সাংবাদিকতার নামে কী হচ্ছে: হাইকোর্ট

সাংবাদিকতার নামে কী হচ্ছে: হাইকোর্ট

প্রতীকী ছবি

একটি মামলার শুনানির সময় বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বলে, ‘সাংবাদিকতার নামে কী হচ্ছে দেখেন না। কী এক (হেলেনা) জাহাঙ্গীর বেরিয়েছে আইপি টিভি, কত চ্যানেল, কত টিভি।’

দুদকের এক কর্মকর্তার বদলি আদেশ নিয়ে ভুল সংবাদ পরিবেশন বিষয়ে শুনানির সময় দেশের সাংবাদিকতার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট। এ সময়ে আদালত বলেন, সাংবাদিকতার নামে কী হচ্ছে।

মঙ্গলবার শুনানির এক পর্যায়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব কথা বলে।

এ সময় আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক উপকমিটি থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর গ্রেপ্তার হেলেনা জাহাঙ্গীরের আইপি টিভি জয়যাত্রা নিয়েও কথা বলে আদালত।

বিচারক বলেন, ‘সাংবাদিকতার নামে কী হচ্ছে দেখেন না। কী এক (হেলেনা) জাহাঙ্গীর বেরিয়েছে। আইপিটিভি নামে কত চ্যানেল, কত টিভি।’

দুদকের এক কর্মকর্তার বদলি আদেশ নিয়ে ভুল সংবাদ করায় চট্টগামের পূর্বকোণসহ বেশ কিছু স্থানীয় পত্রিকা বিষয়ে আলোচনা করাই শুনানির মূল বিষয় ছিল।

শুনানির শুরুতেই দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান আদালতকে জানান, চট্টগ্রামের পূর্বকোণ পত্রিকা সংশোধনী ছেপেছে। এই ভুলের জন্য তারা ক্ষমা প্রার্থনা করেছে।

তিনি বলেন, ‘আদালতের আদেশ নিয়ে যে আইনজীবী সার্টিফায়েড কপি দিয়েছে সেটিকে আমার কাছে জাল মনে হয়েছে। তার কারণ জজ সাহেবের নামও ভুল লিখেছে।’

তখন বিচারক আদালত বলেন, ‘এটা জাল হয়ে থাকলে এর দায়ভার পিটিশনারকে নিতে হবে। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার আদেশ হবে। আরও যদি কোনো তথ্য থাকে তাহলে দেন। কারণ এটা ধরে নিতে হবে পিটিশনার এবং তার আইনজীবী এটা করেছেন।’

এ সময় দুদক আইনজীবী জানান, দৈনিক পূর্বকোণ ছাড়াও মহানগর চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার নিউজে এসেছে।

তখন বিচারক বলেন, ‘আপনি সবগুলাতে যোগাযোগ করেন। আপনার অফিস থেকে তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেন।’

দুদক আইনজীবী বলেন, ‘পূর্বকোণের যে রিপোর্টার পাবলিশ করেছেন তিনি আমাকে বলেছেন, অনেকগুলো পত্রিকায় তারা দেখে ছেপেছে। এরপরও তারা ক্ষমা চেয়েছেন। এছাড়া আমি দুদক অফিসে জানিয়েছি।

তিনি বলেন, ‘এখন কমিশনের সিদ্ধান্ত হলো যদি এই নিউজ বা রিটের পেছনে দুদকের কোনো কর্মকর্তা কর্মচারীর ইন্ধন থাকে, তাহলে দুদক তার নিজস্ব ইনটেলিজেন্সির মাধ্যমে খাতিয়ে দেখবে। এরপরও আদালত যে নির্দেশ দেবে সে অনুযায়ী দুদক পদক্ষেপ নেবে।’

তখন বিচারক বলেন, ‘মৌখিকভাবে শুনলাম। সামগ্রিক বিষয়ে বৃহস্পতিবার আদেশ দেব। এক পর্যায়ে বিচারক সাংবাদিকতার নামে কী হচ্ছে দেখেন না। কী এক জাহাঙ্গীর বেরিয়েছে আইপি টিভি, কত চ্যানেল, কত টিভি।’

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২ এর উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনের বদলির আদেশ স্থগিত করেছে হাইকোর্ট- এমন শিরোনামে গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। অথচ হাইকোর্ট এমন কোনো আদেশই দেয়নি।

বিষয়টি সোমবার আদালতের নজরে আনা হলে আদালত দুদক আইনজীবীকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেয়। পরে দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান চট্টগ্রামের দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকার সংশ্লিষ্ট রিপোর্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তখন তিনি জানান, চট্টগ্রামের বেশ কয়েকটি পত্রিকায় নিউজ দেখে তারাও রিপোর্টটি করেছে। তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে সংশোধনীও ছেপেছে এবং আদালতের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

এ বিষয়ে দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চট্টগ্রামের দৈনিক পূর্বকোণ লিখেছে দুদক কর্মকর্তার বদলির আদেশ হাইকোর্ট স্থগিত করেছে। আসলে হাইকোর্ট কোনো বদলির আদেশ স্থগিত করেননি। বরং হাইকোর্ট তার আবেদনটি ডিলিট করে দিয়েছে।

‘সেই দুদক কর্মকর্তার বদিল আদেশ স্থগিত’ শিরোনামে গত ২৯ জুলাই চট্টগ্রামে দৈনিক পূর্বকোণ পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদটি সোমবার আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী। তখন আদালতের বিচারক বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বলেন, ‘না, আমরা এমন কোনো আদেশ দেয়নি।’

এ সময় আইনজীবী ওই পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটি আদালতকে দেখান। তখন আদালত দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খানকে ডেকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুন:
সাভারে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় মামলা
সাভারে সাংবাদিককে মারধর, আটক ২
ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে পারে সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
ফেসবুকে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তার সাংবাদিক
বাইক আটকের পর ফেসবুক লাইভ, ‘সাংবাদিক’ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না: শিক্ষামন্ত্রী

অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না: শিক্ষামন্ত্রী

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর শাখার সামনে অভিভাবকদের গাদাগাদি। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্কুলের বাইরে অভিভাবকরা জটলা করছেন, যা স্বাস্থ্যবিধির লঙ্ঘন।  শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও অভিভাবকরা অধিকাংশ জায়গাতে তা মানছেন না।’

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বাস্থবিধি মানলেও অধিকাংশ অভিভাবক তা মানছেন না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মানার আহ্বান জানান তিনি।

রাজধানীতে যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিদর্শনে গিয়ে রোববার তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্কুলের বাইরে অভিভাবকরা জটলা করছেন, যা স্বাস্থ্যবিধির লঙ্ঘন। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মানলেও অভিভাবকরা অধিকাংশ জায়গাতে তা মানছেন না।’

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণের প্রমাণ পাওয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় ছুটি বাড়ানো শেষে ১২ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়। পরের দিন থেকে খুলে দেয়া দেয়া মেডিক্যাল, ডেন্টাল ও নার্সিংত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসছেন। তাদের সবার মুখে মাস্ক। ব্যবস্থা রাখা হয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারেরও। তবে স্কুল-কলেজের বাইরের চিত্র ভিন্ন। অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। বিষয়টিতে তারা গুরুত্বও দিচ্ছেন না।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও খোলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েন দীপু মনি। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি স্বাস্থবিধি মেনে পুরোদমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করতে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার বিষয়েও আমাদের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। টিকা দেয়া শেষে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলা যাবে। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেয়া হয়েছে উপাচার্যদের।’

মন্ত্রী জানান, প্রাথমিকভাবে পর্যবেক্ষণ চলছে। সংক্রমণের হার কমে আসলে সব ক্লাসই নেয়া যাবে। তবে হার যদি বেড়ে যায় তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী কারিগরি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘আমরা কঠোর নজরদারিতে রেখেছি স্বাস্থবিধির বিষয়টি। প্রতিষ্ঠানের কোথাও দৃশ্যমান আবর্জনা বা লক্ষণীয় হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এসময় ডেঙ্গুর বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে’, যোগ করেন দীপু মনি।

এর আগে যাত্রাবাড়ী তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা পরিদর্শন করেন শিক্ষামন্ত্রী। এসময় প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও অন্যান্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সাভারে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় মামলা
সাভারে সাংবাদিককে মারধর, আটক ২
ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে পারে সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
ফেসবুকে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তার সাংবাদিক
বাইক আটকের পর ফেসবুক লাইভ, ‘সাংবাদিক’ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

সুনামগঞ্জে ধর্মঘট, ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা

সুনামগঞ্জে ধর্মঘট, ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা

সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে চলাচলকারী দূরপাল্লার বাস থামিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ধর্মঘট পালন করছে।

অনির্দিষ্টকালের জন্য সুনামগঞ্জ-ঢাকা রুটে রোববার সকাল ৬টা থেকে বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে তারা।

আন্তজেলা বাস পরিবহন সেবা চালু থাকলেও দূরপাল্লার বাস বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ঢাকাসহ আট জেলার যাত্রীরা। সেক্ষেত্রে ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে যাচ্ছেন তারা।

সুনামগঞ্জে ধর্মঘট, ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা

ঢাকা থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ঘুরতে আসা আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমরা জানি না এই ধর্মঘটের কথা। রাতে হাওরে ছিলাম। সকালে যখন কাউন্টারে আসলাম দেখি তালা দেয়া।

‘পরে এখানে একজনকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারি বাস ধর্মঘট। তাই এখন আমরা সিলেট যাবো। তারপর সেখান থেকে ঢাকা।’

আরেক পর্যটক শাকিল আহমেদ বলেন, ‘বাস বন্ধ করে যাত্রীদের দুর্ভোগ দিয়ে লাভ কী? আমরা এখানে ঘুরতে এসেছি এখন আমাদের ভেঙে ভেঙে যেতে হচ্ছে। সময় আর টাকা দুটোই ব্যয় হল।’

সুনামগঞ্জে ধর্মঘট, ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নূরুল হক বলেন, ‘এ বাইপাস সড়কে চাদাবাজি বন্ধ না হলে আমাদের ধর্মঘট চলবে। আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছি। তারাও বলেছেন বিষয়টি নিয়ে তারা আলোচনায় বসবেন।’

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ‘আমরা দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
সাভারে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় মামলা
সাভারে সাংবাদিককে মারধর, আটক ২
ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে পারে সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
ফেসবুকে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তার সাংবাদিক
বাইক আটকের পর ফেসবুক লাইভ, ‘সাংবাদিক’ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন গায়ক শাফিন

জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান হলেন গায়ক শাফিন

জনপ্রিয় গায়ক শাফিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের নবম জাতীয় সম্মেলনের প্রদত্ত ক্ষমতা ও গঠনতন্ত্রের ধারা ১২ এর ৩ উপধারা অনুযায়ী শাফিনকে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছেন।

জনপ্রিয় ব্যান্ড মাইলসের লিড ভোকালিস্ট শাফিন আহমেদ জাতীয় পার্টির (জাপা) ভাইস চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছেন।

দলটির যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

মাহমুদ জানান, জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদের নবম জাতীয় সম্মেলনের প্রদত্ত ক্ষমতা ও গঠনতন্ত্রের ধারা ১২ এর ৩ উপধারা অনুযায়ী শাফিনকে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছেন।

এর বাইরে বোরহান উদ্দিন আহমেদ মিঠুকে দলের কেন্দ্রীয় সদস্যপদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

শাফিন মাইলসের তুমুল জনপ্রিয় শিল্পী। তার মা ফিরোজা বেগম ছিলেন বিখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পী। বাবা কমল দাশগুপ্ত ছিলেন বিখ্যাত শিল্পী, সুরকার ও সংগীত পরিচালক।

২০১৮ সালে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন শাফিন। ২০১৯ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র পদে উপনির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। সে সময় তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়।

এর আগে শাফিন ববি হাজ্জাজের দল এনডিএমের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
সাভারে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় মামলা
সাভারে সাংবাদিককে মারধর, আটক ২
ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে পারে সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
ফেসবুকে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তার সাংবাদিক
বাইক আটকের পর ফেসবুক লাইভ, ‘সাংবাদিক’ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

বজ্রপাত ঠেকাতে তালবীজ রোপণ শিশুদের

বজ্রপাত ঠেকাতে তালবীজ রোপণ শিশুদের

বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে তালবীজ রোপণ করেছে কয়েকজন শিশু। ছবি: নিউজবাংলা

আজহারুল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের সুরিয়া নদীর পাড়ে এক কিলোমিটার এবং নয়ানগর থেকে লক্ষীনগর সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুপাশে তালবীজ রোপন করি। ইকবাল হাসান, রাহুল মিয়া, শাকিল মিয়া, রুমান মিয়াসহ ১২ থেকে ১৫ জন শিশু এ কাজে অংশ নিয়ে আনন্দ পেয়েছে।’

বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে তালবীজ রোপণ করেছে কয়েকজন শিশু।

উপজেলার দুই কিলোমিটার সড়কের দুইপাশে শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তালের বীজ রোপণ করে তারা।

নেত্রকোনা সরকারি কলেজের হিসাববিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আজহারুল করিম শিশুদের সঙ্গে তালের বীজ রোপণের কাজে অংশ নেয়।

এ বিষয়ে আজহারুল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের সুরিয়া নদীর পাড়ে এক কিলোমিটার এবং নয়ানগর থেকে লক্ষীনগর সড়কের প্রায় এক কিলোমিটার সড়কের দুপাশে তালবীজ রোপন করি। ইকবাল হাসান, রাহুল মিয়া, শাকিল মিয়া, রুমান মিয়াসহ ১২ থেকে ১৫ জন শিশু এ কাজে অংশ নিয়ে আনন্দ পেয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাল গাছ অনেক উঁচু হওয়ায় বজ্রপাত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি নিরসনে ভূমিকা রাখে। তালের রস ও শাস অতি সুস্বাদু। এর পাশাপাশি ঘরের খুঁটি ও হাতপাখা তৈরিতে তালগাছ ব্যবহার হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে তালগাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় তালবীজ রোপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সাভারে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় মামলা
সাভারে সাংবাদিককে মারধর, আটক ২
ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে পারে সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
ফেসবুকে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তার সাংবাদিক
বাইক আটকের পর ফেসবুক লাইভ, ‘সাংবাদিক’ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

টয়লেটে ছাত্রীর আটকে থাকার ঘটনায় তদন্ত শুরু

টয়লেটে ছাত্রীর আটকে থাকার ঘটনায় তদন্ত শুরু

হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন ইউএনও, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার। ছবি: নিউজবাংলা

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিরীন আক্তার বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রী, তার বাবা, স্থানীয় মানুষ, অভিযুক্ত কর্মচারী ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করা হয়নি। আমার প্রতিবেদনে তা তুলে ধরা হবে।’

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে স্কুলের টয়লেটে বাকশক্তিহীন ছাত্রীর আটকে পড়ার ঘটনা খতিয়ে দেখতে কাজ শুরু করেছে তদন্ত কমিটির সদস্যরা।

কমিটির প্রধান তাহমিনা বেগম রোববার দুপুর ১টার দিকে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ক্লাস শেষ করে আমরা আবারও সবার সঙ্গে কথা বলব। আশা করছি খুব শিগগিরই এ বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে পারব।’

এর আগে এই ঘটনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে আয়া শাহানারা বেগমকে। তবে তিনি আগের মতোই স্কুলের কাজে নিয়োজিত আছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিন সদস্যের কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন স্কুলের সহকারী শিক্ষক উম্মে কুলসুম ও আবু হানিফ ভূইয়া।

টামটা উত্তর ইউনিয়নের হোসেনপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় শনিবার পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শিরীন আক্তার, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গিয়াস উদ্দিন পাটোয়ারী ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আহসান উল্যাহ চৌধুরী।

টয়লেটে ছাত্রীর আটকে থাকার ঘটনায় তদন্ত শুরু

বরখাস্ত আয়া স্কুলে কীভাবে কাজ করেন এই প্রশ্নে প্রধান শিক্ষক আমির হোসেন বলেন, ‘আমাদের স্কুলে একজন দপ্তরি ও একজন আয়া। এখন তারা না থাকলে বিদ্যালয়ের যে কাজকর্ম রয়েছে তা কীভাবে হবে? আয়া তার কাজ করলেও হাজিরা খাতায় তার সই দেয়া বন্ধ রাখা হয়েছে।’

ইউএনও শিরীন আক্তার বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রী, তার বাবা, স্থানীয় মানুষ, অভিযুক্ত কর্মচারী ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেছি। প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করা হয়নি। আমার প্রতিবেদনে তা তুলে ধরা হবে।’

শাহরাস্তি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আহসান উল্যাহ চৌধুরী বলেন, ‘স্কুলের টয়লেটে ছাত্রী থাকাবস্থায় তালাবন্ধ করা, স্থানীয় লোকজন তালা ভেঙে ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের সময় স্কুল কর্তৃপক্ষের ঘটনাস্থলে অনুপস্থিত থাকা, ঘটনার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত না করা ও বাকশক্তিহীন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করে তার বিশেষ যত্নের ব্যবস্থা না করায় প্রধান শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে। তিন কার্য দিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব জমা দিতে হবে।’

এসএসসি পরীক্ষার্থী বাকশক্তিহীন ওই ছাত্রী বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর টয়লেটে গেলে তালাবন্ধ করে চলে যান বিদ্যালয়ের আয়া শাহানারা আক্তার। ১১ ঘণ্টা আটকে থাকার পর রাত ১০টার দিকে টয়লেটের তালা ভেঙে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।

আরও পড়ুন:
সাভারে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় মামলা
সাভারে সাংবাদিককে মারধর, আটক ২
ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে পারে সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
ফেসবুকে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তার সাংবাদিক
বাইক আটকের পর ফেসবুক লাইভ, ‘সাংবাদিক’ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার নামে আরেক মামলা

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার নামে আরেক মামলা

ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন ও সিইও মো. রাসেল। ফাইল ছবি

ধানমন্ডি থানার ওসি ইকরাম আলী মিয়া রোববার দুপুরে নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শুক্রবার কামরুল ইসলাম নামে একজন মার্চেন্ট মামলা করেছেন। তিনি ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের পণ্য সরবরাহ করেছেন। কিন্তু ইভ্যালি তার পাওনা টাকা পরিশোধ করেনি।’

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আলোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের নামে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা হয়েছে।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া রোববার দুপুরে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘শুক্রবার কামরুল ইসলাম নামে একজন মার্চেন্ট মামলা করেছেন। তিনি ৩৫ লাখ টাকা মূল্যের পণ্য সরবরাহ করেছেন। কিন্তু ইভ্যালি তার পাওনা টাকা পরিশোধ করেনি।’

ইকরাম আলী আরও বলেন, ‘আমরা শোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছি। রিমান্ডের আবেদনও করা হয়েছে। গুলশানে রিমান্ড শেষে আমাদেরকে দিবে।’

ধানমন্ডি থানার মামলায় রাসেল, শামীমাসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এতে অজ্ঞাত আসামি আছে আরও কয়েকজন।

মামলার নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন সিইও রাসেল, চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন, ভাইস চেয়ারম্যান আকাশ, ম্যানেজার জাহেদুল ইসলাম হেময়, সিনিয়র কী অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার তানভীর আলম, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ কমার্শিয়াল জাওয়াদুল হক চৌধুরী, হেড অব অ্যাকাউন্ট সেলিম রেজা, অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার জুবায়ের আল মাহমুদ, অ্যাকাউন্ট শাখার সোহেল, আকিবুর রহমান তূর্য, পিএস টু সিইও রেজওয়ান, বাইক বিভাগের সাকিব রহমান।

অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে ১৫ থেকে ২০ জনকে।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাসেল ও তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর গুলশান থানায় মামলা করেন আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক। ওই দিন বিকেলেই রাসেলের মোহাম্মদপুরের বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব।

অভিযানে রাসেল ও শামীমাকে আটক করা হয়। পরের দিন গুলশান থানা পুলিশে দুজনকে হস্তান্তর করা হয়। ওই থানা পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ইভ্যালির সিইও ও চেয়ারম্যানকে তিন দিনের রিমান্ড দেয় আদালত।

আরও পড়ুন:
সাভারে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় মামলা
সাভারে সাংবাদিককে মারধর, আটক ২
ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে পারে সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
ফেসবুকে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তার সাংবাদিক
বাইক আটকের পর ফেসবুক লাইভ, ‘সাংবাদিক’ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

হল-ক্যাম্পাস খোলার দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হল। ছবি: সংগৃহীত

শিক্ষার্থীরা জানান, ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা না হলে লাগাতার আন্দোলন চলবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে খুলে দেয়ার দাবিতে সেখানে বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করাসহ তিন দফা দাবি তুলেছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় মিছিল বের করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সব সড়ক ঘুরে কাজী নজরুল ইসলাম প্রশাসন ভবনের সামনে গিয়ে তা শেষ হয়। পরে সেখানে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত সমাবেশ করেন তারা।

তাদের তিন দফা দাবিগুলো হলো, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেয়া, ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা এবং তাদের সহযোগিতার জন্য সামাজিক ও ছাত্র সংগঠনগুলোকে হেল্প ডেস্ক বসানোর অনুমতি দেয়া।

তারা জানান, গত ২৭ আগস্ট প্রশাসনের নির্দেশে স্থগিত হওয়া পরীক্ষা নেয়ার তারিখ ঘোষণা করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগ। পরীক্ষায় অংশ নিতে রাজশাহী এসে শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকটে পড়ছেন।

সমাবেশে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রিদম শাহরিয়ার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন হল বন্ধ রেখে পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা দেয়। এ কারণে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী আসতে শুরু করেছে। মেস নিয়ে তারা হয়রানির শিকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। দুজনের রুমে ৪ জন থেকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ নিয়ে কোনো চিন্তাই করছে না।

‘সামনে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা। হল খোলা না হলে ভর্তি পরীক্ষা দিতে আসা শিক্ষার্থীদের থাকা-খাওয়া নিয়ে ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হবে।’

তিনি জানান, ২৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেয়ার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা না হলে লাগাতার আন্দোলন চলবে।

সমাবেশে অংশ নেন বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ৫৫ শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র উপদেষ্টা তারেক নূর বলেন, ‘আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে হল ও ক্যাম্পাস খোলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। তবে আশা করছি আমরা শিগগিরই শিক্ষার্থীদের হল খুলে দিতে পারব।’

আরও পড়ুন:
সাভারে সাংবাদিককে মারধরের ঘটনায় মামলা
সাভারে সাংবাদিককে মারধর, আটক ২
ক্ষমতাহীনদের ক্ষমতাবান করতে পারে সাংবাদিক: তথ্যমন্ত্রী
ফেসবুকে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে গ্রেপ্তার সাংবাদিক
বাইক আটকের পর ফেসবুক লাইভ, ‘সাংবাদিক’ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন