ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে লঞ্চ

ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে লঞ্চ

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) শিমুলিয়া ঘাট সূত্র জানায়, এই নৌপথে সকাল থেকে ৮৬টি লঞ্চ চলছে। ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়েই লঞ্চগুলো পারি দিচ্ছে পদ্মা।  তবে, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ ও ফেরিতে দেখা যায়নি যাত্রীর চাপ।

কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে রোববার খোলা হলো রপ্তানিমুখী শিল্প ও কল-কারখানা। কাজে ফিরতে শুক্রবার থেকেই ঢাকামুখী যাত্রীদের চাপ ছিল ফেরিঘাটগুলোতে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দুর্ভোগ সয়ে ফেরিতে চড়ে ফিরেছেন তারা।

এরইমধ্যে শ্রমিকদের দুর্ভোগ লাঘবে শনিবার রাতে ঘোষণা আসে, রোববার দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে গণপরিবহন। এরপর থেকে ফেরিঘাটে চাপ কমেছে অনেকটাই। লঞ্চঘাটে বেড়েছে ভিড়।

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে রোববার সকালে দেখা গেছে, ফেরিতে যাত্রী খুবই কম।

লঞ্চঘাটে দেখা গেছে, মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলোর প্রতিটিই ছিল যাত্রীভর্তি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) শিমুলিয়া ঘাট সূত্র জানায়, এই নৌপথে সকাল থেকে ৮৬টি লঞ্চ চলছে। ধারণ ক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়েই লঞ্চগুলো পারি দিচ্ছে পদ্মা।

তবে শিমুলিয়া ঘাটে পৌঁছে বাসসহ অন্যান্য গণপরিবহন পেয়ে যাওয়া যাত্রীদের ভোগান্তি কমেছে।

লঞ্চঘাটে কথা হয় মাজেদা বেগমের সঙ্গে। তিনি নারায়ণগঞ্জ একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক।

ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে লঞ্চ

তিনি জানান, লঞ্চে উঠতে তেমন কোনো ভোগান্তি হয়নি। শিমুলিয়ায় নেমে বাস পেয়ে গেছেন।

রুহুল মিয়া এসেছেন বরিশাল থেকে। তিনি জানান, দুই হাজার টাকার বেশি খরচ হয়ে গেছে বাংলাবাজার ঘাট পর্যন্ত পৌঁছাতে। তবে সেখানে এসেই লঞ্চ পেয়েছেন। এখন বাসে করে রাজধানী যাবেন।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ করপোরেশনের (বিআইডাব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী ব্যবস্থাপক মাহবুব রহমান জানান, এই নৌপথে এখন ছোট বড় মিলিয়ে ১০টি ফেরি সচল রয়েছে। আজও ফেরিতে যাত্রীরা আসছে। তবে লঞ্চ চালু হওয়ায় সে চাপ অনেকটাই কমেছে।

তিনি জানান, শতাধিক ছোট-বড় গাড়ি রয়েছে পারাপারের অপেক্ষায়। এর মধ্যে পণ্যবাহী ট্রাকই বেশি।

ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে লঞ্চ

বিআইডাব্লিউটিএ শিমুলিয়া লঞ্চঘাটের পরিদর্শক মো. সোলেইমান জানান, ৱ৮৬টি লঞ্চ বাংলাবাজার থেকে যাত্রী আনছে। দক্ষিনবঙ্গগামী যাত্রীর সংখ্যা কম। নির্দেশ মেনে দুপুর পর্যন্ত সব লঞ্চ চলবে।

বাংলাবাজার থেকে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে আসায় এই ঘাটে চারটি লঞ্চকে ৫০০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান।

এদিকে, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে রোববার দেখা যায়নি যাত্রীর চাপ। ঘাটে কিছু বাস দেখা গেছে। সেগুলোতেও যাত্রী নেই তেমন।

ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নিয়ে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে লঞ্চ

নির্দেশ অনুযায়ী শনিবার রাত থেকে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে লঞ্চ চলছে। সেগুলোও প্রায় ফাঁকা সকালে। ঘাট এলাকায় নেই কোনো যানবাহনের সিরিয়াল।

বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক শিহাব উদ্দিন বলেন, এই মূহুর্তে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় ১২টি ফেরি চলছে। গাড়ি এসেই ফেরি পেয়ে যাচ্ছে। তাই কোনো জটলা নেই।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ঢাকামুখী সড়কে ধীরগতি
বরিশালে ছাড়েনি লঞ্চ, চলছে বাস
শাটডাউন: জরিমানা সাড়ে ১২ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৪৮১
‘এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না’
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঢাবিতে ডোপ টেস্ট চলতি বছর থেকেই

ঢাবিতে ডোপ টেস্ট চলতি বছর থেকেই

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের প্রধান কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান মুক্তাফী বলেন, ‘এই বছর যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি হবে, তাদের দিয়েই মূলত ডোপ টেস্ট কার্যক্রম শুরু হবে। তাদেরকে টার্গেটে রেখেই আমরা এটি শুরু করব।’

চলতি বছর থেকেই ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের ডোপ টেস্টের আওতায় আনতে চায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এ বছর যেসব শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবেন, তাদের দিয়েই মূলত ডোপ টেস্ট কার্যক্রম শুরুর চেষ্টা করা হবে। তবে টেস্টের খরচ শিক্ষার্থীরা নাকি বিশ্ববিদ্যালয় বহন করবে সেটি এখনও ঠিক করা হয়নি।

শুক্রবার নিউজবাংলার সঙ্গে আলাপে এসব তথ্য জানিয়েছেন ডোপ টেস্ট নিয়ে গঠিত কমিটির সদস্য সচিব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের প্রধান কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান মুক্তাফী।

তিনি বলেন, ‘এই বছর যেসব শিক্ষার্থী ভর্তি হবে, তাদের দিয়েই মূলত ডোপ টেস্ট কার্যক্রম শুরু হবে। তাদেরকে টার্গেটে রেখেই আমরা এটি শুরু করব।’

৩১ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটের এক নিয়মিত সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি এবং শিক্ষক নিয়োগে ডোপ টেস্ট কার্যকর করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ লক্ষ্যে ডোপ টেস্টের সক্ষমতা যাচাইয়ে ডিনস কমিটির করা সাত সদস্যের একটি কমিটি অনুমোদন দেয় সিন্ডিকেট।

কমিটির প্রধান করা হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর চিকিৎসাবিজ্ঞান ও গবেষণা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. টিটো মিঞাকে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. রহমতুল্লাহ, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মিহির লাল সাহা, ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রহমান, চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শাহরিয়ার নবী, ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান জোবেদা খাতুন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান মেডিক্যাল কর্মকর্তা ডা. সারওয়ার জাহান মুক্তাফী।

৭ সেপ্টেম্বর এ কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানতে চাইলে কমিটি সদস্য ও চিকিৎসা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. শাহরিয়ার নবী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা কোন জায়গায় এই টেস্ট করাব, কীভাবে করানো হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের যে ল্যাবরেটরি আছে, সেগুলোকে উন্নত করে এই টেস্ট করানোর সুযোগ আছে কী না সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

টেস্টের খরচ বহনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি আমাদের আলোচনার বিষয়বস্তু না। আমরা শুধু কোন জায়গায় টেস্ট করাতে কী খরচ সেটি কর্তৃপক্ষকে জানাব। তারাই সিদ্ধান্ত নিবে এই খরচ কে বহন করবে।’

কমিটির সদস্য সচিব ডা. সারওয়ার জাহান মুক্তাফী বলেন, ‘কমিটির সদস্যরা ডোপ টেস্ট নিয়ে একটি প্রস্তাবনা তৈরি করছে। কোথায় থেকে টেস্ট করানো হবে, খরচটা কীভাবে বহন করা হবে এগুলো নিয়েই ওনারা প্রস্তাব দিবেন। এ প্রস্তাবনাগুলোই কমিটির আগামী সভায় আলোচনা হবে। এগুলোই পরবর্তীতে ডিনস কমিটি, প্রভোস্ট স্ট্যান্ডিং কমিটি এরপর সিন্ডিকেটে সভায় যাবে। সেখানেই ডোপ টেস্ট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।’

নতুন সভা কবে হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যেহেতু নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির সময় এটি কার্যকর করার চেষ্টা করা হবে, তাই এটি নিয়ে এখনই তাড়াহুড়া করা হচ্ছে না। কিছুদিন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম শুরু হবে। সেটির জন্য এখন একটু ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। ভ্যাকসিনেশন শুরু করতে পারলে পরে আরেকটা সভায় আমরা বসব।’

টেস্টের খরচের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো প্রাইভেট সংগঠনে যেতে চাই না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়েই হয়তো আমাদের টেস্ট করাতে হবে। এখানেই মূলত খরচটা সবচেয়ে কম। এই টেস্টে দুই ধরনের খরচ আছে।

‘একটা প্রায় ৫০০ টাকা, অন্যটি এক হাজার টাকার মতো। এই দুটিই প্রস্তাবনা হিসেবে আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাব। তারাই সিদ্ধান্ত নিবে। তবে এই খরচটা বিশ্ববিদ্যালয় নাকি শিক্ষার্থীরা বহন করবে এটি পুরোপুরি আলোচনা হয়নি। প্রস্তাবনা আকারে সব সদস্য থেকে নিয়ে তারপর এটি আলোচনা করা হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, ‘ডোপ টেস্ট নিয়ে গঠিত কমিটি কাজ করছে। তাদের রিপোর্ট জমা পড়লে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ঢাকামুখী সড়কে ধীরগতি
বরিশালে ছাড়েনি লঞ্চ, চলছে বাস
শাটডাউন: জরিমানা সাড়ে ১২ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৪৮১
‘এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না’
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’

শেয়ার করুন

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমতি

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমতি

রাজধানীর বাড্ডায় বেসরকারি কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। ছবি: নিউজবাংলা

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তক্রমে নিজ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে পারবে।

করোনায় ১৭ মাস বন্ধ থাকার পর শর্তসাপেক্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। তবে এর জন্য স্ব স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের অনুমতি লাগবে এবং যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পরিচালক (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিভাগ) মো. ওমর ফারুখের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

এ বিষয়ে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, ‘সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকেও করোনার এক ডোজ টিকা অথবা টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে এই শর্তে সশরীরে ক্লাস ও পরীক্ষা নেয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছে।’

অফিস আদেশে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্তক্রমে নিজ ব্যবস্থাপনায় যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাস, পরীক্ষাসহ শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে পারবে।

শর্ত সমূহ:

১. শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীগণ ইতোমধ্যে কমপক্ষে এক ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছে অথবা ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য জাতীয় পরিচয় (NID) সহযোগে জাতীয় সুরক্ষা সেবা ওয়েব (https://surokkha.gov.bd/) অথবা surokkha app-এর মাধ্যমে নিবন্ধন করে থাকলে।

২. ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব শিক্ষার্থী, যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নেই, তারা জন্ম নিবন্ধন সনদের তথ্য ব্যবহার করে কমিশনের ওয়েবলিংক (https://univac.ugc.gov.bd)-এ ভ্যাকসিন গ্রহণের জন্য প্রাথমিক নিবন্ধন করে থাকলে এবং পরবর্তীতে জাতীয় সুরক্ষা সেবা ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে টিকা গ্রহণের জন্য নিবন্ধন করে থাকলে।

এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও উপাচার্যদের বৈঠকে ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের টিকা নিবন্ধন শেষে কিছু ব্যবস্থা নেয়া সাপেক্ষে যেকোনো দিন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত হয়।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে গত বছরের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয়েছে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ঢাকামুখী সড়কে ধীরগতি
বরিশালে ছাড়েনি লঞ্চ, চলছে বাস
শাটডাউন: জরিমানা সাড়ে ১২ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৪৮১
‘এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না’
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’

শেয়ার করুন

বাগেরহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২১

বাগেরহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২১

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুর ইসলাম বলেন, ‘জুমার নামাজ শুরুর আগে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নামাজ শেষে তারা সংঘর্ষে জড়ান। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণপুর ইউনিয়নে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২১ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শেখরা গ্রামে শুক্রবার বেলা দেড়টার দিকে এ সংঘর্ষ হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজিজুর ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘জুমার নামাজ শুরুর আগে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে নামাজ শেষে তারা সংঘর্ষে জড়ান। এতে দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

স্থানীয়রা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জয় পেতে চলতি মাসের শুরুতে গ্রামের মসজিদে দোয়ার ব্যবস্থা করেন ইউপি সদস্য প্রার্থী আব্দুল লতিফ। ইমাম নামাজ শেষে দোয়া করেন।

কিন্তু ২০ সেপ্টেম্বর নির্বাচনে জয় পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন আনিসুর রহমান।

শুক্রবার জুমার নামাজের আগে আনিসুর রহমানের সমর্থক ফারুক মসজিদের ইমামকে ওই দিন দোয়া করার বিষয়ে ব্যাখ্যা চান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল লতিফের সমর্থক বাবুল ফকির। একপর্যায়ে তারা তর্কে জড়ান। পরে নামাজ শেষে দুই পক্ষ ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এ বিষয়ে আব্দুল লতিফ জানান, আমাদের ওপর পরিকল্পিত হামলা চালিয়েছেন আনিসুরের লোকজন। তাদের হামলায় আমার ১৩ জন সমর্থক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে বাবুল ফকিরের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিক্যাল কজেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে আনিসুর রহমান বলেন, ‘মসজিদের মধ্যে বাবুল ফকির, কামরুল ইশারাত শেখসহ বেশ কয়েকজন আমার লোকজনের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তখন দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ঢাকামুখী সড়কে ধীরগতি
বরিশালে ছাড়েনি লঞ্চ, চলছে বাস
শাটডাউন: জরিমানা সাড়ে ১২ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৪৮১
‘এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না’
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’

শেয়ার করুন

উল্টো পাশ দিয়ে আসা বাইকের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

উল্টো পাশ দিয়ে আসা বাইকের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

উল্টো দিক থেকে আসা বাইকের ধাক্কায় নিহতের ছেলের আহাজারি। ছবি: নিউজবাংলা

নিহতের ছেলে মিলন জানান, বাইকের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তার মাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সন্ধ্যা ৬টার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।  

রাজধানীর দনিয়ায় রাস্তা পার হওয়ার সময় উল্টো দিক থেকে হঠাৎ আসা একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক নারী পথচারী নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম মহিফুল বেগম। তার বয়স ৬৫।

নিহতের ছেলে মিলন জানান, বাইকের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে তার মাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সন্ধ্যা ৬টার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।’

তিনি আরও জানান, ‘এ ঘটনায় মোটরসাইকেল জব্দ ও চালককে আটক করেছে পুলিশ।’

মিলন জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি ভোলার লালমোহন উপজেলার কালা মোল্লা গ্রামে। তারা ধনিয়ার বেলতলায় পরিবার নিয়ে থাকেন।

তিনি বলেন, ‘আমার মা সঠিক রাস্তাতেই ছিল। কিন্তু বাইক উল্টো দিক থেকে এসে ধাক্কা দিয়েছে। আমি মায়ের হত্যাকারীর বিচার চাই।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ঢাকামুখী সড়কে ধীরগতি
বরিশালে ছাড়েনি লঞ্চ, চলছে বাস
শাটডাউন: জরিমানা সাড়ে ১২ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৪৮১
‘এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না’
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’

শেয়ার করুন

ট্রেনের ধাক্কায় কুড়িলে নিরাপত্তাকর্মী নিহত

ট্রেনের ধাক্কায় কুড়িলে নিরাপত্তাকর্মী নিহত

ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত নিরাপত্তাকর্মীর মরদেহ। ছবি: নিউজবাংলা

ঢাকা রেলওয়ে থানার বিমানবন্দর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাকলাইন জানান, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় কমলাপুরগামী একটি ট্রেন তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান বারেক। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় ট্রেনের ধাক্কায় আব্দুল বারেক নামের একজন নিহত হয়েছেন। তিনি বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শুক্রবার সকালের দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

ঢাকা রেলওয়ে থানার বিমানবন্দর পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাকলাইন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় কমলাপুরগামী একটি ট্রেন তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান বারেক। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, নিহতের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণার দুর্গাপুর থানার পাইকপাড়া গ্রামে।

তিনি গুলশান টেকপাড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। গুলশান এলাকার একটি বাসায় নিরাপত্তাকর্মীর কাজ করতেন তিনি।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ঢাকামুখী সড়কে ধীরগতি
বরিশালে ছাড়েনি লঞ্চ, চলছে বাস
শাটডাউন: জরিমানা সাড়ে ১২ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৪৮১
‘এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না’
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’

শেয়ার করুন

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে: খাদ্যমন্ত্রী

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে: খাদ্যমন্ত্রী

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের স্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিকল্প নেই। সমাজ ও রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে সংবাদ পরিবেশনের সময় সাংবাদিকদের সতর্ক থাকতে হবে। তাদের ভুলের জন্য কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সে দিকটা খেয়াল রাখতে হবে।’

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা দেশকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

নওগাঁয় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ- (পিআইবি) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘দেশের স্বার্থে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিকল্প নেই। সমাজ ও রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে সংবাদ পরিবেশনের সময় সাংবাদিকদের সতর্ক থাকতে হবে। তাদের ভুলের জন্য কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয় সে দিকটা খেয়াল রাখতে হবে।’

মাদকের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে উল্লেখ করে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, ‘মাদক কারবারি ও সেবীদের পক্ষে কেউ সুপারিশ করতে এলে সেই মামলার চার্জশিটে সেই ব্যক্তির নাম যোগ করে দেবেন। তা সেই দলেরই লোক হোক না কেন। এক্ষেত্রে কোনো তদবির চলবে না।’

এসময় জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশীদ, পিআইবির পরিচালক (প্রশাসন) আফরাজুর রহমান, প্রশিক্ষক পারভীন সুলতানা, নওগাঁ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ ওহিদুল ইসলাম এবং সাংবাদিক আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

পরে খাদ্য মন্ত্রী প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া ৩৫ সাংবাদিকের হাতে সনদ তুলে দেন।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ঢাকামুখী সড়কে ধীরগতি
বরিশালে ছাড়েনি লঞ্চ, চলছে বাস
শাটডাউন: জরিমানা সাড়ে ১২ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৪৮১
‘এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না’
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’

শেয়ার করুন

মহেশপুর সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার ১১

মহেশপুর সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার ১১

খালিশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান জানান, অবৈধভাবে ভারত যাওয়া কিছু বাংলাদেশি আবার দেশে ফিরছে এমন সংবাদ পেয়ে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

অবৈধভাবে ভারতে গিয়ে আবার বাংলাদেশে ফেরার সময় ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্ত থেকে শিশুসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

মহেশপুর উপজেলার শ্যামকুড় বিওপির মুন্ডুমালা গ্রাম থেকে শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ১১ জনের মধ্যে ১ জন শিশু, ৪ জন নারী ও ৬ জন পুরুষ। তাদের বাড়ি ঢাকা, গোপালগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নড়াইল, চট্টগ্রাম, সাতক্ষীরা ও যশোরের বিভিন্ন উপজেলায়।

খালিশপুর ৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান নিউজবাংলাকে জানান, অবৈধভাবে ভারত যাওয়া কিছু বাংলাদেশি আবার দেশে ফিরছে এমন সংবাদ পেয়ে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে তাদের আটক করা হয়।

আটক ১১ জনকে মহেশপুর থানায় হস্তান্তর করে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধু সেতু থেকে ঢাকামুখী সড়কে ধীরগতি
বরিশালে ছাড়েনি লঞ্চ, চলছে বাস
শাটডাউন: জরিমানা সাড়ে ১২ লাখ টাকা, গ্রেপ্তার ৪৮১
‘এভাবে ভোগান্তিতে ফেলার কোনো মানে হয় না’
‘পশু পরিবহনের চেয়েও গাদাগাদি করে যেতে হচ্ছে’

শেয়ার করুন