পিংকি হত্যা: কাউন্সিলরের বিচার চান বাবা

পিংকি হত্যা: কাউন্সিলরের বিচার চান বাবা

গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় মোর্শেদকে। ছবি: নিউজবাংলা

পিংকির বাবা সৈয়দ শরিফ বলেন, ‘২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি মোর্শেদ তার সহযোগী মুন্সি তারেক পটনের বাসায় রাতের দাওয়াত আছে বলে পিংকিকে নিয়ে যায়। এরপর আমার মেয়েকে নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করে লাশ গুম করে।’

টাঙ্গাইলে সৈয়দা আমেনা পিংকি হত্যার বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তার বাবা সৈয়দ শরিফ উদ্দিন।

জেলা প্রেস ক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদ ও তার প্রথম স্ত্রীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলে বিচার চেয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন করেন পিংকির বাবা শরিফ।

সৈয়দ শরিফ বলেন, ‘২০১২ সালে সন্ত্রাসী, খুনি, চাঁদাবাজ আতিকুর রহমান মোর্শেদ আমার মেয়েকে তার লোকজন দিয়ে জোর করে অপহরণ করে। পরে ওই ওয়ার্ডের মোস্তফা কাজির মাধ্যমে তাকে বিয়ে করে। তাদের মায়েশার নামের ৬ বছর বয়সী এক মেয়ে আছে।

‘কিন্তু আমার মেয়েকে মোর্শেদ ও তার প্রথম স্ত্রী একমুহুর্তের জন্যও শান্তিতে থাকতে দেয়নি। তাকে প্রচুর মারধর ও মানসিক নির্যাতন করেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সেই সঙ্গে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলার হুমকিও দিয়েছে। এত কিছুর পরও আমরা ভয়ে কিছু করতে পারিনি।’

শরিফ বলেন, ‘২০১৭ সালের ২৬ জানুয়ারি মোর্শেদ তার সহযোগী মুন্সি তারেক পটনের বাসায় রাতের দাওয়াত আছে বলে পিংকিকে নিয়ে যায়। এরপর আমার মেয়েকে নির্মম নির্যাতন করে হত্যা করে লাশ গুম করে।’

আরও পড়ুন:
চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার কাউন্সিলরের নামে স্ত্রী হত্যা মামলা
চাঁদাবাজির মামলায় কাউন্সিলর গ্রেপ্তার
‘অন্তরঙ্গ ছবি’ দিয়ে চাঁদাবাজি: দুজন রিমান্ডে
অস্ত্রের মুখে চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার আসামি
এতিমখানায় চাঁদাবাজির মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘ভুল চিকিৎসায়’ শিশুর মৃত্যু, পল্লী চিকিৎসক কারাগারে

‘ভুল চিকিৎসায়’ শিশুর মৃত্যু, পল্লী চিকিৎসক কারাগারে

শিশুটির বাবা সাইদুল জানান, তার ৯ মাসের ছেলে ইয়ামিন জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হলে রোববার বরগুনার চাইল্ড কেয়ার সেন্টারের চিকিৎসক মাসুম বিল্লাহর কাছে নিয়ে যান। চিকিৎসক মাসুম তাকে হার্টের চিকিৎসা দিলে ওই দিন রাতেই তার মৃত্যু হয়।

বরগুনায় ভুল চিকিৎসায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগে এক পল্লী চিকিৎসককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বরগুনা আদালতের মাধ্যমে শুক্রবার দুপুরে ওই চিকিৎসককে কারাগারে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম বরগুনা থানায় চিকিৎসক মাসুম বিল্লাহর বিরুদ্ধে অপচিকিৎসার মামলা করেন। ওই দিন রাতেই তাকে আটক করে পুলিশ।

বরগুনা সদর উপজেলার চালিতাতলী গ্রামের বাসিন্দা সাইদুল জানান, তার ৯ মাসের ছেলে ইয়ামিন জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হলে রোববার বরগুনার চাইল্ড কেয়ার সেন্টারের চিকিৎসক মাসুম বিল্লাহর কাছে নিয়ে যান। মাসুম প্রাথমিকভাবে দেখে জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন পরীক্ষা দেন।

তিন হাজার টাকায় পরীক্ষাগুলো করানোর পর মাসুম রিপোর্ট দেখে তাদের জানান, ইয়ামিনের হৃদযন্ত্রে সমস্যা রয়েছে। তাকে পরপর চার দিন চারটি ইনজেকশন দিতে হবে। পরে ওই দিন বিকেল সাড়ে ৮টার দিকে মাসুম নিজ হাতে একটি ইনজেকশন দেন এবং ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিয়ে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন।

তিনি আরও জানান, ইনজেকশান পুশ করার পর থেকেই ইয়ামিনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। রাত ৮টার দিকে চিকিৎসক মাসুমকে বিষয়টি মোবাইল ফোনে জানালে তিনি ব্যবস্থাপত্র অনুসারে ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেন। পরে রাত ৯টার দিকে খিঁচুনি দিয়ে তার ছেলের মৃত্যু হয়।
সাইদুল বলেন, ‘আমার শিশু সন্তান মাসুম বিল্লাহর অপচিকিৎসায় মারা গেছে। আমি এবং আমার পরিবার ওই ডাক্তারের বিচার চাই।’

চিকিৎসক মাসুম বিল্লাহর বিরুদ্ধে অবশ্য অপচিকিৎসার অভিযোগ এটাই প্রথম নয়। এর আগে ২২ জানুয়ারি বরগুনার নলটোনা এলাকার হাসান নামের একজন তার মায়ের হাত ভেঙে গেলে চিকিৎসক মাসুমের কাছে নিয়ে যান।

হাসানের অভিযোগ, মাসুম তার মায়ের অপচিকিৎসার করেন। তিনি প্রতিবাদ করলে মাসুম উল্টো তাকে হুমকিধমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেন। মাসুমের চিকিৎসায় তার মায়ের হাত প্রায় অচল হয়ে গেছিল। পরে প্রায় দেড় লাখ টাকা খরচে উন্নত চিকিৎসা নিয়ে তার মা সুস্থ হন।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেহেদী হাসান জানান, শিশুটির বাবার লিখিত অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসক মাসুমকে জেলার টাউন হল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সদর থানা পুলিশ। দুপুরের দিকে তাকে আদালতের মাধ্যম কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার কাউন্সিলরের নামে স্ত্রী হত্যা মামলা
চাঁদাবাজির মামলায় কাউন্সিলর গ্রেপ্তার
‘অন্তরঙ্গ ছবি’ দিয়ে চাঁদাবাজি: দুজন রিমান্ডে
অস্ত্রের মুখে চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার আসামি
এতিমখানায় চাঁদাবাজির মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

জিনের আসর রয়েছে অজুহাতে গৃহবধূকে পিটুনি

জিনের আসর রয়েছে অজুহাতে গৃহবধূকে পিটুনি

শরীয়তপুর সদরে জ্বিনের আছর আছে এমন কথা বলে এক নারীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। ছবি: নিউজবাংলা

তামান্না আক্তার বলেন, ‘আমাকে শ্বশুরবাড়ির কেউ দেখতে পারে না। সংসারের কোনো কাজে ভুল হলেই আমাকে মারধর করা হয়। আর তারা অপবাদ দেন আমাকে নাকি জিনে আসর করেছে। আমার তিন বছর বয়সি একটি সন্তান রয়েছে। এসব কারণে সেও আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।’

শরীয়তপুর সদরে জিনের আসর আছে এমন কথা বলে এক নারীকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে।

উপজেলার খিলগাঁও গ্রামে বৃহস্পতিবার রাতে ওই নারীকে নির্যাতন করা হলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুক্রবার সকালে তাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অভিযুক্ত দুলাল গাজীর বাড়ি ওই এলাকাতেই। তামান্না আক্তার নামের ওই নারী ভত্তাইসার গ্রামের তোতা মিয়ার মেয়ে।

তামান্নার বাবা তোতা মিয়া জানান, ২০১৮ সালে দুলালের সঙ্গে বিয়ে হয় তার মেয়ের। বিয়ের পর থেকে প্রায়ই তাকে মারধর করা হয়। এর আগে ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে তামান্নাকে টয়লেটে আটকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন দুলাল।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে একাধিকবার সালিশ হলেও কোনো সুরাহা হয়নি।

তামান্না আক্তার বলেন, ‘আমাকে শ্বশুরবাড়ির কেউ দেখতে পারে না। সংসারের কোনো কাজে ভুল হলেই আমাকে মারধর করা হয়। আর তারা অপবাদ দেন আমাকে নাকি জিনে আসর করেছে।

‘আমার তিন বছর বয়সি একটি সন্তান রয়েছে। এসব কারণে সেও আতঙ্কিত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।’

এ বিষয়ে দুলাল গাজী বলেন, ‘আমি আমার স্ত্রীকে মারধর করিনি। তাকে জিনে আসর করেছে। সে বিভিন্ন সময় বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। আবার ফিরে আসে। তাকে কে মারধর করে আমি জানি না।’

পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন বলেন, ‘তামান্না নামের এক গৃহবধূকে তার স্বামী মারধর করছেন এমন অভিযোগ পাওয়ার পর ওই নারীকে ফোন করি। তার বাবার বাড়ির লোকজনকে বলেছি লিখিত অভিযোগ দিতে। লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মেয়েটির শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান মেয়েটিকে জিনে আসর করেছে। এমন ভিত্তিহীন কথা তারা কেন বলছেন তা খতিয়ে দেখা হবে।’

আরও পড়ুন:
চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার কাউন্সিলরের নামে স্ত্রী হত্যা মামলা
চাঁদাবাজির মামলায় কাউন্সিলর গ্রেপ্তার
‘অন্তরঙ্গ ছবি’ দিয়ে চাঁদাবাজি: দুজন রিমান্ডে
অস্ত্রের মুখে চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার আসামি
এতিমখানায় চাঁদাবাজির মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আগুন

ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আগুন

আগুনে পুড়ে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদের কাগজপত্র। ছবি: নিউজবাংলা

বরুমচড়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন চৌধুরীর অভিযোগ, ‘আমার বদনাম ছড়ানোর জন্য দুষ্কৃতিকারীরা আমার অস্থায়ী কার্যালয়ের ভেন্টিলেটর দিয়ে কাগজপত্রে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। কিছু কাগজপত্র পুড়ে যাওয়া ছাড়া প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় আইনের আশ্রয় নেবো।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) অস্থায়ী কার্যালয়ে আগুনের ঘটনা ঘটেছে। ইউপি চেয়ারম্যানের দাবি, ইচ্ছা করে কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।

আনোয়ারা উপজেলার বরুমচড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে শুক্রবার ভোর পাঁচটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের চেষ্টায় আধ ঘণ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

বরুমচড়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথম ২ বছর স্থায়ী কার্যালয়ে অফিস করেছি। ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যাওয়ায় সেখানে আর বসা সম্ভব হচ্ছে না। নতুন ভবন যে তৈরি করব, তার জন্য জমি, বাজেটও নাই। তাই আমার বাসভবনে অস্থায়ী কার্যালয় করেছি।

তার অভিযোগ, ‘আমার বদনাম ছড়ানোর জন্য দুষ্কৃতিকারীরা আমার অস্থায়ী কার্যালয়ের ভেন্টিলেটর দিয়ে কাগজপত্রে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। কিছু কাগজপত্র পুড়ে যাওয়া ছাড়া প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার মতো ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় আইনের আশ্রয় নেবো।’

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ জোবায়ের আহমেদ জানান, ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের দুটি প্রিন্টার, একটি ফটোকপি মেশিন, একটি ল্যাপটপ, একটি ডিজিটাল ক্যামেরাসহ বিভিন্ন কাগজপত্র পুড়ে গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার কাউন্সিলরের নামে স্ত্রী হত্যা মামলা
চাঁদাবাজির মামলায় কাউন্সিলর গ্রেপ্তার
‘অন্তরঙ্গ ছবি’ দিয়ে চাঁদাবাজি: দুজন রিমান্ডে
অস্ত্রের মুখে চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার আসামি
এতিমখানায় চাঁদাবাজির মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

তিন দিন অনশনের পর বিয়ে

তিন দিন অনশনের পর বিয়ে

স্ত্রী তানিয়া জানান, তিনি এবং হুমায়ুন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সেই সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আড়াই বছর ধরে তারা ঢাকার একটি বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাস করছিলেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে হুয়ায়ুনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তিন দিন অপেক্ষার পর ২১ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে হুমায়ুনের বাড়ি এসে অনশন শুরু করেন।

প্রেমের টানে বরিশাল থেকে ছুটে এসেছেন ফরিদপুরে। বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে টানা তিন দিন ছিলেন অনশনে। অবশেষে সেই দাবি মেনে নিলেন প্রেমিক ও তার পরিবার। ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা দেনমোহরে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে গাটছড়া বাঁধেন ওই জুটি।

ঘটনাটি ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার চতুল ইউনিয়নের শুবদেবনগর গ্রামের।

স্ত্রী তানিয়া খানমের বাড়ি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বড়করপাকর গ্রামে। স্বামী হুমায়ুন মোল্লা ফরিদপুরের চতুল ইউনিয়নের শুবদেবনগর গ্রামের।

তানিয়া জানান, তিনি এবং হুমায়ুন ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। সেই সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আড়াই বছর ধরে তারা ঢাকার একটি বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাস করছিলেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে হুয়ায়ুনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তিন দিন অপেক্ষার পর ২১ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরে হুমায়ুনের বাড়ি এসে অনশন শুরু করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনশনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ২৩ সেপ্টেম্বর নিজের বাড়িতে ফেরেন হুমায়ুন। এদিন রাত ১০টার দিকে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বিয়ের বিষয়ে চতুল ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার কারামত আলী খান বলেন, ‘ছেলের পরিবার ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার রাতে তাদের বিয়ে পড়িয়েছি। দেনমোহর ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। বিয়ের পর হুমায়ুনের বাড়িতে আছেন নবদম্পতি।

আরও পড়ুন:
চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার কাউন্সিলরের নামে স্ত্রী হত্যা মামলা
চাঁদাবাজির মামলায় কাউন্সিলর গ্রেপ্তার
‘অন্তরঙ্গ ছবি’ দিয়ে চাঁদাবাজি: দুজন রিমান্ডে
অস্ত্রের মুখে চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার আসামি
এতিমখানায় চাঁদাবাজির মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ছুটির দিনেও পাটুরিয়ায় যানবাহনের লাইন

ছুটির দিনেও পাটুরিয়ায় যানবাহনের লাইন

পাটুরিয়ায় দীর্ঘ যানবাহনের সারি। ছবি: নিউজবাংলা

রাজবাড়ীর আকলিমা বেগম বলেন, ‘রোদের মধ্যে গাড়িতে বাচ্চা নিয়ে বসে থাকা কেমন লাগে কন। আমাদের কষ্ট হয় আর বাচ্চাদের অবস্থা তো আরও খারাপ। বিরক্ত হয়ে মাঝেমধ্যে গাড়ি থেকে নেমে হাঁটাহাঁটি করতেছি।’

সাপ্তাহিক ছটির দিনেও যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটে। ফেরি পারে যানবাহন ও যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘ সময়।

তবে দুপুরের তুলনায় সকালে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ অনেকটাই কম ছিল।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ২০টি ফেরি দিয়ে যানবাহন ও যাত্রী পারাপার হচ্ছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাহাঙ্গীর নামের একটি রো রো (বড়) ফেরি পাটুরিয়ায় ভাসমান কারখানায় মেরামতে আছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পাটুরিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, পাটুরিয়া ট্রাক টার্মিনালে প্রায় দুই শ গাড়ি অপেক্ষায়। ঘাট এলাকা থেকে নবগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে দেড় শ ও ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উথুলী সংযোগ মোড় এলাকায় প্রায় এক শ পণ্যবাহী ট্রাক পারের অপেক্ষায় সিরিয়ালে রয়েছে।

এ ছাড়া পাটুরিয়ার তিন ঘাটে ও ঘাট এলাকায় দুই শ যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত পরিবহন ফেরি পারের অপেক্ষায় আছে।

ফরিদপুরগামী আব্দুল হালিম বলেন, ‘বেলা দেড়টার দিকে পাটুরিয়া ঘাটে এসে ফেরির জন্য অপেক্ষা করতেছি। এই প্রচণ্ড গরমে বাসে বসে থাকা খুব কষ্টের। তার পরেও বসে আছি, বাড়িতে তো যেতে হবে।’

রাজবাড়ীর আকলিমা বেগম বলেন, ‘রোদের মধ্যে গাড়িতে বাচ্চা নিয়ে বসে থাকা কেমন লাগে কন। আমাদের কষ্ট হয় আর বাচ্চাদের অবস্থা তো আরও খারাপ। বিরক্ত হয়ে মাঝেমধ্যে গাড়ি থেকে নেমে হাঁটাহাঁটি করতেছি।’

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের ডিজিএম মো.জিল্লুর রহমান জানান, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় যানবাহন ও যাত্রীর চাপ বেড়েছে। তবে জরুরি কাজে নিয়োজিত পরিবহনগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পার করা হচ্ছে এবং সে যানবাহনের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত ছোট গাড়িও পারাপার করা হচ্ছে। জরুরি কাজে নিয়োজিত পরিবহন ও যাত্রীবাহী বাস পারাপারের পর পণ্যবাহী ট্রাক সিরিয়াল অনুযায়ী পার করা হবে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুন:
চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার কাউন্সিলরের নামে স্ত্রী হত্যা মামলা
চাঁদাবাজির মামলায় কাউন্সিলর গ্রেপ্তার
‘অন্তরঙ্গ ছবি’ দিয়ে চাঁদাবাজি: দুজন রিমান্ডে
অস্ত্রের মুখে চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার আসামি
এতিমখানায় চাঁদাবাজির মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বোন নিহত

মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বোন নিহত

মানসিক ভারসাম্যহীন ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বোন নিহত। ছবি: নিউজবাংলা

নন্দীগ্রাম থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ জানান, মোকছেদ আলী মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাকে সব সময় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। শুক্রবার সকালে গোসল করানোর জন্য বড় বোন শিকল খুলে দেন। এ সময় মোকছেদ একটি লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। হাসপাতালে নেয়ার কিছুক্ষণ পর বোনের মৃত্যু হয়।

বগুড়ার নন্দীগ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় বোন নিহত হয়েছেন।

উপজেলার বুড়ইল বীরপলি গ্রামে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আজমি আরা একই গ্রামের সুমন মিয়ার স্ত্রী।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, ভাই মোকছেদ আলী মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় ৫ বছর ধরে আজমি আরার কাছে রয়েছে। মোকছেদকে সব সময় শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। শুক্রবার সকালে গোসল করানোর জন্য বড় বোন শিকল খুলে দিয়ে সংসারের কাজ করছিলেন।

এ সময় মোকছেদ একটি লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এতে আজমি গুরুতর আহত হন।

ওসি আরও জানান, তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করার কিছুক্ষণ পর মারা যান। ঘটনার পর মোকছেদ আলীকে ওই বাড়িতেই শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়।

ওই ঘটনায় নিহতের পরিবার কোনো অভিযোগ করবে না বলে পুলিশকে জানিয়েছে।

এ ছাড়া মোকছেদ মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাকে আটকও করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ওসি।

আরও পড়ুন:
চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার কাউন্সিলরের নামে স্ত্রী হত্যা মামলা
চাঁদাবাজির মামলায় কাউন্সিলর গ্রেপ্তার
‘অন্তরঙ্গ ছবি’ দিয়ে চাঁদাবাজি: দুজন রিমান্ডে
অস্ত্রের মুখে চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার আসামি
এতিমখানায় চাঁদাবাজির মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

হাঁসে হাসি; ডিম বিক্রির টাকায় সফল সাংবাদিক

হাঁসে হাসি; ডিম বিক্রির টাকায় সফল সাংবাদিক

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বিশাল মৎস্য ও হাঁসের খামার গড়ে তুলেছেন ইমন। ছবি: নিউজবাংলা।

ইমনের গড়ে তোলা খামার দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেও খামার তৈরির পরিকল্পনা করছেন নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সংরক্ষিত সদস্য লিপি বেগম। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইমন ভাইয়ের দেখাদেখি অন্যরা খামার দেয়ার চেষ্টা করতিছে। অনেকে দেখতে এসেও বুদ্ধি নিয়ে খামার দিচ্ছে। আমিও চিন্তে-ভাবনা করতিছি; একটা হাঁসের খামার দেব।’

উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন দৈনিক ভোরের ডাকের স্টাফ রিপোর্টার ইমরুল কাওছার ইমন। ২০১৯ সালে স্বল্প পরিসরে ‘খাকি ক্যাম্পেবেল’ জাতের হাঁস পালনের পরিকল্পনা করেন। তা বাস্তবায়নে করোনা মহামারির মাঝামাঝি সময়ে গড়ে তোলেন হাঁসের খামার।

হাঁসের ডিম বিক্রির ‍‍আয়ে ৪ একর জমির তিনটি পুকুরে তিনি এখন পরিকল্পিতভাবে চাষ করছেন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ। চার মাস পর পর মাছ বিক্রি থেকে আয় হচ্ছে প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকা।

ইমনের বাড়ি গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পশ্চিম খামার দশলিয়া গ্রামে। নিজস্ব জমিসহ কয়েক বিঘা জমি বর্গা নিয়ে মাছ চাষ ও হাঁসের খামার করেছেন তিনি। খামারে এক হাজার হাঁসের মধ্যে প্রতিদিন তিনি সাত থেকে আটশ ডিম সংগ্রহ করছেন। এই ডিম বিক্রির টাকায় হাঁস ও মাছের দৈনিক ছয় হাজার টাকার খাদ্যসহ শ্রমিকদের বেতন দিয়েও মাসে তার আয় হচ্ছে প্রায় লক্ষাধিক টাকা।

রাজধানী ঢাকায় সাংবাদিকতার পাশাপাশি নিজ এলাকায় গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বিশাল মৎস্য ও হাঁসের খামার গড়ে তুলেছেন ইমন। খামারে হাঁসের সংখ্যা হাজারেরও বেশি। সমন্বিতভাবে ১২ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করছেন দেশি-বিদেশী মাছ। দুই খামারে প্রতিদিন গড়ে খরচ হচ্ছে প্রায় ছয় হাজার টাকা। যার বেশিরভাগই আসে ডিম বিক্রির টাকা থেকে।

ছোট বেলা থেকেই ইমনের মন টানতো কৃষিতে। ভিন্ন বিষয়ে পড়ালেখা করেও কৃষিভিত্তিক কিছু একটা করার স্বপ্ন ছিল তার। ঢাকায় চারটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক এই তরুণ উদ্যোক্তা।

হাঁসে হাসি; ডিম বিক্রির টাকায় সফল সাংবাদিক

তবে তার একটা গল্প আছে। হঠাৎ বৈশ্বিক করোনা মহামারিতে তার চারটি প্রতিষ্ঠান যখন অন্ধকারে; ঠিক তখনই কৃষিতে সফলতা এসেছে তার। এই খামারই এখন তার টিকে থাকার প্রধান অবলম্বন।

বাণিজ্যিকভাবে হাঁস ও মাছ চাষের পাশাপাশি ইমরুল কাওছার ইমন ২০১৫ সালে ঢাকার গুলিস্থানে নিজের জমানো টাকা দিয়ে একটি ছোট্ট শার্ট তৈরির কারখানা শুরু করেন। তিন জন কর্মচারী নিয়ে শুরু হলেও বর্তমানে ৫০ জনের বেশি লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে তার কারখানায়। শান্তিনগরে একটি ট্রাভেল এজেন্সিও আছে। তাছাড়া ব্যবসার লাভের টাকায় বেশ কয়েকটি মাইক্রোবাস কিনে রাজধানীতে উবারেও চালান তিনি।

একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন ক্লাব ভিত্তিক টুর্নামেন্টসহ বাংলাদেশ জাতীয় দলের খেলোয়ারদের জার্সি ও গ্যালারিতে ব্র্যান্ডিংয়ের (বিজ্ঞাপন) কাজ করেও সফলতা পেয়েছেন তিনি।

তবে চলতি বছরের মার্চে এসে তার জীবনের হিসেব এলোমেলো হয়ে যায়। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রকোপে ক্ষতি শুরু হতে থাকে একের পর এক ব্যবসায়। লকডাউনে গার্মেন্টস-কারখানা বন্ধ। উবারের গাড়ির চাকাও ঘোরেনি। সারা বিশ্বে বিমান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় ট্রাভেল এজেন্সির ব্যবসা ও ক্রিকেট ব্র্যান্ডিংও বন্ধ হয়ে যায়।


