আপত্তিকর ছবি, ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

আপত্তিকর ছবি, ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন আইনজীবী তাসমিয়া নুহিয়া আহমেদ। এতে সম্প্রতি অভিনেত্রী পরীমনি ও সাকলায়েনের ভিডিও, মুনিয়ার ভিডিওসহ ইতোপূর্বে প্রকাশ হওয়া আপত্তিজনক সব ধরনের ব্যক্তিগত ভিডিও অপসারণের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সব ধরনের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে চরিত্র হনন করে এমন ব্যক্তিগত আপত্তিজনক ছবি বা ভিডিও প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে রিট হয়েছে।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন আইনজীবী তাসমিয়া নুহিয়া আহমেদ। এতে সম্প্রতি অভিনেত্রী পরীমনি ও সাকলায়েনের ভিডিও, মুনিয়ার ভিডিওসহ ইতোপূর্বে প্রকাশ হওয়া আপত্তিজনক সব ধরনের ব্যক্তিগত ভিডিও অপসারণের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।

রিটে বিবাদী করা হয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, তথ্যসচিব, টেলিকমিউনিকেশন সচিবকে।

রিটটি বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী তাসমিয়া নুহিয়া।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি কিছু ব্যক্তিকে নির্দিষ্টভাবে টার্গেট করে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়েছে। যেখানে মূলধারার গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি, ভিডিও প্রকাশ করছে। এতে বিশেষ করে নারীদের চরিত্র টার্গেট করা হচ্ছে।

‘সম্প্রতি পরীমনি, কলেজছাত্রী মুনিয়াসহ অনেকের ব্যক্তিগত ভিডিও প্রকাশ হয়েছে, যা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এবং তাদের চরিত্র হরণ করার জন্যই করা হয়েছে। এসব বিষয় যুক্ত করে আমরা ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য আদালতে আবেদন করেছি।’

আরও পড়ুন:
সেই দুই শিশুকে হোটেলে রাখতে হাইকোর্টে বাবা
এসপি তানভীরকে সতর্ক করে ক্ষমা
দুদকের কাজ শুধু টাকা উদ্ধার নয়: হাইকোর্ট
জাপানি শিশুদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারেই রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
জাপানি নারীর দুই সন্তানকে হাইকোর্টে হাজিরের আবেদন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এবার ৩ শিক্ষকের করোনায় বন্ধ স্কুল

এবার ৩ শিক্ষকের করোনায় বন্ধ স্কুল

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার চিড়াভিজা গোলনা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধান শিক্ষক আল হাসান জায়েদ নওরোজি জানান, করোনা উপসর্গ দেখা দেয়ায় বুধবার সহকারী শিক্ষক সুশান্ত কুমার ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দেন। পরীক্ষায় তার করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরদিন অন্য দুই শিক্ষক নমুনা দিলে তাদেরও করোনা শনাক্ত হয়।

বেশ কয়েকটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় ক্লাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এবার একটি স্কুলে তিন শিক্ষকের ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার খবর মিলেছে। সেই স্কুলেও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ক্লাস।

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার চিড়াভিজা গোলনা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন বলে শুক্রবার নিশ্চিত করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার ভৌমিক। সব শিক্ষক-কর্মচারীদের করোনা পরীক্ষার জন্য দুই দিন বিদ্যালয়টি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

দেশে করোনা সংক্রমণ কিছুটা কমে আসায় দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে। এরপর বিভিন্ন জেলায় বেশ কয়েকটি বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

সবশেষ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঁচ শিশু শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত হয়েছে। বুধবার করোনা আক্রান্তের বিষয়টি জানার পর বিদ্যালয়টির দুই শ্রেণিতে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

এ ছাড়া গোপালগঞ্জে ২১ সেপ্টেম্বর পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত হওয়ার পর ওই শ্রেণিতে পাঠদান বন্ধ করে দেয়া হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর একই জেলায় তৃতীয় শ্রেণির আরেক শিক্ষার্থীর করোনা শনাক্ত হয়। আর মানিকগঞ্জে করোনা উপসর্গে বুধবার মৃত্যু হয়েছে অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর।

শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের করোনা সংক্রমিত হওয়া নিয়ে সরকার অবশ্য বলছে, তারা যে স্কুল থেকেই সংক্রমিত হচ্ছে এমন কোনো প্রমাণ নেই।

শুক্রবার চট্টগ্রামে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘স্কুলে এসেই যে শিক্ষার্থীরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে, তার সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সুনির্দিষ্ট কিছু জায়গায় দেখেছি, শিক্ষার্থীরা করোনা আক্রান্ত হয়েছে। আমরা সেখানে ব্যবস্থা নিয়েছি।’

নীলফামারীতে আক্রান্ত তিন শিক্ষক হলেন সুশান্ত কুমার রায়, রমিজুল ইসলাম ও আব্দুল জলিল। তারা নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন। তিন শিক্ষকই করোনা প্রতিরোধী টিকার দুই ডোজ নিয়েছিলেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আল হাসান জায়েদ নওরোজি জানান, করোনা উপসর্গ দেখা দেয়ায় বুধবার সহকারী শিক্ষক সুশান্ত কুমার ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নমুনা দেন। পরীক্ষায় তার করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরদিন অন্য দুই শিক্ষক নমুনা দিলে তাদেরও করোনা শনাক্ত হয়।

এই পরিস্থিতিতে শনিবার ও রোববার বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানান প্রধান শিক্ষক।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা চঞ্চল কুমার ভৌমিক বলেন, ‘যেহেতু তিন শিক্ষক আক্রান্ত হয়েছেন, সে কারণে অন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের নমুনা পরীক্ষার জন্য দুদিন বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

‘পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সোমবার থেকে ক্লাশ শুরু হবে। করোনা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
সেই দুই শিশুকে হোটেলে রাখতে হাইকোর্টে বাবা
এসপি তানভীরকে সতর্ক করে ক্ষমা
দুদকের কাজ শুধু টাকা উদ্ধার নয়: হাইকোর্ট
জাপানি শিশুদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারেই রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
জাপানি নারীর দুই সন্তানকে হাইকোর্টে হাজিরের আবেদন

শেয়ার করুন

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৯ রোগী

ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে আরও ১৮৯ রোগী

ডেঙ্গু আক্রান্ত ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তির পর সেবা করছেন মা। ফাইল ছবি

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গুতে চলতি বছর ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত সাত মাসে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগস্টে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়।

দেশে ডেঙ্গু নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরও ১৮৯ জন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৮৯৪ জনে। মারা গেছে ৫৯ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য জানায়।

কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় শুধু ঢাকা বিভাগের হাসপাতালেই ভর্তি হয়েছে ১৬৪ রোগী। এ ছাড়া অন্য বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছে ২৫ জন।

এ বছর ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১৬ হাজার ৮৯৪ জনের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছে ১৫ হাজার ৭৮৭ জন। বর্তমানে ভর্তি রয়েছে ১ হাজার ৪৮ জন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৪১টি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে ৮২৭ ডেঙ্গু রোগী।

রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, ডেঙ্গুতে চলতি বছর ৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে গত সাত মাসে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগস্টে ৩৪ জনের মৃত্যু হয়।

চলতি মাসে ১৩ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ সময়ের মধ্যে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬ হাজার ৫৩৮ জন।

২১ বছর ধরে দেশে ডেঙ্গুর সার্বিক বিষয় নিয়ে তথ্য জানাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২০১৯ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ মারাত্মক আকার ধারণ করে। ওই বছর ১ লাখের বেশি মানুষ ডেঙ্গু শনাক্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে মারা যায় ১৪৮ জন। ডেঙ্গুতে এত মৃত্যু আর কখনও দেখেনি দেশ।

তবে চলতি বছরের ৯ মাসেই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারিয়েছে ৫৯ জন, যার হার ২০ বছরে সর্বোচ্চ। ২০১৯ সালে ডেঙ্গু ভয়ংকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করলেও করোনা মহামারির মধ্যে ২০২০ সালে ডেঙ্গু তেমন প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে এবার উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী।

আরও পড়ুন:
সেই দুই শিশুকে হোটেলে রাখতে হাইকোর্টে বাবা
এসপি তানভীরকে সতর্ক করে ক্ষমা
দুদকের কাজ শুধু টাকা উদ্ধার নয়: হাইকোর্ট
জাপানি শিশুদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারেই রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
জাপানি নারীর দুই সন্তানকে হাইকোর্টে হাজিরের আবেদন

শেয়ার করুন

লাশ থাকুক আর না থাকুক, চন্দ্রিমায় কবর নয়: মন্ত্রী

লাশ থাকুক আর না থাকুক, চন্দ্রিমায় কবর নয়: মন্ত্রী

রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধি। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘চদ্রিমা উদ্যানে লাশ থাকুক আর না থাকুক কারও কবর এখানে থাকতে পারবে না।… বঙ্গবন্ধুর খুনি, স্বাধীনতাবিরোধীদের কবর মহান জাতীয় সংসদ চত্বরে থাকতে পারে না।’

চন্দ্রিমা উদ্যানে কোনো কবর থাকবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

শুক্রবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটি আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এমন কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘চন্দ্রিমা উদ্যানে লাশ থাকুক আর না থাকুক কারও কবর এখানে থাকতে পারবে না।… বঙ্গবন্ধুর খুনি, স্বাধীনতাবিরোধীদের কবর মহান জাতীয় সংসদ চত্বরে থাকতে পারে না।’

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থলে তার মরদেহ নেই বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তব্য রাখার পর এই বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা পরস্পরকে আক্রমণ করে বক্তব্য রাখছেন।

এর মধ্যে সরকারের পুরনো একটি পরিকল্পনা সামনে এসেছে। জাতীয় সংসদ ভবন প্রখ্যাত স্থপতি লুই আই কানের নকশায় ফেরানো।

এই নকশায় কোনো সমাধিস্থল ছিল না। আর এটি করতে হলে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবনও সরাতে হবে।

জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থল ছাড়াও স্বাধীনতাবিরোধী নেতা খান এ সবুর এবং আরও একজন অজানা মানুষের কবর রয়েছে। এগুলো সরানোর দাবিও আছে।

মেয়র কথা বলছিলেন ‘ঢাকা শহরের জলাবদ্ধতা: সমস্যা ও প্রতিকার’ বিষয়ে।

তিনি বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে এদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। বাংলার মানুষ মুক্তি পেয়েছে। তার কবর থাকবে টুঙ্গিপাড়ায় আর পাকিস্তানিদের দোসর যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, ৩০ লাখ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা ও দুই লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রম নষ্ট করেছে, তাদের কবর জাতীয় সংসদসহ গৌরবোজ্জ্বল জায়গায় থাকতে পারে না। এগুলো আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ করে।’

জিয়াউর রহমানকে জাতির পিতার খুনি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এ কথা ধ্রুব সত্য। তাকে খুনি প্রমাণ করার জন্য সকল ধরনের দলিলাদি রয়েছে। রাষ্ট্রপতিকে নিরাপত্তা প্রদানের দায়িত্ব নিশ্চিত করার কথা ছিল জিয়াউর রহমানের। কিন্তু তিনি তা না করে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সব ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করে পরিকল্পিতভাবে জাতির পিতাকে হত্যা করেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ও স্বাধীনতার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য তখনই বাস্তবায়ন করতে পারব যখন এসব কুলাঙ্গারদের কবর জাতীয় মর্যাদাপূর্ণ স্থান থেকে অপসারণ করতে পারব।’

জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা অবান্তর বলে উল্লেখ করেন তাজুল ইসলাম। বলেন, ‘স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়ার অধিকার বাঙালি জাতি একমাত্র বঙ্গবন্ধুকেই দিয়েছে। আর কেউ স্বাধীনতার ঘোষক হতে পারে না, সুযোগও নেই। মুখে ঘোষণা করলেই স্বাধীনতার ঘোষক হওয়া যায় না।’

