খালেদার দুই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি ৫ সেপ্টেম্বর

খালেদার দুই মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি ৫ সেপ্টেম্বর

সম্প্রতি মহাখালীর শেখ রাসেল ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিতে যান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। ছবি: সাইফুল ইসলাম/ নিউজবাংলা

কেরানীগঞ্জের কারা ভবনে নির্মিত ২ নম্বর ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মামলা দুটির চার্জ (অভিযোগ গঠন) শুনানি হয়নি। আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ায় চার্জ শুনানির নতুন এ তারিখ ধার্য করেছেন বিচারক।’

মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে জন্মদিন পালন ও যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দেয়ার অভিযোগে করা মানহানির দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য ৫ সেপ্টেম্বর দিন ঠিক করেছে আদালত।

ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূর ‍বৃহস্পতিবার এ তারিখ ঠিক করেন।

কেরানীগঞ্জের কারা ভবনে নির্মিত ২ নম্বর ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতে এ মামলার শুনানি হয়।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মামলা দুটির চার্জ (অভিযোগ গঠন) শুনানি হয়নি। আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ায় চার্জ শুনানির নতুন এ তারিখ ধার্য করেছেন বিচারক।’

কী বলা হয়েছে মামলা দুটির অভিযোগে

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী জহিরুল ইসলাম ২০১৬ সালের ৩০ আগস্ট ভুয়া জন্মদিন পালনের অভিযোগে খালেদা জিয়ার নামে মহানগর হাকিম আদালতে মামলাটির আবেদন করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, খালেদা জিয়ার একাধিক জন্মদিন নিয়ে ১৯৯৭ সালের ১৯ ও ২২ আগস্ট দুটি জাতীয় দৈনিকে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ম্যাট্রিক পরীক্ষার মার্কশিটে জন্ম তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬ সাল। ১৯৯১ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে একটি দৈনিকে তার জীবনী নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জন্মদিন উল্লেখ করা হয় ১৯৪৫ সালের ১৯ আগস্ট। তার বিয়ের কাবিননামায় জন্মদিন ১৯৪৪ সালের ৪ আগস্ট।

সর্বশেষ ২০০১ সালে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট অনুযায়ী খালেদা জিয়ার জন্মদিন ১৯৪৬ সালের ৫ আগস্ট।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিভিন্ন মাধ্যমে খালেদা জিয়ার পাঁচটি জন্মদিন পাওয়া গেলেও কোথাও ১৫ আগস্ট উল্লেখ করা হয়নি।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, খালেদা জিয়া পাঁচটি জন্মদিনের একটিও পালন না করে ১৯৯৬ সাল থেকে ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে উৎসব করে জন্মদিন পালন করে আসছেন। শুধু বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য তিনি ওই দিন জন্মদিন পালন করেন।

২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর বাংলাদেশ জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এবি সিদ্দিকী স্বীকৃত স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে দেশের মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকার মানহানির অভিযোগে আদালতে একটি মানহানির মামলা করেন।

দুই মামলাতেই আগামী ৫ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের তারিখ দিয়েছেন বিচারক।

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ২০ অক্টোবর
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের পেছাল
খালেদা জিয়া অসুস্থ, পেছাল কয়লা খনি মামলার শুনানি
বার্ধক্য জটিলতায় ভুগছেন খালেদা
শেখ রাসেলে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জাহাজের ধাক্কায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, দুই জেলের মৃত্যু

জাহাজের ধাক্কায় মাছ ধরার ট্রলারডুবি, দুই জেলের মৃত্যু

মনপুরা থানার ওসি সাইদ আহমেদ জানান, মনপুরার গিয়াস উদ্দিন মাঝির ট্রলারে ১১ জন জেলে মাছ ধরছিলেন। এ সময় একটি জাহাজ ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে এটি ডুবে যায়। পাশেই থাকা কামাল মাঝির ট্রলারের জেলেরা দুই জেলের মরদেহ ও আটজনকে জীবিত উদ্ধার করে।

বঙ্গোপসাগরে জাহাজের ধাক্কায় মাছ ধরার ট্রলারডুবিতে দুই জেলের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় নিখোঁজ এক জেলে।

