× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
Initiative to set up visa centers of various European countries in Dhaka
google_news print-icon

ঢাকায় ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ভিসা সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ

ঢাকায়-ইউরোপের-বিভিন্ন-দেশের-ভিসা-সেন্টার-স্থাপনের-উদ্যোগ
সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও তা আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানির সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ঢাকার বুকেই ইউরোপের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশের ভিসা সেন্টার স্থাপনের লক্ষ্যে নিবিড় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রবিউল আওয়ালের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

সরকারপ্রধান বলেন, উত্তর মেসিডোনিয়া, সার্বিয়া, মরিশাস ও পর্তুগালসহ ইউরোপের যেসব উন্নত দেশে বর্তমানে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক দক্ষ কর্মী পাঠানোর ব্যাপক সুযোগ ও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, অথচ বাংলাদেশে সেই সমস্ত দেশের নিজস্ব কোনো স্থায়ী ভিসা সেন্টার নেই; সেই দেশগুলোর ভিসা সেন্টার যেন দ্রুত ঢাকায় স্থাপন করা যায়, সেজন্য সরকারের পক্ষ থেকে জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এই উদ্যোগটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে কোনো ধরনের মধ্যস্থতাকারী বা তৃতীয় দেশের ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি বাংলাদেশ থেকে ইউরোপের বাজারে কর্মী পাঠানো অনেক বেশি সহজ ও সাশ্রয়ী হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিশ্বের অন্যতম প্রধান শ্রমবাজার মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ সরকার বিকল্প ও নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণে নানামুখী কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এই লক্ষ্যে থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানে জনশক্তি রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, থাইল্যান্ডের বাজারে কর্মী নিয়োগ-সংক্রান্ত দ্বিপক্ষীয় চুক্তির একটি চূড়ান্ত খসড়া ইতোমধ্যে দেশটির সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে। এর পাশাপাশি মালয়েশিয়া, ওমান, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো প্রথাগত দেশগুলোতে বিভিন্ন সময়ে বন্ধ বা সংকুচিত হয়ে পড়া শ্রমবাজারগুলো পুনরায় পুরোপুরি চালু করার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের ৩১ মে থেকে বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারটি নতুন করে উন্মুক্ত করার বিষয়েও দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই লক্ষ্যসমূহ অর্জনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিয়োজিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও দূতাবাসগুলোকে স্থানীয় বাজারের প্রকৃত চাহিদা নিরূপণ করে জনশক্তি রপ্তানি বাড়ানোর সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অতি দ্রুত ঢাকায় পাঠানোর জন্য কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, দেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধির বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে চলতি বছরের ৫ ও ২৪ মার্চ এবং ৫ এপ্রিল ধারাবাহিক কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বন্ধ শ্রমবাজার পুনরায় সচল করা এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে বেশ কিছু যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় স্বল্পমেয়াদি মৌসুমি কর্মী পাঠাতে দেশটির বিভিন্ন স্থানীয় সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরের কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং ইতোমধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বোয়েসেলের (BOESL) মাধ্যমে সেখানে পরীক্ষামূলকভাবে মৌসুমি কর্মী পাঠানো শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, জাপানের বাজারে কর্মসংস্থান বহুগুণ বাড়াতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষ 'জাপান সেল' গঠন করা হয়েছে। জাপানিজ ভাষা ও কারিগরি দক্ষতার মান বাড়াতে এই সেলের অধীনে জাপানে কর্মী প্রেরণকারী ৯৬টি সেন্ডিং অর্গানাইজেশন, ২০০টিরও বেশি বেসরকারি জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং ৬০টি সরকারি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারকে (টিটিসি) একটি সমন্বিত ও জবাবদিহিমূলক কাঠামোর আওতায় আনা হয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
An 8 member cabinet committee will finalize the new visa policy

নতুন ভিসানীতি চূড়ান্তে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি

নতুন ভিসানীতি চূড়ান্তে ৮ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি ফাইল ছবি

দেশের সামগ্রিক অভিবাসন ও পর্যটন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক করতে প্রস্তাবিত নতুন ভিসানীতির খসড়া পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিমার্জন ও চূড়ান্ত রূপ দেওয়ার জন্য আট সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার।

অর্থমন্ত্রীকে নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক করে গুরুত্বপূর্ণ এই কমিটি ‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়াটি চূড়ান্তভাবে সংশোধন করার পর তা আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

ভিসানীতি পরিমার্জনের লক্ষ্যে বিশেষ এই কমিটি গঠন করে গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

বিশেষ এই প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত তথ্য অনুযায়ী, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত এই বিশেষ কমিটির অন্যান্য প্রভাবশালী সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, আইনমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, এই ৮ সদস্যের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি সামগ্রিক দিক বিবেচনা করে ‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর খসড়াটি পরিমার্জনের কাজ সম্পন্ন করবে। এর বাইরে কাজের সুবিধার্থে এবং প্রয়োজন মনে করলে কমিটি নিজেদের ক্ষমতাবলে যেকোনো নতুন উপযুক্ত সদস্যকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত বা কো-অপ্ট করতে পারবে। কমিটির গুরুত্ব অনুযায়ী যেকোনো সময়ে এর বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হতে পারবে এবং সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই কমিটিকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাচিবিক ও দাপ্তরিক সহায়তা প্রদান করবে।

এই নীতি বাস্তবায়নের সময়সীমা উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নবগঠিত কমিটির চুলচেরা বিশ্লেষণ ও পরিমার্জনের কাজ শেষ হওয়ার পরপরই সংশোধিত ভিসা পলিসির চূড়ান্ত খসড়াটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আগামী মাসের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে দাপ্তরিক অনুমোদনের জন্য পেশ করবে।

এর আগে গত ২ জুলাই সরকারের নিয়মিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে প্রথমবারের মতো ‘ভিসা পলিসি-২০২৬’-এর প্রাথমিক খসড়াটি আলোচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়েছিল। তবে সেই বৈঠকে পলিসিটির বিভিন্ন ধারা-উপধারা আরও সময়োপযোগী ও পরিমার্জন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায়, এই বিশেষ রিভিউ কমিটি গঠনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

মন্তব্য

জাতীয়
Prime Minister will visit Dhaka Medical on Saturday

শনিবার ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শনিবার ঢাকা মেডিকেল পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আগামী শনিবার (১১ জুলাই) প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই সফরকে কেন্দ্র করে ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তারা এই আয়োজনকে একটি বর্ণাঢ্য মিলনমেলা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর অধীনে দুটি নতুন ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। একই সঙ্গে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন এবং একটি বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করবেন। এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তাঁর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে ঘিরে ঢামেক ক্যাম্পাসে এখন সাজ সাজ রব। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, এই সফরের মাধ্যমে হাসপাতালের বিদ্যমান বিভিন্ন সংকট নিরসনে কার্যকর ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তারা মনে করেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় এই চিকিৎসালয় নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও জাতীয় সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে এবং প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও অনুপ্রাণিত করবে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ–অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ–অভ্যুত্থানেও এ প্রতিষ্ঠানের অবদান অবিস্মরণীয়।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলেন এবং সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন অত্যন্ত আবেগঘন একটি মুহূর্ত।

অন্যদিকে, ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ডা. বেলাল হোসেন নাজিম মনে করেন, আধুনিক ও সুপরিকল্পিত পদক্ষেপে দেশ গড়ার যে অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন, তার প্রতিফলন এই সফরে দেখা যাবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের (ঢামেকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, “আগামী ১১ জুলাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ানদের জন্য গৌরব, আবেগ ও নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসবে। এই আয়োজন আমাদের ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করবে।”

মন্তব্য

জাতীয়
A bilateral meeting between Bangladesh and Pakistan was held at the home minister level in New York

নিউ ইয়র্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

নিউ ইয়র্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘ সদরদপ্তরে গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে এক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পাকিস্তানের পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণবিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নাকভি। বৈঠকে নিরাপত্তা সহযোগিতা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, আধুনিক নগর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

