× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বাংলাদেশ
সাহসী তরুণ ষাঁড় ও কাকের গল্প
google_news print-icon

সাহসী তরুণ, ষাঁড় ও কাকের গল্প

সাহসী-তরুণ-ষাঁড়-ও-কাকের-গল্প

সে অনেক অনেক আগের কথা।

কতো আগের?

পৃথিবীতে মানুষের আগমনের কিছুদিন পরের!

আসলে তখন পৃথিবী নতুন।

পৃথিবীর মানুষও নতুন।

তখন পৃথিবীর সব কাক ছিলো তুষারের মতো সাদা।

মানুষের ঘোড়া ছিলো না।

ছিলো না আগ্নেয়াস্ত্র।

মানুষ তখন খাবারের জন্য বন্য ষাঁড় শিকার করতো।

বড় বড় ষাঁড় হেঁটে যাওয়ার পথে পাথরের বল্লম দিয়ে তাদের শিকার করতো।

যদিও এই কাজ ছিলো খুবই কঠিন, অনিশ্চিত এবং বিপজ্জনক।

তখন কাকেরা মানুষের সেই বিপজ্জনক কাজকে আরও দুঃসাধ্য করে তুলতো।

কারণ তারা ছিলো ষাঁড়দের বন্ধু।

শস্যভূমির উপর দিয়ে ওড়ার সময় তারা নিচের সবকিছু দেখতো।

যখনই তারা দেখতো ষাঁড়ের পালের দিকে শিকারিরা এগিয়ে আসছে তখনই তারা উড়ে গিয়ে ষাঁড়ের দুই শিংয়ের ওপর বসে হুঁশিয়ার করে বলতো, 'ভাইয়েরা, শিকারি আসছে।

ওই পাহাড়ের পেছনের নালা দিয়ে হামাগুড়ি দিয়ে এগোচ্ছে।

সাবধান!'

এই শুনে ষাঁড়ের পাল ঊর্ধ্বশ্বাসে পালিয়ে যেতো।

আর মানুষ শিকার না পেয়ে বাড়ি ফিরে যেতো।

এভাবে অনেকদিন কেটে গেলো।

একদিন সব মানুষ মিলে সভা ডাকলো।

কী করা যায় সিদ্ধান্ত নিতে চাইলো তারা।

প্রবীণ জ্ঞানী এক নেতাও এলেন।

তিনি পরামর্শ দিলেন, 'সবার আগে আমাদের ওই বড় কাকটিকে ধরতে হবে।

যে তাদের নেতা।

তোমরা হয় ওই কাকটাকে ধরো, নয় তো ক্ষুধার্ত থাকো।'

সবাই প্রবীণের কথা মেনে নিলো।

কাক ধরার দায়িত্ব নিলো এক টগবগে তরুণ।

সে অনেক বড় মাথা এবং শিংসহ একটা ষাঁড়ের চামড়া নিয়ে এলো।

তারপর চুপি চুপি ষাঁড়ের ছদ্মবেশে ঘাস খাওয়ার ভান করে হামাগুড়ি দিয়ে ষাঁড়ের পালে ঢুকে গেলো।

ষাঁড়গুলো ভেবেছিলো, সে তাদেরই একজন।

এভাবেই সে সাদা কাক নেতাকে ধরতে ফন্দি আঁটতে থাকলো।

বড়, লোমশ জন্তুগুলো তার দিকে মনোযোগ দিলো না।

এরপর শিকারিরা তাদের শিবির থেকে ধনুক প্রস্তুত করে এগোতে থাকলো।

তারা পশুপালের কাছাকাছি পৌঁছামাত্রই কাকেরা আগের মতোই উড়ে এসে ষাঁড়দের সাবধান করতে থাকলো, 'ভাইয়েরা শিকারি তোমাদের দিকে আসছে।

তাদের তীর থেকে সাবধান।’

এই শুনে আগের মতোই সব ষাঁড় ঊর্ধ্বশ্বসে পালিয়ে গেলো।

কিন্তু শুধু লোমশ চামড়ার ছদ্মবেশে থাকা সেই তরুণ শিকারি আগের মতোই ঘাস খেতে থাকার অভিনয় করতে থাকলো।

তখন সেই বিশাল সাদা কাক ধীরে ধীরে নিচে নেমে এলো।

শিকারির কাঁধে বসে ডানা ঝাপটাতে ঝাপটাতে বললো, 'আরে ভাই তুমি কি শুনতে পাও না?

শিকারিরা খুব কাছে চলে এসেছে, পাহাড়ের ওপরে। নিজেকে বাঁচাও!'

সাহসী তরুণটি ষাঁড়ের চামড়ার ভেতর থেকে বের হয়ে এলো এবং কাকের পা ধরে ফেললো।

একটি পুরনো নোংরা চামড়ার সুতোর এক প্রান্ত দিয়ে কাকের পা বেঁধে ফেললো এবং অন্য প্রান্ত পাথরে আটকে দিলো।

অনেক চেষ্টা করেও কাকটি ছুটতে পারলো না।

এরপর মানুষরা আবার সভায় বসলো।

'এই বিশাল পাজি কাককে আমরা কী করবো?

দিনের পর দিন যে আমাদের ক্ষুধার্ত রেখেছিলো।'

একজন রাগি শিকারি বললো, 'আমি ওকে পুড়িয়ে ফেলবো।'

কেউ তাকে থামানোর আগেই শিকারির হাত থেকে সে কাকটিকে ছিনিয়ে আগুনে ছুড়ে মারে।

পাথর ছুড়তে থাকে।

সে বলে, 'এটা তোমার উচিত শিক্ষা।'

তবে যে চামড়ার তার দিয়ে কাকের পা বাঁধা হলো তার এক পাশ পুড়ে যাওয়ায় বিশাল সেই কাক উড়ে চলে যেতে পারলো।

কিন্তু কাকটির উপরিভাগ ঝলসে গেলো।

প্রায় নিচের দিকের অর্ধেক পালকও পুড়ে গেলো।

যদিও সে ছিলো অনেক বড়।

এতে সে আর সাদা রইলো না।

সে যতো তাড়াতাড়ি সম্বব উড়ে চলে গেলো।

আর কেঁদে কেঁদে বললো, 'আমি জীবনে আর এমন করবো না।

প্রতিজ্ঞা করছি, কোনো কাক আর কখনও ষাঁড়দের সাবধান করবে না।'

সেদিন কাকটি কোন রকমে পালিয়ে যেতে পারলেও সেই থেকে কাকেরা কালো হয়ে গেলো।

আরও পড়ুন

বাংলাদেশ
World No Tobacco Day celebrated in Ashtagram of Kishoreganj

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপিত

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস উদযাপিত ছবি: নিউজবাংলা২৪.কম

কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে 'বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস, ২০২৬' উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে সোমবার (২২ জুন) সকালে উপজেলা সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন মিলনায়তনে র‌্যালি ও এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিলভিয়া স্নিগ্ধার সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার আমিনুল ইসলাম। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ সরকার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মজনু মিয়া, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, বাঙালপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান রুস্তম উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি নজরুল ইসলাম সাগর সহ উপজেলার বিভিন্ন স্তরের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা তামাকের ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরেন এবং তামাকমুক্ত সমাজ গঠনে সরকারি-বেসরকারি সকল স্তরের মানুষকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ
Public counting of money for the first time in 700 years at Shahjalal RA shrine

শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৭০০ বছরে প্রথমবার প্রকাশ্যে অর্থ গণনা

শাহজালাল (রহ.) মাজারে ৭০০ বছরে প্রথমবার প্রকাশ্যে অর্থ গণনা ছবি: সংগৃহীত

সিলেটের আধ্যাত্মিক রাজধানী হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে দীর্ঘ ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে দানের টাকা গণনা করার এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সোমবার (২২ জুন) দুপুর আড়াইটা থেকে মাজার প্রাঙ্গণে রক্ষিত সিল করা ডেকচিগুলোর ঢাকনা খুলে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অর্থ গণনা প্রক্রিয়া উদ্বোধন করা হয়।

সিলেট জেলা প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত এই ঐতিহাসিক উদ্যোগে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় মাদরাসা শিক্ষার্থীরা। টাকা গণনার সময় জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্যকে মাজার এলাকায় সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। নজিরবিহীন এই দৃশ্য দেখার জন্য মাজার প্রাঙ্গণে উৎসুক জনতা ও ভক্তদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

প্রত্যাহারকৃত জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের এমন স্বচ্ছ ও সাহসী পদক্ষেপকে সিলেটের সর্বস্তরের মানুষ স্বাগত জানিয়েছেন। গণনার খবরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি অনেকেই সারওয়ার আলমকে সিলেটের জেলা প্রশাসক পদে বহাল রাখার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, সোমবার দুপুরে দরগাহ মসজিদে নামাজ আদায়ের পর জেলা প্রশাসক মাজারের জামেয়া ও এতিমখানা অফিসে অবস্থান নেন এবং তাঁর উপস্থিতিতেই এই স্বচ্ছতার কার্যক্রম শুরু হয়।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, গণনা শেষে সংগৃহীত দানের মোট অর্থের পরিমাণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। এরপর সেই অর্থ ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়রা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় পূর্বের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। এই ঘটনাটি সিলেটের ধর্মীয় ও প্রশাসনিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
5 top terrorists of Khulna arrested in Dhaka with weapons

খুলনার ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসী অস্ত্র-গুলিসহ ঢাকায় গ্রেপ্তার

খুলনার ৫ শীর্ষ সন্ত্রাসী অস্ত্র-গুলিসহ ঢাকায় গ্রেপ্তার ছবি: সংগৃহীত

খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে খুলনার চিহ্নিত সন্ত্রাসী 'বি' কোম্পানির পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে।

এ সময় তাদের স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলভার এবং দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

আজ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ পুলিশ কমিশনার (ডিবি মোঃ আসাদুজ্জামান।

তিনি বলেন, খুলনা মহানগরীতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পাওয়ায় জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছিল। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অস্ত্রধারী অপরাধী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেএমপির উদ্যোগে গত ১ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় গোপন তথ্য, গোয়েন্দা নজরদারি এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আত্মগোপনে থাকা সন্ত্রাসীদের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে গ্রেপ্তার হলো মো. আবরার ফয়সাল ওরফে বাদিন (২৪), মো. আল-আমিন (২৯), মো. তুষার শিকদার (৩৮), মো. আসিফ (২৫) এবং মো. সাজ্জাদ হোসেন সাব্বির (১৮)।

ডিবির দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা খুলনার চিহ্নিত ‘বি কোম্পানি’সহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, মাদক, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আসামিদের দেখানো ও স্বীকারোক্তি অনুযায়ী একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলভার এবং ৭ দশমিক ৬৫ বোরের দুই রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে খুলনায় সক্রিয় অন্যান্য সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, তাদের সহযোগী এবং অস্ত্রের উৎস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে কেএমপির ডিবি ডিসি বলেন, “খুলনা মহানগরীতে কোনো অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, মাদক কারবারি কিংবা চিহ্নিত অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Execution of the accused in the case of child rape and murder in Kaliganj

কালীগঞ্জে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় অভিযুক্তের ফাঁসির আদেশ

কালীগঞ্জে শিশু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় অভিযুক্তের ফাঁসির আদেশ ছবি: নিউজ বাংলা

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদুরগাছা গ্রামের পাঁচ বছরের শিশু তাবাসসুম ধর্ষণ ও হত্যা মামলার একমাত্র আসামি আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সালেহুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং লাশ গুমের অপরাধে পৃথক ধারায় সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আবু তাহের কালীগঞ্জ উপজেলার বাদেডিহি গ্রামের রফিউদ্দিনের ছেলে। তিনি বাদুরগাছা গ্রামে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং নিহত শিশুর পরিবারের পাশের বাড়িতে বসবাস করতেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাবাসসুম নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়। পরদিন সকালে পাশের একটি বিদ্যালয়ের সেপটিক ট্যাংক থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

পরে ২৭ ফেব্রুয়ারি পুলিশ কুষ্টিয়া থেকে প্রতিবেশী যুবক আবু তাহেরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে। আদালতে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেন। তদন্ত শেষে গত ২৬ মে পুলিশ তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে ১৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করে ঘটনার চার মাসের মধ্যেই মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। রায়ে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আবু তাহেরকে মৃত্যুদণ্ড, পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং লাশ গুমের অপরাধে সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে বিচারকাজ শেষ হয়েছে এবং আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির রায় দিয়েছেন। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট। তিনি দ্রুত রায় কার্যকরের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
Order to show arrest of former MP Tuhin Akhtar in attempted murder case

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি তুহিন আক্তারকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ

হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক এমপি তুহিন আক্তারকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় দায়েরকৃত হত্যা ও হত্যাচেষ্টার পৃথক দুটি মামলায় সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন এবং কাফরুল থানা মহিলা লীগের সভাপতি রোকেয়া জামালকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ প্রদান করেন।

সাবেক এমপি সাবিনা আক্তার তুহিনকে আদালতে হাজির করে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন জানান মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. সোহেল সৌরভ। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মিরপুর ১৪ নম্বর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় বাদী গুলিবিদ্ধ হন। ওই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করা হয়। উক্ত মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে সাবিনা আক্তার তুহিনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

অন্যদিকে, কাফরুল থানা মহিলা লীগের সভাপতি রোকেয়া জামালকে মিরপুর ১০ এলাকায় আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত মো. শাকিলের হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক মো. কবির হোসেন তাকে আদালতে হাজির করে এই আবেদন করেন। মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাকিল মারা গেলে তার বাবা বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে রোকেয়া জামালকে গ্রেফতার দেখানো হলো।

আদালতে শুনানিকালে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন আসামিদের গ্রেফতার দেখানোর পক্ষে জোরালো যুক্তি তুলে ধরেন। বিপরীতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন গ্রেফতারের বিরোধিতা করে জামিন প্রার্থনা করেন। তদন্ত কর্মকর্তারা আদালতকে জানান, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এই দুই আসামিকে গ্রেফতার দেখানো প্রয়োজন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তাদের গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
The tragic death of a child fell into a drain in Comilla

কুমিল্লায় ড্রেনে পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

কুমিল্লায় ড্রেনে পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ছবি: নিউজ বাংলা

কুমিল্লা নগরীতে ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার মধ্যে মায়ের হাত থেকে ছিটকে ড্রেনে পড়ে স্মৃতি (৮) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) রাত ৯টার দিকে নগরীর ছোটরা পশ্চিমপাড়া ঈদগাহ এলাকায় ঘটে হৃদয়বিদারক এ দুর্ঘটনা।

নিহত স্মৃতি কালিয়াজুড়ি বদরপুর এলাকার বিল্লাল হোসেনের মেয়ে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিয়ের দাওয়াত শেষে রাতে মায়ের সঙ্গে ফুটপাত দিয়ে বাসায় ফিরছিল স্মৃতি।

চারদিকে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় সড়ক ও ড্রেনের পার্থক্য বোঝার উপায় ছিল না। হঠাৎ মায়ের হাত থেকে ছিটকে গিয়ে পানিতে ডুবে থাকা ভাঙা স্ল্যাবের ফাঁক দিয়ে ড্রেনে পড়ে যায় সে। মুহূর্তেই মেয়েকে চোখের সামনে হারিয়ে ফেলেন অসহায় মা।

শিশুটির চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিটের প্রাণপণ চেষ্টার পর কিছুটা সামনে ড্রেনের ভেতরে আটকে থাকা অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনাস্থলে স্বজনদের আহাজারি ও কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার ও সংস্কারের কাজ চলছিল। কয়েকটি স্থানে ড্রেনের ঢাকনা খোলা ছিল এবং অনেক স্ল্যাব ভাঙা অবস্থায় পড়ে ছিল। টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে এসব ঝুঁকিপূর্ণ অংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে যে কেউ অসাবধানতাবশত খোলা ড্রেনে পড়ে প্রাণ হারাতে পারে।
এলাকাবাসী জানান, নগরীর বিভিন্ন সড়কের পাশে থাকা ড্রেন দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। কোথাও স্ল্যাব ভাঙা, কোথাও আবার সম্পূর্ণ খোলা। বারবার অভিযোগ জানিয়েও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এসব ড্রেন এখন পথচারীদের জন্য ‘মৃত্যুফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ঝুঁকিপূর্ণ ড্রেনগুলো দ্রুত সংস্কার, নিরাপত্তা বেষ্টনী স্থাপন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশের টিম গেছে। এটি একটি দুর্ঘটনা।

মন্তব্য

বাংলাদেশ
60 km speed storm forecast issued warning in river port

৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি

৬০ কিমি বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা জারি ছবি: সংগৃহীত

দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের ১১টি অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ সোমবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এসব এলাকায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত প্রদর্শনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে গণমাধ্যম।

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই সময়ে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় ওই অঞ্চলের নদী অববাহিকায় চলাচলকারী সকল নৌযান ও অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

এর আগে সকালের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছিল, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিজলি চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। একই সাথে কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

মন্তব্য

p
উপরে