× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
After the state visit Prime Minister Tariq Rahman returned to the country
google_news print-icon

রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাষ্ট্রীয়-সফর-শেষে-দেশে-ফিরলেন-প্রধানমন্ত্রী-তারেক-রহমান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌনে ৮টায় নিরাপদে অবতরণ করে। ছবি: সংগৃহীত

দ্বিপক্ষীয় গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফর শেষে মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) রাত পৌনে ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর প্রতিনিধিদলকে বহনকারী চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ এবং দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এই রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেশে ফিরেছেন। এর আগে বেইজিংয়ের স্থানীয় সময় বিকাল সোয়া ৫টায় তাঁরা ঢাকার উদ্দেশে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুন রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম ধাপে মালয়েশিয়ায় যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পরদিনই অর্থাৎ ২২ জুন বিকাল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হন।

চীন সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি।

সফরের শেষ অংশে শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে বেইজিংয়ে চীনের মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর, যা দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
The Prime Minister left for the country after his visit to China

চীন সফর শেষে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

চীন সফর শেষে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া ও চীনে ছয় দিনের ঐতিহাসিক রাষ্ট্রীয় সফর সফলভাবে সম্পন্ন করে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে তিনি বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ‘চায়না সাউদার্ন’-এর একটি বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকার পথে যাত্রা শুরু করেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে উষ্ণ বিদায় জানান চীনের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউয়ে শিয়াওইয়ং। বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে বিদায় জানাতে বিমানবন্দরে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও বিশেষ প্রটোকল প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের সাথে সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমানে আরোহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের শুরু হয়েছিল গত ২১ জুন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে কুয়ালালামপুর সফরের মধ্য দিয়ে। সেখানে দুই দিন অবস্থানের পর গত সোমবার তিনি চীনের দালিয়ানে পৌঁছান এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (WEF) উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। দালিয়ান থেকে গত বুধবার তিনি বুলেট ট্রেনে করে রাজধানী বেইজিংয়ে আসেন। বেইজিং সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন। এছাড়াও তিনি ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের চেয়ারম্যান ঝাও লেজির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং বেইজিংয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’ শীর্ষক এক বিনিয়োগ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর দুই দেশের রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে। বেইজিংয়ে সই হওয়া ১৩টি সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। আজ রাতেই প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের ঢাকায় অবতরণ করার কথা রয়েছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Beijings proposed economic corridor between Bangladesh Myanmar China

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের

বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক গ্রেট হল অব দ্য পিপলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি বিশেষ অর্থনৈতিক করিডোর প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শেষে বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এই নতুন দিগন্তকে বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে বর্ণনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন আলোচনার প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘আজকে কানেক্টিভিটি নিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিস্তারিত কথা হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি ইকোনোমিক করিডোর তৈরির প্রস্তাব এসেছে। এই ইকোনোমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ট্রানজেকশন বাড়ানো এবং মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্টেশনকে আরো এনহ্যান্স করা।’ করিডোর ছাড়াও বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দরগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চীন বিশেষ বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বন্দরকে একটি শক্তিশালী রিজিওনাল হাব বা আঞ্চলিক কেন্দ্রে রূপান্তর করতে এবং মোংলা পোর্টকে আরও বেশি আধুনিক ও সেবাধর্মী করার লক্ষ্যে বেইজিং কারিগরি ও অবকাঠামোগত সহায়তা প্রদানের প্রস্তাব দিয়েছে।

বৈঠকে দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বা 'পিপল টু পিপল কানেক্ট' বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। শিক্ষা, সংস্কৃতি, গণমাধ্যম এবং প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ম্যান্ডারিন ভাষাকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে অগ্রাধিকার দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে চীন শিক্ষক ও অবকাঠামো দিয়ে সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার উন্নয়নেও চীন তাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সাথে শেয়ার করতে আগ্রহী বলে জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়নে দুই দেশের মধ্যে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি হতে যাচ্ছে। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে রোবোটিক সার্জারিসহ উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং আধুনিক হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশিদের জন্য চিকিৎসার প্রয়োজনে চীন ভ্রমণের ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করার বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের ভূমিকা নিয়ে মাহদী আমিন জানান, বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বেইজিং যেকোনো ধরনের সংলাপ ও সহযোগিতায় প্রস্তুত রয়েছে।

পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে প্রথমবারের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা বা আন্ডারস্ট্যান্ডিং তৈরি হয়েছে, যার ফলে আগামী দিনগুলোতে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের মধ্যে নিয়মিত সংলাপের আয়োজন করা হবে। একই সাথে বৈশ্বিক জোট ব্রিকসে (BRICS) বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষাকে চীন স্বাগত জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে দেশটির টেকসই উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী সহযোগিতার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এই উচ্চপর্যায়ের সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Initiative to launch special allowance for families of missing persons will ensure prosecution of those responsible Minister of Local Government

গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ, দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ, দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং গুমের সঙ্গে জড়িত দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘International Day in Support of Victims of Torture-2026’ উপলক্ষে ‘ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের অধিকার’ বিষয়ক জাতীয় সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

গুমের শিকার পরিবারের জন্য বিশেষ ভাতা চালুর উদ্যোগ, দায়ীদের বিচার নিশ্চিত করা হবে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

মন্ত্রী বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ ভাতা চালু করা হবে। বিষয়টি চলতি বাজেটেই অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলমান থাকবে। সকল লড়াই-সংগ্রামে সরকার আপনাদের পাশে থাকবে।

সংলাপে বিগত শাসনামলে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। স্বজন হারানোর বেদনাময় স্মৃতিচারণ ও আহাজারিতে মিলনায়তনের পরিবেশ আবেগঘন হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, এখন কান্নার সময় নয়, এখন সময় অধিকার আদায়ের, এখন সময় ন্যায়বিচার পাওয়ার। তিনি মানবাধিকার কমিশনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি গুম-সংক্রান্ত একটি সংসদীয় কমিটি গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংলাপে আরও উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম তুলি, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চিফ প্রসিকিউটর মোঃ আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিবৃন্দ।

এই আয়োজনে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে তাঁদের প্রত্যাশা ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।

মন্তব্য

জাতীয়
The Prime Minister is returning home at night with instructions not to have a showdown

রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করার নির্দেশনা

রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করার নির্দেশনা ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া ও চীনে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সফল রাষ্ট্রীয় সফর শেষে আজ শুক্রবার রাতে সরাসরি বেইজিং থেকে ঢাকা পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে কোনো প্রকার শোডাউন, রাজনৈতিক মিছিল কিংবা গণজমায়েত না করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং সড়কপথে সাধারণ মানুষের চলাচল সুশৃঙ্খল রাখতে এই বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন যে, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর মাধ্যমে এই নির্দেশনার কথা সকল স্তরের নেতাকর্মীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিশেষ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর এই দ্বিমুখী সফর বাংলাদেশের কূটনীতি ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের সাফল্যের বার্তা নিয়ে এসেছে। বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং দুটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আগে তাঁর মালয়েশিয়া সফরেও দুই দেশের মধ্যে তিনটি চুক্তি ও একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। এই সফরগুলোর মাধ্যমে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মন্তব্য

জাতীয়
Prime Ministers condolence over earthquake casualties in Venezuela

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) এক শোকবার্তায় বাংলাদেশের সরকারপ্রধান এই মর্মন্তুদ ঘটনায় নিজের ব্যথার কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ভূমিকম্পে বহু মানুষের মর্মান্তিক প্রাণহানি এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’

শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘যেসব পরিবার তাদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাদের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আমি গভীর সমবেদনা জানাই। আহত প্রত্যেকের দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং এই কঠিন সময়ে ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি।’ দুর্যোগের এই ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি ভেনেজুয়েলা সরকারের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা ও সাফল্য কামনা করেন।

এদিকে ভেনেজুয়েলায় সংঘটিত এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নিহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। বুধবার সন্ধ্যায় পর পর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে রাজধানী কারাকাসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো। রিখটার স্কেলে কম্পন দুটির মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৭ দশমিক ১ এবং সাড়ে ৭। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩৫ জনের প্রাণহানি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভেনেজুয়েলার স্বাস্থ্যমন্ত্রী কারলোস আলভ্যারাডো জানিয়েছেন যে, ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া অনেক মানুষকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে অন্তত ২৩৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যারা হয় আগেই মারা গিয়েছিলেন, নয়তো হাসপাতালে আনার পথেই প্রাণ হারিয়েছেন।’ ভয়াবহ এই দুর্যোগের পর কারাকাসের পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন।

মন্তব্য

জাতীয়
Prime Ministers condolence over earthquake casualties in Venezuela

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক

ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) এক শোকবার্তায় বাংলাদেশের সরকারপ্রধান এই মর্মন্তুদ ঘটনায় নিজের ব্যথার কথা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা ভূমিকম্পে বহু মানুষের মর্মান্তিক প্রাণহানি এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।’

শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ‘যেসব পরিবার তাদের প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাদের প্রতি বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে আমি গভীর সমবেদনা জানাই। আহত প্রত্যেকের দ্রুত সুস্থতা কামনা এবং এই কঠিন সময়ে ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছি।’ দুর্যোগের এই ক্রান্তিকালে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত সাধারণ মানুষের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি ভেনেজুয়েলা সরকারের দ্রুত ঘুরে দাঁড়ানোর সক্ষমতা ও সাফল্য কামনা করেন।

এদিকে ভেনেজুয়েলায় সংঘটিত এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নিহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। বুধবার সন্ধ্যায় পর পর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে রাজধানী কারাকাসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো। রিখটার স্কেলে কম্পন দুটির মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৭ দশমিক ১ এবং সাড়ে ৭। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৩৫ জনের প্রাণহানি নিশ্চিত হওয়া গেছে। ভেনেজুয়েলার স্বাস্থ্যমন্ত্রী কারলোস আলভ্যারাডো জানিয়েছেন যে, ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া অনেক মানুষকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে অন্তত ২৩৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, যারা হয় আগেই মারা গিয়েছিলেন, নয়তো হাসপাতালে আনার পথেই প্রাণ হারিয়েছেন।’ ভয়াবহ এই দুর্যোগের পর কারাকাসের পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংকটাপন্ন।

মন্তব্য

জাতীয়
Amendment of the Anti Drug Act is going up in Parliament in two days Home Minister

দুই-একদিনেই সংসদে উঠছে মাদক প্রতিরোধ আইন সংশোধনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দুই-একদিনেই সংসদে উঠছে মাদক প্রতিরোধ আইন সংশোধনী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

দেশের মাদক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের আত্মরক্ষায় আধুনিক অস্ত্র প্রদানের পাশাপাশি তাদের ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, “মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের কর্মকর্তাদের আধুনিক অস্ত্র দেওয়া হচ্ছে। এজন্য আগামী দুই এক দিনের মধ্যে আইন সংশোধন হবে। আইন সংশোধন হলে তারা আধুনিক অস্ত্র হিসেবে নাইন এমএম অস্ত্র পাবেন।” শুধু অস্ত্র নয়, তাদের কাজের পরিধি ও দক্ষতা বাড়াতে হাজতখানা ও প্রশিক্ষিত কুকুরও সরবরাহ করা হবে। এছাড়া দেশের প্রতিটি জেলায় উন্নত মাদক পরীক্ষার ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে সিনথেটিক ও সেমি সিনথেটিক মাদকের ব্যাপক বিস্তারের ফলে বিপুল সংখ্যক মানুষ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। মাদক চক্রগুলো অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করলেও আমাদের কর্মকর্তাদের কাছে প্রয়োজনীয় অস্ত্র না থাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার আইনের ভিত্তিগুলো আরও শক্তভাবে দাঁড় করাতে বদ্ধপরিকর। পুরনো আইন সংশোধন করে বর্তমান সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা হচ্ছে এবং সাইবার আইনগুলোও আরও কঠোর করা হচ্ছে।

মাদক মামলার জট প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, “ঢাকায় মাদকের ৮০ হাজার মামলা হয়েছে। সেগুলো এখনো চলছে।” তিনি সমাজের বিভিন্ন স্তরে নারী, শিশু ও কিশোরসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের মাদকে আসক্ত হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মাদক নির্মূলে প্রশাসনকে আরও কঠোর অবস্থানে থাকার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে থাকার জন্য বিশেষ বার্তা দেন তিনি।

মন্তব্য

p
উপরে