এক দেশে ছিলো দুই বন্ধু।
প্রাণের বন্ধু তারা।
একে অন্যকে কথা দিয়েছিলো, আজীবন তাদের ওই বন্ধুত্ব অটুট থাকবে।
তারা যখন বড় হয়ে বিয়ে করলো, তাদের বাড়ি দুটিও বানালো একেবারে সামনাসামনি।
একদিন সেই গ্রামের এক চালাক লোক ভাবলো, ওই দুই বন্ধুর সঙ্গে একটু দুষ্টুমি করবে।
লোকটি একটি কোট পরলো।
কোটটি এমন ছিলো যে, এটির মাঝ বরাবর দুই দিকে দুই রঙ।
কোটের এক দিক লাল রঙ, আরেক দিক ছিলো নীল।
লোকটি সেই কোট পরে ওই দুই বন্ধুর বাড়ির সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলো। তখন ওই দুই বন্ধু তাদের বাড়ির সামনের ক্ষেতে কাজ করছিলো।
দুই জন কাজ করছিলো একেবারে মুখোমুখি।
চালাক লোকটি এমন অঙ্গভঙ্গি করলো, যেন তাদের চোখে পড়ে।
বিকেলে কাজ শেষ হলে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে বললো, 'তখন এক লোক যে লাল কোট পরে হেঁটে যাচ্ছিলো, সেই কোটটা দারুণ ছিলো, তাই না?'
অন্য বন্ধুটি বললো, 'লাল নয়! সে একটি নীল কোট পরেছিলো!'
প্রথম জন বললো, 'আমি নিশ্চিত, কোটটি লাল ছিলো!'
দ্বিতীয় জন বললো, 'তুমি নির্ঘাত ভুল দেখেছো।
আমি নিজে দেখেছি, কোটের রঙ ছিলো নীল!'
প্রথম বন্ধু আবার বললো, 'আমি জানি আমি কি দেখেছি। কোটটি লাল রঙেরই ছিলো!'
এবার দ্বিতীয় বন্ধু রেগে গিয়ে বললো, 'তুমি কিছুই জানো না!
কোটটি নীলই ছিলো, আমি বলছি!'
এভাবে তাদের তর্ক চলতেই থাকলো।
একসময় ঝগড়াটি হাতাহাতি পর্যন্ত গড়ালো!
দুই বন্ধু এক পর্যায়ে একে অন্যকে বললো, 'আমাদের বন্ধুত্ব এখানেই শেষ!'
ঠিক তখনই ওই চালাক লোকটি সেখানে এলো এবং ঝগড়ারত দুই বন্ধুকে তার কোটটি দেখালো।
এতো ছোট একটি বিষয়ে দুই জনকে ঝগড়া করতে দেখে সে হাসলো!
দুই বন্ধু কোট দেখে ওই চালাক লোকটির ওপর ক্ষেপে গিয়ে বললো, 'আমরা বছরের পর বছর একসঙ্গে আছি ঠিক ভাইয়ের মতো।
আজ শুধু তোমার ওই দুষ্টুমির জন্য আমাদের এতো বছরের সম্পর্ক নষ্ট হতে যাচ্ছিলো।'
লোকটি তখন বললো, 'এই ঝগড়ার জন্য আমাকে দায়ী করো না!
আমি তোমাদের ঝগড়া করতে বলিনি।
তোমাদের দুই জনের কথাই ঠিক আবার দুই জনের কথাই ভুল।
তবে হ্যাঁ, তোমরা নিজের চোখে যা দেখেছো, সেটিই বিশ্বাস করেছো।
তোমরা ঝগড়া করেছো।
কারণ তোমরা কেবল নিজের দেখা এবং ভাবনাকেই গুরুত্ব দিয়েছো।'
ছবি: সংগৃহীত
কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা অষ্টগ্রামে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী যুবক শফিক মিয়া (৩১) হত্যাকান্ডের ঘটনায় দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (২০ জুন) তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, গোয়েন্দা তথ্য এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রুকনুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে মাত্র ৮ ঘণ্টার মধ্যে এজাহারভুক্ত এ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার আবদুল্লাহপুর মুন্সিবাড়ির মৃত শের আলীর পুত্র হান্নান মিয়া (৪২) ও জামিরা বাড়ির ছিদ্দিকুর রহমানের পুত্র ফরহাদ (৩৫)। গ্রেপ্তারকৃতদের ইতিমধ্যে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গত শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে উপজেলার খয়েরপুর-আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকার কালনী নদীর পাড় থেকে মুখমন্ডল থেঁতলানো অবস্থায় শফিক মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে ২০ জুন (২০২৬) অষ্টগ্রাম থানায় ৩০২/৩৭৯/৩৪ পেনাল কোডে একটি হত্যা মামলা (নং-১৩) দায়ের করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি শফিক মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রীর বিবাহবিচ্ছেদ হলে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার জন্য উদ্যোগ নিয়ে মোহরানা ও ভরন পোষণ বাবদ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারন করা হয়। এই পরিস্থিতির মধ্যেই কালনী নদীর পাড়ে তার রহস্যজনক ও নৃশংস মৃত্যু এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রোকনুজ্জামান বলেন, "ঘটনার পর থেকেই পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত ও অভিযান পরিচালনা করছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে দুই এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে আমাদের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।"
চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকান্ডের পর দ্রুততম সময়ে দুই আসামি গ্রেপ্তার করায় স্থানীয়দের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে ঘটনার পেছনের সম্পূর্ণ রহস্য উদ্ঘাটন করে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
ছবি: সংগৃহীত
ট্রেনে বেড়েছে মাদক চোরাচালান। দেশের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে একটি চক্র মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ট্রেনের বগি ও ছাদে গোপনে মাদকপাচার করছে। এসব মাদক চোরাচালান রোধে তৎপর রেলওয়ে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে জংশন স্টেশনে ৬ মাসে ২শ ৩৯ কেজি গাঁজা ও ১০ বোতল মদ জব্দ করাসহ ১৩৬ জন মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে রেলওয়ে থানা পুলিশ।
জানা যায়, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেনসহ বিভিন্ন ট্রেনে বিশেষ অভিযান চালায় ভৈরব রেলওয়ে পুলিশ। এর মধ্যে রেলওয়ে পুলিশ এককভাবে ৯৬ কেজি গাজাঁ এবং র্যাবের সঙ্গে যৌথ অভিযানে ১শ ৫৩ কেজি গাজাঁ জব্দ করা হয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ৫০ লাখ টাকা।
এ ছাড়াও এসব মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ১৩৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধে ৭৮ জনকে ভ্র্যাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া ৫৮ জনের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দেওয়া হয়েছে।
ভৈরব রেলওয়ে থানার ওসি সাইদ আহমেদ জানান, এসব মাদক জব্দের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছে।
ছবি: সংগৃহীত
খুলনার রূপসা উপজেলায় বিদেশি পিস্তলসহ সুলতান মাহমুদ বাপ্পা (৩৬) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার (১৯ জুন) রাতে উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের জয়পুর গ্রামে রফিকুল ইসলামের বাড়ির সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বাপ্পা গোপালগঞ্জ জেলার বেতগ্রাম এলাকার শেখ হাফিজুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, রূপসা থানার এসআই মশিউর রহমান সরকারি পিকআপে বিশেষ অভিযান পরিচালনার সময় নৈহাটি গোডাউন মোড়ে অবস্থানকালে গোপন সূত্রে খবর পান যে, জয়পুর গ্রামে এক ব্যক্তি অবৈধ অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছে।
খবর পেয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক মীরসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়
সেখানে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তল্লাশি চালিয়ে তার পরিহিত ট্রাউজারের পেছনের কোমর থেকে একটি খালি ম্যাগাজিনসহ বাটযুক্ত বিদেশি ৭.৬৫ মি.মি. পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
রূপসা থানার ওসি মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক মীর বলেন, গ্রেপ্তারকৃত সুলতান মাহমুদ বাপ্পাকে খুলনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের উৎস এবং এর সম্ভাব্য ব্যবহার সম্পর্কে তদন্ত চলছে।
ফাইল ছবি
মাদারীপুরের শিবচরে ট্রেনের ধাক্কায় শুকরন বেগম (৭৫) নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার মাদবরেরচর ইউনিয়নের পাঁচ্চর তেলের পাম্প সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শুকরন বেগম দত্তপাড়া ইউনিয়নের বাঁচামারা মোকশেদপুর এলাকার মোঃ মোকশেদ হাওলাদারের স্ত্রী।
মাদবরেরচর ইউনিয়ন মোল্লাবাজার সংলগ্ন রেল লাইনের পাশে এক নারীকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
এর আগে শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন বলে জানান পরিবারের লোকজন।
শিবচর থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেছে এবং এ ব্যাপারে রেল পুলিশ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।
চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা বিএসএফের। ছবি: সংগৃহীত
চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের চৌকা সীমান্তে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা ২০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে ফেরত নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ।
শনিবার (২০ জুন) বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে দুই দফা পতাকা বৈঠকের পর তাদের ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, সীমান্ত পিলার ১৭৭-এর ২-এস এবং ১৭৮-এর এস-৩ পিলারের কাছে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর বিএসএফ পুশইন করা ১১ জন নারী, ৫ জন পুরুষ ও ৪ জন শিশুকে ভারতের ভেতরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
এর আগে শনিবার (২০ জুন) সকালে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ওই ২০ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। পরে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারনে সেই চেষ্টা বার্থ হয়।
রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু। ছবি: সংগৃহীত
চলতি বাজেটকে একটি জনবান্ধব বাজেট উল্লেখ করে সরকার দলীয় হুইপ ও নাটোর ২ আসনের সংসদ সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, দেশের তৃনমুল পর্যায়ের মানুষের জন্য যে বাজেট দরকার। ধান, চাল, তেল ও আটা থেকে শুরু করে মসলা পর্যন্ত সমস্ত ক্ষেত্রে কৃষক বান্ধব ও জনবান্ধব বাজেট পেশ করেছে সরকার। গত ৫০ বছরের ইতিহাসে এমন সুন্দর বাজেট হয়নি।
শনিবার (২০ জুন) নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের হলরুমে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে প্রান্তিক কৃষকদোর মাঝে সার, বীজ ও কীটনাশক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
এসময় তিনি আরও বলেন, কৃষক, শ্রমিক রিক্সা চালক থেকে শুরু করে সকল মানুষের জীবনযাত্রা অতিবাহিত করার জন্য যে বাজেট প্রয়োজন সেই বাজেট ঘোষনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাব সহ বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
ছবি: নিউজ বাংলা
মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ, এর কুফল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি সুস্থ-স্বচ্ছ যুবসমাজ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে পিরোজপুরে ‘মাদকের বিস্তার-আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) সকাল ১০টায় পিরোজপুর সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে এই সভার আয়োজন করা হয়।
পিরোজপুর প্রেসক্লাবের আয়োজনে এবং পিরোজপুর জেলা পরিষদের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ সভায় সভাপতিত্ব করেন পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এস. এম. রেজাউল ইসলাম শামিম।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু সাঈদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, "মাদকের বিস্তার রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপের পাশাপাশি একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা অপরিহার্য। প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে এবং মাদকের সাথে সম্পৃক্তদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।" জেলা প্রশাসক মাদকের তালিকা তৈরি করে তা প্রকাশ্যে টানিয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, এতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষ তাদের সম্পর্কে সচেতন হতে পারবে।
তিনি আরও জানান, পিরোজপুরে একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা জেলা প্রশাসনের রয়েছে এবং দ্রুতই এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমেদ সিদ্দিকী, জেলা পরিষদ প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ পান্না লাল রায়, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব এস এম সাইদুল ইসলাম কিসমত এবং চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু।
বক্তারা বলেন, মাদক এখন পরিবারের শান্তি বিনষ্ট করছে, বাবা-ছেলের সম্পর্ক ধ্বংস করছে এবং তরুণ প্রজন্মকে অকাল মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অভিভাবক এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
এই আলোচনা সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সাংবাদিকবৃন্দ, স্থানীয় সুধীজন এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকেই পিরোজপুরকে মাদকমুক্ত জেলা হিসেবে গড়ে তুলতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানটিতে মাদকবিরোধী লড়াইয়ে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যা ভবিষ্যতে পিরোজপুরকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
মন্তব্য