্বাচনে আপনাদের লিডার কে? আন্দোলনে আপনাদের লিডার কে? কাকে ঘিরে আন্দোলন করবেন? কাকে ঘিরে সরকার গঠন করবেন?’

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘আমাদের লিডার হচ্ছে শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার বিকল্প একজন নেতা আপনাদের দেখান৷ একজনকে দেখাবেন; পলাতক, দণ্ডিত আসামি।

‘দণ্ডিত, পলাতক এক ব্যক্তি। তিনিই আপনাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী। এটা কি বাংলাদেশের মানুষ গ্রহণ করবে? এটা কি শেখ হাসিনার বিকল্প হতে পারে? মানুষ এত বোকা নয়। বিএনপিকে ভোট দিয়ে লাভ নেই।’

আরও পড়ুন:
এরশাদ কফিন ধরেছেন, জিয়ার লাশ আছে বলেননি: কাদের
জিয়ার লাশের ডিএনএ টেস্ট চান শাজাহান খান
জিয়ার জন্য বিবৃতি দিয়ে বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট বার
জিয়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কিনা প্রমাণ করতে হবে: আইনমন্ত্রী

শেয়ার করুন

১৬ কেজির কাতল বিক্রি ২৩৭০০ টাকায়

১৬ কেজির কাতল বিক্রি ২৩৭০০ টাকায়

সাগর হালদারের জালে ১৬ কেজি ওজনের কাতল মাছটি ধরা পড়ে। ছবি: নিউজবাংলা

মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জেলে সাগর হালদার মাছটি দুপুরে বিক্রির জন্য আনলে আমি মাছটি কিনে নিই। পরে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করি।’

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদীতে প্রায় ১৬ কেজি ওজনের একটি কাতল মাছ ধরা পড়েছে।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের কাছে পদ্মা নদী থেকে সোমবার দুপুর ১টার দিকে জেলে সাগর হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

তিনি জানান, দুপুর ১টার দিকে ১৫ কেজি ৮০০ গ্রামের মাছটি পেয়ে বিক্রির জন্য দৌলতদিয়া বাইপাস সড়কে শাকিল সোহান মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। আড়ত মালিক শাজাহান শেখ মাছটি ১ হাজার ৪৫০ টাকা কেজি দরে কিনে নেন।

পরে মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ মোবাইলের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করে ঢাকায় ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে ২৩ হাজার ৭০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করেন।

মাছ ব্যবসায়ী শাজাহান শেখ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জেলে সাগর হালদার মাছটি দুপুরে বিক্রির জন্য আনলে আমি মাছটি কিনে নিই। পরে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি দেড় হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি করি।’

আরও পড়ুন:
এরশাদ কফিন ধরেছেন, জিয়ার লাশ আছে বলেননি: কাদের
জিয়ার লাশের ডিএনএ টেস্ট চান শাজাহান খান
জিয়ার জন্য বিবৃতি দিয়ে বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট বার
জিয়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কিনা প্রমাণ করতে হবে: আইনমন্ত্রী

শেয়ার করুন

নিজ বাড়ির সামনে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

নিজ বাড়ির সামনে কৃষককে কুপিয়ে হত্যা

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ছবি: নিউজবাংলা

লালমনিরহাট সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) তাপস সরকার নিউজবাংলাকে জানান, আব্দুল মালেক রোববার রাতে বাড়ির সামনে একটু অন্ধকারে একা বসে ছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় এক কৃষককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

উপজেলার তিস্তা ব্যারাজের পাশে দোয়ানী এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল মালেকের বাড়ি গড্ডিমারী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দোয়ানী এলাকাতেই।

মালেকের পরিবারের দাবি জমিসংক্রান্ত মামলার জেরে তাকে হত‌্যা করা হয়েছে।

লালমনিরহাট সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) তাপস সরকার নিউজবাংলাকে জানান, আব্দুল মালেক রোববার রাতে বাড়ির সামনে একটু অন্ধকারে একা বসে ছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হত্যার কারণ জানতে চাইলে পুলিশ সুপার জানান, মালেকের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পাশাপাশি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
এরশাদ কফিন ধরেছেন, জিয়ার লাশ আছে বলেননি: কাদের
জিয়ার লাশের ডিএনএ টেস্ট চান শাজাহান খান
জিয়ার জন্য বিবৃতি দিয়ে বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট বার
জিয়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কিনা প্রমাণ করতে হবে: আইনমন্ত্রী

শেয়ার করুন

বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুই শিশুসহ নিহত ৩

বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে দুই শিশুসহ নিহত ৩

হবিগঞ্জের মাধবপুরে বাসচাপায় অটোরিকশার তিনজন নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি মাইনুল ইসলাম জানান, অসুস্থ শিশু মোশারফকে নিয়ে একই পরিবারের তিনজন অটোরিকশায় করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন। পথে অটোরিকশাটি আন্দিউড়া এলাকায় পৌঁছলে ঢাকা থেকে সিলেটগামী সাগরিকা বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু মোশারফ ও জব্বার মিয়া মারা যান।

হবিগঞ্জের মাধবপুরে অসুস্থ ছেলেকে হাসপাতালে নেয়ার পথে বাবাসহ বাসচাপায় অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছে। এ সময় আহত হয় আরও দুজন।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উপজেলার আন্দিউড়া এলাকায় উম্মেতুনেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সোমবার দুপুর ১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলো, ৩ বছর বয়সী শিশু মোশারফ মিয়া, ৮ বছর বয়সী রূপা আক্তার ও জব্বার মিয়া। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য।

আহত তিনজনের পরিচয় এখনও জানতে পারেনি পুলিশ।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইনুল ইসলাম জানান, অসুস্থ শিশু মোশারফকে নিয়ে একই পরিবারের তিনজন অটোরিকশায় করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাচ্ছিলেন। পথে অটোরিকশাটি আন্দিউড়া এলাকায় পৌঁছলে ঢাকা থেকে সিলেটগামী সাগরিকা বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু মোশারফ ও জব্বার মিয়া মারা যান।

পরে মাধবপুর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহত চারজনকে উদ্ধার করে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রূপা আক্তার মারা যায়।

আরও পড়ুন:
এরশাদ কফিন ধরেছেন, জিয়ার লাশ আছে বলেননি: কাদের
জিয়ার লাশের ডিএনএ টেস্ট চান শাজাহান খান
জিয়ার জন্য বিবৃতি দিয়ে বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট বার
জিয়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কিনা প্রমাণ করতে হবে: আইনমন্ত্রী

শেয়ার করুন

ভর্তি জালিয়াতি: ছাত্রত্ব হারাচ্ছেন ঢাবির আরও দুজন

ভর্তি জালিয়াতি: ছাত্রত্ব হারাচ্ছেন ঢাবির আরও দুজন

এ ছাড়া, অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সাত কলেজের ৭২জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

ডিজিটাল জালিয়াতি ও অবৈধ পন্থায় ভর্তি হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও দুই শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কারের সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের এক সভায় এ সুপারিশ করা হয়। বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামী সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হবে।

উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ‘উদ্যানের রাজা’ ঢাবি শিক্ষার্থী আখতারুল করীম রুবেলকে সাময়িক বহিষ্কারেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অধিভুক্ত সাত কলেজের ৭২জন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দেয়া হয়েছে।

অবৈধ পন্থায় ভর্তি হওয়ার দায়ে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সুপারিশপ্রাপ্তরা হলেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের মো. রাকিব হাসান ও ভূতত্ত্ব বিভাগ শিক্ষার্থী ইশরাক হোসেন রাফি। তারা দুইজনই ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি হয়েছিলেন।

গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা পরিষদের সভা থেকে এই দুই শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল।

জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এর আগে দুই দফায় ৮৫ জন শিক্ষার্থীকে আজীবন বহিষ্কার করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। তারা সবাই পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) করা মামলার আসামি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ৮৭ জন শিক্ষার্থীসহ ১২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। তাদের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইন এবং পাবলিক পরীক্ষা আইনে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

‘উদ্যানের রাজা’ আখতারুল করীম রুবেল নামে ২০১৪-২০১৫ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আইন শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হবে না তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

আকতারুল করিম রুবেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল ছাত্রলীগের উপ দফতর সম্পাদক ও বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বিরুদ্ধে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক ব্যবসায়ীদের চারটি গ্রুপ নিয়ন্ত্রণ করার অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি উদ্যানে ছিনতাইকারী ও মাদক ব্যবসায়ী হিসেবেও এই শিক্ষার্থী পরিচিত।

শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের এক কর্মচারীর কাছে চাঁদা দাবি করে তাকে মারধরের ঘটনায় রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। এখনও তিনি জেলে। এ ঘটনায় ২৮ জুলাই তাকে ছাত্রলীগ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।

আরও পড়ুন:
এরশাদ কফিন ধরেছেন, জিয়ার লাশ আছে বলেননি: কাদের
জিয়ার লাশের ডিএনএ টেস্ট চান শাজাহান খান
জিয়ার জন্য বিবৃতি দিয়ে বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট বার
জিয়া প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা কিনা প্রমাণ করতে হবে: আইনমন্ত্রী

শেয়ার করুন