× হোম রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া সিটিজেন জার্নালিজম বিচিত্র ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য আফগানিস্তান ১৫ আগস্ট কী-কেন স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও যৌনতা-প্রজনন ইউরোপ অন্যান্য উদ্ভাবন প্রবাসী আফ্রিকা ক্রিকেট শারীরিক স্বাস্থ্য আমেরিকা দক্ষিণ এশিয়া সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ মানসিক স্বাস্থ্য ব্লকচেইন অন্যান্য ভাষান্তর ফুটবল অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

জাতীয়
The government increased the price of electricity at the consumer level
google_news print-icon

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়াল সরকার

গ্রাহক-পর্যায়ে-বিদ্যুতের-দাম-বাড়াল-সরকার

দেশে পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে সরকার। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ হারে বাড়ানো হয়েছে। আর গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ ও সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে বলা হয়, বিভিন্ন ধাপের (স্লাব) গ্রাহকদের মধ্যে সবচেয়ে কম ১৫ শতাংশ ও সর্বোচ্চ ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে এবার। নতুন এ দাম জুন থেকেই কার্যকর হচ্ছে।

তাড়াহুড়া করে মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কোনো চাপ ছিল না। বাজেট মাথায় রেখে দ্রুত করা হয়েছে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দাম বাড়ানোর ফলে মানুষের ব্যয় বাড়বে, তবে অর্থনৈতিক মূল্যায়ন করা হয়নি। এটা করার সুযোগ আছে।

সরকারি-বেসরকারি সব বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে চুক্তি অনুসারে নির্ধারিত দামে বিদ্যুৎ কিনে নেয় পিডিবি। এরপর তারা উৎপাদন খরচের চেয়ে কিছুটা কমে সরকার নির্ধারিত পাইকারি দামে ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করে। ঘাটতি মেটাতে পিডিবি সরকারের কাছ থেকে ভর্তুকি নেয়, তবে বিতরণ সংস্থাগুলো কোনো ভর্তুকি পায় না। তারা খুচরা দামে ভোক্তার কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করে কোম্পানি চালায়।

বিইআরসির আদেশ বলছে, পাইকারিতে বর্তমান দাম ৭ টাকা থেকে বাড়িয়ে গড় দাম ৮ টাকা ৩৯ পয়সা করা হয়েছে। আর খুচরা পর্যায়ে প্রতি ইউনিটের গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বেড়ে হয়েছে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা। অন্যদিকে সঞ্চালন খরচ (গড়) ইউনিট প্রতি ৩১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে প্রায় ৩৯ পয়সা করা হয়েছে।

বিদ্যুতের একমাত্র সঞ্চালন কোম্পানি পিজিসিবি (পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি), প্রতি ইউনিটে যথাক্রমে ৩০ ও ৩১ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪৮ ও ৪৯ পয়সা করার আবেদন করেছিল।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পাইকারি পর্যায়ে ইউনিট প্রতি ১ দশমিক ২০ টাকা (১৭ শতাংশ) থেকে ১ দশমিক ৫০ টাকা (২১ শতাংশ) দাম বাড়ানোর আবেদন করে। মূল্যবৃদ্ধির আবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুতের সম্ভাব্য উৎপাদন খরচ পড়বে প্রায় ১ লাখ ৪৩ হাজার ১০৮ কোটি টাকা। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম পড়বে ১২ দশমিক ৯১ টাকার মতো। গত ২০ ও ২১ মে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গণশুনানি করে বিইআরসি।

সবশেষ ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম সাড়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়। একই সঙ্গে পাইকারি দর ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

জাতীয়
Health sector on the highway of budget and reforms

বাজেট ও সংস্কারের মহাসড়কে স্বাস্থ্য খাত

* এডিপিতে তৃতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার * বৈষম্য দূর করে একীভূত কাঠামোর নতুন দিগন্ত * উপজেলার ৪৯২ হাসপাতাল ১০১ শয্যায় উন্নীত হচ্ছে * শিশু চিকিৎসায় হচ্ছে ৫ বিশেষায়িত হাসপাতাল * মূল চ্যালেঞ্জ অর্থ বরাদ্দ বনাম দক্ষ বাস্তবায়ন
বাজেট ও সংস্কারের মহাসড়কে স্বাস্থ্য খাত

দেশের স্বাস্থ্য খাতের চালচিত্রটি সবসময়ই যেন এক চরম বৈপরীত্যের গল্প। একদিকে সরকারি হাসপাতালের সীমিত খরচের সেবায় সাধারণ মানুষের অবহেলার অন্তহীন দীর্ঘশ্বাস, অন্যদিকে বেসরকারি চিকিৎসার সুরম্য ভবনে পকেট খালি হওয়া চড়া মূল্য। এই দুইয়ের যাঁতাকলে পিষ্ট দেশের বৃহৎজনগোষ্ঠী। তবে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন বেশি বাধাগ্রস্ত হয়েছে ইউনূসের নেতৃত্বধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৫ সালে স্বাস্থ্য খাতে কাঙ্ক্ষিত সংস্কার ও সেবার মানোন্নয়নের পরিবর্তে আলোচনায় ছিল প্রশাসনিক অচলাবস্থা, চিকিৎসকদের অসন্তোষ এবং নীতিগত দুর্বলতা।

বিশেষ করে সময়মত টিকা সরবরাহে ব্যর্থতার কারণে দেশে শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব বাড়ছে, ঘটছে মৃত্যু। পাশাপাশি সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও জনবল সংকট, ওষুধ ও যন্ত্রপাতির অভাব এবং ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাও ছিল প্রকট। এসব সংকট কাটাতে স্বাস্থ্য খাতে এক ঐতিহাসিক ও যুগান্তকারী পরিবর্তনের রূপরেখা তৈরি করেছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের নতুন বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার দিয়ে এক বিশাল সংস্কার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, অতিরিক্ত কেন্দ্রীভূত স্বাস্থ্যসেবা, বিশেষজ্ঞনির্ভর চিকিৎসা, প্রাথমিক চিকিৎসা উপেক্ষা করে বিশেষজ্ঞের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা, স্বচ্ছতার অভাব ও দায়মুক্তির সংস্কৃতি, স্বাস্থ্যকর্মীদের মনোবলহীনতায় ইউনূসের আমলে স্বাস্থ্য খাতে বিপর্যয় নেমে আসে। সংস্কার বাস্তবায়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলায় ঘাটতি এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের আমূল পরিবর্তনেও ছিল ধীরগতি। বিশেষ করে স্বাস্থ্য খাতে ৩৩টি জরুরি সুপারিশের মধ্যে মাত্র ৬টি বাস্তবায়ন হওয়ায় খাতটি চরমভাবে ধুঁকছে। এখন এই দুর্বল খাতটিকে টেনে তুলতে গিয়ে হিমসিম অবস্থা বর্তমান সরকারের।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বাস্থ্যের ১৪টি খাতে অর্থ বরাদ্দ হয় অপারেশন প্ল্যানের (ওপি) মাধ্যমে। কিন্তু হাসিনা সরকারের পতনের বছর ২০২৪ সালেই ওপি থেকে বেরিয়ে আসে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে স্বাস্থ্যের সব উন্নয়নমূলক কাজে স্থবিরতা নেমে আসে। ফলে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, রোগ নিয়ন্ত্রণ, টিকাদান, পুষ্টিসহ ৩৭টির বেশি কর্মসূচি ব্যাহত হয়।

স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ মাত্র ৫ শতাংশ: জনস্বাস্থ্যবিদরা আশা করেছিলেন, অন্তর্বর্তী সরকার স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বাড়বে। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি। জাতীয় বাজেটের ৫ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হয় স্বাস্থ্য খাতে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, সেবা খাতে কোনো সফলতাই দেখাতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার। তবে বর্তমান সরকার ভঙ্গুর স্বাস্থ্যখাতকে টেনে তুলছে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) ৩ লাখ ৯ হাজার কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) অনুমোদন দিয়েছে। এই এডিপিতে স্বাস্থ্য খাতের বাজেট প্রায় দ্বিগুণ করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৫ হাজার ৫৩০ কোটি টাকা, যা চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ছিল মাত্র ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা।

মোট এডিপির ১১ দশমিক ৮৬ শতাংশ এ খাতে বরাদ্দ দিয়ে পরিবহন ও যোগাযোগ এবং শিক্ষা খাতের পর স্বাস্থ্যকে রাখা হয়েছে তৃতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে। এই বিশাল বরাদ্দের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ পাবে ২৬ হাজার ৮০৬ কোটি টাকা এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগ পাবে ৮ হাজার ২২১ কোটি টাকা। বাকি ৫০৩ কোটি টাকা অন্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে ব্যয় হবে। সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, আগামীতে মোট বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ অন্তত ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে।

সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে গ্রামীণ অবকাঠামোয় বড় ধরনের সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের ৫০ শয্যার ৪৯২টি উপজেলা হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে আটটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হয়েছে। বাকি হাসপাতালগুলোর অবকাঠামোগত প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন করবে গণপূর্ত বিভাগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেবে।

প্রধানমন্ত্রী এসব হাসপাতালে প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি, গ্রামীণ পর্যায়ে থেরাপি ও পুনর্বাসন সেবা জোরদার করতে এই হাসপাতালগুলোর প্রতিটিতে দুজন করে ফিজিওথেরাপিস্ট নিয়োগ দেওয়া হবে।

দেশের শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুর—এই চার বিভাগীয় শহর এবং কুমিল্লা জেলা সদরে মোট পাঁচটি নতুন শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে। এই বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোর কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে প্রতিটির জন্য ১ হাজার ৪৭৫ জন করে নতুন জনবল প্রয়োজন হবে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে এই বিশাল জনবল দ্রুত নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

শুধু অবকাঠামো উন্নয়নই নয়, স্বাস্থ্যসেবার কার্যকারিতা বাড়াতে মাঠপর্যায়ে একটি অভূতপূর্ব প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, বর্তমানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগ ও কমিউনিটি ক্লিনিক মিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার কর্মী আলাদা আলাদা কাঠামোয় কাজ করছেন। এর ফলে সমন্বয়হীনতা তৈরি হচ্ছে—একই এলাকায় একাধিকবার সেবা পৌঁছালেও কিছু দুর্গম এলাকা পুরোপুরি সেবার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

এই সেবা পুনরাবৃত্তি বা ‘ডুপ্লিকেশন’ দূর করতে এবার পুরো মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্য কার্যক্রমকে একটি একক সমন্বিত কাঠামোর অধীনে আনা হচ্ছে। এই পরিকল্পনার আওতায় বর্তমানের ৪০ হাজার কর্মীর সাথে আরও অতিরিক্ত ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। ফলে মোট ১ লাখ ৪০ হাজার কর্মী একই ছাতার নিচে এসে কাজ করবেন। একীভূত এই ব্যবস্থায় সবার জন্য অভিন্ন দায়িত্ববণ্টন (জব ডেসক্রিপশন) ও একটি মানসম্মত ‘এসেনসিয়াল সার্ভিস প্যাকেজ’ চালু করা হবে, যাতে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া—সব জায়গায় সেবার মানে একরূপতা বজায় থাকে।

ভবিষ্যতে শুধু জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন, রোগ প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হবে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ নিজ উদ্যোগে গর্ভনিরোধক ব্যবহার করেন, যা মাঠকর্মীদের সমন্বিত প্রচারণার মাধ্যমে ৭০ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছে মন্ত্রণালয়।

বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা ও পরিকল্পনা যতটাই আকর্ষণীয় হোক না কেন, তা মাঠপর্যায়ে কতটা বাস্তবায়িত হবে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মনে সংশয় রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, ‘বছর শেষে একটা সংশোধিত বাজেট করা হয়। সংশোধিত বাজেটে দেখা যায়, শুরুতে যেটা ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল, সেটা শেষ পর্যন্ত ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ কমে যায়। ফলে মাঠপর্যায়ে সেই অর্থের পুরোটা পৌঁছায় না।’

বরাদ্দ অর্থ সময়মতো এবং দক্ষতার সাথে ব্যবহার করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। এই বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের পরিকল্পনাহীন কাজের সমালোচনা করে বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব এবং কাজের মাধ্যমেই প্রমাণ করব যে এই বাড়তি বরাদ্দ সঠিকভাবে ব্যয় করা সম্ভব।’ ড. মুহিতও একমত পোষণ করে জানিয়েছেন, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে রিয়েল-টাইম তথ্য সংগ্রহ ও স্থানীয় পর্যায়ের পরিকল্পনা জোরদার করে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা হবে।

৩৫ হাজার কোটি টাকার এই বিশাল উন্নয়ন বাজেট এবং মাঠপর্যায়ের কাঠামোগত সংস্কার যদি সততা ও দক্ষতার সাথে বাস্তবায়ন করা যায়, তবে দেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য পকেট খালি হওয়ার দীর্ঘশ্বাস অনেকটাই কমে আসবে। স্বাস্থ্য খাতের এই মহাসড়ক যেন কেবল কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না থেকে সাধারণ মানুষের প্রকৃত মুক্তির পথ হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

মন্তব্য

জাতীয়
Reserves in the country are 34 82 billion dollars 

দেশে রিজার্ভ ৩৪.৮২ বিলিয়ন ডলার 

দেশে রিজার্ভ ৩৪.৮২ বিলিয়ন ডলার 

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়ে এখন ৩৪ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্যানুযায়ী, ৩ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস বা মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৮২১ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী বর্তমান রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ১৬০ দশমিক ৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।

এর আগে গত ১ জুন পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ হাজার ৭৬৬ দশমিক ৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩০ হাজার ১০৭ দশমিক ৬১ মিলিয়ন ডলার। সেই হিসাবে গত দুই দিনের ব্যবধানে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে।

প্রসঙ্গত, আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুসারে নিট রিজার্ভ গণনা করা হয়। সাধারণত মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়, যা দেশের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মন্তব্য

জাতীয়
Budget will be given keeping in mind every citizen of the country Finance Minister

দেশের প্রত্যেক নাগরিককে চিন্তায় রেখে বাজেট দেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

দেশের প্রত্যেক নাগরিককে চিন্তায় রেখে বাজেট দেওয়া হবে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাজেট ভালো হবে। বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে চিন্তায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে। আমাদের খারাপ সময়, ভঙ্গুর অর্থনীতি তার মধ্যে আমরা চেষ্টা করেছি, বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কথা চিন্তা করেছি, সবাইকে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

সরকারের ওপর প্রচুর ঋণের বোঝা জানিয়ে আমীর খসরু মাহমুদ বলেন, সবদিক থেকে অর্থনীতির অবস্থা খুবই খারাপ। তারপরও এই অবস্থার মধ্যে আমরা দায়িত্ব নিয়েছি। এরপরও বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষকে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া চেষ্টা করেছি। কারণ বাজেটের এই অর্থনীতিতে সবার অংশগ্রহণ যাতে নিশ্চিত করতে পারি এবং অর্থনীতির সুফল যাতে প্রত্যেকটি নাগরিকের কাছে যায় সেগুলো মাথায় রেখে প্রণয়ন করার চেষ্টা করেছি।

তিনি বলেন, আমরা খুব একটা ভঙ্গুর অবস্থার মধ্যে আছি। বিগত সরকারগুলো থেকে আশা করি এটা একটা ভালো শুরু হবে। একটু সময় দিতে হবে। শুরুটা আশা করি ভালো হবে। এখান থেকে আমরা সামনের দিকে ভালোভাবে এগিয়ে যেতে পারব।

গত দুই বছর মানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় বাংলাদেশে বিনিয়োগ একেবারেই শূন্য ছিল, এখন আপনাদের সরকারের তিন মাস পার হলো। বিনিয়োগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে বা বিনিয়োগের বিষয়ে কোনো আশ্বাস রয়েছেন কিনা? সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না। বাংলাদেশের বাংলাদেশের অর্থনীতি হবে বিনিয়োগ ভিত্তিক অর্থনীতি। টাকা ছাপিয়ে এই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে দেশকে ঋণাত্মক একটা অবস্থায় নিয়ে গেছে। আমাদের এই ঋণের সুদের বাজেট একটা বিরাট অংশ চলে যায়। বাংলাদেশকে যে ঋণ নির্ভর অর্থনীতির দিকে যাচ্ছিলাম, সেখান থেকে আগামী দিনে ফিরে আসার জন্য যে পাবলিক ফাইনান্স ম্যানেজমেন্ট দরকার, আমরা সেভাবেই করার চেষ্টা করছি। যাতে করে ক্রমান্বয়ে ঋণ ওপর নির্ভর কম করে বিনিয়োগের উপর বেশি নির্ভর করতে হবে। আমাদের পরিচালন ব্যয় ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনতে হবে, বিনিয়োগ বেশি বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যে অর্থনীতি বাংলাদেশের মানুষের বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে পারবে এবং যে উন্নয়নের স্বপ্ন আমরা দেখাতে চেষ্টা করছি, ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমির দিকে আমরা যাচ্ছি। সেটা যাতে বাস্তবায়ন হতে পারে। সেই চেষ্টা করছি।

মন্তব্য

জাতীয়
Transfer of 9 senior police officers

৯ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

৯ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৯ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। ‎

গত মঙ্গলবার (২ জুন) অ্যাডিশনাল ডিআইজি (প্রশাসন) রায়হান উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাদের বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) বিষয়টি প্রকাশিত হয়।

বদলি করা কর্মকর্তাদের মধ্যে খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেনকে ডিএমপির অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার, গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জিয়াউল হককে গাজীপুরের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এছাড়া পুলিশ হেডকোয়ার্টাসে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসানকে গাজীপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়েছে। খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে কর্মরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসিফ ইকবালকে বদলি করা হয়েছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স (টিআর পদে)।

হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শহিদুল হক মুন্সীকে বদলি করা হয়েছে নৌপুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে।

এছাড়াও র‍্যাবে কর্মরত সহকারী পুলিশ সুপার মো. আমিরুজ্জামানকে স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি গাজীপুর মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. দ্বীন-ই-আলমকে রেলওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনস্বার্থে তাদের নামের পাশে উল্লেখকৃত পদে/স্থানে বদলি/পদায়ন করা হলো। আগামী ১৫ জুনের মধ্যে তাদেরকে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য

জাতীয়
Decision to buy 5 cargoes of LNG from three countries to meet energy demand

জ্বালানি চাহিদা পূরণে তিন দেশ থেকে ৫ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত

জ্বালানি চাহিদা পূরণে তিন দেশ থেকে ৫ কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে তিন দেশ থেকে ৫ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে সুইজারল্যান্ড থেকে কেনা হবে ২ কার্গো, যুক্তরাজ্য থেকে কেনা হবে ২ কার্গো এবং সিঙ্গাপুর থেকে কেনা হবে ১ কার্গো এলএনজি।

বুধবার (৩ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫-এর বিধি ১০৫(৩)(ক) অনুসরণ করে আন্তর্জাতিক কোটেশন সংগ্রহ (আরএফকিউ-ইন্টারন্যাশনাল) পদ্ধতিতে তিন কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৬-২৭ জুন সময়ের জন্য ২৬তম কার্গো, ৩০ জুন-১ জুলাই সময়ের জন্য ২৭তম কার্গো এবং ৬-৭ জুলাই সময়ের জন্য ২৮তম কার্গো— এই তিন কার্গো এলএনজি কেনা হবে।

ক্রয় প্রস্তাবের আওতায় এক কার্গো এলএনজি সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান বিপি সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেড এবং দুই কার্গো যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হবে। এই তিন কার্গো এলএনজি কিনতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৩৭২ কোটি ২১ লাখ ১৮ হাজার ৭৮৪ টাকা (এআইটিসহ)।

বৈঠকে আর এক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সুইজারল্যান্ড থেকে স্বল্প মেয়াদে ২০২৬ সালে সরাসরি ক্রয় প্রক্রিয়ায় ২ কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই ২ কার্গো এলএনজি কিনতে মোট কতো টাকা ব্যয় হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সুইজারল্যান্ডের এসওসিএআর ট্রেডিং এসএ থেকে জি-টু-জি ভিত্তিতে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে এলএনজি সরবরাহ এবং এফআরএসইউ স্থাপনের জন্য আগ্রহ ব্যক্ত করে প্রস্তাব দাখিল করে।

গত বছরের ২০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে জি-টু-জি ভিত্তিতে চুক্তির আওতায় এসওসিএআর ট্রেডিং এসএ থেকে স্বল্প মেয়াদে ২০২৬ সালে কিছু সংখ্যাক এলএনজি সরবরাহের প্রস্তাব নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়।

এলএনজি আমদানিতে স্পট মার্কেটের বিকল্প হিসেবে সাশ্রয়ী মূল্যে জি-টু-জি ভিত্তিতে স্বল্প মেয়াদে এসওসিএআর ট্রেডিং এসএ থেকে ২০২৬ সালে ২ কার্গো এলএনজি নেগোসিয়েশনের মাধ্যমে নির্ধারিত জাপান কোরিয়া মার্কেট ফরমুলা-অনুযায়ী দরপ্রস্তাব প্রতি এমএমবিটিইউ (জেকেএম+ শূন্য দশমিক ১২৫ মার্কিন ডলার) হিসেবে অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব উপস্থাপন করলে মন্ত্রিসভা কমিটি তাতে অনুমোদন দিয়েছে। এক কার্গোতে এলএনজির পরিমাণ হচ্ছে ৩৩ লাখ ৬০ হাজার এমএমবিটিইউ।

মন্তব্য

জাতীয়
Several organizations are investigating the incident of disconnection of Redphone in the secretariat

সচিবালয়ে রেডফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্নের ঘটনায় তদন্তে নামছে একাধিক সংস্থা

সচিবালয়ে রেডফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্নের ঘটনায় তদন্তে নামছে একাধিক সংস্থা

ঈদুল আজহার ছুটিতে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোনের কপার ক্যাবলের সংযোগ বিচ্ছিন্নের ঘটনার কারণ এখনও জানা যায়নি। একাধিক সংস্থা ঘটনাটির তদন্ত করছে।

গত ২৫ মে ঈদুল আজহার সরকারি ছুটি শুরু হয়। সাত দিনের ছুটি শেষে অফিস খোলে গত সোমবার (১ জুন)। এদিন সকালে সচিবালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীরা অফিসে গিয়ে দেখতে পান, টেলিফোনে সংযোগ নেই। বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জানানো হয়। কয়েক ঘণ্টা পর বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) কর্মকর্তারা সংযোগ পুনরুদ্ধার করেন। এ ঘটনায় বিটিসিএলের কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাজিদ হায়দার বাদী হয়ে গত সোমবার (১ জুন) শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

জিডিতে বলা হয়েছে, সচিবালয়ের পুরাতন এক নম্বর ভবন থেকে নতুন ভবন এক নম্বর পর্যন্ত স্থাপিত টেলিযোগাযোগের কপার ক্যাবল ছিল। এই ক্যাবলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের রেড টেলিফোন নম্বরসহ অন্য গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন সংযোগ সচল রাখার কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। ভবনের ছাদে কপার ক্যাবল দুর্বৃত্তরা কেটে ফেলে। ফলে ওই রেড টেলিফোন নম্বরসহ গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত চলছে। এর বেশি কিছু বলার মতো তথ্য এখন নেই।’

বাংলাদেশ সচিবালয় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের রমনা বিভাগের আওতাধীন। এ বিভাগের উপকমিশনার রেজাউল করিম বলেন, ‘ঘটনাটির ছায়া তদন্ত করছি আমরা।’

মন্তব্য

p
উপরে