আলোচনার শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ চলতি বছরের মে মাসে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফরের কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “ওই সফরের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে মাদকদ্রব্য ও সাইকোট্রপিক উপাদানের অবৈধ পাচার এবং অপব্যবহার প্রতিরোধে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, তা দুই দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সমাজকে সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।” দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দুই দেশের অভিন্ন ইতিহাস এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে বাংলাদেশ আগ্রহী। এছাড়া দীর্ঘ ১৪ বছর বিরতির পর এ বছরের জানুয়ারি থেকে ঢাকা-করাচি রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালু হওয়াকে তিনি দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনযোগাযোগের নতুন দিগন্ত হিসেবে অভিহিত করেন।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের মানবিক সংকটের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। তিনি জানান যে, প্রয়োজনীয় পারিবারিক নথিপত্রের অভাবে অনেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যরা দেশটির “কম্পিউটারাইজড ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড” (সিএনআইসি) পেতে জটিলতার মুখে পড়ছেন, যার ফলে তারা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করে দ্রুত একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছাতে তিনি পাকিস্তানের মন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান। পাশাপাশি পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রধান শহরে বাস্তবায়িত “সেফ সিটি” উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, দেশটির এই আধুনিক প্রযুক্তির সফল অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের শহরগুলোকে নিরাপদ করার ক্ষেত্রে অনুসরণযোগ্য হতে পারে। এ বিষয়ে কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতা প্রদানের পাশাপাশি বাংলাদেশ পুলিশের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও পাকিস্তানের সহায়তা কামনা করেন তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অতীতে সৌদি আরবে অবস্থানরত অনিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের জটিলতা নিরসনে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান যেভাবে সমন্বিতভাবে কাজ করেছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় দুই দেশের নিবিড় পরামর্শ ও বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। মিয়ানমার যেন তাদের নাগরিকদের দ্রুত, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে ফিরিয়ে নেয়, সে লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পাকিস্তানের জোরালো ও ধারাবাহিক সমর্থন প্রত্যাশা করে বাংলাদেশ। এই বৈঠকে পাকিস্তানের ইন্টেরিয়র মন্ত্রী বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানালে তিনি সুবিধাজনক সময়ে সফরের আশ্বাস দেন। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Order to show arrest of Justice Khairul Haque in explosives case

বিস্ফোরক মামলায় বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ

বিস্ফোরক মামলায় বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে বনানী থানায় রুজুকৃত একটি হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালত পুলিশের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ প্রদান করেন। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে তাকে সশরীরে এজলাসে হাজির না করে ভার্চুয়ালি উপস্থিত দেখিয়ে এই শুনানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

এর আগে গত ২ জুলাই সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সাবেক এই প্রধান বিচারপতিকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন দাখিল করেছিলেন। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে শুনানির জন্য ৬ জুলাই দিন নির্ধারিত থাকলেও মামলার মূল নথি না থাকায় তা পিছিয়ে যায়। গত বছরের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেপ্তারের পর থেকে সাবেক এই প্রধান বিচারপতি বর্তমানে কারাগারেই অবস্থান করছেন।

আইনি প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণে দেখা যায়, সুনির্দিষ্ট মামলা ব্যতীত তাকে নতুন করে গ্রেপ্তার বা কোনো ধরণের হয়রানি না করতে উচ্চ আদালতের পক্ষ থেকে বিশেষ নির্দেশনা ছিল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত কয়েকটি প্রাণহানির ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও রাষ্ট্রপক্ষ সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে। সর্বশেষ ৩০ জুন একটি মামলায় তাকে জামিন দেওয়া হলেও নতুন এই মামলার কারণে তার কারামুক্তি পুনরায় বিলম্বিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত রায় জালিয়াতি, যুবদলকর্মী হত্যা এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়েরকৃত আরও বেশ কয়েকটি মামলায় তিনি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Election Commission is working towards fair and universal elections EC Sanaullah

সুষ্ঠু ও সর্বজনীন নির্বাচনের লক্ষ্যে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন: ইসি সানাউল্লাহ

সুষ্ঠু ও সর্বজনীন নির্বাচনের লক্ষ্যে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন: ইসি সানাউল্লাহ ছবি: সংগৃহীত

অনাগত দিনে অধিকতর নিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত নির্বাচন পর্যবেক্ষণ ও সংস্কার সংক্রান্ত এক সংলাপে তিনি উল্লেখ করেন যে, ‘জাতীয় এবং স্থানীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপট এক না হলেও আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় নির্বাচন কমিশন। এতে ভোটকেন্দ্র স্থাপন থেকে শুরু করে সার্বিক প্রস্তুতি সাজানো হচ্ছে।’

ইসি সানাউল্লাহ জানান, বর্তমান কমিশন নির্বাচন ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আইন সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করছে। তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতায় স্থানীয় ভোটের প্রস্তুতি চলছে। ইসির দক্ষতা এবং পর্যবেক্ষকদের প্রস্তাবিত বিষয়গুলো ভালোভাবে আমলে নিলে সামনের দিনগুলোতে ভালো কিছু সম্ভব।’ পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলোর সুপারিশসমূহ গুরুত্বের সাথে আমলে নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘বিভিন্ন পর্যবেক্ষক সংস্থার মূল্যায়ন ও সুপারিশ গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে।’ কমিশন বর্তমানে জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের পৃথক আইনি কাঠামোসমূহ পর্যালোচনা করছে এবং ইতোমধ্যে নির্বাচন-পরবর্তী পর্যালোচনার কাজও শেষ করেছে বলে জানান তিনি।

একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থার উন্নয়নে ইউরোপীয় জোটের দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বিশেষ করে নারী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ভোটাধিকার ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে নির্বাচন কমিশনের সাথে যৌথভাবে কাজ করার গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Officials Assisting Fascist Government in Administration Underway Minister of State for Public Administration

প্রশাসনে ফ্যাসিস্ট সরকারের সহায়তাকারী কর্মকর্তাদের খোঁজে কাজ চলছে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

প্রশাসনে ফ্যাসিস্ট সরকারের সহায়তাকারী কর্মকর্তাদের খোঁজে কাজ চলছে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। ছবি: সংগৃহীত

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারকে দীর্ঘস্থায়ী করতে প্রশাসনের যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রকাশ্যে কাজ করেছেন, তাদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ইতোমধ্যে সরকারের বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা তাদের খুঁজে বের করতে কাজ শুরু করেছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা বজায় রাখার বিষয়ে গাইবান্ধা-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল করিমের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মাঠ পর্যায়ে কোনো কর্মকর্তার নৈতিক স্খলনজনিত বিষয় নজরে এলে তাদের সাময়িক বরখাস্তসহ যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাশাপাশি বিভাগীয় মামলা রুজু করে শাস্তির বিধান রয়েছে এবং এই তথ্যসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার ডোসিয়ারে সংরক্ষণ করা হয়, যা পরবর্তী সময়ে পদোন্নতি ও পদায়নের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘কর্মকর্তাদের সচেতনতা বাড়াতে ২০২৫–২৬ অর্থবছরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগ থেকে ৬টি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের মাধ্যমে ১৮০ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে এবং এ বছর আরও ৮টি প্রশিক্ষণ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ ছাড়া সিভিল সার্ভিসের প্রতিটি বাধ্যতামূলক কোর্সে দুর্নীতি প্রতিরোধ, নৈতিকতা ও শিষ্টাচারসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

এদিন সংসদে সরকারি চাকরির শূন্য পদের একটি বড় খতিয়ান তুলে ধরেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী। গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামানের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, দেশে বর্তমানে সরকারি চাকরিতে মোট ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩৫০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন, যার মধ্যে শূন্য পদের সংখ্যা ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি। এ ছাড়া প্রশাসনের শীর্ষ পদগুলোর বিপরীতে কর্মরতদের সংখ্যা উল্লেখ করে তিনি জানান, সচিব ও সিনিয়র সচিবের ৬৯টি পদের বিপরীতে ৬৭ জন, অতিরিক্ত সচিবের ৩৬৮টি পদের বিপরীতে ৩৭৮ জন, যুগ্ম সচিবের ১ হাজার ১১৬টি পদের বিপরীতে ৮৯৩ জন এবং উপসচিবের ২ হাজার ২৪৫টি পদের বিপরীতে ২ হাজার ৯৪০ জন কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করছেন।

সংসদে নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হেলালীর প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী দৃঢ়তার সাথে বলেন, ‘বর্তমান জনপ্রশাসনে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে যেকোনো রাজনৈতিক বা অন্যায্য প্রভাবমুক্ত রাখা হচ্ছে এবং মেধা, সততা ও দক্ষতাকে একমাত্র মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহার করার নীতি বাস্তবায়িত হচ্ছে।’

এ ছাড়া কুড়িগ্রাম-১ আসনের সংসদ সদস্যের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বর্তমানে সারা দেশে বিভিন্ন ক্যাডারে মোট ৮ হাজার ৯৯টি পদ শূন্য রয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে