× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
Decision to form 3 new upazilas and 1 thana
google_news print-icon

নতুন ৩ উপজেলা ও এক থানা গঠনের সিদ্ধান্ত

নতুন-৩-উপজেলা-ও-এক-থানা-গঠনের-সিদ্ধান্ত
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের হাটহাজারীকে বিভক্ত করে ‘হালদা থানা’ এবং ফটিকছড়ির ছয়টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’, মুরাদনগরকে বিভক্ত করে ‘বাঙ্গারা’ ও গফরগাঁওয়ের পাগলা থানার আটটি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘আদর্শনগর’ নামে নতুন ৩টি উপজেলা গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এ বিষয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১২১তম সভা আজ বুধবার বেলা ১১টায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১০০০ নম্বর কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিকার-১ শাখা থেকে গত রোববার জারি করা সভার নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নোটিশে বলা হয়েছে, দেশের প্রশাসনিক কাঠামো পুনর্বিন্যাস, নতুন থানা ও উপজেলা গঠন এবং জেলা সীমানা পুনর্গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রস্তাব সভায় উপস্থাপন ও আলোচনা করা হবে।

সভার আলোচ্যসূচিতে রয়েছে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব। এর মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী থানাকে বিভক্ত করে ‘হালদা থানা’ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব উত্থাপন করবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এছাড়া চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘ফটিকছড়ি উত্তর’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব উপস্থাপন করবে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সভায় আরও আলোচনা হবে কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলাকে বিভক্ত করে ‘বাঙ্গারা’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাব নিয়ে।

অন্যদিকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর আওতাধীন পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার অংশ ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর জেলার প্রশাসনিক সীমানা পুনর্গঠনের বিষয়টিও আলোচ্যসূচিতে রয়েছে। এ প্রস্তাবটি উপস্থাপন করবে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।

এছাড়া ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার অধীন আটটি ইউনিয়নের সমন্বয়ে ‘আদর্শনগর’ নামে নতুন উপজেলা গঠনের প্রস্তাবও সভায় বিবেচিত হবে।

সভায় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (আরএইচডি) সংশ্লিষ্ট একটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মন্ত্রী এবং কমিটির সদস্যদের সভায় যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সভার কার্যপত্র আগেই সদস্যদের কাছে পাঠানো হয়েছে এবং সভা শেষে কার্যপত্র ফেরত দেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও জনসেবাকে আরও কার্যকর ও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে নিকারের এ সভাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সভায় অনুমোদন পাওয়া প্রস্তাবগুলো পরবর্তী সময়ে সরকারি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কার্যকর করা হবে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
All oil depots in the country will be closed tomorrow

কাল দেশের সব তেলের ডিপো বন্ধ থাকবে

কাল দেশের সব তেলের ডিপো বন্ধ থাকবে ছবি: সংগৃহীত

বার্ষিক সমাপনী মজুত গণনা, পরিসম্পদ মূল্যায়ন ও বাস্তব যাচাই কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে বুধবার সারাদেশের সব তেল ডিপো ও প্রধান স্থাপনা থেকে জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিপণন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পক্ষ থেকে এক অফিস আদেশের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিপিসির বণ্টন ও পরিবীক্ষণ অধিশাখার মহাব্যবস্থাপক ফেরদৌসী মাসুম হিমেল স্বাক্ষরিত ওই আদেশে জানানো হয়েছে যে, বিপিসির আওতাধীন কোম্পানিগুলোর প্রধান স্থাপনা ও ডিপোসমূহে বার্ষিক সমাপনী মজুদ গণনা ও যাচাই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রামস্থ প্রধান স্থাপনা থেকে শুরু করে দেশের সব ডিপো এবং স্থাপনার বিপণন কার্যক্রম এদিন স্থগিত থাকবে।

তবে বিমান চলাচলের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে জরুরি ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখার বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, দেশি ও বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোতে নিরবচ্ছিন্নভাবে জেট-এ১ জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট ডিপোর মজুদ ট্যাংকের বার্ষিক যাচাই কার্যক্রম দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে সরবরাহ সচল রাখতে হবে।

যমুনা অয়েল, পদ্মা অয়েল, মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও ইস্টার্ন রিফাইনারিসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে এই আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়েছে এবং কার্যক্রমটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Ex Chief Justice Khairul Haques bail is not barred in the murder case

হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে যাত্রাবাড়ীতে খোবাইব নামে একজন নিহতের ঘটনায় করা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি কেএম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দিয়েছেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোতাহার হোসেন সাজু ও সাঈদ আহমেদ রাজা।

আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু বলেন, এ মামলায় জামিন হওয়ায় সাবেক এই বিচারপতির মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই।

এর আগে এ মামলায় গত ২১ জুন জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন বিচারিক আদালত। পরে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকালে যাত্রাবাড়ী এলাকায় আন্দোলন চলাকালে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গুলিতে খোবাইব (২০) নিহত হন। এ ঘটনায় তার ভাই জোবায়ের আহম্মেদ ২০২৪ সালের ১৬ নভেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৮০ জনকে আসামি করে মামলা করেন।

প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গত বছরের ২৪ জুলাই তার বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Six killed in Chittagong The trial of 22 people including Hasan Mahmud Nawfel has started

চট্টগ্রামে ছয়জনকে হত্যা: হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ২২ জনের বিচার শুরু

চট্টগ্রামে ছয়জনকে হত্যা:
হাছান মাহমুদ-নওফেলসহ ২২ জনের বিচার শুরু 
ছবি: সংগৃহীত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রামে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরামসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এবং সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু আদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন—বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

আসামিদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের আনা সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ আমলে নিয়ে এই আদেশ দেওয়া হয়েছে। প্রথম অভিযোগ, ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও মো. ফারুককে হত্যার দায়। দ্বিতীয় অভিযোগ- তানভীর সিদ্দিকী, সায়মন ওরফে মাহিম ও হৃদয় চন্দ্রকে হত্যা। তৃতীয় অভিযোগ- জাহিদ হাসান, আবদুল কাদের, আছিয়া খাতুন, সানজিদা সুলতানা, আবদুল্লাহসহ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত ও পঙ্গু করার দায়।

এই মামলায় অভিযুক্ত ২২ জনের মধ্যে বর্তমানে ৫ জন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা হলেন চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ফজলে করিম চৌধুরী, যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম, মো. ফিরোজ ও দেবাশীষ পাল দেবু।

সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলসহ বাকি ১৭ আসামি পলাতক রয়েছেন। পলাতক অন্য আসামিরা হলেন—চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।

এর আগে, টানা তিন কার্যদিবস শুনানি শেষে সোমবার আসামিপক্ষ তাদের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের ওপর বক্তব্য শেষ করে। আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুর রহমান দাবি করেন, এই মামলায় কারও বিরুদ্ধেই অভিযোগ গঠনের মতো কোনো উপাদান বা তথ্য-প্রমাণ নেই। একই সাথে পলাতক আসামিদেরও মামলা থেকে অব্যাহতি (ডিসচার্জ) দেওয়ার আবেদন জানান রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন, আবুল হাসান, ইশরাত জাহান ও মোহাম্মদ এনাম।

তবে প্রসিকিউশন পক্ষ গত ২২ জুন আসামিদের প্রাথমিক অপরাধ ও দায় বিবেচনা করে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের পক্ষে জোরালো আবেদন জানায়। তারও আগে, গত ৫ এপ্রিল প্রসিকিউশন ফরমাল চার্জ দাখিল করলে ৭ এপ্রিল ট্রাইব্যুনাল ২২ জনের বিরুদ্ধে আনা তিনটি অভিযোগ আমলে নিয়েছিলেন।

মন্তব্য

জাতীয়
India prepared 20 railway coaches for Bangladesh

বাংলাদেশের জন্য ২০টি রেলকোচ প্রস্তুত করল ভারত

বাংলাদেশের জন্য ২০টি রেলকোচ প্রস্তুত করল ভারত ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে আসার জন্য প্রস্তুত অবস্থায় আছে ২০টি ভারতীয় রেলকোচ। জুলাই মাসেই কোচগুলো বাংলাদেশে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় রেল বিভাগের কর্মকর্তারা।

২০২৪ সালে তৎকালীন আওয়ামী লীগ শাসনামলে ভারতের রেল বিভাগের অধীন রপ্তানি সংস্থা রাইটসের সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিল বাংলাদেশের সরকার। সেই চুক্তির শর্ত ছিল— বাংলাদেশে মোট ২০০ রেলকোচ রপ্তানি করবে ভারত। এসব কোচের মধ্যে ১২০টি ব্রডগেজ যাত্রী কোচ, ৩৬টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ এবং ১০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী এই ২০০ কোচের মূল্য হিসেবে ভারতকে ৯১৫ কোটি রুপি প্রদান করবে বাংলাদেশ। এই প্রকল্পে বাংলাদেশকে অর্থ সহায়তা দিয়েছে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (ইআইবি)।

ভারতের কেন্দ্রীয় রেল দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইকোনমিক টাইমসকে বলেন, ‘প্রথম চালান হিসেবে জুলাই মাসে ২০টি ব্রডগেজ কোচ বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য আমাদের যাবতীয় প্রস্তুতির কাজ শেষ। জুলাইয়ের যে কোনো দিন এই চালান বাংলাদেশে পাঠানো হবে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, পরবর্তী চালানগুলো আগামী ৩৬ মাসে পর্যায়ক্রমে পাঠানো হবে।’

প্রথম চালানের এই ২০টি কোচ তৈরি করা হয়েছে ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের কাপুরথালা এলাকায় অবস্থিত রেল কোচ কারখানায়। পরবর্তী কোচগুলোও সেখানেই প্রস্তুত করা হবে। ভারতের কেন্দ্রীয় রেল দপ্তরের ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রতিটি কোচের ওয়ারেন্টির মেয়াদ হবে ১৪ বছর।

মন্তব্য

জাতীয়
Dhaka University has led all democratic movements in the country Prime Minister

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণঅভ্যুত্থান, ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। বুধবার ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

তারেক রহমান বলেন, ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। এটি অবশ্যই আমাদের জন্য গৌরবের। এ উপলক্ষে আমি সম্মানিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯২১ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশে উচ্চশিক্ষার প্রসার, জ্ঞানচর্চা ও গবেষণায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান, ২০২৪ সালের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানসহ বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নেতৃত্ব দিয়েছেন। বিভিন্ন সময়ে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে হাজারো সম্ভাবনাময় শিক্ষার্থীকে জীবন দিতে হয়েছে।

সরকারপ্রধান বলেন, অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে আমরা দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এবার গণতন্ত্র সুসংহত করার পালা। এক্ষেত্রেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা রয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের এই যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অটোমেশনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রচলিত শিক্ষা কারিকুলামকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করার কোনো বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন কর্মপন্থা নির্ধারণ করা এখন সময়ের দাবি।

তারেক রহমান বলেন, প্রযুক্তিগত বিপ্লব মোকাবিলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার সিকিউরিটি, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল এন্টারপ্রেনারশিপ, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং, ন্যানোটেকনোলজি এবং ফাইভ-জি প্রযুক্তির মতো বিষয়গুলো শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত করার বিকল্প নেই। শিক্ষাকে শুধু সার্টিফিকেট-নির্ভর না রেখে কর্মদক্ষতা ও প্রায়োগিক শিক্ষার ওপর জোর দিতে হবে, যা বাস্তব জীবনে যেকোনো দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা অর্জনে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করবে। এ কারণেই তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে ইন্টার্নশিপ, অ্যাপ্রেন্টিসশিপ এবং ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদারের বিষয়টি শুধু পরিকল্পনা কিংবা পদক্ষেপ গ্রহণে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবায়ন জরুরি হয়ে পড়েছে।

তারেক রহমান আরও বলেন, মেধা ও একাডেমিক যোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার সংস্কৃতি জোরদার করতে হবে। বিশ্বের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণা ও উদ্ভাবনের দিকে আরও বেশি মনোযোগী হওয়া জরুরি।

সরকারপ্রধান বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অ্যালামনাই দেশে-বিদেশে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানে জ্ঞান, বিজ্ঞান, অর্থনীতি এবং বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। সেইসব প্রতিষ্ঠিত অ্যালামনাইকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নে সম্পৃক্ত করার সুযোগ রয়েছে। ব্রিটেনসহ বিশ্বের অনেক দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইরা গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পৃষ্ঠপোষকতা করে থাকেন। গবেষণা ও উদ্ভাবনে আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইদের আরো সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানাই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সৃজনশীল চর্চাকে শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে একটি বহুমাত্রিক শিক্ষা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। বৈশ্বিক কর্মবাজারে জায়গা করে নিতে শিক্ষার্থীদের বাংলা ও ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি একটি তৃতীয় ভাষায়ও পারদর্শী হতে হবে। প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি তাদের নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে।

তারেক রহমান আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কেও সচেতন হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকেই তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়। এক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করতে পারে। আমি ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

মন্তব্য

জাতীয়
Historical improvement in law and order situation in the country Home Minister

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘ঐতিহাসিক উন্নতি’ হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘ঐতিহাসিক উন্নতি’ হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

গত ১০-১৫ বছরের তুলনায়; বিশেষ করে ২০২৫ সালের চেয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘ঐতিহাসিক উন্নতি’ হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, গত পরশু আমি সংসদে খাতভিত্তিক অপরাধের পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেছি। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অধিকাংশ সূচকে আমরা ঐতিহাসিকভাবে উন্নত অবস্থানে আছি।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবিত দায়যুক্ত ব্যয় ব্যতীত অন্যান্য ব্যয় সম্পর্কিত মঞ্জুরি দাবির ওপর আলোচনায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে মন্ত্রণালয়ের জন্য ৩১ হাজার ৯৮ কোটি ৮৮ লাখ ১৫ হাজার টাকার বরাদ্দ কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিরোধী সদস্যদের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সমালোচনার জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অধিকাংশ অপরাধের সূচকে দৃশ্যমান অগ্রগতি এসেছে, যদিও ধর্ষণ মামলার সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে।

এর কারণ হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগে ধর্ষিতারা মামলা রেকর্ড করতে থানায় যেত না, বা সামাজিক-রাজনৈতিক বিভিন্ন হস্তক্ষেপের কারণে পারতো না। এখন থানায় গেলেই বা অনলাইনে তারা জিডিসহ এফআইআর দায়ের করতে পারে। এখানে কোন প্রতিবন্ধকতা নেই । যার ফলে সংখ্যাটা বৃদ্ধি পেয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত বিচার নিশ্চিতের বিষয়েও সরকারের অগ্রগতি রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, রামিসা হত্যা মামলার বিচার ১৭ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে, যা দেশের বিচারিক ইতিহাসে একটি রেকর্ড।

এছাড়া দীর্ঘদিন অমীমাংসিত তনু হত্যা মামলায় ডিএনএ রিপোর্টের ভিত্তিতে আসামি শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে পুলিশ কোনো গ্রেপ্তার করছে না। অপরাধীকে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য কোনো রাজনৈতিক পরিচয়কে আমরা প্রাধান্য দেব না।

তিনি বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বিভাগ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে ডগ স্কোয়াড, আধুনিক ল্যাবরেটরি, প্রশিক্ষিত জনবল ও প্রযুক্তিনির্ভর সরঞ্জাম যুক্ত করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, মাদক ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষেত্রেই সশস্ত্র থাকে। তাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আধুনিক সরঞ্জাম ও সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক জুয়া ও সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ১৮৬৭ সালের পুরোনো আইন বাদ দিয়ে আধুনিক জুয়া প্রতিরোধ আইন আনার উদ্যোগও চলছে।

এর আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০২৬-২৭ অর্থ বছরের বাজেটে ছাঁটাই প্রস্তাব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। দেশে ক্রমবর্ধমান হত্যা, ছিনতাই, ডাকাতি ও নারী-শিশু নির্যাতনের বিভিন্ন পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, মার্চ ও এপ্রিল মাসে সারাদেশে হত্যাকাণ্ড রেকর্ড করা হয় ৬০৫টি। একই সময়ে ২৯৪টি ছিনতাই, ৯০টি ডাকাতি, ১৯৬টি অপহরণ, ২২১৪টি চুরির ঘটনা এবং ১২৯টি পুলিশের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে । নারী ও শিশু নির্যাতন এ দুই মাসে নথিভুক্ত করা হয়েছে ৩ হাজার ৪৯৬টি।

জাতীয় দৈনিকের সংবাদের উদ্ধৃতি টেনে রুমিন ফারহানা বলেন, সারাদেশে প্রতিদিন গড়ে ১০টির বেশি খুনের ঘটনা ঘটছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Parliament passes new law to prevent online gambling

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে নতুন আইন পাস সংসদে

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে নতুন আইন পাস সংসদে ছবি: সংগৃহীত

বাজি বা পণ (বেটিং), ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ বিভিন্ন ধরনের জুয়া ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে নতুন আইন করতে বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। পাস হওয়া বিলে অনলাইন বেটিংয়ের অপরাধে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে জুয়া প্রতিরোধ বিল-২০২৬ পাস হয়। ১৮৬৭ সালের দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট রহিত করে নতুন আইন করা হচ্ছে।

নতুন আইনকে সমর্থন করলেও আইনে দেওয়া কিছু ক্ষমতার অপব্যবহারের আশঙ্কা করেছে বিরোধী দল। জুয়া প্রতিরোধের কথা বলে সরকারের সমালোচনাকারী কোনো ওয়েবসাইট, নিউজ পোর্টাল বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্লক করে দেওয়া হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের জন্য সংসদে তোলেন। বিলের ওপর বিরোধী দলের সদস্যদের আনা জনমত যাচাই-বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নিষ্পত্তি করেন স্পিকার।

বিলে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত হলে দুই বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

অনলাইন জুয়া বা দূরবর্তী জুয়ার অপরাধ করলে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

কেউ অনলাইন বেটিংয়ে সম্পৃক্ত হলে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংয়ের সাজা হবে সর্বোচ্চ সাত বছরের কারাদণ্ড বা অনূর্ধ্ব এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।

পাস হওয়া বিলে অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর, ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিং, জুয়ার স্থান, সামগ্রীসহ মোট ২৪ ধরনের বিষয় সংজ্ঞায়ন করে অপরাধের প্রকৃতিভেদে ১৪ ধরনের সাজার (অর্থদণ্ড/কারাদণ্ড/উভয় দণ্ড) বিধান রাখা হয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে