× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
Investigation report against 41 people including Sheikh Hasina in Shapla Chatwar murder case
google_news print-icon

শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন

শাপলা-চত্বর-হত্যা-মামলায়-শেখ-হাসিনাসহ-৪১-জনের-বিরুদ্ধে-তদন্ত-প্রতিবেদন
ছবি: সংগৃহীত

২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিলে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সমাবেশে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর হত্যাযজ্ঞের তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশন টিমের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা রবিবার (১৯ জুলাই) সকালে এই প্রতিবেদনটি জমা দেয়। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৪১ জনকে আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযুক্তদের তালিকায় সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ছাড়াও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মোজাম্মেল হক বাবু এবং ফারজানা রুপার নাম রয়েছে। পাশাপাশি সাংবাদিক শাহরিয়ার কবীর এবং তৎকালীন সময়কার পুলিশ ও র‍্যাবের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ডিএমপি কমিশনারকেও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, বর্তমানে তদন্ত প্রতিবেদনটি পর্যালোচনার কাজ চলছে এবং আগামী ২১ জুলাই এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।

হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহতা সম্পর্কে তথ্য দিতে গিয়ে চিফ প্রসিকিউটর জানান, “তদন্তে এখন পর্যন্ত শুধু ঢাকাতেই ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।” তবে তদন্তের পূর্ণাঙ্গ কাজ এখনও সমাপ্তি পর্যায়ে থাকায় নিহতের এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন। মামলার বর্তমান পরিস্থিতি এবং তদন্তের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে অচিরেই একটি আনুষ্ঠানিক ব্রিফিং করা হবে বলে প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে, শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ার অগ্রগতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা পেতে রবিবার সকালে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে যান হেফাজতে ইসলামের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। সংগঠনের সিনিয়র নায়েবে আমির মধুপুর পীর আব্দুল হামিদের নেতৃত্বে এই দলে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা মামুনুল হক, মুফতি হারুন ইজহার ও মুফতি মীর ইদ্রিসসহ অন্য শীর্ষ নেতারা। তাঁরা এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। উল্লেখ্য যে, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতের অবস্থানের ওপর গভীর রাতে পরিচালিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানির অভিযোগ ওঠে, যা নিয়ে বর্তমানে এই আন্তর্জাতিক তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Global report Bangladesh workers incomes fall due to heat wave medical costs rise

বৈশ্বিক প্রতিবেদন: তাপপ্রবাহে বাংলাদেশের শ্রমিকদের আয় কমছে, বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয়

বৈশ্বিক প্রতিবেদন: তাপপ্রবাহে বাংলাদেশের শ্রমিকদের আয় কমছে, বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয় ছবি: সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তন শুধু বাংলাদেশকে আরও উষ্ণ করে তুলছে না, বরং লাখ লাখ পরিবারকে আরও গভীর আর্থিক সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে এক বৈশ্বিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রার কারণে বাংলাদেশে শ্রমিকদের আয় যেমন কমছে, তেমনি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চিকিৎসা ব্যয়।

‘হিট, হেলথ অ্যান্ড দ্য ইনক্রিজিং কস্টস অব লিভিং—আ কল ফর অ্যাকশন’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছে জার্মানিভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যাডেলফি গ্লোবাল।

রোববার প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে জলবায়ুজনিত চরম তাপপ্রবাহের সম্মিলিত অর্থনৈতিক প্রভাবে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর অন্যতম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়, ভারত ও নাইজেরিয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশেও অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারের আধিক্য, স্বাস্থ্য খাতে ব্যক্তিগত উচ্চব্যয় ও সীমিত সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার কারণে ঝুঁকি আরও তীব্র হয়ে উঠছে।

আটটি দেশের ওপর পরিচালিত এই গবেষণায় বাংলাদেশ, ব্রাজিল, ফ্রান্স, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার তথ্য প্রথমবারের মতো বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা হয়েছে কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত তাপপ্রবাহ একইসঙ্গে মানুষের আয় কমায় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ায়।

গবেষণার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের কৃষি ও নির্মাণ খাতের শ্রমিকরা তাপজনিত কারণে বছরে গড়ে ২৩ দশমিক ৭৫ কর্মদিবস হারাতে পারেন। বর্তমানে এসব খাতে কর্মঘণ্টা হারানোর হার ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ, যা ২০৩০ সালের মধ্যে বেড়ে ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।