মন্ত্রী বলেন, ‘ওয়াসার যদি কোন রকম অব্যবস্থাপনা থাকে, যদি সেখানে কোনো দুর্নীতি থাকে, তাহলে এটা আমরা চিহ্নিত করব। তাদের দুর্নীতির তথ্য থাকলে দেন, হাইপোথেটিক্যাল তথ্য দিয়ে তো লাভ হবে না।’

ঢাকাকে দৃষ্টিনন্দন শহরে রূপান্তর করতে নতুন নতুন প্রকল্প হাতে নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শহরের প্রত্যেকটি খালের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে। খালের দুই পাড়ে বাঁধ দিয়ে ওয়াকওয়ে তৈরি করা হবে। একই সঙ্গে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতায় থাকা খালগুলো শিগগির সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ-কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হোসেন মনসুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উত্তর সিটি করপোরেশনের আতিকুল ইসলাম।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর সবুর। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বুয়েটের অধ্যাপক মফিজুর রহমান।

আরও পড়ুন:
সেই দুই শিশুকে হোটেলে রাখতে হাইকোর্টে বাবা
এসপি তানভীরকে সতর্ক করে ক্ষমা
দুদকের কাজ শুধু টাকা উদ্ধার নয়: হাইকোর্ট
জাপানি শিশুদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারেই রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
জাপানি নারীর দুই সন্তানকে হাইকোর্টে হাজিরের আবেদন

শেয়ার করুন

আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র

আরও ৬ বিভাগে বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র

বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন ঢাকা। ছবি: সংগৃহীত

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শিগগির খুলনাসহ আরও ৬ বিভাগীয় শহরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হবে। অন্যান্য জেলা এবং খুলনাতেও সিনেপ্লেক্সসহ তথ্য কমপ্লেক্স হবে।’

দেশের আরও ছয় বিভাগীয় শহরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপনের কথা জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

খুলনায় শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শিগগির খুলনাসহ আরও ৬ বিভাগীয় শহরে বাংলাদেশ টেলিভিশনের পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র স্থাপিত হবে। অন্যান্য জেলা এবং খুলনাতেও সিনেপ্লেক্সসহ তথ্য কমপ্লেক্স হবে।

‘বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে দেশে যে চলচ্চিত্রশিল্পের যাত্রা, তাকে নতুন জীবন দিতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া খুলনা নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি এ অঞ্চলের পত্রিকাগুলোর স্বার্থে আবার চালুর জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।’

বাংলাদেশ টেলিভিশনের বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামে দুটি পূর্ণাঙ্গ সম্প্রচার কেন্দ্র রয়েছে। বিভাগীয় শহরগুলোতেও সম্প্রচার কেন্দ্র করা হলে এর সংখ্যা হবে আটটি।

এ সময় রাজনৈতিক নানা ইস্যুতেও কথা বলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে যারা জনগণের ভোট ও রায়ের ওপর নির্ভর করে, তাদের জন্য নির্বাচন বর্জন আত্মহনের মতো সিদ্ধান্ত, কিন্তু যারা পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়, তারা নির্বাচন বর্জন করতে পারে।

‘পত্রিকায় দেখলাম বিএনপি নাকি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবে না। ২০১৪ সালে বিএনপি নির্বাচনে যায়নি, কিন্তু নির্বাচন হয়েছে এবং দেশে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। ২০১৮ সালেও বিএনপি নির্বাচনে যাবে-যাবে না করে গাধার জল ঘোলা করে খাওয়ার মতো শেষে গেছে। তাই তাদের এ সিদ্ধান্তই থাকবে কিনা জানি না, কিন্তু বিএনপির জন্য এ সিদ্ধান্ত আত্মহননমূলক। অবশ্য বিএনপির সবসময় পেছনের দরজাটাই পছন্দ।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতি মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত। গত সাড়ে ১২ বছর ধরে তাদের রাজনীতিটা ছিল জনগণের বিপক্ষে।

‘জনগণের ওপর পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করা, হরতাল-অবরোধের নামে জনগণকে বন্দী করে রাখা এসবের মধ্যেই বিএনপির রাজনীতিটা সীমাবদ্ধ ছিল। এ কারণে প্রতিনিয়ত তারা জনগণ থেকে দূরে সরে গেছে এবং এই প্রেক্ষাপটে তারা সিরিজ বৈঠক করেছে। তাদের উচিত জনগণের সঙ্গে বৈরিতার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা।’

আরও পড়ুন:
সেই দুই শিশুকে হোটেলে রাখতে হাইকোর্টে বাবা
এসপি তানভীরকে সতর্ক করে ক্ষমা
দুদকের কাজ শুধু টাকা উদ্ধার নয়: হাইকোর্ট
জাপানি শিশুদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারেই রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
জাপানি নারীর দুই সন্তানকে হাইকোর্টে হাজিরের আবেদন

শেয়ার করুন

বাদী, বিবাদীই তো মিলাইতে পারতেছি না: মেয়র জাহাঙ্গীর

বাদী, বিবাদীই তো মিলাইতে পারতেছি না: মেয়র জাহাঙ্গীর

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। ছবি: নিউজবাংলা

এখন মামলার ব্যবস্থা নিতাছি, এখন বাদী, বিবাদী কে এটাই তো মিলাইতে পারতেছি না। কে এটা করছে? আমি তো ছিলাম দেশের বাইরে। আসছি কালকে। আর আমাদের যারা আছে তারা সবাই এটা নিয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সহযোগিতা চাইব, বলব কারা এটা করেছে, বাইর কইরা দিতে।

গাজীপুরে একটি ঘরোয়া আয়োজনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর তুমুল সমালোচনার মুখে পড়া মেয়র জাহাঙ্গীর আলম একে বানোয়াট ও দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলে চাপ কমাতে চাইছেন।

তবে মেয়র নিউজবাংলাকে বলেছেন, মামলা কার বিরুদ্ধে করবেন, সেটি তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না।

এই ঘটনাটি নিয়ে তিন দিন ধরে উত্তপ্ত গাজীপুর। নিজ দলের একাংশ জাহাঙ্গীরের শাস্তি চেয়ে রাজপথে সোচ্চার।

বিরোধীরা যখন শক্তি প্রদর্শন করছে, সে সময় জাহাঙ্গীর ছিলেন ভারতে। দেশে ফিরে তিনি নিজেও দিলেন সমাবেশের ডাক। তাও দুই পক্ষের অবস্থান পাশাপাশি। সংঘর্ষের আশঙ্কায় মোতায়েন হয় পুলিশ, অবস্থান নেয় জলকামানও।

তবে শুক্রবার দুই পক্ষের পাশাপাশি এই সমাবেশ ডাকাকে কেন্দ্র করে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তেমন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হলেও বিরোধী এক নেতাকে পুলিশ সরিয়ে নেয়ার পর তার অনুসারীরাও ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয় সব আয়োজন।

বাদী, বিবাদীই তো মিলাইতে পারতেছি না: মেয়র জাহাঙ্গীর
মেয়র জাহাঙ্গীরের অনুসারীদের ডাকা সমাবেশ

সমাবেশের আগে মেয়র কথা বলেছেন নিউজবাংলার সঙ্গে। তবে সামনাসামনি নয়, ফোনে।

যা বলেছেন মেয়র জাহাঙ্গীর

নিউজবাংলা: আমরা যে কনভার্সেশন অনলাইনে পাচ্ছি, সেখানে বোঝা যাচ্ছে দুইজন লোক কথা বলছেন। একজন আপনার কণ্ঠ শোনা যাচ্ছে। আরেকজন সম্ভবত আপনারই কেউ ঘনিষ্ঠ। আপনি কি চিহ্নিত করেছেন কে এটা করেছে?

এটা আমার যেটা আমি শুনতেছি এটা আমার কণ্ঠ না, বুঝছেন?

নিউজবাংলা: আসলে কীভাবে ফাঁস হলো বলে আপনার ধারণা?

এইগুলা তো দেখা যায় সব বানাইছে বুঝছেন? নিউজটা বানাইছে। আমরা অনেক সময় মাইকে বলি না, ৩০ লক্ষ লোক শহীদ হইছে।

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যখন দেশ স্বাধীন হইল, তখন কিন্তু বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগারে।

জামায়াত এবং যারা ওই সময় ছিল রাজাকার, আলবদররা ৩০ লক্ষ লোকরে শহীদ করছে। এই ৩০ লক্ষ টার ‘র’ টারে বাদ দিছে। বুঝছেন?

নিউজবাংলা: জি জি।

এরা দিয়া দিয়া দিছে বঙ্গবন্ধু মারাইছে। এটা লেখছে।

নিউজবাংলা: আচ্ছা

এডিট করে দিছে।

নিউজবাংলা: আপনি বলছেন, একটা পক্ষ উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভিডিওটি ছড়িয়েছে এবং আপনি যখন দেশের বাইরে সে সময়টা হচ্ছে গিয়ে এইটা ঘটানো হয়েছে। আপনি মামুন সাহেবকে (৩৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মামুন মণ্ডল) উদ্দেশ করে করে আলোচনা করছিলেন। আপনার সঙ্গে যিনি কথা বলছিলেন, তিনি বারবার বলছিলেন মামুনকে নিয়ে কথা বলার জন্য। এটা কি মামুনসংশ্লিষ্টদের কাজ বলে মনে হয়?

মূলত যারা যারা, আসলে নাম নিতে পারতেছি না, যারা বিপজ্জনক পরিস্থিতি করতে চায়, গত…

নিউজবাংলা: বুঝতে পারছি। এখন আপনি এটার বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা নেবেন?

এখন মামলার ব্যবস্থা নিতাছি, এখন বাদী, বিবাদী কে এটাই তো মিলাইতে পারতেছি না। কে এটা করছে? আমি তো ছিলাম দেশের বাইরে। আসছি কালকে। আর আমাদের যারা আছে তারা সবাই এটা নিয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমরা যেকোনো মূল্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সহযোগিতা চাইব, বলব কারা এটা করেছে, বাইর কইরা দিতে।

নিউজবাংলা: আপনি বোর্ডবাজারে একটি কর্মসূচি ডেকেছেন। আপনার যে প্রতিপক্ষ, তারাও কর্মসূচি ডেকেছে। এতে কি কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে বলে আপনার মনে হয়?

না, সাংঘর্ষিক অবস্থা তো আমাদের কর্মসূচি না। এখানে নেত্রী যেটা অ্যাওয়ার্ড পাইছে, সেটা আমাদের জন্য বড় একটা অর্জন।

নিউজবাংলা: এটা দেশের জন্য একটা সম্মান।

যারা সাংঘর্ষিক কিছু করবে তারা নেত্রীর ভালো চায় না, দেশের ভালো চায় না বা আওয়ামী লীগের ভালো চায় না।

আরও পড়ুন:
সেই দুই শিশুকে হোটেলে রাখতে হাইকোর্টে বাবা
এসপি তানভীরকে সতর্ক করে ক্ষমা
দুদকের কাজ শুধু টাকা উদ্ধার নয়: হাইকোর্ট
জাপানি শিশুদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারেই রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
জাপানি নারীর দুই সন্তানকে হাইকোর্টে হাজিরের আবেদন

শেয়ার করুন

ইয়াবা ফেলে মিয়ানমারে পালিয়েছে চোরাকারবারিরা

ইয়াবা ফেলে মিয়ানমারে পালিয়েছে চোরাকারবারিরা

উদ্ধারকৃত ইয়াবাসহ বিজিবি সদস্যরা

কয়েকজন ইয়াবা কারবারি হেঁটে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশের দিকে আসতে দেখলে টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে।

কক্সবাজারে ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

কক্সবাজার ব্যাটালিয়ন (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক আলী হায়দার আজাদ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের ঘুমধুম বিওপির সদস্যরা জানতে পারেন, কিছু ইয়াবা কারবারি বিপুল পরিমাণ ইয়াবা নিয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করব‌ে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে তিনটায় ঘুমধুম বিওপির একটি টহল দল কক্সবাজার উখিয়া ৪ নং রাজাপালং ইউপির উখিয়া হিন্দুপাড়া এলাকায় অবস্থান নেয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘কয়েকজন ইয়াবা কারবারি হেঁটে সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশের দিকে আসতে দেখলে টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করে। পরে তারা ব্যাগ ফেলে দৌড়ে মিয়ানমারের দিকে পালিয়ে যায়। টহল দল ঘটনাস্থল থেকে লুঙ্গি দিয়ে মোড়ানো ব্যাগ তল্লাশি করে আনুমানিক ১ লাখ ৫০ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা উদ্ধার করে।’

এ ব্যাপারে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় গত ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত চোরাচালান ও মাদকবিরোধী অভিযানে ৩৭ লাখ ৮১ হাজার ৭২ পিস ইয়াবাসহ ১৮৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) টহল দল।

আরও পড়ুন:
সেই দুই শিশুকে হোটেলে রাখতে হাইকোর্টে বাবা
এসপি তানভীরকে সতর্ক করে ক্ষমা
দুদকের কাজ শুধু টাকা উদ্ধার নয়: হাইকোর্ট
জাপানি শিশুদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারেই রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
জাপানি নারীর দুই সন্তানকে হাইকোর্টে হাজিরের আবেদন

শেয়ার করুন

পদ্মার ভাঙন, স্কুল মুহূর্তে বিলীন

পদ্মার ভাঙন, স্কুল মুহূর্তে বিলীন

পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে রাজবাড়ী সদরের চর সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছবি: নিউজবাংলা

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপনির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অংকুর বলেন, ‘চর সিলিমপুরে হঠাৎ ভাঙনে স্কুলসহ সিসি ব্লকের ১০০ মিটার নদীতে বিলীন হয়েছে। আমরা সকাল থেকেই ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ ফেলে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

রাজবাড়ীতে পদ্মার ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে চর সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে স্কুলসহ ১০০ মিটার এলাকা মুহূর্তে নদীতে বিলীন হয়ে যায়। ঝুঁকিতে রয়েছে পদ্মাপাড়ের শতাধিক স্থাপনা। এর মধ্যে বসতভিটা, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ রয়েছে স্কুল ও মসজিদ।

জেলা শহর থেকে তিন কিলোমিটার দূরে চর সিলিমপুর গ্রাম। গ্রামের শিশুদের লেখাপড়ার একমাত্র ভরসা চর সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তাও নদীতে বিলীন হয়েছে।

স্থানীয় সিরাজ ফকির বলেন, ‘বেলা ১১টার দিকে হঠাৎ ভাঙন শুরু হয়। স্কুল নদীতে চলে গেছে। আমাগো বাড়ি নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। কখন নদীতে ভেঙে যায়।’

৬০ বছর বয়সি রাশিদা বেগম বলেন, ‘আমার সব শেষ অইয়া যাইবো এইবার। এর আগে আরও দুইবার বাড়ি সরাইয়ে এহানে আয়ছিলাম। এইবারও মনে অয় চইলা যাবি গাংগে। আমার তো ছোট্ট একটা ঘর ছাড়া কিচ্ছুই নাই। আমি কনে যাবো।’

চর সিলিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র রনি জানায়, তার বাড়ি এই স্কুলের পাশেই। সে এই স্কুলে পড়ত। এখন সে কোথায় পড়বে। তার বাড়িটাও আছে ভাঙন ঝুঁকিতে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইমান আলী ফকির নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্কুল নদীতে চলে গেছে। আমি এখন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। এই স্কুলে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ১০৮ শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে।’

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপনির্বাহী প্রকৌশলী আরিফুর রহমান অংকুর বলেন, ‘চর সিলিমপুরে হঠাৎ ভাঙনে স্কুলসহ সিসি ব্লকের ১০০ মিটার নদীতে বিলীন হয়েছে। আমরা সকাল থেকেই ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ ফেলে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
সেই দুই শিশুকে হোটেলে রাখতে হাইকোর্টে বাবা
এসপি তানভীরকে সতর্ক করে ক্ষমা
দুদকের কাজ শুধু টাকা উদ্ধার নয়: হাইকোর্ট
জাপানি শিশুদের ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারেই রাখার নির্দেশ হাইকোর্টের
জাপানি নারীর দুই সন্তানকে হাইকোর্টে হাজিরের আবেদন

শেয়ার করুন