চট্টগ্রাম গ্যাসফিল্ড সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে শুক্রবার ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত দুই জেলে হলেন ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজীরহাট ইউনিয়নের চরফৈজুদ্দিন গ্রামের মো. রুবেল ও দাসেরহাট গ্রামের মো. মাফু।

নিখোঁজ জেলে মিজানুর রহমানের বাড়িও চরফৈজুদ্দিন গ্রামে।

মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদ আহমেদ নিউজবাংলাকে জানান, মনপুরার গিয়াস উদ্দিন মাঝির ট্রলারে ১১ জন জেলে মাছ ধরছিলেন। এ সময় একটি জাহাজ ট্রলারটিকে ধাক্কা দিলে এটি ডুবে যায়।

পাশেই থাকা কামাল মাঝির ট্রলারের জেলেরা দুই জেলের মরদেহ ও আটজনকে জীবিত উদ্ধার করে।

ওসি জানান, কামাল মাঝির ট্রলারে জীবিত ও মৃত জেলেদের মনপুরা আনা হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর প্রক্রিয়াধীন। নিখোঁজ জেলেকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

ধাক্কা দেয়া জাহাজের বিষয়ে তিনি জানান, জেলেরা ওই জাহাজ শনাক্ত করতে পারেনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম মিঞা জানান, মৃত জেলেদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ২০ অক্টোবর
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের পেছাল
খালেদা জিয়া অসুস্থ, পেছাল কয়লা খনি মামলার শুনানি
বার্ধক্য জটিলতায় ভুগছেন খালেদা
শেখ রাসেলে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ

জলবায়ু পরিবর্তন: ক্ষতিপূরণ দাবিতে সড়ক অবরোধ

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত রাষ্ট্রের ক্ষতিপূরণ দাবিতে শুক্রবার দুপুরে বরিশাল নগরীতে সড়ক অবরোধ করে এলায়েন্স ফর ইয়ুথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট। ছবি: নিউজবাংলা

বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বে প্রতিনিয়ত অক্সিজেন কমছে। গাছ কেটে উজাড় হচ্ছে বন, বিলুপ্ত হচ্ছে বন্য প্রাণী। এতে হুমকির মুখে পড়ছে বিশ্ব। পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে উন্নত রাষ্ট্রগুলোকে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ শূন্যের কোটায় আনতে হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থেকে বাংলাদেশসহ ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন, শোভাযাত্রা ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন সপ্তাহ উপলক্ষে এলায়েন্স ফর ইয়ুথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট শুক্রবার দুপুরে নগরীর বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়কে এসব কর্মসূচির আয়োজন করে।

বিভাগীয় প্রশাসন এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল ইসলাম বাদল, ফ্রেন্ডস ফর ফিউচার এর বাংলাদেশ কো-অরডিনেটর ফারিয়া হোসেন অমি, সিভিল সোসাইটির মো. আনোয়ার, ইউনিসেফের বরিশাল প্রধান তৌফিক আহমেদ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ চৌধুরীসহ অনেকে।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বিশ্বে প্রতিনিয়ত অক্সিজেন কমছে। গাছ কেটে উজাড় হচ্ছে বন, বিলুপ্ত হচ্ছে বন্য প্রাণী। এতে হুমকির মুখে পড়ছে বিশ্ব। বাড়ছে সাইক্লোন, বজ্রপাত, ভূমিকম্পসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। বাড়েছে নদী ভাঙন।
পরিবেশের ভারসাম্য ঠিক রাখতে উন্নত রাষ্ট্রগুলোকে কার্বন নিঃসরণের পরিমাণ শূন্যের কোটায় আনতে হবে।

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি জানান তিনি।

মানববন্ধন শেষে ৩৫টি যুব সংগঠনের কর্মীরা শোভাযাত্রা করে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে পাঁচ মিনিট সড়ক অবরোধ করেন।

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ২০ অক্টোবর
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের পেছাল
খালেদা জিয়া অসুস্থ, পেছাল কয়লা খনি মামলার শুনানি
বার্ধক্য জটিলতায় ভুগছেন খালেদা
শেখ রাসেলে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

ক্ষতি পোষাতে একসঙ্গে ১১টি জাহাজ ভেড়াচ্ছে বন্দর

ক্ষতি পোষাতে একসঙ্গে ১১টি জাহাজ ভেড়াচ্ছে বন্দর

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম বলেন, ‘শুক্রবার থেকে আমরা ১১টি কনটেইনার জাহাজ জেটিতে ভেড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছি। যাতে দ্রুত আমরা আগের অবস্থায় ফিরতে পারি।’

ধর্মঘটের ধকল সামাল দিতে ও ক্ষতি পুষিয়ে নিতে একসঙ্গে ১১টি কনটেইনার জাহাজ জেটিতে ভেড়াচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

পরিবহন শ্রমিক-মালিকদের ৩৬ ঘণ্টা ধর্মঘটের কারণে সৃষ্ট জট সামলে বহির্নোঙরে জাহাজের লাইন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এ উদ্যোগ নিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালক (পরিবহন) এনামুল করিম বলেন, ‘বহির্নোঙরে জাহাজের জট আছে বলা যাবে না। জাহাজের অপেক্ষমাণ সময় যে আমরা ব্যাপকভাবে কমিয়ে এনেছিলাম, সেটাতে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে।

‘গত দেড় মাস ধরে আমরা ৫০ শতাংশ জাহাজ কোনো অপেক্ষা ছাড়াই জেটিতে ভেড়াতে পেরেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘শুক্রবার থেকে আমরা ১১টি কনটেইনার জাহাজ জেটিতে ভেড়ানোর পদক্ষেপ নিয়েছি। যাতে দ্রুত আমরা আগের অবস্থায় ফিরতে পারি।’

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে বৃহস্পতিবার ১১টি কনটেইনার জাহাজ ছিল। যার মধ্যে একটি জাহাজ চার দিন অপেক্ষায় ছিল। ৭টি জাহাজের মধ্যে তিন দিন, দুই দিন করে অপেক্ষমাণ ছিল। বাকি তিনটি জাহাজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বহির্নোঙরে পৌঁছায়।

গত ২১ সেপ্টেম্বর পরিবহন শ্রমিক-মালিকদের ধর্মঘটের কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে পণ্য ওঠানামা বন্ধ ছিল। বন্দর থেকে পণ্য ডেলিভারি পুরোপুরি বন্ধ ছিল। রপ্তানি পণ্য বন্দর জেটিতে না পৌঁছানোয় ও আমদানি পণ্য জাহাজ থেকে নামাতে না পারায় নির্ধারিত দুটি কনটেইনার জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দর জেটি ছাড়তে পারেনি।

কনটেইনার পরিবহনকারী গাড়িতে চট্টগ্রামের ১৮টি ডিপো থেকে বন্দরে আমদানি-রপ্তানি ও খালি কনটেইনার আনা-নেয়া হয়। কর্মবিরতির কারণে ডিপো থেকে কনটেইনার আনা-নেয়া বন্ধ ছিল।

কনটেইনার পরিবহনকারী প্রাইম মুভার ট্রেইলর গাড়িতে রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার বন্দরে নেয়া হয়। আবার আমদানি পণ্যবাহী কনটেইনার বন্দর থেকে ডিপোতে আনা হয়। এ ছাড়া খালি কনটেইনার ডিপো ও বন্দরে নিয়মিত আনা-নেয়া হয় এসব গাড়িতে। ধর্মঘটের কারণে কনটেইনার পরিবহন বন্ধ ছিল। গাড়ি না থাকায় জাহাজ থেকে কনটেইনার ওঠানো-নামানোর কার্যক্রমও ব্যাহত ছিল।

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ২০ অক্টোবর
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের পেছাল
খালেদা জিয়া অসুস্থ, পেছাল কয়লা খনি মামলার শুনানি
বার্ধক্য জটিলতায় ভুগছেন খালেদা
শেখ রাসেলে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

এবার ৩ শিক্ষকের করোনায় বন্ধ স্কুল

এবার ৩ শিক্ষকের করোনায় বন্ধ স্কুল

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার চিড়াভিজা গোলনা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধান শিক্ষক আল হাসান জায়েদ নওরোজি জানান, করোনা উপসর্গ দেখা দেয়ায় বুধবার সহকারী শিক্ষক সুশান্ত কুমার ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দেন। পরীক্ষায় তার করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরদিন অন্য দুই শিক্ষক নমুনা দিলে তাদেরও করোনা শনাক্ত হয়।

বেশ কয়েকটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় ক্লাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এবার একটি স্কুলে তিন শিক্ষকের ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার খবর মিলেছে। সেই স্কুলেও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ক্লাস।

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার চিড়াভিজা গোলনা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন বলে শুক্রবার নিশ্চিত করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার ভৌমিক। সব শিক্ষক-কর্মচারীদের করোনা পরীক্ষার জন্য দুই দিন বিদ্যালয়টি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণ কিছুটা কমে আসায় দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। এরপর বিভিন্ন জেলায় বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

সবশেষ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ শিশু শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। বুধবার করোনা আক্রান্তের বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়টির দুই শ্রেণিতে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

এ ছাড়া গোপালগঞ্জে ২১ সেপ্টেম্বর পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত হওয়ার পর ওই শ্রেণিতে পাঠদান বন্ধ করে দেয়া হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর একই জেলায় তৃতীয় শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত হয়। আর মানিকগঞ্জে করোনা উপসর্গে বুধবার মৃত্যু হয়েছে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করোনা সংক্রমিত হওয়া নিয়ে সরকার অবশ্য বলছে, তারা যে স্কুল থেকেই সংক্রমিত হচ্ছে এমন কোনো প্রমাণ নেই।

শুক্রবার চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘স্কুলে এসেই যে শিক্ষার্থীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে, তার সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সুনির্দিষ্ট কিছু জায়গায় দেখেছি, শিক্ষার্থীরা করোনা আক্রান্ত হয়েছে। আমরা সেখানে ব্যবস্থা নিয়েছি।’

নীলফামারীতে আক্রান্ত তিন শিক্ষক হলেন সুশান্ত কুমার রায়, রমিজুল ইসলাম ও আব্দুল জলিল। তারা নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন। তিন শিক্ষকই করোনা প্রতিরোধী টিকার দুই ডোজ নিয়েছিলেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আল হাসান জায়েদ নওরোজি জানান, করোনা উপসর্গ দেখা দেয়ায় বুধবার সহকারী শিক্ষক সুশান্ত কুমার ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দেন। পরীক্ষায় তার করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরদিন অন্য দুই শিক্ষক নমুনা দিলে তাদেরও করোনা শনাক্ত হয়।

এই পরিস্থিতিতে শনিবার ও রোববার বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান প্রধান শিক্ষক।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার ভৌমিক বলেন, ‘যেহেতু তিন শিক্ষক আক্রান্ত হয়েছেন, সে কারণে অন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের নমুনা পরীক্ষার জন্য দুদিন বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সোমবার থেকে ক্লাশ শুরু হবে। করোনা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ২০ অক্টোবর
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের পেছাল
খালেদা জিয়া অসুস্থ, পেছাল কয়লা খনি মামলার শুনানি
বার্ধক্য জটিলতায় ভুগছেন খালেদা
শেখ রাসেলে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৯ রোগী

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৯ রোগী

ডেঙ্গু আক্রান্ত ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তির পর সেবা করছেন মা। ফাইল ছবি

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গুতে চলতি বছর ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত সাত মাসে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগস্টে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়।

দেশে ডেঙ্গু নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ১৮৯ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৮৯৪ জনে। মারা গেছে ৫৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য জানায়।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় শুধু ঢাকা বিভাগের হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছে ১৬৪ রোগী। এ ছাড়া অন্য বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছে ২৫ জন।

এ বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৬ হাজার ৮৯৪ জনের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছে ১৫ হাজার ৭৮৭ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ১ হাজার ৪৮ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৪১টি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে ৮২৭ ডেঙ্গু রোগী।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গুতে চলতি বছর ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত সাত মাসে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগস্টে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়।

চলতি মাসে ১৩ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ সময়ের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬ হাজার ৫৩৮ জন।

২১ বছর ধরে দেশে ডেঙ্গুর সার্বিক বিষয় নিয়ে তথ্য জানাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। ওই বছর ১ লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে মারা যায় ১৪৮ জন। ডেঙ্গুতে এত মৃত্যু আর কখনও দেখেনি দেশ।

তবে চলতি বছরের ৯ মাসেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছে ৫৯ জন, যার হার ২০ বছরে সর্বোচ্চ। ২০১৯ সালে ডেঙ্গু ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলেও করোনা মহামারির মধ্যে ২০২০ সালে ডেঙ্গু তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে এবার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী।

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ২০ অক্টোবর
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের পেছাল
খালেদা জিয়া অসুস্থ, পেছাল কয়লা খনি মামলার শুনানি
বার্ধক্য জটিলতায় ভুগছেন খালেদা
শেখ রাসেলে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

লাশ থাকুক আর না থাকুক, চন্দ্রিমায় কবর নয়: মন্ত্রী

লাশ থাকুক আর না থাকুক, চন্দ্রিমায় কবর নয়: মন্ত্রী

রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধি। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘চদ্রিমা উদ্যানে লাশ থাকুক আর না থাকুক কারও কবর এখানে থাকতে পারবে না।… বঙ্গবন্ধুর খুনি, স্বাধীনতাবিরোধীদের কবর মহান জাতীয় সংসদ চত্বরে থাকতে পারে না।’

চন্দ্রিমা উদ্যানে কোনো কবর থাকবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এমন কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘চন্দ্রিমা উদ্যানে লাশ থাকুক আর না থাকুক কারও কবর এখানে থাকতে পারবে না।… বঙ্গবন্ধুর খুনি, স্বাধীনতাবিরোধীদের কবর মহান জাতীয় সংসদ চত্বরে থাকতে পারে না।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে তার মরদেহ নেই বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখার পর এই বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা পরস্পরকে আক্রমণ করে বক্তব্য রাখছেন।

এর মধ্যে সরকারের পুরনো একটি পরিকল্পনা সামনে এসেছে। জাতীয় সংসদ ভবন প্রখ্যাত স্থপতি লুই আই কানের নকশায় ফেরানো।

এই নকশায় কোনো সমাধিস্থল ছিল না। আর এটি করতে হলে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনও সরাতে হবে।

জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থল ছাড়াও স্বাধীনতাবিরোধী নেতা খান এ সবুর এবং আরও একজন অজানা মানুষের কবর রয়েছে। এগুলো সরানোর দাবিও আছে।

মেয়র কথা বলছিলেন ‘ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা: সমস্যা ও প্রতিকার’ বিষয়ে।

তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। বাংলার মানুষ মুক্তি পেয়েছে। তার কবর থাকবে টুঙ্গিপাড়ায় আর পাকিস্তানিদের দোসর যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, ৩০ লাখ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা ও দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম নষ্ট করেছে, তাদের কবর জাতীয় সংসদসহ গৌরবোজ্জ্বল জায়গায় থাকতে পারে না। এগুলো আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ করে।’

জিয়াউর রহমানকে জাতির পিতার খুনি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এ কথা ধ্রুব সত্য। তাকে খুনি প্রমাণ করার জন্য সকল ধরনের দলিলাদি রয়েছে। রাষ্ট্রপতিকে নিরাপত্তা প্রদানের দায়িত্ব নিশ্চিত করার কথা ছিল জিয়াউর রহমানের। কিন্তু তিনি তা না করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সব ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে পরিকল্পিতভাবে জাতির পিতাকে হত্যা করেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও স্বাধীনতার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তখনই বাস্তবায়ন করতে পারব যখন এসব কুলাঙ্গারদের কবর জাতীয় মর্যাদাপূর্ণ স্থান থেকে অপসারণ করতে পারব।’

জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা অবান্তর বলে উল্লেখ করেন তাজুল ইসলাম। বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার অধিকার বাঙালি জাতি একমাত্র বঙ্গবন্ধুকেই দিয়েছে। আর কেউ স্বাধীনতার ঘোষক হতে পারে না, সুযোগও নেই। মুখে ঘোষণা করলেই স্বাধীনতার ঘোষক হওয়া যায় না।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ওয়াসার যদি কোন রকম অব্যবস্থাপনা থাকে, যদি সেখানে কোনো দুর্নীতি থাকে, তাহলে এটা আমরা চিহ্নিত করব। তাদের দুর্নীতির তথ্য থাকলে দেন, হাইপোথেটিক্যাল তথ্য দিয়ে তো লাভ হবে না।’