একই সময়ে সব খাত মিলিয়ে কর্মঘণ্টা হারানোর হার ৪ দশমিক ২৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪ দশমিক ৮৪ শতাংশে উন্নীত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে অনানুষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকরা, যাদের অসুস্থতাজনিত ছুটি, স্বাস্থ্যবিমা বা আয় সুরক্ষার সুযোগ নেই, তারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বেন।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এখনো ব্যক্তিগত ব্যয়ের ওপর নির্ভরশীল। ২০২৩ সালে দেশের মোট স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭৯ দশমিক ৩ শতাংশই জনগণকে নিজেদের পকেট থেকে বহন করতে হয়েছে, যা গবেষণাভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ।

একই সময়ে মাথাপিছু ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয় ২০০০ সালের তুলনায় ৮৩০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। ফলে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপজনিত অসুস্থতা বাড়লে এই আর্থিক চাপ আরও বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আগামী দশকগুলোতেও বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তাপ-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।

এতে বলা হয়, ২০২০ থেকে ২০৩৯ সালের মধ্যে দেশের অধিকাংশ অঞ্চল আর্দ্রতা-ভিত্তিক উচ্চ থেকে অতি-উচ্চ তাপ-ঝুঁকির সম্মুখীন হবে, যেখানে বছরের ১৮৩ থেকে ২৩৯ দিন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করবে।

তীব্র তাপপ্রবাহের সময় কিছু কিছু খাতে উৎপাদনশীলতার ক্ষতি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

ল্যানসেটের সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে গবেষণার ফলাফলে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে চরম তাপপ্রবাহের কারণে বাংলাদেশ আনুমানিক ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের শ্রম আয় ও উৎপাদনশীলতা হারিয়েছে, যা দেশের জিডিপির প্রায় ৫ শতাংশের সমান।

তাপপ্রবাহের সময় ঘন ঘন বিদ্যুৎবিভ্রাট এই প্রভাবকে আরও বাড়িয়ে তোলে। এটি একদিকে শ্রমিক, কারখানা কর্মী ও সাধারণ মানুষকে ঘরের ভেতরে অতিরিক্ত তাপমাত্রায় থাকতে বাধ্য করে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।

অ্যাডেলফির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জলবায়ু অভিযোজন, জনস্বাস্থ্য এবং শ্রমনীতি এই তিন খাতকে আর আলাদাভাবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবিকা সুরক্ষাকে কেন্দ্র করে সমন্বিত নীতিগত উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

প্রতিবেদনে কয়েকটি সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালী করে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ব্যয়ের ওপর নির্ভরতা কমানো, তাপপ্রবাহে ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ও শ্রম অধিকার সম্প্রসারণ, জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনায় তাপ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি অন্তর্ভুক্ত করা এবং স্বাস্থ্য ও শ্রমিক সুরক্ষার জন্য জলবায়ু অর্থায়ন বৃদ্ধি করা।

মন্তব্য

জাতীয়
About 16 crore gold recovered at Shahjalal airport

শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রায় ১৬ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার

শাহজালাল বিমানবন্দরে প্রায় ১৬ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ফলের ক্যারেটের মধ্যে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অন্তত ১৬ কেজি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে যৌথ অভিযানে মহানিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিজিএফআই) ও ঢাকা কাস্টমস হাউজ।

রোববার পরিচালিত যৌথ অভিযানে ফলের ক্যারেটের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা স্বর্ণের চালানটি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হংকং থেকে ক্যাথে প্যাসিফিক এয়ারওয়েজের সিএক্স ফ্লাইটে আনা ফলের চালানের আড়ালে এই স্বর্ণ চোরাচালানের চেষ্টা করা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে অভিযান চালিয়ে ফলের ক্যারেটের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের পরিমাণ অন্তত ১৬ কেজি বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট নথি অনুযায়ী, চালানটির আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ফুড লিঙ্ক (Food Link) এবং এর এয়ারওয়ে বিল (Air Waybill) নম্বর ১৬০১২৭৪০০৯২।

এই বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন কাস্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার মুহাম্মদ কামরুল হাসান।

এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান। অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া স্বর্ণের প্রকৃত মালিক, চালানের উৎস এবং এর সঙ্গে জড়িত চোরাচালান চক্র সম্পর্কে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Initiative to improve quality of primary education Announces financial assistance of Tk 2 lakh for research

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে উদ্যোগ: গবেষণার জন্য ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তার ঘোষণা

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে উদ্যোগ: গবেষণার জন্য ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তার ঘোষণা ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করে কার্যকর সমাধান খুঁজতে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করেছ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। আগ্রহীরা আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে আবেদন জমা দিতে পারবেন। নির্বাচিত প্রতিটি গবেষণার জন্য সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হবে। প্রাথমিক শিক্ষার প্রাসঙ্গিকতায় ৫টি নির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর এই প্রস্তাবনা জমা দেওয়া যাবে।

সম্প্রতি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিজ্ঞপ্তির তথ্য বলছে, বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে-শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি মৌলিক সাক্ষরতা উন্নয়ন, গণিতের চ্যালেঞ্জিং বিষয়বস্তু উপস্থাপনার কৌশল, পরিমার্জিত ডিপিএড (বিটিপিটি) প্রশিক্ষণের কার্যকারিতা, প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষাক্রমের সামঞ্জস্য এবং প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের কার্যক্রম সহজীকরণ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চলতি বছর বিশেষভাবে পরীক্ষামূলক গবেষণাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। গবেষণা পরিচালনার জন্য একজন টিম লিডারের নেতৃত্বে এক বা একাধিক সহযোগী গবেষক নিয়ে গবেষণা দল গঠন করতে হবে। পিটিআই, ইউপিইটিসি, শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং পরীক্ষণ বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা এ দলে গবেষক হিসেবে অংশ নিতে পারবেন।

মন্তব্য

জাতীয়
In just 18 days remittances of 18 billion dollars came to the country

মাত্র ১৮ দিনে দেশে এল ১৮০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স

মাত্র ১৮ দিনে দেশে এল ১৮০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স ছবি: সংগৃহীত

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ১৮ দিনে দেশে প্রায় ১৮০ কোটি মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় এসেছে। এ সময়ে বৈধ পথে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ২ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩০ কোটি ২০ লাখ ডলার বেশি।

রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ১ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ১৭৯ কোটি ৮০ লাখ (এক দশমিক ৭৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, শুধু ১৬ থেকে ১৮ জুলাই— এই তিন দিনেই দেশে এসেছে ১৬ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয়। এর আগে চলতি মাসের প্রথম পাঁচ দিনে এসেছিল ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। মাসজুড়ে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত থাকায় ১৮ দিনের মাথায় মোট প্রবাসী আয় পৌঁছেছে ১৭৯ কোটি ৮০ লাখ ডলারে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৩০ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা ২০ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির সমান।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধি, বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠাতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রণোদনার কারণে প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক ধারা বজায় রয়েছে। এ প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করা, আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য

জাতীয়
Chakaria issued the High Courts rule to protect the Sundarban forest

‘চকরিয়া সুন্দরবনের’ বনভূমি রক্ষায় হাইকোর্টের রুল জারি

‘চকরিয়া সুন্দরবনের’ বনভূমি রক্ষায় হাইকোর্টের রুল জারি ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের ‘চকরিয়া সুন্দরবনকে’ সংরক্ষিত বন থেকে অবমুক্ত (ডি-রিজার্ভ) করা-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন ও সুন্দরবনের সংরক্ষিত ও রক্ষিত বনভূমি পুনরুদ্ধারে ব্যর্থতা কেন বেআইনি ও জনস্বার্থবিরোধী ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার এ রুল দেন।

কক্সবাজারের দক্ষিণ চট্টগ্রাম উপকূলীয় এলাকায় বিস্তৃত সংরক্ষিত ও রক্ষিত (প্রায় ২১ হাজার একর) ‘চকরিয়া সুন্দরবন’ বনভূমি থেকে সব ধরনের অবৈধ ইজারা–বরাদ্দ বাতিল এবং অননুমোদিত দখলদার উচ্ছেদ করে ওই বনভূমি সুরক্ষা, সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, সে বিষয়েও রুলে জানতে চাওয়া হয়েছে।

ভূমিসচিব, পরিবেশসচিব, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদসচিব, কৃষিসচিব, প্রধান বন সংরক্ষক, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকসহ বিবাদীদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) জনস্বার্থে ওই রিট করে। আদালতে বেলার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আশরাফ আলী। তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী রুমানা শারমিন।

বেলা জানায়, ‘চকরিয়া সুন্দরবন’ ঐতিহাসিকভাবে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার একটি বিস্তীর্ণ সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনভূমি, যা কালক্রমে অপরিকল্পিত ইজারা প্রদান, অবৈধ দখল এবং গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডি-রিজার্ভেশনের ফলে প্রায় সম্পূর্ণরূপে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

পরিবেশবাদী সংগঠনটি আরও জানায়, একাধিকবার এ বনভূমি পুনরুদ্ধারের নির্দেশনা-সংক্রান্ত স্মারক–সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জারি করলেও তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, যা ১৯২৭ সালের বন আইন ও সংবিধানের পরিবেশ সংরক্ষণ–সংক্রান্ত ১৮ক অনুচ্ছেদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এ অবস্থায় ‘চকরিয়া সুন্দরবন’ রক্ষা করতে, অবৈধ দখল ও ইজারা থেকে মুক্ত করতে এবং সম্পূর্ণ বনভূমি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে বেলা চলতি মাসে রিটটি করে।

মন্তব্য

জাতীয়
IGP went to Thailand to attend regional summit on crime

অপরাধবিষয়ক আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড গেলেন আইজিপি

অপরাধবিষয়ক আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড গেলেন আইজিপি ছবি: সংগৃহীত

স্ক্যাম সেন্টার কম্পাউন্ড এবং আন্তঃদেশীয় সংগঠিত অপরাধবিষয়ক আঞ্চলিক শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। রোববার বিকেলে তিনি থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। পুলিশ সদর দপ্তরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ২০ থেকে ২১ জুলাই থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। রয়্যাল থাই পুলিশের সহযোগিতায় ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) সম্মেলনের আয়োজন করেছে। সম্মেলনে স্ক্যাম সেন্টার কম্পাউন্ড এবং আন্তঃ দেশীয় অপরাধী চক্রের ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর অপারেশনাল সমন্বয়, আঞ্চলিক কৌশল প্রণয়ন এবং সমন্বিত যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

এতে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা সম্মেলনে অংশ নেবেন। সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বাংলাদেশের আইজিপি রয়্যাল থাই পুলিশের প্রধানের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করবেন বলে জানায় পুলিশ সদর দপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সম্মেলন শেষে আগামী ২২ জুলাই আইজিপির দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

মন্তব্য

জাতীয়
July Sacrifice Creates New Opportunity to Restore Democracy Mirza Fakhrul Islam

জুলাইয়ের আত্মত্যাগে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে: মির্জা ফখরুল ইসলাম

জুলাইয়ের আত্মত্যাগে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে: মির্জা ফখরুল ইসলাম ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম ও অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ন্যায়, ইনসাফ ও আইনের শাসনভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

আজ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল (এনইসি) আয়োজিত ‘জুলাই শহিদ সাংবাদিক সম্মাননা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের সভাপতি ও দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

অনুষ্ঠানে জুলাইয়ের শহিদ সাংবাদিকদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় এবং প্রতি পরিবারকে এক লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, অতীতে একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দেয়া হয়েছিল। দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, গুম, নির্যাতন, অসংখ্য মামলা এবং বিরোধী মত দমনের কারণে গণতান্ত্রিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ইতিহাসের এই অধ্যায় থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেই ভবিষ্যতের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, স্বাধীনতার পর জনগণের প্রত্যাশা পুরোপুরি বাস্তবায়িত না হওয়ায় দেশে বারবার গণতন্ত্রের দাবিতে আন্দোলন গড়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক আন্দোলনও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যেখানে অসংখ্য মানুষের আত্মত্যাগ নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর জনগণের ভোটে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৬ বছরের লুটপাট, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষয় অল্প সময়ে দূর করা সম্ভব নয়। তা সত্ত্বেও রাষ্ট্র সংস্কার ও উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে এবং ধীরে ধীরে সেই প্রচেষ্টা এগিয়ে যাচ্ছে। জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই অগ্রযাত্রা সফল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

তিনি আরো বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম কখনো শেষ হয় না। জনগণের অধিকার, ন্যায়বিচার এবং সুশাসন নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম ও সমাজের সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, কঠিন সময়েও সাংবাদিকরা সত্য তুলে ধরতে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। গণতন্ত্র, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় সংবাদমাধ্যমের অবদান সবসময় গুরুত্বপূর্ণ এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

বক্তব্যে তিনি অতীতের রাজনৈতিক নির্যাতন, গুম, বিচারবহির্ভূত কর্মকাণ্ড এবং অসংখ্য নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, এসব ঘটনার সত্য উদঘাটন ও বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, যা জনগণের সমর্থন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনায় বিশ্বাস করে। জনগণের কল্যাণ, সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং রাষ্ট্র সংস্কারের লক্ষ্যে ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং পারস্পরিক আস্থার ভিত্তিতে বাংলাদেশকে ন্যায়, ইনসাফ ও সমৃদ্ধির রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব।

সভাপতির বক্তব্যে দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেন, ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল সবসময় শহিদ সাংবাদিক পরিবারের পাশে থাকবে। তাদের পরিবার ও সন্তানদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হবে। তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবকে ভুলতে দেওয়া হবে না এবং এ বিষয়ে কোনো ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না।

অনুষ্ঠানে শহিদ সাংবাদিক পরিবারের সদস্য, বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের সম্পাদক, সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

p
উপরে