পল্লবীতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট ২ বছরের শিশু

পল্লবীতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট ২ বছরের শিশু

প্রতীকি ছবি

নিহত শিশুর বাবা হীরা মিয়া বলেন, ‘আমি ট্রাকচালককে দাঁড়াতে বললেও না থেমে আমার বাচ্চার ওপর দিয়ে চলে যায়। পরে ট্রাকের সামনে গিয়ে দাঁড়ালে চালক পালিয়ে যায়।’

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী আদর্শনগর এলাকায় মুরগিবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে বাবার সামনেই দুই বছরের শিশু নিহত হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশুর নাম মো. সায়েম।

শিশুটির বাবা হীরা মিয়া জানান, তিনি রিকশাচালক। সকালে ছেলেকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়ান। একটু পর সায়েম পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের কাছে যায়। ট্রাক স্টার্ট দিলে সায়েম চাকার সামনে পড়ে যায়। তখন ট্রাকটি তার ওপর দিয়েই চলে যায়।

হীরা মিয়া বলেন, ‘আমি ট্রাকচালককে দাঁড়াতে বললেও না থেমে আমার বাচ্চার ওপর দিয়ে চলে যায়। পরে ট্রাকের সামনে গিয়ে দাঁড়ালে চালক পালিয়ে যায়।’

পরে তার বাবা সায়েমকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে নেন। সেখানে সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

হীরা মিয়ার গ্রামের বাড়ি নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানার মুন্সিপাড়া গ্রাম। সায়েম হীরা মিয়ার ছোট ছেলে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় জেলে নিহত
চট্টগ্রামে ট্রাকচাপায় নিহত ১  
নীলফামারীতে ট্রাকচাপায় নিহত ১
মেয়ের বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই মা নিহত
ট্রাকের চাকায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মামলার প্রতিবাদে নিজের বাইকে আগুন

মামলার প্রতিবাদে নিজের বাইকে আগুন

নিজের বাইকে আগুন ধরিয়ে দেন শওকত আলম সোহেল নামের এক ব্যক্তি। ছবি: সংগৃহীত

ভিডিওটি পোস্ট করে মিরাদুল মুনিম নামে একজন লেখেন, ‘মনের কষ্টে নিজের বাইকে আগুন!  কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি থাকায় মামলা দেয় পুলিশ। তাই মনের কষ্টে গ্যাসলাইট দিয়ে নিজেই আগুন ধরিয়ে দেয় শওকত আলম সোহেল নামে এই হতভাগা আদম। অনেক চেষ্টা করেও আগুন নেভাতে চেষ্টা করলাম, কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ!’

রাজধানীর বাড্ডা লিংক রোড এলাকায় ট্রাফিক সার্জেন্ট মামলা দেয়ার প্রস্তুতিকালে ক্ষোভে নিজের মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছেন এক বাইকার।

ওই ব্যক্তির নাম শওকত আলম সোহেল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

ব্যবসায় লোকসান হওয়ার পর তিনি উবারে যাত্রী টেনে সংসার চালাতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে গুলশান-বাড্ডা লিংক রোডে এ ঘটনা ঘটে।

মিরাদুল মুনিম নামে এক প্রত্যক্ষদর্শী আগুন ধরিয়ে দেয়ার পর সেটি ভিডিও করে ফেসবুকে শেয়ার করেন। মুহূর্তে সেটি ভাইরাল হয়ে যায়।

তিনি লেখেন, ‘মনের কষ্টে নিজের বাইকে আগুন! কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি থাকায় মামলা দেয় পুলিশ। তাই মনের কষ্টে গ্যাসলাইট দিয়ে নিজেই আগুন ধরিয়ে দেয় শওকত আলম সোহেল নামে এই হতভাগা আদম। অনেক চেষ্টা করেও আগুন নেভাতে চেষ্টা করলাম, কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ!’

ভিডিওতে দেখা যায়, বাইকে আগুন দিয়ে সোহেল উদভ্রান্তের মতো চিৎকার করছেন। প্রত্যক্ষদর্শী একজন পানি ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। তখন সোহেল এসে তাকেই বাধা দেন। বলেন, ‘কেউ যাবেন না, আপনারা কেউ যাবেন না।’

অন্য একজন সোহেলকে বলেন, ‘ভাই মাথা ঠান্ডা করেন।’

পুলিশ জানিয়েছে, সার্জেন্ট এই ঘটনার পরে আর মামলা দেননি। আগুন নিভিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাইকচালক ও দায়িত্বে থাকা সার্জেন্টকে থানায় নেয়া হয়। দুই পক্ষের বক্তব্য শোনেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।

এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া গেছে, তাতে জানা গেছে বাইকার শওকতের বাড়ি কেরানীগঞ্জে। করোনা সংক্রমণ শুরুর আগে তিনি স্যানিটারি সামগ্রীর ব্যবসা করতেন। এতে তার লোকসান হয়।

জীবিকা নির্বাহে শওকত দুই মাস ধরে বাইকে যাত্রী পরিবহন করতেন। তিনি অ্যাপভিত্তিক রাইড সেবা উবার ব্যবহার করতেন।

কয়েক দিন আগে পল্টনে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় একটি মামলা হয় শওকতের নামে। এ মামলার টাকা পরিশোধ করার পর সকালে আবার মামলা দিতে যাচ্ছিলেন বাড্ডা এলাকার দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক সার্জেন্ট। তখন ক্ষুব্ধ হয়ে বাইকের ট্যাংকি থেকে তেল বের করে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন শওকত।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক আল ইমরান বলেন, ‘মোটরসাইকেলে মালিক কেন আগুন দিয়েছেন, তা জানি না। সিনিয়র স্যাররা এটা নিয়ে কথা বলছেন।’

বাড্ডা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ মিয়া বলেন, ‘থানায় ওসি স্যার গাড়ির মালিক ও সার্জেন্টকে নিয়ে বসেছেন। কী হয়েছে, তা স্যার বের হলে জানতে পারব।’

পরে ওসি আজাদ বলেন, ‘আমরা দুই পক্ষের বক্তব্য শুনেছি। পুলিশের কোনো গাফিলতি থাকলে সিনিয়র স্যাররা সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।’

শওকত কী বলেছেন, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আর্থিক কষ্টে আগুন দেন বলে জানিয়েছেন তিনি। মামলার টাকা পরিশোধ করে চলতে পারছিলেন না।’

আরও পড়ুন:
পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় জেলে নিহত
চট্টগ্রামে ট্রাকচাপায় নিহত ১  
নীলফামারীতে ট্রাকচাপায় নিহত ১
মেয়ের বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই মা নিহত
ট্রাকের চাকায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

শেয়ার করুন

দূষিত সমাজব্যবস্থার কারণে নদী দখল: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

দূষিত সমাজব্যবস্থার কারণে নদী দখল: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

দখল ও দূষণের কবলে সিলেটের সুরমা নদী। ছবি: নিউজবাংলা

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, পঁচাত্তরের পর দেশে একটি ধারা তৈরি হয়। অপরাধ করলে বিচার হবে না, মানুষ এমন ভাবতে থাকে। তারই সূত্রে মনে করতে থাকে, নদী দখল করলেও বিচার হবে না। এ দূষিত সমাজব্যবস্থার কারণে নদী দখল ও দূষণ।

পঁচাত্তর-পরবর্তী দূষিত সমাজব্যবস্থার কারণে নদীগুলো দখল ও দূষণের কবলে পড়েছে বলে মনে করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এখন নদী দখলমুক্ত করতে গিয়ে সরকারকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

রাজধানীতে রোববার এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। দেশের নদীগুলোকে রক্ষা করা ও তার প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার বলে তিনি জানান।

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন রোববার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের শহীদ শেখ কামাল মিলনায়তনে মুজিব শতবর্ষ ও বিশ্ব নদী দিবস-২০২১ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘পঁচাত্তরের পর দেশে একটি ধারা তৈরি হয়, অপরাধ করলে বিচার হবে না, মানুষ এমন ভাবতে থাকে। তারই সূত্রে মনে করতে থাকে, নদী দখল করলেও বিচার হবে না।

‘অনেকে নদীর পাড়ে ঘর তুলেছেন, কলকারখানা গড়েছেন। তারা মনে করেছেন, এটা দখল নয়, অধিকার। দখলদাররা শুধু নদীর নয়, পুরো বাংলাদেশকে গ্রাস করেছিল।’

তিনি বলেন, ‘নদী দখলমুক্ত করতে গিয়ে সরকারকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে। ২০১৯ সালে যখন ঢাকায় উচ্ছেদ শুরু করলাম, তখন আমরা কিন্তু দেখিনি কোনটা কার দখলে। তখন প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জগুলো জানিয়েছিলাম, তখন তিনি আমাদের সাহস দিয়েছিলেন।

‘নদীগুলোকে রক্ষা ও প্রবাহ নিশ্চিত করাই নদী দিবসের অঙ্গীকার। বঙ্গবন্ধু নদী নিয়ে যেসব পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়ন করতে পারেননি। সেগুলো বাস্তবায়ন হলে নদী রক্ষার জন্য আমাদের সংগ্রাম করতে হতো না। নদীগুলো বাংলাদেশের জনগণের জীবন ও জীবিকার উৎস হিসেবে কাজ করত।’

দূষিত সমাজব্যবস্থার কারণে নদী দখল: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা

জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান এ এস এম আলী কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী, কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য কামরুন নাহার আহমেদ, ৪৮ নদী সমীক্ষা প্রকল্পের পরিচালক ইকরামুল হক ও বাংলাদেশ নদী পরিব্রাজক দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুহাম্মদ মুনির হোসেন।

অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধুর নদী ভাবনা ও বাংলাদেশের নদীসমূহের দখল, দূষণ ও নাব্যতা সংকট: প্রেক্ষিত ৪৮ নদী সমীক্ষা প্রকল্প, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন’, ‘বঙ্গবন্ধুর নদী ও পরিবেশ ভাবনা এবং আমাদের করণীয়’ ও ‘সুস্থ নদী ও মৎস্যসম্পদের সম্ভাবনা’ শীর্ষক তিনটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।

আরও পড়ুন:
পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় জেলে নিহত
চট্টগ্রামে ট্রাকচাপায় নিহত ১  
নীলফামারীতে ট্রাকচাপায় নিহত ১
মেয়ের বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই মা নিহত
ট্রাকের চাকায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

শেয়ার করুন

টিকটকের ফাঁদে ফেলে ঢাকা থেকে গফরগাঁও

টিকটকের ফাঁদে ফেলে ঢাকা থেকে গফরগাঁও

গ্রেপ্তারকৃত রায়হান হোসেন

অপহরণকারীরা একটি টিকটক গ্রুপের সদস্য। এই গ্রুপে ৭-৮ জন সদস্য আছেন। তারা ঘন ঘন লাইভে এসে একে অপরের সঙ্গে বাক্যবিনিময় এবং তথ্য আদান-প্রদান করেন।

১২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাফরুলের বাসা থেকে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে বের হয় অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরী। এরপর আর বাসায় না ফিরলে কাফরুল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন তার বাবা। কেটে যায় আরও কয়েক দিন। এবার র‌্যাবের কাছেও অভিযোগ করে মেয়ের খোঁজ চান তিনি।

অভিযোগ আমলে নিয়ে ছায়া তদন্ত শুরু করে র‌্যাব-৪-এর একটি দল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে উদ্ধার করা হয় কিশোরীকে। গ্রেপ্তার করা হয় রায়হান হোসেন নামে এক অপহরণকারীকেও।

রোববার র‌্যাব-৪-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইডি মোজাম্মেল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, টিকটকের ফাঁদে ফেলেই কিশোরীকে অপহরণ করেছিল একটি চক্র।

র‌্যাব জানায়, অপহরণকারীরা একটি টিকটক গ্রুপের সদস্য। এই গ্রুপে ৭-৮ জন সদস্য আছেন। তারা ঘন ঘন লাইভে এসে একে অপরের সঙ্গে বাক্যবিনিময় এবং তথ্য আদান-প্রদান করেন। এই গ্রুপের অন্যতম সদস্য ঢাকা নর্দার রায়হান, রবিন ও খোকন। রায়হান একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে গাড়ি চালান।

গ্রেপ্তারের পর রায়হান জানান, নারায়ণগঞ্জে তার স্ত্রী ও সন্তান আছে। খোকন অন্য একটি বেসরকারি কোম্পানিতে কাজ করেন এবং রবিন নর্দায় একটি সেলুনে কাজ করেন।

র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে এই গ্রুপের আরও বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুজন মধ্যপ্রাচ্যপ্রবাসী।

স্কুলপড়ুয়া উঠতি বয়সী মেয়েদের প্রেমের প্রলোভন দেখিয়ে বিপথে পরিচালিত করত এই চক্রটি। তারা অত্যন্ত ধুরন্ধর-প্রকৃতির এবং নানা অপকর্মে লিপ্ত। টিকটকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা বেনামী পরিচয় ব্যবহার করে।

অপহৃত কিশোরীর সঙ্গেও বেশ কিছুদিনের চেষ্টায় নিবিড় যোগাযোগ গড়ে তোলে তারা। নিখোঁজ হওয়ার দিন কিশোরীকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে রাজধানীর নর্দায় আজিজ রোডের একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে আটকে রাখেন রায়হান। পরে তারা সুকৌশলে কিশোরীকে ঢাকা থেকে গফরগাঁওয়ে নিয়ে যান।

আরও পড়ুন:
পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় জেলে নিহত
চট্টগ্রামে ট্রাকচাপায় নিহত ১  
নীলফামারীতে ট্রাকচাপায় নিহত ১
মেয়ের বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই মা নিহত
ট্রাকের চাকায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

শেয়ার করুন

গাড়িতে বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা দেন ডিআইজি মিজান

গাড়িতে বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা দেন ডিআইজি মিজান

বরখাস্ত ডিআইজি মিজানুর রহমান ও দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির। ছবি: সংগৃহীত

সাক্ষ্যতে কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন জানান, ২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি মিজান স্যার ওই লোককে (দুদক কর্মকর্তা বাছির) বলেন, ব্যাগে ২৫ লাখ ঠিক আছে। পরে ওই লোকটাকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের গলিতে নামিয়ে দেয়া হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি মিজান স্যারের বাসা থেকে একটি শপিং ব্যাগ ও একটি হ্যান্ডব্যাগ গাড়িতে তুলে দিই আমি। ব্যাগে টাকা ছিল। মিজান স্যার জানান, ব্যাগে ১৫ লাখ টাকা আছে। তারা সেদিনও রমনা পার্কের সামনে আসেন। গাড়িতে বসে এনামুল বাছিরের সঙ্গে কথা বলেন মিজান স্যার।

৪০ লাখ টাকা ঘুষ গ্রহণের মামলায় বরখাস্ত পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে আরও দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

২৬ সেপ্টেম্বর রোববার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। সাক্ষীরা হলেন ডিআইজি মিজানের অর্ডারলি কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন এবং ডিআইজি মিজানের স্ত্রীর মালিকানাধীন দোকান কর্মচারী রফিকুল ইসলাম। তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আগামী ১২ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ ঠিক করে।

জবানবন্দিতে কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘২০১৯ সালের ১৫ জানুয়ারি ডিআইজি মিজানের উত্তরার বাসা থেকে আমি দুটি ব্যাগ সন্ধ্যার আগমুহূর্তে গাড়িতে তুলে দিই। ব্যাগে ২৫ লাখ টাকা ও কিছু বই ছিল। পরে আমাকে রাজারবাগ নামিয়ে দেয়ার জন্য গাড়িতে তোলেন ডিআইজি মিজান। কিন্তু ডিআইজি মিজান আমাকে রমনা পার্কের সামনে নিয়ে আসেন এবং বলেন, তার সঙ্গে কথা বলার জন্য একজন লোক আসবে। তার সঙ্গে কথা শেষে আমাকে যাওয়ার অনুমতি দেন ডিআইজি মিজান।

‘কিছুক্ষণ পরে লোকটি পার্কে আসেন। তারা দুজন পার্কে গিয়ে কথা বলেন। এরপর তারা গাড়িতে ওঠেন। ডিআইজি মিজান চালককে ওই ব্যক্তিকে রাজারবাগ মোড়ের সামনে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের গলিতে নামিয়ে দিতে বলেন। যাতায়াতের মধ্যবর্তী সময়ে তারা অনেক কথা বলেন। মিজান স্যার ওই লোককে বলেন, ব্যাগে ২৫ লাখ ঠিক আছে। তখন ওই লোক প্রশ্ন করেন যে সব ঠিক আছে ভাই?

‘মিজান স্যার বলেন, সব ঠিক আছে। পরে ওই লোকটাকে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালের গলিতে নামিয়ে দেয়া হয়। লোকটি যাওয়ার পর আমি মিজান স্যারকে জিজ্ঞাসা করি, সে কে? তখন স্যার আমাকে বলেন, লোকটি দুদক কর্মকর্তা এনামুল বাছির। পরে আমি রাজারবাগ ব্যারাকে চলে যাই।’

সাক্ষ্যতে সাদ্দাম হোসেন আরও বলেন, ‘২৫ ফেব্রুয়ারি মিজান স্যারের বাসা থেকে একটি শপিং ব্যাগ ও একটি হ্যান্ডব্যাগ গাড়িতে তুলে দিই আমি। ব্যাগে টাকা ছিল। জিজ্ঞাসাবাদে মিজান স্যার জানান, ব্যাগে ১৫ লাখ টাকা আছে। তারা সেদিনও রমনা পার্কের সামনে আসেন। গাড়িতে বসে এনামুল বাছিরের সঙ্গে কথা বলেন মিজান স্যার। তাকে রমনা পার্কের সামনে আসতে বলেন। এনামুল বাছির পার্কের সামনে এলে তারা দুজন ভেতরে যান। কথা শেষে তারা আবার গাড়িতে ওঠেন। এনামুল বাছিরকে শান্তিনগর মোড়ে নামিয়ে দিতে বলেন মিজান স্যার।’

সেদিনও গাড়িতে কথা বলেন তারা। এনামুল বাছির ডিআইজি মিজানকে বলেন, ‘আপনার মামলায় কিছু নেই। আপনার কিছু হবে না।’ পরে তাকে শান্তিনগর মোড়ে নামিয়ে দেন ডিআইজি মিজান। এনামুল বাছির টাকাসহ ব্যাগটি নিয়ে চলে যান।

সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘৩০ মে গুলশান পুলিশ প্লাজায় ডিআইজি মিজান যান। এনামুল বাছির সেখানে আসেন। তারা সেখানে কথা বলেন। এনামুল বাছির ডিআইজি মিজানকে বলেন, আপনার মামলায় কোনো কাগজপত্র নেই। আপনার কিছু হবে না।’

অপর সাক্ষী দোকান কর্মচারী রফিকুল ইসলাম বলেন, ২০১৯ সালে গুলশান পুলিশ প্লাজায় আসেন এনামুল বাছির। তখন ডিআইজি মিজান বলেন, ‘টাকা দিলাম, তারপরও আমার নামে কেস হলো।’ এই কথোপকথনের পর তারা বের হয়ে যান।

এ নিয়ে মামলাটিতে ১৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

এদিন কারাগারে থাকা মিজানুর রহমান ও এনামুল বাছিরকে আদালতে হাজির করা হয়।

সাক্ষীদের জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী।

তিনি নিউজবাংলাকে দুজনের সাক্ষ্যের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

৪০ লাখ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগে ২০১৯ সালের ১৬ জুলাই দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১-এ দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লাহ বাদী হয়ে মামলা করেছিলেন। গত ১৯ জানুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট জমা দেন শেখ মো. ফানাফিল্লাহ।

৯ ফেব্রুয়ারি তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কে এম ইমরুল কায়েশ। এরপর আদালত চার্জ গঠনের তারিখ ঠিক করে মামলা ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এ বদলির আদেশ দেন। গত ১৮ মার্চ আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:
পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় জেলে নিহত
চট্টগ্রামে ট্রাকচাপায় নিহত ১  
নীলফামারীতে ট্রাকচাপায় নিহত ১
মেয়ের বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই মা নিহত
ট্রাকের চাকায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

শেয়ার করুন

সাবরিনার বিরুদ্ধে সাক্ষী হাজিরে ব্যর্থ ওসিকে শোকজ

সাবরিনার বিরুদ্ধে সাক্ষী হাজিরে ব্যর্থ ওসিকে শোকজ

করোনাভাইরাসের ভুয়া নমুনা পরীক্ষা এবং রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার চিকিৎসক সাবরিনা চৌধুরী। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য তারিখ ধার্য ছিল রোববার। তিন জন সাক্ষীকে সাক্ষ্য দিতে আদালত থেকে সমন পাঠানো হয়। এর মধ্যে দুই সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। তাই নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) শোকজ করেছে আদালত।

করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে প্রতারণার মামলায় চিকিৎসক সাবরিনা চৌধুরীসহ ৯ জনের মামলায় সাক্ষী হাজির করতে না পারায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) শোকজ করেছে আদালত।

ঢাকার মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী রোববার এ আদেশ দেন বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান।

তিনি বলেন, ‘রোববার মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য তারিখ ধার্য ছিল। তিন জন সাক্ষীকে সাক্ষ্য দিতে আদালত থেকে সমন পাঠানো হয়। এর মধ্যে মশিউর রহমান নামে এক সাক্ষী আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেন। অপর দুই সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। দুই সাক্ষী হাজির করতে না পারায় আদালত সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসির কাছে, কেন সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয়নি সে (শো-কজ) ব্যাখ্যা চেয়েছ আদালত।’

সেই সঙ্গে আগামী ১৮ অক্টোবর সাক্ষ্য গ্রহণের পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছে আদালত। ওই দিন সাক্ষীদের আদালতে হাজির করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

মামলায় এখন পর্যন্ত ৪০ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। মাঝে করোনার কারণে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি৷

অভিযোগ থেকে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয় জেকেজি হেলথকেয়ার। এর বেশির ভাগই ভুয়া বলে ধরা পড়ে।

প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান সাবরিনা চৌধুরী, তার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরী এই প্রতিষ্ঠানের সিইও।

ভুয়া করোনা রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে গত বছর ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে জেকেজি সিলগালা করে দেয় পুলিশ। পরে সাবরিনা, আরিফুলসহ আটজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় জালিয়াতির মামলা করা হয়।

অপর আসামিরা হলেন সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী তানজীনা পাটোয়ারী, জেকেজির নির্বাহী অফিসার শফিকুল ইসলাম, প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইন্সেসের স্বত্বাধিকারী জেবুন্নেছা রিমা, বিপ্লব দাস ও মামুনুর রশীদ। তারা সবাই কারাগারে রয়েছেন।

গত বছর ৫ আগস্ট এ মামলায় ঢাকা সিএমএম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় ডিবি পুলিশ। ২০ আগস্ট সাবরিনাসহ ৯ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পর বিচার শুরু হয় আদালতে।

জেকেজি হেলথ কেয়ারের কর্ণধার আরিফুল চৌধুরীর স্ত্রী সাবরিনা চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের একজন চিকিৎসক। মামলার পর ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অভিযোগ, জেকেজির কর্ণধার স্বামী-স্ত্রী মিলে করোনা টেস্টের ভুয়া সনদ বিক্রি করেছেন। প্রতিটি টেস্টের জন্য জনপ্রতি নিয়েছেন সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা। আর বিদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে জনপ্রতি তারা নিতেন ১০০ ডলার।

আরও পড়ুন:
পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় জেলে নিহত
চট্টগ্রামে ট্রাকচাপায় নিহত ১  
নীলফামারীতে ট্রাকচাপায় নিহত ১
মেয়ের বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই মা নিহত
ট্রাকের চাকায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

শেয়ার করুন

রেইনট্রি ধর্ষণ মামলায় পেছাল যুক্তিতর্ক

রেইনট্রি ধর্ষণ মামলায় পেছাল যুক্তিতর্ক

বনানীর রেইনট্রি হোটেল। ছবি: সংগৃহীত

পুলিশ প্রতিবেদনে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। অপর আসামি সাদমান সাকিফ, রহমত আলী ও বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে ওই আইনের ৩০ ধারায় সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়।

রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে করা মামলায় আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদসহ ৫ আসামির যুক্তিতর্কের তারিখ পিছিয়েছে। আগামী ৩ অক্টোবর দিন ধার্য করেছে ট্রাইব্যুনাল।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭-এর বিচারক বেগম মোছা. কামরুন্নাহার অসুস্থ থাকায় রোববারের নির্ধারিত যুক্তিতর্ক হয়নি। এদিন যুক্তিতর্কের তারিখ পরিবর্তন করে ৩ অক্টোবর ধার্য করা হয়েছে বলে জানান আদালতের বেঞ্চ সহকারী ইশতিয়ার আলম জনি।

২০১৭ সালের ২৮ মার্চ জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে অস্ত্রের মুখে ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ৬ মে বনানী থানায় পাঁচজনকে আসামি করে মামলাটি করা হয়।

পুলিশ প্রতিবেদনে আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ ওরফে এইচ এম হালিমের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। অপর আসামি সাদমান সাকিফ, রহমত আলী ও বিল্লাল হোসেনের বিরুদ্ধে ওই আইনের ৩০ ধারায় সহযোগিতার অভিযোগ করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি পাঁচজনের বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ৭ জুন অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

আদালত সে বছর ১৩ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। এরপর গত ২২ আগস্ট মামলাটিতে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। অভিযোগপত্রে ৪৭ সাক্ষীর মধ্যে ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত।

গত ২৯ আগস্ট আত্মপক্ষ শুনানিতে সাফাতসহ ৫ আসামি নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। আসামিরা সকলেই জামিনে রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় জেলে নিহত
চট্টগ্রামে ট্রাকচাপায় নিহত ১  
নীলফামারীতে ট্রাকচাপায় নিহত ১
মেয়ের বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই মা নিহত
ট্রাকের চাকায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

শেয়ার করুন

বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে জখম

বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে জখম

প্রতীকী ছবি

আহত টিপুর ভাই আকাশ জানান, তার ভাই মাছের আড়তে কাজের পাশাপাশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। সকালে স্থানীয় জুবায়ের, বাদু, শামসুদ্দিন, শাহাবুদ্দিন, দানেশ, শুকুরসহ ৮ থেকে ১০ জন আলাপের কথা বলে টিপুকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। তারা তাকে মাদক কারবারের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় তারা দোলাইরপার কবরস্থান রোড এলাকায় টিপুকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন।

রাজধানীর কদমতলীতে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।

দোলাইরপাড় কবরস্থান রোড এলাকায় রোববার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। অবস্থা সংকটপূর্ণ হওয়ায় আহতকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তার আত্মীয়রা।

আহত যুবকের নাম মোহাম্মদ টিপু। তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি জেলায়। দোলাইরপাড় বাজার এলাকায় স্ত্রী শীমলা বেগম ও দুই মাসের ছেলেসন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকেন তিনি।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

২৬ বছর বয়সী আহত টিপুর ভাই আকাশ জানান, টিপু মাছের আড়তে কাজের পাশাপাশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালান। সকালে স্থানীয় জুবায়ের, বাদু, শামসুদ্দিন, শাহাবুদ্দিন, দানেশ, শুকুরসহ ৮ থেকে ১০ জন আলাপের কথা বলে টিপুকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। তারা টিপুকে মাদক কারবারের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় তারা দোলাইরপার বাজারের লালমিয়ার গলি কবরস্থান রোড এলাকায় টিপুকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করেন।

পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

আকাশ আরও বলেন, ‘টিপুর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক আমাদের ৪ ব্যাগ রক্ত জোগাড় করে রাখতে বলেছেন।’

পুলিশ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে। আহত যুবকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে চিকিৎসক।

আরও পড়ুন:
পাটগ্রামে ট্রাকচাপায় জেলে নিহত
চট্টগ্রামে ট্রাকচাপায় নিহত ১  
নীলফামারীতে ট্রাকচাপায় নিহত ১
মেয়ের বাড়িতে পৌঁছানোর আগেই মা নিহত
ট্রাকের চাকায় প্রাণ গেল গৃহবধূর

শেয়ার করুন