× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
The Prime Minister is returning home at night with instructions not to have a showdown
google_news print-icon

রাতে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী, শোডাউন না করার নির্দেশনা

রাতে-দেশে-ফিরছেন-প্রধানমন্ত্রী-শোডাউন-না-করার-নির্দেশনা
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া ও চীনে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সফল রাষ্ট্রীয় সফর শেষে আজ শুক্রবার রাতে সরাসরি বেইজিং থেকে ঢাকা পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমনকে কেন্দ্র করে কোনো প্রকার শোডাউন, রাজনৈতিক মিছিল কিংবা গণজমায়েত না করার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম এবং সড়কপথে সাধারণ মানুষের চলাচল সুশৃঙ্খল রাখতে এই বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন যে, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভীর মাধ্যমে এই নির্দেশনার কথা সকল স্তরের নেতাকর্মীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিশেষ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি মহাসচিব ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ এবং সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

প্রধানমন্ত্রীর এই দ্বিমুখী সফর বাংলাদেশের কূটনীতি ও অর্থনীতিতে বড় ধরনের সাফল্যের বার্তা নিয়ে এসেছে। বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং দুটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর আগে তাঁর মালয়েশিয়া সফরেও দুই দেশের মধ্যে তিনটি চুক্তি ও একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। এই সফরগুলোর মাধ্যমে আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Malaysia assures legalization of illegal Bangladeshi workers Foreign Minister

অবৈধ বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধতার আশ্বাস দিয়েছে মালয়েশিয়া: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অবৈধ বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধতার আশ্বাস দিয়েছে মালয়েশিয়া: পররাষ্ট্রমন্ত্রী পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় নতুন করে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়ার পাশাপাশি দেশটিতে বর্তমানে অবস্থানরত অবৈধ বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধতা দেওয়ার ব্যাপারে দেশটির সরকার ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সদ্য সমাপ্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে শনিবার (২৭ জুন) সচিবালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কূটনৈতিক সাফল্যের তথ্য নিশ্চিত করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ পুনরায় শুরু করার পাশাপাশি সেখানে নানা জটিলতায় অবৈধ হয়ে পড়া বাংলাদেশিদের বৈধতা দেওয়ার বিষয়ে অত্যন্ত ইতিবাচক ও সুনির্দিষ্ট আশ্বাস দিয়েছেন। এর পাশাপাশি মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধানে ঢাকাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মালয়েশিয়া। একই সাথে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রভাবশালী আঞ্চলিক জোট আসিয়ানে (ASEAN) বাংলাদেশের সদস্যপদ বা ডায়ালগ পার্টনারশিপ অর্জনের চলমান প্রচেষ্টায় কুয়ালালামপুর দৃঢ় সমর্থন জানাবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে।

দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী খলিলুর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এই সফরের মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন এক নতুন ঐতিহাসিক উচ্চতায় পৌঁছেছে।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আন্তরিক পরিবেশের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর শেয়ার করা ঐতিহ্যবাহী ‘মহাজাদু’ গানটিও এখন দুই দেশের মধ্যকার গভীর ও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের একটি অনন্য প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের নানাবিধ সুদূরপ্রসারী অর্জনের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের উত্তর বর্গের অর্থনৈতিক লাইফলাইন খ্যাত ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বা তিস্তা প্রকল্প’ বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ কারিগরি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা করতে সম্মত হয়েছে চীন। এই লক্ষ্যে প্রস্তাবিত প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা বা ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজ অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এগিয়ে নিতে দুই দেশই যৌথভাবে একমত প্রকাশ করেছে।

সংবাদ সম্মেলনের শেষভাগে সামগ্রিক মূল্যায়ন করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জোরালোভাবে বলেন, এবারের উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় রাষ্ট্রীয় সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় আরও অনেক বেশি গভীর, মজবুত ও বন্ধুত্বপূর্ণ পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Urgent message for all foreigners including Bangladeshis from the US Embassy

বাংলাদেশিসহ সব বিদেশিদের জরুরি বার্তা মার্কিন দূতাবাসের

বাংলাদেশিসহ সব বিদেশিদের জরুরি বার্তা মার্কিন দূতাবাসের ফাইল ছবি

বাংলাদেশিসহ বিদেশি নাগরিকদের উদ্দেশে এক জরুরি সতর্কবার্তা দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ করদাতাদের অর্থে পরিচালিত বিভিন্ন সরকারি সুযোগ-সুবিধার অনৈতিক সুবিধা বা অপব্যবহার করলে ভিসা বাতিলসহ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি দর্শনার্থী বা পর্যটক যদি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে সেখানকার করদাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো জনকল্যাণমূলক সুবিধার অপব্যবহার করেন কিংবা সেগুলোর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, তবে তাদের কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

দূতাবাস স্পষ্ট জানিয়েছে, অনভিবাসী বা অস্থায়ী ভিসাধারীরা এই ধরনের অনিয়মে জড়ালে তাদের বর্তমান ভিসা সরাসরি বাতিল করা হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে তাদের জন্য মার্কিন ভিসা পাওয়ার পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ বা অযোগ্য ঘোষণা করা হতে পারে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের সময় যেকোনো বিদেশি নাগরিককে নিজের যাবতীয় থাকা-খাওয়ার খরচ সম্পূর্ণ নিজেকেই বহন করতে হবে এবং এর জন্য যথাযথ পূর্বপ্রস্তুতি থাকতে হবে। অন্যের বা সরকারি তহবিলের ওপর নির্ভর করে ভ্রমণের চেষ্টা করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

মন্তব্য

জাতীয়
The World Bank is giving 11 billion dollars to Bangladesh

বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক ফাইল ছবি

বিশ্ববাজারে সার ও জ্বালানির দাম এবং সরবরাহে অস্থিরতা মোকাবিলা, খাদ্যনিরাপত্তা টেকসই রাখা এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশে দুটি প্রকল্পে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। গত শুক্রবার (২৬ জুন) বিশ্বব্যাংকের ওয়াবসাইটে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটানের ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেসমে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং রাজস্ব ব্যয়ের সীমাবদ্ধতা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। এতে ক্ষুদ্র কৃষক এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিতে এগিয়ে এসেছে বিশ্বব্যাংক। ধান উৎপাদনের জন্য সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, পরিবার, কর্মসংস্থান ও জীবিকা সুরক্ষা এবং জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে এ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

৩০০ মিলিয়ন ডলারের ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি’ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অর্থায়ন দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে ২০২৬ সালের জুলাই-অক্টোবর আমন মৌসুম এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানিতে সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক। দেশে মোট সারের চাহিদার ৮৫ শতাংশের বেশিই বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়।

এই প্রকল্পের আওতায় ৬ লাখ মেট্রিক টন গুরুত্বপূর্ণ সার আমদানিতে অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক, যার অর্ধেকই ইউরিয়া সার। এতে ক্ষুদ্র কৃষকদের চাষ করা ১৪ লাখ হেক্টর জমির ধান উৎপাদন সহায়তা পাবে।

বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট ও প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার সোলেমান কুলিবালি বলেন, বাংলাদেশের খাদ্যনিরাপত্তা আমন ও বোরো ধান মৌসুমের ওপর নির্ভরশীল। এই দুই মৌসুম মিলিয়ে দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে। এ ছাড়া দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী কৃষি খাতে কর্মরত। তাই সার সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটলে তা শুধু খাদ্যনিরাপত্তাকেই ঝুঁকিতে ফেলবে না, দারিদ্র্য বাড়াবে এবং কর্মসংস্থানেও প্রভাব ফেলবে।

এছাড়া, ৭১৩ মিলিয়ন ডলারের ‘কনটিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স’ প্রকল্পের আওতায় দ্রুত ছাড়যোগ্য জরুরি ব্যয়ের ক্ষেত্রে সহায়তা দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য নগদ সহায়তা ও জীবিকা সহায়তা। সংকটকালে আয় স্থিতিশীল রাখা এবং কর্মসংস্থান সুরক্ষায় এ সহায়তা ভূমিকা রাখবে।

প্রকল্পের আওতায় জরুরি সেবা অব্যাহত রাখতে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহেও অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। এর মধ্যে খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম, জ্বালানি এবং পানির মতো অপরিহার্য সেবা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। প্রকল্পের অর্থ ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে ছাড় করা হবে বলে জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞতিতে।

বিশ্বব্যাংকের লিড ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার লেসলি জেন ইউ করদেরো বলেন, বিশ্বব্যাংকের সংকট প্রস্তুতি ও সাড়া দেওয়ার টুলকিট বা ব্যবস্থার মাধ্যমে এ প্রকল্প বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিকভাবে তহবিল পাওয়ার সুযোগ দেবে। বিদ্যমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থ পুনর্বিন্যাস করে যেখানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন, সেখানে সম্পদ বরাদ্দ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে আকস্মিক ধাক্কার প্রভাব থেকে মানুষ, ব্যবসা ও কর্মসংস্থানগুলোকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব হবে।

মন্তব্য

জাতীয়
After the visit to China the Prime Minister visited the graves of his parents

চীন সফর শেষে পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী

চীন সফর শেষে পিতা-মাতার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া ও চীন সরকারের রাষ্ট্রীয় আমন্ত্রণে নিজের প্রথম বিদেশ সফর অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে সমাপ্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী। স্বদেশে ফিরেই পরদিনই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও জিয়ারত সম্পন্ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরস্থ জিয়া উদ্যানে শায়িত পিতা-মাতার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি সেখানে পবিত্র ফাতেহা পাঠ করেন এবং মোনাজাতের মাধ্যমে মরহুমদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। ওই সময় প্রধানমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলাম, সহকারী একান্ত সচিব-২ আব্দুর রহমান সানীসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে শুক্রবার (২৬ জুন) রাত ৮টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরকারী দলকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে অবতরণের পর প্রধানমন্ত্রীকে পুষ্পস্তবকে বরণ করে নেন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

উল্লেখ্য যে, জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে যোগদানের প্রাক্কালে পূর্বনির্ধারিত সূচির বাইরে গিয়েই শেরেবাংলা নগরের মাজার কমপ্লেক্সে পিতা-মাতার সমাধি জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মন্তব্য

জাতীয়
A motion of thanks was passed in Parliament for the success of the Prime Ministers Malaysia China visit

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরের সাফল্যে সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া-চীন সফরের সাফল্যে সংসদে ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়া ও চীন ভ্রমণে ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ স্বাক্ষর রাখায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে জাতীয় সংসদে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। আজ শনিবার প্রাতঃকালীন অধিবেশনে সর্বসম্মত সম্মতিক্রমে এই প্রস্তাবটি পাস করা হয়। গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও গণচীন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সংসদীয় সভার প্রারম্ভে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই ধন্যবাদ প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। প্রস্তাবটির ওপর সংক্ষিপ্ত পর্যালোচনার পর স্পিকার সেটি ভোটে দিলে বিরোধী দলসহ সকল সদস্য সমর্থন জানান, ফলে এটি সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম মন্তব্য করেন যে, ‘প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। এ সফরের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও সুদৃঢ় হবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ‘অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়নের পক্ষে এই সফর ছিল অত্যন্ত বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। সফরে দেশের নিরাপত্তা প্রশ্নে বিশ্ববাসীরও দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে জাতি ত্যাগ ও তিতিক্ষার বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, এরপর বহু কঠিন সময় অতিক্রম করতে হয়েছে। অতীতে এমন সরকারও ছিল যারা স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো প্রচেষ্টা গ্রহণ করেনি।’ সংসদ প্রধানের এই সফল রাষ্ট্রীয় সফরের কারণে দেশবাসী নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন এবং ‘বর্তমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের ফলে দেশবাসী আশান্বিত হয়েছেন এবং সাধারণ মানুষও সফরটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার বক্তব্যে ব্যক্ত করেন যে, ‘এ সফরটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। সফলতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী অনেকগুলো চুক্তি সম্পন্ন করেছেন। চীন ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।’ পূর্ববর্তী শাসনের সমালোচনা করে তিনি জানান যে, ‘ফ্যাসিবাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদেশে যাওয়ার সময় ও দেশে ফিরে সংবর্ধনা নিতেন’ তবে তারেক রহমান এই সংস্কৃতি রদ করেছেন। মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ‘তারেক রহমান এই চর্চা বন্ধ করেছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, কোনো ধরণের সংবর্ধনা দেওয়া যাবে না।’ এই সফরে চীনের সঙ্গে ১৭টি এমওইউ হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রপতি সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়া ও গণচীনের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তারা তাদের ভূমিকা অক্ষুণ্ণ রাখবেন।’

আলোচনায় অংশ নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন প্রধানমন্ত্রী শুরু করেছেন। উনি যাওয়া বা আসার সময় বিমানবন্দরে হাজার লোকের সংবর্ধনা নেননি। সফর ছিল বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির উপর ভিত্তি করে। প্রতিটি দেশের সম্পর্ক হবে পারস্পরিক সম্মান, পারস্পরিক স্বার্থ, কারও হস্তক্ষেপ নয় এবং নিজস্ব সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে। প্রধানমন্ত্রীর সফর তা করেছেন।’ মালয়েশিয়া ও চীনের সাথে দ্বিপাক্ষিক নানাবিধ স্বার্থের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এটা আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতি শুধু নয়, বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কি হবে, পররাষ্ট্রনীতি কেমন হবে, তা নিশ্চিত করেছে।’

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বলেন, ‘দেশটা সবার। আমরা সবাই স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির কথা বলে থাকি। এক্ষেত্রে বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যেটুকু করণীয়, সরকারকে আশ্বস্ত করছি, সহযোগিতা করব। যে দুই দেশে সফর হয়েছে, তারা বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু।’ দেশের বাণিজ্য পরিস্থিতি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির মন্তব্য করেন যে, ‘বাংলাদেশ একটি আমদানিনির্ভর দেশ। আমাদের রপ্তানির চেয়ে আমদানি অনেক বেশি। রপ্তানি বৃদ্ধিতে সংক্ষিপ্ত, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার। আশা করি, প্রধানমন্ত্রী তার সফরে এ বিষয়গুলোতে আলোচনা করেছেন। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার স্বার্থে, বিদেশের সঙ্গে যতগুলো মৌলিক চুক্তি সম্পাদিত হবে তা এই সংসদে নিয়ে আসা উচিত। সমঝোতা স্বারক বা চুক্তি যাই হোক সেটা হবে দুই দেশের স্বার্থের ভিত্তিতে। আমরা কাউকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে চাই না। আমরাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে চাই না। সরকার যেনো সংসদকে এড়িয়ে কিছুই না করে।’

আলোচনার সমাপ্তিতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ধন্যবাদ প্রস্তাবটি পুনরায় কণ্ঠভোটে দিলে সেখানে বলা হয়, ‘সংসদের অভিমত এই যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২১ জুন থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া এবং চীন সফরে অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য এই মহান সংসদ প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে।’ কণ্ঠভোটে প্রস্তাবটি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।

ছয় দিনের এই গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সফর শেষে গত শুক্রবার দিবাগত রাত সোয়া ৮টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রতিনিধিদল। সেখানে তাকে অভ্যর্থনা জানান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম।

মন্তব্য

জাতীয়
PMs state visit improves ties with China Mahdi Amin

প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও উন্নত হয়েছে: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় সফরে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও উন্নত হয়েছে: মাহদী আমিন ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। একই সাথে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সার্বিক উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার ব্যাপারে চীনের শীর্ষ নেতৃত্ব সম্পূর্ণ ঐকমত্য পোষণ করেছে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ঢাকায় ফিরে আসার পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মাহদী আমিন এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। এ সময় বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, সুজন মাহমুদ, শাহাদাৎ স্বাধীন এবং সহকারী প্রেস সচিব কেএম নাজমুল হক খান উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। সফরে মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের কীভাবে সর্বোচ্চ উন্নয়ন করা যায়, সেই সমস্ত বিষয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও সুনির্দিষ্ট আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে চীনের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে দেওয়া করিডরের প্রস্তাবের বিষয়টি বাংলাদেশ অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছে, যা আগামী দিনে এ দেশীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিদেশি বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে।

এর আগে গত ২১ জুন রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম ধাপে মালয়েশিয়ায় যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পরদিনই অর্থাৎ ২২ জুন বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হন।

চীন সফরকালে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এক বিশেষ দ্বিপক্ষীয় সাক্ষাৎসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন। সফরের শেষ ভাগে শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে বেইজিংয়ে চীনের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী।

এরপর বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় বেইজিং বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে বহনকারী চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি রাত পৌনে ৮টায় ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম আনুষ্ঠানিক বিদেশ সফর।

মন্তব্য

জাতীয়
After the state visit Prime Minister Tariq Rahman returned to the country

রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌনে ৮টায় নিরাপদে অবতরণ করে। ছবি: সংগৃহীত

দ্বিপক্ষীয় গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফর শেষে মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে রাজধানী ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) রাত পৌনে ৮টায় প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর প্রতিনিধিদলকে বহনকারী চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ এবং দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এই রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল দেশে ফিরেছেন। এর আগে বেইজিংয়ের স্থানীয় সময় বিকাল সোয়া ৫টায় তাঁরা ঢাকার উদ্দেশে বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য, গত ২১ জুন রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম ধাপে মালয়েশিয়ায় যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পরদিনই অর্থাৎ ২২ জুন বিকাল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হন।

চীন সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফলপ্রসূ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি।

সফরের শেষ অংশে শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে বেইজিংয়ে চীনের মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গেও শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর, যা দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

মন্তব্য

p
উপরে