× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
Former President Mo Sahabuddin left Bangabhaban
google_news print-icon

বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন

বঙ্গভবন-ছাড়লেন-সাবেক-রাষ্ট্রপতি-মো-সাহাবুদ্দিন
ছবি: সংগৃহীত

পদত্যাগের দুই দিন পর আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবন ছেড়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে তিনি বঙ্গভবনের পাঠ চুকিয়ে গুলশানে অবস্থিত তাঁর নিজস্ব বাসভবন ‘গ্রিন ভিলা’র উদ্দেশে রওনা হন। এর আগে গত ২৪ জুলাই তিনি দেশের রাষ্ট্রপতির পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেন।

সংবিধানের স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ পাঁচ বছরের হলেও, রাজনৈতিক ও সামাজিক নানা প্রেক্ষাপটে তিনি মোট ৩ বছর ৩ মাস এই দায়িত্ব পালন করতে সমর্থ হন। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মো. সাহাবুদ্দিন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় নানা গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন। পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তাঁর দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে এবং আজ বঙ্গভবন ত্যাগের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক বাসভবনে তাঁর অবস্থানেরও শেষ হয়।

উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি। তিনি ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ ও দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন এবং দীর্ঘ মেয়াদে দায়িত্ব পালনের পর ২০২৬ সালের ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন।

তাঁর পদত্যাগের পরপরই সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করে প্রয়োজনীয় সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Murder of truck driver Hossain Charges against 34 people including Sheikh Hasina on August 13

ট্রাকচালক হোসেন হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ১৩ আগস্ট

ট্রাকচালক হোসেন হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন ১৩ আগস্ট ছবি: সংগৃহীত

চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় ট্রাকচালক মো. হোসেনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ১৩ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক রবিউল আলমের আদালতে মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন এ মামলার আসামি সাবেক কাউন্সিলর ফোরকান হোসেনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির না করায় রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১৩ আগস্ট অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন দিন ধার্য করেন। ২০২৪ সালের ৩১ আগস্ট নিহত ব্যক্তির মা রীনা বেগম বাদী হয়ে মোহাম্মদপুর থানায় এ হত্যা মামলা করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এলাকায় গুলিতে নিহত হন মো. হোসেন। হোসেন পেশায় ট্রাকচালক ছিলেন। ঘটনার দিন তিনি গাবতলীতে ট্রাক রেখে বাসায় ফিরছিলেন।

মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ২৩ নভেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক আকরামুজ্জামান আদালতে শেখ হাসিনাসহ ৩৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন।

এই মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ, সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান, আসিফ আহম্মেদ, তারেকুজ্জামান রাজিব, শেখ বজলুর রহমান ও নুর মোহাম্মদ সেন্টু পলাতক রয়েছেন।

মামলায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ও সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানসহ চারজন কারাগারে আছেন। এছাড়া জামিনে রয়েছেন ১০ জন।

সুত্র: বাসস

মন্তব্য

জাতীয়
Acting President pays tribute to martyred President Ziaur Rahman and Khaleda Zia

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা ছবি: সংগৃহীত

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবরে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

রবিবার (২৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।

এসময় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন ঘিরে জিয়া উদ্যানে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জিয়া উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে উপস্থিতি থাকতে দেখা যায়।

এর আগে, আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি।

স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে গত ২৪ জুলাই মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় বঙ্গভবনে অফিস করলেও তিনি সংসদ ভবন এলাকায় স্পিকারের বাসভবনেই অবস্থান করবেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Prospects in the Semiconductor Industry

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে সম্ভাবনার হাতছানি

* সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে উদ্যোগী সরকার * স্টার্টআপে অনুদান হিসেবে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ * চলতি অর্থবছরে ১০০ কোটি ডলার রপ্তানির লক্ষ্য * ২০৩০ সালের মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য
সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে সম্ভাবনার হাতছানি জাতীয় নভোথিয়েটারে দুই দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

ওয়ার্ল্ড সেমিকন্ডাক্টর ট্রেড স্ট্যাটিস্টিকস (ডব্লিউএসটিএস) পূর্বাভাস দিয়েছে যে, এআই অবকাঠামো, হাই-ব্যান্ডউইথ মেমোরি এবং উন্নত কম্পিউটিংয়ের ওপর ভর করে ২০২৬ সালে এই শিল্প ১ দশমিক ৫১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে, যা ২০২৭ সালের মধ্যে ১ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি যাবে। এ শিল্পে বাংলাদেশের সম্ভাবনা অনেক বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তৈরি পোশাক শিল্পের পর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত।

প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকারের উদ্যোগী বলে জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীতে অবস্থিত জাতীয় নভোথিয়েটারে দুই দিনব্যাপী ‘ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম অ্যান্ড বিইএআর সামিট ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের বিশাল তরুণ, দক্ষ ও মেধাবী জনগোষ্ঠী এবং বিশ্বজুড়ে কর্মরত সেমিকন্ডাক্টর পেশাজীবীদের একটি ক্রমবর্ধমান ভিত্তি দ্রুত সম্প্রসারিত হতে থাকা বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর বাজারে প্রবেশের জন্য দেশকে একটি শক্তিশালী ভিত্তি এনে দিয়েছে।

তিনি বলেন, গার্মেন্টস শিল্পের পর, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয়ের আরেকটি বড় উৎস হয়ে উঠতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর বাজারের আকার প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি এই শিল্পে প্রবেশ করতে এবং বৈশ্বিক প্রযুক্তি সরবরাহ চেইনে নিজেদের অবস্থান বাড়াতে বাংলাদেশের জন্য একটি বড় সুযোগ তৈরি করবে।

তিনি জানান, বর্তমানে আমেরিকা, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, সিঙ্গাপুর, ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধান কোম্পানি, বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে ৩ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি সেমিকন্ডাক্টর পেশাজীবী কর্মরত আছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত এই প্রবাসী মেধাবীদের বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রার সাথে সংযুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। তিনি এই শিল্পের উন্নয়নে সরকার, বেসরকারি খাত, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা এবং প্রবাসী পেশাজীবীদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন, ভেরিফিকেশন, এমবেডেড সিস্টেম, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স এবং উন্নত ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে সক্ষমতা তৈরি করা শুরু করেছে এবং কয়েকটি স্থানীয় কোম্পানি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করেছে।

তিনি জানান, সরকার সেমিকন্ডাক্টর খাতকে একটি অগ্রাধিকারমূলক শিল্প হিসেবে বিবেচনা করে এবং এর প্রবৃদ্ধিতে সহায়তার জন্য বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, সরকার সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের জন্য কর ও শুল্ক সংক্রান্ত সুবিধা চালু করেছে এবং সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সেবার জন্য প্রণোদনা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া নতুন উদ্যোক্তা এবং উদ্ভাবনী ব্যবসাকে সহায়তা করার লক্ষ্যে বর্তমান বাজেটে স্টার্টআপ অনুদান হিসেবে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সেমিকন্ডাক্টর খাতের সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সরকারি সংস্থা, শিল্প নেতৃবৃন্দ, প্রবাসী পেশাজীবী এবং উন্নয়ন অংশীদারদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই দুই দিনব্যাপী সম্মেলন নতুন অংশীদারিত্ব, গবেষণা উদ্যোগ, বিনিয়োগের সুযোগ এবং উদ্ভাবনী ধারণা তৈরি করতে সাহায্য করবে যা বাংলাদেশের প্রযুক্তি খাতকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাবে।

সেমিকন্ডাক্টর খাতে ১০০ কোটি ডলার রপ্তানির লক্ষ্য:

বিশ্বব্যাপী সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এক নজিরবিহীন সম্প্রসারণের যুগে প্রবেশ করছে। এশিয়ার বিভিন্ন দেশ যখন চিপের বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। খাতসংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেমিকন্ডাক্টর নিয়ে বাংলাদেশের স্বপ্ন এখন এমন এক চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছে, যেখানে সাফল্যের চাবিকাঠি শুধু নীতিমালার ঘোষণায় নয়, বরং তা বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে দীর্ঘমেয়াদি কর প্রণোদনা ঘোষণা, গত জুনে শেষ হওয়া ‘সিলিকন রিভার ইউএসএ রোডশো’ এবং দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক্স, এআই অ্যান্ড রোবোটিক্স (বিইএআর) সামিট ২০২৬’-এর পর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ আর বৈশ্বিক মনোযোগ আকর্ষণ করা নয়, বরং বিশ্বমানের একটি প্রতিযোগিতাপূর্ণ সেমিকন্ডাক্টর ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)-এর সাবেক সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, ‘আগামী দুই বছর নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ সেমিকন্ডাক্টরের একটি নির্ভরযোগ্য গন্তব্য হতে পারবে কি না।’

তার মতে, বিনিয়োগকারীরা এখন কেবল নীতিমালার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থেকে দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে চাইবেন; যার মধ্যে রয়েছে ২০০ থেকে ৩০০ প্রকৌশলী নিয়ে সক্রিয় সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন সেন্টার চালু করা, আন্তর্জাতিকভাবে প্রত্যয়িত ‘অ্যাসেম্বলি, টেস্টিং, মার্কিং অ্যান্ড প্যাকেজিং’ (এটিএমপি) সুবিধা নিশ্চিত করা, দ্রুততর নিয়ন্ত্রণমূলক অনুমোদন এবং বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানিগুলোর সাথে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা।

ওয়ার্ল্ড সেমিকন্ডাক্টর ট্রেড স্ট্যাটিস্টিকস (ডব্লিউএসটিএস) পূর্বাভাসে- এআই অবকাঠামো, হাই-ব্যান্ডউইথ মেমোরি এবং উন্নত কম্পিউটিংয়ের ওপর ভর করে ২০২৬ সালে এই শিল্প ১ দশমিক ৫১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে, যা ২০২৭ সালের মধ্যে ১ দশমিক ৯ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি যাবে। ইতোমধ্যে ভারত তাদের সেমিকন্ডাক্টর কর্মসূচির আওতায় ১ হাজার ৩০০ কোটি (১৩ বিলিয়ন) ডলারের বেশি বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, আর ভিয়েতনাম ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০ হাজার সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন প্রকৌশলীকে প্রশিক্ষিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

এই পরিস্থিতির তুলনায় বাংলাদেশের লক্ষ্য কিছুটা পরিমিত। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ২০৩০ সালের মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানি বর্তমানের প্রায় ৮০ লাখ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই লক্ষ্য অর্জন নতুন প্রণোদনা দেওয়ার চেয়ে দেশ কত দ্রুত দক্ষ জনশক্তি, গবেষণা সক্ষমতা এবং টেস্টিং অবকাঠামো গড়ে তুলতে পারে, তার ওপর বেশি নির্ভর করবে।

মন্তব্য

জাতীয়
USs reasons for imposing tariffs are baseless Commerce Minister

যুক্তরাষ্ট্র যে কারণে শুল্ক আরোপ করেছে তা ভিত্তিহীন: বাণিজ্যমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্র যে কারণে শুল্ক আরোপ করেছে তা ভিত্তিহীন: বাণিজ্যমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, জোরপূর্বক শ্রম রোধে ব্যর্থতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র যে শুল্ক আরোপ করেছে তার কোনো ভিত্তি নেই। শনিবার (২৫ জুলাই) শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামে দুটি ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলের সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে বিদ্যালয় দুটির শিক্ষার্থীদের নানা পরিবেশনা উপভোগ করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, ‘নতুন শুল্ক আরোপে বাণিজ্য পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন ঘটবে না। আগে যে শুল্ক নীতি ছিল তাদের আইন অনুসারে সময় অতিক্রম করায় নতুন করে একই মাত্রার শুল্ক থাকবে, তবে তা ভিন্ন নামে।’

তীব্র খাদ্য সংকট নিয়ে জাতিসংঘের প্রতিবেদন সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে ইউরিয়াসহ সব সারের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। ফলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই।’

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ওই বিদ্যালয় দুটির পরিচালক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও সিলেট জেলা ও মাহনগর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Formation of inter ministerial committee to ensure expatriate friendly services

প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন

প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিতে আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন ছবি: সংগৃহীত

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রবাসীবান্ধব সেবা নিশ্চিত করতে সরকার একটি আন্ত:মন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করেছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য অভিবাসীকর্মীদের বৈধ অভিবাসনে উৎসাহিত করা, বিদেশে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অভিবাসন প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করা, বিদেশে কর্মরত অভিবাসীকর্মীদের কল্যাণ ও অধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং তাদের ঝামেলামুক্ত ও মর্যাদাপূর্ণ সেবা প্রদান নিশ্চিত করতে এ কমিটি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থা ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় সাধন করবে।

কমিটি বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন সেবা কেন্দ্রে প্রবাসীবান্ধব সেবা ও সুবিধা সহজীকরণ, নিশ্চিতকরণ ও সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে। পাশাপাশি বিদ্যমান সেবা প্রদান ব্যবস্থার সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা চিহ্নিত করে সেগুলোর উপযুক্ত সমাধানের সুপারিশ করবে।

কমিটির সভাপতি থাকবেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী। মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং উপদেষ্টা কমিটির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটির সদস্য হিসেবে থাকবেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব; জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যান; বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান; জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালক; এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন ও অর্থ উইংয়ের প্রধান কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

মন্তব্য

জাতীয়
New President to be elected in September Session Law Minister

সেপ্টেম্বরের অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: আইনমন্ত্রী

সেপ্টেম্বরের অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন: আইনমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, জাতীয় সংসদের আগামী সেপ্টেম্বরের অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এ জন্য সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন হবে না। শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে আইনমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে এখনই কোনো মন্তব্য নয়।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামে জুলাই আন্দোলনে আহত ৮ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা যদি মিথ্যা হয়, তাহলে তা প্রত্যাহার করা হবে।

এছাড়া মন্ত্রী জানান, বর্তমানে সীমান্তে এক্সট্রা কিলিং শূন্যের কোটায়। এছাড়া যত বড় রাজনৈতিক নেতাই হোক না কেন, ধর্ষণের মামলা প্রত্যাহার করা হবে না বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ান।

সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এখন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকবেন। একই সঙ্গে সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Foreign Minister in Maldives to attend 61st Independence Day celebrations

৬১তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মালদ্বীপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৬১তম স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে মালদ্বীপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

মালদ্বীপ সরকারের বিশেষ আমন্ত্রণে দেশটির ৬১তম স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনে যোগ দিতে রাষ্ট্রীয় সফরে মালদ্বীপে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

শনিবার (২৫ জুলাই) ম্যানিলা থেকে তিনি মালদ্বীপে পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুতিশাম আদম এবং সে দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মালদ্বীপে ড. খলিলুর রহমানের এটিই প্রথম সরকারি সফর। সফরসূচি অনুযায়ী ২৫ থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত তিনি মালদ্বীপ সরকারের বিশেষ অতিথি হিসেবে সেখানকার স্বাধীনতা বার্ষিকীর বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নেবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এই তিন দিনের সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ড. মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হবেন। পাশাপাশি দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইরুতিশাম আদমের সঙ্গেও তাঁর একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করা, বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সার্বিক অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং যৌথ স্বার্থসংশ্লিষ্ট নতুন নতুন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনাগুলো গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে।

এর পাশাপাশি দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট এবং সাম্প্রতিক নানা ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে পারস্পরিক মতবিনিময় করবেন। একই সাথে আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক মঞ্চগুলোতে উভয় দেশের বিদ্যমান পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার বিষয়ে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হবে।

কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরটি বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বিরাজমান দীর্ঘস্থায়ী সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করবে, যা আগামী দিনে দুই দেশের মধ্যকার বহুমুখী সহযোগিতা বৃদ্ধির পথকে আরও প্রসারিত করবে।

মন্তব্য

p
উপরে