× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
Bangladesh Shop Owners Association demands to keep small traders exempt from VAT
google_news print-icon

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার দাবি বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির

ক্ষুদ্র-ব্যবসায়ীদের-ভ্যাটের-আওতামুক্ত-রাখার-দাবি-বাংলাদেশ-দোকান-মালিক-সমিতির

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ভ্যাটের আওতামুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। শনিবার রাজধানীর মগবাজারে সংগঠনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান তারা।

সংগঠনের নেতারা বলেন, রাজস্ব আদায় বাড়াতে মুদি দোকান, প্রসাধন সামগ্রীর দোকানসহ ১৬টি খুচরা ও সেবামূলক খাতকে সুনির্দিষ্ট করের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে এবারের বাজেটে। কিন্তু অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কীভাবে ভোক্তার কাছ থেকে ভ্যাট আদায় করবেন তা স্পষ্ট নয়। তারা বলেন, রাজস্বের বেশিরভাগই আসে বড় প্রতিষ্ঠান থেকে। ভ্যাট ফাঁকির পরিমাণ অনেক বেশি এসব প্রতিষ্ঠানেই। তাই খুচরা পর্যায়ে হয়রানি বন্ধ করার আহ্বান জানান তারা।

ব্যবসায়ী নেতাদের উপস্থাপিত তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে ৮ লাখ ভ্যাট নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এর মধ্যে লার্জ ট্যাক্সপেয়ার্স ইউনিটের (এলটিইউ) মাত্র ১০৯টি প্রতিষ্ঠান থেকে আসে মোট ভ্যাটের ৬০ শতাংশ। বৃহৎ ৫০০টি প্রতিষ্ঠান দেয় মোট ভ্যাটের ৯৮ শতাংশ, আর বাকি লাখ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীর অবদান মাত্র ২ শতাংশ। ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, এ বাস্তবতায় রাজস্ব প্রশাসনের প্রধান মনোযোগ হওয়া উচিত বড় করদাতাদের ওপর।

দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, দেশে প্রকৃত ভ্যাটদাতার সংখ্যা বাড়াতে খুচরা পর্যায়ে হয়রানি বন্ধ করে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুত অটোমেশন (স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি) চালু করা হোক। একই সঙ্গে এনবিআরকে খুচরা ও প্রান্তিক ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ সৃষ্টি না করে বড় খাতগুলো থেকে এবং উৎস পর্যায়ে ভ্যাট আদায়ের দাবি জানান হেলাল উদ্দিন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
News of 7 bodies floating in Turag river baseless Police HQ 

তুরাগ নদীতে ৭ লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ সদরদপ্তর 

তুরাগ নদীতে ৭ লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন: পুলিশ সদরদপ্তর  ফাইল ছবি

ঢাকার তুরাগ নদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাত নেতা-কর্মীর লাশ ভাসার খবর ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর। বাহিনীটি বলছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে এই ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদরদপ্তর এই অনুরোধ জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, একটি মহল এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। যারা এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে তৎপর রয়েছে।

কেউ এ ধরনের অপপ্রচারে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

এই ধরনের মিথ্যা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।

মন্তব্য

জাতীয়
Bangla QR is becoming mandatory from July
ক্যাশলেস লেনদেন আরও সহজ

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘বাংলা কিউআর’

জুলাই থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে ‘বাংলা কিউআর’ ফাইল ছবি

ক্যাশলেস বা নগদবিহীন লেনদেন আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ করতে আগামী ১ জুলাই থেকে বাধ্যতামূলকভাবে চালু হচ্ছে ‘বাংলা কিউআর’। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, একক এই কিউআর ব্যবস্থার মাধ্যমে ডিজিটাল লেনদেনের স্বচ্ছতা বাড়বে, কমবে নগদ টাকার ব্যবহার ও প্রতারণার ঝুঁকি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন এই নিয়মের ফলে ছোট থেকে বড় সব ধরনের ক্যাশলেস লেনদেন সহজ হবে।

এখন থেকে একজন বিক্রেতার দোকানে নগদ, বিকাশ, রকেট বা বিভিন্ন ব্যাংকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কিউআর কোড ঝুলিয়ে রাখতে হবে না। একটিমাত্র সর্বজনীন ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করেই যেকোনো গ্রাহক সহজে তার পেমেন্ট সম্পন্ন করতে পারবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার বলেন, ‘ক্যাশলেস লেনদেনকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করছে। ডিজিটাল এই পদ্ধতিতে লেনদেন বাড়লে টাকা ছাপানোর খরচ যেমন কমবে, তেমনি আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।’

আরেক ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমান জানান, ফুটপাত থেকে শুরু করে বড় বড় শপিংমল- সবখানেই নগদ টাকার লেনদেনের ঝুঁকি কমাবে এই বাংলা কিউআর। এর মাধ্যমে দেশের রাজস্ব আয়ও বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তবে ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ডিজিটাল লেনদেনে মোট প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে ৮১ হাজার ৪২৩টি। এসব জালিয়াতির মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় ১০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র। বাধ্যতামূলকভাবে সর্বজনীন বাংলা কিউআর চালু হলে এই ধরনের প্রতারণার ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

