× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

বাংলাদেশ
40 ambulances gifted by Modi are coming to Dhaka on Thursday
hear-news
player
print-icon

মোদির উপহারের ৪০ অ্যাম্বুলেন্স ঢাকা আসছে বৃহস্পতিবার

মোদির-উপহারের-৪০-অ্যাম্বুলেন্স-ঢাকা-আসছে-বৃহস্পতিবার
ভারত সরকারের দেয়া উপহারের ১০৯টি অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় গত ৭ আগস্ট ৩০টি অ্যাম্বুলেন্স বেনাপোল স্থলবন্দরে আসে। ফাইল ছবি
ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস বুধবার বিবৃতির মাধ্যমে জানায়, বৃহস্পতিবার অ্যাম্বুলেন্সগুলো বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দরে আসবে। এরপর চেকপোস্ট থেকে ছাড়পত্র পেয়ে কালই এগুলো ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবে।

ভারতের উপহার দেয়া আরও ৪০ অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় পৌঁছাবে বৃহস্পতিবার। বুধবার এগুলো প্রতিবেশী দেশটির স্থলবন্দর পেট্রাপোলে এসে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছে ঢাকায় ভারতীয় দূতাবাস।

বুধবার এক বিবৃতির মাধ্যমে দূতাবাস জানায়, বৃহস্পতিবার অ্যাম্বুলেন্সগুলো বাংলাদেশের বেনাপোল স্থলবন্দরে আসবে। এরপর চেকপোস্ট থেকে ছাড়পত্র পেয়ে কালই এগুলো ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবে। উপহার হিসেবে আসা এসব অ্যাম্বুলেন্সে ভেন্টিলেশন সুবিধা রয়েছে।

চলতি বছর ২৬-২৭ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরকালে স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নের জন্য, বিশেষ করে বাংলাদেশে করোনা মোকাবিলার যৌথ প্রচেষ্টায়, বাংলাদেশ সরকারকে ১০৯টি লাইফ সাপোর্ট সুবিধাযুক্ত অ্যাম্বুলেন্স উপহার দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতির দ্বিতীয় ধাপে এবার ৪০টি অ্যাম্বুলেন্স আসছে।

এর আগে দুই দফায় ৩১টি অ্যাম্বুলেন্স বাংলাদেশ সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আর বাকি ৩৮টি অ্যাম্বুলেন্স সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকায় পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:
বেনাপোল ছেড়েছে ভারতের উপহারের ৩০ অ্যাম্বুলেন্স
ভারতের উপহারের ৩০ অ্যাম্বুলেন্স বেনাপোলে
চট্টগ্রামে বিনা মূল্যে মিলবে আইসিইউ অ্যাম্বুলেন্স
নিম্নবিত্ত রোগীদের পাশে অ্যাম্বুলেন্স ও অটোরিকশা নিয়ে পুলিশ 
চার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পেল অ্যাম্বুলেন্স

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
3 deaths were identified in Corona in 1890

করোনায় ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৯০

করোনায় ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৯০ নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
নতুন করোনা শনাক্তদের মধ্যে ১ হাজার ১২২ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯০ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ২৯ হাজার ১৮৮ জন।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ১০ হাজার ৮২২টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ১ হাজার ৭৯০ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে বৃহস্পতিবার পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এ নিয়ে টানা ২০ দিন শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে দেশে এখন করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১ হাজার ১২২ জনই ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ৪৯০ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ২৯ হাজার ১৮৮ জন।

নতুন মারা যাওয়া তিন জনের মধ্যে এক জন পুরুষ ও দুই জন নারী। মৃতদের মধ্যে এক জন ঢাকার, একজন কুমিল্লার এবং অপর জন মেহেরপুরের বাসিন্দা।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৬৭৮ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ১০ হাজার ৪৭৭ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর। গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
করোনায় ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ১৭২৮
করোনায় ৭ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯৯৮
২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১২ মৃত্যু, শনাক্ত ২২৮৫
২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার করোনা রোগী
করোনা: এবার মৃত্যুর সংখ্যাতেও লাফ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
4 deaths were identified in Corona in 1826

করোনায় ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ১৭২৮

করোনায় ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ১৭২৮ নতুন করোনা শনাক্তদের মধ্যে ১ হাজার ৭৪ জন ঢাকা জেলার। ছবি: সংগৃহীত
নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১ হাজার ৭৪ জন ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯ লাখ ৮৪ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ২৯ হাজার ১৮৫ জন।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ১০ হাজার ২৩৩টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ১ হাজার ৭২৮ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এ নিয়ে টানা ১৯ দিন শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে দেশে এখন করোনার চতুর্থ ঢেউ চলছে।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে ১ হাজার ৭৪ জন ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯ লাখ ৮৪ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ২৯ হাজার ১৮৫ জন।

নতুন মারা যাওয়া চার জনের মধ্যে দুই জন পুরুষ ও দুই জন নারী। মৃতদের মধ্যে তিন জন ঢাকার বাসিন্দা। আর এক জন চট্টগ্রামের।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৫২৬ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৯ হাজার ৭৯৯ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর। গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
করোনায় ৭ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯৯৮
২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১২ মৃত্যু, শনাক্ত ২২৮৫
২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার করোনা রোগী
করোনা: এবার মৃত্যুর সংখ্যাতেও লাফ
শনাক্ত হাজার ছাড়াল, হার ১৩.৩০ শতাংশ

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The subtype of Omicron responsible for the fourth wave

চতুর্থ ঢেউয়ের জন্য দায়ী ওমিক্রনের উপ-ধরন

চতুর্থ ঢেউয়ের জন্য দায়ী ওমিক্রনের উপ-ধরন
আইসিডিডিআর,বি বলছে, ওমিক্রন ধরনের উপ-ধরন ‘বিএ.৪’ ও ‘বিএ.৫’ আগের উপ-ধরনগুলোর তুলনায় দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে। এর ফলে দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ দেখা দিয়েছে। তবে নতুন উপ-ধরনগুলোতে সংক্রমিত রোগী আগেরগুলোর তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে কম। মৃত্যুর ঘটনাও কম।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ জুনের শুরু থেকেই ধারাবাধিকভাবে বাড়ছে। এই সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য দায়ী দেশে নতুন করে শনাক্ত হওয়া ওমিক্রন ধরনের নতুন দুটি উপ-ধরন ‘বিএ.৪’ ও ‘বিএ.৫।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআররি) করা সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

আইসিডিডিআর,বি-র ওয়েবসাইটে মঙ্গলবার এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

আইসিডিডিআর,বি বলছে, ওমিক্রন ধরনের উপ-ধরন ‘বিএ.৪’ ও ‘বিএ.৫’ আগের উপ-ধরনগুলোর তুলনায় দ্রুতগতিতে ছড়াচ্ছে। এর ফলে দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ দেখা দিয়েছে। তবে নতুন উপ-ধরনগুলোতে সংক্রমিত রোগী আগেরগুলোর তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে কম। মৃত্যুও কম হচ্ছে।

এ সংক্রান্ত একটি গ্রাফে দেখা যায়, কিভাবে সার্স-কভ-২ ধরনগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একে অপরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জড়িয়েছে। এর মাধ্যমে নতুন ধরনের উত্থানের চিত্র দেখা যায়।

‘বিএ.৫’ উপ-ধরনে সংক্রমিত ৪০ জন রোগীর ক্লিনিক্যাল ডাটা ও টিকাদানের ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ১৬ জন পুরুষ ও ২৪ জন নারী রয়েছেন। তাদের ৩৯ জনের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ দেখা গেছে এবং একজনের মধ্যে কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। তাদের মধ্যে মাত্র একজনকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। এদের মধ্যে ১১ জন দ্বিতীয়বারের মতো এবং সাতজন তৃতীয়বারের মতো করোনায় আক্রান্ত হন।

আক্রান্তদের ভ্যাকসিনেশনের ইতিহাসে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ৩৮ জন অন্তত করোনার এক ডোজ টিকা নিয়েছেন। আর ১৬ জন বুস্টার বা তিনটি ডোজ গ্রহণ করেছেন। ২১ জন দুই ডোজ টিকা এবং একজন এক ডোজ টিকা নিয়েছেন। তাদের কারো কোনো ভ্রমণ ইতিহাস পাওয়া যায়নি।

উপ-ধরন দুটি সর্বপ্রথম যথাক্রমে ২০২২ সালের জানুয়ারি ও ফ্রেব্রুয়ারি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকায় শনাক্ত হয়েছিল।

পর্যবেক্ষণের তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, বাংলাদেশে ওমিক্রন ধরন প্রথম শনাক্ত হয় ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর। প্রাথমিকভাবে, বেশিরভাগ করোনা পজিটিভ কেস ছিল ‘বিএ.১’ (২০২২ সালের জানুয়ারির প্রথম দুই সপ্তাহ)। পরে উপ-ধরন ‘বিএ.২’ ২০২২ সালের জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকে সংক্রমিত হয় এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ‘বিএ.১’ প্রতিস্থাপন করে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সংক্রমণ ঘটায়। এ বছরের ৯ এপ্রিল থেকে ১৩ মে’র মধ্যে খুব কম করোনা শনাক্তের হার এবং পজিটিভ নমুনার উচ্চ সিটি মানের কারণে কোনো সিকোয়েন্সিং করা সম্ভব হয়নি।

এ অবস্থায় গত ১৯ মে ঢাকায় প্রথম সন্দেহভাজন ওমিক্রন উপ-ধরন ‘বিএ.৫’ সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হয়।

গত ছয় সপ্তাহে (১৪ মে থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত) ‘বিএ.৫’ সবচেয়ে প্রভাবশালী উপ-ধরন হয়ে উঠেছে। এই সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্সিং করে ৫২টি করোনা পজিটিভ ঘটনায় মধ্যে ৫১টি ‘বিএ.৫’ উপ-ধরন ও একটি ‘বিএ.২’ উপ-ধরন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

ওমিক্রণ ‘বিএ.৫’ উপ-ধরনে সংক্রমিতদের মধ্যে জটিলতা অনেক কম পাওয়া গেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশব্যাপী করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি এবং হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কমানোর জন্য জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে আইসিডিডিআর,বি। একইসঙ্গে করোনার টিকা গ্রহণ, মাস্ক পরা, সামাজিত দূরত্ব বজায় রাখার মতো স্বাস্থ্যবিধিগুলো মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
করোনায় মৃত্যু বেড়ে ৬, কিছুটা কমেছে শনাক্ত
আবারও করোনার বিধিনিষেধ পশ্চিমবঙ্গে
করোনা শনাক্তের পাশাপাশি এবার বাড়ছে মৃত্যুও
চট্টগ্রামে সাড়ে ৪ মাস পর করোনায় মৃত্যু
করোনার চতুর্থ ঢেউ: এবার আর লকডাউন নয়

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona Death identified in 1997

করোনায় ৭ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯৯৮

করোনায় ৭ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯৯৮ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এ নিয়ে টানা ১৮ দিন শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকল।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সাত জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ১১ হাজার ৯৩২টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে আরও ১ হাজার ৯৯৮ জনের মধ্যে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। এ নিয়ে টানা ১৮ দিন শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পরপর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে। সেই হিসাবে দেশে এখন করোনা চতুর্থ ঢেউ চলছে।

নতুন শনাক্তের মধ্যে ১ হাজার ৩৬৩ জন ঢাকা জেলার। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯ লাখ ৮২ হাজার ৯৭২ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ২৯ হাজার ১৮১ জন।

নতুন মারা যাওয়া সাত জনের সবাই পুরুষ। মৃতদের পাঁচ জনই ঢাকার বাসিন্দা। এছাড়া রাজশাহী ও ময়মনসিংহে এক জন করে মারা গেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৯৪ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৯ হাজার ২৭৩ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর। গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে সংক্রমণ।

আরও পড়ুন:
চোখ রাঙাচ্ছে চতুর্থ ঢেউ, শনাক্ত হার ছাড়াল ১১ শতাংশ
শনাক্তের হার ছাড়াল ১০ শতাংশ
করোনা শনাক্তের হার এবার ৭ শতাংশ ছাড়াল
১১৬ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ করোনা শনাক্তের হার 
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ফাউচি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
In 24 hours 12 deaths were identified in Corona

২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১২ মৃত্যু, শনাক্ত ২২৮৫

২৪ ঘণ্টায় করোনায় ১২ মৃত্যু, শনাক্ত ২২৮৫ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৮৫ জন। এর চেয়ে বেশি শনাক্ত হয় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি। সেদিন ২ হাজার ৫৮৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত চার মাসের মধ্যে এক দিনে এটাই সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা। সবশেষ গত ৫ মার্চ করোনায় এক দিনে ১৩ জনের মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ২৮৫ জন। এর চেয়ে বেশি শনাক্ত হয় গত ১৮ ফেব্রুয়ারি। সেদিন ২ হাজার ৫৮৪ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়।

১৩ হাজার ৮৪২টি নমুনা পরীক্ষায় ২ হাজার ২৮৫ জনের দেহে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১ হাজার ৫৭৭ জনই ঢাকা জেলার।

এ নিয়ে ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২৯ হাজার ১৭৪ জন। মৃতদের ৯ জন ঢাকা বিভাগের, একজন চট্টগ্রামের, একজন ময়মনসিংহের ও একজন খুলনার। মৃতদের মধ্যে ৯ জন পুরুষ ও তিনজন নারী।

গত এক দিনে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট করোনা শনাক্ত হলো ১৯ লাখ ৮০ হাজার ৯৭৪ জনের।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। টানা ১৭ দিন ৫ শতাংশের বেশি শনাক্তের হার পাওয়া যাওয়ার পর দেশে চতুর্থ ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪৮২ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮ হাজার ৭৭৯ জন।

আরও পড়ুন:
চোখ রাঙাচ্ছে চতুর্থ ঢেউ, শনাক্ত হার ছাড়াল ১১ শতাংশ
শনাক্তের হার ছাড়াল ১০ শতাংশ
করোনা শনাক্তের হার এবার ৭ শতাংশ ছাড়াল
১১৬ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ করোনা শনাক্তের হার 
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ফাউচি

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Wife is free from coronation Mirza Fakhrul

সস্ত্রীক করোনামুক্ত মির্জা ফখরুল

সস্ত্রীক করোনামুক্ত মির্জা ফখরুল মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম। ছবি: সংগৃহীত
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ‘আজ (রোববার) বিএনপি মহাসচিব ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রীর করোনা নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তাদের দুজনেরই রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রী রাহাত আরা বেগম করোনামুক্ত হয়েছেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান রোববার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আজ (রোববার) বিএনপি মহাসচিব ইসলাম আলমগীর ও তার স্ত্রীর করোনা নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তাদের দুজনেরই রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে।’

চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন মির্জা ফখরুল। এরপর ২৫ জুন দ্বিতীয়বারের মতো করোনা আক্রান্ত হন তিনি। একইসঙ্গে তার স্ত্রীর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্টেও পজিটিভ ফল আসে।

অবশ্য করোনা প্রতিরোধী তিনটি টিকাই নেয়া আছে মির্জা ফখরুলের।

আরও পড়ুন:
ফের করোনা আক্রান্ত মির্জা ফখরুল
আশপাশের দেশে সয়াবিন তেলের দাম বাড়েনি: ফখরুল
বিএনপির ইফতারে বিদেশি কূটনীতিকরা
টিকা নিয়ে প্রথম থেকে দুর্নীতি করছে সরকার: ফখরুল
দুদককে দুর্নীতিগ্রস্ত করে ফেলা হয়েছে : ফখরুল

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Corona patients have spread to 46 districts in the fourth wave

চতুর্থ ঢেউয়ে ৪৮ জেলায় ছড়িয়েছে করোনার রোগী

চতুর্থ ঢেউয়ে ৪৮ জেলায় ছড়িয়েছে করোনার রোগী নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়লেও মাস্ক ব্যবহারে তেমন সচেতন নন মানুষজন। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর। গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। টানা দুই সপ্তাহ পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণ হার ৫ শতাংশের বেশি হওয়ার পর গত ২৯ জুন করোনার চতুর্থ ঢেউ ছড়িয়ে পরার বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর যেখানে কোনো দিন ৬০ জেলায়, কোনো দিন ৬২ জেলায় করেনার রোগী পাওয়া যাচ্ছিল না, সেখানে এখন ২৪ ঘণ্টায় রোগী মিলল ৪৮ জেলায়।

ভাইরাসটির চতুর্থ ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পর এই চিত্র দেখা গেল।

স্বাস্থ্যবিধি মানতে মানুষের অনীহা, মাস্ক একেবারেই না পরার প্রবণতা এবং মানুষের জটলা ও ভিড়ের কারণে পরিস্থিতির আরও অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে কোরবানি পশুর হার ও ঈদ যাত্রা নিয়ে উদ্বেগের কথা বলা হচ্ছে।

এরই মধ্যে সরকার ‘নো মাস্ক-নো সার্ভিস’ নীতি পুনঃপ্রবর্তন করেছে। সেই সঙ্গে নিজের কর্মীদেরকে মাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে বলা হয়েছে। কিন্তু দুই নির্দেশনার কোনোটির প্রয়োগ নেই বললেই চলে। সাধারণের মতোই সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যেও মাস্ক পরার প্রবণতা কম।

করোনার প্রতিটি ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার পর সরকারের পক্ষ থেকে মাস্ক পরায় জোর দিয়ে প্রশাসনিক অভিযান চলেছে। তবে এবার ভ্রাম্যমাণ আদালত এখন পর্যন্ত নামানো হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬৪ জেলার মধ্যে ১৬টি জেলায় করোনা রোগী শূন্যে ছিল। তবে এর ৮০ শতাংশ রোগীই ঢাকা বিভাগের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ২৪৬ টি পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯০২ জন। নতুন শনাক্তের মধ্যে ১ হাজার ১৪৪ জন ঢাকা জেলার। এই নিয়ে মোট রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৯ লাখ ৭৮ হাজার ৬৮৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার এই সংখ্যা ছিল ৬ জন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ২৯ হাজার ১৬২ জন। মৃতদের ১ জন ঢাকা বিভাগের, অন্য জন চট্টগ্রামের। ১ জন পুরুষ ও ১ জন নারী। গত একদিনে নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর গত ১৬ জুন প্রথমবারের মতো পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৫ শতাংশ ছাড়ায়। টানা ১৭ দিন ৫ শতাংশের বেশি শনাক্তের হার পাওয়া যাওয়ার পর দেশে চতুর্থ ঢেউ ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩০৭ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৮ হাজার ২৯৭ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে গত ৪ অক্টোবর। গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ নিয়ন্ত্রণে আসে। এরপর তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতি ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে সংক্রমণ।

টানা দুই সপ্তাহ পরীক্ষার বিপরীতে সংক্রমণ হার ৫ শতাংশের বেশি হওয়ার পর গত ২৯ জুন করোনার চতুর্থ ঢেউ ছড়িয়ে পরার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এর পর আরও চার দিন শনাক্তের হার ১৩ শতাংশের বেশি দেখা গেছে।

সংক্রমণ বাড়লেও করোনার যে ধরনটি এবার ছড়াচ্ছে, সেটির কারণে মানুষের মধ্যে জটিলতা হচ্ছে কম, হাসপাতালে সেভাবে ভিড় নেই, অক্সিজেনের অভাবও দেখা যাচ্ছে না, আইসিইউএর চাহিদাও এবার তুঙ্গে নয়।

প্রথম ও দ্বিতীয় ঢেউয়ের তুলনায় করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে মৃত্যুর হার ছিল তুলমামূলক কম। তৃতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় যখন চতুর্থ ঢেউ আসতে শুরু করছিল, সে সময় মৃত্যুর সংখ্যাটি কিছূটা বাড়লেও এখন পর্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

গত তিন মাসে করোয় এক দিনে সর্বোচ্চ ৬ জনের মৃত্যুর তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দ্বিতীয় ঢেউয়ে ২৪ ঘণ্টায় দুই শ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর তথ্য এসেছিল একাধিকদিন।

আরও পড়ুন:
করোনার চতুর্থ ঢেউ: এবার আর লকডাউন নয়
ব্যাংকে আবারও ‘নো মাস্ক, নো সার্ভিস’
করোনার চতুর্থ ঢেউয়ে সাড়ে তিন মাসের সর্বোচ্চ মৃত্যু
করোনার চতুর্থ ঢেউয়েও মাস্কে অনীহা
করোনার চতুর্থ ঢেউয়ে বাংলাদেশ

মন্তব্য

p
উপরে