ঢাকাকে দৃষ্টিনন্দন শহরে রূপান্তর করতে নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শহরের প্রত্যেকটি খালের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে। খালের দুই পাড়ে বাঁধ দিয়ে ওয়াকওয়ে তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় থাকা খালগুলো শিগগির সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হোসেন মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তর সিটি করপোরেশনের আতিকুল ইসলাম।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর সবুর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের অধ্যাপক মফিজুর রহমান।

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ২০ অক্টোবর
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের পেছাল
খালেদা জিয়া অসুস্থ, পেছাল কয়লা খনি মামলার শুনানি
বার্ধক্য জটিলতায় ভুগছেন খালেদা
শেখ রাসেলে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন

আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র

আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র

বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন ঢাকা। ছবি: সংগৃহীত

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শিগগির খুলনাসহ আরও ৬ বিভাগীয় শহরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হবে। অন্যান্য জেলা এবং খুলনাতেও সিনেপ্লেক্সসহ তথ্য কমপ্লেক্স হবে।’

দেশের আরও ছয় বিভাগীয় শহরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপনের কথা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

খুলনায় শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শিগগির খুলনাসহ আরও ৬ বিভাগীয় শহরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হবে। অন্যান্য জেলা এবং খুলনাতেও সিনেপ্লেক্সসহ তথ্য কমপ্লেক্স হবে।

‘বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে দেশে যে চলচ্চিত্রশিল্পের যাত্রা, তাকে নতুন জীবন দিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া খুলনা নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি এ অঞ্চলের পত্রিকাগুলোর স্বার্থে আবার চালুর জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’

বাংলাদেশ টেলিভিশনের বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচার কেন্দ্র রয়েছে। বিভাগীয় শহরগুলোতেও সম্প্রচার কেন্দ্র করা হলে এর সংখ্যা হবে আটটি।

এ সময় রাজনৈতিক নানা ইস্যুতেও কথা বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে যারা জনগণের ভোট ও রায়ের ওপর নির্ভর করে, তাদের জন্য নির্বাচন বর্জন আত্মহনের মতো সিদ্ধান্ত, কিন্তু যারা পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়, তারা নির্বাচন বর্জন করতে পারে।

‘পত্রিকায় দেখলাম বিএনপি নাকি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না। ২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচনে যায়নি, কিন্তু নির্বাচন হয়েছে এবং দেশে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। ২০১৮ সালেও বিএনপি নির্বাচনে যাবে-যাবে না করে গাধার জল ঘোলা করে খাওয়ার মতো শেষে গেছে। তাই তাদের এ সিদ্ধান্তই থাকবে কিনা জানি না, কিন্তু বিএনপির জন্য এ সিদ্ধান্ত আত্মহননমূলক। অবশ্য বিএনপির সবসময় পেছনের দরজাটাই পছন্দ।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত। গত সাড়ে ১২ বছর ধরে তাদের রাজনীতিটা ছিল জনগণের বিপক্ষে।

‘জনগণের ওপর পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা, হরতাল-অবরোধের নামে জনগণকে বন্দী করে রাখা এসবের মধ্যেই বিএনপির রাজনীতিটা সীমাবদ্ধ ছিল। এ কারণে প্রতিনিয়ত তারা জনগণ থেকে দূরে সরে গেছে এবং এই প্রেক্ষাপটে তারা সিরিজ বৈঠক করেছে। তাদের উচিত জনগণের সঙ্গে বৈরিতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা।’

আরও পড়ুন:
খালেদা জিয়ার ১১ মামলার শুনানি ২০ অক্টোবর
গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি ফের পেছাল
খালেদা জিয়া অসুস্থ, পেছাল কয়লা খনি মামলার শুনানি
বার্ধক্য জটিলতায় ভুগছেন খালেদা
শেখ রাসেলে দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিলেন খালেদা জিয়া

শেয়ার করুন