মন্তব্য

জাতীয়
Demand for quick budget allocation for the construction of Bhanga Kuakata 6 lane road

ভাঙ্গা-কুয়াকাটা ৬ লেন সড়ক নির্মাণে দ্রুত বাজেট বরাদ্দের দাবি

ভাঙ্গা-কুয়াকাটা ৬ লেন সড়ক নির্মাণে দ্রুত বাজেট বরাদ্দের দাবি

প্রস্তাবিত বাজেটে ভাঙা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেন সড়ক নির্মাণে বিশেষ অর্থ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের সাধারণ মানুষ। শনিবার সকালে রাজধানীর প্রেসক্লাবের সামনে দীর্ঘ লাইনের এক মানববন্ধনে এই দাবি জানানো হয়।

এ সময় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত, নদীভাঙন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং কুয়াকাটায় বিমানবন্দর করার দাবিও আসে। মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।

আলাল বলেন, ‘জনগণের কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হয়। মানুষ বড় প্রত্যাশা নিয়ে ভোট দিয়েছে। অতীতে বিশ্ববিদ্যালয়, সিটি করপোরেশন ও বিভাগ প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলো স্মরণ রেখেই তারা আশা করছে, বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত সরকার বরিশালের প্রতি ন্যায্য দৃষ্টি দেবে।

দেশের সব অঞ্চলের উন্নয়ন হোক, সেটিই তারা চান বলে জানান তিনি। বরিশালের ন্যায্য দাবি ও প্রাপ্যকে পাশ কাটিয়ে যাওয়া গ্রহণযোগ্য নয়, মনে করেন আলাল।

তারা সরকারের অংশ না হলেও সংসদে বরিশালের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে জানিয়ে আলাল বলেন, ‘স্পিকার, চিফ হুইপ, বরিশালের কয়েকজন মন্ত্রী এবং বিএনপি ও অন্যান্য দলের সংসদ সদস্যরা রয়েছেন। তাই বরিশালের অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া সংসদে জোরালোভাবে উত্থাপন করা উচিত।’

তার দাবি, ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত ৬ লেন সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য বাজেটে অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে। একই সঙ্গে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক, সহকারী, নার্স ও অন্যান্য জনবল নিয়োগ দিতে হবে।

আলাল বলেন, ‘শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নের স্বার্থে বরিশাল মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত করা উচিত।’ একই সঙ্গে নদীভাঙনকবলিত এলাকাগুলোতে মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘পায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে সেখানে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাই ওই এলাকাকে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) হিসেবে ঘোষণা দিতে হবে।’

কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের ভাঙনের প্রসঙ্গ তুলে আলাল বলেন, ‘সৈকতের অনেক অংশ বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের ঐতিহ্যও নষ্ট হচ্ছে।’ এ বিষয়ে সরকারের জোরালো পদক্ষেপ এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের জাতীয় সংসদে বিষয়টি জোরদারভাবে উত্থাপনের আহ্বান জানান তিনি।

মন্তব্য

জাতীয়
Malaysia assures legalization of illegal Bangladeshi workers Foreign Minister

অবৈধ বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধতার আশ্বাস দিয়েছে মালয়েশিয়া: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধ বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধতার আশ্বাস দিয়েছে মালয়েশিয়া: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় নতুন করে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ার পাশাপাশি দেশটিতে বর্তমানে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধতা দেওয়ার ব্যাপারে দেশটির সরকার ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সদ্য সমাপ্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে শনিবার (২৭ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কূটনৈতিক সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ পুনরায় শুরু করার পাশাপাশি সেখানে নানা জটিলতায় অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশিদের বৈধতা দেওয়ার বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক ও সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন। এর পাশাপাশি মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধানে ঢাকাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মালয়েশিয়া। একই সাথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রভাবশালী আঞ্চলিক জোট আসিয়ানে (ASEAN) বাংলাদেশের সদস্যপদ বা ডায়ালগ পার্টনারশিপ অর্জনের চলমান প্রচেষ্টায় কুয়ালালামপুর দৃঢ় সমর্থন জানাবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে।

দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী খলিলুর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন এক নতুন ঐতিহাসিক উচ্চতায় পৌঁছেছে।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আন্তরিক পরিবেশের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শেয়ার করা ঐতিহ্যবাহী ‘মহাজাদু’ গানটিও এখন দুই দেশের মধ্যকার গভীর ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের একটি অনন্য প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের নানাবিধ সুদূরপ্রসারী অর্জনের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের উত্তর বর্গের অর্থনৈতিক লাইফলাইন খ্যাত ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বা তিস্তা প্রকল্প’ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে চীন। এই লক্ষ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বা ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এগিয়ে নিতে দুই দেশই যৌথভাবে একমত প্রকাশ করেছে।

সংবাদ সম্মেলনের শেষভাগে সামগ্রিক মূল্যায়ন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জোরালোভাবে বলেন, এবারের উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্রীয় সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও অনেক বেশি গভীর, মজবুত ও বন্ধুত্বপূর্ণ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Urgent message for all foreigners including Bangladeshis from the US Embassy

বাংলাদেশিসহ সব বিদেশিদের জরুরি বার্তা মার্কিন দূতাবাসের

বাংলাদেশিসহ সব বিদেশিদের জরুরি বার্তা মার্কিন দূতাবাসের ফাইল ছবি

বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিকদের উদ্দেশে এক জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ করদাতাদের অর্থে পরিচালিত বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধার অনৈতিক সুবিধা বা অপব্যবহার করলে ভিসা বাতিলসহ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি দর্শনার্থী বা পর্যটক যদি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে সেখানকার করদাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার করেন কিংবা সেগুলোর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তবে তাদের কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

দূতাবাস স্পষ্ট জানিয়েছে, অনভিবাসী বা অস্থায়ী ভিসাধারীরা এই ধরনের অনিয়মে জড়ালে তাদের বর্তমান ভিসা সরাসরি বাতিল করা হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তাদের জন্য মার্কিন ভিসা পাওয়ার পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ বা অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সময় যেকোনো বিদেশি নাগরিককে নিজের যাবতীয় থাকা-খাওয়ার খরচ সম্পূর্ণ নিজেকেই বহন করতে হবে এবং এর জন্য যথাযথ পূর্বপ্রস্তুতি থাকতে হবে। অন্যের বা সরকারি তহবিলের ওপর নির্ভর করে ভ্রমণের চেষ্টা করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

মন্তব্য

জাতীয়
The World Bank is giving 11 billion dollars to Bangladesh

বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক ফাইল ছবি

বিশ্ববাজারে সার ও জ্বালানির দাম এবং সরবরাহে অস্থিরতা মোকাবিলা, খাদ্যনিরাপত্তা টেকসই রাখা এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশে দুটি প্রকল্পে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। গত শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্বব্যাংকের ওয়াবসাইটে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং রাজস্ব ব্যয়ের সীমাবদ্ধতা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। এতে ক্ষুদ্র কৃষক এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে এগিয়ে এসেছে বিশ্বব্যাংক। ধান উৎপাদনের জন্য সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, পরিবার, কর্মসংস্থান ও জীবিকা সুরক্ষা এবং জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

৩০০ মিলিয়ন ডলারের ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অর্থায়ন দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ২০২৬ সালের জুলাই-অক্টোবর আমন মৌসুম এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানিতে সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। দেশে মোট সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশিই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

এই প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ মেট্রিক টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানিতে অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক, যার অর্ধেকই ইউরিয়া সার। এতে ক্ষুদ্র কৃষকদের চাষ করা ১৪ লাখ হেক্টর জমির ধান উৎপাদন সহায়তা পাবে।

বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার সোলেমান কুলিবালি বলেন, বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা আমন ও বোরো ধান মৌসুমের ওপর নির্ভরশীল। এই দুই মৌসুম মিলিয়ে দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে। এ ছাড়া দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী কৃষি খাতে কর্মরত। তাই সার সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে তা শুধু খাদ্যনিরাপত্তাকেই ঝুঁকিতে ফেলবে না, দারিদ্র্য বাড়াবে এবং কর্মসংস্থানেও প্রভাব ফেলবে।

এছাড়া, ৭১৩ মিলিয়ন ডলারের ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ প্রকল্পের আওতায় দ্রুত ছাড়যোগ্য জরুরি ব্যয়ের ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য নগদ সহায়তা ও জীবিকা সহায়তা। সংকটকালে আয় স্থিতিশীল রাখা এবং কর্মসংস্থান সুরক্ষায় এ সহায়তা ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের আওতায় জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহেও অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। এর মধ্যে খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম, জ্বালানি এবং পানির মতো অপরিহার্য সেবা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রকল্পের অর্থ ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে ছাড় করা হবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞতিতে।

বিশ্বব্যাংকের লিড ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার লেসলি জেন ইউ করদেরো বলেন, বিশ্বব্যাংকের সংকট প্রস্তুতি ও সাড়া দেওয়ার টুলকিট বা ব্যবস্থার মাধ্যমে এ প্রকল্প বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিকভাবে তহবিল পাওয়ার সুযোগ দেবে। বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাস করে যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে সম্পদ বরাদ্দ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে আকস্মিক ধাক্কার প্রভাব থেকে মানুষ, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানগুলোকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে।

মন্তব্য

p
উপরে