ঠিক তখনই ইমরুল উপলব্ধি করতে পারেন, কয়েক বছরের চেষ্টার ফল করোনার এক ধাক্কায় স্থবির হয়ে গেল। এই হতাশার মধ্যে কৃষি ভিত্তিক কিছু করার পরামর্শ দেন তার সহধর্মিণী।

পরবর্তীতে সমন্বিতভাবে হাঁস ও মাছ চাষের পরিকল্পনা করেন ইমন। গুগল ও ইউটউব দেখে ও স্থানীয় খামারিদের কাছে পরামর্শ নিয়ে ‘হামিদা ডাক এন্ড ফিস ফার্ম’ গড়ে তোলেন। খামার দেখভাল করেন ছোট ভাই নাহিদ আনছারী।

হাঁসে হাসি; ডিম বিক্রির টাকায় সফল সাংবাদিক

তিনি বলেন, ‘আমরা এই খামারটি তৈরি করেছি মূলত আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে। তাছাড়া এই খামার করে আমরা লাভবানও হচ্ছি।’

স্থানীয়রা জানায়, ইমরুল কাওছার ইমনের খামারে চার-পাঁচ জন শ্রমিক রয়েছে। একটি পুকুরে এক পাশে চাষ করছেন তেলাপিয়া ও আরেক পাশে থাই জাতের পাংগাস। তার পাশে পানির উপরে বাঁশ ও টিন দিয়ে মাচা বানিয়ে হাঁসের খামার করেছেন।

এছাড়া আরেকটি পুকুরে চাষ হচ্ছে ভিয়েতনামী কই, হাইব্রিড সিং, বিদেশি মৃগেল, কালিবাউশ, মিরকার্প ও সরপুঁটি। অপরটিতে চাষ হচ্ছে দেশী মাছ। এর সবগুলোই বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে এই খামারে।

এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সংবাদকর্মী শাহিন মিয়া বলেন, ‘ইমন ঢাকায় সাংবাদিকতা করলেও এলাকার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন। মূলত বেকারদের কর্মমূখী করার চিন্তা থেকেই তার এই হাঁস ও মাছের খামার করা। এরই মধ্যে তার সফলতা দেখে আশেপাশে প্রায় ১০-১৫টি নতুন খামার সৃষ্টি হয়েছে।’

ইমনের গড়ে তোলা খামার দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেও খামার তৈরির পরিকল্পনা করছেন নলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সংরক্ষিত সদস্য লিপি বেগম। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ইমন ভাইয়ের দেখাদেখি অন্যরা খামার দেয়ার চেষ্টা করতিছে। অনেকে দেখতে এসেও বুদ্ধি নিয়ে খামার দিচ্ছে। আমিও চিন্তে-ভাবনা করতিছি; একটা হাঁসের খামার দেব।’

এ বিষয়ে খামারি ইমরুল কাওছার ইমন বলেন, ‘করোনা মহামারিতে সব ব্যবসায় বিশাল ক্ষতির মুখে পড়ি। এরপর গ্রামে কিছু করার চিন্তা থেকেই খামারের পরিকল্পনা করি।

সম্প্রতি খামারটি পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও গাইবান্ধা-৩ আসনের সংসদ সদস্য উম্মে কুলসুম স্মৃতি। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রজেক্টটি দেখে আমি অভিভূত। যুবকরা যে পারে, এটা তার দৃষ্টান্ত উদাহরণ।’

আরও পড়ুন:
চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তার কাউন্সিলরের নামে স্ত্রী হত্যা মামলা
চাঁদাবাজির মামলায় কাউন্সিলর গ্রেপ্তার
‘অন্তরঙ্গ ছবি’ দিয়ে চাঁদাবাজি: দুজন রিমান্ডে
অস্ত্রের মুখে চাঁদাবাজির ভিডিও ভাইরাল, গ্রেপ্তার আসামি
এতিমখানায় চাঁদাবাজির মামলায় সাংবাদিক গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন