শাটডাউন বাড়ানো নিয়ে দোটানায় সরকার

শাটডাউন বাড়ানো নিয়ে দোটানায় সরকার

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ২৩ জুলাই থেকে ঘোষিত শাটডাউন চলবে ৫ আগস্ট পর্যন্ত। শাটডাউন চলাকালীন মতিঝিলের শাপলাচত্বর এলাকা। ফাইল ছবি

অর্থনীতি, জীবন-জীবিকার কথা বিবেচনায় নিয়ে সামনে আর লকডাউন, শাটডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ না দেয়ার পক্ষে সরকারের একটি অংশ। তারা বলছেন, করোনা প্রতিরোধী টিকার সংস্থান হওয়ায় স্বস্তি ফিরে পেয়েছে সরকার। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে চলার শর্তে ৫ আগস্টের পর শাটডাউন তুলে দেয়া উচিত।

করোনাভাইরাসের উচ্চ সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে শাটডাউন হিসেবে পরিচিতি পাওয়া চলমান কঠোরতম বিধিনিষেধ শেষ হচ্ছে ৫ আগস্ট। এরপর কী হবে, তা নিয়ে দোটানায় সরকার। এ বিষয়ে পরিষ্কার কোনো বক্তব্য দিচ্ছেন না সরকারের কোনো মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী।

তবে অর্থনীতি, জীবন-জীবিকার কথা বিবেচনায় নিয়ে সামনে আর লকডাউন, শাটডাউন বা কঠোর বিধিনিষেধ না দেয়ার পক্ষে সরকারের একটি অংশ। তারা বলছেন, করোনা প্রতিরোধী টিকার সংস্থান হওয়ায় স্বস্তি ফিরে পেয়েছে সরকার। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে চলার শর্তে ৫ আগস্টের পর শাটডাউন তুলে দেয়া উচিত। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।

তবে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি বিবেচনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সংশ্লিষ্টরা চলমান শাটডাউন দীর্ঘায়িত করার পক্ষে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে রোববার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো অতিরিক্ত জনসংখ্যার দেশে শাটডাউন দিয়ে তা বাস্তবায়ন করা খুব মুশকিল। দেখলেন তো মাঠে আর্মি নামিয়েও কাজ হচ্ছে না। মানুষ বাইরে আসছেই। কিছুতেই আটকানো যাচ্ছে না।’

আরেক কর্মকর্তা বললেন, ‘আমাদের মতো অর্থনীতির দেশে দিনের পর দিন এভাবে সব বন্ধ রেখে চলা সম্ভব নয়। অর্থনীতিকে ঝুঁকিতে ফেলে দেয়ার মতো চ্যালেঞ্জ নেয়ার ক্ষমতা এখনও আমাদের নেই। এটা বাস্তবতা। মানুষকে কাজের সুযোগ দিতে হবে, আয়ের সুযোগ দিতে হবে। নতুবা পরিস্থিতি অন্য রকম হতে পারে।’

নিম্নবিত্ত কিছু ত্রাণ পেয়ে কোনো রকম চললেও মধ্যবিত্তের অবস্থা নিয়ে সরকার বিচলিত বলেও জানান এই দুই কর্মকর্তা।

অর্থনীতি যে সরকারের মাথাব্যথার বড় কারণ, তার প্রমাণ মিলেছে চলমান শাটডাউনের মধ্যে রপ্তানিমুখী শিল্প খুলে দেয়ার সিদ্ধান্তে। ফলে ঢাকামুখী হয়েছেন শ্রমিকরা। তাদের ভোগান্তি কমাতে খুলে দেয়া হয়েছে গণপরিবহন ও নৌযান। তবে স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা দাবি করছেন, এতে করোনা সংক্রমণ আরও তীব্র হয়ে উঠতে পারে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় শাটডাউন বাড়ানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক রোববার বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে অবশ্যই কঠোর বিধিনিষেধ চলমান থাকবে। ঊর্ধ্বমুখী করোনা নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধিনিষেধ অবশ্যই থাকতে হবে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার মধ্যে সরকারের জীবন-জীবিকার ব্যালেন্স করতে হচ্ছে। সরকারের সব দিকে নজর রয়েছে। ব্যালেন্স সব সময় ঠিক রাখা যায় না। বিশ্বের অনেক দেশে লকডাউন খুলে দেয়া হয়েছিল। আবার তারা লকডাউন দিয়েছে।’

প্রতিদিন দুই শর বেশি লোক মৃত্যুবরণ করছে, ১০ হাজারের বেশি লোক আক্রান্ত হচ্ছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এই সংক্রমণ আমরা কমিয়ে আনতে চাই। তবে যদি আমরা স্বাস্থ্যবিধি না মানি, তাহলে এটি কমিয়ে আনা সম্ভব নয়।’

করোনার এই পরিস্থিতির মধ্যেও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের যুক্তি, স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন করার ক্ষেত্রে ব্যক্তিমানুষকে সচেতন হতে হয়। সে ক্ষেত্রে শাটডাউন না দিয়েও সেটা সম্ভব।

বিভিন্ন উৎস থেকে টিকার জোগান নিশ্চিত হওয়ায় সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের একটু সুবিধা হয়েছে বলে মনে করেন এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘সিরাম চুক্তি অনুযায়ী টিকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকার ঝামেলায় পড়ে গিয়েছিল। তবে এখন নানা উৎস থেকে টিকার সংস্থান করতে সরকার সফল হয়েছে। আর টিকা প্রয়োগ হলে করোনার ভয়াবহতা অনেকাংশে কমে আসবে।’

গত সোমবার মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, করোনা প্রতিরোধী ২১ কোটি টিকার সংস্থান হয়েছে। আর এই ২১ কোটি ডোজ দিয়ে দেশের ১৪ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে রোববার সচিবালয়ে শাটডাউন অব্যাহত রাখা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে এড়িয়ে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেখেন, লকডাউনের সিদ্ধান্ত যেখান থেকে নেয়, সেটা আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নয়। লকডাউন যেখান থেকে শিথিল করে বা চালু করে, তারাই এটার উত্তর দিতে পারবে।’

শাটডাউন বাড়ানো নিয়ে দোটানায় সরকার

শাটডাউন না মানাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

বিষয়টি নিয়ে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনও কিছু খোলাসা করেননি। তিনি শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এর মধ্যে আমরা সিদ্ধান্ত নেব পরিস্থিতি বিবেচনা করে ৫ তারিখের পর কী হবে। ৩/৪ তারিখে আমরা জানিয়ে দেব, আমরা কী করতে যাচ্ছি। কী পরিসরে খুলবে অথবা কী হবে, সে বিষয়ে আমরা এখনও কোনো সিদ্ধান্ত পাইনি। প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত জানাবেন। সে পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

সরকার সম্ভাব্য সব বিকল্প মাথায় রেখে করণীয় নির্ধারণ করতে চায় বলেও জানান তিনি।

ফরহাদ বলেন, ‘পরিস্থিতি বুঝে যতগুলো বিকল্প আছে, সেগুলো নিয়ে ভাবা হচ্ছে…হয়তো অফিস খোলা রাখলে সেখানে আমাদের লোকবল কত থাকবে, সেটির একটি ব্যাপার আছে। মানুষ যাতে ঘর থেকে কম বের হয়, সে জন্য কী করা যায়, যতগুলো বিকল্প আছে, আমরা সেই বিকল্পগুলো নিয়ে ভাবছি।’

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে কোরবানির ঈদের পর ২৩ জুলাই সকাল থেকে শাটডাউন দেয় সরকার। বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এটি চলবে ৫ আগস্ট মধ্যরাত পর্যন্ত।

আরও পড়ুন:
রংপুরে যাত্রীদের ভিড়, অনিশ্চিত যাত্রা
বাংলাবাজার-শিমুলিয়ায় লঞ্চ চলবে রাতেও
প্রাণ হাতে লঞ্চে হাজার হাজার মানুষ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

সমুদ্রসীমা নিয়ে জাতিসংঘে ভারতের বিরুদ্ধে আপত্তি

সমুদ্রসীমা নিয়ে জাতিসংঘে ভারতের বিরুদ্ধে আপত্তি

বঙ্গোপসাগর

মহিসোপান নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিতর্ক শুরু ২০০৯ সালে। সেবার ভারত তাদের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের জন্য যে বেইজ পয়েন্ট নির্ধারণ করে, তার দুটি নিয়ে আপত্তি ছিল বাংলাদেশের।

সমুদ্রসীমা নিয়ে ভারতের দাবির বিরোধীতা করে জাতিসংঘে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ। গত ১৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়। জাতিসংঘের ওয়েবসাইটে চিঠিটি প্রকাশিত হয়েছে।

২০১৪ সালে সমুদ্রসীমা নিয়ে আন্তর্জাতিক সালিশ আদালতের রায়ে বাংলাদেশ নতুন প্রায় সাড়ে ১৯ হাজার বর্গকিলোমিটার সমুদ্র এলাকা পেয়েছে। কিন্তু গত এপ্রিলে বাংলাদেশের দাবির উপরে আপত্তি এবং নিজেদের কিছু দাবি দাওয়া জানিয়ে চিঠি দেয় ভারত। চিঠিতে বলা হয়- বাংলাদেশ যে মহীসোপান নিজেদের বলে দাবি করছে, তা ভারতের মহীসোপানের অংশ।

সেই সময়ই বাংলাদেশ জানিয়ে দেয় যে, ভারতের ওই আপত্তির কোন আইনগত ভিত্তি নেই। এ বিষয়ে জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণ কমিশনের সামনে নিজেদের বক্তব্যও তুলে ধরে বাংলাদেশ।

এবার সরাসরি জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে চিঠি দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

মহিসোপান নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিতর্ক শুরু ২০০৯ সালে। সেবার ভারত তাদের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের জন্য যে ভিত্তিরেখা বা বেইজ পয়েন্ট নির্ধারণ করে, তার একটি ছিল বাংলাদেশের জলসীমার ভেতরে। আরেকটি ছিল সাড়ে দশ নটিক্যাল মাইল সমুদ্রের ভেতরে।

ওই দুটি বেইজ পয়েন্টের ক্ষেত্রে ভারত কোনো নিয়ম মানেনি বলে দাবি করে বাংলাদেশ। তাই এ ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করে দ্রুত সংশোধনের অনুরোধ করা হয় এবং ২০১১ সালে জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণ বিষয়ক কমিশনেও যাওয়া হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালে বাংলাদেশের পক্ষে রায় আসে।

আদালতের রায় নিয়ে সেই সময় কোনো উচ্চ বাচ্য না করলেও পরে দ্বিপক্ষীয়ভাবে বিষয়টি নিয়ে জল ঘোলা করতে থাকে ভারত। সাত বছর এমন চলার পর সর্বশেষ গত এপ্রিলে জাতিসংঘে নিজেদের দাবি দাওয়া উপস্থাপন করে তারা। কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো ছাড় না দেওয়ার মনোভব বাংলাদেশের।

আরও পড়ুন:
রংপুরে যাত্রীদের ভিড়, অনিশ্চিত যাত্রা
বাংলাবাজার-শিমুলিয়ায় লঞ্চ চলবে রাতেও
প্রাণ হাতে লঞ্চে হাজার হাজার মানুষ

শেয়ার করুন

সৌদিতে শুল্ক ছাড়াই ১৩৭ পণ্য রপ্তানি চায় বাংলাদেশ

সৌদিতে শুল্ক ছাড়াই ১৩৭ পণ্য রপ্তানি চায় বাংলাদেশ

সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে সৌদি আরবে সফররত বাংলাদেশি দল

সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) আওতায় দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়েও অনুরোধ সালমান এফ রহমান।

সৌদি আরবে ১৩৭টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা চেয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী আল কাসাবির কাছে এই অনুরোধ করেন।

শনিবার আল কাসাবির সঙ্গে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হন সালমান এফ রহমান। সরকারি সফরে তিনি এখন সৌদি আরবে অবস্থান করছেন।

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরব বর্তমানে তৈরি পোশাক, চামড়াজাত ও প্লাস্টিক পণ্য, হিমায়িত মাছ ও ওষুধ আমদানি করে উল্লেখ করে সালমান এফ রহমান হালাল মাংস রপ্তানিতেও আগ্রহ প্রকাশ করেন। এ সময় দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ককে জোরদার করতে সৌদি আরবে রপ্তানি হয় এমন ১৩৭টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা চান তিনি। এ ছাড়া সৌদিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাবসা করার সুযোগ দেওয়ারও অনুরোধ করেন।

সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী দাবি করেন, তার দেশ বিদেশিদের বৈধভাবে ব্যবসা করার সুযোগ দেয়। বাংলাদেশিরা এ ব্যপারে সৌদি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে সব ধরনের সহায়তা পাবে।

সৌদি আরব চাইলে বাংলাদেশ সৌদি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা করে বিশেষ সুবিধা দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলেও আল কাসাবিকে জানান সালমান এফ রহমান। সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) আওতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়েও অনুরোধ জানান তিনি। এ ব্যপারে ইতিবাচক মনোভব দেখান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীও।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশের ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ এবং কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে বিনিয়োগ করতে পারে।

এ ছাড়া ২০১৯ সালে সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরের সময় দুই বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়ে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন সমঝোতা দ্রুত কার্যকর করারও অনুরোধ জানান তিনি। এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন কাসাবি।

সালমান এফ রহমান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরেরও আমন্ত্রণ জানান। এই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেন আল কাসাবি।

এর আগে বৈঠকের শুরুতেই সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন সালমান এফ রহমান। শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সৌদি সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলে জানান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী।

ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম, অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা আফরোজ এবং সৌদি আরবে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারি উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
রংপুরে যাত্রীদের ভিড়, অনিশ্চিত যাত্রা
বাংলাবাজার-শিমুলিয়ায় লঞ্চ চলবে রাতেও
প্রাণ হাতে লঞ্চে হাজার হাজার মানুষ

শেয়ার করুন

তুরাগে যাত্রীসহ প্রাইভেটকার, নিহত ১

তুরাগে যাত্রীসহ প্রাইভেটকার, নিহত ১

প্রতীকী ছবি।

উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মনির হোসেন জানান, প্রাইভেটকারটি ঢাকা থেকে আশুলিয়ার দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের মরাগাং এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে তুরাগ নদে পড়ে যায়। এসময় গাড়ি থেকে দুইজন বেরিয়ে আসতে পারলেও, আটকা পড়েন একজন।

ঢাকার সাভারে একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তুরাগ নদে পড়ে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন দুইজন।

তাদের আশুলিয়ার নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের মরাগাং এলাকায় শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ব্যক্তির নাম ভোলা দাশ। আহত দুইজনের নাম জানা যায়নি।

উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মনির হোসেন জানান, প্রাইভেটকারটি ঢাকা থেকে আশুলিয়ার দিকে যাচ্ছিল। গাড়িটি টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের মরাগাং এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে তুরাগ নদে পড়ে যায়। এসময় গাড়ি থেকে দুইজন বেরিয়ে আসতে পারলেও, আটকা পড়েন একজন।

‘ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গাড়ির ভেতর থেকে একজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। আহত দুইজনকে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।’

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার গোপ বলেন, ‘পানিতে তলিয়ে যাওয়া প্রাইভেটকারের আহত দুই যাত্রীকে আশুলিয়ার নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। মরদেহ থানায় নেয়া হয়েছে। পানির নিচে থাকা প্রাইভেটকারটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
রংপুরে যাত্রীদের ভিড়, অনিশ্চিত যাত্রা
বাংলাবাজার-শিমুলিয়ায় লঞ্চ চলবে রাতেও
প্রাণ হাতে লঞ্চে হাজার হাজার মানুষ

শেয়ার করুন

গৃহবধূর ক্ষতবিক্ষত মরদেহের পাশে বসে কাঁদছিল শিশু

গৃহবধূর ক্ষতবিক্ষত মরদেহের পাশে বসে কাঁদছিল শিশু

ওবায়দুর রহমান বলেন, এলাকার একটি হাওরে কয়েকজন লোক মাছ ধরছিলেন। এ সময় তারা একটি শিশুর কান্না শুনতে পান। তখন আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে দেখতে পান হাওরের পাশে নির্জন স্থানে ক্ষতবিক্ষত এক নারীর মরদেহ পড়ে আছে। পাশে বসে শিশুটি কাঁদছে।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে ইয়াসমিন নামে এক গৃহবধূর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে পলাতক আছেন স্বামীসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা।

শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার গাঙাইল ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে মদনপুর-যুগের হাওর নামক স্থান থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন নান্দাইল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ওবায়দুর রহমান।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, শ্রীরামপুর গ্রামের সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে প্রায় ১০ বছর আগে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার পাইকুড়া ইউনিয়নের সোহাগপুর গ্রামের ইয়াসমিনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক কলহ ছিল। তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। পারিবারিক কলহে গৃহবধূ ইয়াসমিন তার বাপের বাড়িতে চলে গেলেও দুই দিন আগে স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন।

ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘এলাকার একটি হাওরে কয়েকজন লোক মাছ ধরছিলেন। এ সময় তারা একটি শিশুর কান্না শুনতে পান। তখন আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে দেখতে পান হাওরের পাশে নির্জন স্থানে ক্ষতবিক্ষত এক নারীর মরদেহ পড়ে আছে। পাশে বসে শিশুটি কাঁদছে।

‘জেলেদের চিৎকারে স্থানীয়রা এসে থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।’

পুলিশের ওই এসআই বলেন, ‘তিন বছর বয়সী ফাতেমা আক্তার নামের শিশুটি নিহত গৃহবধূর মেয়ে। গৃহবধূর বুকে, পিটে ও হাতে ছুরির আঘাত রয়েছে। তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হতে পারে।’

মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে। রোববার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা লাপাত্তা বলে জানায় পুলিশ।

আরও পড়ুন:
রংপুরে যাত্রীদের ভিড়, অনিশ্চিত যাত্রা
বাংলাবাজার-শিমুলিয়ায় লঞ্চ চলবে রাতেও
প্রাণ হাতে লঞ্চে হাজার হাজার মানুষ

শেয়ার করুন

স্কুলের মাঠ দখল করে কলাবাগান

স্কুলের মাঠ দখল করে কলাবাগান

স্কুলের মাঠ দখল করে সেখানে রোপন করা হয় কলাগাছ। ছবি: নিউজবাংলা

করোনায় বন্ধ থাকার সুযোগে স্কুলের মাঠে কলাগাছের চারা রোপন করেন ওই স্কুলের জমিদাতার নাতিরা। তাদের দাবি, জমির মালিকানা তাদের দাদি পিয়ারজান বিবির ছিল না। তাই তিনি জমি লিখে দিতে পারেন না। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও জমিদাতার স্বজনদের মধ্যে।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ দখল করে কলাগাছের বাগান করেছেন জমিদাতার পরিবারের সদস্যরা। এ অবস্থায় বিদ্যালয়ে পাঠদান চললেও, মাঠে খেলাধুলা করতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অবিভাবকসহ স্থানীয়রা।

উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের কুতুবপুর পিয়ারজান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটেছে। বিদ্যালয়ের মাঠজুড়ে কলাগাছ লাগানোর ঘটনায় কর্তৃপক্ষ প্রতিবাদ জানালেও, লাভ হয়নি। সালিশে বসেও সমাধান না হওয়ায় বিষয়টি গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ১৯৭৪ সালে বিদ্যালয়ের নামে জমি লিখে দেন পিয়ারজান বিবি নামের এক নারী। তিনি বর্তমানে বেঁচে নেই।

৪৭ বছর পর জমিদাতার নাতিরা দাবি করছেন, জমির মালিকানা পিয়ারজান বিবির ছিল না। তাই তাদের দাদি জমি লিখে দিতে পারেন না। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও জমিদাতার স্বজনদের মধ্যে।

স্থানীয়রা জানান, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে প্রায় দেড় বছর সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এ সময়ে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে কম আসতেন। এই সুযোগে বিদ্যালয় মাঠে কলাগাছের চারা রোপন করে জমিদাতার স্বজনরা।

খবর পেয়ে শিক্ষকরা বিদ্যালয়ে গেলে তাদের দেয়া হয় নানা রকম হুমকি। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় মামলা করেন।

প্রধান শিক্ষক রোকেয়া খাতুন বলেন, ‘গত ২৯ মে স্থানীয় পর্যায়ে সালিশ হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় জমিদাতার স্বজনরা বিদ্যালয়কে ৩১ শতক জমি সাফকবলা দলিল করে দেবেন। বিনিময়ে তাদের তিন লাখ টাকা দেয়া হয়। কিন্তু এখন তারা জমি লিখে দেয়ার কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমানে পাঠদানের জন্য একমাত্র টিনশেড ঘরটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও, মাঠ থেকে কলাগাছ সরানো হয়নি। এ অবস্থায় গত ১২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটি খোলা হয়।’

জমিদাতা পিয়ারজান বিবির নাতি আবুল ইসলাম জানান, তারা তিন লাখ টাকা পেয়েছেন। তবে জমি লিখে দিতে হলে আগের দলিল বাতিল করতে হবে।

পিয়ারজান বিবির আরেক নাতি সুরুজ আলী বলেন, ‘আগের দলিল বাতিল করা না হলে নতুন করে জমি লিখে দেব না। গাছগুলো সরানোর বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে নান্দাইল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী সিদ্দিক বলেন, ‘একটি মীমাংসিত বিষয়কে জটিল করে তুলেছেন জমিদাতার স্বজনরা। ঘটনাটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
রংপুরে যাত্রীদের ভিড়, অনিশ্চিত যাত্রা
বাংলাবাজার-শিমুলিয়ায় লঞ্চ চলবে রাতেও
প্রাণ হাতে লঞ্চে হাজার হাজার মানুষ

শেয়ার করুন

ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত

ছাদ থেকে পড়ে মেট্রোরেলের কর্মী নিহত

ঢাকা মেডিক্যালে শান্তর মৃতদেহ

মেট্রোরেলের শেওড়াপাড়া আট নম্বর স্টেশনে কাজ করতেন ২৩ বছর বয়সী শান্ত। আগারগাঁও তালতলার একটি বাসায় কয়েকজন মিলে থাকতেন।

রাজধানীর আগারগাঁও তালতলা এলাকার একটি ভবনের ৬ তলা ছাদ থেকে অসাবধানতায় পড়ে গিয়ে আরিফুল ইসলাম শান্ত নামে এক মেট্রোরেল কর্মচারীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে রাত সাড়ে নয়টার তার মৃত্যু হয়।

নিহতের চাচা আব্দুল হান্নান জানান, মেট্রোরেলের শেওড়াপাড়া আট নম্বর স্টেশনে কাজ করতেন ২৩ বছর বয়সী শান্ত। আগারগাঁও তালতলার একটি বাসায় কয়েকজন মিলে থাকেন। ওই বাসার ছয় তলার ছাদে মোবাইলে কথা বলতে বলতে অসাবধানবশত নিচে পড়ে যান।

প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলেও পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিক্যালে শান্তকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শংকরপাশা গ্রামের আবু সালেকের সন্তান তিনি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী ইনচার্জ (এএসআই) আব্দুল খান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকেও জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
রংপুরে যাত্রীদের ভিড়, অনিশ্চিত যাত্রা
বাংলাবাজার-শিমুলিয়ায় লঞ্চ চলবে রাতেও
প্রাণ হাতে লঞ্চে হাজার হাজার মানুষ

শেয়ার করুন

প্রতারক চাকরিদাতারা রিমান্ডে

প্রতারক চাকরিদাতারা রিমান্ডে

গ্রেপ্তার হওয়া তিন প্রতারক

ড্রিম জবস ইন কানাডা নামে প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতারণা করে আসছে। চক্রের একটি অংশ প্রথমে ভিকটিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিবিড় বন্ধুত্ব গড়ে তোলে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক মেসেঞ্জার, ভয়েস-ওভার-আইপি সার্ভিস ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে প্রতারণার দায়ে গ্রেপ্তার তিন প্রতারককে জিজ্ঞাসাবাদ করতে একদিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

শনিবার প্রতারণায় অভিযুক্ত মো. কবির হোসেন, শামসুল কবীর ও ইয়াছিন আলীকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। পরে কদমতলী থানার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলার তাদের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম শহিদুল ইসলাম আসামিদের একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে শুক্রবার রাজধানীর কল্যাণপুর এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের একটি দল। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যাংকের ২৫৭টি চেকবই, ২৩৪টি ডেবিট কার্ড, ৮টি মোবাইল ফোন ও ১১টি মোবাইলের সিম জব্দ করা হয়।

শনিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত কমিশনার ডিবির প্রধান এ কে এম হাফিজ আক্তার।

হাফিজ জানান, ড্রিম জবস ইন কানাডা নামে প্রতারক চক্রটি বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ হয়ে প্রতারণা করে আসছে। চক্রের একটি অংশ প্রথমে ভিকটিমের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিবিড় বন্ধুত্ব গড়ে তোলে। আবার ফেসবুকে বিদেশে চাকরির অফার দিয়ে আগ্রহীদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ও ই-মেইলে যোগাযোগ স্থাপন করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ফির বাহানায় ব্যাংকে টাকা জমা দিতে বলে প্রতারকরা। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে তারা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর প্রদান করে। এভাবে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৫ লাখ টাকা আয় তাদের।

আরও পড়ুন:
রংপুরে যাত্রীদের ভিড়, অনিশ্চিত যাত্রা
বাংলাবাজার-শিমুলিয়ায় লঞ্চ চলবে রাতেও
প্রাণ হাতে লঞ্চে হাজার হাজার মানুষ

শেয়ার করুন