× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
BCB president elected It is Tamim Iqbal
google_news print-icon

বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল

বিসিবি-সভাপতি-নির্বাচিত-
হলেন-তামিম-ইকবাল-

সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে জয় পান জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। এবার সভাপতিও নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। অবশ্য সভাপতি নির্বাচনে ভোটের প্রয়োজন পড়েনি। তামিমই একমাত্র সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন। তাই বিসিবির ১৮তম এবং নির্বাচিত ষষ্ঠ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিচ্ছেন। সহসভাপতি হয়েছেন ফাহিম সিনহা

রোববার মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে সকাল ১০টার দিকে শুরু ভোটগ্রহণ। বিকাল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষ হয়। প্রাপ্ত ভোটে ঢাকার ক্লাব থেকে জিতেছেন তামিম ইকবাল, মাসুদুজ্জামান, রফিকুল ইসলাম বাবু, ইয়াসির আব্বাস, ইসরাফিল খসরু, সাঈদ ইব্রাহিম, শাহনিয়ান তানিম, ফাহিম সিনহা, ইয়াসির ফয়সাল, আসিফ রাব্বানি, ডা. মাহবুব শামীম, সাকেফ আহমেদ সালাম।

যেখানে সর্বোচ্চ ৭৩ ভোট পেয়েছেন তামিম ইকবাল। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭২ ভোট পেয়েছেন সাইদ ইব্রাহিম আহমেদ এবং ইশরাফিল খসরু। এরপর মাসুদুজ্জামান ৭০ এবং ফয়সাল ইয়াসির পেয়েছেন ৬৮ ভোট।

ফাহিম সিনহা এবং শানিয়ান তানিম ৬৬টি করে ভোট পেয়েছেন। আসিফ রাব্বানী ৬৪, মির্জা ইয়াসির আব্বাস ৬৩টি ভোট পেয়েছেন। রফিকুল ইসলাম বাবু ৫৩ এবং ড. শামীম ৪১ ভোট পেয়েছেন । ক্লাব ক্যাটাগরিতে মোট ভোট ছিল ৭৬টি। এর মধ্যে ৭৪টি ভোট কাস্ট হয়েছে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
In women and child abuse cases A special bench is being launched in the High Court

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় হাইকোর্টে চালু হচ্ছে বিশেষ বেঞ্চ

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায়
হাইকোর্টে চালু হচ্ছে বিশেষ বেঞ্চ

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের মামলার আপিল দ্রুত নিষ্পত্তিতে হাইকোর্টে বিশেষ বেঞ্চ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। রোববার আপিল বিভাগের এজলাসে অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলের একটি প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী এ সিদ্ধান্ত দেন। এ উদ্যোগের ফলে আপিল নিষ্পত্তিতে বছরের পর বছর ধরে চলা বিলম্বের অবসান ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

গতকাল রোববার নিজ কার্যালয়ে রুহুল কুদ্দুস কাজল শিশু রামিসা হত্যা মামলার রায়ের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘অতিসম্প্রতি সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর যে নির্মম হত্যাকাণ্ড-শিশু রামিসা হত্যা ও ধর্ষণের যে মামলা, তার রায় ৭ জুন প্রকাশিত হয়েছে, যা ঘোষিত হয়েছে নিম্ন আদালত কর্তৃক এবং দুজন আসামির মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’

হাইকোর্টের অনুমোদন ছাড়া এ রায় যে চূড়ান্ত নয় তা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এমন অনেক চাঞ্চল্যকর মামলার রায় হয় কিন্তু মানুষ এই রায় কার্যকর হতে দেখতে পায় না বিলম্বের কারণে।’

রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আমরা যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা সবসময় বলে থাকি, যতক্ষণ না সেই শাস্তি কার্যকর হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত রায়ের ব্যাপারে মানুষের শঙ্কা থেকে যাচ্ছে। এমন একটি পরিস্থিতিতে আমি উন্মুক্ত আদালতে প্রধান বিচারপতির দৃষ্টিতে এটি এনেছি।’ এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতি তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেন বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

তিনি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি নারী এবং শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে এই জাতীয় মামলা, অর্থাৎ শিশু রামিসা, আছিয়া এবং রসু খাঁ মামলাগুলো শুনানির জন্য হাইকোর্টে একটি সুনির্দিষ্ট বেঞ্চ গঠন করবেন, যেটি আগামী রোববার থেকে কার্যকর হবে।’

এই বেঞ্চটি কেবল এ ধরনের মামলার জন্য নির্ধারিত থাকবে জানিয়ে কাজল বলেন, ‘অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের পক্ষ থেকে আমাদের নিয়োজিত আইন কর্মকর্তারা কোনো মামলায় কোনো রকম অ্যাডজর্নমেন্ট চাইবেন না। কোনো অ্যাডজর্নমেন্ট ছাড়াই এই মামলাগুলো শুনানির জন্য আমি আমাদের আইন কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশনা দিয়েছি।’

ছুটির মধ্যেও বিচারিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখায় বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরবে বলে আশা প্রকাশ করেন রাষ্ট্রের এই আইন কর্মকর্তা।

রুহুল কুদ্দুস কাজল আরও বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের বিচারিক আদালতগুলোতে ছুটি চলছে। এই ছুটির মধ্যেও নারী এবং শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এবং আদালতের কার্যক্রম প্রধান বিচারপতি অব্যাহত রেখেছেন।’

প্রধান বিচারপতির এই উদ্যোগকে ‘মাইলফলক’ বর্ণনা করে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘বিচারকে ত্বরান্বিত করার জন্যে, মানুষের প্রত্যাশা পূরণের জন্য, বিশেষ করে আদালতের প্রতি মানুষের যে আস্থা সে আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্যে তিনি আজকে যে উদ্যোগটি গ্রহণ করেছেন, সেটিও একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।’

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করায় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান রুহুল কুদ্দুস কাজল।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই যে, তিনি রামিসার পরিবারের কাছে গিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এবং মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করার জন্যে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যা করণীয় করবেন বলেছিলেন।’

কেবল আলোচিত মামলা নয়, প্রতিটি অপরাধের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রকে সমানভাবে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়ে কাজল বলেন, ‘কোনো একটা মামলা আলোচিত হলেই আমরা সেটার পেছনে ছুটি, এটাও সত্য বাস্তবতা আমাদের মতো দেশে। কিন্তু প্রত্যেকটি অপরাধ দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেই অপরাধের বিচার, অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় আনা এবং তাদের শাস্তির মুখোমুখি করা, এটা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’

মন্তব্য

জাতীয়
438 lives were lost on road rail and sea during the Eid journey

ঈদযাত্রায় সড়ক, রেল ও নৌপথে ঝরল ৪৩৮ প্রাণ

ঈদযাত্রায় সড়ক, রেল ও নৌপথে ঝরল ৪৩৮ প্রাণ

পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপনে ঘরমুখো ও কর্মস্থলে ফেরা মানুষের যাতায়াতে গত ১৫ দিনে দেশে সড়ক, রেল ও নৌপথে সর্বমোট ৪৪২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৪৩৮ জন নিহত এবং ১ হাজার ৩৪০ জন আহত হয়েছেন। দেশের গণপরিবহন ও সড়ক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণকারী সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

রোববার রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেন। ঈদযাত্রা শুরুর দিন ২১ মে থেকে ঈদের পর কর্মস্থলে ফেরার সময় ৪ জুন পর্যন্ত ১৫ দিনের তথ্য বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী ঈদুল আজহায় দেশের সড়কগুলোতেই সবচেয়ে বেশি দুর্ঘটনা ঘটেছে। আলোচ্য সময়ে ৩৯৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪০২ জন নিহত এবং ১ হাজার ২৯৪ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, রেলপথে ৩১টি দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া নৌপথের চিত্রও ছিল উদ্বেগজনক; যেখানে ১৭টি দুর্ঘটনায় ১৩ জনের প্রাণহানি ঘটেছে এবং ১৬ জন আহত হয়েছেন। বিগত বছরের তুলনায় এবারের ঈদে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত বছরের ঈদুল আজহার তুলনায় এবার সড়ক দুর্ঘটনা ৩.৯৫ শতাংশ, প্রাণহানি ৩.০৭ শতাংশ এবং আহতের সংখ্যা ৯.৪৭ শতাংশ বেড়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিগত বছরগুলোর মতো এবারও দুর্ঘটনার শীর্ষে রয়েছে মোটরসাইকেল। এবারের ঈদে ১৫৩টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৫৯ জন নিহত এবং ১৮০ জন আহত হয়েছেন, যা মোট সড়ক দুর্ঘটনার প্রায় ৩৮.৮৩ শতাংশ।

দুর্ঘটনায় শিকার যানবাহনের তালিকায় মোটরসাইকেলের পরেই রয়েছে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান (২১.৪০শতাংশ), যাত্রীবাহী বাস (১৬.৫৬শতাংশ), ব্যাটারিচালিত রিকশা (১২.৩৪শতাংশ), কার ও মাইক্রোবাস (৭.৮১শতাংশ), নছিমন-করিমন (৬.৫৬শতাংশ) এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশা (৬.৪০শতাংশ)।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুর্ঘটনার জন্য সড়ক-মহাসড়কের ত্রুটি, বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট গর্ত, এবং চালকদের আইন অমান্য করার প্রবণতা প্রধানত দায়ী। এছাড়া কিছু পরিবহন মালিক অতিরিক্ত মুনাফার আশায় ত্রুটিপূর্ণ ও মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহন সড়কে নামিয়েছেন। চালক সংকটের কারণে প্রায় ৮০ শতাংশ যানবাহন একজন চালক দিয়েই বিরামহীনভাবে চালানো হয়েছে, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট দুর্ঘটনার ৪৬.৪৪ শতাংশ ছিল মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২৯.১৮ শতাংশ গাড়ি চাপা বা ধাক্কা এবং ১৭.২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনা। এর মধ্যে ৫০.৫০ শতাংশ দুর্ঘটনাই ঘটেছে দেশের জাতীয় মহাসড়কগুলোতে।

মানুষের জীবন রক্ষা ও যাতায়াতের ভোগান্তি কমাতে সংবাদ সম্মেলনে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর জোর দেওয়া হয়। যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব বলেন, কেবল ঈদের ১০-১২ দিনের তৎপরতা দিয়ে দুর্ঘটনা রোধ সম্ভব নয়। এর জন্য গণপরিবহন ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন দরকার।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে উন্নত বিশ্বের আদলে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে আধুনিক বাস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, প্রযুক্তিনির্ভর সড়ক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করা, চালকদের উন্নত প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা এবং মহাসড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন ও ধীরগতির যানবাহন অপসারণের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে জাতীয় মহাসড়কগুলোতে ‘স্টার’ মানের সড়ক নিরাপত্তা করিডোর গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়েছে।

উক্ত সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- সাবেক সচিব ড. এ ওয়াই এম একরামুল হক, সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব অর্পনা রায় দাশ, অর্থ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাসেল এবং দপ্তর সম্পাদক মো. আলমগীর কবির বিটু প্রমুখ।

মন্তব্য

জাতীয়
26 at the border to prevent push in BGB members deployed in the district

পুশ ইন ঠেকাতে সীমান্তে ২৬ জেলায় বিজিবি সদস্য মোতায়েন

পুশ ইন ঠেকাতে সীমান্তে ২৬ 
জেলায় বিজিবি সদস্য মোতায়েন

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) নারী ও শিশুসহ বিভিন্ন ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো (পুশ ইন) ঠেকাতে দেশের ২৬ জেলার সীমান্তে বিপুল সংখ্যক বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। চারটি পালায় বিভক্ত হয়ে ২৪ ঘণ্টা ধরে সীমান্ত পাহারায় নিয়োজিত রয়েছেন তারা। এ কাজে স্থানীয় বাসিন্দারাও সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সহায়তা করছেন।

এদিকে গত বুধবার থেকে শনিবার পর্যন্ত চার দিনে বিএসএফের ২১টি পুশ ইনের চেষ্টা সফলভাবে প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসব ঘটনায় দুই শতাধিক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

এমন পরিস্থিতিতে আগামী ৮ থেকে ১১ জুন ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ৫৭তম মহাপরিচালক পর্যায়ের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। চার দিনের এই বৈঠকে সীমান্ত পরিস্থিতি, অবৈধ পুশ ইন, সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা এবং সার্বিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, ভারতের পাঁচ রাজ্যের সঙ্গে দেশের ২৬ জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ৪ হাজার ১৫৬ কিলোমিটার সীমান্তে টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করতে বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়া সাদাপোশাকে বিজিবি সদস্যরা গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছেন।

বিজিবির সদরদপ্তর সূত্র জানায়, যেসব সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে পুশ ইনের চেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, সেগুলো চিহ্নিত করে ২৬টি জেলায় বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। এই জেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, যশোর, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, ফেনী, মৌলভীবাজার, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, খাগড়াছড়ি, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, কুমিল্লা, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নীলফামারী, পঞ্চগড়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও শেরপুর।

মন্তব্য

জাতীয়
Chittagong port for foreigners Demand not to lease

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের ইজারা না দেওয়ার দাবি

চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশিদের 
ইজারা না দেওয়ার দাবি

চট্টগ্রামের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ বন্দরটি একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। এটি কেবল পণ্য পরিবহনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি যুক্ত। কাজেই এই বন্দর কোনোভাবেই বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা দেওয়া যাবে না।

রোববার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া মিলনায়তনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় বক্তারা এসব কথা বলেছেন। বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনার চুক্তির প্রতিবাদে ‘দেশ বাঁচাও, বন্দর বাঁচাও আন্দোলন’ এই সভার আয়োজন করে।

সভায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম মূল চালিকা শক্তি চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে অবিলম্বে বিএনপি সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দর ও মার্কিন বাণিজ্যচুক্তি বর্তমান সরকারের জন্য ‘অগ্নিপরীক্ষা’।

লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম সভায় বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর যারা পরিচালনা করছেন, এই মুহূর্তে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। তারা প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক করেছেন। আমাদের বিদেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে, তবে তার জন্য দেশীয় লাভজনক প্রতিষ্ঠান বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই।’ বিগত অন্তর্বর্তী সরকার এই চুক্তি করেছে উল্লেখ করে তিনি দেশ ও জনস্বার্থে ইজারা চুক্তি কার্যকর না করার আহ্বান জানান।

শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার দেশের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে। আমরা জনস্বার্থ রক্ষার জন্য জন্য কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করে যাব।’

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর আমাদের অর্থনীতির চালিকা শক্তি ও জাতীয় নিরাপত্তার অংশ। সামরিক দিক থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান এর সন্নিকটে রয়েছে। কোনো অজুহাতেই এই বন্দর বিদেশিদের ইজারা দেওয়া যাবে না। এই সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত। জনগণের স্বার্থে তাদের শক্ত ভূমিকা নিতে হবে।’

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের গণবিরোধী চুক্তিগুলো সংসদে উত্থাপন করে অংশীজনদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনার দাবি জানান তিনি।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্যচুক্তিতে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি ও সার্বভৌমত্বের ওপর বড় আঘাত আসবে। আগের কর্তৃত্ববাদী সরকার এই চুক্তিগুলোর প্রক্রিয়া শুরু করেছিল, পরে অন্তর্বর্তী সরকার তা সম্পন্ন করে। কিন্তু জনগণের ভোটে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের এসব চুক্তি কার্যকর করার কোনো দায়বদ্ধতা নেই।’

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ বলেন, ‘দুবাইভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ড নামের যে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বন্দর পরিচালনার চুক্তি হয়েছে, তাদের সঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীর বিশেষ সহযোগিতার চুক্তি রয়েছে। সেই চুক্তির সূত্রে মার্কিন নৌবাহিনী চট্টগ্রাম বন্দর তাদের প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করতে পারবে। কাজেই বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত।’

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন বলেন, ‘এই সরকার “সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগান নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। কাজেই দেশের স্বার্থ, নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা যেকোনো মূল্যে রক্ষা করা তাদের কর্তব্য। দেশবিরোধী চুক্তি বাতিল করে সকল অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে সংস্কার ও পুনর্গঠনের কাজ করতে হবে।’

গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য সৈয়দ হাসান মারুফ বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। এই বন্দর জোয়ার ভাটার ওপর নির্ভরশীল। নির্দিষ্ট মাপের চেয়ে বড় জাহাজ প্রবেশ করতে পারে না। কাজেই উন্নয়নেরও খুব বেশি সুযোগ এখানে নেই। সেই সুযোগ গভীর সমুদ্রবন্দরে রয়েছে। এসব বিভিন্ন বাস্তবসম্মত কারণে এই চুক্তি বাতিল করতে হবে।’

বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার অনেক ষড়যন্ত্রমূলক কাজ করেছে। তারাই এই চুক্তিটি করেছে। এর জন্য বিএনপির কোনো দায়বদ্ধতা নেই। এখনো একটি চক্র দেশকে পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে ‘দেশ বাঁচাও বন্দর বাঁচাও আন্দোলন’–এর সভাপতি সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই এই বন্দরটি পরিচালিত হচ্ছে। পরিচালনাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের কোনো অভিযোগ নেই। বন্দরটি দেশের অন্যতম আয়ের উৎস। এসব দিক বিবেচনা করলেও এমন একটি প্রতিষ্ঠানকে বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার কোনো যুক্তিসংগত কারণ নেই। জাতীয় স্বার্থেই এই দেশবিরোধী চুক্তি বাতিল করতে হবে।’

সভায় আরও বক্তব্য দেন গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী আবুল হাসান। সভাটি সঞ্চালনা করেন মোমিনুল আমিন।

মন্তব্য

জাতীয়
Commercially in Dhanmondi Lake Not allowed to use DSCC Administrator

ধানমন্ডি লেককে বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

ধানমন্ডি লেককে বাণিজ্যিকভাবে 
ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

রাজধানীর অন্যতম জনপ্রিয় উন্মুক্ত জনপরিসর ধানমন্ডি লেককে বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। একই সঙ্গে লেকের পরিবেশ, সৌন্দর্য ও পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে নতুন কিছু উদ্যোগ নেওয়ার কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি। রোববার ধানমন্ডি এলাকায় আয়োজিত এক গণশুনানিতে ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, ধানমন্ডি লেক নগরবাসীর জন্য একটি উন্মুক্ত বিনোদন ও সাংস্কৃতিক পরিসর। এটি কোনোভাবেই পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক এলাকায় পরিণত হতে দেওয়া হবে না।

তিনি জানান, লেক ও আশপাশের পরিবেশ রক্ষায় হকার এবং রিকশাচালকদের একটি নিবন্ধন ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে জনশৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা এবং নাগরিক সেবা ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে সিটি করপোরেশন।

গণশুনানিতে প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের সরাসরি অংশগ্রহণ ছাড়া একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই জনগণের অভিযোগ, মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশন উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। তবে নগর পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদেরও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

আবদুস সালাম বলেন, ধানমন্ডিকে একটি পরিকল্পিত আবাসিক অঞ্চল হিসেবে আরও উন্নত করতে খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান এবং জনসেবামূলক অবকাঠামোর উন্নয়নে কাজ চলছে। পাশাপাশি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায়ও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানান, নিউমার্কেট এলাকাকে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল বাণিজ্যিক কেন্দ্রে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।

সড়ক ও ফুটপাত দখলের বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, অনেক ক্ষেত্রে হকারদের অনিয়ন্ত্রিত কার্যক্রম জনভোগান্তি ও পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই নগর ব্যবস্থাপনায় সবাইকে সমান নিয়ম ও জবাবদিহিতার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তার মতে, ধানমন্ডি লেকের সৌন্দর্য ও স্বাভাবিক পরিবেশ রক্ষা করা গেলে এটি শুধু একটি বিনোদন কেন্দ্র নয়, বরং রাজধানীর টেকসই নগর পরিকল্পনার একটি সফল উদাহরণ হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হবে।

মন্তব্য

জাতীয়
The new chairman of Mongla port Arif Ahmed Mustafa took charge

মোংলা বন্দরের নতুন চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফার দায়িত্ব গ্রহণ

মোংলা বন্দরের নতুন চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফার দায়িত্ব গ্রহণ

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন রিয়াল এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা (এনইউপি, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি, বিএন)। তিনি বিদায়ী চেয়ারম্যান রিয়াল এডমিরাল শাহীন রহমানের স্থলাভিষিক্ত হলেন। রোববার মোংলা বন্দরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর মো. শফিকুল ইসলাম সরকারের কাছ থেকে তিনি নতুন এই দায়িত্ব বোঝে নেন। মোংলা বন্দরে যোগদানের আগে আরিফ আহমেদ মোস্তফা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান বন্দরের সভাকক্ষে সব বিভাগের প্রধান, ৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তা, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন এবং সিবিএ’র অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

সভায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বন্দরের চলমান ও অসমাপ্ত বিভিন্ন প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নতুন চেয়ারম্যানের কাছে তুলে ধরেন। সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে আরিফ আহমেদ মোস্তফা বন্দরের উন্নয়নে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

তিনি কর্মকর্তাদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘প্রশাসনিক কাজের জটিলতা কমাতে পারলে বন্দরের সামগ্রিক অপারেশনাল কার্যক্রম অনেক সহজ হয়ে যাবে।’ তিনি বন্দরের আয় বৃদ্ধি ও ব্যয় সংকোচনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। একই সাথে সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্ব ও ধর্মীয় অনুশাসন মেনে দলগতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেন। বন্দরের সার্বিক স্বার্থে খুব দ্রুতই বন্দর ব্যবহারকারীদের (স্টেকহোল্ডার) সাথে একটি আলোচনা সভা করার আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।

রিয়াল এডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শিক্ষা ও কমিশন: আরিফ আহমেদ মোস্তফা ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৯২ সালে নির্বাহী শাখায় কমিশন লাভ করেন। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক (ডিস্টিংশনসহ) এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) থেকে মিলিটারি স্টাডিজে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (DSCSC) মিরপুর, ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ মিরপুর এবং নাইজেরিয়ার ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী।

পেশাদার জীবন: ৩০ বছরের দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কর্মজীবনে তিনি নৌবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড, ইনস্ট্রাক্টর (প্রশিক্ষক) এবং স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

জাহাজ চালনায় অভিজ্ঞতা: একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা হিসেবে তিনি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ—‘বানৌজা ওমর ফারুক’ এবং ‘বানৌজা সমুদ্র জয়’-এর ক্যাপ্টেন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ‘বানৌজা দুর্জয়’-এর কমিশনিং ক্যাপ্টেন এবং ‘বানৌজা ওমর ফারুক’-এর ডিকমিশনিং ক্যাপ্টেন ছিলেন। এ ছাড়া তিনি পেট্রোল ক্রাফট বানৌজা ফরিদ, তিস্তা, মেঘনা, এলপিসি দুর্জয়, ওপিভি এসআর আমিন এবং নৌঘাঁটি বানৌজা হাজী মহসিনের অধিনায়ক হিসেবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মন্তব্য

জাতীয়
Shot at Motijheel in the afternoon Robbery of 17 lakh rupees

মতিঝিলে দিনদুপুরে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই

মতিঝিলে দিনদুপুরে গুলি করে 
১৭ লাখ টাকা ছিনতাই

রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বর এলাকায় দিনদুপুরে এক মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীকে গুলি করে প্রায় ১৭ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। রোববার বিকাল ৩টার পর একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের করপোরেট শাখার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে লোকমান (৪৫) নামের ওই ব্যবসায়ী আহত হন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লোকমান একটি ব্যাগে প্রায় ১৭ লাখ টাকা নিয়ে ওই এলাকায় অবস্থান করছিলেন। এ সময় মোটরসাইকেলে করে আসা কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় এবং তার সঙ্গে থাকা টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।

ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার। তিনি জানান, আহত ব্যবসায়ী লোকমান শাহজাহানপুর এলাকার বাসিন্দা এবং মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

তিনি আরও জানান, হামলায় লোকমানের হাতে কনুইয়ের নিচে একটি এবং হাঁটুর নিচে দুটি গুলি লাগে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসা অবস্থা আছেন।

পুলিশ জানায়, ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থল থেকে দুটি গুলির খোসাও উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত টার্গেটভিত্তিক ছিনতাইয়ের ঘটনা। গোয়েন্দা সূত্র বলছে, ৩টি মোটরসাইকেলে করে অন্তত ৬ জন দুর্বৃত্ত ঘটনাস্থলে আসে এবং ভিকটিমকে অনুসরণ করে হামলা চালায়।

গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের তথ্য আগে থেকেই ছিনতাইকারীদের কাছে ফাঁস হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় একাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টিম কাজ করছে বলে জানা গেছে। পুলিশ বলছে, জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

মন্তব্য

p
উপরে